

ইউরোপীয় কোম্পানিগুলি বাংলার রফতানি পণ্য কেনার জন্য ইউরোপ থেকে যেসব সোনা-রুপো নিয়ে আসত (প্রায় সবটাই রুপো) সেগুলোর বেশিরভাগই জগৎশেঠদের কাছে বিক্রি করতে হত কারণ এগুলোর বিনিময়ে তাদের স্থানীয় মুদ্রা সংগ্রহ করতে হত এবং তা দিয়েই রফতানি পণ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হত। আর যেহেতু জগৎশেঠদের হাতেই টাঁকশালের কর্তৃত্ব, তাদের আমদানি করা রুপো জগৎশেঠদের কাছে বিক্রি করা ছাড়া কোনও উপায় তাদের ছিল না। শুধু তাই নয়, জগৎশেঠরা যে দাম দিতেন, সেটাই তাদের নিতে হত। বলা বাহুল্য সে দাম বাজারের দামের চেয়ে কমই হত। ইউরোপীয় কোম্পানিগুলির পক্ষে এ ব্যবস্থা মেনে নিতেই হত কারণ তারা এ দেশে পণ্য কেনার জন্য যে রুপো নিয়ে আসত, জগৎশেঠদের ছলচাতুরির জন্য তারা সেগুলি দিয়ে টাঁকশালে মুদ্রা তৈরি করতে পারত না। অথচ দাদনি বণিকদের মাধ্যমে রফতানি পণ্য সংগ্রহ করার জন্য তাদের নগদ টাকার খুবই প্রয়োজন হত। ... ...




শিক্ষক দিবস - শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, শ্রদ্ধা জানাতে এই দিনটির উদযাপন। উপলক্ষ অজানা নয়। মানুষের জীবনে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। মানুষের দীর্ঘায়িত শৈশবের পর্ব থেকেই শুরু হয় তাঁর অভিজ্ঞতা অর্জন। প্রথমে একান্ত পারিবারিক আবহে এবং পরবর্তীতে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পরিমন্ডলে শিখনের তালিম চলতে থাকে। পরিবারের মতো বিদ্যালয় পরিবেশ তাঁকে মানুষ হিসেবে পরিপূর্ণতা অর্জনে সাহায্য করে। যতদিন বাঁচি, ততদিন শিখি এই আপ্তবাক্য স্মরণে রাখলে শেখার শেষ নেই।এই নিবন্ধটি এক অসাধারণ শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা হলেও শ্রদ্ধাঞ্জলি সকলের প্রতি যাঁরা আমার নির্মাণের মুখ্য রূপকার। ... ...

গহন বাদল দিনে ছোট্ট একটা অ্যাডভেঞ্চার করতে গিয়ে শুভময়ীদেবী এমন একটা ঘটনা ঘটালেন - যা তাঁকে দাঁড় করিয়ে দিল - গভীর এক সত্যের মুখোমুখি - সেই সত্যকে তিনি কী ভাবে গ্রহণ করবেন - ... ...


এই পর্বের প্রথম শ্লোকটির সবিস্তার ব্যাখ্যা রয়েছে গীতায় - গীতার পঞ্চদশ অধ্যায় পুরুষোত্তমযোগের প্রথম চারটি শ্লোকে। ... ...

ভাসিয়ে তোকে শুকনো পাতার মতো --- ভাবিস বুঝি --- আমরা সবাই থাকবো আগের মতো? ... ...


অতিমারির ভয়ঙ্কর সময়টা হয়তো আমরা সবাই পার হয়ে এসেছি কিন্তু তার প্রভাব সবটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছি আমরা তা বোধহয় নয়। অতিমারি আমাদের জীবনের চেনা অভ্যস্ত ছন্দটাকেই বিলকুল বদলে দিয়েছে। মাস্ক, স্যানিটাইজার, সোশ্যাল ডিসটেন্সের পাশাপাশি কর্মজীবনের কাঠামোতেও বদল এসেছে। এই প্রবন্ধে সেই ফেলে আসা কালান্তক সময়ের কয়েকটি বিশেষ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মোহন মুদীর মতো মানুষ একটা কঠিন সময়ের প্রতীক। ... ...




সূর্যের কিরণ পবিত্র গঙ্গাজল স্পর্শ করে, আবার বদ্ধ জলাশয়ের পঙ্কিল জলও স্পর্শ করে – কিন্তু তাতে সূর্য কিরণে কোন পুণ্য বা ক্লেদ যেমন অর্শায় না, তেমনি জীবাত্মাও কোন পক্ষপাত দোষে দুষ্ট হন না।] ... ...

সেই মেয়ে বাল্যের শেষ থেকে আজ যৌবনের পথ চলা শুরু করা পর্যন্ত পরের বাড়িতে কাজ করে চলেছে, নিরাপদ আশ্রয় আর নিত্য আহারের জন্যে। তার এই অসহায়তার সুযোগে তিনি এই মেয়েটিকে নিংড়ে নিয়েছেন প্রত্যেকদিন। বাধ্য করেছেন ওর মন থেকে সমস্ত স্বপ্ন, সমস্ত ইচ্ছেকে নিকিয়ে ফেলতে। বিনিময়ে ছুঁড়ে দিয়েছেন মাসান্তের নির্দিষ্ট টাকা। ... ...

সূত্র : যতীন্দ্রমোহন চট্টোপাধ্যায় দ্বারা মূল জেন্দ থেকে বাংলায় অনূদিত জরথুস্ত্র উপনিষদ ... ...


নীচে নামতে নামতে একবার মনে হয় এখন যদি একটা ৬ কি ৭ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প হয় তাহলে আমাদের বাঁচার কোন সম্ভাবনা তো নেইই, সহজে কেউ জানতেও পারবে না। তখনই মনে হয় হাজার বছরের বেশী এইসব পাহাড়ের ভেতরে গুহায় থেকেছেন শ্রমণরা, বাইরে -৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তুমূল তুষারঝড় কিছুই বিচলিত করে নি তাঁদের। এই অপূর্ব থাংকাগুলো এঁকেছেন, পুঁথি লিখেছেন, নকল করেছেন। ... ...