বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বন্ধুয়ানা

    রজত দাস লেখকের গ্রাহক হোন
    ০২ আগস্ট ২০২২ | ২৫১ বার পঠিত | রেটিং ৪ (২ জন)
  • ছোটবেলায় খুব ইন্ট্রোভার্ট ছিলাম। এখনো তাই আছি। কারোর সাথে যেচে কথা বলার স্বভাব! না। তখনও ছিল না। এখনো নেই। বাড়ির লোকজনের কাছে এই জন্য খুব সমালোচিতও হই। অনেকেই হয়ত ভেবে বসেন, অহংকারী। আসলে কিন্তু তা একেবারেই নয়। ঈশ্বর এমনভাবেই আমায় গড়েছেন। তাই যদি কোনো দোষ থাকে। তবে তাঁর। আমার নয়। এটাও বলে রাখা ভাল, একবার মিশে গেলে। আমার যত কথা, তার সাথেই বলাবলি করি। সময় অসময়ে। আলাপচারিতায়। তাই বন্ধু সংখ্যা অগুনতি হলেও প্রিয় বন্ধুর সংখ্যা এক কিংবা দুই কখনো পেরোয় নি। ভার্চুয়াল এই অগুনতি বন্ধুত্বের যুগে তিনটি বন্ধুর গপ্প বলি।

    ছোট থেকেই মানে সেই স্কুলবেলা থেকেই বন্ধুর সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। ক্লাস ভর্তি ছেলে। সকলের সাথেই কথা বলি। অথচ মনে ধরেছে একজনকে। যদ্দুর মনে আছে, তখন ক্লাস থ্রি কিংবা ফোরে পড়ি। একেবারে কাছের বন্ধু ছিল। যাকে বলে, প্রিয় সখা। সে আমার পাড়াতেই থাকত। তাই স্কুলের বাইরেও সখ্যতার সুযোগ প্রচুর ছিল। আমাদের ভাব ভালোবাসা বোধহয় সেই সময়ে কোনো কোনো বন্ধুর সহ্য হয়নি। একদিন হঠাৎ করেই আমাদের দুজনকে দুজনের বিরুদ্ধে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে খেপিয়ে তুলল। খেপিয়ে তোলার বিষয়টা আজ আর মনে নেই। যাই হোক, সেদিন দুজনেই অহেতুক তুমুল মারপিট করে ফেললাম। রক্তারক্তি কাণ্ডের চেয়ে কম কিছু ছিল না। সেই বাল্য বয়েসে দুই প্রিয় বন্ধু, অবুঝের মতো একে অপরের মুখে ঝাল খেয়ে চূড়ান্ত রাগারাগি করেছিলাম। ফল, বন্ধুত্বে ফাটল। ছাড়াছাড়ি। বাক্যালাপ বন্ধ। আজও একই অবস্থায় রয়ে গেছি। রাস্তায় মুখোমুখি দেখা হয়। দুজনেই দুজনকে এড়িয়ে চলে যাই। কেউ আর এগিয়ে আসতে পারি নি। 

    এরপর ফাইভে উঠে নতুন এক বন্ধু জুটল। সেও একই সেকশানে। পাশাপাশি বসতাম। অভিন্ন হৃদয় যাকে বলে, তেমনই গাঢ় বন্ধুত্বে ডুবে গেলাম। পাশের পাড়ায় তার বাড়ি। ক্রমশ স্কুল থেকে বাড়ীতে যাতায়াত শুরু হল। ফাইভ থেকে টেন। টানা পাঁচ বছর শুধু নয়। টেনের পরে টুয়েলভ। তারপর গ্র্যাজুয়েশনেও দুজনের একই কলেজ। একই বিষয়। বন্ধুত্বে চরম আত্মত্যাগ, বীরত্ব এবং বলিদান ইত্যাদি ঘটে যেত... হরিহর আত্মা বললেও কম বলা হবে। এমনই আমাদের বন্ধুত্ব ছিল, এক গলায় জল ঢাললে অন্য গলায় গিয়ে পড়ার মতই। একটি সিনেমাও একে অন্যকে ব্যতীত দেখতাম না। স্কুল কলেজ ছেড়ে ততদিনে আমাদের বন্ধুত্ব পারিবারিক পর্যায়ে চলে গেছে। একে অন্যের আত্মীয়স্বজনের বাড়ি যাওয়া আসাও তুচ্ছ ব্যাপার ছিল। দুজনকেই দুজনের পরিবারের সব আত্মীয়স্বজন চিনত। জানত। আলাপিত ছিল। গ্র্যাজুয়েশন করার পর জাঁদরেল বাবার বদান্যতায় বন্ধুটি চাকরি পেয়ে গেল। আমি পাঁড় বেকারই রয়ে গেলাম। এটা সেটা করে দিনযাপন। বেকারদের যেমন যায়, আর কি ! সঙ্গে চলল তুমুল সাহিত্য ও নাট্যচর্চা। ধীরে ধীরে দুজনের দূরত্ব বাড়তে শুরু করল। একটু খুলে বললে ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে। দুই বন্ধু কলেজ জীবনে প্রায়শই ভবিষ্যতের স্বপ্ন আঁকতাম। ও বলত, পাশ টাস করে চাকরি পেলেই আগে বাইক কিনবে। ছুটির দিনে আমি আর ও দুজনে মিলে লং ড্রাইভে চলে যাব। সঙ্গে থাকবে ক্যামেরা। প্রচুর ছবি তুলব। মনে মনে রোমাঞ্চিত হতাম। একদিন কাঙ্ক্ষিত সেই দিনটা এলো। বন্ধুটি নতুন বাইক কিনল। কিন্তু আমি জানতেই পারলাম না। যতদূর মনে পড়ে, প্রায় দুদিন পর অন্য কেউ ওর বাইক কেনার খবরটা আমায় দিয়েছিল। সকার বন্ধুর পাশে তখন এক এক করে স্বচ্ছল বন্ধুদের ভিড় জমতে শুরু করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই এই বেকার বন্ধু তার কাছে ব্রাত্য হয়ে চলেছে। ছোট ছোট ঘটনায় বুঝতে পারছিলাম, আগেকার নিবিড়তা এখন লুপ্ত প্রায়।

    আস্তে আস্তে আমিও সকার হলাম। কিন্তু বন্ধু আমার ততদিনে দূরের কোনো দ্বীপে... যখন তার চার চাকায় অধিষ্ঠান, তখনো আমি সেকেলে সাইকেলেই ঘুরে বেড়াই। দুজনের আর্থিক অবস্থার তুলনা করতে গেলে, সে ছিল তখন জাহাজ। আর আমি ডিঙি নৌকো। ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘের মত সূক্ষ্ম একটুখানি বন্ধুত্বের লেজ তখনও বাকি রয়ে গিয়েছিল। সেইদিন তাও ছিন্ন হল। যেদিন তার বিয়ের নিমন্ত্রণ পেলাম। ততদিনে তার বিয়ের বিশাল আয়োজনের খবর পেয়ে গিয়েছিলাম। বিয়ের সপ্তাহ খানেক আগে, অতীতের প্রিয় বন্ধুকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিমন্ত্রণ পত্র দিয়ে নিমন্ত্রণ সেরেছিল। তাও শুধুমাত্র বৌভাতের দিন সন্ধ্যায় একার নিমন্ত্রন। অথচ আমার বাড়িতে যে কয়েকটি অনুষ্ঠান হয়েছিল, সে সপরিবারে নিমন্ত্রিত থাকত। বাড়ি গিয়ে সযত্নে তার মায়ের কাছে বলে আসতাম। যেমনটি বাড়ির বড়রা শিখিয়ে দিত, সেইভাবে বলতাম। 
    তার বিয়ের নিমন্ত্রণ পত্রটি হাতে পেয়ে খুব কুণ্ঠিত বোধ করেছিলাম। কারণ ততদিনে আমার কানে এসেছিল, পাড়ার অন্যান্য সমগোত্রীয় অর্থাৎ আর্থিক সবল বন্ধুবান্ধবরা সপরিবারে বিয়ে ও বৌভাতে নিমন্ত্রিত হয়েছে। আমি অন্যান্য খুচরো বন্ধুদের দলে পড়েছি। নিজের অপমান বাড়াতে সেই নিমন্ত্রন রক্ষা করিনি। করতে পারিনি বলা ভাল। জানিনা ভুল করেছিলাম কিনা ! সেই বন্ধু তারপর থেকে আমার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল। হয়ত সে একা নয়। আমিও আর কথা বলতে চাইনি। একই ভাবে ছোটবেলার পুনরাবৃত্তি নিঃশব্দে ঘটে গিয়েছিল। এখনো অবস্থা একই রকম। দেখা হয়। কথা হয় না। 

    আর একটি গপ্প বলে শেষ করি। 

    প্রায় পনেরো বছর আগে। তখন যে সংস্থায় চাকরি করি, সেখানে প্রচুর সহকর্মীর মধ্যে একজনের সঙ্গে ফের নিবিড় সখ্যতা গজিয়ে উঠল। আমি কলকাতায় থাকি। আর সে থাকে অন্য জেলায়। কালেভদ্রে সাক্ষাৎ ঘটে। যাবতীয় আলাপচারিতা বন্ধুবৃত্তি সবই ফোনে। সুদীর্ঘকাল দুজনের মধ্যে চলত সুখ দুঃখের আদান প্রদান। দূরে থেকেও দুজনের বন্ধুত্বে কোনো ছেদ পড়েনি। করোনা কাল এলো। সকলের সাথে আমরাও তখন শঙ্কিত। বিধ্বস্ত জীবনযাপন। বন্ধুটির স্ত্রী সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা। একটি কন্যা সন্তানের জনক বন্ধু ততদিনে চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় মনোনিবেশ করেছে। আমি আগে থেকেই জানতাম, বন্ধু পত্নী কিঞ্চিৎ মানসিক রোগগ্রস্ত। চিকিৎসাধীন। হঠাৎ করেই একদিন বন্ধুটি আমায় জানালো, সে নতুন একটি সম্পর্কে জড়িয়েছে। মেয়েটি গৃহবধূ। ফোনে আমার সাথে আলাপও করিয়ে দিয়েছিল। ব্যাপারটায় আমার একেবারেই সায় ছিল না। দিনের পর দিন, আমি তাকে বুঝিয়ে চলি। এই দ্বিতীয় সম্পর্কের কুফল সম্পর্কে নানান যুক্তি খাড়া করে বোঝানোর নিস্ফল চেষ্টা করে চলি। কিছুদিন পর বন্ধুটির ফোন সুইচ অফ পাই। দিন কুড়ি পরে ফোন খোলা পেয়ে জানতে পারি, সেও নার্ভের অসুখে আক্রান্ত। আমি খুব যারপরনাই চিন্তিত হয়ে পড়ি। তিন চার মাস তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে নিয়মিত খবর নিতে থাকি। ধীরে ধীরে সে স্ত্রী কন্যার সাহচর্যে সুস্থ হয়ে উঠতে থাকে। আমারও ভাল লাগে। এমনই দিন যাচ্ছিল। প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখা দরকার, প্রথম থেকেই আমিই তাকে ফোন করে সর্বদা খোঁজখবর নিতাম। দশবার আমি ফোন করলে, সে হয়ত এক আধবার করত। 
    হঠাৎ করে বেশ কিছুদিন কর্ম ব্যস্ততার কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি। যেহেতু ফোনটা আমাকেই করতে হত, তাই ওদিক দিয়ে যথারীতি নিস্পৃহতা অনিবার্য ছিল। মাস খানেক কিংবা দেড়েক পর এক সন্ধ্যেবেলায় আমিই ফোন করি। রিং বেজে গেল। তুলল না। ভাবলাম, হয়ত কোনো কারণে ব্যস্ত আছে। পরে রিং ব্যাক করবে। কিন্তু করল না। খুব চিন্তিত হয়ে পড়লাম। এমনটা তো হয়না। তবে কি ফের ওর শরীর খারাপ হল ! একদিন পর আবার সেই সন্ধ্যে বেলাতেই ফোন করলাম। এবার বেশ কিছুক্ষণ রিং হওয়ার পর তুলল। তুলেই বলল, রজত ড্রাইভ করছি। আমি তোকে পরে করছি...। ব্যস, সেই শেষ কথা। তার আর পর হয়নি। আমি বুঝেছিলাম, ও সুস্থ আছে। যা ভেবেছিলাম, তা নয়। ও ইচ্ছে করেই আমায় এড়িয়ে চলতে চাইছে। তাই আমিও আর ফোন করে নৈঃশব্দ্য ভাঙতে উৎসাহ বোধ করিনি। কিছুটা ওকে আর বিরক্তও করতে চাইনি।

    বাড়ির লোকেরা বলে, আমার নাকি বন্ধু ভাগ্য খারাপ। জানিনা, এই ভাগ্যের দোহাই কতটা সত্যি ! যাদের প্রিয় বা প্রকৃত বন্ধু ভেবে ফেলি। তারা কতটা প্রকৃত ছিল, জানা নেই। জানতে পারিনি। সেটাতেই বোধহয় আমার অজ্ঞতা। নির্বুদ্ধিতা। কিংবা কিছুটা বালখিল্যতাও হবে হয়ত। এখনো একইভাবে দু একজন প্রিয়তম এ বুকে স্থান নিয়েছে। তাই সর্বদা ভয়ে তটস্থ থাকি। কখন তারা ছেড়ে যায়...!

    মনে মনে প্রার্থনা করি, আমার সব বন্ধুরা আমায় ছেড়েও যেন ভাল থাকে। ঈশ্বর ওদের ভাল রাখুক।

    ____________
    ©রজত দাস
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sobuj Chatterjee | ০২ আগস্ট ২০২২ ১৩:৩৯510695
  • বেশির ভাগ মানুষেরই বোধহয় এরকম একটা মহাভারত আছে। বিশেষ করে মধবিত্ত মানসিকতায় এই ধরনের ঘটনা খুব বেশি। আর প্রত্যেকেরই অপর জন সম্পর্কে কিছু না কিছু বলার থাকে। নিরপেক্ষ বিচার করার মতো কোনো তৃতীয় জন থাকে না বা এক্ষত্রে থাকাও সম্ভব নয়। আমরা সবাই বুদ্ধিমান। কিন্তু অপরের আবেগেকে সম্মান করার মতো মানসিকতার তারতম্য হয়। Precisely আমি বলতে চাইছি EQ. 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন