ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • শান্তনীড় রহস্য - ১৩ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ২৪৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রাত পৌনে নটা বাজে । কলতান সোলাঙ্কি প্রণবেশের ফ্ল্যাটের দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াল। 
    প্রণবেশ দরজা খুলে কলতানকে দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। 
    কলতান হেসে বলল , ' সময় কাটছে না একা একা ..... তাই একটু এলাম । ওই মার্ডার কেসটার ব্যাপারে আমি মাঝে মাঝে এখানে আসি । আজকে রাতটা এখানেই থাকব ।'
    ----- ' ও আচ্ছা আচ্ছা ..... আসুন আসুন । আপনি তো কলতান গুপ্ত, না ? আপনার নাম শুনেছি ..... '
    ------ ' আচ্ছা আচ্ছা ..... আমার সৌভাগ্য ....'
     সোলাঙ্কি অস্বস্তি বোধ করতে লাগল । ভাবল, মিস্টার গুপ্ত এই সময়ে না আসলেই পারতেন। প্রণবেশ রয়েছে এখন । প্রণবেশকে সে জড়াতে চায় না ব্যাপারটায় । তবে তার বিশ্বাস আছে কলতান তাকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলবে না ।
    তান ভিতরের ঘরে স্কুলের হোম ওয়ার্ক করছে। 
    সোলাঙ্কি স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করতে লাগল।
    ------ ' চা খাবেন তো মিস্টার গুপ্ত ? '
    ------ ' না না ..... এখন আর চা খাব না । একগ্লাস ঠান্ডা জল দিন বরং । যা গরম পড়েছে..... '
    ----- ' আচ্ছা .... '
    সোলাঙ্কি ভিতরে গেল জল আনতে । কলতান বলল  'জায়গাটা কেমন লাগছে ? একটা মিসহ্যাপ তো হয়ে গেল ..... '
    ----- ' হ্যা ..... সেটাই । আদারওয়াইজ আমার তো জায়গাটা বেশ ভালই লাগছে । দুটো সাইডে বেশ গ্রীনারি আছে । দারুন লাগে ।' প্রণবেশ বলে ।
    ------ ' ঠিক ঠিক ..... বেশ সুদিঙ অ্যটমসফিয়ার..... খুব ভাল ..... শুধু ওই মার্ডারের ঝামেলাটা হয়েই .... আপনাদের রেজিস্ট্রেশান অ্যন্ড আদার ফর্ম্যালিটিস সব কমপ্লিট হয়ে গেছে তো ? '
    ----- ' হ্যা লাকিলি হয়ে গেছে ওসব। নাহলে হ্যাজার্ড ফেস করতে হতো  .... বিল্ডার এক্সপায়ার করে গেছে ..... মুশকিল হয়ে যেত ।'
    সোলাঙ্কি প্লেটে করে দুটো মালাই চমচম আর এক গ্লাস জল নিয়ে এসে ঢুকল । 
    কলতান সলজ্জভাবে বলল, ' আরে এসব আবার কেন ? এটা জানলে তো জল চাইতাম না .... হাঃ হাঃ হাঃ' 
    ----- ' আরে না না সামান্য ব্যাপার ..... খেয়ে নিন....' প্রণবেশ স্বাভাবিক সৌজন্যতা দেখায় ।
    কলতান বিশেষ সময় নষ্ট না করে মিষ্টির প্লেটটা তুলে নিল । মালাই চমচম তার খুব প্রিয় 
    মিষ্টি। 
    ------ ' আপনি তো মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ , না ? '
    ------ ' হ্যা... আপনি জানলেন কি করে ? '
    ------ ' না ... নীচের অফিস থেকে শুনলাম ।'
    ----- ' ও আচ্ছা .... ভারত ফার্মাসিউটিক্যালে আছি । '
    ------ ' আচ্ছা  আচ্ছা .... আপনারা মশাই প্রায় ডাক্তার ..... আমি তো তাই মনে করি .... ' 
    ----- ' হাঃ হাঃ হাঃ ..... কি যে বলেন .... '  
    ------ ' না না সত্যি বলছি .... কত ওষুধের নাম যে আপনারা জানেন ..... ' 
    কলতান একটা মিষ্টি খেয়ে গ্লাসের জলটা খেয়ে নিল । 
    ঘরে চন্দনকাঠের গন্ধটা এখন পাওয়া যাচ্ছে না। কাঠটা বোধহয় কোন বাক্সের ভিতর রেখে দিয়েছে ।
    কলতান হঠাৎ বলল , ' টেবল-এ অনেকরকম ওষুধপত্র দেখছি । আপনারা বোধহয় অনেক ওষুধ খান । '
    ------ ' ওগুলো সবই আমার ওষুধ । আমার নার্ভের , বলতে পারেন সাইকোলজিক্যাল কিছু প্রবলেম আছে । তাছাড়া .... এটা আপনাকে বলেই বলছি .... আয়্যাম এ সমন্যামবুলিস্ট ।'
    ----- ' আই সি ..... সমন্যামবুলিস্ট মানে ঘুমের ঘোরে হাঁটা ? 
    ----- ' হ্যা । এগুলো আমার ওয়াইফ ছাড়া আর কেউ জানে না । ' প্রণবেশ বলল ।
    ------ ' আচ্ছা .... আচ্ছা । আর সাইকোলজিক্যাল কি প্রবলেম আছে ? মানে, যদি বলতে অসুবিধে না থাকে .....
    ----- ' না না .... আপনাকে বলতে কোন অসুবিধে নেই ..... আপনাকে দেখে আমার কেমন একটা অরা হচ্ছে , মনে হচ্ছে সব বলা যায় একে । এটা কখনও কখনও হয় আমার । কেন হয় এক্সপ্লেন করতে পারব না । এটাও পার্ট অফ মাই সাইকোলজিক্যাল এইলমেন্ট .....' 
    কলতান কোন কথা না বলে প্রণবেশ মুখার্জীর  মুখের দিকে তাকিয়ে বসে রইল ।
     ------ ' ব্যাপারটা অবশ্য নিয়মিতভাবে ঘটে না । সপ্তাহে হয়ত একদিন  ...... লাস্ট হয়েছিল বোধহয় আগের বুধবার .... '
    ---- ' ব্যাপারটা মানে, কোন ব্যাপারটা ? '
    ---- ' ওই সমন্যামবুলিজমের ব্যাপারটা .... ' 
    কলতান চুপ করে রইল । সোলাঙ্কি ভিতরের ঘরে কি করছে । বোধহয় ছেলেকে  হোমওয়ার্কে সাহায্য করছে । প্রণবেশ আবার বলল, ' শুধু রাত্রে হয় বুঝলেন ..... দিনে নয় । ওই সময়ে কিছু করলে মনে থাকে না ।  আসলে আমি যখন ..... '  
    প্রণবেশ কি একটা বলতে যাচ্ছিল । এই সময়ে সোলাঙ্কি তড়িঘড়ি ঘরে ঢুকে বলল, ' স্কুলের হোমওয়ার্কের ঠেলায় অস্থির । সবকিছু বাড়ি থেকে করে নিয়ে এস । প্রান যায় ..... আরে বাবা সবই যদি গার্জেনরা করে দেবে তা'লে তোরা কি করলি ..... ' 
    কলতান পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারল  ভিতর থেকে কিছু শুনতে পেয়ে সোলাঙ্কি ছুটে এসে  প্রণবেশের কথাটা চাপা দিল । ভিতর থেকে কান পেতে কথা শুনছিল  কিনা কে জানে ।
    কলতানও কথাটা ঘুরিয়ে নিল । সে সোলাঙ্কিকে চমকে দিয়ে প্রণবেশকে জিজ্ঞাসা করল ---- ' সামনের ওই ডি ফোর -এর ভদ্রলোকের সঙ্গে আলাপ হয়েছে ? '
    ----- ' রাস্তায় একদিন আমার সঙ্গে কথা বলল নিজে থেকেই । কিসব চেন সিস্টেমে বিজনেসের কথা বলছিল । ভালভাবে শোনা হয়নি। বয়েস বেশি না...... এ..ই ছাব্বিশ সাতাশ হবে .....  ভালই তো মনে হল ।'
    সোলাঙ্কি বলে উঠল , ' তুমি একদিন দেখেই বুঝে গেলে ওমনি ..... ভাল কি খারাপ .... ওই জন্যই  তো ওরকম হয় ..... '
    ------ ' কি আবার হয় ? কি সব বলছ ..... তোমার এই লোককে সন্দেহ করার অভ্যেসটা
    ছাড় তো ..... '
    ----- ' হুঁ .... তাই তো ! মনে নেই , ওই যে সেবার এসপ্ল্যানেডে....... ' 
    সোলাঙ্কি খুব সম্ভবতঃ পুরনো কোন ঘটনার উল্লেখ করতে যাচ্ছিল । কলতান এর মধ্যে থাকতে চাইল না । বলল, ' আপনাদের অনেকটা সময় নষ্ট করে দিলাম । সরি .... আজ আমি উঠি । আবার পরে হয়ত আসতে পারি আপনাদের বিরক্ত করতে , যদি কিছু মনে না করেন । '
    ------ ' কি যে বলেন ..... সময় পেলেই আসবেন। আপনাকে দেখলে কেমন ভরসা জাগে মনে । হ্যা , ভাল কথা... কোথায় থাকবেন আজ ? '
    ------ ' দেখি ..... এখানে অফিসরুমে থেকে যাব ভাবছি .... কিংবা থানায়ও চলে যেতে পারি। রুটি তড়কা আনতে বলে দিয়েছি .... ওখানেই
    খেয়ে নেব ।  আসছি ..... '

       নীচে নেমে কুলচাকে একটা ফোন করল ----- ' কুলচা শোন ....আমি সোদপুরে আছি । আজ রাত্রে এখানেই থাকব । মাকে জানিয়ে দিয়েছি । ব্যাপার হচ্ছে, আমার কাছে তো এখন ল্যাপটপ নেই .... তোকে একটা কাজ করতে হবে .... '
    ----- ' বল .... বল '
    ----- ' গুগল সার্চ করে সমন্যামবুলিসম সম্বন্ধে যা ইনফর্মেশান পাস আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে টেক্সট কর, এক ঘন্টার মধ্যে ।'
    ------ ' ওকে ওকে .... দেখছি ।'

     অফিসঘরের সামনে দাঁড়িয়ে গেটের পাশে প্রকাশদের খুপরির দিকে তাকিয়ে রইল। ঘরের বাইরে একটা খাটিয়ায় প্রকাশ চিৎ হয়ে শুয়ে আছে। তার বৌ আর ছেলেও খাটিয়ার একপাশে বসে আছে। গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত । তাই বোধহয় সব বাইরে । এই ভাঙা খাটিয়াটাই তাদের একমাত্র আসবাব । ঈশানের কথা জিজ্ঞাসা করাতে প্রকাশের বৌ উমা সেদিন যেভাবে ভীত চকিত ছুট লাগাল এবং তারপর ছোট ছেলেটা হঠাৎ কাঁদতে লাগল ...... তাতে স্বাভাবিক ধারণা আসে যে ঈশানলাল নামটার সঙ্গে এদের কোন ট্রমা বা সাঙ্ঘাতিক ভয়ের অনুভূতি জড়িয়ে আছে ।  সেটা কি জানতে পারলে কাজটা অনেকটা এগিয়ে যেত। সে পায়চারি করার ভঙ্গীতে ওদের খাটিয়ার দিকে এগিয়ে গেল ।
    কলতানকে ওখানে হাজির হতে দেখে প্রকাশ ধড়মড় করে উঠে দাঁড়িয়ে পড়ল । 
    ------ ' আসুন বাবু .... আপনি এখানে ?'
    উমা তার দিকে সন্দেহভরা দৃষ্টিতে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। 
    ----- ' আরে .... তোমরা বস বস .... উঠে পড়লে কেন ? ' কলতান অন্তরঙ্গ গলায় বলে । বলে নিজে খাটিয়ায় বসে পড়ল । প্রকাশ উমারা কিন্তু দাঁড়িয়েই থাকল । নীলেশ বসে পড়ল হঠাৎ কলতানের সঙ্গে গা লাগিয়ে। কলতান সেদিন তার মাথায় বুলিয়ে দেওয়ার প্রভাবে বোধহয় তার শিশুমনে একটা ভীতি প্রশমনকারি অনুকূল প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে । তার অবচেতনে  কলতানের ওপর এই মানসিক নির্ভরতার অনুভব থেকে সে আচমকা বলে বসল ,  ' বাবুজি উও গহেরা রাতকো আতে থে ...... বহুৎ খতরনাক ..... মামিকো বুলাতে থে ..... মুঝে বহুৎ ডর লাগতে থে ......বাবুজি .....' বলে নিজের অজান্তেই কলতানের ডান বাহু আঁকড়ে ধরল। 
    কলতান তাড়াতাড়ি জিজ্ঞাসা করল , ' কৌন ....কৌন .... কৌন আয়া করতে থে .... বোল বাবু .... কই ডর নেহি ..... মুঝপর ভরসা কর ..... '
    নীলেশের শিশুমন নিজের অজান্তেই কলতানের 
    নির্ভরযোগ্যতার কাছে সমর্পণ করে বসেছে ।
    উমেশ এবং প্রকাশ তাদের ছেলের কথায় বাধা দানে উদ্যোগী হবার আগেই সে ফস করে বলে বসল ' উও .... ঈশানলালজি .... '
        ( পরের পর্বে সমাপ্য )
    ************************************************************************************

     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ০৫ মে ২০২২ ১৫:১২507257
  • শাবাশ বেটা! 
    আচ্ছা, খুনের রাত্রি বুধবার ছিল? 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন