ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গোলকিপার - ২

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ ডিসেম্বর ২০২১ | ৩৩০ বার পঠিত
  • সত্যেন প্রামাণিক ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া-য় চাকরি করেন। হাওড়ায় অফিস। অফিস যাওয়া তো দূরের কথা তার নাওয়া খাওয়া মাথায় উঠেছে। নিতুর মা দিবারাত্র কেঁদে কেঁদে চোখ ফুলিয়ে ফেলেছে। কুচুটে প্রতিবেশীরা বেশ মজা পাচ্ছে। এইসব মজার অপেক্ষায় বছরভর বসে থাকে তারা। সন্ধের দিকে গলির মুখে অসীম মান্নার সঙ্গে দেখা হয়ে গেল। বলল, ‘এই যে সত্যেনবাবু .... আপনাকেই খুঁজছিলাম। শুনলাম, নিত্যানন্দ নাকি স্কুল থেকে বাড়ি ফেরেনি ....’, বলে যেন কিছুই জানে না এইভাবে সত্যেনের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।

    — ‘হ্যাঁ .... খুব চিন্তায় আছি। হঠাৎ কোথায় যে গেল .... কি যে করি ....’, সত্যেনবাবু কাঁচুমাচু মুখে জবাব দেন। অপরাধির সুরে জবাবদিহি করেন।

    অসীম মান্নার কিন্তু বিশেষ কোন সমব্যথী মনোভাবের উদ্রেক হতে দেখা গেল না। তিনি শুকনো সুরে বললেন, ‘আর.... এইসব ফাঁকিবাজ ছেলেপুলে নিয়ে বিরাট সমস্যা। পড়াশোনায় মন নেই, রাতদিন শুধু খেলে বেড়ানো ..... কি আর বলব ..... গাধা পিটিয়ে কি আর ঘোড়া হয়!’

    তিনি এমনভাবে বলতে লাগলেন যেন নিতুর বিদ্যার্জন সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা যেন তার ঘাড়েই চাপানো আছে। সমস্যাটা যেন তারই।

    তারপরে শ্রুতিযোগ্য স্বরে স্বগতোক্তি করলেন, ‘রক্তের ধারায় না থাকলে কি আর কিছু হয় .... আমড়া গাছে কি আর আম ফলে .... হুঁ: ... ’, বলে অসীমবাবু সরে গেলেন আস্তে আস্তে। সত্যেন প্রামাণিক যে খুব নীরিহ লোক তা নয়। কিন্তু এ মুহুর্তে তিনি এসব বোঝাপড়া করার অবস্থায় নেই। নিতুর মাকে সামলাতে হচ্ছে ছেলে সম্পর্কে নানারকম মনগড়া নিশ্চিতির আভাস দিয়ে। একটা দারুন সঙ্কটপূর্ণ রাত কোনরকমে কেটে গেল।

    নিতুর বন্ধুগুলো নিতুর হিতৈষী বটে তবে একেবারেই অপরিণতমনস্ক। নিতুর ব্যাপারে খবর দিতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে এমন অসংলগ্ন তথ্য পরিবেশন করেছে যে নিত্যানন্দের মা বাবা গভীর ধোঁয়াশার অন্ধকারে ডুবে আছেন। নিতুর কঠোর প্রকৃতির বাবা অকস্মাৎ বর্ষাকালের ভিজে মাটির মতো হয়ে গেছেন। কে আর জানত যে তার মনের তলায় এমন ভিজে জমি ছিল।

    সে যাই হোক, রাত পুইয়ে সকাল হয়ে গেল। এখন আর চুপচাপ বসে থাকা যায় না। থানায় মিসিং ডায়েরি করা থেকে খবরের কাগজে হারানো প্রাপ্তি নিরুদ্দেশ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন দেওয়া সব কাজই চটপট করে ফেলার দরকার। বসে থাকলে চলে না। প্রামাণিক দম্পতি সম্ভাব্য সব আত্মীয় পরিজনের আস্তানায় ফোন লাগিয়েছেন, কিন্তু অতিরিক্ত উদ্বেগ এবং উত্তেজনায় যা হয়, তারা আমতায় সাত্যকির মাসির বাড়িতে যোগাযোগ করতে ভুলে গেলেন। নিতুর গন্তব্য হিসেবে ওই জায়গাটা তাদের মাথাতেই এল না। এত কান্ডের মধ্যে অসীম মান্নার ‘রক্তের ধারা..... আমড়া গাছে কি আর আম ফলে’ - সত্যেন প্রামাণিকের বুকের ভিতর জ্বালাময় কাঁটা জাগিয়ে রাখল।

    সত্যেনবাবু নিজে যে খুব উঁচুমানের ছাত্র ছিলেন তা নয়, তবে ফেল করে কখনও কোন ক্লাসে আটকে থাকেন নি। তিনি প্রতি নিয়ত চিন্তা করেন ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে। নিতুর কেন যে এরকম হচ্ছে তিনি কিছুতেই বুঝতে পারেন না। শান্তিময় ব্যানার্জি নিতুকে বাড়িতে এসে পড়ান। মোটামুটি সব সাবজেক্টই দেখেন তিনি। শান্তিময়বাবু তো কখনও নিতুর সম্বন্ধে হতাশাব্যঞ্জক কিছু বলেন নি কোনদিন। তাছাড়া শান্তিময়বাবু নিতুর খেলাধুলো নিয়ে খুব উৎসাহী। তিনি বলেন, ‘খেলাধুলো হল পড়াশুনোর মতোই ইমপর্ট্যান্ট জিনিস। ঠিকমতো খেলাধুলো করলে দেহের কোষগুলো সজীব এবং জাগ্রত থাকে।’

    সত্যেন প্রামাণিকের কাছে এসব কথা অবান্তর এবং অর্থহীন মনে হয়। কোনরকমে মাধ্যমিকটা পাশ করতে পারলে এফসিআই-তে ক্লাস ফোর ক্যাডারে ঢুকিয়ে দেওয়ার চিন্তা করেন তিনি গুরুত্ব দিয়ে। ইউনিয়নের দাদাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রেখেছেন শুধু এই উদ্দেশ্যেই। কিন্তু এখন তার মনে হচ্ছে সবই অন্ধকার এবং এক গভীর শূন্য। এই কঠিন দুনিয়ায় ছেলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় তার রাত্রে ঘুম হয় না। অন্তত মাধ্যমিকটা পাস না করলে তিনি কাকে কি বলবেন! দুপুরবেলায় অফিসের চেয়ারে বসে ঘুমে ঢুলতে থাকেন। সহকর্মীরা প্রশ্ন করে, ‘দাদার কি শরীর খারাপ নাকি? সুগারটা একবার চেক করিয়ে নিন না।’

    সকাল দশটা নাগাদ অরুনাভ এসে হাজির। নিতুর মা তাকে খবর দিয়েছে। সে সব শুনে বলল, ‘থানায় তো অবশ্যই ডায়েরি করাতে হবে। কালকেই এটা করা উচিৎ ছিল। তাছাড়া কাগজে একটা ক্ল্যাসিফায়েড অ্যাডও দিতে হবে, তুই ফিরে আয় ..... তোকে আমরা কিচ্ছু বলব না, মা মৃত্যুশয্যায় এধরণের কিছু লিখে। আর একটা কথা হল, নিতুর বন্ধুগুলো যখন খবর দিতে এল তখনই ওদেরই চেপে ধরা উচিৎ ছিল। ওরা নিশ্চিতভাবে সব জানে।’

    নিতুর মা বাবা চুপ করে রইল। সত্যেনবাবু একবার বললেন, ‘মাথার ঠিক ছিল না .... তাছাড়া ওরা পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারছিল না ....’

    নিতুর মা অস্ফুটে বললেন, ‘হুঁ ...’।

    অরুনাভ বলল, ‘বলতে পারছিল না, না বলতে চাইছিল না সেটাই হল আসল কথা। যাকগে, আর সময় নষ্ট করা যাবে না। থানায় যেতে হবে। অপহরণ টপহরণের কেস হলে তো আর এক বিশাল হ্যাপা ....’, অরুনাভকে চিন্তিত দেখায়। নিতুর মা বললেন, ‘ওসব তো বড়লোকের ছেলেদের করে বলে শুনেছি মোটা টাকা আদায় করার জন্য। আমরা ছাপোষা লোক .... আমাদের কেন ওসব হবে ....’।
    — ‘বলা যায় না কিছু .... কতরকম হচ্ছে সব .... সে যাক, নিতুর একটা ছবি লাগবে ... থানায় চাইবে .... বন্ধুদের বাড়ি অ্যাপ্রোচ করে এখন আর লাভ নেই। ওদের গার্জেনরা কো-অপারেট করবে বলে মনে হয় না। করলে এতক্ষণে করত। যাকগে, ছবিটা বার কর .... যাওয়া যাক, দেরি করে লাভ নেই’, অরুনাভ ঝটপট সিদ্ধান্ত নেয়।

    থানায় গিয়ে একটা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হল ওরা। থানার ওসি সলিল সেন ঠিক যেন পুলিশের লোকের মতো নয়। রিটায়ারমেন্টের আর এক বছর বাকি। বেশ কোমল ধাঁচের এবং মজলিশি ধরণের লোক মনে হল। কথাবার্তা শুনে বোঝা গেল তিনি একজন স্পোর্টস লাভার এবং ইস্টবেঙ্গলের অন্ধ সমর্থক। তিনি অপ্রাসঙ্গিকভাবে ফুটবলের নানা কথা টেনে এনে অনর্গল বলে যেতে লাগলেন। তার অন্য ধরণের রকমসকম দেখে সত্যেন বুকে বেশ বল ভরসা পেল। তিনি বললেন, ‘জানেন আমি হাওড়া ইউনিয়ন এবং উয়াড়ি ক্লাবে খেলেছি একসময়ে। গোলকিপার ছিলাম। কপাল খারাপ। বেশি দূর এগোতে পারলাম না। চোট পেয়ে গেলাম হাঁটুতে। ব্যাসস্ ..... হয়ে গেল....’।

    বলে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন থানার ওসি সলিল সেন। আবার বললেন, ‘যাকগে, কি আর করা যাবে .... জন যায় বঙ্গে, কপাল যায় সঙ্গে .... তারপর এই পুলিশের চাকরিতে কেটে গেল প্রায় পঁয়ত্রিশ বছর।’ সলিলবাবুর থামার কোন লক্ষণ দেখা গেল না। বলতে লাগলেন, ‘আমার পকেটে সবসময় আমার ইস্টদেবতার একটা ছবি থাকে। এই ছবিটার দিকে তাকালে আমি ফেলে আসা জীবনের হতাশাগুলো কাটিয়ে উঠি।’ এই ব্র্যান্ডের মানুষের সম্মুখীন জীবনে এই প্রথমবার হল সত্যেন এবং অরুনাভ। দুজনেই মনে মনে ভাবল — ভাল লোকের পাল্লায় পড়া গেছে! একে দিয়ে কি করে কার্যোদ্ধার হবে ভগবান জানে।

    সলিল সেন বলতে থাকলেন, ‘এ...ই যে , এই দেখুন ...’, বলে বুক পকেট থেকে নয়, টেবিলের ড্রয়ার থেকে একটা ছবি বার করলেন। সত্যেনরা ভাবল নিশ্চয়ই কোন তারা, বগলা, চন্ডী, শীতলা অথবা সন্তোষী কালী দুর্গা কিংবা কোন গুরুদেব বাবাজীর ছবি হবে। ‘এই যে .... চেনেন একে?’, বলে ছবিটা প্রসন্ন মুখে এগিয়ে দিলেন অরুনাভর দিকে। হাতে নিয়ে ছবিটায় চোখ ফেলে বিস্ময়ে হাঁ হয়ে গেল দুজনেই। উড়ন্ত ঈগলের মতো আড়াআড়ি মাটির প্রায় পাঁচফুট ওপরে বাতাসে ভেসে বাঁহাতে বলের গতি প্রতিরোধ করছে এক অনুপম শিল্পকর্মের সুষমায় আঁকা ছবি হয়ে কোন এক গোলকিপার। দেখে মনে হচ্ছে বিদেশী। সত্যেন এবং অরুনাভ দুজনেই মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল ছবিটার দিকে।

    সলিল সেন মশায় হাসিতে মুখ ভাসিয়ে বললেন, ‘চেনেন এনাকে? আজকালকার কেউ চিনতে পারবে না’। সত্যেনের তো চেনবার প্রশ্নই ওঠে না। অরুনাভ অনুমান করার চেষ্টা করতে লাগল। সলিল সেন ভক্তজনসুলভ কৃতার্থ হাসি হেসে বললেন, ‘লেভ ইয়াসিন। পৃথিবীর সর্বকালের সেরা গোলকিপার। তারপরই আমি গর্ডন ব্যাঙ্কসকে রাখব’। সলিলবাবু হাত বাড়িয়ে অরুনাভর হাত থেকে ছবিটা নিয়ে নিয়ে ড্রয়ারে ঢুকিয়ে রাখলেন। রেখে চেয়ারের দুটো হাতলে দুহাতের কনুই রেখে পরিতৃপ্ত মুখে ওদের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    ছবির প্রসঙ্গ ওঠাতে সত্যেনবাবু ভাবলেন এই মওকা। তিনি পকেট থেকে ঝট করে নিত্যানন্দর ছবিটা বার করে ওসির দিকে বাড়িয়ে ধরলেন — ‘এই যে .... এই ছবিটা এনেছিলাম ..... যদি লাগে ....’।
    — ‘ও আচ্ছা .... হ্যাঁ দিন ... দিন’।

    সলিলবাবু নিতুর ছবিটা নিয়ে দেখতে লাগলেন।
    — ‘আরে মুখটা কেমন যেন চেনা চেনা লাগছে ....’।

    সত্যেনরা মনে মনে প্রমাদ গুনল। ইনি কি আবার বলে বসেন কে জানে।
    — ‘ আচ্ছা.... ছেলেটি কি ফুটবলের গোলকিপিং করে?’

    সত্যেন আমতা আমতা করে বলল ‘ হ্যাঁ .... ওই মানে স্কুলে ....’।

    — ‘ দেয়ার ইউ আর .... আই নো হিম কোয়াইট ওয়েল। আচ্ছা ওকি হরনাথ পাঠমন্দিরে পড়ে?’

    সত্যেন ভয়ে ভয়ে বলে, ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। মানে .... কেন?’

    সলিলবাবু সত্যেন প্রামাণিকের দিকে তাকিয়ে বিনীত ভঙ্গীতে জিজ্ঞাসা করেন, ‘ও কি আপনার ছেলে?’

    সত্যেনবাবু উদ্বিগ্ন মুখে জবাব দেন, ‘আজ্ঞে হ্যাঁ স্যার ....’।

    মনে মনে কাঁটা হয়ে ভাবতে থাকেন নিতু কোথায় কি অপকর্ম করে রেখেছে কে জানে।

    সলিলবাবু হঠাৎ দৃঢস্বরে ঘোষণা করেন, ‘ইউ আর লাকি এনাফ। হিস ফিউচার ইজ এক্সট্রিমলি ব্রাইট।’

    সত্যেন প্রামাণিক হাঁ করে তাকিয়ে থাকেন ওসি-র মুখের দিকে।

    তিনি বলার চেষ্টা করেন ‘কিন্তু ও তো স্যার ফেল .... মানে ক্লাসে ....’।

    — ‘নো নো নো..... দ্যাটস নট কারেক্ট। ফর্ম ইজ টেম্পোরারি বাট ক্লাস ইজ পারমানেন্ট.... হি ইজ এ গোলকিপার অফ অসাম গিফট।’

    সত্যেনবাবু আবার বলার চেষ্টা করেন, ‘না স্যার আমি বলছিলাম ..... পরীক্ষার রেজাল্টটা ....’।

    সলিল সেন কথা শেষ করতে দেন না— ‘হ্যাঁ, পরীক্ষা তো দেবেই। পরীক্ষা দিয়েই তো নিজেকে প্রমাণ করবে। কিন্তু ওর হাতে তো অনেক সময় আছে। শুধু চোট আঘাত থেকে যেন নিজেকে বাঁচিয়ে রাখে। হি ইজ এ মার্ভেলাস গোলকিপার। হরনাথ স্কুলের ইন্ট্রা ক্লাস টুর্নামেন্টের ফাইনালের দিন আমি মাঠে প্রেজেন্ট ছিলাম। ইন ফ্যাক্ট আমি সেদিন ওই অকেশনের সভাপতি ছিলাম। আমিই প্রাইজ ডিসিট্রিবিউশান করেছিলাম। আমার ভালভাবে মনে আছে আপনার ছেলের টিম সেদিন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল শুধুমাত্র আপনার ছেলের গোলকিপিং-এর জন্য। অন্তত আটটা সিটার সেভ করেছিল ও। সেভগুলো এখনও আমার চোখে লেগে আছে। ইট ওয়াজ রিয়্যালি এ মেসমেরাইজিং এক্সপিরিয়েন্স।’

    — ‘তাহলে স্যার আমি এখন....’।
    — ‘ইয়েস অফ কোর্স। স্টার্ট টেকিং কেয়ার অফ হিম রাইট ফ্রম নাও ....’।
    — ‘কিন্তু ওকে তো পাওয়া যাচ্ছে না ... কোথায় যে ....’।
    — ‘মানে .... এতক্ষণ বলেননি কেন?’

    ঠিক এই সময়ে সত্যেনের পকেটে মোবাইল বেজে উঠল । ‘আমি একটু আসছি স্যার’, বলে সত্যেন মোবাইল নিয়ে ঘরের বাইরে গেলেন।

    মোবাইলে ভেসে উঠেছে আননোন নাম্বার। মোবাইল সন্তর্পনে কানে ঠেকিয়ে সত্যেন মৃদুস্বরে বলল, ‘হ্যা.. লো’।

    ওপার থেকে বিনীত পুরুষ কন্ঠ ভেসে এল — ‘সত্যেন প্রামাণিক বলছেন?’
    — ‘হ্যাঁ বলছি। আপনি .... ’।
    — ‘আপনি আমাকে চিনবেন না স্যার। আমার নাম জগন্নাথ সরকার .... আমতা থেকে বলছি ....’।

    (পরের পর্বে শেষ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:78f4:db3e:3958:de6d | ০৯ ডিসেম্বর ২০২১ ১২:২৪501895
  • ভাল লাগল 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন