ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব  মোচ্ছব

  • IISER: গবেষকের আত্মহত্যা ও আমাদের প্রতিক্রিয়া

    Abhyu
    বাকিসব | মোচ্ছব | ০৯ এপ্রিল ২০২২ | ২১৭৬ বার পঠিত
  • ভাটিয়া৯ থেকে কিছু কপি পেস্ট। গুরুচণ্ডা৯র কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব এই বিষয়টা নিয়ে কিছু পাবলিশ করতে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Somnath Roy | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:১০736253
  • আমার কথা হচ্ছে, এই বেশিক্ষণ বসে থাকা বা বসিয়ে দেওয়া নিশ্চয়ই কাজ দেয়। ওভার অল গ্রুপের পার্ফরম্যান্স এর জন্যে খারাপ হতে পারে না। নইলে ম্যানেজারের ম্যানেজার তো বলতই, এই মডেলটা চলবে না। 
  • Amit | 45.115.48.2 | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:১৩736254
  • এই যে স্টেটমেন্ট টা -"ওভার ওয়ার্ক মানে অতিরিক্ত সময় ল্যাবে থাকা ,আমার অবজার্ভেশনে সেটা নিশ্চিত করে যে কিছুটা হলেও কাজ হচ্ছে। ল্যাবে যে কম থাকে তাকে নিয়ে এই শিওরিটী কম।" এটা কিন্তু পুরোটাই প্রেজুডিসড। মানে কারোর কাজের কোয়ালিটি দেখার আগেই তার থাকার টাইমিং দেখেই একটা প্রিকনসিভড আইডিয়া ধরে নেওয়া হচ্ছে। সেটাকে কিভাবে ফেয়ার জাজমেন্ট বলা যায় ? 
     
    মানে বেশি সময় থাকলেই যদি বেশি ভালো কাজ হয় তাহলে তো ল্যাবে বা অফিসে তাঁবু খাটিয়ে ২৪ ঘন্টা থাকলে গুচ্ছ গুচ্ছ আইনস্টাইন বা এডিসন হয়ে যেত এদ্দিনে। 
  • Amit | 45.115.48.2 | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:১৭736255
  • ম্যানেজারের ম্যানেজার  এই জন্যই বলেনা কারণ কোনো অফিসের বা রিসার্চ এর কাজেই  ওভারটাইম নেই। যদি আজকে ২০০ % ওভারটাইম লোডিং হয় আর কয়েক মিলিয়ন ডলার ওভারটাইম ইনভয়েস আসে প্রতি মাসে - তখন দেখা যেত কত কার বসিয়ে বসিয়ে কাজ করানোর দরকার। 
  • Somnath Roy | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:১৮736256
  • প্রিকনসিভড নোশন তো থাকবেই। আমি যদি জাজ হই, আমি আমার প্রিকন্সিভড নোশন ফেলে ততক্ষণ জাজ করব না, যতক্ষণ না দেখব যে তাতে ফল খারাপ হচ্ছে। আর আমার ল্যাবে আইনস্টাইন এডিসন হবে এই আশাও খামোখা করব না। একটা ছেলে/মেয়ে বছরে একটা পেপার করলেই অনেক। আমার বসও সেটুকুতেই খুশি। বেশিক্ষণ ল্যাবে থেকে আমি বড় হয়েছি, তাতে ঐ মেট্রিকটা নিশ্চিত হয়েছে। আমি আমার ল্যাবে খামোখা অন্য কিছু করব বা করাবো কেন, সেটাই বুঝছি না।
    আনলেস, ওপর থেকে চাপ আসে।
  • Somnath Roy | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:২০736257
  • ওভারটাইম নেই বলেই তো হচ্ছে। কিন্তু বড় কথা হচ্ছে যে এতে পার্ফ্রম্যান্স খারাপ হয়তে যাচ্ছে এরকমও না। তাহলে নিশ্চ্যই ম্যানেজারের ম্যানেজার বলত, অতক্ষণ ল্যাবে বসিয়ে রাখা ঠিক না। ওয়ার্ক আওয়ার ছোট করাও।
  • Amit | 45.115.48.2 | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:২৪736258
  • এইটার জন্যেই প্রসেস সিমপ্লিফিকেশন এর উদা টা দিয়েছিলাম ওপরে।  একটা কাজ গাঁতিয়ে করাটাই এনাফ নয় , ওভার দা টাইম সেটাকে কিভাবে আরো সহজে বা আরো বেটার করা যায় সেটাও একটা ইম্পরট্যান্ট বিজনেস স্টেপ। এটাই ইন্ডিয়াতে বা ইন্ডিয়ান দের মধ্যে খুব কম দেখেছি যেটুকু আমার পার্সোনাল অভিজ্ঞতা। 
     
    যাকগে - যেটা সুকি বললো- এসবে অবসোলুট রুল বলে কিছু নেই। যার যা ভালো লাগে। তবে একজনের ভালো লাগা যখন অন্যের কয়েকজনের লাইফ কে বাজেভাবে এফেক্ট করে সেটা সমস্যার। আর যেখানে পাওয়ার ইমব্যালেন্স বেশি সেখানে এগুলোর এক্সপ্লয়টেশন ও বেশি। 
  • dc | 171.60.203.142 | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:৩৪736259
  • "সমস্য হলো যখন তিনি এক্সপেক্ট করেন এবং জোর খাটাতে থাকেন যে তার ল্যাবের বা অফিসের সবাই একইরকম ভাবে ১৮ ঘন্টা ওখানেই পড়ে থাকবে  ওঁনার মতো বাকি দুনিয়া ছেড়ে- না থাকলেই রেটিং কম। এবার সবার ফ্রিকোয়েন্সি বা ওয়ার্ক লাইফ ব্যালান্স বা প্রায়োরিটি ম্যাচ হতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। "
     
    "ইন্ডিয়াতে থাকার সময়ে দেখেছি এই বেসিক এপ্রোচ টাই কম। স্টেপস কমানো তো দূরের কথা ,  আরো দুএকখান জুড়ে দিয়ে সব ম্যানেজার গুলো ভাবে খুব ভ্যালু এডিসন করে দিয়েছি"
     
    অমিতের এই দুটো কমেন্টের সাথেই পুরোপুরি একমত। আমার মনে হয় বহু ম্যানেজার নিজেরা ইনসিকিউরিটিতে ভোগে, ফলে মাইক্রো ম্যানেজ করতে চায়। ভালো ম্যানেজার হতে হলে ডেলিগেশান জানতে হয়, যেটা প্রায় একটা আর্ট। আমি অনেক বাজে ম্যানেজারও দেখছি, তবে দুয়েকটা ভালো ম্যানেজারও দেখেছি। আমার সৌভাগ্য যে প্রথমদিকে একজন ভালো ম্যানেজারের আন্ডারে কাজ করেছিলাম, যার থেকে শুধু অফিসের না, জীবনের অনেক লাইফ লেসন শিখতে পেরেছিলাম। আবার আমি নিজে যখন টিম ম্যানেজ করেছি তাদের পুরো স্বাধীনতা দিয়েছি নিজের মতো কাজ করার। তাদের মধ্যে একজন অন্য কোম্পানিতে চাকরি নিয়ে চলে গেছিল, একদিন হঠাত আমায় ফোন করেছে। বলে আমি এখন ইউকেতে, হঠাত তোমার কথা মনে পড়লো, আমাদের টিমের কথা মনে পড়লো। তারপর খানিক আড্ডা মারলাম। সেদিন আমার খুব ভালো লেগেছিল। 
  • dc | 171.60.203.142 | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:৩৬736260
  • আর ইন্ডিয়ার ম্যানেজমেন্ট কালচার, বা ইন জেনারাল অর্গ কালচার কহতব্য না। যতো কম বলা যায় ততো ভালো। 
  • Amit | 45.115.48.2 | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১২:৫০736261
  • অবসোলুটলি। ডেলিগেশন একটা আর্ট। রীতিমতো শিখতে হয়। ঠিকঠাক করলে মাইক্রোম্যানেজ করার দরকারই পড়েনা।এই স্কিল টাই বেশির ভাগ ইন্ডিয়ান ম্যানেজার দের নেই- তাই সবকিছু মিনিট বাই মিনিট ডিটেলস চায়। 
     
    আরো আমার যা এক্সপেরিয়েন্স বেশির ভাগ ইন্ডিয়ান ম্যানেজার গুলো হাইলি পেড পোস্টবক্স ছাড়া কিস্যু নয়। জাস্ট ওপর থেকে নিচে আর নিচের থেকে ওপরে মেসেজ চালাচালি করে বেড়ায় রোজ। যেখানে একটা প্রপার টেকনিকাল বা মানাজেরিয়াল ডিসিশন নিতে হয় কুইকলি  - সেখানে জাস্ট ভ্যানিশ করে যায় দরকারের সময়। টিকিও খুঁজে পাওয়া যায়না। 
  • S | 2405:8100:8000:5ca1::2ab:95a | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১৩:০৯736262
  • যদিও আসল টপিকের বাইরে। আসলে ইন্ডিয়াতে কর্পোরেট জিনিসটাই এখনও সেভাবে তৈরী হয়নি। বেশিরভাগ কোম্পানিই এখনও আসলে একটা ফ্যামিলি, বা একজন লোক, বা কয়েকজন লোকের মালিকাধীন। শুধু পাব্লিকের ক্যাপিটালে ব্যবসা চালানোর জন্য আর দায়ভার কমানোর জন্য পিএলসি, এলেলসি হয়েছে। এবং তারাই বসে আছে চেয়ারম্যান, সিইও, সিওও হয়ে। (যেটা সিলিকন ভ্যালিতেও অনেকটা রয়েছে।) কিন্তু আমাদের দেশে আরেকটা ফ্যাক্টর আছে, সেটা এখানে লেখা যাবেনা। ফলে বস-সাবর্ডিনেট না হয়ে আসলে মালিক-চাকরের রিলেশানশীপ তৈরী হয়েছে। লালা কালচারের ছড়াছড়ি। আর সেটা পুরো দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ঔনারশীপ স্ট্রাক্চার চেন্জ না হলে এই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ সেক্ষেত্রে সিইও নিজেও এমপ্লয়ি হবে। দেশের কোম্পানিগুলোতে যেহেতু মূলত জেনরিক কাজকর্ম চলে আর প্রচুর এলিজিবল অ্যাভেইলবল রিসোর্স, তাই যাখুশি ভাবে ট্রীট করা যায়। আইটিতে তারপরেও ব্যাপারটা অনেক কম যেহেতু প্রচুর গ্রোথ, তাই প্রচুর নতুন রিসোর্স দরকার। তাছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ক্লায়েন্ট বেস ইত্যাদি। তাই কিছুটা হলেও বেটার ট্রীটমেন্ট পায় এমপ্লয়িরা।
  • dc | 171.60.203.142 | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১৩:১৫736263
  • S এর সাথে পুরোপুরি একমত। ইন্ডিয়াতে কর্পোরেট কালচার এক ফোঁটাও তৈরি হয় নি। এমনকি বেশীর ভাগ জায়গায় বসকে স্যার বলে সম্বোধন করার রীতি, যেটা শুনলে গা জ্বলে যায়। তার ওপর কাস্ট সিস্টেম তো আছেই। আর ইন্ডিয়ানরা এমনিতেই জি হুজুর কালচারে অভ্যস্ত, ফলে ঐ মালিক-চাকর রিলেশানের ছড়াছড়ি। 
  • PM | 114.134.91.234 | ১১ এপ্রিল ২০২২ ১৪:০৪736264
  •  
    আমার  এক বন্ধু  এনসিএল ছাড়তে বাধ্য হয় গাইড এর জ্বালায় ।পরে আইআইটি খড়্গপুর থেকে  পিএইচডি  শেষ করে 
     
    আমার আরেক  বন্ধু আর তার ওয়াইফ দুজনেই  আইসার এর অধ্যাপক ।ব্যক্তি জীবনে তারা অসাধারণ ভালো  ।অত্যন্ত  ছাত্রদরদী ও . কিন্তু মানে হয় বেশ কড়া কাজের বেপারে . আরকেএম ব্যাকগ্রাউন্ডহলে  যা হয় :) . চিন্তায় আছি ওদের জন্য .
     
    শুভদীপের জন্য খুবই খারাপ লাগছে 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন