এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দত্ত জুয়েলার্স - ১ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ২০০ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  •  
     
    দীনবন্ধু জানাকে আপনারা চেনেন না নিশ্চয়ই । কি করেই বা চিনবেন ।  দীনবন্ধু জানা তো  আর কেষ্টবিষ্টু কেউ না ।  পূর্ব  মেদিনীপুরের হেঁড়িয়ায় বাড়ি । কলকাতায় শ্যামবাজারে একটা মেসে থাকে ।  বউবাজারে একটা নাম করা জুয়েলারির দোকানের কর্মচারি সে ।  মেসবাড়ি সংস্কৃতি এখন অবলুপ্ত। তবু পুরনো কলকাতায় দু একটা আছে এখনও । সেখানে ঢুকলে মনে হয় চল্লিশ বা পঞ্চাশের দশকে ঢুকে পড়েছি । শ্যামবাজারে এরকম আছে একটা ওই আর জি কর রোডের ওপর । প্রায় অমিয়বাবুর বাজারের ওপর বলা যায় । ওখানে দীনবন্ধুর সঙ্গে আরও পাঁচজন
    থাকে । তারা হাওড়া, মেদিনীপুর, বর্ধমান, বীরভূম বিভিন্ন জায়গার লোক । তারা অবসর পেলে তাস খেলে এবং রবিবারে সবাই মিলে খাসির মাংস রান্না করে চাঁদা তুলে মাংস কিনে।
    প্রায় সকলেই মাসে দুবার এবং পুজোর সময় দুদিনের জন্য দেশের বাড়িতে যায় ।   
        দীনবন্ধু গয়নার দোকান দত্ত জুয়েলার্সের শোরুমে দশ ঘন্টা ডিউটি দেয়  আরও পাঁচ  জনের সঙ্গে । তার মধ্যে পাঁচুগোপাল দাসের সঙ্গে তার পটে ভাল । একসঙ্গে টিফিন খেতে বেরোয় রোজ । দুজনে মনের কথা আদানপ্রদান করে । মালিক পশুপতি দত্ত লোক ভাল ।    কর্মচারীদের সঙ্গে সচরাচর খারাপ ব্যবহার করে না । এই দোকানে অবশ্য রোজ বসেন না পশুপতিবাবু । বড়জোর সপ্তাহে দুদিন । তাদের বালীগঞ্জে আর একটা শোরুম আছে ।    সেখানেই বেশীর ভাগ দিন থাকেন ।  বউবাজারের দোকানের দায়িত্ব মোটামুটি তার সেজ ভাই সতীনাথের ওপর । টাকাপয়সার ব্যাপারটা বাদ দিলে  তিনি অমায়িক মানুষ । কোন অহমিকা নেই । দাদার ওপর অগাধ শ্রদ্ধা । তার ওপর কর্মচারিদের সঙ্গে বেশ ঠাট্টা  ইয়ার্কির সম্পর্ক আছে তার ।   
    এ সবই ঠিক আছে । মুশকিল হল দুই ভাইই  টাকা পয়সার ব্যাপারে একদম মুঠো আলগা করতে চায় না । বেতন ভীষণ কম । বাড়াবার নামও করে না । এই টাকায় আজকালকার দিনে সংসার চলে না । দীনবন্ধু আর   পাঁচুগোপাল শিয়ালদা ফ্লাই ওভারের নীচে টিফিন খেতে গিয়ে তাদের আর্থিক সংকট এবং মালিকের নির্বিকারত্ব নিয়ে নিয়মিতভাবে পরষ্পরের কাছে আক্ষেপ প্রকাশ করে ।  তারপর পাঁউরুটি আর ঘুগনি খাওয়া শেষ হলে আবার দোকানে ফিরে গিয়ে খদ্দের সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ।  এ হল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা । রাত নটা বাজলে দোকান বন্ধ করে তালা  লাগায় ক্যাশিয়ার সঞ্জীব রাহা । পশুপতিবাবু বা সতীনাথ বাবু , যে যেদিন তিনি থাকেন , বিকটদর্শন তালাগুলো টেনে টেনে পরীক্ষা করে  নেন ....ঠিকমতো লাগানো হল কিনা । তারপর চাবির গোছা সঞ্জীবের কাছ থেকে নিয়ে ব্যাগে পুরে গাড়িতে উঠে পড়েন । দুই ভাইই থাকেন বালীগঞ্জের  পৈত্রিক বাড়িতে । পাঁচুগোপাল হাঁটতে থাকে শিয়ালদা স্টেশানের দিকে নৈহাটি লোকাল ধরবে বলে আর দীনবন্ধু বউবাজারের মোড়ে গিয়ে দাঁড়ায় শ্যামবাজারের বাস ধরবে বলে ।  
    গাড়ি চলছিল একরকম ধিকিয়ে ধিকিয়ে কিন্তু    নিয়তির বোধহয় তা সহ্য হল না । হয়রাণির শাবল গাঁইতি চালিয়ে মানুষের  চলার রাস্তা মাঝে মাঝে এবড়ো খেবড়ো করে দেওয়াই বোধহয় প্রকৃতির প্রকৃতি।  
    সেদিন সোমবার দোকান খোলার পর সতীনাথ দত্ত এবং তার কর্মচারীরা দোকানে ঢুকল দশটা নাগাদ । আগের দিন রবিবার দোকান বন্ধ ছিল । শনিবার কোন এক পার্টির ডাকা বন্ধের  কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল । তাই সেদিন দীনবন্ধু এবং আর একজন কর্মচারী মনোতোষ সাহা ছাড়া আর কেউ সেদিন কাজে আসতে পারেনি ।  সেদিন দোকান খোলার জন্য   পশুপতি দত্ত এসেছিলেন । দোকান খুলে দিয়ে একটা জরুরী কাজে তিনি বেরিয়ে গেলেন । আবার রাত্রে সাড়ে আটটা নাগাদ ফিরে এসেছিলেন দোকান বন্ধ করার জন্য । এই কাজ দুটো তারা কর্মচারীদের হাতে ছাড়েন না । 

    ঘন্টাখানেক পর দোকানের সামনে এসে দাঁড়াল একটা অল্টো গাড়ি । এক বয়স্ক দম্পতি গাড়ি থেকে নেমে দোকানে ঢুকলেন । দম্পতি বোধহয়  সতীনাথবাবু এবং দোকানের সব কর্মচারীরই পূর্বপরিচিত । সতীনাথবাবু বেরিয়ে এসে   হাসিমুখে বললেন, ' আরে ..... আসুন আসুন .... ভাল আছেন তো ..... বসুন ..বসুন ...' 
    বেশ ওজনদার খরিদ্দার নিশ্চয় এবং  নিশ্চিতভাবে বেশী জমকালো দোকানের থেকে দত্ত জুয়েলার্সের মতো বনেদী কাঠামোর  দোকানই তাদের বেশী পছন্দ ।   
    মধ্যবয়স্কা স্থূলকায়া মহিলা সতীনাথের দিকে তাকিয়ে একগাল হেসে বললেন , ' মেয়ের বিয়ে ..... সামনের মাসে ..... ' 
    ----- ' তাই নাকি ..... খুব ভাল .... খুব ভাল ... হ্যা বলুন ..... '
    ----- ' ডায়মন্ড সেটিং নেকলেস দেখাবেন একটু ..... ' 
    ----- হ্যা .... নিশ্চয়ই ..... খুব ভাল কটা ডিজাইন এসেছে রিসেন্টলি ..... দীনবন্ধু .... দেখাও ..... '
         দীনবন্ধু দেয়ালের শার্টার সরিয়ে গোটা পাঁচেক বাক্স নামিয়ে আনল । লাল রঙা চ্যাপ্টা গোছের উচ্ছ্বল তন্বীর মতো পাঁচটা বাক্স । ভেতরে আরামশয্যায় শরীর এলিয়ে আছে হীরকখন্ড খচিত রমনীয় অলঙ্কারেরা । 
     ------- ' এ ...ই .... এই যে ..... নিয়ে এস ....নিয়ে এস .... আমাকে দাও .... আমি দেখাচ্ছি ..... ' সতীনাথবাবু পরম উৎসাহে একটা করে বাক্স খুলে মেলে ধরতে লাগল ক্রেতা দম্পতির সামনে।  চারটে বাক্স খুলে সাজিয়ে রাখা হয়ে গেল । এবার পঞ্চম বাক্সটা খুললেন সতীনাথবাবু । খুলেই চমকে উঠলেন তিনি । 
    ------ ' আরে .... দীনবন্ধু একি ! ..... '
    দীনবন্ধু ঝুঁকে পড়ল এদিকে । দেখে বাক্সটা ফাঁকা । কন্ঠহারের শূন্য শয্যা একাকি পড়ে আছে ।  
    দেখে দীনবন্ধুর বুকে হাপর টানতে লাগল । ডায়মন্ড নেকলেসের বেচাকেনা একমাত্র সেই সামলায় । দিনের শেষে স্টক মিলিয়ে দোকানে বসা মালিককে বুঝিয়ে দিয়ে দোকান ছাড়ে । শনিবারে দোকান বন্ধ হবার সময় পশুপতিবাবু
    ছিলেন । তাকে স্টক বুঝিয়ে দেবার পর তার ছুটি হয় । এখন হীরের হারের একটা বাক্স খালি দেখে তার বুক ধড়াস ধড়াস করতে লাগল । কি বলা উচিত কিছু বুঝতে পারছিল না ।
    সতীনাথ দত্তর চোখের দৃষ্টি বদলে গেল নিমেষে। ক্রূর দৃষ্টিতে দীনবন্ধুর দিকে বলল , ' এটা কি হল দীনবন্ধু ..... কি বলবে ? ' 
    ----- ' আমি ..... মানে .... কিছুই তো বুঝতে পারছি না ..... কি ...কি বলব .... '
    ----- ' বুঝতে পারছ না মানে ? কে বুঝবে তা'লে ? তুমিই তো নেকলেস ডিল কর ....... '
    ----- ' আমি তো শনিবার স্টক মিলিয়ে দিয়ে গেছি বড়বাবুকে ..... '
    সতীনাথ একইরকম কড়া গলায় বলল, ' ওসব বাজে কথা ছাড় ..... জিনিসটা কোথায় সেটা বল ..... ঝেড়ে কাশ ..... ' 
    পাঁচুগোপাল সমেত অন্য কর্মচারীরা উদভ্রান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে এদিকে ।  
    মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে গয়না কিনতে আসা দম্পতি এরকম অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে ভীষণ অস্বস্তি বোধ করতে লাগলেন । ভদ্রলোক বললেন , ' আমাদের এদিকে কিছু কাজ ছিল ..... আজ আমরা উঠি ..... আর একদিন নয় ..... '
    সতীনাথ বলল, ' কি বলব বলুন তো দাদা .... এমন একটা গন্ডগোলে জড়িয়ে পড়লাম ..... কি বলব ..... সময় করে আর একদিন আসবেন কিন্তু ..... খুব খারাপ লাগছে ..... ' 
    ------ ' হ্যা নিশ্চয়ই ..... এখানে না এসে আর কোথায় যাব ? '
    দম্পতি বিদায় নিলেন । 
    এরকম পরিস্থিতি যে তার জীবনে কখনও আসতে পারে সে দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি । 
    বিভ্রান্ত দৃষ্টিতে এদিক ওদিক তাকাতে লাগল । 
    বিড়বিড় করে বলল, ' আমি তো ..... বড়বাবুকে সব বুঝিয়ে দিয়ে গেলাম ..... '
    সতীনাথ সে কথায় কান না দিয়ে মোবাইল বার করে কাকে ডায়াল করল ।
    ----- ' হ্যা ..... বড়দা ..... তুমি এখন কোথায় ? 
    আচ্ছা ... আচ্ছা ... এদিকে তো এক কেলেঙ্কারি হয়েছে .... আরে .. আর বল কেন ... একটা ডায়মন্ড নেকলেস পাওয়া যাচ্ছে না .... হ্যা হ্যা ..... সে তো জানি ..... শনিবার তুমি ছিলে ..... তাহলে অর্নামেন্টটা গেল কোথায় .... হ্যা ..... কি বললে ..... বউবাজার থানায় একটা ডায়েরি করিয়ে রাখতে দোকানের সব কজনের নাম দিয়ে ..... আর দীনবন্ধুর নামে একটা এফ আই আর ..... হ্যা সে তো বটেই ..... ওই তো চার্জে ছিল .... মালটা কোথায় গেল ওকেই তো বলতে হবে ..... না না ওসব মামদোবাজি চলবে না ..... প্রায় দশ লাখ টাকা ভ্যালু ..... তবে আর বলছি কি ....ওদের তা'লে আটকে রাখার  দরকার নেই ? আচ্ছা ঠিক আছে ওদের একটা করে সিগনেচার করিয়ে নিচ্ছি ..... দশ লাখ টাকার মাল .... ইয়ার্কি নাকি .... '
    ফোন রেখে সতীনাথ দত্ত গুম হয়ে বসে রইল । ভাগ্যিস দোকানে এখন কোন খরিদ্দার নেই ।  পুলিশ , থানা , ডায়েরি, এফ আই আর .... এইসব টুকরো কথা কানে যেতে ছাপোষা  লোকগুলো ভয়ে আধমরা হয়ে গেল । বিষ্ণুপদ ভড় নামে একজন বয়স্ক কর্মচারী ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করল । কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল , ' আমি কিছু জানি না ছোটবাবু ..... আমাকে ছেড়ে দ্যান ..... আমি তো শনিবারে আসিই নি ..... আমার মা এসব শুনলে হার্টফেল করবে ...... ' এইসব বলতে বলতে ক্রন্দনরত বিষ্ণুপদ সতীনাথের সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে রইল ।    
    ------ ' আরে ... আরে .... কি করছ তুমি .....ছি ছি ... তুমি আমাদের এত পুরনো লোক .... তোমায় কি কিছু বলা হয়েছে ..... এটা তো দীনবন্ধুর ডিপার্টমেন্ট ..... তুমি ঘাবড়িও না ..... তোমার কিছু হবে না ..... ' সতীনাথ বলে । 
    এরপর সতীনাথ দত্ত একটা সাদা খাতা খুলে বলল , ' এস তোমরা সবাই এখানে সই করে একটা করে টিপছাপ দাও । এখন দোকান বন্ধ করে দেব । থানায় যেতে হবে ....। তোমরা কিন্তু বাইরে কোথাও পালিয়ে যাবার চেষ্টা করো  না..... সমস্যা হয়ে যাবে ...... '
    এর কিছুক্ষণ পরে দোকানে তালা পড়ল । দীনবন্ধু , পাঁচুগোপালরা দোকানের উল্টোদিকে ফুটপাথের চায়ের দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াল । উৎকন্ঠায় জর্জরিত হয়ে দীনবন্ধু দোকানের পাশে পাতা একটা বেঞ্চে ধপ করে বসে পড়ল ।   
    সতীনাথবাবু গাড়িতে উঠে  বসলেন বউবাজার থানার দিকে রওয়ানা দেবার জন্য । 
    চায়ের ভাঁড়ে একটা চুমুক দিয়ে মনোতোষ বলল, ' আমাদের , বিশেষ করে দীনবন্ধুকে যেভাবে ফাঁসাচ্ছে তা মেনে নেওয়া যায় না । এর একটা বিহিত করার দরকার । তোমরা সকলে ভেবে দেখ দেখি কোন উপায় বার করতে পার নাকি ..... '
    কেউ কেউ ভাবতে লাগল বটে , তবে ওদের বেশীর ভাগেরই কোন সূক্ষ্ম ভাবনা চিন্তা করার পারদর্শীতা নেই ।   
    চায়ের ভাঁড়ে শেষ চুমুকটা মেরে পাশে রাখা ভাঙা বালতিতে ভাঁড়টা ফেলে দিয়ে মনোতোষই বলল, ' আমার মাথায় একটা বুদ্ধি এসেছে ।  কাছেই ..... ওই হ্যারিসন রোডের মোড়ে এক ভদ্রলোক থাকেন । প্রাইভেট ডিটেকটিভ ..... নাম কলতান গুপ্ত ..... নাম শুনেছ কি ? '
    দেখা গেল কেউই নাম শোনেনি । সেটাই স্বাভাবিক । 
    ----- ' আমিও আগে শুনিনি । ঝামাপুকুরে   একটা হীরে চুরির কেসে বাড়ির কাজের মেয়েটাকে ফাঁসানো হয়েছিল । উনিই মেয়েটাকে বাঁচিয়েছিলেন আসল অপরাধীকে ধরে দিয়ে । আমি তো ওই পাড়াতেই থাকি । ওখানে একদিন কলতান গুপ্তকে দেখেছিলাম ..... '
    ----- ' কিন্তু ওনার পারিশ্রমিক দেওয়ার মতো টাকা কোথায় আমাদের  ? ' দীনবন্ধু বলল।  
    তাকে খুব একটা উৎসাহী দেখাল না । একজন গোয়েন্দা কিভাবে সাহায্য করতে পারে তাদের , বিশেষ করে তাকে ...... ' 
    ----- ' আহা চলই না ......কাছেই তো .... খোঁজ নিয়েই দেখা যাক না ..... না পোষালে, মানে খাঁই যদি তেমন বেশী হয় ..…. তখন না হয় ..... ' 
     
       ( ক্রমশঃ )   

    ************************************************************************************
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন