ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sumitra Paul Bakshi | 110.227.66.69 | ১৫ জুন ২০২১ ১৩:৪৩494960
  • খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে চর্চা হয়েছে l সুদেষ্ণা দি কে অসংখ্য ধন্যবাদ l

  • পার্থ চ্যাটার্জি | 103.88.216.90 | ১৫ জুন ২০২১ ১৪:০০494961
  • বাংলা ভাষা শিক্ষার ব্যপারে বেশ প্রয়োজনীয় চর্চা। আমার ধারণা, বাংলা ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে একটা সমস্যা রে দৈনন্দিন ভাষা ব্যবহার আর ভাষা শিক্ষার মধ্যে একটা ফাঁক থেকে যাচ্ছে।


    সবশেষে, একটা হালকা চালের কথা, এই লেখা পড়ে বুঝলাম যে আমিও বিশেষ ভাবে সক্ষম ছিলাম ছোটবেলায়। আমার বেশীর ভাগ ব‌ই মাস দুত্তিনের মধ্যে ছিঁড়ে যেতে - মাস চার- পাঁচের মধ্যে নতুন ব‍ই কিনতে হোত।

  • Ranjan Roy | ১৫ জুন ২০২১ ১৭:০৫494966
  • সত্যিই এতগুলো সমার্থক শব্দ বাচ্চাবয়সে মুখস্থ করিয়ে কী লাভ? ওয়ার্ড পাওয়ার? যে পাওয়ারের শিশু র জীবনে ইউজ নেই সেতো বোঝা।


    ইন্দ্রলুপ্ত মানে টাক- সেটা জেনেও (ঠিক জেনেছি কি ম্যাম?) আমার টাকপড়া আটকায়নি। এই ধরণের আরও লেখা আসুক, আলোচনা /বিতর্ক হোক।

  • Anindita Roy Saha | ১৬ জুন ২০২১ ১০:৪৫494974
  • “এই সব শব্দ বড়ো হয়ে জানলেও ক্ষতি নেই। জলের একটি প্রতিশব্দ বারি। গানে শব্দটা মাঝে মধ্যে শুনে থাকতেও পারে ছোটরা। তবে সাধারণভাবে কখন আমরা বলি না বারি দিয়ে স্নান করলাম। পরে যখন রবীন্দ্রগানে শুনবে বারিধারা, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস বারির অর্থ যে জল তা তখনও না জানা থাকলে জেনে নিতে, বুঝে নিতে কোনও অসুবিধাই হবে না।”

    গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। বিশেষ চাহিদার শিশু বা অপেক্ষাকৃত দুর্বল শিশুদের ওপর একই পাঠক্রম অবশ্যই চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু মেধাবী ছাত্রদের জানার জন্য ছোটবেলায় কিছু মুখস্হ করাটা  কিন্তু অনেকটা হার্ড ডিস্কে সেভ করার মতো। সারাজীবন থাকে। যেমন নামতা। পরে শেখা জিনিস মস্তিষ্কে বসানো ততটা সহজ নয়। পরে শুনে ‘বারি’ শব্দের অর্থ বোঝার মানে ছোটবেলায় না বুঝে গান গাওয়া। এই স্বভাব পরেও থেকে যেতে পারে। যায়। তা অনেক শিল্পীর গানে শুনতে পাই।যেমন, বিস্মরণ হয়ে যায় বিশ্বরণ , অপরশ হয়ে যায় অপরস। আবার আমাদের অনেক বন্ধু স্কুলের প্রার্থনায় গাইতো “তোমার অভয় স্পদস্পর্ষে”। ছোটবেলায় শেখানো এবং বুঝিয়ে দেওয়াটা জরুরী। ‘কোনো অসুবিধাই হবে না’ এটা বোধহয় এতোটা সহজ নয়। 

  • অর্য্যমা চক্রবর্তী | 115.96.153.162 | ১৯ জুন ২০২১ ০৬:১৯495062
  • কত কিছু যে জানলাম।খুব ভাল লাগলো লেখাটি 

  • &/ | 151.141.85.8 | ১৯ জুন ২০২১ ০৬:৩৯495063
  • আরে স্কুলে পাঠ্য বইয়ে যা শিখেছি, তার চেয়ে ঢের বেশি শিখেছি পাড়ায় ও স্কুলে রবীন্দ্রজয়ন্তী করতে গিয়ে। গান তো না, যেন গান! কামানের গোলা একেকটা। সেইগুলো সাতজনে মিলে রিহার্সাল দিয়ে দিয়ে তোলা, সাতজনের গলা সাতরকম। দুরমুশ করে করে মোটামুটি কাছাকাছি আনা হত। ওদিকে গানের বাণী! সে আরেক পাহাড় ডিঙানো। পুরো ব্যাপারটা কঠিন গ্রুপ প্রোজেক্টের চেয়ে কম কিছু না।  তবে সত্যি বলতে কি, ওইগুলো থেকেই সত্যিকার জিনিসগুলো শেখা যায়।

  • Santosh Banerjee | ২১ জুন ২০২১ ১২:১১495158
  • পৃথিবীতে যা কিছু আমাদের কাজে লাগে বা প্রয়োজন হয় ।..তাই শুধু যদি জানতে হবে তাহলে তো জ্ঞানের পরিধি টা ছোটো হয়ে যাবে আর অজানা কে জানার আগ্রহ টা শেষ হয়ে যাবে , তাই না ??ভাষা যত জানা যাবে তত ভালো বলেই তো মনে হয় ।তাহলেতো এখন শুধু স্মার্ট ফোন হোয়াটস্যাপ , ফেইসবুক ।..এই কয়েকটা জিনিসজানলেই চলবে ।..তাই কি ??

  • বিপ্লব রহমান | ২৪ জুন ২০২১ ০৭:৫৭495253
  • সত্যিই ছোটদের ওপর হাবিজাবি কতো কি মুখস্ত বিদ্যা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে! 


    আলোচনাটি গুরুত্বপূর্ণ

  • দীপান্বিতা চৌধুরী | 45.112.69.14 | ৩০ জানুয়ারি ২০২২ ১৯:৫১503294
  • সব রকম মানসিক বিকাশ সম্পন্ন ছেলেমেয়েদের দিকে সত্যিই নজরে রাখা দরকার। দিদি আপনি সত্যি খুব সুন্দর চিন্তা করেছেন ছেলেমেয়েদের জন্য।
  • Sara Man | ৩০ জানুয়ারি ২০২২ ২০:৫৪503296
  • আমি একটু ব‍্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে চাই। হ‍্যাঁ এটা সত‍্যি যে ব‍্যাকরণ বইতে একটি শব্দের অনেক প্রতিশব্দ থাকে। ভাষা শিক্ষায় মেধাবী শিশু দশটি থাকলে দশটিই শেখে। ভাষা শিক্ষায়  সাধারণ মেধা সম্পন্ন শিশুকে আমি সহজ দেখে তিনটি বেছে নিয়ে মুখস্থ করতে দেখেছি। ঐ শিশুটিকে আবার দেখেছি জ‍্যামিতিক অঙ্কনে অত‍্যন্ত সাবলীল। কিন্তু দশটি প্রতিশব্দ শেখা শিশু হয়তো সেখানে হোঁচট খায়। কেউ দুরকমই পারে, কারোর দুটোতেই অসুবিধে, কিন্তু খুব ভালো নেতৃত্ব দিতে পারে, চমৎকার খাতা গোছায়। তীরবেগে দৌড়োয়। তাই সিলেবাস যাই থাক। মানুষ ভেদে স্বাভাবিক নির্বাচন চলতে থাকে। আর কে কিসে ভালো, সেটা যেহেতু শিক্ষক শিক্ষিকা বুঝতে পারেন, তাকে সেদিকেই ঠেলে দেন। তবে হ‍্যাঁ, বিদেশের মতো আলাদা আলাদা ইস্কুল খুলতে পারলে ভালো হত হয়তো, কিন্তু সবাই মিলে মিশে বড় হওয়াটাও খারাপ নয়। এতে শিশুরা বুঝতে পারে, কোথায় আমি হেরে যাই, আর কোথায় জিততে পারি। 
  • জয় | ৩০ জানুয়ারি ২০২২ ২১:১৩503297
  • @সুদেষ্ণাদি,
    সময়োচিত আলোচনা। মূল্যবান ভাষ্য। অনেক ধন্যবাদ।
     
    আমি যদি কিছু প্রশ্ন করতে পারি-
    ১) প্রাথমিক স্তরে ভাষা শিক্ষার জন্য যে সিলেবাস আছে তার ভিত্তি কি? 
    ২) বাংলা ভাষা শিক্ষার (বিশেষতঃ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে) ওপর কোন উল্লেখযোগ্য/ সময়োপযোগী রিসার্চ হয় কি? 
    ৩) সরকারী কোন মিশন-স্টেটমেন্ট আছে কি? ক্লাসে আমরা (সরকার/ সমাজ) কি অ্যাচিভ করতে চাই? ভাষা শিক্ষার কোন ঘোষিত আউটকাম মেজার আছে কি? যদি থাকে তা কি সময়-নির্ভর? 
    ৪) ভোকাবুলারি নিশ্চই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি সঠিক কারনেই উদ্বিগ্ন ভোকাবুলারি ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে। কিন্তু ভাষা শিক্ষার আরেকটি দিক হল গল্প(যে কোন রচনা) পাঠের সাবলীলতা। শিক্ষকদের কি উপায় আছে   - ছাত্রদের এই সাবলীলতা বাডাতে সাহায্য করার জন্য। ব্যাকরণ/ বাক্যগঠন/ গল্পপাঠে উৎসাহ ইত্যাদি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই এখানে আলোচনা হয়নি- সে আরেক সমস্যা।
    ৫) শিক্ষকরা কোনভাবে ফিডব্যাক দিতে পারেন যাঁরা সিলেবাস বানান বা সামগ্রিকভাবে যাঁরা নীতি নির্ধারণ করেন?
    নমস্কার।
  • Abhyu | 47.39.151.164 | ৩১ জানুয়ারি ২০২২ ০৫:০১503324
  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছেলেমেয়েদের আলাদা পাঠ্যক্রম খুব দরকার। ভারতে অল্প কিছু ইন্সটিচিউট আছে যারা শুধু এদের নিয়েই কাজ করে। যেখানে সাধারণ চাহিদাসম্পন্ন ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছেলেমেয়েরা একই সঙ্গে পড়াশোনা করে সেখানে ব্যাপারটা আরো কঠিন হয়ে যায়। সুদেষ্ণা ম্যাডামের লেখাটি গুরুত্বপূর্ণ।  একটা প্রশ্ন - সরকারী স্কুলে (যেখানে পাঠ্যপুস্তক সরকারই ছাপায়) বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কেউ পড়লে তা কি রিপোর্ট করতে হয়? ওদের জন্যে আলাদা গ্রান্ট আসে? 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন