গরম পড়ল এবছর - দুম করেই। সোশ্যাল মিডিয়ায় বছরকার চর্বিতচর্বন শুরু - ব্যক্তিগত স্তরে বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধ করুন, চান কম করুন, এসির ব্যবহার কমান, গাড়ির ব্যবহার কমান ইত্যাদি। এগুলোর কোনোটা নিয়েই আলাদা করে আমার আপত্তি নেই। আমার এই ধরণের বক্তব্য নিয়ে আপত্তির জায়গাটা অন্য। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে বক্তব্যগুলো তৈরি হচ্ছে মূলতঃ বড় কর্পোরেট সংস্থার পক্ষ থেকে। সেখান থেকে হয়তো চুঁইয়ে আসছে এনজিওতে, আবাসনে, স্কুলপাঠ্যে। "কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি" নামের এক বকচ্ছপ জিনিসে ধোঁয়া দেওয়া হচ্ছে। "ব্যক্তি" হিসেবে আপনার দায়, সাথে কিছুটা অপরাধবোধ সুক্ষ্মভাবে চারিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু "ব্যক্তি" আপনি ঠিক কতটা কী করতে পারবেন? সোজা উত্তর কিস্যু ... ...
বিজ্ঞান হলো এই মহাবিশ্বের যা কিছু পর্যবেক্ষণযোগ্য ও যাচাইযোগ্য এমন জ্ঞান যা পরীক্ষিত সত্য। অতিপ্রাকৃত নয় বরং প্রাকৃতিক বলে মনে করে কোনও ঘটনার ক্রমশ অভিজ্ঞতা লব্ধ ফলাফলকে বিশ্লেষণ করাই হলো বিজ্ঞান। বৈজ্ঞানিক মেজাজ হলো সেই বৌদ্ধিক চেতনা যা মুক্তমনা ও কৌতূহলী মানসিকতা এবং ভুল প্রমাণিত হতে ইচ্ছুক সহনশীলতা তৈরি করে। বর্তমান দুনিয়ায় সঠিক পথে কর্মক্ষেত্রে এবং জীবনে সাফল্যের জন্য বৈজ্ঞানিক মনোভাব একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। শুধু তাই নয়, বৈজ্ঞানিক মনোভাব মানুষের কুসংস্কার, ধর্মীয় গোঁড়ামি এবং ছদ্ম-বিজ্ঞানকে দূরে সরিয়ে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি ধর্মনিরপেক্ষতা, মানবতাবাদ এবং অনুসন্ধান ও সংস্কারের মনোভাব বিকাশে সহায়ক ভূমিকা নিতে পারে।রাজনীতিতে ধর্মের অনুপ্রবেশ বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে রাজনীতির ... ...
তেলামাথায় তেল দেওয়া খারাপ। কিন্তু ইফতার বা অন্নদান বা চড়ুইভাতির নামে গরিব সুবিধাবঞ্চিতদের খাওয়ানো তো ভালো কাজ। সেটার সঙ্গে সব মিলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। আর একটু ভিন্ন মত হচ্ছি, দক্ষিণ এশিয়ায় যখন ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা বাড়ছে তখন একসঙ্গে বসে খাওয়া দাওয়া করা খুব দরকার। জলের কুয়ো ছুঁলে মারা হচ্ছে। মন্দিরে ঢুকলে পিটিয়ে মারা হচ্ছে। ভিন্ন ধর্মের উপাসনালয় উৎসবের দিনে ঢেকে দিতে হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে ধর্মের নামে হিংসা চলছে সেসময় এই ধরনের একত্র ভোজন লোক দেখানো হলেও একটা বার্তা দেয়। একসঙ্গে থাকার। উৎসবের দিন গুলি আনন্দের না হয়ে আতঙ্কের হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গে এই ব্যতিক্রমটা থাক না। ... ...
ঝন্টু’দি ১ আমাদের অনেকেরই একজন করে ঝন্টুদি থাকে। আমারও ছিল, সেই ছোটবেলা থেকেই। ওকে দেখলেই আমার দিন ভালো হয়ে যেত। গোমড়ামুখো মেঘলা দিন রোদ্দুরে ঝলমলিয়ে উঠত। প্রথমবার ঝন্টুদিকে দেখি বোকারোয়। ঝাড়খন্ডের হাজারিবাগ জেলার বোকারো। আজকের নামজাদা ইস্পাতনগরী বোকারো নয়। দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের একটি ছোট্ট পাওয়ার হাউস, তার কু-ঝিক-ঝিক রেলস্টেশন। সেখানে পাহাড়ের গায়ে গড়ে ওঠা একটা ছোট্ট জনপদ। পাওয়ার হাউসের মজদুরদের লেবার পাড়া। অ্যাসবেসটসের শেড, গায়ে গায়ে লাগা দুটো ছোট্ট কোয়ার্টার। একটায় মৈত্র জ্যেঠু, জ্যেঠিমা ও তাঁর দুই মেয়ে। ছ’বছরের তোতন, আর চোদ্দ বছরের ঝন্টুদি। অন্যটায় বাবা-মা আর আমি-- চার বছরের ছোট্ট চন্দন। ওদের দুটো ঘর আর একচিলতে রান্নাঘর। আমাদের একটা ঘর ... ...
( ২৫ ) নীতিন এসে প্রথমেই রান্নার জায়গায় চলে গেল, মনে হয় চায়ের সন্ধানে। কলতান একটু এগিয়ে গিয়ে কাঁচা পাকা চাপদাড়িওয়ালা ভদ্রলোককে বললেন, ' বিদ্যুৎদা, এস এস ... তোমাকে ট্রাবল দিলাম ... ' --- ' আরে দূর ... কিসের ট্রাবল ? এটুকু যদি করতে না পারি, কাগজ চালাবার দরকার কি। আমি যে পয়সার জন্য কাগজ চালাই না সে তো তুমি জান ... ' ভদ্রলোক এসে বসলেন। কলতান শঙ্করীবাবুদের দিকে তাকিয়ে বলল ... ...
ছড়ার জন্য না হোক, ছবির জন্য একবার পড়ে যান সময় পেলে। শিল্পীকে অনুরোধ করে সকাল সকাল ডেকে দোলের দিন ছবিটা আঁকিয়েছি।
রোদ্দুর রায়।
( ২৪ )আজ শুক্রবার। মাহিরের বাগানের একধারে, সহদেবের ঘরের সামনে প্রায় একডজন গার্ডেন চেয়ারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রকাশই করেছে নিশ্চয়ই। আগের পিকনিকে যারা ছিল তাদেরই দেখা যাচ্ছে। আরও কেউ কেউ আসবে হয়ত। কলতান এসেছে ঘন্টাখানেক হল। প্রকাশ গেটের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল পিছনে হাত দিয়ে। কলতান তার কাছে
একটা বড় কাজ শেষ করলাম ডকুফিকশন আলমগীর। ওটাকে ধরে প্রচুর ব্লগ লিখেছি আর সেসব নিয়ে দুটো বিষয় ভিত্তিক বই - মনোগ্রাম বেরিয়েছে গঙ্গা যামুনি তেহজিব - হিন্দুস্থানের মিশ্র সংস্কৃতি ২০২৩ এ আর মোঘলকথা ২০২৫। এসব করার আমি কে? আমি কি ইতিহাসের পণ্ডিত? তবে আমি কেন করলাম? আনন্দের বিষয় এসব নিয়ে কেউ প্রশ্ন করে না আজকাল। হিন্দুত্বের রমরমার যুগে পপুলার হিস্ট্রি সম্পৃক্ত যুক্তিবাদী পলিটিক্যাল ন্যারেটিভকে গ্রহণ করার লোকের অভাব নেই। তাই ওই দুটো বই জনপ্রিয় হয়েছে আরো হবে সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। বাঙালি ভদ্দরলোক জন্ম বদ আর ইংরেজ দেখলে ল্যালা করলেও ব্ল্যাকশিপদেরও বাজার আছে অতএব আমারো ... ...
আধুনিক জাতি রাষ্ট্রের ধারণা মোঘল আর মারাঠা বা অন্যদের ওপর আরোপ করে একটা বাইনারি তৈরি করা হচ্ছে। দুঃখের বিষয় এটা আলোচনাতেই আসে না যে সেসময়টায় জাতি রাষ্ট্রের ধারণাই ছিল না। এই যে এতবড় মোঘল স্টেটের ম্যাপ দেখানো হয় সেটা ব্রিটিশদের আঁকা। তখন ম্যাপের ধারণাই ছিল না। ফিরিঙ্গীরা এই স্পেসিয়াল ইমেজিংয়ের বা কার্টোগ্রাফিক ম্যাপের ধারণা নিয়ে আসে। ঔরঙ্গজেবের না ছিল ম্যাপের ধারণা, না ছিল এখনকার মতো সেন্ট্রালাইজড আর্মি। সঞ্জয় সুব্রামনিয়ম মোঘল স্টেটকে বলেছেন এ্যালায়েন্স স্টেট। ফারহাত হাসান বলছেন শেয়ারড বেসিস অফ সভরিনিটি। মোঘল যুগে এমনকি সেন্ট্রালাইজড ট্যাক্সও ছিল না। স্থানীয় রাজারা মোঘলদের জন্য ট্যাক্স তুলত আর সে করতে গিয়ে নিজেরা ঝাড়ত ... ...
( ২৩ ) তমাল এসেছে সাড়ে আটটার আগে। এখন রাত দশটা বেজে গেছে। তমাল বলল, ' ডি এন এ ডিটেক্টেড হয়েছে রুমালে লেগে থাকা ঘাম আর চুলের স্যাম্পল থেকে ... ' কলতান বলল, ' এখন কাজ হল চেয়ার থেকে রুমালে লাগিয়ে নেওয়া ঘাম আর চুল, তেঁতুলতলার ঝোপ থেকে পাওয়া মাটি আর দশ টাকার কয়েন আর গুদামঘর থেকে পাওয়া প্লাস্টিকের বোতামে লেগে থাকা ডি এন এ মেলানো। আর অন্যদিকে প্রকাশের ... ...
( ২২ ) কুলচা বসে আছে অনেকক্ষণ ধরে। তাড়াহুড়ো করে সকাল নটার মধ্যে এসে হাজির হয়েছে। কলতান তাকে একবার ' ও ... তুই এসে গেছিস ... এক মিনিট ... বস বস ...' বলে একটা নোটবুক আর পেন খুলে তাতে তাতে ডুবে গেল। নোটবুকের পাতায় কি সব লিখতে লাগল আর কাটাছেঁড়া করতে লাগল কলতান। লেখার পাশে পাশে সত্যজিত রায়ের চিত্রনাট্য লেখার স্টাইলে ছোট ছোট স্কেচ করে রাখতে লাগল। অনেকেই জানে না কলতানের আঁকার হাত খুব ভাল। সে পেন্টিংয়ের লাইনে ... ...
আমার ওতো জানার সুযোগ নেই কেমনে একাদেমি দেয়। ওসব ভদ্দরলোকী খবর জানার ইচ্ছেও নেই। এই পরিস্থিতিতে চাড্ডি ষড়যন্ত্রের থেকে অন্য কিছু প্রাসঙ্গিকও নয়। ভদ্দরলোক অবশ্য সেটা মনে করে না। সে আগে সাহেবের গুখোরি করত। মাঝে কংগ্রেস আর এখন চাড্ডির গোমস্তাগিরি করতে করতে কী ভাবে? সে কী ভাবে আমি বেঁচে যাব? একাদেমি পুরষ্কার না দিয়ে বাংলা ভাষাকে হতচ্ছেদ্দা করল চাড্ডি প্রশাসন। এটা কতজন ভদ্দরলোক বিবি ও বাবু কলমচী মনে করেন জানতে মন চায়। করলে চাড্ডি সম্পৃক্ত সরকারী ও কর্পোরেট পুরষ্কার বয়কট/প্রত্যাখ্যান করুন। চিরকেলে হাত কচলানর কায়দা আর চলবে না। ... ...
আপনে আপ মে মস্ত দারা শুকোহ, শাহেনশাহের পছন্দের। অতীন্দ্রিয় মহিমায়, পবিত্র স্বর্গীয় আশীর্বাদপুষ্ট সার্বভৌমত্বের - সেক্রেড সভরিনিটির ইমেজে আবদ্ধ বুদ্ধিজীবী, ফলে তাঁর নাকও একটু বেশি রকমের উঁচু হয়ে আকাশে ছুঁইছুঁই। তিনি নিজের পছন্দের কথা গোপনও করেন না ফলে অপছন্দের লোকেরা সংখ্যায় বেড়েই চলে। কিন্তু যুদ্ধ হয় মাঠে, স্বর্গ থেকে বড্ড জোর আশীর্বাদ আসতে পারে। সে যুদ্ধের, সেই মাঠের কী হবে? সেখানে শাহাজাদা সুলতান ঔরঙ্গজেব বাহাদুর ঘোড়ার পিঠে হাতির পিঠে চড়ে কখন ও আক্রমণে যাচ্ছেন কখন ও পেছিয়ে আসার শিক্ষে হচ্ছে তাঁর। প্রধান সেপাইসালার আলি মার্দান খান সাহেবের কাছে নিজে যাচ্ছেন। আরও যাচ্ছেন পাঁচ হাজারি সব বড় বড় মনসবদার সাদাউল্লাহ খান ... ...
( ২১ ) যদুনাথকে এখন গেটে দেখা যাচ্ছে না। হয়ত শৌচাগারে গেছে কিংবা টিফিন করতে গেছে কাছেপিঠে। কলতান তিন্নির মুখের দিকে তাকিয়ে রইল খানিকক্ষণ সন্ধানী দৃষ্টিতে। এগিয়ে গিয়ে তিন্নির কাঁধে স্নেহের হাত রাখল। মাথা ঝুঁকিয়ে নরম গলায় বলল, ' তিন্নি ... কিছু বলবে ? ' তিন্নির একটা বিচিত্র স্বভাব আছে। তার বিশেষ কথা বলার অভ্যাস ... ...
