• খেরোর খাতা

  • বাঘ ভাল্লুক স্ত্রীর এক্কেবারে পছন্দ না

    Jahar Kanungo লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২১৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • না, বাঘ ভাল্লুক স্ত্রীর এক্কেবারে পছন্দ না। সাফারি বাদ।
    ওরা শহর দেখতে আরম্ভ করলো। নিউইয়র্ক স্ট্যাচু অফ লিবার্টি, সেন্ট্রাল পার্ক, নাইট ক্লাব, সিঙ্গাপুর, লা ভেগাস, লন্ডন প্যারিস সিডনি মেলবোর্ন আরো কত কি।
    লা ভেগাস টা আবার দেখাও না!
    আবার দেখতে লাগলো ওরা। জুয়া খেলছে পুরুষেরা মেয়েরা।
    কি সুন্দর ভদ্র সভ্য সবাই।
    হাঃ হাঃ। পাগলী।
    আরেকটা শহর দেখলো। আরেকটা। আরেকটা।
    এটা আবার কোন শহর?
    হ্যানয়।
    না, ফর্সা লোকেদের শহর দেখাও।
    ফর্সা লোকেরাও এই শহরে আসে ম্যাডাম।
    এটা কি? পাহাড় গুলো হাঁটু ডুবিয়ে ডুবিয়ে দাঁড়িয়ে আছে!
    ঐ তো জলের উপর।
    হেলঙ বে।
    পাশের ঘর থেকে খোকার কান্নার আওয়াজ আসে।
    কাঁদে কেন খোকা? খিদে পেয়েছে?
    না, শুতে যাবার আগে হরলিকস খাইয়ে দিয়েছি তো, শান্তি বলে, খোকার ঘর থেকে।
    গরম লাগছে বোধ হয় খোকার।
    পাখা তো চলছে।
    কি মুস্কিল! এসিটা অন করো নি? দরজা জানালা সব বন্ধ করে এসিটা অন করে দাও এক্ষুনি। এই এই এই, এটা কোথায়?
    এটা অ্যাল্পস।
    কি সুন্দর ওরা সবাই স্কেটিং করছে। ওখানে গেলে হয় না?
    কেন হবে না?
    কত ক্ষণ লাগবে যেতে?
    মাত্র সাত আট ঘণ্টার উড়ান।
    উরে ব্বাবা! একে তো তিন ঘণ্টা আগে যাও। তারপর শহর থেকে আবার পর্বত, সে তো অনেক সময়। খোকা কাঁদবে।
    ধূর পাগলী, মিছে ভাবছিস তুই। ফার্স্ট ক্লাস এ যাবো। গাড়ি থেকে নেমে পা রাখবো সোজা airport। চেকইনটা করিয়েই ওদের লাক্সারি লাউঞ্জ। অন্য প্যাসেঞ্জার দের ভীড়ে না। একেবারে নিজেরা নিজেরা। প্লেনে অন্যদের সঙ্গে বসা না। নিজেরা নিজেরা। পা ছড়িয়ে ঘুমিয়ে বা ইচ্ছে হলে দুজন দুজনকে জড়িয়ে, যেমনটি ইচ্ছা মোদের।

    ছিঃ, শুধু অসভ্য চিন্তা।

    বাইরে কি খুব ঠান্ডা?
    এক্কেবারে না। চলো ঘুরে আসি! কি সুন্দর কুচিকুচি বরফ পড়ছে।
    না বাবা। গিয়ে কাজ নেই এই ঠান্ডায়।
    তাহলে আমি ঘুরে আসি?
    আমাকে একলা ফেলে।
    কেন, খোকা আছে, শান্তি আছে। খোকাকে ওই বরফদেশের গল্পটা - কি যেন একটা ; শোনাও না সেটা! ওর স্মৃতিতে থাকবে। বড় হলে ওর কখনো মনে পড়বে।

    না, তোমার সর্দির ধাত। এখান থেকে দেখো।
    ধূর পাগলী। এত্ত লোকে বাইরে।
    হোকগে।
    কেন তোমার কি মনে হচ্ছে কোন সুন্দরী আমায় ভাগিয়ে নিয়ে যাবে?
    ওঃ, আমাকে তো কেউ নিয়ে যেতে পারে না, তাই না? আমি কি আর ওদের মতন দেখতে? আমাকে একলা রেখে যেতে বাবুর কোনো চিন্তা নেই।
    এই দেখ, কি কথার কি মানে! ওরা স্কিইং করতে যাচ্ছে, ভাবলাম দেখবো একটু!
    কেন, এত্ত বড় বড় যে স্ক্রিন গুলো ফিট করে রেখেছে সেটা কাদের জন্য?
    আচ্ছা বাবা ঠিক আছে। খোকা কোথায়?
    শান্তি ওকে নিয়ে চিলড্রেনস রুমে গেছে। কত্ত কি মজার মজার ছবি চলছে টিভি তে!

    ওরা দুজনে আরাম করে বসে স্ক্রীনে পর্যটকদের স্কিইং দেখলো। স্বামী বিয়ার খেলো। স্ত্রী আইসক্রিম খেলো। বাইরে বরফ পড়ছে।
    ওমা, দেখো ওই বুড়িটা। আমাদের হোটেলেরই তো !
    হ্যাঁ, যেরকম করছে, আছাড় খেয়ে না পড়ে!
    হি হি হি। ঐ দেখো, বুড়োটা ও! এই, তুমি অত খেও নাতো!
    বিয়ার ই তো খাচ্ছি রে বাবা।
    ঘন্টাখানেক পরে ওরা শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বড় গাড়িটা করে হোটেলে ফিরল।

    শুনছো, বাইরে নাকি মাইনাস ২০ চলছে। কিচ্ছু মনে হচ্ছে না, তাই না?
    পাগলী কোথাকার!
    না, পাগলী না, আমাদের বাড়িতেও এরকম এসি হিটারের বন্দোবস্ত করতে পারো না?
    এখানে সব সেন্ট্রালি হিটেড। ঠিক আছে, আমাদের নতুন বাড়িটাতে করবো।
    ডিনার কোথায় করবো?
    কেন, এতগুলো রেস্তোরাঁ রয়েছে আমাদের হোটেলেই তো। রুমে বসেও অর্ডার করতে পারি আমরা।
    শুধূ হোটেলেই থাকবো? ঐ যে, বলো না গো, কি যেন রেস্টুরেন্টের নাম টা; খুবই বিখ্যাত। রুবি রা বলছিলো না? যেখানে ওই মেয়েটা নাচে?

    শার্লিন?

    হ্যাঁ গো হ্যাঁ। চলো না সেখানে।
    অগ্রিম বুকিং করতে হয়। এখন টেবিল পেলেও এক্কেবারে পেছনের দিকের টেবিল নিতে হবে।
    ওহ, এসব খবর আগেভাগে নেওয়া হয়ে গেছে তাহলে!
    সব কিছু এত বাঁকা ভাবে নাও কেন?

    হোটেল থেকে কয়েকটি ব্লক পরেই নাকি সেই নামি নাইট ক্লাবটা। হোটেল থেকেই একটা টেবিল রিজার্ভ করিয়ে দিল।
    এইটুকু তো পথ মাত্র। চলো হেঁটে যাই।
    না, এই বরফ মাথায় নিয়ে হাঁটতে হবে না।

    হ্যাঁ, ওদের টেবিলটা বেশ পিছনে। কিন্তু কি সুন্দর টিভি স্ক্রীন লাগিয়ে দিয়েছে টেবিল গুলির গায়ে।
    এক্কেবারে কাছ দেখা যায় মেয়েটাকে। সামনের টেবিলে এরকম স্ক্রীন নেই, তাই না?

    ওরা তো কাছে, সেইজন্যই ওদের জন্য স্ক্রীন নেই। আমরা তো দূরে কিনা, তাই আমাদের জন্য..

    এই, তোমার কথা জড়িয়ে যাচ্ছে কিন্তু। আর একদম খাবে না।
    না, আর খাবো না।
    এই, হচ্ছে টা কি! হাঁ করে মেয়েটাকে গিলছো যেন। স্টেজের দিকে দেখো।
    কিন্তু স্টেজ যে অনেক দূরে।
    সব বুঝি, দূরের টেবিল বুক করেছো কেন। যাতে করে ওদের আরো আরো কাছ থেকে দেখতে পাও। চলো ফেরত চলো। আর খেতে হবে না। কাল আবার বেরোতে হবে সকাল সকাল।
    সকাল কেন? নিজেরা গাড়ী বুক করছি, ইচ্ছামত বেরোবো।

    শীতের রাত। রাস্তা শুনশান।
    কিরকম শহর দেখো, এত বড় বড় রাস্তা, বড় বড় বিল্ডিং, একটা লোক নেই রাস্তায়। কাদের জন্য এসব করেছে কে জানে?
    আছে আছে, সব্বাই রয়েছে। গরম বস্ত্রে মাফলার ওভারকোটমুরি দিয়ে রয়েছে, তাই দেখতে পাচ্ছো না।

    এই তুমি কিন্তু মাতলামি করছো। রুমে গিয়ে কিচ্ছু অর্ডার করবে না বলে দিচ্ছি।

    রুমে পৌঁছেই বিছানায় ধপ।
    কাপড় জামা ছাড়বে তো!
    কাল আমি যাবো না গো। তোমরা ঘুরে এসোখন।
    কেন যাবে না কেন?
    আমি ঘুমোবো।
    গাড়ীতে ঘুমিও।
    ঘুমোতেই যদি হয় কোট প্যান্ট পড়ে ঘুমোবো কেন?
    তুমি ভিডিও করে নিও। দেখিয়ে দিও পরে। গুড নাইট।

    পাশের কামরায় খোকা ঘুমোচ্ছে।
    শান্তি, খোকা কখন ঘুমলো রে ?
    ঐ তো, ঘন্টা খানেক আগে খাইয়ে দিলাম। তারপর টিভি দেখলাম।
    তুই এখনও ঘুমোস নি?
    না বৌদি , গল্প করছিলাম ভাই বোনদের সঙ্গে।
    এত রাতে?
    ওরা বসে ছিল শহর দেখবে বলে। জানালা থেকে বাইরের টা দেখলাম। এত আলো ওরা দেখেনি কখনো। ঠিক নাকি টিভির শহর গুলির মত।
    ঘুমিয়ে পড়। কাল সকালে আমরা গ্রাম দেখতে বেরবো তো।
    বৌদি, আমরা কি পরশু চলে যাচ্ছি?
    হ্যাঁ, কেন?
    ভেবেছিলাম বাড়ীর জন্য কিছু কিনবো।
    ও হ্যাঁ, কথা বলেছি তো দাদার সঙ্গে। তুই একটা লিস্ট করে রাখ। হোটেলের অফিসে কন্সিয়ার্জ না কি বলে যেন, দাদা ওদের হাতে ধরীয় দেবে। বিকেলের মধ্যেই ঘরে এসে যাবে। যা, ঘুমোতে যা।
    বৌদি?
    কি হলো আবার। মুখ ফোলালি কেন?
    দোকান গুলো দেখবো না?
    ধূর বোকা, এই হোটেলের ভিতরেই তো এত্তোগুলো দোকান রয়েছে। আমি তোকে নিয়ে যাবখন।

    ওরা এয়ারপোর্ট এ একটু আগে ভাগেই পৌঁছে গেল। এত দোকান, এত দোকান, না জানি শহরটাতে আরো না কত কত দোকান। শান্তি মনের আনন্দে ভিডিও তুললো। এক একটা দোকানের সামনে দাঁড়ায় আর সেলফি নেয়। এক মেমসাহেবের সাথে দাঁড়িয়ে সেলফি নিল।
    স্ত্রী খোকার জন্য সপিং করলো।
    লোকটা লাউঞ্জe বসে অনেক গুলো বিয়ার খেলো।

    প্লেনে বিয়ার খেতে খেতে লোকটা নাক ডাকলো। স্ত্রী তো দু দুটো সিনেমা দেখে ফেলেছে। শান্তি শুধু চ্যানেল সার্ফ করে চলেছিল। খোকা বিরক্ত করে নি।
  • আরও পড়ুন
    আঁধি - Jahar Kanungo
  • বিভাগ : অন্যান্য | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২১৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন