এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • আরামকেদারায় পর্যটনের ফ্যান্টাসি

    Surajit Dasgupta লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৮ নভেম্বর ২০২২ | ১৬৩ বার পঠিত
  • বাংলা ভাষার সেরা হাস্যকৌতুক সিনেমাগুলোর অন্যতম, বহু তারকাখচিত (ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, জহর রায়, কমল মিত্র, অসিতবরণ, রুমা গুহঠাকুরতা, রবি ঘোষ, তরুণকুমার অভিনীত) "আশিতে আসিও না" সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৬৭ সালে। সিনেমাটির সেইসময়ের ঈর্ষণীয় সাফল্য এবং সফল হাস্যকৌতুক আজও আপামর বাঙালীর মনের মণিকোঠায় ভাস্বর হয়ে আছে। সিনেমার মূল উপজীব্য ছিল, সাধারণ এক মধ্যবিত্ত পরিবারের আশি বছর বয়স্ক প্রধান সদানন্দ সংসারের এককোণে পরে থাকেন, তাঁর ছেলেদের বয়সও যথেষ্ঠ হয়েছে। স্ত্রী, সন্তান, কর্মক্ষেত্র নিয়ে তাদেরও নাওয়া-খাওয়ার ফুরসৎ নেই। ফলে সদানন্দ ও তাঁর স্ত্রী সেই সংসারে একপ্রকার অবহেলিতই বলা চলে। তার ওপরে বয়সজনিত কারণে সদানন্দের চলাফেরা করতেও নানাবিধ সমস্যা, আবার বয়সজনিত লোভের বশবর্তী হয়ে অনেককিছুই খেতে ইচ্ছে করলেও শারীরবৃত্তীয় সমস্যার ভয়ে সদানন্দকে সেইগুলো খেতে দেয়না বউ এবং বৌমারা। এরপরে রয়েছে, সংসারের বিবিধ চাপে স্ত্রীকে নিয়ে কোথাও বেড়িয়ে আসতে না পারার ব্যর্থতা।

    সদানন্দের অঢেল সময় থাকলেও তাঁর সাথে সময় কাটানোর মতো সময় পরিবারের অন্যদের নেই, এমনকি সংসারের চাপে তাঁর স্ত্রীরও নেই। এই না-পাওয়ার স্তুপ থেকেই সদানন্দের অতৃপ্ত মন উড়তে শুরু করে সবকিছু পাওয়ার আশায়। ফ্যান্টাসি জগতের পর্দা একের পর এক খুলতে থাকে আমাদের কাছে। আমরাও সদানন্দের সাথে নিজেদের রিলেট করতে থাকি। আশি বছর বয়সে পৌঁছে সারা জীবনের না-পাওয়ার হিসেব করতে গিয়ে মুলতঃ বয়স কমিয়ে দেওয়ার মতো হাস্যরসজনিত পথে সদানন্দের চলা শুরু হলেও অতৃপ্তির হিসেবও সেখানে মন্দ নয়। আমার এই আলোচনায় সেই সিনেমার সমালোচনা করার কোনো উদ্দেশ্য নেই, শুধু আমি সদানন্দের বয়সজনিত কারণে চলতে ফিরতে না পারার সমস্যাকে অতিক্রম করার যে ইচ্ছে বা প্রয়াস সেইটুকুকেই ধরতে চাইছি। সেই ১৯৬৭ সালে আমরা দেখেছি বয়স বাড়লে লোকের সমস্যার ফিরিস্তি। অনুধাবন করেছি এবং সিনেমা দেখতে দেখতে আমরা প্রত্যেকেই ভেবেছি, আমাকে যেন এই অবস্থায় না আসতে হয়। সিনেমা দেখা মানে তো মানসচক্ষুতে দেখা, ফলে মনে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে। আজও আমরা টিভিতে এই সিনেমা দেখলে একইরকম ভাবে ভাবি যেন আমাকে এই অবস্থায় না আসতে হয়।

    আশিতে আসিও না সিনেমার সাথে সম্পর্কযুক্ত না হলেও আর একটি সাধারণ ঘটনার কথা উল্লেখ না করলেই নয় এখানে। সেটা হলো, আমাদের বা আমাদের চেয়েও বয়সে বড় যারা, তাদের ছোটবেলার সিনেমা দেখার, অবশ্যই স্কুল বা টিউশন বা বিকেলে মাঠে খেলতে না গিয়ে পালিয়ে সিনেমা দেখার ঘটনা। পঞ্চাশ, ষাট, সত্তরের দশকের, বড়জোর আশির দশকের গোড়ার দিক অব্দি এই ঘটনাগুলো প্রায় সকল বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যেই ঘটেছে। আমাদের ছোটবেলাতেও ঘটেছে। আসলে তখন আমাদের হাতে গুরুজনেরা টাকা পয়সা দিতেন না, আমরা কোনোদিন ছোটবেলায় টাকা পয়সা হাতে পাইনি। মামা-কাকা-জেঠু-পিসি যারাই আমাদের টাকা দিতেন, সবাই আমাদের না দিয়ে বাবা-মাকে দিতেন। আমরা শুধু কানে শুনতাম অমুক জেঠু যাওয়ার সময়ে আমাকে দুটাকা দিয়ে গেছেন মিষ্টি খাওয়ার জন্য। আমরা কোনোদিন সেই দুটাকাও দেখিনি আবার সেই দুটাকার মিষ্টিও দেখিনি। ফলে সিনেমা দেখতে গেলেই তো হবেনা, তার জন্য টাকা চাই। সেই টাকা আসবে কোথেকে? দু-চারজন বন্ধু মিলে পালিয়ে সিনেমা দেখার পরিকল্পনা করার পাশাপাশি পরিকল্পনা করা হতো, কিভাবে টাকা জোগাড় করা যায়। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের মতো মফস্বলের ছেলেদের ক্ষেত্রে টাকার যোগান হতো বাড়ী থেকে এক-দু মুঠো চাল চুরি করে এনে সকলের মিলিত চাল দোকানে বিক্রি করে। দোকানে সেই সম্মিলিত চাল বিক্রি করে হয়তো দু-চার টাকা পাওয়া যেত। আমাদের সময়ে সিনেমার টিকিটের দাম ছিল মোটামুটি একটাকা থেকে পাঁচ সিকে (থার্ড ক্লাসের)। ফার্স্ট বা সেকেন্ড ক্লাসে টিকিট কাটলে চেনাজানা লোকের সামনাসামনি হয়ে যাওয়ার ভয় ছিল আবার টিকিটের দামও অনেক বেশী। চারজন বন্ধু মিলে পরিকল্পনা করে যদি চাল বিক্রি করে তিন টাকা পাওয়া যেত তবে একজনকে বাদ যেতে হতো, কারণ পয়সায় কুলোচ্ছে না। যে, এক্ষেত্রে সবচেয়ে সাদাসিধে বা ভীতু, সে বাদ যেত। আর বাকীরা তাকে সহমর্মিতা দেখিয়ে বলতো, তোর কোনো চিন্তা নেই, আমরা তোকে সিনেমার গল্পটা ফিরে এসে বলে দেব।

    প্রথমটা ফ্যান্টাসির গল্প হলেও দ্বিতীয়টা নিতান্তই সাদামাটা একটা গল্প এবং লেখার মশলা এতে কিছুই নেই। তবুও লিখলাম, কারণ দুটো গল্পের মধ্যে একটা মিল আছে। দ্বিতীয় গল্পেও বন্ধুদের উক্তি, "আমরা সিনেমা দেখে এসে তোকে গল্পটা বলে দেব" একটা ফ্যান্টাসি তৈরী করতে পারে। যে সময়কার উক্তি সেইসময়ে আমাদের মস্তিষ্কের কোনো স্তরেই এটা ফ্যান্টাসি তৈরী করেনি, কিন্তু পরিচালনবিদ্যার (Management) ক্রমবিকাশের সাথে সাথে দ্বিতীয় গল্পেও ফ্যান্টাসি তৈরী করেছে এখন। অর্থনৈতিক ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে যেমন নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত ইত্যাদি শ্রেণীতে আমরা মানুষকে বিভাজিত করি তেমনি মনুষ্যজীবনে পাওয়া, না-পাওয়ার হিসেবের ওপর দাঁড়িয়ে মানুষের চাহিদাকে নিম্নভাগে ভাগ করা যায়:

    ১. যারা নিজেদের চাহিদা নিজেরা পূরণ করতে সমর্থ
    ২. যারা নিজেদের চাহিদা নিজেরা পূরণ করতে ব্যর্থ

    দুই দলের আবার বিভিন্ন উপবিভাগ আছে, কিন্তু সামগ্রিকভাবে শুধুমাত্র পর্যটনের কথা আলোচনা করলে বলতে হয়, যাদের আমরা অতি-উচ্চবিত্ত বা উচ্চবিত্ত বলে ধরি, তাদের একটা অংশ নিজেদের ভ্রমনবিলাস নিজেরাই পরিচালন করেন, তাদের নিজস্ব যানবাহনে। ভ্রমণ সংস্থার ওপর তারা নির্ভরশীল হন না। কিন্তু উচ্চবিত্তদের বাকী অংশ এবং মধ্যবিত্তেরা নির্ভর করেন ভ্রমণ সংস্থার ওপরে। নিম্ন মধ্যবিত্তেরা নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী নিজেরাই ভ্রমণ করেন। এটা একেবারেই তত্ত্বগত কথা, বহু ব্যতিক্রম দেখা যায় ইদানিং। মূল কারণ এখানেও সেই আধুনিক পরিচালনবিদ্যা। যে কোনো জিনিস (দ্রব্য বা সেবা যাই হোক না কেন) বাজারজাত করার পরিকল্পনা নিত্যনতুন হচ্ছে, বিভিন্ন রকমের ফন্দি (scheme) বেরোচ্ছে। EMI বা আরও অনেক ফন্দি বাজারে এসে যাওয়ায় মানুষের চাহিদা পূরণ করার ইচ্ছে বা মানসিকতারও ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এখন have আর have not এর তত্ত্বের চেয়ে ফন্দিটাই আসল। নিম্নবিত্ত, উচ্চবিত্তের গণ্ডিটাকে মুছে ফেলে যত বেশীসংখ্যক মানুষকে ভ্রমণ সংস্থার গন্ডির মধ্যে নিয়ে আসা যায়, এই নিয়েই আধুনিক পরিচালনবিদ্যা নিত্যনতুন ফন্দিফিকির বার করে চলেছে। যার যেরকম ক্ষমতা সেইরকমের ফন্দি হাজির। যিনি আর পাঁচজনের সাথে বেড়াতে যেতে প্রস্তুত তার জন্য একরকমের ফন্দি। যিনি আবার একটু আয়েশ চান, পাঁচজনের সাথে ঘুরে নিজেদের কুলীনতাকে খাটো করতে চান না, তাদের জন্য অন্যরকমের ফন্দি। কিংবা সিনেমার সদানন্দের মতো বয়সজনিত কারণে বাইরে বেড়ানোর সামর্থ্য নেই, তাদের জন্যেও একরকমের ফন্দি। আবার যার ভ্রমণের সামর্থ্য নেই তার জন্যেও ফন্দি হাজির। যাদের ভ্রমনের সামর্থ্য নেই তাদের সমাজে একটু করুনার চোখেই দেখা হয়। আধুনিক পরিচালনবিদ্যা কিন্তু তাদের কুলীনতাকেও সন্মান জানায়। অর্থাৎ আমাদের ছোটবেলায় চাল চুরি করে সিনেমা দেখা এবং পয়সার অভাবে যে বন্ধুর সিনেমার গল্প শুনে ক্ষান্ত থাকতে হয়েছিল তাতেও কুলীনতা ছিল, ফ্যান্টাসিটা এখানেই।

    এইখানেই প্রথমে বলা ঘটনা বা গল্প দুটো মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। পরিচালনবিদ্যার এই নতুন ফন্দির নাম Armchair Tourism, আরামকেদারা পর্যটন। আপনার পয়সা আছে মানে সমাজের চোখে আপনি কুলীন, আপনি আপনার স্বাতন্ত্রতা বজায় রাখতে চান। ভ্রমণ সংস্থা আপনাকে আপনার কুলীনতা বজায় রাখার ব্যাপারে যত্নশীল হবে এবং শুধু আপনি বা আপনার পরিবারের জন্যেই ভ্রমণের ব্যবস্থা করে দেবে। আপনি শুধু পেমেন্ট করলেই হবে, বাকী কাজ তাদের, আপনি আরামকেদারায় শুয়ে শুয়ে আরাম করবেন। সদানন্দের মতো অশক্ত শরীরকেও ভ্রমণ সংস্থারা আরামকেদারায় শুইয়ে ঘুড়িয়ে নিয়ে আসার জন্য প্রস্তুত। আর আপনার যদি সামর্থ্য না থাকে তবুও ভ্রমণ সংস্থা আপনার পাশে আছে। আপনি যেখানে যেতে চান, ভ্রমণ সংস্থা অপার্থিবভাবে (virtually) সেখানে নিয়ে যাবে এবং সেখানকার দ্রষ্টব্য স্থানগুলো দেখিয়ে দেবে। এক্ষেত্রেও আপনি বাড়ীতে আরামকেদারায় বসে দেশ বা পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণের মজা পাবেন। এক্ষেত্রে অবশ্য পয়সার ব্যাপারটা যৎসামান্য, ফলে সারাজীবনে যে কেউই দু-একবার এই সুযোগ নিতেই পারেন, একেবারে প্রান্তিক শ্রেণীর হলেও। ফলে ব্যবসার পরিধিটার মধ্যে have আর have not-দুই গোত্রের লোকেরাই চলে আসছে। কুলীনতার সংজ্ঞাটাই পাল্টে যাচ্ছে। এটাই ফ্যান্টাসি। পয়সা থাকলে আপনি টিকিট কেটে সিনেমা হলে গিয়ে "আশিতে আসিও না" সিনেমা স্বশরীরে দেখবেন আর পয়সায় টান পড়লে গল্পটা শুনে নেবেন। দু-মুঠো চাল দিলেই চলবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন