জিনিসপত্র নিজের হাতে বেছে দেখেশুনে কিনতে আমার ভালো লাগে। আজ অবধি অনলাইন কিছু কিনিনি। কিন্তু অনেকেই আজকাল অনলাইন কেনাকাটা করেন। নজমাআ ডেলিভারির ব্যবস্থা এখন হাতেহাতে। তার ওপর অনলাইন কেনাকাটার বেশিটাই নগদ অর্থ বর্জিত। কড়কড়ে নোটগুলো থেকে যাচ্ছে। যাঁরা অশক্ত শুধু তাঁরা নন, রীতিমতো হাঁটাচলা করার ক্ষমতা আছে তেমন লোকজনের অনেকেও এ দোকান সে দোকান করতে চান না।চারপাশ দেখে বুঝি, অনেকে বিশেষ করে সঙ্গতিসম্পন্ন মানুষজন পাড়ার দোকান থেকে এক পয়সারও কেনেন না। তাঁরা অনলাইনে জিনিসপত্র কেনেন বা শপিং মল থেকে। তারপর দারিদ্র্য ও ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের জন্য সরকারের মুণ্ডপাত করেন। আগে কেন্দ্র তারপরে রাজ্য সরকারের সমালোচনা দিয়ে মৌখিক আইনসভা শুরু হয়।ধাপে ধাপে ... ...
BOGOF আর জামানার মুজাদ্দেদ- সজীব নজরুলব্যর্থ প্রেমোদ্দ্যোগকিংবা প্রতারণামানুষ কেনো জানি নাগোপন করে যানবলতে গেলে প্রায় এক প্রকার চেপেই যান প্রতিবাদহীন মন-মগজহৃদয়ের ক্ষত - ভোতা বুদ্ধিনির্বিকার লজ্জাহীনতাপাকচক্রের ঘূর্ণাবর্তগামীআমার জীবন চরিতেরছোট খাতাটা মলিনতাআর দুর্বোধ্যতায়আমার কাছেইঅপরিচিত বেমানানআঞ্চলিক আর মানভাষারদ্বৈরথে আরোপিত যাআর আয়েশ পাঠ্য নাতা অন্যেরে দেখাবারমতন বাঁধানোও নয়নাহ নেই বিষয় বস্তুরঅভিনবত্ব - যা বড়বেশি অগোছালোখামখেয়ালীপনারউদাসী অসতর্কঅপটু স্ট্রোক আরমলিন বিষণ্ণ বর্ণেরঅদক্ষ প্রলেপনেবলা যায় মোটের উপরেদৃষ্টিনন্দনও নয়দেখলাম জীবনেরজীবন পংতিগুলোঅতিশয়োক্তিবানান বিভ্রাটযথাশব্দ ও উপমাউৎপ্রেক্ষা রুপকআর বাক্য বিন্যাসেভুল আর যাবতীয়অর্বাচীনতায় ডুবে আছেযথার্থ অনুভূতিআর চরিত্র চিত্রনরূপ ও স্বরূপপ্রকৃতি চিনে উঠবারপ্রচেষ্টায় ব্যর্থ ব্যাখ্যা দান ও রূপকল্পঅন্তর্দৃষ্টির অনুপস্থিতিমিথ্যা অনুমান আরপ্রবৃত্তির অনুগমনঅসহিষ্ণুতারিপুর দংশনদাম্ভিক ঔদ্ধত্যদুর্জনের সাথে সখ্যদুর্যোগপূর্ণ এক আবহদান করেছে সব কিছুতেজানি বলবেন-‘‘বিপদ এ এক অনাহুতশিক্ষক মহামহিমযুগে ... ...
সব মানুষের মধ্যেই ভগবান আছেন তাই কোনো মানুষকেই খারাপ কথা বলা উচিত নয় এতে খারাপ কথা বলা হবে তাঁকেই, কোনো মানুষকেই ছোটো করে দেখা উচিত নয় এতে ছোটো করে দেখা হবে তাঁকেই, কোনো মানুষকেই দুঃখ দেওয়া উচিত নয় এতে দুঃখ দেওয়া হবে তাঁকেই। --- অর্ঘ্যদীপ চক্রবর্তী
আরে বাস্তবটা দেখুন। বাম আমলে একটা কাজে সবমিলিয়ে ১০% দিতে হতো। পার্টি ফান্ড নেতা কল্যাণে। এদের আমলে ৩০ %। তবু বেশি কাজ হচ্ছে। কীভাবে?. বাম আমলে ধরা যাক ২০০৪ এ রাস্তার জন্য ৩০ লাখ বরাদ্দ হল। তিন লাখ বাদে ২৭ লাখ থাকল্। কিন্তু এই টাকা কোথায় লাগবে সে নিয়ে জেলা সম্পাদকমণ্ডলী তারপর জেলা কমিটি তারপর জোনাল কমিটি তারপর লোকাল কমিটি। তারপর ব্রাঞ্চ। তারপর এজি। তারপর গ্রাম কমিটি। তিন থেকে ... ...
এখনো মেয়েরা গর্ভধারণ করছে, কেন? এখনো কেন আমরা এমন যন্ত্র আবিষ্কার করতে পারলাম না, যেটায় ওই কাজটা হয়ে যায়! আমার নিঃশ্বাস নেওয়াটা বড্ড অসহ্য লাগছে, আমার কাছে টাকা নেই, নইলে আমিও এয়ার পিউরিফায়ার কিনে নিতাম। আমি এসি লাগিয়েছি
লিখেছেন কৌশিক দত্ত:বিচারের দাবিতে আমি কেন পথে নামব?কারণ এই আন্দোলন হেরে গেলে, অপরাধচক্রগুলো বেঁচে গেলে আমরা কেউ নিরাপদ নই। যে-কোনওদিন, যে-কেউ ধর্ষিত বা নিহত হতে পারি।একটা মেয়ের ধর্ষণ-খুনের বিচারের দাবিতে এত হাঙ্গামা কেন?তিলোত্তমা হত্যাকাণ্ড হিমশৈলের চূড়ামাত্র। অজস্র অপরাধের একটা, যা ভয়াবহতার কারণে সকলকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এরকম ঘটনা প্রতি মাসে বা সপ্তাহে ঘটার সম্ভাবনা প্রবল। সেগুলোকে আটকানোর জন্যই ... ...
টাওয়ার অফ সাইলেন্সরতন টাটা মারা যাওয়ার পর তাঁকে আগুনে দহন করা হয়েছে। কিন্তু এখন ইন্ডিতে বি.জে.পি. সরকার চলছে। হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থান চলছে। তাই জন্যও হতে পারে। কিন্তু আগুন দাহ করা হিন্দু নামক ধর্মের একটা রীতি। কিন্তু রতন টাটা পারসি ছিলেন। সেই অনুযায়ী ওই শরীর শকুনকে খাওয়ানো হবে। কিন্তু মিডিয়ার গবেষকরা বলছে দেশে শকুন কমে গেছে তাই আগুনে দাহ করা হয়েছে। কিন্তু এটা বলছে না যে প্রকৃতি ভারসাম্যহীন হয়ে পরছে। অথচ নুনের দাম কমেনি। শকুন কমে গেছে, নুনের দাম বেড়ে গেছে। বিট্রিশদের সময় গান্ধীজি নুনের ওপর থেকে ট্যাক্স হাটিয়েছিলো। আর টাটা গোষ্ঠী নুনের ওপর ট্যাক্স লাগিয়েছিলো একচেটিয়া ব্যাবসা দখল করেছিলো। সাইলেন্স অফ টাওয়ার এখন কোলাহলপূর্ণ। কিন্তু গান্ধীজি মরার পর থেকেই। সাইলেন্স অফ টাওয়ার কোলাহলপূর্ণ হয়ে গেছে। গান্ধীজি মরার পর ... ...
১৬ / জয়তু আমাদের ভাবনার অন্তরালে তোমাদের কান্নার শব্দ হাহাকার ধ্বনির বিচিত্রতা প্রকৃতি আর শহরের গায়ে বিধৃত। নদীর আড়ালে মানুষের প্রবাহমানতা আর হওয়ায় সংকুল কাশফুল নীলাকাশ - চিড়ল পাতা ছায়া পল্লব নির্জনতা বাঁশঝাড় আঁকাবাঁকা
'অরাজনীতি'র আক্ষরিক অর্থ ধরে খুব সহজেই বলে দেওয়া যায় যে কথাটার কোনও মানে হয় না। অনেকে সেই কথা তুলেই 'অরাজনীতি'র বিরোধিতা করেন। কিন্তু, অরাজনীতি কথাটা যাঁরা সদর্থক অর্থে ব্যবহার করেন, তাঁরা সচরাচর অরাজনীতি বলতে অদলীয় বোঝেন। এবং, 'অদলীয়' আন্দোলন কোনও গুণের কাজ নয়, এই কথাটা জোরগলায় বলার লোক কমে আসছে। অধিকাংশ আন্দোলনই, কিছুদূর গড়ালে, একটা সংগঠন তৈরী করে, যেটা আন্দোলনের ... ...
কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী যাঁরা ২০০৪ সালের মধ্যে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁরা অবসর গ্রহণের সময়, চারটি উৎস থেকে টাকা পান। (১) প্রভিডেন্ড ফান্ডে রাখা নিজের টাকা, (২) না নেওয়া ছুটির মূল্য, (৩) গ্র্যাচুইটি এবং (৪) পেনশন নিজের জন্য, যা পরবর্তীকালে কর্মচারীর মৃত্যু হলে, পারিবারিক পেনশন পাবেন তাঁর স্ত্রী/স্বামী/অবিবাহিতা মেয়ে ইত্যাদি।৫৫ বছর বয়স হয়ে গেলে, যদি কোনো কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী স্বেচ্ছাবসরের আবেদন করেন, তাহলে সেই আবেদন কিছুতেই খারিজ ... ...
শুরুটা খুব চমৎকার হয়েছিল। অনেক দিন পরে সারা রাজ্য জুড়ে একটা আন্দোলন সত্যিকারের অর্থে গণ আন্দোলন হয়ে উঠেছিল। ১৪ আগস্টের রাত দখল কর্মসূচি একটা অসাধারণ শুভ সূচনা করেছিল এই দিকে। অরাজনৈতিক ঘোষণা করে দলীয় প্রভাব মুক্ত মঞ্চ গঠন করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া হবে – এই ঘোষণায় সেদিন খুব তৃপ্তি এবং আনন্দ পেয়েছিলাম। সেই আন্দোলনেরই অংশ হিসাবে সমান্তরালে শুরু হয়েছিল ডাক্তারদের আন্দোলন। জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন। আরও ভরসা পেয়েছিলাম ... ...
গণবিদ্রোহ নামক কাঁঠালকে কিলিয়ে পাকানোর চেষ্টা চলছে -- কল্যাণ সেনগুপ্ত পরপর তিনটি নির্বাচনের ফলে মহাশূন্যে বিরাজমান সিপিএম দল তাদের শেষ ভরসার নেতা বুদ্ধবাবুর চিরবিদায়ের দিনই দেহদানের পর প্রায় সাথে সাথেই পেয়ে গেলেন তাদের অকল্পনীয় কাঙ্খিত একটি বিষয় - হাসপাতালের মধ্যেই এক ডাক্তার ছাত্রীর ধর্ষণ ও খুনের এক ভয়ংকর নির্মম ঘটনা। ফলে এরকম একটি হাতে গরম বিষয় নিয়ে ঝাপিয়ে পড়তে সময় লাগলোনা। যুব নেত্রী মিনাক্ষী বিশাল দলবল নিয়ে তৎক্ষণাৎ সটান পৌঁছে গেলেন NRS থেকে RGKar হাসপাতাল। কারণ, লোকজনকে খবর ... ...
সাইবাবা একজন অন্যতর সক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ছিলেন লেখক। তিনি অন্ধ ছিলেন না সমাজকে চোখ দিয়ে দেখতে পেতেন। গ্রাম ও গরীবের প্রতি তাঁর দরদ ছিল। সমাজবাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখতেন। সে পন্থায় বলপ্রয়োগের যুক্তি থাকতে পারে। কেউ যদি স্বপ্নে বলপ্রয়োগের কথা অনবরত ভাবে। তাঁকে তাঁর স্বপ্নের জন্য সাতবার ফাঁসি দিতে হবে আর জেল? আপনি নাগরিক মানুষ। সাইবাবাও তাই। আপনার বাঁচার অধিকার ... ...
ওনার ছাতি ছাপ্পান্ন ইঞ্চি হলেও দেশের বেশীরভাগের ছাতিতে বেশী মাংস নেই সেটা চোখ খোলা রাখলেই দেখা যায়, বিশ্ব ক্ষুধা সূচক ২০২৪ শুধু সেটাকে কনফার্ম করল। আমাদের মিডিয়া এসব আজেবাজে খবর দিয়ে পুজোর মেজাজ বিগড়োতে চায় না। অপুষ্টি একজনকে আজীবনের মত প্রতিবন্ধী করে। ভারতে stunting আশঙ্কাজনক অবস্থায়। সেখানে রাজ্যে মিড-ডে মিলে দৈনিক বরাদ্দ শিশুপিছু সাতটাকার মত। পাবলিক সার্ভিসের দাবিতে আজকাল আন্দোলন-টান্দোলন হয় না। স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে বেসরকারি পকেটে ... ...
খড়ের দামে পোষায় নি এবছর বিশু বাগদীর মায়ের। খাড়া নাকের লোকেরা বড্ড দেমাগী হয় শুনেছিলাম। দেখলাম বিশু বাগদীর মাকে। এই আলফাটা গরমে প্রধানমন্ত্রীর পিচঢালা রাস্তায় তিল শুকিয়ে বর্ষায় ভেঙ্গে যাওয়া নিজের ঘরের ছাউনি বাদে ছাগলের গু মুতে ভরে যাওয়া জায়গাটা ফর্সা করলো সারাদিন। তারপর বেরোলো পাড়ার উত্তর দিক ধরে। বাগদির মা কে আমি দাদি বলতাম। দাদি যত্ন করে আলুপোড়া খাওয়াতো ... ...
আজকে জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিপত্র আবার খুঁটিয়ে পড়লাম। ওনারা নার্স ওডাক্তারদের শূন্য পদ পূরণের সঠিক দাবি করেছেন।এবাদেদুটো জিনিস পরিষ্কার। এক রেফারেল সিস্টেমের ডিজিটাইজেশন। কিন্তু তাতে জি টু সি মানে সরকার থেকে নাগরিক তথ্য সঞ্চালনের কথা পরিষ্কার বলা নেই। আর যদি ধরেইনি অনলাইনে নাগরিক সব জেনে গেল। তাতে দেখা গেল কোথ্থাও সিট নেই তখন কি হবে? আগে তবু বারান্দায় বেড পেতে বা মেঝেতে শুইয়ে চিকিৎসে হতো, পরে বেডে তুলত। সব অনলাইন হলে লেখা থাকবে এতগুলো বারান্দায় আর মেঝেতে সিট আছে? তা করলেই তো হাইকোর্ট বা দিল্লীর ... ...
নিউজপ্রিন্টের গন্ধমাখা প্রায় ছুটে যাওয়া সন্ধ্যায় ঘুম ঘুম চোখ আটকে, পূবের জানালা খোলে কিংবা লুঙ্গিটা খোলে বসে পড়ার দিনটা রাতে চলে যাচ্ছে৷ অদূরে ভেসে আসা তীব্র চিৎকারের মতো মাগরিবের আজানে ভয় পেয়ে পাখিরা ডানা ঝাপটায় আর একটা দুটো পাতা ঝরে যায় মৃত্তিকার পায়৷ গরমের তীব্র দাবদাহ যেন জ্বালিয়ে দিবে বুক একটু পরেই৷ কিছু শরতের মেঘ কিংবা ধূলিমাখা বাতাসে ছেঁড়া কাশফুলগুলো জানিয়ে যাচ্ছে জানালার পাশে ওই বোকাচোদা আমগাছটাও একদিন মরে যাবে৷ আধখানা ঘুমের ... ...
শেষ কথা কিছু কিছু গূঢ় কথা জেনে গেছে পরিচিত পাখি কী ভাবে এড়ানো যায় ছল করে, নিকটে, নিভৃতে এমনকী ঝাঁ ঝাঁ রোদে ছায়া পেলে কতদূর দাম গুনে গুনে মধুমাসে নিয়ে নেবে শ্লীল পরভৃতে যাবতীয় রোদে ঝড়ে পুড়ে গেছি ঝোপেদের মতো তামা রঙে লেখা আছে কুহকের ডাক ছিল জোর দ্বিধা ছিল সংকেতে, বেঁচে থাকা ছিল বড় দায় বিনিময়ে ক্ষতি হলে কেটে যায় জীবনের ঘোর ... ...
যতোটা পারি ডাক্তারখানা এড়িয়ে চলি। না পারলে, প্রথম অপসন অবশ্য করেই বিজয়গড় স্টেট জেনারেল হাসপাতাল। দুই টাকা দিয়ে নাম রেজিস্ট্রেশন করে মেডিক্যাল চেক আপ। চেক আপ শেষে বিনে পয়সার ওষুধ। লাইন দিয়ে নিতে হয়। নিইও। তাইতেই এখনো অব্দি সেরে উঠেছি। বাড়ির বাকিরাও সরকারি হাসপাতালে লাইন দেন। জটিলতা থাকলে যাই ট্রপিক্যাল, পিজি, মেডিক্যাল কলেজ।***বেসরকারি ব্যবস্থায় খুব একটা ভরসা নেই। - আস্ত মানুষটাকে দেখতে ... ...
গ্লোবের পুনরুজ্জীবন ঘটেছে! কয়েকদিন আগে খবরটা পড়ে প্রায় দুদশকেরও আগের অনেক স্মৃতি হুড়মুড় করে এসে পড়তে লাগলো। সত্যি বলতে গ্লোব বন্ধ হয়ে গিয়েছিল ঠিক কবে জানা নেই, কিন্তু গ্লোবও বন্ধ হয়ে গেছে, এরকম শুনেছিলাম। সিঙ্গেল স্ক্রিনের প্রতিনিয়ত গঙ্গাপ্রাপ্তির দিনে খবরটা তেমন উল্লেখযোগ্য কিছু বলে মনে হয় নি। নিউ মার্কেটের দিকেও পরবর্তী কালে খুব যে একটা যাওয়া হত এমন নয়। জামাকাপড় কিনতে হলে দক্ষিণ কলকাতাতেই আর কখনো ঐ অঞ্চলে ছবি দেখতে গেলে নিউ এম্পায়ারে (লাইট হাউসও ততদিনে বন্ধ হয়ে গেছে), এই ছিল মোটামুটি ব্যাপারটা। তথাপি হগ সাহেবের মার্কেটের দিকে যে দুয়েকবার গেছি, খুঁজে দেখেছি মার্কেটের উল্টো দিকের সেই সরু বিল্ডিং-পথ, যার আরেকটি ... ...