তুকারামের আভাঙে ব্রাহ্মণদের মোঘল আর বিজাপুর কোর্টের পেয়ারের লোক বলে গাল পাড়া আছে। সেটা শাজাহানের সময়। আর জাহাঙ্গীর তো হাবশি সহ মারাঠাদের প্ৰতি জাতি বিদ্বেষী ছিলেন। বরং আলমগীর নিজে ছোটবেলা থেকে শাজাহানের হয়ে মারাঠা সঙ্গ বা হাবশি সঙ্গ করেছেন। তাঁর মহলের গুরুদায়িত্বে ছিলেন জনৈক আহমদনগরের হাবশি জেনারেল যাঁকে হাবশ খান উপাধি দেওয়া হয়। এটা জাহাঙ্গীরের আমলে অকল্পনীয় ছিল। দারা সুজার সংগে লড়াইতে ... ...
( ২০ ) সহদেব ঘরের সামনে একটা প্লাস্টিকের পুরনো চেয়ার পেতে দিয়ে সহদেব বলল, ' বসুন বাবু ... ' কলতান বসল। মানু ঘরের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল। কলতানকে দেখে হাসিভরা মুখে বলল, ' আপনি কখন এলেন স্যার ? ' --- ' এই খানিকক্ষণ আগে এসেছি। দেখতে এলাম তোমরা কেমন আছ ... প্রকাশজি তো বাড়ি নেই। তোমাদের বড়বাবু সুরেশজির সঙ্গে একটু আলাপ করে এলাম। এতদিন তো ওনার সঙ্গে পরিচয় হয়নি ... ' মানু মুখে হাসি ধরে রেখে বলল, ' তা বাবু ... কেমন লাগল ... ...
লেখক উমাদাস ভট্টাচার্য-এর লেখালিখির সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলাম 'শিকড়ের অলিগলি'-র (শারদ নির্মুখোশ, ১৪৩১) মাধ্যমে। কোনওরকম ভণিতা ছাড়াই আমার সরাসরি স্বীকারোক্তি: আমি মুগ্ধ হয়েছিলাম। এ-ব্যাপারে আমার কোনও নিরপেক্ষ অবস্থান নেই। ছোট-ছোট বাক্য, শব্দ প্রয়োগের ক্ষেত্রে রিপিটেশন, ছোট-ছোট সংলাপ দিয়ে তিনি যে-গদ্যটি বুনেছিলেন তাতে ছিল সময়ের মধ্যে দিয়ে চরিত্রদের বাধাহীন যাতায়াত। অতীত কখন যেন এসে বর্তমান সময়ের মধ্যে প্রবেশ করে। স্বপ্নের আবেশ তৈরি করে। ঠিক ম্যাজিক রিয়ালিজম বলব না; কিন্তু দৃশ্যগুলো ম্যাজিকের মতো আমাকে আবিষ্ট করেছিল। অত্যন্ত সাধারণ একটা পরিসর—বাজার—তার মধ্যে 'সময়'-কে ঘিরে চরিত্ররা ডালপালা ... ...
সিরাজগঞ্জে ২০০১ সালে একটা মর্মান্তিক গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সে বছর বিএনপি-জামায়েত ভোটে জেতে এবং তারপর নির্বাচন-পরবর্তী হিংসা শুরু হয়। তারই অংশ হিসেবে গণধর্ষণের শিকার হন পূর্ণিমা রানী শীল। ঘটনাটা সেই সময় খুব আলোড়ন ফেলেছিল। কাগজে যা পড়েছিলাম, তখন সে নেহাৎই অপ্রাপ্তবয়স্ক। সে আমলে ঘটনাটার কোনো বিচার হয়নি। চারজনকে গ্রেফতার করা হলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি। বরং মেয়েটির পারিবারিক ব্যবসা দুবার লুট করা হয়। তার পরিবার গ্রাম ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। আওয়ামী লিগ ক্ষমতায় ফেরার পরে, বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়। ১১ জনকে যাবজ্জীবন দেওয়া হয়। এটাও কাগজে পড়া, যে, পূর্ণিমা এতে খুশি হননি, কয়েকজনের মৃত্যুদন্ড চেয়েছিলেন। পূর্ণিমাকে নিয়ে রাজনীতিও হয়েছিল বিস্তর। তিনি আওয়ামী লিগের সঙ্গে যুক্ত ... ...