শংকর হালদার শৈলবালার 'মুর্শিদাবাদের আর্তনাদ' কবিতার বিশ্লেষণ ১. ভূমিকা: 'মুর্শিদাবাদের আর্তনাদ' কবিতার পরিচিতিএই প্রতিবেদনটি কবি শংকর হালদার শৈলবালা রচিত 'মুর্শিদাবাদের আর্তনাদ' কবিতাটি নিয়ে একটি বিশদ বিশ্লেষণ উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। শংকর হালদার শৈলবালা বাংলা সাহিত্যের একজন উল্লেখযোগ্য লেখক, যিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক দুর্ভোগ এবং সমাজের অসঙ্গতিগুলি তুলে ধরেন। তাঁর 'মুর্শিদাবাদের আর্তনাদ' কবিতাটি একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের সাম্প্রতিক সহিংসতা ও তার মানবিক প্রভাবের উপর এক মর্মস্পর্শী এবং শক্তিশালী সামাজিক ... ...
"খোকা ফোন ধরল?", অরুণাদেবী বিছানায় শুয়ে শুয়েই অত্যন্ত ধীরে ধীরে ওনার স্বামী সৈকতবাবু কে জিজ্ঞেস করলেন। সৈকতবাবু অরুণাদেবীর মাথার কাছে এসে বসে স্ত্রীর মাথায় কোমলভাবে হাত বোলাতে বোলাতে একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন,"নাহ্! হয়ত ব্যস্ত আছে। খোকার কাজের অনেক চাপ। তুমি চিন্তা করো না অরুণা, আমি কিছু একটা ব্যবস্থা করছি।" আজ বিজয়া দশমী। সৈকত মজুমদার একসময় হাইকোর্টে কেরানির চাকরি করতেন। বছর দশেক হল রিটায়ার করেছেন। এখন উনি আর ওনার স্ত্রী অরুণাদেবী বোলপুরের কাছে ওনাদের দেশের বাড়িতেই থাকেন। ওনাদের বাড়িতে আবার দুর্গাপুজোও হয়। একসময় মজুমদার পরিবারের দুর্গাপুজো খুব ধুমধাম করে হত, এখন অবশ্য জাস্ট নিয়ম রীতি রক্ষার্থেই পুজোটা হয়, তবে পরিবারের সবাই মিলে পুজোর কটা দিন আনন্দের কোন খামতি ... ...
( ২৬ ) সাগর দেখল তিন চারজনে মিলে কি আলোচনা করছে বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে। গলায় কন্ঠি পরা একজন সাদা ধুতি পাঞ্জাবী পরা মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক একপাশে আলাদা দাঁড়িয়ে ছিলেন। সাগর তার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করল ' কি হয়েছে দাদা ? ' ভদ্রলোক সাগরের মুখে একবার চোখ বুলিয়ে নিয়ে মৃদুস্বরে বললেন, ' গিন্নীমার অসুখ হয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে ... ' ---- ' গিন্নীমা মানে, অলোকেন্দু স্যারের ... এ ... ' --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... ' ---- ' ওহ্ ... হঠাৎ কি করে ... ...
[ শুধুমাত্র প্রাপ্তমনস্কদের জন্য! সাধু সাবধান!!] সারাদিন বইসা থাকি। আর খাই। আর ডাকাডাকি করি। সেক্সের জন্য পার্টনার খুঁজি। সুরেলা ডাকে তাহাদের খুঁজি। তাহারা আমার ডাকে দেয় না তো সাড়া। তবু ডাকি। তাছাড়া আমার কোনো কামকাজ নাই। মানুষের জীবনের তো কত মহৎ উদ্দেশ্য থাকে। মাগার আমার জিন্দেগীতে কোনো এইম নাই। এইমলেস হওয়াটা অবশ্য এই জমানায় ফ্যাশন হয়া গেছে। কেউ যদি নিজেরে এইমলেস ডিক্লেয়ার করে ফেলে, তাহলেই সে হয়া যায় মোটিভেশান স্পিকার। মাগার আমি তো স্পিকারও হইতে পারবো না। কারণ মানুষ যে ভাষায় কথা বলে সেই ভাষা আমি তো কইতে পারি না। আর আমি যে ভাষায় ডাকাডাকি করি, সেই ভাষা মানুষ বোঝে না। ... ...
কূর্ম অবতার নরেশ জানা (এক) মাঝ রাতে নদীর পাড় ভাঙে কচ্ছপটি। গুটি গুটি নেমে আসে জঙ্গলের গহন পথে। এ সময় স্তব্ধ চরাচর। নিঝুম অন্ধকারে ঘুমায় জঙ্গল। ঘুমায় হাসদেও নদী। পায়ে আজকাল জোর মেলে না তেমন। ঘসা অভ্রের মতো চোখ। সে চোখে গ্রহণ লেগেছে বহুকাল। এতদিন বাঁচা ভালো নয়, তবু কেন বেঁচে আছে? এই ধ্বংসলীলা দেখতে হবে বলে? ওই যে দাগ দেওয়া হাজার হাজার গাছ, দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যুদণ্ড নিয়ে। তাদের ঝপাঝপ মাটিতে পড়ে ... ...
( ২৫ ) সাগর পটলের দোকানে গেল বিকেল চারটে নাগাদ। --- ' কি হয়েছে রে ? মাণিক এসেছিল নাকি ? ' পটল কাজ ফেলে বাইরে এল। --- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... মোনা মজুমদারের সঙ্গে প্রতাপ ধরের লোক নাকি কি ঝামেলা করেছে ... ' --- ' কি করেছে ? ' --- ' কাল নাকি চাকু চালিয়েছিল ... লাগেনি ...' --- ' কখন ... কোন জায়গায় ? ' --- ' মাণিকদা বলল গ্যালিফ স্ট্রিটের ওদিকে ... খালপারে ... ...
মাঠ যে আখ্যানের প্রাণসর্বস্বপুরুষোত্তম সিংহঔপন্যাসিক দায়বদ্ধ সময়ের কাছে, ইতিহাসের কাছে, অতীতের কাছে, বর্তমানের কাছে। সময়ের অজস্র চোরাস্রোতকে তিনি যেমন ধবমান করবেন তেমনি কেউ কেউ শিল্পের দায়কে অস্বীকার করে সময়কে প্রত্যাখ্যানও করেন। আবার নিটোল বাস্তব, প্রত্যক্ষ বাস্তবকে শিল্পের বাস্তবে পরিণত করার যে পর্যবেক্ষণ শক্তি, অভিজ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োজন তা অনেক বাঙালি লেখকেরই নেই। তাই বাস্তবতার নামে কখনো তা ফোটোগ্রাফি হয়ে ওঠে, হয়ে ওঠে তথ্যের বিবরণ, ইতিহাসকে পুনরাবৃত্তি করার দোষে দুষ্ট। ইতিহাসের সত্য, সময়ের সত্য, বাস্তব সত্যকে সাহিত্যের আঙিনায় প্রতিফলিত করতে জরুরি শিল্পদর্শন, নৃতাত্ত্বিক জ্ঞান, সমাজতাত্ত্বিক প্রজ্ঞা। জমি নিয়ে লিখতে গেলে জানা জরুরি জমির চরিত্র, জমির দেহ, জমির ব্যাস-ব্যাসার্ধ, জমি-মানুষের সম্পার্য ও ... ...
"আমি চুরি করিনি!" - লিখে কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা এক নাবালকের! এটা কি সমাজের বিপর্যয় নয়? মনুষ্যত্বের হেরে যাওয়া নয়? মানুষের আধুনিকতার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার মত একটা ঘটনার পিছনে দোষী কারা? দোষ কী শুধু সেই 'সিভিক' কাম দোকানদারের? নাকি নাবালকের অভিভাবকের? অথবা সমাজের? নাকি আমাদের সবার? পাঁশকুড়ার ঘটনা! চিপসের প্যাকেট হাতে একটি ছেলেকে ধাওয়া করে সিভিক-দোকানদার! ছেলেটি নাবালক, সপ্তম শ্রেণী মাত্র! ভরা বাজারে দাঁড়িয়ে চোর অপবাদ দেওয়া হয় তাকে! বাচ্চা ছেলেটি জোর গলায় সেই অপবাদের বিরুদ্ধে চিৎকার করে! কিন্তু সে জানতই না যে তার চিৎকার শোনার মত লোকজন এই 'সুস্থ মেকি' সমাজে আর বেঁচে নেই। সেদিনের সেই অপমান মেনে নিতে পারেনি ... ...
ফেলুদা, তোপসে আর লালমোহন বাবু একবার ট্রেকিং-এ গিয়েছিলেন। রাত্রিবেলা পাহাড়ের কোলে একটা জায়গায় বিশ্রামের জন্য আশ্রয় নিলেন ওনারা। বেশ কিছুক্ষণ ঘুমানোর পর ফেলুদা হঠাৎ লালমোহনবাবুকে ডেকে ঘুম থেকে তুলে জিজ্ঞেস করলেন, "বলুন তো? কী দেখছেন?" লালমোহনবাবু অনেক কষ্টে চোখ খুলে তাকিয়ে একটু গানের সুরে বললেন, "কেন? টুইঙ্কল টুইঙ্কল লিটল স্টার! হাউ আই ওয়ান্ডার হোয়াট ইউ আর!" ফেলুদা আবার জিজ্ঞেস করল, "এর থেকে আপনি কী বুঝছেন?" লালমোহনবাবু দুহাতের দশটা আঙুল দিয়ে বুকের ওপর তবলা বাজাতে বাজাতে তৎক্ষণাৎ বললেন, "ধূর মশাই! এ আবার বলতে? মিলিয়নস অফ স্টারস! বিলিয়নস অফ গ্যালাক্সিস! নাহ্ এই দৃশ্যটা আমার পরের উপন্যাসে ঢোকাতেই হচ্ছে মশাই! ভাগ্যিস আপনার সঙ্গে ... ...
"আচ্ছা রীতিকা....তুমি কোনোদিন ফ্লাইটে ট্রাভেল করেছ?", অফিস থেকে ফিরেই কাঁধ থেকে ব্যাগটা নামিয়ে জুতোটা খুলে ঘেমো জামার হাতাটা গোটাতে গোটাতে সৌমেন জিজ্ঞেস করল।"না...হঠাৎ একথা জিজ্ঞেস করছ যে?", রান্নাঘর থেকে সরবত করতে করতে রীতিকা উত্তর দিল।বেসিনে গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে ধুয়ে তোয়ালেতে মুখ মুছতে মুছতে সৌমেন বলল,"কাল প্রিয়াংশু আর ওর মিসেস সিমলা মানালি ঘুরতে যাচ্ছে.......দিল্লী অবধি ডাইরেক্ট ফ্লাইট..... তারপর ওখান থেকে বাই কার মানালি। সিমলাটা মানালি কমপ্লিট করে তারপর যাবে বলল। সাতদিনের ট্যুর!""ধরো।", বলে সরবতের গ্লাসটা সৌমেনের হাতে দিয়ে ওর পাশে সোফায় বসল রীতিকা।এক চুমুকে পুরো গ্লাসটা নিঃশেষ করে হাঁফাতে হাঁফাতে সৌমেন বলল,"আমরা কতদিন কোথাও ঘুরতে যাইনি বল?""হ্যাঁ, অনেকদিন......বিয়ের পর সেই ... ...
... রংপুরের ম্যাজিস্ট্রেট মালটার ... মিস্টার ডেভিড স্কট ১৮১৫ সনে জনৈক রাজাহ রমমাহন রয় ও শ্রীকান্ত্ বাসু ( শ্রীকান্ত বসু আরকি) নাম্নী দুই গুণধরকে ভুটানের রাজ দরবারে দূতিয়াল হিসেবে পাঠান। এরপর ভুটানের বিস্তৃত ও সম্পদশালী (অধুনা সেভেন সিস্টার্স খ্যাত এলাকা) অইঞ্চল আংরেজ শাসন বলয়ে চলে আসে।আর এর উত্তরসূরি ভারতের নব্য (a class of persons Indian in blood and colour, but English in tastes, in opinions, in morals, and in intellect) মিড ক্লাস ইন্তেলেজিয়েন্সিয়া সামাজ এর স্থলাভিষিক্ত হয়।আত্মীয়সভা বা ব্রাহ্মসমাজ এর (সিক্রেট সোসাইটিগুলো মনে হয় কাকা দেখেছিলেন ইংরেজদের ভেতর আর তক্ষনি হয়তো ব্লেক স্কিন এর একটা white musk এর কলনিয়াল বাতিক ... ...
নতুন শতকের আমরা ২৫ বছর পার করে ফেলেছি। গত শতাব্দীর শুরু হয়েছিল সর্বহারা বিপ্লবের প্রতিশ্রুতি দিয়ে। দু’টি বিশ্বযুদ্ধ ও কয়েক কোটি মানুষের মৃত্যু পেরিয়ে, অনেক রাষ্ট্রে বিপ্লব এসেছে, কিন্তু সর্বহারার মুক্তি ঘটেছে কি? শতাব্দী শেষে সোভিয়েত ইউনিয়ান উবে গেছে ও চীনসহ অন্যান্য “সমাজতান্ত্রিক” রাষ্ট্রে ব্যক্তি পুঁজির চাষ চলছে। উল্টো দিকে, নতুন শতকে ফ্যাশিবাদ আবার ফিরে এসেছে। সঙ্গে নিয়ে এসেছে বিশ্বযুদ্ধ ও গণহত্যার আতঙ্ক।কেন এমন হ’ল? যদি আরও তলিয়ে দেখি, তাহলে মার্ক্সিয় মহলে ঘুরতে থাকা এক ধারণার কথা বলতেই হয়। ফ্যাশিবাদ হ’ল, অবক্ষয়ের পুঁজিতন্ত্র। অর্থাৎ, পুঁজিবাদী সমাজ তার অবক্ষয়ের সময় ফ্যাশিবাদকে আঁকড়ে ধরে। এখন, এক শতাব্দীর ব্যবধানে পুঁজিতন্ত্র ও তার অবক্ষয় ... ...
‘সিঁদুরের‘ বদলা নিতে মক ড্রিলের ধোঁয়াশায় চলছে অপারেশন ‘সিন্দুর‘! ৮ই মে এর কালরাত্রি! ছুটে আসছে পাক – ড্রোন! ভারতীয় সেনা সেগুলো চুটকি মেরে ভূপতিত করছে ‘সুদর্শন‘ এর কেরামতিতে। গোটা রাত সারা ভারত জেগে! মানচিত্র থেকে মুছে গেছে করাচি বন্দরের চিহ্ন! আই. এন. এস বিক্রান্ত স্বমহিমায় ফিরে আসছে তেরঙ্গা টাঙিয়ে! আবারও অ্যাটাক! আবারও ভারতীয় ডিফেন্স পরাজিত করেছে পাকিস্থানের জঙ্গিসুলভ মানসিকতাকে! ছুটিতে থাকা সৈনিকেরা ফিরে আসছে সীমান্তে! বন্ধ হয়েছে সীমান্ত লাগোয়া সমস্ত স্কুল কলেজ! রাত ৮ টা থেকে সকাল ৬ টা অবধি ব্ল্যাকআউট! কমানো হয়েছে পর্যটকদের ইতিউতি ঘোরা! শুধু রাজধানী নয়, সমুদ্রতীরবর্তী শহর মুম্বাইয়েও বাড়ানো হয়েছে সতর্কতা! প্রাণ যাচ্ছে কত মানুষের, শহীদ ... ...
রান্নাঘর থেকে এক ছুটে বেরিয়ে এসে বিছানার ওপরে রিং হতে থাকা ফোনটা রিসিভ করে ঋতু জিজ্ঞেস করল,"হ্যালো, কে বলছেন?"উত্তর এল,"কী রে? এর মধ্যেই ভুলে গেলি?""আরে! অর্ক? তুই! কী খবর? এত দিন পর! ওওওওও.....তুই তো এখন বিদেশী! দেশের লোকজনকে মনেই বা রাখবি কেন বল?", ওপারের গলার আওয়াজ শুনেই ঋতু চিনতে পারল যে সে অর্ক ছাড়া আর কেও নয়।"এই তো? লেগ পুল শুরু করলি? আচ্ছা এই নম্বরটা সেভ করে নে, এটা আমার নতুন নম্বর।""কেন আগের টা কী হল?""আরে, আগেরটা লন্ডনের নম্বর ছিল। আজই তো ইন্ডিয়া এলাম। ভোরের ফ্লাইটেই ল্যান্ড করলাম। নেমেই আগে এই সিমকার্ডটা নিয়ে এয়ারপোর্ট থেকে সোজা বাড়ি, তারপর একটা ন্যাপ। ... ...
বিদ্যালয় শিক্ষা নিয়ে এমন গাছাড়া মনোভাব পৃথিবীর কোন দেশ বা রাজ্যে কাম্য নয়। বিশেষ করে যে দেশে বা রাজ্যে বেকারত্ব এত বেশি! যেখানে বেশিরভাগ মানুষ স্কুলের গণ্ডি না পেরিয়েই পেটের ভাত যোগাড় করতে কোন না কোন কাজে লেগে পড়েন, চলে যান অন্য জেলায় বা রাজ্যে! আঠারোর নীচের শিশুরাও এর ব্যতিক্রম নয়! একটু চোখ কান খোলা রাখলেই দেখা যায়, অমুক জায়গায় তমুক পরিবারের শিশু অন্যত্র কাজ করতে চলে গেছে পড়াশোনার ল্যাটা চুকিয়ে। অথবা, পাশের গ্রামের এক নাবালিকার ওর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়েছে! এ ছবি নিরন্তর! দৈনিক পত্রিকার পাতায় এসব খবর যেন নিত্যদিনের অভ্যেস হয়ে দাঁড়িয়েছে! কিন্তু পরিস্থিতি ... ...
১১ ও ১২ই এপ্রিল রাতে মুর্শিদাবাদে বেতবোনা ও ধুলিয়ানে হিন্দুদের ওপর কি অত্যাচার হয়েছিল ? কলকাতা হাই কোর্ট নিযুক্ত অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন[১](২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে, মুর্শিদাবাদ জেলায় ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন ২০২৫-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়। এই প্রতিবাদ কিছু এলাকায় পরিকল্পনা মাফিক হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসায় রূপ নেয়। এতে হিন্দুদের প্রাণহানি, ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ধ্বংস, মন্দির আক্রান্ত হওয়া এবং বহু হিন্দু গৃহচ্যুত হন।এই ঘটনার তদন্ত করতে কলকাতা হাই কোর্ট একটি তিন সদস্যের স্বাধীন অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে।জগিন্দর সিং – জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রেজিস্ট্রার (আইন)সত্য অর্ণব ঘোষাল – পশ্চিমবঙ্গ লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির সদস্য সচিবসৌগত চক্রবর্তী – পশ্চিমবঙ্গ বিচার বিভাগীয় পরিষেবার রেজিস্ট্রারমূল পর্যবেক্ষণ ও ... ...
এতগুলো বছর কাটিয়ে দিলাম যে-এখন আর অভিযোগ করি না।ভুল বুঝলেও কিছু মনে হয় না।বন্ধু হওয়া অনেক বড় কাজ; বন্ধুত্বের দাবি কি সহজে যায় করা? বলার কথা আছে অনেক- সবার।শোনার লোক আছে কটা?আমি তোমার কথা শোনার মানুষ হতে পারি।কথা বোঝার মতো একটা মন করছি তৈরি। দুটো দিন, দুটো মানুষ, দুটো কথা;তারপর দুটো আলাদা পথে চলে যাওয়া।ব্যস- এটাকেই কি জীবন বলা যায় না? এতগুলো বছর কাটিয়ে দিলাম যে—এখন আর অভিযোগ করি না।ভুল বুঝলেও কিছু মনে হয় না।বন্ধু হওয়া অনেক বড় কাজ;বন্ধুত্বের দাবি কি সহজে যায় করা? বলার কথা আছে অনেক— সবার।শোনার লোক আছে কটা?আমি তোমার কথা শোনার মানুষ হতে পারি।কথা বোঝার মতো একটা মন করছি তৈরি। দুটো দিন, ... ...
"থিয়েটার ইজ আ ডাইং আর্ট"— কথাটা গত প্রায় একশো বছর ধরেই বলে আসা হচ্ছে এবং তার সমান্তরালেই শত্তুরের মুখে ছাই দিয়ে থিয়েটার এখনো চলছে। এমন নজির অন্য কোনো আর্টফর্মের আছে বলে আমার জানা নেই, কিন্তু এই ওটিটিসর্বস্ব যুগেও যে থিয়েটার এখনো বেঁচেবর্তে আছে, তার কারণ যুগের পর যুগ ধরে সময়ের দাবি মেনে থিয়েটারকরিয়েদের বিবর্তনক্ষমতা। এমন দাবির পক্ষে পেশ করার জন্য কলকাতার থিয়েটারজগতের সাম্প্রতিকতম উদাহরণ দমদম আনন্দধ্বনি নাট্যদল পরিবেশিত রাজা ভট্টাচার্য পরিচালিত "রঞ্জন আসবেই"। রবিপক্ষে অনুষ্ঠিত এমন নামের পরিবেশনা যে "রক্তকরবী" আশ্রিত তা অবশ্যই বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে যা বলতেই হবে যে, রবি ঠাকুরের লেখা মূল নাটকের এমন উপস্থাপনা অবশ্যই ... ...
মাওবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক যে সে লোক নন। তাদের রীতিমত সশস্ত্র বাহিনী আছে। ভারতের কেন্দ্রে প্রত্যন্ত এক অরণ্যখণ্ড আছে আর সেখানে মূলবাসী গোণ্ডরা থাকেন। সেখানে, সেই অবুঝমাড়ের প্রত্যন্ত অরণ্যে, বেশ কিছুদিন ধরে অপারেশন কাগার, অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট এইসব অদ্ভুত নামের পুরোদস্তুর সামরিক অভিযান চলছে। যার লক্ষ্য মধ্যভারতের
প্রাচীনকালে অর্থাৎ আমাদের বালকবেলায় গরমের ছুটি একটা বড় ব্যাপার ছিল। আমাদের অনেকের বাড়িতে গরমের ছুটিতে আত্মীয় স্বজন আসতেন। বিশেষত অনেক সময় মহিলারা ছেলে মেয়ে নিয়ে পিতৃগৃহে গরমকালে একবার আসতেন। আমি যে পাড়ায় থাকতাম সেখানে কারো কারো বাড়িতে দেশের বাড়ি থেকে গাছপাকা আম আসত এই সময়। সেটাও বড় আকর্ষণ ছিল ছোটোদের কাছে। প্রতি বছর পাড়ায় নিমুদের বাড়িতে শ্যামল আসত। শ্যামল সেবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল। আমি তখন এইটে পড়তাম। শ্যামল সেই যুগের তুলনায় অনেকটাই স্মার্ট ছিল। তার ওপর কবিতা লিখত এবং সেটা ছেপে বেরোত। আমাদের দেখিয়েছিল উত্তরবঙ্গ থেকে প্রকাশিত একটা পত্রিকায় ... ...