• খেরোর খাতা

  • বারোয়ারি 

    Sayanti Mandal লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ১৪৯ বার পঠিত
  • (১)

    টেলিফোনটা বসার ঘরে বাজছে। মোবাইল থাকলেও সুপ্রভা ল্যান্ডলাইনটা রেখে দিয়েছে। সুবিমল এনেছিল এই টেলিফোনটা। সুপ্রভা রান্নাঘরে চায়ের জল চাপিয়েছিলেন সবে। মালতি দুদিন হল বাড়ি গেছে। মালতি যেতে চায় নি। সুপ্রভা নিজেই মালতিকে জোর করে ছুটি দিয়েছে। দুটো দিন সুপ্রভা নিজেই চালিয়ে নিতে পারবে। যদিও হাঁটুর সমস্যার জন্য সুপ্রভার হাঁটা চলার কষ্ট হয়। তবু এইটুকু ফ্ল্যাটের মধ্যে কি আর এমন কষ্ট। জোর না করলে মালতি যেতই না। টেলিফোনটা জোর বাজছে। এত সকালে কে ফোন করল? বছর পাঁচেক আগে এই সময় সোম ফোন করত ক্যালিফোর্নিয়া থেকে। তখন সোমের বিয়ে হয় নি। সুপ্রভা নিয়ম করে সকালে উঠে বসার ঘরে এসে বসে থাকত। সোম অনেকক্ষণ ধরে বকত - কাজের কথা, কি রান্না করেছে, সব বলত। সুপ্রভা মন দিয়ে শুনত। সুবিমল গজগজ করত। “এটা বাকি আছে, কদিন টান থাকে দেখো”। সুপ্রভা হেসে উড়িয়ে দিত। এখন সুবিমল নেই, কথাগুলো যেন প্রতিধ্বনি হয়ে বাজে।

    গ্যাসটা অফ করে সুপ্রভা বসার ঘরে এল। আসতে অনেকটা সময় লাগে। ফোনটা তুলে সুপ্রভা বলে
    - হ্যালো।
    - সুপ্রভা রায় বলছেন?
    - হ্যাঁ। বলছি। আপনি কে বলছেন? (যদিও গলাটা শুনে অল্প বয়েসি একটা মেয়ে মনে হল)
    - মাসিমা আমি কস্তুরি বলছি।
    - কস্তুরি… ?
    - আপনি আমাকে ঠিক চিনতে পারবেন না। আমি ডাক্তার সজল বোসের মেয়ে। পুজো কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি।

    সুপ্রভার মনে পড়ল। ডাক্তার সজল বোস। হমিওপ্যাথি ডাক্তার। সুপ্রভা গেছে অনেকবার ওনার চেম্বারে। বড় মেয়ে অনিতার খুব ঠাণ্ডা লাগার ধাত ছিল। অল্পতেই ঠাণ্ডা লেগে যেত। সারাক্ষণ রুমাল তার সঙ্গী। অনিতার গায়ের রঙ ছিল দুধে-আলতা। ঠাণ্ডা লাগলে মুখ চোখ অল্পতেই লাল হয়ে যেত। বিয়ের পর দিল্লিতে চলে যায় বরের সাথে অনিতা। প্রথম প্রথম পুজোতে আসত। অনিতার শ্বশুরবাড়িও এখানেই। আস্তে আস্তে আসা কমে যায়। কখনো ছেলেমেয়ের পড়াশোনা, কখনো জামাইয়ের কাজের চাপ। সুবিমলের খুব আদরের মেয়ে ছিল অনিতা। সুবিমল কষ্ট পেত বেশি মেয়েকে না দেখতে পেয়ে। অনিতার জন্যই সজল ডাক্তারের কাছে যেত সুপ্রভা। ডাক্তারবাবুর যে মেয়ে আছে শুনেছিল। এ সেই তাহলে।

    - কিন্তু পুজোর চাঁদা তো নিয়ে গেছে।
    - না না মাসিমা, চাঁদার জন্য নয়। আসলে আমরা মেয়েরা এবার পুজোর দায়িত্বে আছি। আর আমরা প্রবীণদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছি এবার। বিশেষ অষ্টমী প্রোগ্রাম বলতে পারেন। মণ্ডপে পুজো দেখা, অঞ্জলি দেওয়া, ভোগের ব্যবস্থা আছে।
    - কিন্তু আমি তো বিশেষ কোথাও যাই না।
    - আপনার কোন ভাবনা নেই মাসিমা। আমরা দায়িত্ব নিয়ে আপনাদের বাড়ি থেকে নিয়ে আবার বাড়ি পৌঁছে দেব। আমাদের ব্যবস্থা আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

    সুপ্রভা ধন্দে পড়ে যায়, কি করবে। বিয়ের পর সুবিমল নিয়ম করে একদিন ঠাকুর দেখতে যেত। ছেলেমেয়ে হবার পরও সে নিয়মের পরিবর্তন হয় নি। যতদিন তারা ছোট ছিল তাদেরও উৎসাহ ছিল। তারপর যেমন হয়। যত বড় হল যে যার বন্ধুদের সাথে প্রোগ্রাম করে নিত। বড় ছেলে সুব্রতই প্রথম পথ দেখায়। কলেজে ঢুকেই তার বন্ধুরা জীবন হয়ে যায়। বিয়েও করে কলেজের এক বান্ধবীকেই। তারপর চলে যায় ব্যাঙ্গালোর। কালে ভদ্রে কলকাতা আসে। সুবিমল রাগ করে সেই যে ঠাকুর দেখা বন্ধ করেছিল, যতদিন বেঁচে ছিল আর কোনোদিন পুজোর সময় বেড়োয় নি। ভাইবোনেরাও পরে দাদার পথই অনুসরন করে। সুবিমলের জন্যই কি ছেলেমেয়েরা এতটা পর হয়ে গেছে? সুপ্রভা ভেবে পায় না। কোথায় তার ভুল হয়ে গেছে মেলাতে পারে না।

    - আমার কিন্তু হাঁটুতে সমস্যা আছে। আমি কোথাও ঘুরতে পারব না।
    - ঠিক আছে মাসিমা। কোনো সমস্যা নেই। পাড়ার মণ্ডপে তো আসতে পারবেন। সেটুকু হলেই হবে। কাল তাহলে সকালে রেডি থাকবেন। নটায় আমাদের সদস্যরা গাড়ি নিয়ে চলে আসবে। রাখি তাহলে মাসিমা।

    কস্তুরি ফোন রেখে দিল। ভারি মিষ্টি গলা মেয়েটির। অনেকটা সুনিতার মতো। কতদিন সুনিতার গলা শোনেনি সুপ্রভা। খুব ভালো গান গাইত সুনিতা। ক্লাসিক্যাল শিখেছিল। সুপ্রভারই উৎসাহ ছিলো বেশি। ভেবেছিলো সুনিতা হয়ত গান বাজনার জগতেই থাকবে। ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার পর জার্মানি চলে গেল চাকরি নিয়ে। ছোট জামাই জার্মান। সুনিতা এখন ওদেশের নাগরিক । গান বাজনা মনে হয় আর করে না।

    নিজের জন্য সুপ্রভা কোনোদিন ভাবে নি। যাবতীয় ভাবনা তার জড়িয়ে ছিল ছেলেমেয়েকে ঘিরে। অথচ তাদের ভাবনাতে সুপ্রভা কোনোদিন জায়গা করতে পারে নি। আজ সপ্তমী। ছেলেমেয়েরা সব যে যার জগতে ব্যস্ত। সুপ্রভা তবুও অপেক্ষা করে এই হয়ত কেউ ফোন করবে।

    (২)

    অষ্টমীর সকালে সুপ্রভা বসেছিল পাড়ার মণ্ডপে। চারপাশে অনেকেই তার মতো প্রবীণ প্রবীনা। কাউকে কাউকে চেনা লাগছে। সুপ্রভা ঠিক মনে করতে পারছে না। পুরোহিত একাগ্র মনে মন্ত্র পড়ে যাচ্ছেন। কচিকাঁচারা হইহুল্লোড় করছে। বড়োরা ছোটো ছোটো দলে বসে গল্প করছে। সুপ্রভার খারাপ লাগছে না পরিবেশটা। কস্তুরি এসে পরিচয় করে গেছে। ভারি মিষ্টি ব্যবহার মেয়েটির। অন্যরাও মাঝে মাঝে এসে কথা বলে যাচ্ছে। আন্তরিকতার কোন অভাব নেই। মালতির আজ বিকেলে আসার কথা। এরা কথামতো সকালে বাড়ি থেকে নিয়ে এসেছে। পুজো শেষ হলে খাবার ব্যবস্থাও করেছে। সুপ্রভার কোন তাড়া নেই। অনেকদিন পর সুপ্রভার একটু অন্যরকম লাগছে। সুবিমলের রাগটা একটু বেশিই ছিল। একবার যেটা ঠিক করত তার থেকে আর কোন কিছুই তাকে নড়াতে পারত না। রাগটা যে ঠিক কার ওপর সেটা সুপ্রভা বুঝতে পারত না। সুবিমলের রাগের গুরুত্ব সুপ্রভা ছাড়া আর কেউ দিয়েছিল কি……।

    - প্রভাদি না?

    সুপ্রভার ঘাড়ে একটা স্পর্শ। সুপ্রভা ঘাড় ঘুড়িয়ে দেখার চেষ্টা করে। মধ্যবয়স্ক এক মহিলা। পরনে সাদাবুটিদার শাড়ি। মাথার চুলে অল্প প্যাক ধরেছে। সুপ্রভা মনে করতে পারল না কে।

    - আমাকে চিনতে পারছনা? অবশ্য না পারারই কথা। শেষ যখন তোমাদের বাড়ি যাই তখন তো আমি ফ্রক পড়া। এই আধবুড়িকে তো তুমি দেখ নি। আমি বকুল। মনে পড়ছে?

    নামটা উচ্চারণের সাথে একটা সময় যেন সুপ্রভার চোখে ভেসে উঠল। সুবিমলের পিসতুত বোন বকুল। সুবিমলের সাথে যখন সুপ্রভার বিয়ে হয় তখন তার নিজের বলতে তেমন পিসি ছাড়া কেউ ছিলনা। মা বাবা আগেই গত হয়েছিলেন। তারা থাকত কাছেই। সুপ্রভার বিয়ের পর বকুল প্রায়ই আসত। ফ্রকপরে দুটো বেণী ঝুলিয়ে। সুপ্রভার সব কাজের ছায়া ছিল সে। খুব বকবক করত। সুবিমল অফিস গেলে বকুলের সাথে সুপ্রভার বকবক করে সারাদিন কেটে যেত। তবে সুপ্রভার জীবনে বোধহয় কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। সুবিমলের পিসেমশায় কাজের সুত্রে কলকাতার পাঠ চুকিয়ে জামশেদপুর চলে যান। সেই বকুল।

    - আমি তো তোকে চিনতেই পারি নি।

    - আমি কি আর সেই ছোট্ট বকুল আছি যে তুমি চিনবে। আমি কিন্তু তোমাকে চিনেছি।

    সুপ্রভা চুপ করে থাকে কি বলবে ভেবে পায় না। অনেক প্রশ্ন জাগে মনে। কিন্তু সংকোচ হয়। বকুলই সহজ করে দেয়। গড়গড় করে বলে যায় নিজের জীবনের সব কথা। পিসি পিসেমশায় অনেকদিন নেই। বকুলের বরও নেই। এক ছেলে। জামশেদপুরে ভালো লাগছিল না। তাই কলকাতায় চলে এসেছে।

    - সুবিমলদার কথা আমি শুনেছিলাম। কিন্তু সংসারের টানাপোড়েনে তখন আসতে পারি নি। কর্তা গিয়ে আমাকে মুক্ত করে গেছে। বকুল অকপট।

    - আর ছেলে? সুপ্রভা না জিজ্ঞেস করে পারে না।

    - ছেলে বিদেশে। আমাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। আমি এড়িয়ে গেছি। আমার সময়ে আমি সংসারের সব দায়িত্ব পালন করেছি। এখন তোমার সংসারের দায় তোমাকে সামলাতে হবে।

    সুপ্রভার ছেলেমেয়েরাও সব যে যার সংসারে। সুপ্রভার সেখানে কখনো ডাক পড়ে নি। কই বকুলের মতো করে তো সুপ্রভা ভাবে নি কোনোদিন। শুধু অভিমান করেই এত দিন কাটিয়েছে।

    বকুলের সাথে কথা বলতে বলতে খাবার ডাক এলো। এদের ব্যবস্থা সত্যি ভালো। খুব যত্ন করে সকলকে খাওয়াল। কস্তুরি মেয়েটি খাবার সময় এসেও দেখে গেল সব। সবার সাথে এভাবে মিলে মিশে একসাথে খাওয়া-দাওয়া, ভালোই লাগল।

    ফেরার সময় বকুল বলল “কাল যাব তোমার ওখানে”। যাবার সময় কস্তুরি এসে বিদায় জানিয়ে গেল। আর এও বলে গেল একদিন এসে হাঁটুর জন্য হোমিওপ্যাথি ওষুধ দিয়ে যাবে। ডাক্তারি পাশ করে এখন সেই ডাক্তারবাবুর চেম্বারে বসে।

    (৩)

    আজ দশমী। অন্যবার সুপ্রভা এইদিন সকাল সকাল উঠে বসার ঘরে চলে আস্ত। ছেলেমেয়েরা যদি ফোন করে এই আশায়। আজ মালতি চা করে দুবার ডেকে গেছে। সুপ্রভা উঠি উঠি করেও বিছানা ছাড়তে পারে নি। বকুল কাল অনেকক্ষণ গল্প করে গেছে। মেয়েটা এখনও সেই আগের মতই বকতে পারে। সুপ্রভার কি একটা দায় যেন অষ্টমীর পর থেকে শেষ হয়ে গেছে। অনেকটা হালকা লাগছে আজ দুদিন হল। সুবিমলের রাগটা বড্ড বেশি ছিল। না সুপ্রভা সুবিমলের মত নিজের রাগকে প্রশ্রয় দেবে না। কস্তুরিরা তাকে একটা সুন্দর জগতের সন্ধান দিয়েছে। যেখানে আপনার জন ছাড়া আপন সবাই।

    বসার ঘরে টেলিফোনটা বাজছে। মালতি ধরুক। আর একটু ঘুমিয়ে নেওয়া যাক।

     

  • বিভাগ : অন্যান্য | ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ১৪৯ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন