
এর ফলে বিধানভার ফলাফল কী হতে পারে? তৃণমূলের আসনসংখ্যা হতে পারে, ১৫৬ ( সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে সামান্য বেশি)। বিজেপির ১৩৩ (সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে সামান্য কম)। সেই ছবিও দেওয়া আছে। (খেয়াল করে দেখবেন, তৃণমূল কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ধারেকাছেই থাকছে, এবার দল ভেঙে সরকার গড়লে কারো কিছু বলার থাকেনা - মেটিকিউলাস ডিজাইন একেই বলে) অবশ্য এটা প্রোজেকশন, নিখুঁত হিসেব না। এর মধ্যে পূর্বানুমান আছে, ১। ভোটের প্যাটার্ন ২১ থেকে অক্ষত আছে। ২। "বিচারাধীন"রা সবাই তৃণমূলের ভোটার। দুটোই হিসেবের স্বার্থে করা। কিন্তু খুব অকেজো পূর্বানুমান নয়। বিচরাধীনরা মুর্শিদাবাদ-মালদা-দিনাজপুরে মোটামুটিভাবে তৃণমূল ভোটার, এটা আন্দাজ করা যায়। কারণ সেখানে যাঁরা বাদ গেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠই সংখ্যালঘু। সেখানে সোজাসাপ্টা হিসেব। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণে এলে বর্ধমান ছাড়ালেই প্যাটার্ন বদলাচ্ছে, লিস্টি থেকেই দেখতে পাবেন। সেটা কী, এই নিয়ে কাজ চলছে। হলে আবার লিখব। কিন্তু কোন ছকে কাজ চলছে, এটা এই তালিকা থেকে পরিষ্কার। এবং, মনে রাখতে হবে, "বিচারাধীন" এদের তূণে একটা অস্ত্র মাত্র। এছাড়াও "বাদ" আছে, বহিরাগত ভোটার "যোগ" আছে, অনাবিষ্কৃত আরও নানা পন্থা আছে। সেগুলো এই হিসেবে ধরা হয়নি। কিন্তু সেগুলো ভুলে গেলে হবেনা। ... ...


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ছাত্র নেতা থেকে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা হয়েছিলেন আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া। ক্ষমতাসীন অবস্থায় তার বিলাসী জীবন নিয়ে নানা সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। পাঁচ তাঁরকা হোটেলে তার ‘ভুনা হাঁসের মাংস’ খাওয়ার ফেসবুক পোস্ট নিয়েও কম ট্রল হয়নি। সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে তার সম্পত্তির হিসাব তলব করা হয়েছে। এদিকে খবরে প্রকাশ, ক্ষমতা থেকে সরে গেলেও ‘নিরাপত্তার শঙ্কায়’ সাবেক উপদেষ্টাদের কেউই সরকারি বাসভবন ছাড়তে রাজি নয়! ... ...

"পতঙ্গ যেমন মরবার জন্যেই জ্বলন্ত আগুনের দিকে প্রবল বেগে দৌড়ে যায়, সেইরকম এই লোকগুলিও মৃত্যুর কারণেই আপনার মুখ গহ্বরের দিকে তীব্রগতিতে ধাবমান"। ... ...



নথি কখনও নাগরিকত্বের পরিচয় হতে পারে না ... ...


দারিদ্র্য দহন ও দূষণ পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে আন্তর্সম্পর্কিত। ভোগবাদী সমাজে দারিদ্র্যের হার বাড়ছে দ্রুত গতিতে। এই অসমতার বিষয়টি অনপনেয়। খেটে খাওয়া মানুষের কাছে কোনো রকমে সংসার প্রতিপালন করাটাই এখন কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় পরিবেশের শুদ্ধতার বিষয়টি একটি নির্মম পরিহাস। বিশ্ব উষ্ণায়ন, জলবায়ুর পরিবর্তন এইসব মানুষের জীবনের ওপর গভীর ছাপ ফেলছে। সব নিয়মকে সরিয়ে এইসব মানুষেরা বাধ্য হচ্ছে এক বিষময় পরিস্থিতিকে বরণ করে নিতে। এই নিবন্ধটি সেই বিষয়ে কিঞ্চিত আলোকপাতের প্রচেষ্টা মাত্র। ... ...

এতদিনে তাহলে ভাগাড়পাড়া স্কুল থেকে একেবারে ছুটি। আর যেতে হবে না ঐ গন্ধের মধ্যে দিয়ে, আর পশ্চিম থেকে হাওয়া বইলে দম আটকে বসে থাকতে হবে না, আর দেখা হবে না ধোপার পুকুরভর্তি বেগুনী রঙের চুড়োমত কচুরিপানার ফুল, মিনুদির মস্ত মস্ত দাঁত আর মস্ত চওড়া সিঁথি, শোনা হবে না টীচার্সরুমের বড় বড় জানলার লোহার রডের ফাঁক দিয়ে কাক ঢুকে দিদিমণিদের কারোর রসগোল্লা বা শিঙাড়া নিয়ে গেলে সমবেত হইহই চীৎকার, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আগে ক্লাস নাইনের ঘরে শান্তিদির রিহার্সাল করানো, নাকে আসবে না ভাঁটফুল আর আশশেওড়া পাতার জংলা গন্ধ। ... ...


আর কে কী মেনেছেন জানি না, জাঁ লুক কিন্তু শিল্পীর এই দায়িত্ববোধের কথা আজীবন মেনে চলেছেন। তাঁর প্রকাশভঙ্গী পাল্টেছে, পাল্টেছে ভাষা ও প্রকরণ। কিন্তু দায়িত্ববোধের অবসান হয় নি। দীর্ঘায়ত অবরোধ আর প্রতিরোধের তত্ত্বকে স্বীকার করেছেন বলেই না পুঁজিবাদ, আমেরিকান অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদ, ইজরায়েলের জায়নবাদ – তার আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু থেকেছে বরাবর। নয়তো গোদারের পক্ষে কঠিন ছিল না বুর্জোয়া ব্যবস্থার সেলিব্রিটি স্টেটাসকে নিজের অনুকূলে ব্যবহার করা বিশেষত যখন ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৭ সালের মধ্যে আট বছরেই তিনি যে পনেরটি ছবি তৈরি করেন তা আমাদের আজও বিস্মিত করে। এই তালিকার শেষ ছবিটিই উইকএণ্ড। ... ...


ব্রিটিশরা বলত, ভারতের সব ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শেখানোর মত পয়সা নাকি তাদের নেই। উচ্চবর্ণের পরশ্রমভোগীরা লেখাপড়া শিখবে, আর তাদের থেকে শিক্ষা চুঁইয়ে পড়বে তাদের কাছে, যারা সম্পদ সৃষ্টি করে। স্বাধীন ভারতের শাসকরাও তাই বলেন। আর এখন তো কর্পোরেট নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা। তাকে ততটুকুই শেখানো হবে, যাকে যতটুকু কর্পোরেটের দরকার। অথচ দেশীয় করদ রাজ্যের এক রাজা দেখিয়ে দিয়েছেন, জনশিক্ষা কেমন করে করতে হয়... ... ...


এক কুড়ি বছর বয়সী ব্রিটিশ অফিসার, যাকে পাঠানো হয়েছিল বোমা ফেলে সুজলা সুফলা বাংলাকে তছনছ করে দিতে, সেই তরুণের জীবন বদলে গেল আকাশ থেকে সবুজ চট্টগ্রামের রূপ দেখে। অন্য মানুষ হয়ে গেলেন তিনি। গড়ে তুললেন নীলবাগ। এক অনবদ্য রূপকথার গল্প। ... ...

SIR এর মোড়কে দেশব্যাপী NRC চলছে। কিন্তু, এই NRC র বিপদ ঠিক কতজন বুঝতে পারছি? কতটা অন্যায়, কতটা প্রতারণা একটা সরকার তার নাগরিকের সঙ্গে করছে, নাগরিক কি বুঝতে পারছে? এই পরিস্থিতিতে অসমের এনারসি একবার ফিরে দেখা... ... ...

"...আমার কাছে এই বর্ণবিচার জরুরি নয়। শূদ্র হয়েও সে যদি যোগ্য হয়, আমি সাগ্রহে তাকে রাজার সম্মান দিতে প্রস্তুত। আমি তাকে বলেছি, তার সমস্ত অতীত তাকে ভুলতে হবে। তার গ্রাম, পিতামাতা, আত্মীয় পরিজন সকলকেই ত্যাগ করতে হবে। সেক্ষেত্রে এই বর্ণভেদের পিছুটান তার থাকবে না, সে হবে একক, মৌলিক এবং স্বয়ম্ভূ। সে এখন যাই হোক, সফল রাজার যোগ্যতায় সে ক্ষত্রিয়ত্ব অর্জন করবে। আমার কাছে সেটাই বড়ো কথা" ... ...

ইলিনয় টকাটক উঠতে শুরু করলে কোন্নগর হাঁচড় পাঁচড় করে তাঁর পেছনে ওঠেন। উঠেই সামনে রাখা দাগ কেটে বানানো অর্ধচন্দ্রাকৃতি সূর্যঘড়ি। রাত বারোটা থেকে দুপুর ১১.৫৯ অবধি প্রথমে। একটা পিলারের ওপাশে আবার দুপুর বারোটা থেকে রাত ১১.৫৯ অনুযায়ী দাগ কাটা। ছায়ার অবস্থান দেখে সময় নির্নয় করা যায়। গুণে দেখা গেল ছায়ার অবস্থান অনুযায়ী ১.৪০ বাজে, হাতঘড়ি বলছে ১.৫০। দশটা মিনিট কোথায় লুকালো রে ভাই? ... ...