


এমি জেতার পরে পিট দেখার আগ্রহ তৈরি হয়। দেখব কী দেখব না এমন ভাবতে ভাবতেই প্রথম এপিসোড দেখা শুরু করি। এবং সমস্ত ভালো সিরিজ বা সিনেমার মতই দা পিট শুরুতেই হুক করে আমাকে। ১৫ পর্বের এই সিরিজ আমি বিঞ্জ করে দেখতে বাধ্য হয়েছি। কেন সেরা ড্রামা সিরিজ জিতেছে, কেন সেরা অভিনেতার পুরস্কার জিতেছে নোয়া ওয়াইলি তা প্রথম পর্বেই বুঝা গেছে পরিষ্কার। ... ...


চলছে পিতৃপক্ষ - আগামী রবিবার মহালয়া - দেবীপক্ষের শুরু। মহালয়া মানেই ওই দিন ভোরের চণ্ডীপাঠ - সেই চণ্ডী নিয়েই শুরু হচ্ছে আজকের আলোচনা। ... ...

এককালে পশ্চিম বঙ্গের বিভিন্ন গ্রামে গঞ্জে দুর্গা পুজার আসরে বসত পালাগান, শিবায়ন। বাংলায় সম্ভবত বেশ কিছু পালাকার একসময় শিবায়ন, মনসামঙ্গল এইসব পালাগান লিখে গেছে। এখন আর সাবেকী দুর্গাপুজাতেও আর এরকম আসর বসতে দেখা যায়না। শিবায়ন গানের কিছু স্মৃতিকথা এই পর্বগুলিতে রইল। ... ...

ছোটদের জন্য পুজোর উপন্যাস। ... ...


বার্লিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ আলাপ হল পরের বছর, ড্রেসনার ব্যাঙ্কের কল্যাণে। আমি কোন এক দূর দেশের মানুষ, ক্রমশ ভাষার জড়তা কাটিয়ে, দেশটাকে চিনবার চেষ্টা করে গেছি, কিছুটা কাজে কিছু অকাজে খানিক সময় কাটিয়েছি বার্লিনে। প্রায় পাঁচ দশক কাটল; আজও হয়তো আচ্ছন্ন হয়ে আছি সেই শহর এবং তার ইতিহাসের একটা বিচিত্র সময়ের মোহে। নির্দ্বিধায় বলতে পারি টাইম মেশিনে চড়ার সুযোগ পেলে আমি যেতাম ১৯২০ থেকে ১৯৩২ সালের বার্লিনে। রোদিকা আমার এই স্বপ্ন যাত্রার মূলে কুঠারাঘাত করে অবশ্য বলেছে ১৯৩৩ সালের ২৯শে জানুয়ারি সেখান থেকে পালানোর টিকেট সেই টাইম মেশিনে পাওয়া যেতো না ! ... ...


পরিবার -এক অনন্য সামাজিক সংগঠন। পারিবারিক আবহেই একটু একটু করে ব্যক্তি মানুষের সামাজিক হয়ে ওঠা।একটি শিশু পরিবারের মধ্যেই অনেক অনেক ভালোবাসা আর নিরাপত্তাকে আশ্রয় করে বেড়ে ওঠে। একালে পরিবারের পরিসর অবশ্য আগের তুলনায় অনেক সংকুচিত হয়ে গেছে। যৌথ পরিবার ভেঙে ভেঙে অণুতম পরিবারে পরিবর্তিত হয়েছে হাল আমলে। এরফলে আমাদের পারিবারিক চাওয়া পাওয়ার স্তরেও এসেছে বড়ো পরিবর্তন। এই নিবন্ধ এমনই বদলে যাওয়া সম্পর্কের নব্য রসায়ন নিয়ে। ... ...





ইতিহাস ঐতিহ্য প্রাসঙ্গিকতা হারাচ্ছে? জেনজি মনে করে এগুলার কোন মূল্য নাই? নেপালে সিংহ দরবার পুড়িয়ে দিয়েছে। এখান থেকেই বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি। এমন একটা জায়গা পুড়িয়ে দিল! জেনজির কাছে এগুলার মূল্য নাই, তাই এগুলা থাকলেই কী না থাকলেই কী? আমরাও একই সূত্রে হারিয়ে ফেলব আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্য? মুক্তিযুদ্ধের সময় আন্দ্রে মালরো বিশ্ব ব্যাপী জনসমর্থন আদায়ে নিরলস কাজ করেন। তিনি প্রয়োজনে মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশ গ্রহণের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু ব্যক্তিগত ভাবে তাঁকে আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশে। তিনি আসনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে আজকে শিবির জয় উল্লাস করছে সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে বলেন আমি কথা বলছি পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র এমন বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে মৃতের সংখ্যা জীবিতদের থেকে বেশি! এখানেই উল্লাস করছে একাত্তুরের পরাজিত শক্তিরা। আর আমাদেরকে বলা হচ্ছে এইটাই এখন থেকে সত্য! অতীত ভুলে যাও ... ...


এই আত্মজীবনী একইসঙ্গে সাহসী, শৈল্পিক, সৎ, আন্তরিক। ভাষার বহুবর্ণিল প্রকাশধর্মীতা এবং স্বচ্ছতা যা তাঁর প্রথম উপন্যাসের পাঠককে মুগ্ধ করেছিল তা এখানেও অন্তর্লীন। সঙ্গে যোগ হয়েছে তাঁর সামাজিক কার্যাবলী এবং প্রতিরোধের অভিজ্ঞতাসঞ্জাত তীক্ষ্ণতা এবং শ্লেষ। কিন্তু তাঁর ভাষা এবং দৃষ্টিভঙ্গীকে মুড়ে রেখেছে মমত্ব এবং আত্মউদাসীনতার এক যুগলবন্দী যা আমাদের প্রথম থেকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত বইটির প্রতি অনুরক্ত রাখে। ... ...

