
বিগত চারদিনের অভিযান সফল। ঝিটকার জঙ্গল ভেদ করে লালগড় থানা দখল করেছে আমাদের সশস্ত্র বল। বিশেষ প্রশিক্ষিত কোবরা ফোর্স, সিআরপিএফ আর অভিজ্ঞ কোলকাতা পুলিসের সম্মিলিত বাহিনীর সামনে মাওবাদীরা পালিয়েছে। তথাকথিত পুলিশি সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি কোন প্রতিরোধ গড়তে পারেনি। জনগণ মাওবাদীদের সাথে নেই। তিনটে জেলার আঠেরোটি থানাকে মাওবাদীদের প্রভাব মুক্ত করা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আসলে মাওবাদী কমিউনিস্ট বলে কিছু হয় না। কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টোতে মার্কসের নাম আছে,মাওয়ের নেই। খোদ চীনদেশে মাওয়ের নাম কেউ নেয় না, কয়েকমাস পরে বঙ্গদেশেও নেবে না। ... ...

দেখতে দেখতে ছ'বছর পূর্ণ হয়ে গেল গ্যাঁড়ার, দিল্লিবাসের। শুরু হয়েছিল নয়ডা কুড়ি সেক্টরের এক সহৃদয় ব্যক্তির চিলেকোঠার ঘরে, দু হাজার তিন সালের মে মাসের এক মনোরম গ্রীষ্মের দুপুরে। এই ছবছরে আরও ছবার গ্রীষ্ম এল, এল বসন্ত। নতুন চোখে দেখা দিল্লি নয়ডা গুরগাঁও শহর চোখের সামনেই দেখতে দেখতে কত তাড়াতাড়ি পাল্টে গেল। কত হাজারে হাজারে লোক এল। কত নতুন নতুন সিগন্যাল বসল রাস্তার মোড়ে, কত সিগন্যাল চিরতরে হারিয়ে গেল নবনির্মিত ফ্লাইওভারের তলায়! ফেসলিফ্ট হচ্ছে রাজধানীর, সাজো সাজো রব পড়েছে দিল্লির এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে, তৈরি হতে হবে ২০১০ সালের কমনওয়েল্থ গেম্সের জন্য। চেনাজানা আনাচকানাচগুলো দেখতে দেখতে নতুন রূপ নিয়ে বেরিয়ে আসছে নীল হলুদ বোর্ডের আড়াল থেকে। ... ...

' সম্প্রতি বহু-আলোচিত কৃষ্ণহংস ( Black Swan ) তত্ত্বের উদ্গম এই বইয়ের মাধ্যমে। লেখকের বক্তব্য - মানুষ ব্যক্তিজীবনে এবং আর্থিক জগতে ঝুঁকির সঠিক পরিমাপ করতে মানসিকভাবে অক্ষম। এর ফলে অধিকাংশ মডেল বা উপাত্ত নির্মাণে আমরা যে ভিত্তিমূলক অনুমানগুলো করি, সেগুলো অধিকাংশই ভুল, এবং এই কারণেই এইসব তত্ত্ব, বেঁচে থাকা বা নিবেশের ক্ষেত্রে, আমাদের নি : শেষ হওয়ার ( going bust ) হাত থেকে রক্ষা করতে অপারগ। সংগৃহীত বা পরিদৃষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তগ্রহণের প্রচলিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে তাঁর প্রশ্ন - যেসব পরিদৃষ্ট প্রমাণের প্রেক্ষিতে আমরা শেষ পর্যন্ত কোন বৈজ্ঞানিক সূত্রসমূহে উপনীত হচ্ছি, সেগুলো ছাড়া যে সে বিষয়ে অন্য কোন বিরুদ্ধ তথ্যবিন্দু নেই, তা আমরা কিকরে নিশ্চিত হব ? ... ...

কোথাও গেলে, ফিরে এসে সেটা নিয়ে লিখতে হয়। এটাই নিয়ম। তার ওপর, সেই জায়গাটা যদি হয় "আয়লা'-য় ভেসে যাওয়া সুন্দরবন, তবে তো লেখাটা একটা মাস্ট ডু লিস্টের মধ্যে পড়ে যায়। তাই লিখছি। তথ্য খুব কমই জানি, তাই মূলত: যা দেখেছি সেটাই লিখবো। কোনো থিয়োরী থাকবে না। নিছকই একটা "আয়লা ট্যুর' ভাবতে পারেন। "ট্যুর'-টা শুনতে বা বলতে খুব খারাপ লাগলো, আমাদের সাধ্যমত "ত্রাণ' দিতেই গিয়েছিলাম তো, কিন্তু বিশ্বাস করুন, শেষপর্যন্ত যা দেখলাম, তাতে ঐ "ত্রাণ' নিয়ে যাওয়াটা নিজের কাছে দেওয়ার জন্য একটা অজুহাত ছাড়া আর কিছু মনে হচ্ছে না। ... ...

৫ ই জুন,২০০৯। বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হল পৃথিবী জুড়ে আর ঐ দিনই আমাজন অরণ্য সাক্ষী হলো এক নারকীয় ঘটনার। পেরুতে বিক্ষোভরত পরিবেশপুত্র আদিবাসীদের তীর-ধনুকের সঙ্গে পুলিশের তুমুল লড়াই হল, এবং দুদিক মিলিয়ে সরকারী হিসেবে মৃত্যু হল ৩২ জনের (১)। অবশ্য সরকারী হিসেবের বাইরে আন্দোলনকারীরা বলছেন তাঁদের হতাহতের সংখ্যা অনেকটাই বেশি এবং তাঁদের পক্ষের মোট ৬১ জন নিখোঁজ (২)। আদিবাসী ও পুলিশের লড়াই-এর খবরের সঙ্গে আমরা মোটামুটি ভাবে পরিচিত, তবে সেটা ভারতবর্ষের ক্ষেত্রে, এবং লক্ষ্যণীয়, গোলকের অন্যার্ধেও ঘটনার কার্যকারণ বিশ্লেষণ প্রায় এক-ই রকম[;] লড়াই অরণ্যের অধিকার নিয়ে। ... ...

এরিন ব্রকোভিচ ছবিটার কথা মনে আছে নিশ্চয়? অন্তত এটুকু তো সবার মনে আছেই, যে, এই ছবির নাম-ভূমিকায় অভিনয় করে জুলিয়া রবার্টস অস্কার পেয়েছিলেন। আসুন, এরিন ব্রকোভিচ চরিত্রটির কথাও একটু মনে করে দেখি। এরিন কিন্তু কোনো কাল্পনিক চরিত্র নন, এক্কেবারে রক্তমাংসের মানুষ। ... ...

ওরা দশজনের পরিবার বেঁচে আছে শুধু রুটি আর জলের ওপর। রাস্তায় হাঁটতে গেলে ভয় পায় এই বুঝি বা ফাটল মাইন। এই পরিবারটি ভাগ্যবান, অথবা হতভাগ্য। ভাগ্যবান কারণ ঐ বাকী ১.৪৫ মিলিয়ন লোকের মতন ওদের এখনো বাড়ি, ঘরদোর, চাষবাস ছেড়ে অন্য জায়গায় যেতে হয় নি। হতভাগ্য কারণ খাবার নেই, জল নেই, বেঁচে থাকার নিশ্চয়তাও নেই। সতীশ সিং ১৩ বছরের কিশোর, কথা বলছে এক সাংবাদিকের সাথে। ""জানেন আমি ওদের দেখেছি, শালোয়ার আর কুর্তা পরেছিল। মুখটা কালো কাপড়ে ঢাকা, চোখ দুটো শুধু দেখা যাচ্ছে, হাতে ছিল বন্দুক। বাজারের কাছাকাছি একজনকে ওরা ধরল আর মাথাটা কেটে ফেলল""। সাংবাদিক জিগ্যেস করলেন ""কাউকে বলনি কেন""? চকিত উত্তর ""পাগল নাকি, বাবা আর ভীরজি বলে দিয়েছে তালিবান দের নিয়ে একটাও কথা না বলতে, বললেই ঘরে বন্দি করে দেবে অথবা ইন্ডিয়া পাঠিয়ে দেবে""। ... ...

১৯২১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী গান্ধী একদিনের জন্য গোরখপুর আসেন। সাধারণ মানুষের কাছে তার আগমন এক প্রচন্ড উন্মাদনা ও গণরূপকথার সৃষ্টি করেছিলো। দুটি স্থানীয় পত্রিকা বিশেষ ভাবে সেই গুজবগুলিকে ছেপে আরো সম্প্রচারে সাহায্য করেছিলো। সেই মিথের ইতিহাস লিখেছেন প্রবন্ধকার। এই মিথগুলি প্রকাশিত হয়েছিলো ঐ ১৯২১এর ফেব্রুয়ারী আর মে মাস - মানে চার মাসের মধ্যেই,যদিও জনমানসে টিঁকে ছিলো আরো কিছুদিন। ... ...

আজ (১৭ মে) সকাল থেকে খবরের কাগজপত্রে বাঘা বাঘা কলমচিদের লেখাপত্র যা পড়লাম, তাতে মনে হল, একটুও বাড়িয়ে বলছিনা, যেন দুটো নির্বাচনের খবর পড়ছি। জোড়ায় জোড়ায়। একটা ইংরেজি একটা বাংলা, একটা কেরল লাইন একটা বেঙ্গল লাইন, একটা আবাপর প্রথম পাতার একটা আবাপর তৃতীয় পাতার, একটা আবাপর একটা বর্তমানের, একটা টেলি একটা কাগুজে, একটা প্রণবের একটা মমতার, একটা মা-মাটি-মানুষের একটা স্থায়িত্বের বা গ্রোথের, একটা গ্রামের একটা রাজ্যের, একটা অন্ধ্র প্রদেশের চালের, একটা আসামের বাড়া ভাতে ভাগ বসানো অনুপ্রবেশকারীর, একটা প্রকাশ কারাতের একটা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের, একটা বিজয়নের একটা অচ্যুতানন্দনের, একটা নন্দীগ্রামের একটা অধীরবাবুর, একটা কবীর সুমনের নাগরিক প্রতিবাদের, একটা শতাব্দী রায়ের ডুরে পাড়ে ঘরোয়া মেনে নেওয়ার, একটা রুপচাঁদ পালের একটা তড়িৎ তোপদারের, একটা মুম্বাই একটা অন্ধ্র, একটা নীতিশের একটা নবীনের, একটা মনমোহন-সোনিয়াজির দিল্লীর আর একটা রাহুল গান্ধীর উত্তর প্রদেশের, একটা চন্দ্রবাবুর একটা করুণানিধির। তবে কাগজেরা একটা বিষয়ে ঢোঁক গিলেছেন, ভোটের আগের দিন বলেছিলেন, এ ভোট নন্দীগ্রামের বিরুদ্ধে সিঙ্গুরের। ওটা হয়নি। ওটাতে নন্দীগ্রাম এবং সিঙ্গুর একসঙ্গে ছিলেন ডালহৌসী আর লালবাজারের বিরুদ্ধে। ... ...

অত:পর লোকসভা নির্বাচনেও পর্যুদস্ত সি পি এম। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ধাক্কা এবং তজ্জনিত "আত্মসমীক্ষা'র পর্ব শেষ করে, শরিকি অনৈক্যের ফুটিফাটাগুলোয় প্রেমের প্রলেপ লাগিয়ে, ন্যানো বিদায় এবং বিমানবাবুর মানুষের কাছে বারংবার ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশকে পাথেয় করে সি পি এমের মধ্যে যখন ফিরে আসছিল পঞ্চায়েতপূর্ব সেই আত্মবিশ্বাস,তাপসী মালিকের সিডি থেকে শুরু করে সুবোধ সরকারের টিভি শো, বুদ্ধবাবুর প্রকাশ্য ভাষণ থেকে শুরু করে অশোকবাবুর নেপথ্য ভাষণ - সবেতেই যখন খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল '৭০ এর অমিতাভসুলভ সেই যোশ, ঠিক তখনই "কোথা হইতে কি হইয়া গেল, সি পি এম লোকসভা নির্বাচনে ধরাশায়ী হইয়া গেল'। ... ...

উনিশ'শ আটষট্টির শেষের দিকে স্টেটস্ম্যান পত্রিকায় একট ছোট্ট খবর বেরিয়ে ছিলো এই মর্মে, যে, বস্তারের রাজধানী জগদলপুরে দেখা গেছে নকশাল পোস্টার। আর, এই পোস্টার লাগিয়েছে যে বদমাসরা, পুলিস তাদের খুঁজে বেড়াচ্ছে। যে খবরটি বেরোয়নি তা হল ঐ পোস্টারগুলো লাগিয়েছিলেন ইস্পাতনগরী ভিলাই থেকে আসা দুই বাঙালী যুবক। পরবর্তীকালে এঁরা ধরা পড়ে যান। মুচলেকা দিয়ে একজন বেরিয়ে আসেন। আর একজন মাসখানেক বাদে জামিন পেয়ে ভিলাই ফিরে আসেন। স্থানীয় প্রশাসন তখন এই ঘটনাকে গুটিকয় বাঙালীর "" জওয়ানী কী জোশ'' এর বেশি পাত্তা দেয় নি। ... ...

একটা (লালগড়) নয়, দুটো (লালগড়, পার্বত্য দার্জিলিং) নয়, তিনটে(লালগড়,পার্বত্য দার্জিলিং,নন্দীগ্রামের কিছু অংশ) নয়, অনেকগুলো মুক্তাঞ্চল মাথায় করে বেঁচে আছি আমরা আপাতত:। একেকটা জগতে আরেকটা জগতের আলো বা বলা ভাল অন্ধকার ঢুকে পড়ার ভয়। ... ...

এই কয়েক মাস আগে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে টাটার শহিদোচিত প্রস্থানের পর যখন সারা-রাজ্য "হায় টাটা! হায় ত্রাতা!' এইরকম বিলাপের মধ্যে দিয়ে কেঁদেও কূল পাচ্ছে না, তখন একে একে বন্ধ হয়ে গেছিল বা যেতে বসেছিল নৈহাটি-গরিফার কারখানাগুলি, আমরা জানতেও পারিনি। অবিশ্যি এই বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলি টাটা-র ন্যানো প্রজেক্টের মত অতখানি হাই-প্রোফাইল ছিল না -- নিতান্তই মামুলি কিছু জুটমিল, রঙের, কাগজের কারখানা, বা এইরকম আরো কিছু ছোট-বড় মিল-ফ্যাক্টরি। ... ...

১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সালে শমীক মুখোপাধ্যায় লোকপরিত্রাণ বলে একটি রাজনৈতিক পার্টির উল্লেখ করেছিলেন। আমাদের অনেকের পড়ে ভালো লেগেছিলো যে আইআইটির বেশ কিছু তরুণ ইঞ্জিনীয়ার মিলে একটি রাজনৈতিক পার্টি গঠন করেছেন এবং অতি পরিচিত 'কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি' থেকে দূরে গিয়ে সত্যিই মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছেন। অন্তত: এই 'হোপ' ও 'চেঞ্জ' এর মেসেজটিই তাঁরা আমাদের কাছে পৌঁছোনোর চেষ্টায় ছিলেন। ... ...

নান্দীমুখ: যেখানে "দি এলিফ্যান্ট প্রজেক্ট" ছাড়া অন্যদের কথা। থিয়েটার মানে হল চৌকো, গোল বা বিশেষ জ্যামিতি-বিহীন রঙ্গবেদীতে আচরিত একটি সজীব শিল্প -- যে রঙ্গবেদী কখনও দর্শকের থেকে দূরে কিছুটা উচ্চতায় রাখা, কখনও দর্শকের হাঁটু-গোড়ালির সঙ্গে মেশামেশি করে নেওয়া। ... ...

শব্দে-ঝঙ্কারে-নিস্তব্ধতায়-ব্যঙ্গে-শুদ্ধতায়-মলিনতায় ২-১২ মার্চের জাতীয় নাটক উৎসবের নাটকগুলি এই শহরের নাট্যপ্রেমীদের বেশ কিছুটা ভাবিয়ে ছিলো। রসিকেরা একেবারে কাচ্চাবাচ্চা নিয়ে থিয়েটার দেখতে এসেছেন। ভিড় প্র্রায় ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত বিশেষ-প্রসিদ্ধ আন্তর্জাতিক ফিল্ম-উৎসবের মতনই। শহরের সন্ধের আকাশ তাই প্রতিদিনই বদলে যেত, জনতার বিপুল উৎসাহ- সমাহারে। ছোটো শহরের মজা এখানেই। একটুতেই ঘোর লেগে যায় ... ...

গত প্রায় মাসদুয়েক ধরে পশ্চিমবঙ্গের একের পর এক বেসরকারী ইঞ্জিনিয়ারীং কলেজে অশান্তি চলছে। এককালে রাজ্যব্যাপী শিল্পায়নের ধামাকার অংশ হিসেবে রাজ্যের কোণে কোণে যে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোকে অনেক ঘটা করে চালু করা হয়েছিল, সেখানে ছাত্রদের বিক্ষোভ, গোলমাল চলছেই। দুর্গাপুর-আসানসোল-বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুর থেকে শুরু করে বারুইপুর-সোনারপুর, এমনকি খোদ কলকাতার বেশ কয়েকটি কলেজেও চলেছে ঘেরাও, ক্লাস স্ট্রাইক। খবরের কাগজে যে খবর উহ্য থেকে গেছে। ... ...

আজ মৃত্যুর প্রায় ষাট বছর পরে তিনি সবার কাছে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে দোসরা অক্টোবরের ছুটির কারণ হয়েই রয়ে যেতেন যদি না বিধুবিনোদ, রাজু হিরানী আর সর্বোপরি সঞ্জয় ডাট থাকত। আমাদের ডিকশনারীর নতুন লব্ধ শব্দ "গান্ধীগিরি" আজকাল টপ ফ্যাশনে। ফুল ও মোমবাতি বিক্রেতাদের পৌষমাস! আজ যে দেশের কোণে কোণে বাচ্চা বাচ্চা জানে গান্ধীর নাম, তার কৃতিত্ব অবশ্যই মুন্নাভাইয়ের। যা ইতিহাসের বই,স্কুলের পাঠ করতে পারেনি তা করে দেখিয়েছে বলিউডের মহারথীর দল। তাতে কি হল যদি আজ গান্ধীজীকে একজন টাডা অপরাধী, প্রাক্তন ড্রাগ অ্যাডিক্ট, তাঁর জীবনদর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর এক লোকের হাত ধরে জনমানসে ফিরতে হয়! ... ...

অকালমৃত্যু সবসময়ই দু:খের। তার উপর অনিশ্চিত ও কুন্ঠিত মৃত্যুসংবাদ, প্রায় গুজবের মত, যখন বেশ কিছুদিন উৎকন্ঠায় রাখে। বিক্রমের মৃত্যুর খবর আমাদের অনেকের কাছে এভাবেই পৌঁছেছিল। বেশ কিছুদিন অস্থিরতার পর মিডিয়ার থেকে দু:সংবাদের সমর্থন পেলাম। ... ...

একশো দিন কাজ প্রকল্প, যার পোষাকি নাম জাতীয় গ্রামীণ রোজগার নিশ্চয়তা প্রকল্প, প্রথম আত্মপ্রকাশ করে কংগ্রেসের ২০০৪-এর নির্বাচনী ইস্তেহারের প্রস্তাব হিসেবে। কংগ্রেস সরকার গঠন করলে আরম্ভ হয় গড়িমসির পালা। শেষে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও বামদলগুলোর চাপে ছুঁচো গিলতে হয়। ২০০৫ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এর আইন পাস করে। সব নয়, ২০০টি পিছিয়ে পড়া জেলাতে প্রকল্পের কাজ আরম্ভ হয় ২০০৬ সালে ... ...