এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  প্রবন্ধ

  • কোলকাতার প্রথম হাসপাতাল

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    প্রবন্ধ | ২৬ জুন ২০২৪ | ১৭৭ বার পঠিত
  • কলকাতার প্রথম হাসপাতাল

    অষ্টাদশ শতাব্দীর একেবারে গোড়ার কথা। দিল্লীর বাদশাহের কাছ থেকে অনুমতি আদায় করে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির লোকজনেরা কোলকাতায় পাকাপাকি ভাবে বসবাস করতে শুরু করেছে। কোম্পানির লোকজন ছাড়াও আরো অনেক সাহেব সুবো এসেছে নানা কারণে। কোলকাতা তখন গ্রাম থেকে শহর হওয়ার পথে হামা দিচ্ছে। তখনও এলাকার অনেকটাই জলা আর জঙ্গল। প্রাকৃতিক পরিবেশ সুষ্ঠুভাবে বসবাসের উপযোগী ছিল না। বর্ষাকালে তো জনস্বাস্থ্যের অবস্থা ভয়ানক হয়ে যেত। নানা রকমের ক্রান্তীয় রোগ ডানা মেলত, যার মধ্যে ম্যালেরিয়া ছিল নিত্যদিনের সাথী। কখনও কখনও এগুলি মহামারীর রূপ নিত। স্থানীয় মানুষেরা এই পরিবেশেই জন্মেছে, এগুলোতে মাখামাখি হয়ে বড় হয়েছে, তাই একটা প্রতিরোধ ক্ষমতা শরীরে তৈরি হয়ে যেত। কিছু যে ফৌত হত না তা নয় তবে পরিবেশের ভয়াবহতার নিরিখে তা কম।

    ‘মন্বন্তরে মরি নি আমরা মারী নিয়ে ঘর করি,
    বাঁচিয়া গিয়াছি বিধির আশীষে অমৃতের টিকা পরি’।

    কিন্তু সাহেবরা তো ‘মারী’ নিয়ে ঘর করায় তেমন অভ্যস্ত ছিল না। তারা এই প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশে এসে চরম বিপাকে পড়ল। রোগ আছে কিন্তু তা সারাবার কোন জায়গা নেই। স্থানীয় বৈদ্য বা হাকিমকে তারা ভরসা করতে পারত না। সাহেব ডাক্তার এক আধজন ছিল বটে, তবে এতজন দেশোয়ালি ভাইকে দেখা তাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। আর বড় ধরণের কিছু হলে তো কথাই নেই। ১৭০৫ থেকে ১৭০৭ সাল, এই দু বছর ম্যালেরিয়ার প্রকোপ চরমভাবে বৃদ্ধি পেল। হ্যামিলটনের লেখায় জানতে পারি যে মাত্র এক বছরে ৪৬০ জন ইংরেজ মারা গিয়েছিল। সংখ্যাটা তখন কোলকাতায় বসবাসকারী ইংরেজের প্রায় এক তৃতীয়াংশ। পরিসংখ্যানই বুঝিয়ে দেয় পরিস্থিতি কতটা মারাত্মক ছিল। প্রতি বছর ১৫ ডিসেম্বর কোলকাতার ইউরোপীয় বাসিন্দারা প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিস্থিতির অবসানে নবজীবনলাভের উৎসব উদযাপন করতেন। সেই সময় বেঁচে থাকাটাই ছিল তাদের কাছে এক বিরাট প্রাপ্তি।

    এই ভয়ানক অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে কোলকাতার ব্রিটিশ সৈনিক এবং নাবিকেরা সম্মিলিতভাবে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে একটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার জন্য আবেদন করে। কোম্পানির ডাক্তারেরাও ওই আবেদনকে সমর্থন করে।

    আবেদন নিবেদন এবং বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বেঙ্গল সুপ্রিম কাউন্সিল ১৭০৭ সালের ১৬ অক্টোবর এই মর্মে একটি প্রস্তাব গ্রহন করেন যে, “Having abundance of our soldiers and seamen yearly sick…it is therefore agreed that a convenient spot of ground near the Fort be pitched upon to build a hospital”।

    উল্লিখিত ফোর্ট হল পুরনো কেল্লা, যার বিস্তার ছিল জিপিও থেকে ফেয়ারলি প্লেস পর্যন্ত। নিজেদের লোকের হিতে নির্মিত হলেও এই হাসপাতাল নির্মাণের জন্য কোম্পানি দিয়েছিল মাত্র ২০০০/- টাকা, বাকিটা জনগণের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছিল। কাউন্সিলের তত্ত্বাবধানে আব্রাহাম অ্যাডামসকে হাসপাতাল ভবন নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ৪ অক্টোবর ১৭০৭এ অ্যাডামসকে এই কাজের জন্য ৫০০০/- টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। সেন্ট জন চার্চ তখন তৈরি হয়নি। সেই জায়গায় ছিল একটি সমাধিস্থল আর আর তার পাশেই হেয়ার স্ট্রিট পর্যন্ত ছিল একটি জলাশয়। সেই জলাশয়কে ভরাট করে আমাদের পরিচিত গার্স্টিন প্লেস অঞ্চলে তৈরি হল কোলকাতার প্রথম হাসপাতাল। প্রেসিডেন্সি অফ ক্যালক্যাটার নাম অনুসারে হাসপাতালের নাম রাখা হয় ‘প্রেসিডেন্সি হসপিটাল’। কোলকাতা বন্দরে আসা সব জাহাজ, স্টিমার এমনকি পণ্যবাহী নৌকোকেও হাসপাতাল নির্মাণের জন্য চাঁদা দিতে হত। একতলা ওই হাসপাতাল ভবনটি ১৭৫ ফুট লম্বা এবং ৬০ ফুট চওড়া ছিল। হাসপাতালটিতে চিকিৎসা হত মূলত নাবিক এবং কোম্পানির সৈনিকদের এবং সেটিও বিনা পয়সায় নয়। অধস্তন সৈনিকদের কাছে নেওয়া হত দৈনিক চার আনা, কর্পোরালদের কাছে ৬ আনা আর সার্জেন্টদের দিতে হত আট আনা। মিলিটারিদের মত গালভরা নাম থাকলেও এরা আসলে ছিল কোম্পানির নিরাপত্তা রক্ষী। স্বাভাবিকভাবে মাইনে ছিল মিলিটারিদের থেকে অনেক কম।

    হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতার অভাব ছিল। চিকিৎসা পদ্ধতিও ছিল সেকেলে। অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিরাময়ের জন্য রোগীর শিরা কেটে রক্তমোক্ষণ(Blood-letting) করান হত। অ্যালেকজান্ডার হ্যামিল্টন হাসপাতালটির বিবরণ দিতে দিয়ে লিখেছেন যে এটা এমনই এক স্থান, “Where many go in to undergo the grievance of physic, but few come out to give account of its operation”.

    হাসপাতাল থেকে রুগী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা মাঝে মাঝেই ঘটত। কেঊ পালাত চিকিৎসার ভয়ে আর কেউ পালাত খরচের ভয়ে। কেউ কেউ অসুস্থ হলেও বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করাতে আগ্রহী ছিল। এতে ব্যাধি অধিক মাত্রায় সংক্রমিত হওয়ার আশংকা থাকত। এইসবে লাগাম দিতে ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৭১০ এ বেঙ্গল সুপ্রিম কাউন্সিল হাসপাতালের চারিধারে দেওয়াল তুলে দেয় এবং ভেতরে থাকার জন্য ব্যারাক তৈরি করা হয়। তবে দেওয়াল তুলেও সমস্যা পুরোপুরি মেটেনি।

    ডঃ হ্যামিলটন এবং ডঃ হার্ভে হাসপাতালটি সুচারুরূপে পরিচালনার জন্য কোম্পানির কর্তাদের কাছে কিছু প্রস্তাব পেশ করেন যা অনুমোদিত হয়।

    ২০ অগাস্ট ১৭১৩ থেকে হাসপাতালে প্রস্তাব মোতাবেক কাজকর্ম শুরু হয়।

    চিকিৎসার মাঝপথে যাতে কেঊ পালাতে না পারে তা নিশ্চিত করতে সেন্ট্রি নিয়োগ করা হয়। পালান আটকানোর পাশাপাশি সেন্ট্রিদের আর একটি বড় কাজ ছিল, কোন রকম মাদক দ্রব্য যাতে হাসপাতালের ভিতরে না ঢোকে সেদিকে কড়া নজর রাখা।

    ইউনাইটেড কোম্পানি হাসপাতালকে ৩০টি কট (cot) ও প্রয়োজনীয় বিছানা এবং ২০ জন রুগীর পরবার মত জামাকাপড় (Gouns and Gurrahs) সরবরাহ করেছিল। এই কট মনে হয় জাহাজের হ্যামক বা দেওয়ালে আটকান বাঙ্কের মত কিছু ছিল, কারণ তক্তপোষের দাবি আসে অনেক পরে, ১৭৫২ সালে। ১৭৫২ সালের ২৭ অক্টোবর কাউন্সিলের এক সদস্য মিঃ. প্লেস্টিড (Plaisteed) হাসপাতাল পরিদর্শন করে রিপোর্ট দেন, “The Doctors are of the opinion that Tuckposts for every room, made to take out at pleasure, will be a great preservation, as all the lower rooms are very damp…” এই ‘Tuckposts’ হল তক্তপোশ।

    প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ এবং হাসপাতালের সকল জিনিসপত্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন স্টুয়ার্টকে নিয়োগ করা হয়। এই কাজের জন্য তার মাইনে ছিল ৩০/- টাকা। জ্বালানীর জন্য আর কোন অর্থ সে পেত না। রুগীদের পথ্য, মোমবাতি এবং জ্বালানী বাবদ যা খরচ হত তা তাদের মাইনে থেকে কেটে স্টুয়ার্টকে দেওয়া হত। সেই খরচ রুগীর পদমর্যাদা অনুযায়ী উপরে উল্লিখিত চার আনা, ছয় আনা এবং আট আনার মধ্যেই রাখতে হত।

    ৬টা পিতলের পাত্র, ৬টা সস প্যান, ১২টা স্যুপ খাওয়ার বাটি (Porringer), কিছু প্লেট আর ২০টা চামচ এর মত কিছু বাসনপত্র কেনা হল।

    অবিবাহিত সৈনিকরা অসুস্থ হলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।

    ১৭২৮ সাল থেকে হাসপাতালটির খুবই ভগ্নদশা পরিলক্ষিত হয়। থমাস স্নো (Thomas Snow) এবং জন এলোফ (John Aloffe) নামে কোম্পানি নিযুক্ত দুই ইঞ্জিনিয়ার হাসপাতালটি নিরীক্ষণ করে এসে ১৭৩০ সালের ১১ মে কাউন্সিলকে জানান যে, দরজা জানলার ফ্রেম নষ্ট হয়ে গেছে, এমনকি কড়ি বরগার এমন অবস্থা যে সত্ত্বর না সারালে বর্ষাকালে ছাত ধসে পড়ার সম্ভাবনা আছে। ওই রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে ১৭৩০ সালে হাসপাতালটির আমূল সংস্কার করা হয়। ১৭৩৬ সালে দোতলায় ডাক্তারদের থাকার জন্য কয়েকটি ঘর নির্মাণ করা হয়।

    হাসপাতালের এক ধারে একটি ঔষধালয়ও খোলা হয়। এর আগে হাসপাতাল চৌহদ্দির মধ্যে ডাক্তারদের থাকার কোন ব্যবস্থা ছিল না। গ্রীষ্ম এবং বর্ষাকালে রোদ বৃষ্টির মধ্যে হেঁটে গিয়ে রুগী দেখার ব্যাপারে ডাক্তারদের অনীহা ছিল। ১৭১৪ সালের ৪ মার্চ থেকে ডাক্তারদের জন্য পালকির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ৪ জন পালকি বেহারার জন্য ডাক্তাররা মাসে ৮ টাকা করে পেতেন। সার্জেনদের এক বছরের মাইনে ছিল ২৮৮/- টাকা। তাদের মাইনে আর ওষুধের খরচ কোম্পানি বহন করত।

    হাসপাতালের ডাক্তারদের মধ্যে প্রসিদ্ধ ছিলেন উইলিয়াম হ্যামিলটন। একবার বাদশাহের ফরমান পেয়ে কোম্পানির একটি দল দিল্লী যায়। ডঃ উইলিয়াম হ্যামিলটনও সেই দলে ছিলেন। তাঁর দিল্লীতে থাকাকালীন অবস্থায় বাদশাহ ফারুক শিয়র হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাজ চিকিৎসকেরা রোগ সারাতে ব্যর্থ হলে হ্যামিলটন চিকিৎসা করে বাদশাহকে সুস্থ করে তোলেন। খুশি হয়ে বাদশাহ তাঁকে অনেক উপহার দেন। কেবল উপহারই নয়, বাদশাহ সাহেবকে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পদ দিতে চেয়েছিলেন। সাহেব রাজি না থাকলেও সরাসরি না করেননি। বাদশাহকে বিনয়ের সঙ্গে জানিয়েছিলেন যে, দেশে গিয়ে আরো কিছু চিকিৎসার সরঞ্জাম এবং ওষুধ নিয়ে আসার পর ওই পদে যোগ দেবেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কোলকাতা ফেরার সময় তিনি নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পথেই মারা যান। সালটা ছিল ১৭১৭। জব চার্ণকের সমাধির কাছেই তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়।

    এ ছাড়া আর যে ডাক্তারদের এই হাসপাতালের সাথে যুক্ত থাকার সন্ধান পাওয়া যায় তাঁরা হলেন, ডঃ রিচার্ড হার্ভে, ডঃ উইলিয়াম জেমস, ডঃ জর্জ গ্রে, ডঃ উইলিয়াম লিন্ডসে এবং ডঃ উইলিয়াম ফুলার্টন। হাসপাতাল ভবনটি তেমন শক্তপোক্ত ছিল না তাই প্রতি বছরই মেরামত করতে হত। ১৭১৬-১৭য় উইলসনের দেওয়া তথ্যে দেখা যায় বাৎসরিক বাড়ি মেরামতের খরচ দুজন সার্জেনের এক বছরের মাইনের সমান পড়ত। ড্রেন সংস্কারেও বেশ ভালই খরচ হত। ওই সময় এক বছর ড্রেনের জন্য চার ভাগে খরচ হয়েছিল ২২০/-, ৮৭২/-, ২২৭/-, ১০৯৮/- টাকা। সময়ের হিসাবে খরচ যথেষ্ট বেশি। খরচের বহর দেখে কর্তাদের সন্দেহ হয়। বোর্ড মিটিং এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে প্রতি সপ্তাহে একজন কমিটির সদস্য হাসপাতাল পরিদর্শন করে সামগ্রিক পরিস্থিতির ব্যাপারে বোর্ডকে অবহিত করবেন। পরবর্তীকালে হাসপাতাল এবং বাড়ি দুটিরই অনেক পরিবর্তন এবং পরিবর্ধন করা হয়েছিল, তবে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কেউ কেউ মনে করেন ১৭৫৬ সালে সিরাজঊদ্দৌলার কোলকাতা আক্রমণের সময় হাসপাতালটি ধ্বংস হয়ে যায়। আবার অনেকের ধারণা যে ওই সময় হাসপাতালটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়নি। অক্ষত অংশকে কাজ চলার মত করে নতুন ভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল। নথিপত্র দ্বিতীয় পক্ষকেই সমর্থন করে। ১৭৬০ সালের ১০ মার্চ হাসপাতালের কার্যবিধি নিয়ে কাউন্সিলের একটি বৈঠকের উল্লেখ পাওয়া যায়। তার একটি রেসল্যুসন হল, “The surgeons be forbid purchasing any necessary for the hospital without express permission of the Buxey”. এই রকম আরো কিছু তথ্য জানান দেয় যে দশা যেমনই থাক না কেন, হাসপাতাল তার ভালোমন্দ নিয়ে ঠেকা দিয়ে চলেছিল আরো কয়েক বছর। শেষের দিকে হাসপাতালটি সব দিক থেকে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ায় ওটিকে বাতিল করে ময়দানের দক্ষিণ দিকের শেষ প্রান্তে লোয়ার সার্কুলার রোডের ধারে জমি বাড়ি কিনে ১৭৭০ সালে সর্বসাধারণের জন্য প্রায় একই নামে গড়ে তোলা হল নতুন হাসপাতাল।

    ‘প্রেসিডেন্সি হসপিটাল’ এর উত্তরসূরি হয়ে স্থাপিত হল ‘প্রেসিডেন্সি জেনারাল হসপিটাল’, আজকের ‘সেঠ শুখলাল করনানি মেমোরিয়াল হসপিটাল’।

    তথ্যসুত্রঃ-

    1. Notes on the Early Hospitals of Calcutta- D. G. Crawford, M. B.

    2. Unseen Enemy: The English, Disease, and Medicine in Colonial Bengal, 1617–1847 By Sudip Bhattacharya
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • প্রবন্ধ | ২৬ জুন ২০২৪ | ১৭৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | 192.139.20.199 | ২৬ জুন ২০২৪ ১৭:৫৭533736
  • "প্রাকৃতিক পরিবেশ সুষ্ঠুভাবে বসবাসের উপযোগী ছিল না। বর্ষাকালে তো জনস্বাস্থ্যের অবস্থা ভয়ানক হয়ে যেত। ... স্থানীয় মানুষেরা এই পরিবেশেই জন্মেছে, এগুলোতে মাখামাখি হয়ে বড় হয়েছে"

    এই লাইনগুলি নিয়ে একটু খটকা লাগলো।

    এই সময়কাল, জনস্বাস্থ্য, মহামারী ইত্যাদি নিয়ে এলেবেলে, ড. জয়ন্ত ভট্টাচার্য, সোমনাথ - এঁদের লেখা পড়েছি আগে। কেউ হয়তো আলোকপাত করতে পারেন।
  • Sukdeb Chatterjee | ২৭ জুন ২০২৪ ১৫:৪০533781
  • Unseen Enemy: The English, Disease, and Medicine in Colonial Bengal, 1617–1847 By Sudip Bhattacharya
    এই বইটিতে  ওই সময়ের জনস্বাস্থ্যের ব্যাপারে বিস্তারিত ভাবে লেখা আছে।  
  • যোষিতা | ২৭ জুন ২০২৪ ১৮:১২533783
  • মন দিয়ে পড়বার লেখা। ছবির মতো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন