এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  পড়াবই  প্রথম পাঠ

  • দুটো ব্যক্তিগত কবিতার বই

    দীপাঞ্জন মুখোপাধ্যায়
    পড়াবই | প্রথম পাঠ | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ৯২৩ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)

  • বিনাহ বিতাস


    ঝিরিঝিম ঝিরিঝিম স্লেরেরম বিনাহ বিতাস
    লিহিতনা আহেনর সিরিতান ঋঋতা কৃরুর
    এ আহে মাহে বাহে তিতসস চুঋরা চিরণ
    অনহিথ শিবারনা পাপ্পসি কিনাহামাতার।


    পড়লেই মনে হয় পাহাড়ের কোলে এক বৌদ্ধ গুমফায় ঘন্টাধ্বনির সঙ্গে সঙ্গে পাঠ করা হচ্ছে এই মন্ত্র , গুম্ফার বাইরে একটা গাছতলায় বসে আপনি সেই মন্ত্রপাঠ শুনছেন আর বিপুল শোঁশোঁ হাওয়া দিচ্ছে?

    সত্যি সত্যি এককের 'বিনাহ বিতাস' কবিতার বই পড়লেআক্ষরিক অর্থেই মনে হয় হাওয়া বইছে। একপশলা বৃষ্টি শেষ হয়ে যাবার পরের মায়াময় ঠান্ডা হাওয়া -

    ঘ্রিল ঘ্রিল বাতাস বইছে আর
    উপত্যকায় ছায়া ফেলে ভাসছে বাহান্নশো বেগুনি সারস।


    এই বইয়ের অধিকাংশ কবিতায় কোনো না কোনোভাবে আছে এই হাওয়ার অনুষঙ্গ। হোসাহাল্লির মাঠ , হুলিমাভু লেক , জালাহাল্লি জাংশনের ওপর দিয়ে হুহু বয়ে যাচ্ছে সেই হাওয়া আর একজায়গা থেকে অন্যজায়গায় তুলে নিয়ে গিয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে না বলা অজস্র গল্পদের -

    [১]

    অনেকদিন হল
    সেই ডানাওয়ালা ভেড়াদের গপ্পো বলা হয়নি, তো
    হলো কী - সেবার সে ভেড়াদের দেশে, একটা
    তামার তার ছাদ থেকে নেবে এসছে ওটা
    কী রে ?

    [২]

    আমার পায়ের তলায় মেঝে, মেঝের
    তলাময় ডিসি ফ্যান,
    শেষ যেবার জেট প্লেন আছড়ে
    পড়লো আমাদের ছাদে ,

    তোমার মনে আছে ?

    পাইলটের কথা বলছি না , সেতো
    সত্যেনের ছোটমাসিমনি , তবে জঙ্গল
    জুড়ে ছড়ানো সেই আগুন ?


    অথবা আছে শীত ঋতু -

    [১]

    এইসব কণাজন্ম, কারবিয়াং বিকেলের রোদ, সোয়া পাঁচটার
    শীত, সংক্ষেপে, ঘটে যাচ্ছে ট্র্যাফিক সিগন্যালে ...

    [২]

    সর্বত্র শীত পড়ছে
    লোকজন তড়িঘড়ি ঢুকে যাচ্ছে কার্পাস সভ্যতায় , ঘিরে নিচ্ছে
    কান দুটি , অসহায় , পকড়বিহীন। যথেচ্ছ হাওয়া দিচ্ছে
    আমাদের ব্যালকনি জুড়ে ,

    প্লাস্টিকের আইভিলতাগুলি মেনরাস্তার ধুলো থেকে টেনে নিচ্ছে পরিযায়ী
    হিম আর রেশনের ভারিক্কি ধাতু।


    আর আছে শব্দ নিয়ে খেলা -

    [১]

    দিন দিন ছোট হচ্ছি
    সূচের মধ্যে দিয়ে একদিন
    দেখে নিও চলে যাব হেলদোলহীন। টিফিনবাক্সে
    শোব জ্যাম লেগে যাবে সারা গায়ে


    এখানে জ্যাম বলতে কি বোঝানো হল ? শিশিভর্তি খাবারের জ্যাম ? ট্র্যাফিক জ্যাম ? নাকি অন্য কিছু ?

    [২]

    বালিকার হাঁটু ছড়ে এস্রাজে বেজে গেছে ভোর ,
    চন্ড গরম এসে সব নেয় , নিজেকেও নেয়।


    এখানে হঠাৎ মনে হতে পারে 'প্ৰ' শব্দটা আলগোছে বাদ চলে গেছে , কিন্তু পরে মনে পড়ে 'চন্ড' কথার অর্থ উগ্র।

    [৩]

    শেষ বাস ছেড়ে দিয়ে যে
    মেয়েটি আলাপপ্রয়াসী , আমি তাকে
    অকস্মাৎ দৌড়;
    হয়ত নেহাতই মেয়ে
    বয়ফ্রেন্ড ইত্যাদিও , ঘরোয়া বচসা

    তবু খুব ভয় পাই , সে জানে না শেষ বাস ছেড়ে দেওয়া
    ভালো নয় , বাসদেও পাপ দেয় , সেই কবে আমিও ছেড়েছি।।


    এখানে আসলে কিসের কথা বলা হচ্ছে ?!

    বন্ধু ফ্যাচাকে নিয়ে লেখা কবিতাটা শুরু হয় এভাবে - "কবিদের চেয়ে হিংস্র কেও নেই। "

    এই বইয়ের অন্য দুটো কবিতায় পাই অদ্ভুত দুটো অনুষঙ্গ যা এযাবৎকাল আমার পড়া কোনো বাংলা কবিতায় দেখিনি। প্রথম অনুষঙ্গ একটা ভিডিও গেমের -

    ডক্টর সামন্ত পকেটে হাত রেখে বেরিয়ে আসছেন
    দেখে আমি ভিডিও গেম খেলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি ,

    কেননা , যতই মেঘ করুক
    প্রতিটা নোডের বিহেভিয়ার আর প্রপার্টি
    সাজানো হয়ে গেছে , এখন আমার -


    আরেক কবিতায় দেখি ইলেক্ট্রনিক সার্কিটের অনুষঙ্গ -

    জলে মাথা ডুবিয়ে ধরা সকালগুলো ক্রমশ দূরের
    সবুজ থেকে ক্রোমিও হলুদ হতে থাকে
    প্রহ্লাদদের বারান্দায় পার্পল রঙের বুড়ারা বসে
    ছোট ছোট ডায়োড চিবিয়ে খায় -

    আর ,

    পাশ দিয়ে হেঁটে গেলে কাছে ডাকে নীল ক্যাপাসিটরেরা।


    একজায়গায় একজন বালিকার এরকম বর্ণনা আছে -


    বসে আঁকো খাতা খুলে সে আঁকছে -
    প্যাস্টেল-বিলাসী নদী
    রক্তমেঘ -
    উপত্যকা রোদ -
    সে শুধুই আড়বাঁশি চেনে। সে কেবলি ড্রাগন বালিকা।।


    বইয়ের একেবারে শেষের কবিতায় যেন এই বালিকারই প্রত্যুত্তর হিসেবে আমরা দেখতে পাই এক বালকের বর্ণনা যে -


    অসহ্য আগ্রহে হাতে তুলে নেয় বাঁশি ,
    বাজাতে জানেনা
    বাঁশি একা একা বাজে।


    এই বইয়ের সমস্ত কবিতাই আসলে কি "প্রবল সন্ধ্যে জুড়ে সেই কবেকার মধুগঞ্জিকা টানা"র প্রতিফলন ? এই প্রশ্ন একক নিজেই তুলে দিয়েছেন -

    এইভাবে কতদিন বল
    কাজের মাসি বেল দিয়ে ফিরে গ্যালো
    আর ঝুম মেরে মুখোমুখি বসে আছি
    আমাদের নেশা কাটবে না ?


    বইয়ের প্রচ্ছদের রং আসলে বইয়েরই একটা কবিতার থেকে ভাষা ধার করে বললে "বারুদ ক্লিটোরিক লাল "।


    আলির কবিতা



    দ্বিতীয় কবিতার বই - বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের 'আলির কবিতা' তুলনায় মিতায়তনিক। বইটা অধিকাংশ চতুর্দশপদী সনেট এবং দুটো ভিলানেল নিয়ে তৈরি। চতুর্দশপদীগুলো নানারকম গঠনের - ৪ + ৪ + ৪ + ২ , ৩ + ৩ + ৩ + ৩ + ২ , ৮ + ৬ ইত্যাদি। কিন্তু এই বইয়েরও পাতায় পাতায় ছন্দের আড়ালে আলির মত অনেক বিপজ্জনক কিন্তু অনিবার্য চরিত্রদের গল্প ছড়ানো ছিটোনো। সেইসব গল্প বলার ক্ষেত্রে বিশ্বজিৎ বিশেষভাবে জোর দিয়েছেন তারিখ, বার অথবা ঘড়ির কাঁটার ওপর -

    [১]

    পিজির বারান্দা থেকে দেখা যায় বৈশাখের রোদ
    ধীরে ধীরে সরে যায় উডবার্ন ওয়ার্ডের দিকে
    তারপর একদিন এপ্রিলের একুশ তারিখে
    শোনা গেল তুমি নেই , কেউ যেন বাজায় সরোদ
    ভুল সুরে, মনে হয়, মন দিয়ে বাজাতে শেখেনি

    [২]

    ১২ আগস্ট মানে জন্মদিন ! দাতা বা গ্রহীতা
    কেউ কি জানেন, কেন ভেঙে গেল গোপনে গিটার ?

    [৩]

    বর্ষাকাল বৃষ্টি কম পুরনো পাঁচিল
    তোমার দুহাত ছেড়ে নতুন শহরে
    সোমবার অন্ধকার তিনটের পরে
    ময়ূরী অসুখ নিয়ে ঘরে একা ছিল।


    এসব কবিতার লাইনে বিশ্বজিৎ আসলে পরতে পরতে রহস্য তৈরী করেন , কোনও সদুত্তর দেন না। তুমি মানে কে ? বারই আগস্ট কার জন্মদিন ?
    এক কবিতায় দেখি -

    ক্লাসরুম ছিল গুঞ্জনে ভরা, রৌদ্রকরোজ্জ্বল
    দীনেশ বাবুর ভর্ৎসনা ভুলে কবিতা লেখার ক্লাস
    ডায়রিতে টোকা আল মাহমুদ, রবিশংকর বল


    তারপর সেখান থেকে দৌড়ে ঢুকে পড়ি আরেকটা রহস্যময় কবিতায় -

    পুলকার থেকে নেমে ডানদিকে রেহানার বাসা
    সরলরেখাও নাকি বক্র হয় .. বাকিটা কুয়াশা।


    সেখান থেকে 'শালিনীর পাখি' কবিতায় লাফিয়ে যাই -


    মা গেছেন শুক্লপক্ষে, ফাঁকা বাড়ি ফোটো থেকে বাবা
    নিঃশব্দে সংকেত দিচ্ছে, কেউ নেই; বারান্দায় ঝুঁকে
    শালিনীও উড়ে যাবে, সিঁদুরের গুঁড়ো লেগে মুখে
    খোলা পিঠে রক্তছাপ, বাঘ নয় -স্বপনের থাবা।


    ভিলানেল উনিশ লাইনের - ৩ + ৩ +৩ +৩ +৩+ ৪। একটা ভিলানেলে আছে কবি গৌতম বসুর প্রসঙ্গ।
    এছাড়া আরেকটা কবিতা [চতুর্দশপদী] লেখা হয়েছে কবি মল্লিকা সেনগুপ্তর স্মৃতিতে, যার শেষ দুটো লাইন -

    একটি যাপন , কবিতা লেখার বাড়ি
    কবিতারা আছে , তুমি মহাকাশচারী।


    বিশ্বজিৎের কবিতাদের আরেকটি মূল অনুষঙ্গ মৃত্যু -


    [১]
    ডেকেছ বলেই যাচ্ছি, জানি তুমি মৃত
    মৃত্যুর মতন আসে, পিছু পিছু শীতও

    [২]

    মৃত্যু এসে তাগাদা দেয় এবার বাড়ি চলো
    বাড়ি কোথায় খোলা আকাশ পাথর ধুলো বালি
    একটি লেখা দাঁড়ায় পথে বারণ করে খালি
    পাথর শুধু পাথর নেই একটি কণা জল ও

    [৩]

    শান্ত মাছ লাল সাপ সিঁড়ি ও অতল
    বন্ধ ঘরে ড্রপ খাচ্ছে মৃত্যু আর বল।


    কবিতার বইয়ের পাঠ প্রতিক্রিয়া লেখা সবসময়ই কঠিন , কারণ যতগুলো কবিতার অংশ এখানে তোলবার চেষ্টা করলাম , তার থেকে অনেক বেশি আসলে বাকি থেকে গেল। এককের বন্ধু ফ্যাচার ভাষায় - "নিজের লেখা কবিতা দুভাবে বাতিল করা যায়। এক হল গোল্লা পাকিয়ে ডাস্টবিনে। আরেক - সাজিয়ে গুছিয়ে ছেপে ফেলে।" এই দুটো বইয়ের পান্ডুলিপি যে গোল্লা পাকিয়ে ডাস্টবিনে ফেলা হয়নি, তার জন্য আবহমান বাংলা কবিতাই লাভবান হয়েছে। কোনও বিজ্ঞাপন ছাড়াই রোজকার কাজের ফাঁকে লিখে রাখা টুকরো টুকরো ব্যক্তিগত অনুভূতিমালা যেন নিয়ন আলোয় দুটো সুন্দর সাজানো গোছানো কবিতার বই হয়ে উঠেছে।







    বিনাহ বিতাস : একক, প্রকাশ: ২০২৩ | দাম :১০০ টাকা। গুরুচণ্ডা৯ প্রকাশনা।
    আলির কবিতা : বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, প্রকাশ: ২০২৩ | দাম :৩৫ টাকা। গুরুচণ্ডা৯ প্রকাশনা।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • পড়াবই | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ৯২৩ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    গল্প  - Debasis Sarkar
    আরও পড়ুন
    কবিতা  - Suvankar Gain
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মোহাম্মদ কাজী মামুন | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ২২:৪১516801
  • "ক্লাসরুম ছিল গুঞ্জনে ভরা, রৌদ্রকরোজ্জ্বল
    দীনেশ বাবুর ভর্ৎসনা ভুলে কবিতা লেখার ক্লাস
    ডায়রিতে টোকা আল মাহমুদ, রবিশংকর বল"
    খুব ভাল লাগল রিভিউটি। খুব সুখপাঠ্য ছিল। আর কবিদের যে লাইনগুলো এখানে উদ্ধৃত করা হয়েছে তা পাঠকমনকে চুম্বকের মত টেনে ধরতে যথেষ্ট। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন