এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দত্ত জুয়েলার্স - ৪ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১৮১ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  •       

    ----- ' তুমহারা নাম কেয়া হ্যায় ভাই ?'
    ----- ' দীনেশ ' 
    কলতান ফলওয়ালাকে বলল, ' তুম হররোজ ইঁহা ব্যয়ঠতে হ্যায় কেয়া ? '  
    ----- ' নেহি ..... কভি কভি ব্যয়ঠতে হ্যায় ..... আভি ইয়ে পুরা মাহিনা ব্যয়ঠেগা .... '
    ----- ' আচ্ছা ঠিক ঠিক .... কবতক রহতে ? '
    ------ ' আট , সাড়ে আট তক ..... '
    ----- কাল ভি সাড়ে আট তক থে ? '
    ----- ' হাঁ জি ..... '
    ----- ' আচ্ছা আচ্ছা .... ঠিক হ্যায় .... আজ তো লাগতা জ্যায়দা বিকা নেহি ..... ফিকর মাত
     করনা ..... ইয়ে লো .... এ ভি রাখ লো ..... '
    বলে কলতান আর একটা পঞ্চাশ টাকার নোট বাড়িয়ে দিল পেয়ারাওয়ালার দিকে । 
    দীনেশ বারংবার এরকম অপ্রত্যাশিত  ভাগ্যোদয়ে বেশ বিহ্বল হয়ে পড়ল । সে এতক্ষণে বেশ ধাতস্থ হয়ে গেছে কলতানের ধরণ ধারণে ।  
    সে ' ইসকো কেয়া জরুরত ..... ' বলে লাজুক মুখে হাত বাড়িয়ে টাকাটা নিল । 
    তারপর বলল, ' কাম কেয়া হ্যায় ..... আপ তো বোলে নেহি বাবুজি ..... ' 
    কলতান তাকে পরিষ্কারভাবে তার ' কাম ' বুঝিয়ে দিল । তার কাজটা হচ্ছে সরু গলতাটার দিকে নজর রাখা । রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত, মানে সে যতক্ষণ থাকবে , কে ঢুকছে , কে বেরোচ্ছে তা দেখে রাখা। তাছাড়া এই   'বাজুওয়ালা' গয়নার দোকানের মালিক কখন ঢুকছে, কখন বেরোচ্ছে সেটাও খেয়াল রাখা । দীনেশকে জানানো হল , ঠিক ঠিক খবর দিতে পারলে তাকে আরও খুশি করে দেওয়া হবে । দীনেশের দ্বিধা দ্বন্দ্ব এতক্ষণে উবে গেছে । ভবিষ্যতে কপালে যাই লেখা থাক, আপাতত সে আহ্লাদে আটখানা হতে লাগল ।  
    ----- ' আচ্ছা .... দীনেশ আব এক বাত বাতাও ..... '
    ----- ' হাঁ .... বলিয়ে বাবুজি ....'
    ---- ' কাল রাতকো ..... যবতক তুমি ইঁহা থে ..... ইয়ে গল্লি মে  কই ঘুসে থে ? '
    ---- ' হাঁ ..... লাগতা হ্যায় এক বাবু ঘুসে থে .....উও মোটা মোটা গোরাওয়ালা .... আট বাজনেকা বাদ হোগা শায়েদ ..... ' 
    ----- ' তুমি উনকো পহেচানতে হো ? '
    ----- ' নেহি.... বাবুজি .... পয়চানতে তো নেহি .... মগর উনকো ম্যায় কাফি বার দেখা হ্যায় ..... নিকালনে ঘুসনে ইয়ে দুকানসে .... শায়েদ কই মালিকলোক হোতা হোগা উসনে ...... '
    ----- ' আচ্ছা ...... ফির একবার দেখনেসে পয়চানোগে উনকো ? '
    ----- ' হাঁ .... উমিদ হ্যায় ..... পয়চান লুঙ্গা ... '
    ----- ' ঠিক হ্যায় ..... ম্যায় আব চলতা হুঁ ..... তুমহারা পাশ তো মোবাইল হ্যায় না ? মেরা নম্বর রাখ লো ..... ইধার উধার  কুছ দেখনেসে মুঝে তুরন্ত্ বাতাইয়েগা । তুমহারা কাম স্রিফ ইতনাই হ্যায়  ..... সমঝ গ্যয়া না ? ' বলে কলতান দীনেশের দিকে তাকিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে একচোখ বন্ধ করে বলল, ' অওর ভি মিল সকতা ..... '
    দীনেশ এই কথা শুনে খুশিতে গদগদ হল । কলতান দীনেশের ফোন নম্বর তুলে নিল নিজের মোবাইলে । 

      পরদিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ কলতান দত্ত জুয়েলার্সে ফোন করল । ফোন নম্বরটা দীনবন্ধুর কাছ থেকে কালই নিয়ে রেখেছিল ।
    ----- ' হ্যালো দত্ত জুয়েলার্স ..... '
    মোটা গলার আওয়াজ এল । কলতান বলল, ' হ্যা ..... আমি একজন কাস্টমার বলছি বাগবাজার থেকে ..... আপনাদের দোকান আজ খোলা আছে তো ..... '
    ----- ' হ্যা .... খোলা .... '
    ------ ' আজ কটা পর্যন্ত খোলা ? ' 
    ------ ' আজ আমাদের হাফ ডে .... আড়াইটেয় বন্ধ .....' মোটা জড়ানো গলায় উত্তর এল । 
    ---- ' আচ্ছা আচ্ছা ..... সতীনাথবাবু এসেছেন ?'
    ---- ' সতীনাথই বলছি .....আপনি কে বলছেন ?'
    ---- ' ও ..... সতীনাথবাবু ..... আমি জয়ন্ত ব্যানার্জী বলছি ....সতীনাথবাবু ..... ভাল  আছেন ? সেই যে বোনের বিয়ের গয়না কিনতে গিয়েছিলাম ...... বাগবাজার থেকে ..... মনে পড়ছে ? এখন আমার ভাগ্নীর বিয়ে ..... তাই ....
    আপনি কটা পর্যন্ত আছেন দোকানে ? '
    বাগবাজারের কোথাকার কে জয়ন্ত ব্যানার্জী গয়না গড়াতে এসেছিল , তা সতীনাথ  আদৌ মনে করতে পারলেন না । ওরকম কত খদ্দের বোনের বিয়ে, ভাগ্নীর বিয়েতে গয়না গড়াতে আসছে সব কি মনে করে রাখা সম্ভব নাকি ! তাছাড়া সতীনাথের স্মৃতিশক্তি এমনিতেও  তেমন প্রখর নয় । সতীনাথ নিজেও সে কথা জানেন । 
    কিন্তু ব্যবসা করতে গেলে মৌখিক ভদ্রতা বজায় রাখতে হয় । সতীনাথ বাবু পরিচিত ছক মেনে বললেন , ' ও হ্যা হ্যা ..... বুঝতে পেরেছি .... সেই বাগবাজারের .... ওই মানে .... কি যেন .... হ্যা হ্যা ..... জয়ন্ত .....জয়ন্ত ব্যানার্জী .....মনে পড়েছে ... হ্যা আসুন ..... আমি আড়াইটা পর্যন্ত আছি .... '
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে সতীনাথবাবু ....আসছি আমি ..... থ্যাঙ্ক ইউ .... '
    কলতান ফোন কেটে দেয় । এবার ফলওয়ালা দীনেশকে ফোন লাগায় ।  
    ----- ' হাঁ .... বাবুজি .... বলিয়ে ... '
    ----- ' আজ দুকানমে কৌন আয়া ? '
    ----- ' ও..ই মোটাওয়ালা গোরাওয়ালা আদমী যিনকো ম্যায়নে ...... '
    ----- ' ..... কাল রাতকো গলিমে ঘুসনেকো দেখা থা ..... থা কি নেহি ? '
    ------ ' বিলকুল বাবুজি ..... একদম সাহি বোলে...... ' 
    ----- ' ঠিক হ্যায় .... ফির বাদমে .....'
    ----- ' হাঁ জি ..... '

        সতীনাথ দেখলেন , কোন জয়ন্ত ব্যানার্জী বাগবাজার থেকে এল না । 
    ----- ' দূর শালা ..... কোন রেসপনসিবিলিটি নেই ..... ফালতু পার্টি .....নাও দোকান বন্ধ কর ..... আড়াইটে বেজে গেছে .... '
    শাটার ফেলে তালা মারার পর, তালা টেনেটুনে পরীক্ষা করে নিয়ে চাবির গোছা ব্যাগে ফেলে গাড়িতে গিয়ে বসলেন । 
     দীনবন্ধুরা দেখে আশ্বস্ত হল যে, সতীনাথবাবুর গাড়িটা বউবাজার থানার দিকে না গিয়ে অন্যদিকে গেল । তারা দেখল যে, গাড়িটা সেন্ট্রাল এভিনিউ-এর দিকে যাচ্ছে ।  আর তার পিছন পিছন একটা বাইক যাচ্ছে । হেলমেট পরা না থাকলে দীনবন্ধু মনোতোষরা বাইক চালককে অবশ্যই চিনে নিতে পারত ।  
        সেন্ট্রাল এভিনিউয়ের মোড় পেরিয়ে সতীনাথবাবুর গাড়ি বিবিডি বাগের মোড় দিয়ে 
    বাঁ দিকে ঘুরল । তারপর সোজা ধর্মতলা, পার্ক স্ট্রীট পেরিয়ে সোজা লেকের দিকে চলল । শেষ পর্যন্ত সাদার্ন এভিনিউতে একটা চারতলা বাড়ির সামনে থামল । পুরণো কিন্তু বিত্তের ছাপ ওয়ালা বাড়ি ।  একসময়ে হয়ত ব্যক্তিগত মালিকানা ছিল । কিন্তু এখন ফ্ল্যাট ব্যবস্থায় চলে গেছে । 
    সতীনাথ বাবু গাড়ি থেকে নামলেন ।  ফর্সা মোটাসোটা চেহারা । ধুতি আর গিলে করা পাঞ্জাবী পরা । মুখ তাম্বুলরস রঞ্জিত । অনেকটা পুরণো কলকাতার বাবুদের মতো দেখতে ।
    ঢোকার মুখে টুলে একজন সিকিউরিটি গার্ড বসে আছে । সে সতীনাথ দত্তকে দেখে দাঁড়িয়ে উঠে সেলাম ঠুকল । সতীনাথবাবু পার্স বার করে একটা একশো টাকার নোট বার করে তার হাতে দিলেন । সতীনাথের গাড়ির ড্রাইভার গাড়িটা একটু দূরে নিয়ে গেছে পার্ক করার জন্য। 
    কলতান বুলেভার্ডের সামনে দাঁড়িয়ে একটু দূর থেকে ব্যাপারটা পরিষ্কার দেখতে পেল । আরও দু তিনজন বিল্ডিং -এ ঢুকে সোজা লিফটের দিকে এগিয়ে গেল । কেউ আটকালো না । নিশ্চয়ই এ বাড়ির বাসিন্দা । কলতান অনুমান করল, এ জায়গায় একটা দু কামরার ফ্ল্যাটের দাম অন্তত দেড় কোটি । থ্রি বি এইচ কে হলে অবশ্যই  আরও বেশি ।  

     সতীনাথ সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠে দোতলায় একটা ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে এদিক ওদিক দেখে কলিং বেলে চাপ দিলেন । একজন বছর পঁয়ত্রিশের ভদ্রমহিলা দরজা খুলে দিলেন । দরজায় নেমপ্লেটে লেখা রয়েছে মহুয়া মিত্র । 
    সতীনাথ ভিতরে ঢুকলেন । দরজা বন্ধ হয়ে গেল।  
    ঠিক এক মিনিট পরে কলতান নীচের গেটে ওই সিকিউরিটি গার্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ভ্যাবলার মতো এদিক ওদিক তাকাতে লাগল ।  
    গার্ড তাকে বলল, ' কোথায় যাবেন ? '
    ----- ' আচ্ছা এখানে সতীনাথ দত্ত বাবুকে  পাওয়া যাবে ? '
    সিকিউরিটি ভ্রু কুঁচকে বলল, ' স...তীনাথ দ..ত্ত ! ' যেন আকাশ থেকে পড়ল .....
    ' ...... ও নামে তো কারও ওনারশিপ নেই এখানে ..... '  
    ----- ' না না ..... ওনারশিপ না ..... উনি এখানে আসেন ..... একজনের কাছে খবর পেলাম .... কার ফ্ল্যাটে ঠিক জানি না .... খুব দরকার ছিল..... মানে, অনেকদিন ধরে চেষ্টা করছি .... গরীব মানুষ .... ' কলতান করুণ মুখে অনুনয় মাখা চোখে  সিকিউরিটির মুখের দিকে তাকিয়ে রইল । ভদ্রলোক নিজেও অস্বচ্ছল মানুষ । তার অনুভূতিতে দোলা লাগল । সে মুখ ফসকে বলে বসল , ' ওনার সঙ্গে দেখা করবেন তো ... এখানে এলেন কেন ? বউবাজারে দত্ত জুয়েলার্সে চলে যান ..... '
    কলতান কাঁচুমাচু মুখ করে বলল, ' হ্যা..... তাই তো .... আপনি তো সবই জানেন দেখছি .... কিন্তু ওখানে গিয়ে এসব কথাবার্তা বলা যাবে না ..... বুঝলেন না ? '
    সিকিউরিটি কিছুই বুঝল না , কিন্তু সে যে একটা বেফাঁস কথা বলে ফেলেছে সেটা সে হৃদয়ঙ্গম করতে পারল ।
    সে এবার তিরিক্ষি হয়ে উঠল .....
    ----- ' না না ..... এখানে ওরকম কেউ নেই .... এখানে কিছু নেই ..... যান যান ..... কি সব বলে ..... আমার চাকরিটা খাবে দেখছি ..... '
    কলতান একচুলও নড়ে না । নাছোড়বান্দার মতো ভদ্রলোকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে । 
    ------ ' না .... মানে .... আপনি একটু হেল্প করলে হয়ে যায় ..... খুব দরকার ছিল ..... '
    ------ ' আবার বেকার ঝামেলা বাড়াচ্ছেন ..... বললাম তো ওই নামে কাউকে চিনি না ..... '
    কলতান আর সময় নষ্ট করতে চাইল না । পাশ দিয়ে অনেকে যাওয়া আসা করছে ..... 
    সে দুটো পাঁচশো টাকার নোট বার করে রক্ষীর দিকে বাড়িয়ে ফিসফিস করে বলল, ' যদি একটু হেল্প করেন ..... খুব উপকার হয় ..... ' 
    ভদ্রলোক নিমেষে মিইয়ে গেলেন । সতীনাথ দত্ত তাকে একশো টাকার বেশি ঠেকাননি কখনও । 
    সে কলতানকে নিয়ে একপাশে সরে এল । বিনয় বিগলিত গলায় বলল, ' কি যে করেন না ..... আমাদেরও তো চাকরির ভয় আছে .... সবই তো বোঝেন ..... হে: হে: .... ' 
    ----- ' ...... হ্যা বলুন এবার ...... আমি মোটেই ওপরে যাব না ..... আপনি শুধু ফ্ল্যাট নাম্বার আর ওনারের নামটা বলুন .... ' 
    ----- ' ফ্ল্যাট নম্বর ফাইভ সি ‌ । ফার্স্ট ফ্লোর । কার নামে ওনারশিপ বলতে পারব না । তবে ফ্ল্যাটে থাকেন মহুয়া মিত্র ..... দয়া করে আমার নাম কিন্তু কোথাও নেবেন না ..... মারা পড়ে যাব ... '
    রক্ষী মশাই এতক্ষণে বুঝে গেছে যে, সে যার সঙ্গে কথা বলছে , সে মোটেই ন্যালা ক্যাবলা লোক না ..... 
    ------ ' আরে না না ...... তুমি নিশ্চিন্তে থাক .... তোমায় কথা দিচ্ছি .....  আর একটা কথা শুধু আমায় বল ..... মহুয়া মিত্র এখানে কতদিন ধরে আছেন ? '
    ----- ' প্রায় দু বছর .... ' 
    ----- ' সতীনাথবাবুও এখানে প্রায় দু বছর ধরে আসছেন .... তাই তো ? '
    ----- ' হ্যা  .... ঠিক তাই ...'
    ----- ' মহুয়া মিত্র সতীনাথবাবুর সঙ্গে কখনও বাইরে বেরোন ? '
    ----- ' আমি কখনও দেখিনি । উনি প্রায়ই বাইরে যান ..... তবে একা ... '
    ----- ' গাড়ি আছে ? '
    ----- ' না .... ক্যাব বুক করে বেরোন ..... গাড়ি থাকতে পারে .... এখানে কিছু দেখিনি .... '
    ---- ' উনি কি কোন চাকরি বা ব্যবসা করেন ? '
    ---- না : ...... ওনার আবার চাকরির দরকার কি ...... ওরকম অ্যসেট থাকতে ..... '
    ---- ' কিরকম ? কি কি অ্যসেট আছে ? '
    দ্বাররক্ষী একটা ফিচেল হাসি হেসে বলল, ' বুঝলেন না ..... ওনার শরীরটাই তো একটা বিরাট অ্যসেট ..... হাঃ হাঃ হাঃ .... '
    সিকিউরিটি দাদা এতক্ষণে বুঝেই গেছে কলতান কোন বিশেষ চক্করে এখানে তল্লাশি চালাচ্ছে । 
    ------ ' অনেক উপকার করলেন ভাই .... এখন তা'লে আসি । ভবিষ্যতে আবার দেখা হলেও হতে পারে ..... আসি ..... '
    ------ ' হ্যা ...... কিন্তু ওই কথাটা একটু মনে রাখবেন ..... আমার কথা যেন কাউকে .....'
    কলতান বরাভয় ভঙ্গীতে ডান হাতটা ওপরে তুলল। 

        বাইকে স্টার্ট দিতে দিতে কলতান ভাবল , এবার নেক্সট মিশন একশো ছাব্বিশ এ , বালীগঞ্জ প্লেস । সতীনাথবাবুর স্ত্রী কন্যার সঙ্গে আলাপ পরিচয় করাটা দরকার । সম্ভব হলে পশুপতিবাবুর সঙ্গেও দু চারটে কথা বলতে পারলে ভাল হয় ।  হাতে সময় খুব কম । 
     ( ক্রমশঃ )

      
    ************************************************************************************
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন