ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পরাণ বাগ্দী - ২ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৪ জুন ২০২২ | ১৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৪ (৩ জন)
  • বসন্ত হেলেদুলে সেলুনের দিকে যাচ্ছিল। মন বেশ ফুরফুরে। সকাল এগারোটা বাজে। নানা তালেগোলে অনেকদিন চুল কাটা হয়নি। আজ একটু ফুরসত পাওয়া গেছে। নিত্যানন্দ হেয়ার কাটিং সেলুনে সৌরেনকে দিয়ে দলাইমলাইও করাতে হবে। ও : যা ধকল গেল .….. অ্যদ্দিন ধরে ..... বসন্ত হুসস্ করে একটা শ্বাস ফেলল মাথা নীচু করে। চোখ তুলে সামনে তাকিয়ে দেখে মৌসুমী আসছে। সঙ্গে ওর আট বছর বয়সী ল্যাম্বোটটা ঠিক আছে। ওর দাদার ছেলে। ওর নাম গুল্টু। বসন্তর গা জ্বলে যায়। ভাবে, মহা বিচ্চু ছেলে ..... যখনই দেখ এঁটুলি পোকার মতো লেগে আছে পিসীর সঙ্গে। মৌসুমীর সঙ্গে কোথাও ফাঁকতালে দেখা হয়ে গেলে দু দন্ড শান্তিতে কথা কইবার জো নেই। মৌসুমীর হাত ধরে টানাটানি শুরু করবে .... ' পিসী চল না ..... ভাল্লাগছে না ..... চল না .... ' বলে যাবে একনাগাড়ে। বসন্তর ইচ্ছে করে ঠাস করে এক চড় কষায় ছোঁড়াটার গালে। একেই মৌসুমীর সঙ্গে এখন দেখা হওয়াই মুশকিল ....। বারো ক্লাসে পড়ে। পড়াশোনায় মোটামুটি। কিন্তু পড়াশোনার ব্যাপারে খুব সিরিয়াস। স্কুলে যাবার সময়টুকু বাদ দিয়ে বেশীরভাগ সময় বাড়িতেই থাকে। এক দোকানে টোকানে যাবার দরকার হলে এই বিচ্চুটাকে সঙ্গে নিয়ে বেরোয়। মৌসুমী কিন্তু আদৌ লজ্জাশীলা বা মুখচোরা স্বভাবের নয়। বেশ স্পষ্টবক্তা এবং কথায় কামড় আছে। মৌসুমী দের বাড়ি বসন্তদের বাড়ি থেকে হাঁটাপথে তিন মিনিটের রাস্তা। অনন্ত মারা যাবার পর ওর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অনন্তর দাদা হৃদয় মন্ডলের দখলে চলে গেছে। হৃদয়ের একটা ছোটখাটো চালের দোকান ছিল। সেখানে তার ছেলে বসন্তও বসত। নামকা ওয়াস্তে দোকান। ব্যবসা মোটেই ভাল চলত না। মাথা গোঁজার একটা জায়গা ছিল বটে কিন্তু তার অবস্থা শোচনীয়। অনন্ত কিছুটা দয়াপরবশ হয়ে, কিছুটা নিজের স্বার্থে দাদার পরিবারকে নিজের ঝাঁ চকচকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিল। কিছুদিন পর থেকেই অনন্তর উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার হল। বাপ আর ছেলেকে দিয়ে যাবতীয় ফাইফরমায়েশ খাটাতে আরম্ভ করল। বৌদি মিনতির ওপর আস্তে আস্তে চাপাতে থাকল বাসন মাজা থেকে গোয়ালের গোবর পরিষ্কার করার কাজ পর্যন্ত। হৃদয় মন্ডল পোড় খাওয়া লোক এবং সেও মোটেই সহজ সরল প্রকৃতির নয়। রতনে রতন চেনে।মানে, মায়ের পেটের ভাইকে সে ভালই চেনে। এই ক'বছরের মধ্যে এত বাড়বাড়ন্ত কি করে হল কিছুই তো তার অজানা নয়। কিন্তু আপাতত: নিরুপায় সে। টিমটিম করে চলছিল যে চালের দোকানটা সেটাও লালবাতি জ্বেলেছে। এখন দাঁতে দাঁত চেপে অনন্তর ঔদ্ধত্য হজম করছে। কিন্তু মনের ভিতর বিষের কুম্ভ ক্রমশঃ পূর্ণ হয়ে চলেছে।

    মৌসুমী মাঝে মাঝে অনন্তর বাড়িতে আসত তাঁতের শাড়ি বিক্রি করতে। এটা আসলে তার মায়ের ব্যবসা। মৌসুমী শাড়ি নিয়ে আসত অনন্তের বৌয়ের কাছে। অনন্তর বৌ মানসী প্রায় প্রতি মাসেই মৌসুমীর কাছ থেকে শাড়ি কিনত। সে যাই হোক, অনন্তর বাড়িতে মৌসুমীর এই যাতায়াতের মধ্যেই মৌসুমীর সঙ্গে আলাপ হয় বসন্তর। তেমন মাখোমাখো কিছু না, দু একটা কথা হত মাঝেমাঝে। গতানুগতিক কুশল বিনিময় আর কি। এর বেশি কিছু করার বা বলার সাহস বসন্তর ছিল না। কাকা জানতে পারলে জানে মেরে দেবে হয়ত। অনন্ত এসব একদম পছন্দ করে না। মৌসুমী তখন ক্লাস নাইনের ছাত্রী। গুল্টু তখনও মৌসুমীর ল্যাম্বোট হয়নি।

    এখন তিনবছরে পরিস্থিতি অনেক বদলে গেছে। আইনি বা বেআইনি যে রাস্তাতেই হোক অনন্তর ফেলে যাওয়া সম্পত্তি ভোগদখল করেছে হৃদয় আর তার ছেলে। কি করে করছে, এলাকার লোকজনের কাছে সেটা একটা রহস্য। কিন্তু ওদের ঘাঁটাতে চায় না কেউ।
    ----- ' কিরে মৌসুমী তোর তো দেখাই পাওয়া যায় না এখন .... '
    ----- ' সময় নেই .... খুব একটা বেরোই না।সামনে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা ..... তাছাড়া মা এখন শাড়ির ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছে .... '
    ------ ' সে ঠিক আছে। ব্যবসা ছাড়া কি বাড়িতে আসা যায় না ? আগে তো কত আসতিস .... কাকা নেই তো কি হয়েছে ..... আমরা তো আছি ..... আমরা কি মানুষ না ? ও ...হ্যা, শুনেছিস তো ..... কাকার খুনের মামলার কাল রায় বেরিয়েছে। পরাণ বাগ্দীর যাবজ্জীবন হয়েছে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে .... তবে আমার মতে ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল .....যাই হোক, শেষ পর্যন্ত কাকার আত্মা শান্তি পেল .... '
    মৌসুমী ফিক করে হেসে বলল, ' তা...ই ! '
    ----- ' তবে নাতো কি .... হাসছিস কেন ?'
    ----- ' ওমা .... হাসলাম কখন ? আমি তো শুধু জিজ্ঞেস করলাম .... তাই ! '
    ----- ' যাকগে ..... কবে আসছিস তা'লে আমাদের বাড়িতে ..... অনেক দিন আসিসনি .... '
    ----- ' ও বাবা ! অনন্ত মন্ডলের বাড়ি এখন তোমাদের বাড়ি হয়ে গেল ..... ' মৌসুমী ভুরু কপালে তুলে জিজ্ঞাসা করে।
    বসন্ত একটু থতমত খেয়ে যায়।
    ----- ' কি .…. কি বললি ....আরে, ওই একই হল ...... আমরাও তো ওই বাড়িতেই থাকি .... '
    ----- ' ও ... আচ্ছা .... তা, আরও কতদিন থাকবে ..... '
    বসন্তর মনে কি চলছিল কে জানে। গাঢ় স্বরে মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল ----- ' তুই বললেই বেরিয়ে আসতে পারি .... যেদিন বলবি ..... '
    মৌসুমী ভুরু কুঁচকে বলল, ' মানে ? '
    মানেটা আর জানা হল না। অনেকক্ষণ ধৈর্য ধরার পর গুল্টু এবার পিসীর হাত ধরে টানাটানি শুরু করল।
    ------ ' চ..ল না .... ভাল্লাগছে না ... চ..ল না ... '
    মৌসুমীকে টানতে টানতে নিয়ে চলল।
    বসন্তর কষিয়ে এক চড় মারতে ইচ্ছে হল ছোঁড়াটাকে।
    বসন্ত চুল কেটে বাড়ি ফিরে ঘরে ঢুকতে যাচ্ছে, হৃদয় বারান্দায় একটা চেয়ারে বসেছিল। বসন্তর দিকে না তাকিয়েই বলল, ' একটু বুঝেশুনে মেলামেশা করো বাবা ..... আমাদের শত্তুর কিন্তু অনেক ..... এটা বোঝ তো ? '
    ------ ' মানে ? '
    ------ ' মানে .... আর কিছু না ....আমি যখন সাইকেলে করে স্কুল রোড দিয়ে যাচ্ছিলাম তুমি ওই বসাক বাড়ির মেয়েটার সঙ্গে তখন মশগুল হয়ে ছিলে ..... তাই আমায় দেখতে পাওনি .... '
    ----- ' তাতে কি হল ? ও কি আমাদের শত্রু নাকি ? ' বসন্ত ঝটকা মেরে রুখে দাঁড়াল। মৌসুমী তার মনের নরম কোণ।
    ----- ' না .... তা না ....। বলছি যে আমাদের মাথার ওপর থেকে সব খাঁড়া কিন্তু সরে যায়নি। তাই মন খুলে এখনই কারো সঙ্গে কথা না বলাই ভাল ..... '
    বাবার এই উপপাদ্যও ছেলের একেবারেই মনঃপূত হল না।
    ' হুঁ : ' বলে গোত্তা মেরে ঘরে ঢুকে গেল বসন্ত।

    *********************

    সুরেশ কাবাসি আড়াই কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে পুবের পাড়ায় জঙ্গলের ধারে একটা একতলা দরকচা মারা বাড়ির সামনে এসে নামল। সাইকেলের দুটো ঘন্টি শুনে ঘরের দরজা খুলে লুঙ্গি পরা ষাটোর্ধ্ব এক প্রৌঢ় বললেন, ' এস সুরেশ ..... '
    ঘরে ঢুকে সুরেশ একটা ফাইবারের চেয়ারে বসল। লুঙ্গি পরা প্রৌঢ় তক্তাপোষে গিয়ে বসলেন পা গুটিয়ে।
    ---- ' বীরেনদা আপনার শরীর ঠিক আছে তো ?'
    ---- ' হ্যা ... আগের চেয়ে অনেক ভাল .... '
    ---- ' তা ভাল .....। গ্রামে যা চলছে তা তো মেনে নেওয়া যায় না। একটা জালিয়াত গেল তো আর একটা শয়তান ক্ষমতা দখল করতে চলেছে। হৃদয় মন্ডল তো ধোয়া তুলসীপাতা
    নয় .....'
    ---- ' না না ..... তুলসীপাতা তো নয়ই বরং অনন্তর চেয়ে আর এক কাঠি সরেস .... কিন্তু কতদিন আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে .... আমাদের আর কতটুকু ক্ষমতা .... আর গ্রামের লোক তো সব ভীতুর ডিম ..... মাঝখান থেকে জেলেপাড়ার লোকটা ফাঁসল ..... ' বীরেন ঘোষ আফশোস করে।
    ----- ' পরাণ বাগ্দী .... বলির পাঁঠা করা হল জবরদস্তি ..... পরশু লোয়ার কোর্টের রায় বেরিয়ে গেছে জানেন তো .... ' সুরেশ বলে।
    ----- ' হুঁ ..... জানি। জেনেই বা কি করব ? আমরা তো ঢাল নেই তরোয়াল নেই নিধিরাম সর্দার ..... কিই করতাম আমরা ..... একেবারে হাতেনাতে ধরল ওকে .... '
    এইসময়ে পাশের জঙ্গল থেকে একটা রোগা মতো শেয়াল বেরিয়ে এসে ঘরের সামনে উঠোনে দাঁড়িয়ে এদিক ওদিক দেখতে লাগল। খাবার খুঁজছে বোধহয়। সুরেশ
    ' আ..ই ...হ্যাট ... হ্যাট ... হুট ....' করতে লাগল।
    বীরেনবাবু বললেন, ' দাঁড়াও দাঁড়াও ..... তাড়িও না। ক্ষিধের জ্বালায় বেরিয়ে আসে ওরা.... '
    বীরেনবাবু ঘরের ভিতর ঢুকে গিয়ে দুটো রুটি নিয়ে এলেন। ছুঁড়ে দিলেন শীর্ণকায় শিয়ালটার দিকে। শিয়ালটা রুটি দুটো মুখে করে তাড়াতাড়ি জঙ্গলে ঢুকে গেল।
    ----- ' ওরা এরকম দু একটা রোজই আসে। ক্ষিধের জ্বালায় আর কি ..... হ্যা ..… যেটা বলছিলাম .... আমরা কিছুই করতে পারলাম না শেষ পর্যন্ত ..... ' বীরেনবাবু আবার তক্তাপোষে গিয়ে পা গুটিয়ে বসলেন।
    ----- ' ..... আসলে অর্গানাইজেশান তো একদম বসে গেছে। মামলা মোকদ্দমায় দৌড়ঝাঁপ করার মতো ছেলে কোথায় ? পাঁচবছর আগে হলে কি আর এসব মুখ বুজে সহ্য করতাম .... পরাণের উকিলটা খুবই ভাল ছিল, কিন্তু একেবারেই ছেলেমানুষ ..... '
    ----- ' হ্যা .... সেটাই মুশকিল .... অভিজ্ঞতা কম.... '
    ----- ' হাইকোর্টে কেস নিয়ে যাবে বলছে .... কিন্তু ওখানে গিয়েও কিই বা করতে পারবে .... এভিডেন্স এবং উইটনেস তো একই থাকবে ... '
    ----- ' হুঁ .... সেটাই তো সমস্যা .... কোন আশা তো দেখছি না .... ' সুরেশ দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
    ----- ' আমার সাধারণ বুদ্ধিতে বলে .... যে তিন চারজন আই উইটনেস ছিল ..... মানে, হৃদে আর তার ছেলেকে বাদ দিয়ে .... তাদের বয়ান যদি ঘোরান যায় ..... তাহলে কেসটা ঘুরতে পারে .... ' বীরেন ঘোষ জানান।
    ------- ' কিন্তু তারা বয়ান পাল্টাতে রাজি হবে কেন ? হৃদে শুধু তাদের পয়সাই খাওয়ায়নি, কোন না কোন কেসে ফাঁসিয়ে রেখে দিয়েছে। বয়ান পাল্টাতে গেলে তারা নিজেরাই গাড্ডায় পড়ে যাবে ..... '
    ------ ' সেটাই তো ..... তবে একটা ভাল ব্যাপার হল ..... এখন আমাদের থানার যে আই সি আছে সে খুব অনেস্ট লোক ..... আগের লোকটার মতো নয় ...... ও: সেটা একটা চিজ ছিল বটে ..... ' বীরেন বাবু একটা বিড়ি ধরান।
    বলতে থাকেন ---- ' ...... আমি অবশ্য অলোক, নিশীথ, সজল আর রবিকে খবর পাঠাব ভাবছি ..... '
    ----- ' কি জন্য ? '
    ----- ' না ..... ওই পরাণকে যারা বাগানে ধরেছিল তাদের যদি কোনোভাবে ইনফ্লুয়েন্স করা যায় .... এটাই তো একমাত্র উপায় ... পরাণের প্রাণ বাঁচানোর .... আর কি আছে ?
    ----- ' দেখুন বীরেনদা ..... কিছু যদি করতে পারেন। অলোকরা কি এখনও সমিতির কাজ করে ?'
    ----- ' হ্যা .... করে। ওরা চারজন করে এখনও। '
    ----- ' হুমম্ ..... '
    ----- ' অনন্তর বাড়ির একটু পাশে যে পুকুরটা আছে সেটা কিন্তু কম বড় নয়। সাঁতরে তিনবারের বেশি এপার ওপার করতে পারবা না। '
    ------ ' হ্যা .... সে তো বটেই। ওটার চেয়ে বড় পুকুর আমাদের গ্রামে আর একটাই আছে ..... ওই ..... নোনাডাঙার পুকুর ...' সুরেশ সায় দেয়।
    ----- ' পুকুরটা হৃদয় লিজ নিয়ে নিল অনন্তর খুন হবার সঙ্গে সঙ্গেই .... টাকা যেন রেডি ছিল।'
    ----- ' ওর মতো লোকের কাছে টাকা থাকবে না তাই কখনও হয় ? যতই ভাইয়ের চাকর হয়ে থাকুক.... নানারকম দুনম্বরী কারবারে ওর তো যোগসাজশ ছিলই .....'
    ----- ' সে তো নিশ্চয়ই .... ' সুরেশ বলে।
    ---- ' কিন্তু কথা সেটা না, কথা হল .….. এত তড়িঘড়ি সে পুকুরটা লিজ নিতে গেল কেন ?'
    ----- ' মাছ ছাড়বে ভেবেছিল হয়ত ....... '
    ----- ' কিন্তু তা তো ছাড়েনি। তবে চারদিকে বাগানের মতো করে সাজিয়েছে .... দেখতে বেশ ভাল হয়েছে ..... এখন পুকুরটার গভীর জলে কোন মাছ ঘুমোচ্ছে কিনা কে বলে দেবে ?
    সুরেশ হাঁ করে বলে, ' মানে ? '
    ------ ' আরে .... মানেটা জানা থাকলে কি আর এত প্রশ্ন করতাম ? ' বীরেন বাবু তক্তাপোষ থেকে নেমে পড়েন। তার বোধহয় চান করতে যাবার সময় হয়েছে।
    ------ ' হুমম্ .... ' সুরেশ কি সব চিন্তা করতে থাকে।

    **********
    দুপুর বারোটা পঁয়ত্রিশে দেবমাল্য সরকার কলতান গুপ্তের বাড়ির দরজার কলিং বেলে চাপ দিল। দরজা খুলে দাঁড়াল কলতান।

    ( ক্রমশঃ )
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Mousumi Banerjee | ১৪ জুন ২০২২ ২২:২০509009
  • টানটান লেখা। পরের পর্বের জন্য আশা করি অপেক্ষা বেশী করতে হবে না।
  • Anjan Banerjee | ১৫ জুন ২০২২ ০৮:৩৪509014
  • দিয়ে দিয়েছি
  • বিপ্লব রহমান | ১৯ জুন ২০২২ ২১:১৪509177
  • "দরজা খুলে দাঁড়াল কলতান।"... ড্রামা, ইনার ড্রামা, ড্রামা বিহাইন্ড ড্রামা শুরু। পড়ছি...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন