এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • অন্য এক হান্সের কথা 

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ অক্টোবর ২০২৩ | ৫৭৩ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • হানসের কথা আমাদের অনেকেরই জানা। সমুদ্রের ধারে থাকা নেদারল্যান্ড দেশটার গড়ন অনেকটা চ্যাটালো। তাই সমুদ্রের জল কুল ছাপিয়ে ঢুকে পড়ে একেবারে দেশের ভেতরে। এরফলে উপকূল ঘেঁষে বসবাস করা মানুষজনের কাছে বিষয়টি খুব উদ্বেগের ও বিড়ম্বনার। কূলের ঠাঁই ছেড়ে অন্যত্র চলে যাবার উপায় নেই, কারণ এখানে বিপদের ঝুঁকি নিয়ে থাকা মানুষজনের অধিকাংশ‌ই হলো মেছুয়া। সমুদ্রের পশরা নিয়েই তাঁদের বেঁচে থাকার লড়াই। উপকূলের মানুষেরা তাই দরিয়ার সাথে দোস্তি করেই টিকে আছে। কীভাবে এই সমস্যার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায় তা নিয়ে নানান আলোচনা চলে ভুক্তভোগী মানুষজনের। অনেক ভাবনা চিন্তা করে শেষে ঠিক হয় উপকূল ঘিরে টানা বাঁধ দেবার। দীর্ঘ সময় ধরে একটু একটু করে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় ভাবে তাকে বলা হয় ডাইক। এরফলে রক্ষা পায় বাঁধ লাগোয়া জেলেদের গ্রামগুলো।

    এমন‌ই এক গ্রামের ছেলে হান্স। বাবা মা আর ছোট্ট বোনকে নিয়ে তার পরিবার। আজ দিনকয়েক ধরে উত্তর সাগরের এক অশান্ত অবস্থা। বাঁধ দিয়ে সাগরকে আটকে দেবার ফলে সমুদ্র দেবতা বোধহয় একটু রুষ্ট হয়েছেন। তাই বড়ো বড়ো ঢেউ তুলে রাগ প্রকাশ করছেন।

    আকাশ মেঘলা। থেকে থেকে ঝিরঝির করে বৃষ্টি হচ্ছে। হান্স স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার জন্য পথে নামে। অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে তাকে। ভিজে রাস্তায় বেশ সন্তর্পণে পা ফেলতে হয়। মাঝে মাঝে ঝোড়ো হাওয়া এসে হান্সের বর্ষাতিকে এলোমেলো করে দেয়। চলতে চলতে হঠাৎ করে থমকে দাঁড়ায় সে। রাস্তায় এমন কুলকুল করে জল ব‌ইছে কেন?

    ডাইকে ফাটল ধরলো নাকি? অন্ধকারে একটু নজর ঘোরাতেই চমকে ওঠে হান্স। লক্ষ করে দেখে ডাইকের প্রাকারে একটা ছোট্ট গর্ত তৈরি হয়েছে, আর সেই পথে জল ঢুকছে গ্রামে। মহা বিপদের শঙ্কায় কেঁপে উঠল হান্সের‌ বুক।আর দেরি করা যাবেনা একথা বুঝতে পেরেই সে তার মুঠিবদ্ধ হাত দিয়ে প্রাণপনে চেপে ধরে গর্তের মুখ। জল ঢোকা কিছুটা হলেও বন্ধ হয়ে যায়। ইতোমধ্যে তাকে খুঁজতে আসা গ্রামের লোকজন এসে উদ্ধার করে তাকে। মেরামতের ব্যবস্থা শুরু হয়।

    হান্সের সাহস আর উপস্থিত বুদ্ধির জন্য রক্ষা পায় তাদের গ্রাম। সবাই ধন্য ধন্য করে তাকে।

    আজ গ্রামে অনেক অনেক মানুষের ভিড়। খানিক পরেই নাকি স্বয়ম্ সিএম সাহেব আসবেন সমবেদনা জানাতে। পূর্ব সিকিমের ছোট্ট শান্ত গ্রাম সামডঙ। তার‌ই ঘরের ছেলে দাওয়া শেরিং তোঙডেন লেপচা। গাঁয়ের মাঝখানে একটা ছোট্ট মাচায় তাঁর নিথর কফিন বন্দী দেহটা শোয়ানো রয়েছে। খানিকটা ব্যবধানে আলুথালু বেশে বসে আছে গীতা কুমারী, দাওয়া শেরিং এর সদ্য বিধবা স্ত্রী। তাঁকে ঘিরে প্রতিবেশী মহিলাদের একটা জটলা। দাওয়া শেরিং এর ছোট্ট ছেলে লিয়ঙ আর মেয়ে নয়ালমিতকে আগলে রেখেছে ওদের কাকা রংজন লেপচা। তাঁর মুখে কোনো কথা নেই। প্রিয় দাজুকে এভাবে হারিয়ে রংজন নিথর হয়ে গেছে।

    সিএম আসবেন,তাই সিকিউরিটির লোকজন আর ক্যমেরা বাবুদের ব্যস্ত ভিড়। তাদের নানা প্রশ্ন। গীতা কুমারী সেসব প্রশ্নের জবাব জানে না। দূরে বসে থাকা নরেশকে দেখিয়ে দেয় হাজারো পেঁচালো প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য। খাটো গলায় নরেশ বলে চলে –
    আমি আর দাওয়া দাজু হলাম বালুটারে তিস্তা - ৫ প্রকল্পের দুই অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মী। আমাদের কাজ হলো প্রতিদিন বাঁধের জলের পরিমাণ মেপে মেপে দেখা যাতে তা কখনও খুব বেশি বেড়ে গিয়ে বিপদ না ঘটায়। সেদিন মানে সেপ্টেম্বরের তিন তারিখেও আমরা এমনটাই করছিলাম। নিম্ন চাপের বৃষ্টির জেরে তিস্তার জলস্তর কয়েকদিন ধরেই একটু একটু করে বাড়ছিল দেখে দাওয়া দাজু খুব চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। অনেক দিন ধরে আমরা তিস্তাকে চিনি জানি, ঠিক আমাদের ঘরের মেয়ের মতো। তিস্তার বয়ে চলার সুরে সুর মিলিয়ে চলতে অভ্যস্ত সিকিমের মানুষজন। এই চেনা সুর কেটে কেটে যাচ্ছিল তিস্তার বুক জুড়ে কংক্রিটের বাঁধ তৈরির সময় থেকেই। তিস্তা মুখ বুজে সব কিছু মেনে নিয়েছিল। আমি আর দাওয়া দাজু এসব নিয়ে কত সুখ দুঃখের কথা বলেছি। সেদিন নদীর চলার ছন্দে যেন ছিল সবকিছুকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবার ইঙ্গিত। আমরা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলাম উচ্চতর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তাঁরা আমাদের আশ্বস্ত করে বলেছিলো চিন্তার কোনো কারণ নেই, সবকিছু নজরে আছে।

    সে রাতে আমাদের চোখে ঘুম ছিলনা। নদীর গর্জন শুনতে শুনতে আমাদের শরীর ক্রমশ‌ই যেন অবশ হয়ে আসছিল। সেই কথা দাজুকে বলতেই সে ধমক দিয়ে বলল - মনে সাহস রাখো। আমাদের ওপর অনেক মানুষের জীবন নির্ভর করছে।

    রাত তখন প্রায় একটা। তিস্তার গর্জন চারিদিকের নিদ্রিত পাহাড়তলির স্তব্ধতাকে খানখান করে প্রবল হয়ে উঠছিল। দাওয়া দাজু আমাকে বললো –আজ ভয়ঙ্কর কিছু না ঘটে যায়! তাঁর কথা শেষ হতে না হতেই তীব্র আওয়াজ ভেসে এলো নদীর বুক জুড়ে। মনে হচ্ছিল দূরে পাহাড় ভেঙে পড়েছে। কী করবো ভাবছি এমন সময় দাওয়া দাজু চিৎকার করে উঠল – "নরেশ, হামে লকগেট খোলনা হ্যায়। জলদি করো। হামরা পাশ জাদা ওয়াক্ত নহী হ্যায়।"

    পরিণতির কথা চিন্তা না করে আমরা পাগলের মতো লকগেটগুলো খুলে দিতে না দিতেই তিস্তার জল এসে আঁছড়ে পড়লো দিকচু বাঁধের কংক্রিটের দেওয়ালের ওপর। তারপর সেই জল লকগেটের খোলা পথ বেয়ে বয়ে যাচ্ছিলো আরও নীচে তিস্তার ভাটিপথে। তিস্তার ঐ উন্মত্ত রোষ থেকে দিকচু বাঁধকে বাঁচাতে পেরে আমি তখন উত্তেজনায় থরথর করে কাঁপছি। শুধু তো বাঁধ নয়, লকগেটগুলো ঠিক সময়ে খুলে না দিলে সিংতাম থেকে সেবক পর্যন্ত নদীর কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা গ্রামগুলো সব তিস্তার আগ্রাসনের ফলে ধংস হয়ে যেত। বাদ যেতোনা উত্তর বঙ্গের পাহাড় পাদদেশের জনপদের একাংশ।

    দাওয়া দাজুকে এই খবর দেবার জন্য বাঁধের দিকে ছুটে যেতেই দেখি চার নম্বর লকগেটের সামনে উপুড় হয়ে শুয়ে আছে দাওয়া দাজু। মনের ভেতর একরাশ উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা ছলাৎ করে উঠলো। গুটি গুটি পায়ে কাছে গিয়ে দেখি হাই ভোল্টেজ বৈদ্যুতিক তারের মারণ স্পর্শে চিরকালের জন্য চলে গিয়েছে লকগেটম্যান চুক্তি ভিত্তিক ঠিকাদার সংস্থার অস্থায়ী কর্মী দাওয়া শেরিং তোঙডেন লেপচা। বয়স ৩৫। বাড়ি লোয়ার সিকিমের সামডঙ্।" এই পর্যন্ত বলে কান্নায় ভেঙে পড়ে নরেশ, নরেশ ছেত্রী – সিংতাম জেলার বালুটারে তিস্তা ৫ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের আরও এক দায়িত্বশীল অস্থায়ী কর্মী।

    সিএম সাহেব আসেন। মালা দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সঙ্গে আসা উচ্চ পদাধিকারীরাও ফুল ছড়ান দাওয়া শেরিং এর নিথর দেহের ওপর।ঔপচারিকতা শেষ হতেই একে একে বিদায় নেন তাঁরা। একরাশ শূন্যতা নিয়ে বিহ্বল হয়ে থেকে যায় দাওয়া শেরিং এর অসহায় পরিবার। তিস্তা সকলের দুঃখ বুকে নিয়ে বয়ে চলে আগের মতো। ছোট্ট লিয়ঙ খালি অস্ফূট কন্ঠে জিজ্ঞাসা করে–চাচু,পাপা কিউ নহী আয়া? ছোট্ট লিয়ঙ এর এই প্রশ্নটিই প্রতিধ্বনিত হয় পাহাড় থেকে পাহাড়ের বুকে।

    **এই লেখাটি দাওয়া শেরিং তোঙডেন লেপচাকে উৎসর্গ করা হলো।
    ** প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য সংবাদপত্রের কাছে কৃতজ্ঞ।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পলি মুখার্জি | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৫২524429
  • এমন একজন মানুষের জীবনের করুণ পরিণতির কথা পড়তে পড়তে মন ভিজে গেল। এমন একজন মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে রক্ষা পেলো বহু মানুষের জীবন। দাওয়া দাজুর জন্য র‌ইলো গভীর শ্রদ্ধা। লেখককে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে গুরুর পাতায় যত্ন করে তুলে আনার জন্য।
  • তথাগত । | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ ২২:০৯524431
  • ছোট বেলায় পড়া হান্সের গল্পে ছিল বীররসের ছোঁয়া, আর এই নতুন কাহিনি জুড়ে করুণ রসের প্রাধান্য। অথচ দুই সময়ের দুই কাহিনি যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। ধন্যবাদ এমন একটি লেখার জন্য।
  • সৌমেন রায় | ১০ অক্টোবর ২০২৩ ০৭:২৮524442
  • এরা কোনোদিনই প্রাপ্য মর্যাদা পায়না তবু নিজের কাজ করে যায়।লেখন সুন্দর ভাবে বিখ্যাত হান্সের পাশে রেখে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।
  • Amit | ১০ অক্টোবর ২০২৩ ১১:১৭524450
  • এই স্যাক্রিফাইস এর ঘটনা গুলো পড়তে হয়তো ভালো লাগতে পারে- চোখের জল ও আসে। কিন্তু প্রশ্ন এটাও তোলা হোক এমন একটা দরকারি আর রিস্কি কাজ যেখানে হাই ভোল্টেজ তারে ছুঁয়ে লোক মারা যেতে পারে, সেসব কাজ কেন মানুষ দিয়ে করানো হবে ? এসব মনিটরিং কেন মাল্টিপল অটোমেটেড লেভেল ইনডিকেটর আর অ্যালার্ম & শাটডাউন সিস্টেম দিয়ে করানো হয়না ? এসব সিস্টেম ইনস্টল আজকাল খুব কম খরচেই হয়ে যায়। ইন্ডিয়ায় সব প্রজেক্ট কনস্ট্রাকশন এ যে পরিমান করাপশন হয়, তার একটা ছোট অংশ বাঁচিয়ে এসব রিমোট মনিটরিং & অ্যালার্ম সিস্টেম ইন্স্টল করা খুব সম্ভব।
     
    যতই সিনসিয়ার ডেডিকেটেড লোক হন না কেন, মানুষের ক্লান্তি আসে, ঘুম আসে, নানা ফ্যাক্টর এর জন্যে কিছু ক্রিটিকাল ডাটা পয়েন্ট মিস হয়ে যেতে পারে। সেখানে রোবটিক সিস্টেম কোনো ফ্যাটিগ ছাড়া কাজ করে যেতে পারে ২৪ বই ৭। সমস্ত ক্রিটিকাল প্রসেস প্লান্ট, পাওয়ার থেকে নিউক্লিয়ার সব জায়গায় আজকাল রিমোটলি ইনস্টল্ড কন্ট্রোল আর শাটডাউন সিস্টেম দিয়ে কাজ হয়। এমনভাবে বানানো হয় সেগুলো যে ফেসিলিটি পুরোপুরি আনম্যান্ড হলেও সেফলি শাটডাউন হয়ে যায়। যত দিন যাচ্ছে সমস্ত ক্রিটিকাল ইন্ডাস্ট্রিতে অটোমেশন বাড়ছে। কারণ শুধু বেটার কন্ট্রোল নয় - বেটার সেফটি ও। আর অটোমেশন খরচ ও কমছে প্রতি বছর।
     
    যতই বলা হোক মানুষের লোভ প্রকৃতি কে শেষ করে দিচ্ছে - এর সমাধান কোথায় ? পপুলেশন তো বাড়ছেই। কমছে না। এনার্জি ডিমান্ড না বাড়লে নতুন ড্যাম নতুন পাওয়ার প্লান্ট লাগবে কেন ? আজকে শহরে গরমকালে দুপুরে দু ঘন্টা পাওয়ার না থাকলে তখন কতজন প্রকৃতি নিয়ে মাথা ঘামাতে আসবেন সত্যি করে বলেন তো ? আর রাস্তা বাঁ ইনফ্রা না হলে পাহাড়ি লোকজনের কোনো ইমার্জেন্সি দরকার হলে তারা আসা যাওয়া করবেন কিভাবে ? ট্যুরিজম এর কি হবে ?
     
    যদি দাবি করা হয় পাহাড়ি এরিয়াতে সমস্ত কনস্ট্রাকশন বন্ধ করা হোক, তার উপায় টা কি ? তাদেরকে কুঁড়েঘরে জোর করে রেখে দেওয়া ? নাকি সমস্ত হিমালয়ে সমস্ত রিস্ক প্রোন এরিয়া কে সংরক্ষিত করা ?সেখান থেকে সমস্ত লোকজনকে জোর সরিয়ে শহরে বা সমতলে নিয়ে আসা ? শহরের লোকজন সবাই খুশি মনে রাজি হবেন তো যদি আজকে এতো এডিশনাল লোককে একোমোডেট করার জন্যে হংকং বা সিঙ্গাপুর র মডেলে ছোট ছোট খুপরি ফ্লাট বানিয়ে ৮০-১০০ তলা মাল্টিস্টোরি তোলা হয়-একে একটা বাড়িতে কয়েকশো বা হাজার ফ্ল্যাট আর জোর করে সবাইকে বাধ্য করা হয় সেখানে গিয়ে থাকতে - সবাই রাজি হবেন তো ? নাকি তখন আবার মানবাধিকার, ডিকটেটরশীপ নিয়ে অন্য আলুচোনা শুরু হবে। প্রকৃতি চুলোয় যাক ? আর অল্টারনেটিভ সলুশ্যন কি ?
     
    যখন কোনোমতেই পপুলেশন কমানো যাচ্ছে না, এনার্জি ডিমান্ড কমান যাচ্ছে না, তখন অন্তত প্রজেক্ট গুলো ঠিকঠাক ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ফলো করে বানানো হোক যাতে দাওয়া দাজু দের এভাবে রোজ মরতে না হয়।
  • Mithun | ১৩ অক্টোবর ২০২৩ ২০:২২524529
  • লেখাটার মধ্যে একটা অদ্ভুত কথকথার আভাস আছে,এর টানেই লেখাটা পড়ে ফেললাম। দ্বিতীয় অংশের শুরুটা শরীরে শিহরণ জাগায়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন