এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  সমাজ

  • পবিত্র ভূমি ৯

    হীরেন সিংহরায়
    ধারাবাহিক | সমাজ | ০৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১৯১৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • কানানের অধিবাসীদের নির্মূল করে ইসরায়েল সৃষ্টি করতে সৈন্য বাহিনী সহ জশুয়ার কানান প্রবেশ

    ঈশ্বরের আদেশ ও প্রতিশ্রুত দেশ

    মিশরের দাসত্ব হতে মুক্ত করে মোসেস ইহুদিদের প্রথমে নিয়ে এলেন সিনাই পর্বতের পাদদেশে। সেখানে পেলেন ঈশ্বরের দশ আদেশ। মরুভূমিতে চল্লিশ বছর যাবত হাঁটলেন প্রতিশ্রুত দেশের সন্ধানে যেখানে বইছে দুধ ও মধুর ধারা। এই ভ্রাম্যমাণ জনতা একদিন ক্লান্ত হয়ে পড়েন – কতদূর, আর কতদূর, বলো, মোসেস? মোসেস বললেন আস্থা রাখো, স্মরণ করিয়ে দিলেন কুলপিতা আব্রাহামের প্রতি ঈশ্বরের আদেশ:

    “আব্রাম, তোমার দেশ (উর, আজকের ইরাক) পরিজন, পিতার আশ্রয় ছেড়ে তুমি সেই দেশে যাবে যা আমি তোমাকে দেখাবো।” (জেনেসিস ১২:১)
    “আব্রাম তুমি হবে এক মহান জাতির, রাজন্যবর্গের পিতা আর তোমার সন্ততিকে দেবো এক দেশ, কানান, মিশরের ওয়াদি হতে মহা নদী ইউফ্রেতিস অবধি যেখানে এখন কেনাইট কানানিট কেনিযাইট হিতাইত পেরিজিত জেবুসিত গিরগাশিট, আমোরিটের বাস।” (জেনেসিস ১৫:১৮-২১)

    এই শ্রান্ত জনতাকে এবার ঈশ্বর স্বয়ং অভয় দিলেন
    ‘তোমরা আমারই লোক, আমি তোমাদের ঈশ্বর, জেনো, তোমাদের প্রভু। আমিই তোমাদের মিশরের দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়েছি। আমি তোমাদের নিয়ে যাব সেই দেশে যার শপথ করেছি। কেন না আমি তোমাদের প্রভু।” (একসোডাস ৬:৭-৮)

    কোথা সে দেশ, যেখানে তাঁদের বাসভূমির ল্যান্ড রেজিস্ট্রি করা আছে, ই এম আই দেওয়ার প্রশ্ন নেই?
    “সে দেশের সীমান্ত নির্দেশিত লোহিত সাগর হতে ভূমধ্যসাগর, মরুভূমি থেকে ইউফ্রেতিস নদী অবধি। তোমাদের হাতে তুলে দেবো সেই সব মানুষকে যারা এখন সেথায় বাস করে, তোমরা তাদের বিতাড়িত করবে সেখান থেকে। তোমাদের জমিতে কখনো তাদের বাস করতে দেবে না।” (একসোডাস ২৩:৩১-৩৩)

    ঈশ্বরের বাক্যে বলীয়ান হয়ে মোসেস তাঁর অনুগামীদের নিয়ে চললেন সেই দেশের দিকে কিন্তু ঈশ্বরেরই শাপে কানানে তিনি নিজে প্রবেশ করতে পারবেন না।

    মরুভূমিতে একদিন দেখা দিয়েছিল ভয়ঙ্কর জলকষ্ট। ম্যাঘ দাও, পানি দাও বলে মোসেস ঈশ্বরের কাছে জানালেন আকুল আর্তি। ঈশ্বর বললেন এই নাও ছড়ি। এটি হাতে নিয়ে তোমার ভাই আরন এবং দলের সকল মানুষকে পাশে নিয়ে দাঁড়াও এই পাথরের সামনে, প্রার্থনা জানাও। তবেই পাথর থেকে জল বেরিয়ে আসবে, তোমাদের প্রাণ বাঁচবে। মোসেস ভাবলেন জল যদি এই পাথরের ভেতরেই আছে, তাহলে তার সঙ্গে কথা বার্তা না বাড়িয়ে ছড়ি দিয়ে দু ঘা দিয়েই দেখা যাক কি হয়। তিনি দু বার আঘাত করলেন পাথরে, ঝর্নার মতো শুষ্ক ধরিত্রীর ওপরে উৎসারিত হলো জলের ধারা।

    সকলে মোসেসকে ধন্য ধন্য করলেন। কিন্তু ঈশ্বর ক্রুদ্ধ হলেন। জলদানের জন্য পাথরের সঙ্গে আলাপ আলোচনা না করে মোসেস সরাসরি তাকে আঘাত করে জল আদায় করলেন এবং তাঁর আপনজনদের কাছে পুরো ক্রেডিটটা নিজেই নিলেন। এহেন ধৃষ্টতার শাস্তি ঈশ্বর তৎক্ষণাৎ নির্দিষ্ট করলেন- প্রতিশ্রুত ভূমিতে মোসেসের প্রবেশ নিষিদ্ধ হলো। তিনি ইহুদিদের নেতৃত্ব দেবেন কানানের সীমান্ত অবধি। পাহাড়ের ওপরে দাঁড়িয়ে অঙ্গুলি নির্দেশে বলবেন, ওই দেখা যায় সেই প্রতিশ্রুত ভূমি, ইসরায়েল, তোমরা অগ্রসর হও।

    এত বলি তিনি সেই পাহাড়ে আপন প্রাণ বিসর্জন করলেন।
    (ডিউতেরোনমি – দ্বিতীয় আইন বা পুনরুক্ত আইন - ৩২: ৫১-৫২)



    প্রতিশ্রুত ভূমি কানান

    লোহিত সাগরের জলরাশিকে চিরে মোসেস যাঁদের মরুভূমিতে আনলেন তাঁদের মধ্যে কয়েকজন মাত্র কানানের দোরগোড়ায় পৌঁছেছিলেন। মোসেসের মৃত্যুর পরে ইসরায়েলিদের নেতৃত্ব দিলেন তাঁদেরই একজন, জশুয়া (ডিউতেরোনমি – দ্বিতীয় আইন বা পুনরুক্ত আইন – ৩১:১-৮)।

    এবার ইসরায়েলিদের কানান প্রবেশ, নতুন অধিনায়কের নাম জশুয়া।

    দলবল নিয়ে জশুয়া সে দেশে ঢুকে তো পড়লেন - ঈশ্বর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কোন কাগজের প্রয়োজন নেই, সে সব জমি খামার ইহুদিদের। কিন্তু তাঁরা দেখলেন সেখানে কোন বাড়ি জমি খালি পড়ে নেই, সেথায় বহু মানুষের বসবাস। কেউ তাঁদের আসুন, বসুন ঈশ্বরের অভিলাষ পূর্ণ করুন বলে সদর দরোজা খুলে দিলেন না। কার ঈশ্বর কাকে কোন কথা দিয়েছেন তার তোয়াক্কা না করে সিদন, টায়ার* থেকে গাজা অবধি সাড়ে ছশো মাইল ব্যাপী সমুদ্রতীর বরাবর বহু মানুষ বাসা বেঁধেছেন হাজার বছর আগেই। তাঁরা ব্যবসা বাণিজ্যে অত্যন্ত তুখোড়, তাঁদের নৌকো, জাহাজ পাড়ি দেয় বন্দরে বন্দরে বাইবেল তাঁদের বলেছে সমুদ্র মানুষ। ফিলিস্তিনরা (যা থেকে প্যালেসটাইন শব্দটা এসেছে) সেই বাণিজ্যে সফল, উন্নত জাতি। গাজা ফিলিস্তিনদের বৃহত্তম বন্দর। দক্ষিণ পশ্চিমের মরুভূমি থেকে হঠাৎ হাজির হয়েছেন একদল মানুষ – এটা নাকি তাঁদের প্রতিশ্রুত দেশ। এখানে তাঁরা ডেরা বসাবেন। এ কোন আবদার? বললেই চলে যাবেন তাঁদের বাপ পিতেমোর ভিটে ছেড়ে?

    কানানের মানুষ আপন বাসভূমি ছেড়ে যাবেন কেন? কোথায় যাবেন?

    মোসেস তাঁর জীবৎ কালেই বলে গিয়েছিলেন, কানান প্রবেশ ও অধিকার সহজ হবে না, সেখানে সংগ্রাম আসন্ন! সেই সংগ্রামে তোমাদের তরবারির ডগা দিয়ে নিহত করো কানানের অধিবাসীদের। কেড়ে নাও সে জমি যা তোমাদের জন্য ঈশ্বর নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, আমাদের পিতা আব্রাহামকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, থাকবেন। মা ভৈ!

    এই মাত্তর কয়েক বছর আগে সিনাই পাহাড় থেকে নেমে, একটা পাথরের সেলেট দু হাতে উঁচু করে ধরে সৎ জীবন যাপনের জন্য ঈশ্বর প্রদত্ত দশটি আদেশ জানিয়ে দিয়েছিলেন মোসেস – সেখানে ঈশ্বরের চতুর্থ আদেশ: প্রাণনাশ করিবে না।
    এই আদেশ সবার জন্য যে প্রযোজ্য নয় এমন কোন ফুটনোট হয়তো সেই সেলেটের কোণায় লেখা ছিল, আমরা দেখিনি।

    উত্তর থেকে দক্ষিণ, টানা লম্বা এই দেশ কানান, যার একদিকে সমুদ্র অন্যদিকে পর্বত মালা। এই দেশে বাস করেন অনেক জন জাতি, তাঁদের শহর, দুর্গ ছিল দেওয়াল দিয়ে ঘেরা। কানানের মানুষ আপন দেশ জমি বাঁচানোর জন্য যুদ্ধ করলেন (জেরিকো ছাড়া, যাকে আজ পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো শহর মানা হয়ে থাকে, এগার হাজার বছর তার বয়েস)। ঈশ্বরের আদেশে প্রবুদ্ধ ইসরায়েলি বাহিনী “তাদের তরবারির ডগায় মেরে ফেলে নির্বিচারে পুরুষ, মহিলা, শিশু, বৃদ্ধ, গোরু ছাগল গাধা” (জশুয়া ৬:২১)।

    জেরিকোতে আচান নামের এক সৈন্য শান্তিপ্রিয় নাগরিকদের ভয় দেখিয়ে একটা ব্যাবিলনিয়ান শাল, দু শো শেকেল আর এক টুকরো সোনা আত্মসাৎ করেছিলো। ক্ষিপ্ত হয়ে ঈশ্বর বললেন লুটপাটের সামগ্রী কারো ব্যক্তিগত ভোগে যাবে না, সবটা জমা পড়বে ঈশ্বরের কোষাগারে (All the silver and gold and articles of bronze and iron are sacred to the Lord and must go into his Treasury – Book of Joshua 6:19)। ভগবানের ট্রেজারিতে কিভাবে মানি ট্রানসফার হতো তা জানা যায় না।
    আচানের শাস্তি হলো- সপরিবারে পাথরের ঢিলের ঘায়ে তাদের মৃত্যু।

    তাঁদের সংগ্রামে ঈশ্বর সর্বদা পাশে থেকেছেন। সময় কখনো বিরূপ হলে, ইসরায়েলি সৈন্যদের বিপর্যয় ঘটলে, ঈশ্বর স্বয়ং অভয় দিয়েছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত ইসরায়েলের মানুষ ঈশ্বরের সঙ্গে বাঁধা চুক্তির (কভেনানট) সম্মান রক্ষা করবে, ততদিন ঈশ্বর সতত তাঁদের সঙ্গে থাকবেন। বিস্তীর্ণ এই অঞ্চলে কানানের বিভিন্ন জাতির বিরুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম চলে নানান রণক্ষেত্রে। সব সময় ইসরায়েলিরা সফল হন নি। আবার যখন রুখে দাঁড়িয়েছেন, যেমন হেবরনের যুদ্ধে, সেখানে সকল মানুষকে সবংশে নির্বংশ করেছেন। তবু যখন সংশয় জেগেছে, জর্ডান নদীর তীরে দাঁড়িয়ে ইসরায়েলি প্রশ্ন করেছেন দেবদূতকে- এই যুদ্ধে ঈশ্বর কার পক্ষে, ইসরায়েল না কানান? তিনি অভয় দিয়েছেন সৎ পথে থাকো, আমি তোমাদের সঙ্গে আছি (জশুয়া ৫: ১৩-১৫)।

    ঈশ্বর যাঁদের সহায় তাদের মারে কে? ফিলিস্তিন এবং অন্য জাতির ভগবান নিশ্চয় ছিলেন, কিন্তু তিনি বা তাঁরা সামাল দিতে পারলেন না। একদিন কানানদের আদি পুরুষের বাসভূমি থেকে তাঁদের উৎখাত করে সেই ঈশ্বর প্রতিশ্রুত ভূমিতে আপন আস্তানা গাড়লেন ইসরায়েলিরা। তারপর একদিন গৌরব গাথা গাওয়া হবে, ডেভিড জয় করবেন জেরুসালেম। সেখানে গড়ে উঠবে সলোমনের মন্দির যার অবশেষ, পশ্চিম প্রাচীর, আজ ইহুদিদের পবিত্রতম তীর্থ ক্ষেত্র।

    একটা প্রশ্ন মনে থেকেই যায় – কানানের মানুষ গেলেন কোথায়? সকলেই কি মৃত্যুমুখে পতিত হলেন? তাঁদের কিছু কি পরিযায়ী হয়ে হেঁটে বা নৌকো ধরে ইউরোপের দেশে দেশে অ্যাসাইলাম খুঁজলেন? আজকের মতন?

    হিব্রু বাইবেলে ঈশ্বরের কিছু উক্তি

    • আমি গাজায় লাগাবো আগুন আর সেই আগুনে চুরমার হবে গাজার প্রতিরোধ (আমোস ১:৭)
    • গাজা হবে জনশূন্য, আশকেলন এক ধ্বংসস্তূপ (অ্যাকটস ৮:২৬)
    • ঘিরে ফেলবে গাজা, সেখানে রাখবে না বাঁচার কোন সামগ্রী, গোরু ছাগল বা গাধা (জশুয়া ১৫:৪৭)
    • আশকেলন এই সব লক্ষ করবে, ভয় পাবে। গাজা এক যন্ত্রণায় জর্জরিত হবে (আমোস ১:১৫)
    • ঈশ্বরের দৈববাণী হলো – দামাস্কাস শহরের অস্তিত্ব ঘুচে যাবে, পরিনত হবে এক ধ্বংসস্তূপে, তার রাজত্ব হবে শেষ। সিরিয়ার বাকি অংশ ভোগ করবে ইসরায়েলের সন্তান (জেনেসিস ১০:১৭)
    • যাও, আঘাত করো আমালেকদের, তাদের যা কিছু সম্পদ আছে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করো। ছেড়ো না তাদের, হত্যা করো পুরুষ নারী, শিশু এমনকি দুগ্ধপোষ্য শিশু, গোরু বলদ ভেড়া, উট, গাধা (সামুয়েল ১৫:৩) **
    • গাজা আজ শূন্যস্থান, এশকেলন চূর্ণ (জাজেস ১৬:২৩)
    • দেবদূত ফিলিপকে বললেন, ওঠো, জাগো, জেরুসালেম থেকে দক্ষিণের পথ ধরে যাও গাজা, যা এখন মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে (সামুএল ৬:১৭)
    • এবার ঈশ্বর বললেন দেখো, ফিলিস্তিনদের শায়েস্তা করতে বাড়িয়েছি হাত। আমি ধ্বংস করব বাকি সমুদ্রতটবর্তী অঞ্চল (ক্রনিকল ২১:১৬)
    • ঈশ্বর বললেন আমি আশদোদের মানুষকে দূর করে দেবো আর তাকেও যার হাতে আজ আশকেলনের রাজদণ্ড আছে। একরন, ফিলিস্তিনরা হবে ধ্বংস (ডানিয়েল ৪:১৫)
    • গাজার রাজা বাঁচবে না, আশকেলন হবে জনশূন্য (জেফানিয়া ২:৪)

    সূত্র : কিং জেমস বাইবেল (হিব্রু বাইবেল/ ওল্ড টেসটামেনট)

    সংযোজন

    কানান দখলের যুদ্ধ শুরু হয় খ্রিস্ট পূর্ব ১৪০০ সালে। কানান বিজয় সম্পূর্ণ হতে দুশ বছর।

    হিব্রু বাইবেলে পাঁচটি ফিলিস্তিন শহরের নাম বারবার উল্লিখিত হয়েছে, একত্রে এঁরা গড়ে তুলেছিলেন এক ধরনের সমবায় সঙ্ঘ - তাদের মধ্যে সমুদ্র তটবর্তী গাজা, আশদোদ, আশকেলনে মানুষ বাস করেছেন নিরবচ্ছিন্ন ভাবে কয়েক হাজার বছর যাবত, এদের নাম আজও অপরিবর্তিত। অন্য দুটি শহর এক্রন (আজকের তেল মিকনে, এক সময়ের আরব গ্রাম, আকির, বর্তমানে জনশূন্য) এবং গাথ (আজ একটি ধ্বংসস্তূপ) মিলে এই পাঁচটি শহরকে বলা হয়েছে গাজা পটি (স্ট্রিপ)।

    * টায়ার বন্দর, আজকের লেবাননের তৃতীয় বৃহৎ শহর। হিব্রু বাইবেল রচনার কয়েক হা জার বছর আগে থেকেই সেখানে মানুষের বাস (জীবনানন্দের কবিতায় আমরা এই টায়ার পেয়েছি)। গ্রিক ইতিহাস অনুযায়ী টায়ারের অধিবাসী কাদমুস গ্রিসে বর্ণমালা (আলফাবেট) প্রচলন করেন। কাদমুসের কন্যার নাম ইউরোপা – যা থেকে এক মহাদেশের নামকরণ হয়েছে। টায়ারের আরেক রাজকন্যা এলিসা আজকের টিউনিসিয়া জয় করে কার্থেজ স্থাপনা করেন (মৎপ্রণীত আমার আফ্রিকা দ্রষ্টব্য!)। টায়ার এখনও এক প্রাণবন্ত শহর।

    বাইবেলে লেবাননের উল্লেখ আছে অন্তত সত্তর দফা।
    সিদন, বর্তমানে সাইদা, ফিনিশিয়ানরা (যারা টাকার প্রচলন করেছিলেন প্রথম) এই বন্দর শহরের স্থাপনা করেন, সাড়ে পাঁচ হাজার বছর যাবত মনুষ্য অধ্যুষিত।
    সম্ভবত জেরিকোর পরেই সিরিয়ার রাজধানী দামাস্কাস বিশ্বের দ্বিতীয় প্রাচীনতম শহর। জিহোভার অভিশাপ সত্ত্বেও দামাস্কাস এখনও দাঁড়িয়ে আছে।

    ** ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু গত সপ্তাহে তাঁর এক ভাষণে গাজা অভিযানে ইসরায়েলি সৈন্য বাহিনীকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য জশুয়ার বই থেকে আমালেক জাতিকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করার এই আহ্বানকে স্মরণ করেছেন।

    পরিশেষে

    হিব্রু বাইবেলের ভাষ্য অনুযায়ী মিশরের দাসত্ব মুক্তি থেকে ইসরায়েলে অধিবাসী জনজাতিকে উচ্ছেদ করে ইহুদিদের পাকাপাকি বসবাসের একটি সংক্ষিপ্ত সময় রেখা বা টাইম লাইন টানবার চেষ্টা করেছি মাত্র।
    গাজা তথা ইসরায়েলের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তার কোন মিল খোঁজা সম্পূর্ণ অর্থহীন প্রচেষ্টা বলে মনে করি।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • ধারাবাহিক | ০৫ নভেম্বর ২০২৩ | ১৯১৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • হীরেন সিংহরায় | ০৭ নভেম্বর ২০২৩ ২০:১৬525691
  • ইতিহাসের ছাত্রের প্রতি 
     
    ইতিহাসে হয়তো শেষ অবধি মানুষ জেতে, সময় লাগে ! 
    ' মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ সে বিশ্বাস আমি আজীবন রক্ষা করবো ' - রবীন্দ্রনাথ লিখলেন সভ্যতার সঙ্কট প্রবন্ধে দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের মাঝে।
  • পলিটিশিয়ান | 192.210.24.154 | ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:১৭525720
  • 'হয়তো'টা খুব একটা সোয়াস্তি জাগায় না হীরেনবাবু। আমি মাঝে মাঝে ভাবি ডাইনোসররা যদি একটুও বুদ্ধিমান হত তাহলে কি তারাও ভাবত ডাইনোসরের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ। ভগবানের সাথে ডাইনোসরদের কোভেন্যান্ট আছে। তারপর ধ্বংস যখন এল তখন কোভেন্যান্ট এর দোহাই দিয়েই সবাই মিলে মরে গেল।
     
    সৃষ্টিতে সৃষ্টিকর্তা মানুষের প্রতি বিশেষ পক্ষপাত করেছেন এ বিশ্বাস তো নেই।
  • :|; | 174.251.161.4 | ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:৫৪525722
  • আঠারো সতেরো : "ডাইনোসররা যদি একটুও বুদ্ধিমান হত" কিন্তু হয় নি মানুষ হয়েছে, ঘটনা -- সৃষ্টিতে আর কেউ পারেনি কিন্তু মানুষ সেটা হতে পেরেছে -- এতেই কি প্রমান হয়না "সৃষ্টিতে সৃষ্টিকর্তা মানুষের প্রতি বিশেষ পক্ষপাত করেছেন"?
  • পলিটিশিয়ান | 192.210.24.154 | ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ২১:২০525737
  • সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস করলে তবে তো পক্ষপাতে বিশ্বাস।
     
    সব ডমিন্যান্ট স্পিসিসেরই কিছু না কিছু ছিল যার বলে তারা ডমিন্যান্ট হতে পেরেছিল। মানুষের বেলায় সেটা বুদ্ধি। কিন্তু অন্য স্পিসিসের বেলায় বিলুপ্তি আটকায় নি, মানুষের বুদ্ধি সেটা আটকাবে, এটা লিপ অফ ফেইথ। মানে কি হবে সে আমরা কেউ জানিনা। কিন্তু মানুষের বুদ্ধি দুদিকেই কাটে, এখন অবধি মোটামুটি এটাই অবজারভেশন। 
  • :|: | 174.251.161.4 | ০৮ নভেম্বর ২০২৩ ২১:৪০525738
  • ও! সৃষ্টিকর্তাতে বিশ্বাস নেই সেটা ওই ছত্রটি থেকে বোঝা যায়নি। ভেবেছিলাম তাঁর পক্ষপাত দুষ্টতাহীনতা নিয়ে কথা হচ্ছে। 
     
    যাই হোক, বুদ্ধি নিয়ে কথা হলেও বক্তব্য মোটামুটি একই থাকবে। যে স্পিসিসে এক বুদ্ধ জন্মাতে পারে একজন যীশু আসেন রবীন্দ্রনাথ নামে কিছু জন্মাতে পারে -- সেই স্পিসিসকে অন্য মাপকাঠিতে দেখার উপায় নাই। বিশ্বাস অর নো বিশ্বাস -- সেই প্রশ্নের অবকাশই কই।
  • পলিটিশিয়ান | 2607:fb90:37a4:319:ad3:2957:4ed8:1001 | ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ০১:৪৪525754
  • যীশু বা রবীন্দ্রনাথ জন্মে স্পিসিসের মারমার কাটকাট কিছু কমেনি। কাজেই ওটায় ভরসা পাবার কিছু নেই।

    আর ডাইনসরেরাও হয়তো ভাবত যে জাতে টি রেক্স ইত্যাদি জন্মেছে ইত্যাদি।
  • Amit | 163.116.203.79 | ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ০৪:২৬525770
  • হীরেনদা কে প্রশ্ন - তখনকার সময়ে যারা ফিলিস্তিন বা লেবাননে ছিলেন , যাদের সাথে ইহুদিদের যুদ্ধ হলো - তাদের সেই সময়ের কোনো লিখিত ইতিহাস বা লোককথার ভার্সন পাওয়া যায়না? ইসলাম আসতে আসতে তো আরো প্রায় এক হাজার বছর (৬থ সেঞ্চুরি ধরলে)। সেটার আগের পিরিয়ডে কিছু থাকলে তাহলে ওল্ড টেস্টামেন্ট আর সেসবের একটা কম্পারিসন করা যায়। 
  • হীরেন সিংহরায় | ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ১৫:২৩525810
  • অমিত 
     
    নাইজেরিয়ান লেখক কেন আচেবে বলেছিলেন যতদিন না সিংহ তার আপন লেখক খুঁজে পাবে, শিকারের ইতিহাস লিখবে শিকারি ! ফিলিস্তিনদের কোন বীর গাথা লোকমুখে প্রচলিত কাহিনির সন্ধ্যা হয়ত মেলে নি কিন্তু প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে তাদের একটি চেহারা আমাদের কাছে ক্রমশ প্রকট হচ্ছে সেটা সবই গত দেড়শ বছরের কাজ আরেকটা সমস্যা হলো সঠিক সময় বা সাল নির্ণয় করা -প্রত্নতত্ত্ব ও হিব্রু বাইবেলের গল্পের মধ্যে ফারাক ক্রমশ বাড়ছে বাইবেলে সাজিয় গুছিয়ে যে গল্প বলা আছে তার ভেতরেও অসংগতি চোখে পড়ে একবার বলছেন হেবরনের সকল মানুষ নিহত পরে আবার সেখানে মানুষজন দেখা যায় ফিলিস্তিনরা একসময়ে অ্যাসিমিলেটেড হয়ে যায় এমন ধারণা খুব চালু আছে কিন্তু অ্যাসিমিলেটেড হলেন কার সঙ্গে ? লেবাননের সেডার গাছ ফারাওদের কাছে অসম্ভব মূল্যবান মিশরে গাছ জন্মায় না প্রায় তো বাইবেলে অজস্রবার বর্ণিত সেই সব লেবানিজ ব্যাপারী কোথায় গেলেন ?
    তাই মনে হয় আরও খোঁড়া প্রয়োজন - এযাবৎ শ্রেষ্ঠ বই ভেরনার কেলারের  Bible as History 
  • হীরেন সিংহরায় | ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ১৭:৪১525823
  • অমিত

    আগের পোস্টে দাঁড়ি কমা ফুলস্টপ বাদ পড়ে গেছিল লেখার অর্থ উদ্ধার করা শক্ত ! তাই আবার।

    নাইজেরিয়ান লেখক কেন আচেবে বলেছিলেন ' যতদিন না সিংহ তার আপন লেখক খুঁজে পাবে, শিকারের ইতিহাস লিখবে শিকারি ! ফিলিস্তিনদের কোনো বীর গাথা লোকমুখে প্রচলিত কাহিনির সন্ধান হয়ত মেলে নি, কিন্তু প্রত্নতাত্ত্বিক খননের ফলে তাদের একটি চেহারা আমাদের কাছে ক্রমশ প্রকট হচ্ছে। সেটা সবই গত দেড়শ বছরের কাজ। আরেকটা সমস্যা হলো সঠিক সময় বা সাল নির্ণয় করা - প্রত্নতত্ত্ব যত সফলভাবে এগুচ্ছে তার সঙ্গে হিব্রু বাইবেলের গল্পের ফারাক বাড়ছে। বাইবেলে সাজিয়ে গুছিয়ে যে গল্প বলা আছে তার ভেতরেও অসংগতি চোখে পড়ে - একবার বলছেন হেবরনের যুদ্ধে সকল মানুষ নিহত পরে আবার সেখানে মানুষজন দেখা যায়। ফিলিস্তিনরা একসময়ে অ্যাসিমিলেটেড হয়ে যায় এমন ধারণা খুব চালু আছে। কিন্তু অ্যাসিমিলেটেড হলেন কার সঙ্গে? ইহুদি হওয়া যায় না - মানে মাস কনভার্শন সম্ভব নয়। লেবাননের সেডার গাছ ফারাওদের কাছে অসম্ভব মূল্যবান ছিল মিশরে গাছ জন্মায় না প্রায়। বাইবেলে অজস্রবার বর্ণিত সেই সব লেবানিজ ব্যাপারী কোথায় গেলেন? তাই মনে হয় আরও খোঁড়া প্রয়োজন - এযাবৎ শ্রেষ্ঠ বই ভেরনার কেলারের Bible as History
  • শু | 103.232.241.147 | ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:১৪525824
  • এই সি পিপল রা ফিলিস্তীনি না ফিনিশিয়ান? 
  • হীরেন সিংহরায় | 2a00:23c7:672e:2001:b192:429c:e7a8:b577 | ০৯ নভেম্বর ২০২৩ ১৯:৪১525829
  • সী পিপলের সঠিক সংজ্ঞা ঠিক হয়তো পাওয়া যায় না। লেভান্ত ও আনাতোলিয়ায় অনেক জাতি জলে জাহাজ ভাসিয়েছেন। জশুয়ার লোকজন যেটা তেমন করেন নি 
  • Amit | 163.116.203.79 | ১০ নভেম্বর ২০২৩ ০৩:৫৮525865
  • এই আর্কিওলজিস্ট দের কাজ পুরো গোয়েন্দা কাহিনীর মতো। হাজার হাজার পিসের জিগস পাজল। ছোট ছোট দু একটা পিস্ খুঁজে হয়তো একরকম দেখতে লাগছে। তারপর কদিন পরে আরো দুটো পিস্ খুঁজে পেলে পুরো ছবিটাই হয়তো পাল্টে গেলো। তবে এগুলো যে সবসময় পলিটিক্যালি ​​​​​​​মোটিভেটেড নয় ​​​​​​​সেটাও ​​​​​​​বলা ​​​​​​​মুশকিল- যেমন ​​​​​​​জ্ঞানবাপী  নিয়ে চলছে। 
     
    তবে বাইবেল বা ওল্ড টেস্টামেন্ট বা কোরান থেকে রামায়ণ মহাভারত সবই তো আগে ধর্ম পুস্তক তারপর অন্য কিছু। সেখানে ইতিহাসের প্রপার বর্ণনা পুরোপুরি ঠিক হতে পারেনা। এগুলোকে ​​​​​​​প্রামাণ্য ​​​​​​​হিসেবে ​​​​​​​১০০-% নেওয়া যায়না। ​​​​​​​জাস্ট তখনকার সময়ের কালচার বা পলিটিক্স এর ​​​​​​​কিছুটা সাপোর্টিং বা সার্কামফারেন্সিয়াল ​​​​​​​এভিডেন্স। তাঁর ​​​​​​​বেশি ​​​​​​​কিচ্ছু নয়। 
     
    খ্রীষ্টান দের যে চারটে মেন্ গসপেল - ম্যাথিউ মার্ক লুক জন - তার মধ্যেও নিউমেরাস অসঙ্গতি আছে। ইভেন রেসারেকশন ঘটনাটা নিয়েও প্রচুর ইনকন্সিস্টেন্সি। মানে রেসারেকশন জিনিসটাই তো পুরো কষ্ট কল্পনা- যেমন মহম্মদের মুন স্প্লিটিং বা মুনি ঋষিদের মন্ত্র পড়ে বৃষ্টি আনা। একটু মিরাকল-টল না ঠিকঠাক ডোজে থাকলে লোকের ভক্তি তো ঘেটে যাবে। কিন্তু রেসারেকশন এর  মতো একটা হাইলাইটেড ঘটনাকে ঠিক্ঠাক নির্মাণ করতে যেটুকু যত্ন দরকার ছিল- সেটা চারটে গসপেল এ একটু ঘেটে গেছে। 
  • হীরেন সিংহরায় | 2a00:23c7:672e:2001:ded:9cf8:604b:33ec | ১১ নভেম্বর ২০২৩ ০৪:১০525915
  • অমিত 
     
    অনেকটাই সহমত। ক্রিসটিয়ান বাইবেলের চার সন্তের মধ্যে একজন মাত্র যিশুকে সাক্ষাত দেখেন। লোকমুখে চালু গল্প সবাই লিখেছেন তাই অনেকটাই খাপছাডা, মেলে না একে অপরের সংগে। কনসটানটিন নিসিয়াতে এক সম্পাদক মনডলী বসালেন যিশুর মৃত্যুর তিনশো বছর বাদে। তাঁরা কেটে ছেঁটে যা প্রকাশ করলেন সেটাই আজকের নিউ টেসটামেনট। যে সব তথ্য অস্বস্তিকর মনে হয়েছে নির্বিচারে বাদ দিয়েছেন। আমার কাছে রেসারেকশনকে মেনে নেওয়া শক্ত, কিন্তু এই গল্প বানাতে হয়েছে  ট্রিনিটি তত্ব খাড়া করতে। 
    হিবরু বাইবেলে ইতিহাস ভূগোল অনেকটাই পাওয়া যায়। ব্রিটিশ জেনারেল অকিনলেক প্রথম বিশ্ব সমরে জেজরেল ভ্যালী থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজে পান - তিনি বাইবেলের সূত্র উল্লেখ করেন। যদি পারেন কেলারের Bible as History বইটা দেখবেন ( original ঃ  Bibel hat doch Recht)।
  • Amit | 163.116.203.79 | ১১ নভেম্বর ২০২৩ ০৬:২৬525918
  • কিনেই ফেললাম বইটা। দু এক ​​​​​​​পাতা ​​​​​​​পড়ে ​​​​​​​বেশ ​​​​​​​ইন্টারেস্টিং ​​​​​​​লাগছে। ​​​​​​​দারুন ​​​​​​​রেকো। ​​​​​​​থ্যাংকু। 
     
    সফট কপির সাথে পেপারব্যাক এর দামের তফাৎ দিনে দিনে বাড়ছে। এটা পেয়ে গেলাম প্রায় ১/৩ দামে। 
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন