বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  সমাজ

  • ঘুষকাহন

    অম্লানকুসুম চক্রবর্তী
    আলোচনা | সমাজ | ১১ আগস্ট ২০২২ | ৩৯৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • কলেজজীবনের একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে। বিধাননগর রোড রেলস্টেশনের ফুট ওভারব্রিজে টিকিট পরীক্ষককে দেখা মাত্র একজন প্রবল বেগে দৌড়তে শুরু করলেন। অমুক চিকেন সেন্টারের সামনে রাখা খাঁচা থেকে একটা মুরগী যদি হঠাৎ উড়ে ফুটখানেক দূরে ঝাঁপ দেয়, তখন দোকানির যা অবস্থা হয়, টিকিট পরীক্ষকের অবস্থার সঙ্গে ওই ঘটনার খুব একটা অমিল নেই। যাত্রীও দৌড়চ্ছেন। পরীক্ষকও। আর সদ্য গজিয়ে ওঠা রগড় দেখার জন্য পাপারাৎজির ক্যামেরার মত আমিও। ব্রিজ থেকে নেমে প্ল্যাটফর্মের উপরে প্রায় তিনশ মিটার দৌড়নোর পরে পরীক্ষক ওই যাত্রীর কলার পাকড়ে ধরলেন। মহালয়ার অনুষ্ঠানে মহিষাসুর যেমন গর্জন করে বলেছিল, ‘আমায় বধ করবে এক নারী!’, ঠিক তেমনভাবে পরীক্ষকের গলা থেকে মন্দ্রিত হল, ‘টিকিট?’ এর পরে যা ঘটেছিল তা অভিনব। যাত্রী বুকপকেট থেকে টিকিটটি বের করে দেখিয়ে বললেন, ‘এই তো।’ পরীক্ষক থতমত। হতাশ। জিজ্ঞেস করলেন, ‘তা হলে দৌড়লেন কেন?’ যাত্রীর চটজলদি উত্তর, ‘কোন আইনে লেখা আছে প্ল্যাটফর্মে দৌড়নো মানা?’ পরীক্ষক এবারে আকাশের দিকে চেয়ে বলেছিলেন, ‘গেল আমার পঞ্চাশ টাকা।’ যাত্রী বললেন, ‘টিকিট না থাকলে তো আড়াইশ টাকা ফাইন জানতাম। পঞ্চাশ কেন?’ পরীক্ষক বিড়বিড় করে বলেছিলেন, ‘ওই আর কি। সবাই কি আর এত টাকা দিতে পারে!’ এই দৃশ্যের পরে টিকিট-নাটকের ইন্টারভাল।
    দু মিনিট পরে দেখা গিয়েছিল, ওই পরীক্ষক যাত্রীর কাঁধে হাত দিয়ে জিজ্ঞেস করছেন, ‘এতটা দৌড় করালেন! একটু খুশি হয়ে কিছু দেবেন না?’
    সদ্য প্রাক্তন হয়েছেন যে মন্ত্রী, তাঁর ঘনিষ্ঠের ঘর থেকে কোটি টাকার পাহাড় উদ্ধার হওয়ার পরে আমাদের যাকে বলে, চক্ষু ছানাবড়া। এ টাকা ঘুষের টাকা কিনা তা প্রমাণিত হয়নি এখনও। তবে এর রং যে সাদা নয়, তার প্রমাণ হতে বাকি নেই কিছু। আমরা চোখ কপালে উঠিয়ে ভাবছি, এ বাবা, এত টাকাও এভাবে আত্মস্মাৎ করে নিতে পারে লোকে? আমাদের ভাবখানা এমন, যেন ঘুষ খেতে দেখিনি কাউকে আজীবন। যেন আমাদের রোজনামচার রাস্তার প্রতিটি মোড়ে লাঠি হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রামমোহন রায়। পুলিশের সমার্থক শব্দ যে ঘুষখোর, তা আমাদের গুরুজনরা শেখাননি। সমাজ শিখিয়েছে। আমরা বড় হয়েছি যে সময়ে, কবীর সুমন তখন মধ্যগগনে। তাঁর ‘প্রথম সবকিছু’ গানে ছিল, ‘প্রথম দেখা দিনদুপুরে পুলিশ ঘুষ খায়..।’ নচিকেতা চক্রবর্তীও দিব্যি গেয়ে দিলেন, ‘তুমি আসবে বলে চৌরাস্তার পুলিশটা ঘুষ খায়নি।’ অন্য বহু লাইনের মতো এই লাইনগুলোও ছোটবেলায় মাথার মধ্যে যে ড্রিলমেশিন দিয়ে ঝালাই হয়ে গিয়েছিল, তার থেকে আর মুক্তি পেলাম না।
    এক বন্ধুর মুখ থেকে শুনেছিলাম, ‘পাসপোর্টের ঠিকানা ভেরিফিকেশনের সময় থানায় গিয়েছি। আরও পাঁচ ছ জন বসে আছে আমারই তো। হাবিলদার গোছের একটা লোক বেরিয়ে এসে বলল, খামগুলো সবাই একটু আমার হাতে দিয়ে দেবেন। জিজ্ঞেস করলাম, কিসের খাম? হাবিলদার বলল, ন্যাকা নাকি। তোমার পাসপোর্ট হবে না ভাই। বেরিয়ে যাও।’ বন্ধুটা জানতে পেরেছিল, সাদা খামে করে হাজার টাকা বড়বাবুকে দেওয়াই নাকি নিয়ম। বড়বাবু এর ফলে খুশি হন, মোগাম্বোর মতো। বন্ধু ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে নালিশ করার কথা বলায় ওই হাবিলদার তির্যক হেসে নাকি বলেছিলেন, ‘কত ঊর্ধ্বে যাবেন, যান।’ অজ্ঞতার জন্য হাজারের বদলে দু হাজার দিতে হয়েছিল ওই বন্ধুকে। বড়বাবু নাকি ‘কষ্ট’ পেয়েছিলেন।
    উত্তর কলকাতায় এক স্কুলশিক্ষকের কথা জানি। স্কুলের ছুটির ঘন্টা তাঁকে হয়তো বলত, ‘তোমার হল শুরু, আমার হল সারা।’ ঘন্টা পড়ার পরে টাট্টু ঘোড়ার মতো ছুটতেন এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি। ক্লাসে পড়াতেন না। বরং প্রকাশ্যে বলতেন, ‘আরও ভাল করে বোঝার জন্য আমার কাছে আসতে হবে।’ টিউশানির ব্যাচে বলতেন, ‘আরও ভাল করে বোঝানোর জন্য আমার তোমাদের বাড়ি যেতে হবে।’ বাড়ি গেলে ফি চার গুণ হতো। শুনতাম, যে বাড়িতে উনি পড়াতেন সেখানে নাকি প্রশ্নপত্র ফাঁস করে দিয়ে আসতেন। ফলে ওঁর হাতে ‘লালিত’ ছাত্ররা পরীক্ষায় বরাবরই সবচেয়ে বেশি নম্বর পেত। পাড়ায় শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে জাতির কারিগর ওই ‘দরদী’ শিক্ষকের গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দিয়েছি আমরাই।
    ফ্ল্যাটের মিউটেশনের জন্য পুরসভায় গেলে পকেটে কিছু অতিরিক্ত টাকা নিয়ে যেতে হয়। যে কাজটা করার জন্য পৌর আধিকারিক মাস গেলে মাইনে পান, তাঁকেও খুশি করার জন্য হাতে কিছু দিতে হয়। পোস্ট অফিসে যে লোকটি আমার ফাইল কোনও বাবুর কাছে দিয়ে আসেন, তাকেও খুশি করতে হয়। যে কর্মী পাসবই আপডেট করেন, তার চোখেও কি লুকিয়ে থাকে কিছু না বলা বাণী? বাণী না বলে অবশ্য আর্তি বলাই ভাল। সারা জীবন সরকারি চাকরি করার পর পেনশনটা ঠিক ঠাক পাওয়ার জন্য এক কর্মীই অন্য কর্মীকে ঘুষ দেন। পেনশন প্রসেস করার দায়িত্বে যে লোকেরা আছেন, তাঁরা নাকি খুশি না হলে ফাইল নাড়ান না। আয়কর দফতর থেকে শমন পাওয়া বহু লোক, দফতরের অফিসারকে খুশি করে কর ফাঁকি দিয়ে বেরিয়ে আসেন সানন্দে। ট্রাফিক সামলানোর ভার যাঁদের উপর, তাঁদের দেখেছি আয় আয় চই চই করার মতো রাস্তায় হঠাৎ কোনও গাড়িকে সাইড করে দেন। এটা সেটা করার পরে, এই কাগজ ওই কাগজ চাওয়ার পরে আসল উদ্দেশ্য থাকে, টাকা খাওয়া। রাজপথে প্রকাশ্যে মদ খাওয়া এক লোককে পাকড়াও হতে দেখেছিলাম। রাম-ভক্ত লোকটির পাশে হঠাৎ এসে দাঁড়াল পুলিশ লেখা সাদা গাড়ি। লোকটি গাড়িতে উঠলেন এবং মিনিটখানেকের মধ্যে নামলেন। তারপর একগাল হেসে বললেন, ‘আশি টাকায় সাল্টে দিয়েছি। ১০০ চাইছিল। সাহস কত বড়!’
    ‘হায় হায় কি দেখিলাম’ বলে যাঁরা রব তুলছি এখন, তা কি আদতে নোটের অঙ্কটা বেশ বড় বলে? খবরের কাগজের প্রথম পাতায় টাকার পাহাড় কোনওদিন দেখিনি বলে তাই? ঘুষ দেওয়ার যে অভ্যেসটাকে দশকের পর দশক জিওল মাছের মতো আমরা বাঁচিয়ে রেখে দিয়েছি, সেখানে অক্সিজেন সরবরাহ খানিক কমানোর জন্য আমরা কোনওদিন চেষ্টা করেছি কি? রাজ্য সরকারের এক চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে আমার বন্ধু শেষ পর্যন্ত শুনেছিল, ‘এবারে কাজের কথায় আসুন তো মশাই। কত ছাড়তে পারবেন বলুন। আট লাখ ক্যাশ দিয়ে দিন। নাম চলে আসবে। না হলে জীবনেও আসবে না। সব আমাদের হাতে।’ গরীব ঘরের ওই বন্ধু ওই টাকা না দিতে পারায় স্বাভাবিকভাবেই চাকরিটা হয়নি। বাংলায় স্নাতকোত্তর ওই ছেলেটি এখন এক রেস্তোরাঁর ডেলিভারি বয়। এক আড্ডায় ওর মুখ থেকে শুনেছিলাম, ‘ইচ্ছে করছিল লোকটার গালে ঠাটিয়ে একটা চড় কষাই।’ আমি বলেছিলাম, ‘মারলি না কেন? গরীবের আবার কি হারানোর ভয়?’ ওর উত্তরটা মনে আছে এখনও। গলা নামিয়ে বলেছিল, ‘যদি সরকারি কর্মীর কাজে বাধা দেওয়ার কোনও কেস দিয়ে দিত আমাকে! চাকরিটা তো এমনিই হতো না। উল্টে জেলে যেতে হত।’
    এমন ঘটনা আমাদের অজানা নয়। সমস্যার জায়গাটা হল, এর প্রতিবাদ করেন না কেউ। আজ শিক্ষক নিয়োগের পর্দাফাঁস হয়েছে। কাল অন্য নিয়োগের হবে। পরশু মুখোশ খুলবে আরও একটা নতুন কিছু। জনপ্রতিনিধির উপরে যে জনপ্রতিনিধি আছেন, তিনি হয়তো মুখ ঘুরিয়ে বলবেন, ‘আমি তো কিছু জানতামই না।’ বিরোধী শিবিরের লোকজন বলছেন, ‘খেলা তো সবে শুরু।’ সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার সাফল্যের ঢাক বাজিয়ে প্রশিক্ষণের কোচিং সেন্টারগুলো খবরের কাগজে পাতাজোড়া বিজ্ঞাপন দেয়। অনেক বিজ্ঞাপনের তলায় দেখেছি, ওদের ওখানে তিন বছরের প্রশিক্ষণ নেওয়া মানেই সরকারি

    চাকরির অফার লেটার হাতে পাওয়া। এমন কোর্সের কোনও লুকনো চ্যাপ্টারে কি শেখানো আছে ইন্টারভিউ প্যানেলের লোকজনদের খুশি করার আরও নানা টিপস? জানতে বড় সাধ হয়।
    টেলিভিশন-রিমোটের মিউট বোতাম টিপলে যেমন স্তব্ধ হয়ে যায় সবকিছু, আমরা সবাই মিলে হয়তো মুখে কুলুপ এঁটেছি তেমনই। কত হাজার পরীক্ষার্থী টাকার জোরে চাকরি পেয়েছেন, তা অজানা। আলকাতরায় চোবানো আসল পরিসংখ্যান কোনওদিন প্রকাশ্যে আসবে কিনা জানা নেই তাও। বিশ্বকবির নোবেল উদ্ধারের রূপকথার মতো যদি কোনওদিন সেই তালিকা আমাদের সামনে আসে, তা হলে সফল প্রার্থীদের জিজ্ঞেস করা যেতে পারে, ‘লক্ষ লক্ষ টাকা আপনারা দিয়েছিলেন কেন?’ হলফ করে বলা যায়, এই টাকা যোগানোর জন্য তাঁদের অনেকে বাস্তুভিটে বন্ধক রেখেছেন, জমি বিক্রি করেছেন। ধরা পড়ে গেলে ক্যামেরার সামনে তাঁরা হয়তো মাথা নীচু করে, দুগালে অশ্রুধারা নিয়ে বলবেন, ‘একটা চাকরির বড় দরকার ছিল স্যার।’ আর মুখের সামনে থেকে বুম সরে গেলেই বিড়বিড় করবেন, ‘টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি, কষিয়ে থাপ্পড় মারতে পারিনি বলেই।’
    গ্যাস সিলিন্ডারের ভর্তুকি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া নিয়ে যেমন প্রচার দামামা বাজে, বিনা পয়সায় সাইকেল বিতরণ নিয়ে যেভাবে জলে-স্থলে-অন্তরীক্ষে বার্তা রটিয়ে দেয় সরকারি মহল, মনে হয়, একই পরিমাণ অর্থ খরচ করা উচিত নিয়োগ দুর্নীতি রুখতে, ঘুষের ঘুষঘুষে সংস্কৃতি রুখতে। ছোটবেলায় বড়দের মুখ থেকে শুনেছি, ‘এক কথা বার বার বলে কান পচিয়ে দিলি একেবারে।’ সরকারি মহল থেকে, ঠিক একই রকম ভাবে এ কথা প্রচার করে আমাদের কান পচিয়ে দেওয়াটা দরকার। টাকার বিনিময়ে যে চাকরি বিক্রি হয় না, এই শুভ বোধ যেন মনের সার্কিটবোর্ডে, বোধের মজ্জায় আমরা গেঁথে ফেলতে পারি, চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মতো। ঘুষ নেওয়াটা যেমন অপরাধ, আমরা যেন বুঝতে শিখি, ঘুষ দেওয়াটাও তেমন। এই খাদ্য-খাদকের সম্পর্কের সমূলে বিনাশ জরুরি।
    বিচারব্যবস্থার উপরে আস্থা রেখে আশা করতে পারি, নিয়োগ দুর্নীতির কান্ডারী যাঁরা, ঘুষ খেয়ে যাঁরা জয়ঢাক তাঁরা ধীরে ধীরে সংশোধনাগারে আসবেন। সংশোধিত হবেন কি না সময় বলবে।
    যাঁরা আসছেন, তাঁরা সকালে চায়ের সঙ্গে বিস্কিট খেলেন কি খেলেন না, তা জানার চেষ্টায় আপাতত সময় নষ্ট করে লাভ নেই।

  • আলোচনা | ১১ আগস্ট ২০২২ | ৩৯৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • santosh banerjee | ১১ আগস্ট ২০২২ ১৪:৩৪510921
  • আচ্ছা, এই ঘুষ বা উৎকোচ বা সু নজরের সেলামী, এই দৈব কাজটা কবে, কোথায় আর কে শুরু করেন ?? 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন