• খেরোর খাতা

  • চলো এগিয়ে চলি

    Sumon Bhattacharyya লেখকের গ্রাহক হোন
    ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৩৬৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • #সুমনগাঙ্গুলীভট্টাচার্য

    ফেব্রুয়ারিতে মানুষজন বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, প্রমিস ইত্যাদি বিমূর্ত ভাবনা উদযাপন করেন। আমাদের যাদের বয়েস মধ্য চল্লিশ বা তার আশেপাশে, একটি বা দুটি সন্তান আছে, এবং হ্যাঁ একজন বা দুই সন্তান অটিজিম স্পেকট্রামে আছেন তাদের কাছেও ফ্রেব্রুয়ারী হোক বা এপ্রিল বা বছরের যে কোন দিন এক লড়াই চলেই যায়। প্রত্যেক বাবা, মা বাচ্চাকে মানুষ করতে লড়াই করেন। একদম সঠিক কথা। আসলে আমাদের লড়াইয়ের সাথে থাকে --- বাচ্চাদের পথ একটু সুগম করা যায় এই চেষ্টা। যেখানে হয়তো আমাদের সন্তানদের ভালোবাসা, বন্ধুত্বের ধারণা বোঝাবার আর বোঝার জায়গা কিছুটা হলেও আলাদা।

    আমার ছেলের বন্ধু বানাবার জন্য চেষ্টা করি আমি নিজেই। এখন আমরাই প্রকৃত বন্ধু খুঁজে পাই না সেক্ষেত্রে একজন অটিস্টিক বাচ্চার অনেক চ্যালেঞ্জ।

    আমি একজন মা। আমার ছেলে বিনায়ক রুকুর অটিজম আছে। সেই জায়গা থেকেই আমার এই লেখা। একদম ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। আপনারা নিজের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

    একজন এই স্পেক্টট্রামের মানুষেরও প্রচুর কথা থাকে একটি সাধারণ বাচ্চার মত, এরাও প্রশ্নকরলে উত্তর আশা করে। হয়তো এদের বোঝাবার কায়দা এবং বোঝার কায়দা আলাদা। ভাবের আদান প্রদানের জন্য কথা একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে শুধুমাত্র কথাই সব নয়, মানুষ চেষ্টা করে সবসময় নিজেকে প্রকাশ করতে। একটা বয়সে প্রকৃতির নিয়মে সঙ্গী খোঁজে।

    রুকু খুব কথা বলতে চায় বন্ধু করতে চায় কিন্তু এই জায়গায় একটা খামতি চিরকাল। রুকু সম বয়সী বন্ধু বানাতে পারে না, কারণ ওর মনের বয়েস কম এবং এই খামতিও পূরণ হয় না। রুকু কথা বলে বন্ধু খোঁজে এটার মধ্যে ভুল নেই আবার যে রুকুকে বন্ধু করছে না তাকেও দোষ দেওয়া যায় না। বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, পারস্পরিক ভাবের আদানপ্রদান এই সব বিমূর্ত ধারণা কারো উপর জোর করে চাপানো যায় না।

    ছোটবেলাতে পাড়ার মাঠে বা স্কুলে, বা, স্কুলের গাড়িতে কোথাও সে কথা বলতো না। নিজের মনে থাকতো, স্কুলে গিয়েও নয় বেঞ্চে শুয়ে পড়তো বা মাঠে লাফাতো। এ রকম অনেক বার হয়েছে স্কুল থেকে আমাকে ডেকে পাঠিয়েছে রুকু প্রথম পিরিয়ডের পর স্কুলের বারান্দায় ছোটাছুটি করছে বা অন্য ক্লাসে চলে যাচ্ছে। সাধারণ স্কুলে পড়তো সবার সাথে স্বাভাবিক ভাবেই প্রচুর প্রশ্ন উঠতো। আমরা সপ্তাহে দু দিন স্কুলে পাঠাতাম, তবু স্কুল ছাড়িয়ে দিই নি। মারপিট বাচ্চাদের মধ্যে হয় এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু খুব কষ্ট পেতাম যখন স্কুলে রক্তাত্ব রুকু - (ব্যথাবোধ কম থাকে এদের, অথচ সামান্য জিনিস হারালে কাঁদে) নিজে টিচারকে নালিশ করতেও পারতো না বা করলেও টিচার বুঝতেন না (রুকু কোথায়, কে মেরেছে এই এতো তথ্য দিতে পারতো না, দিলেও কানে লাগলে চোখ দেখাতো, আর টিচারের "বলো বলো ঠিক করে বলো", ধমক শুনেই সিঁটিয়ে যেত)।

    যে বয়েসে তার বয়সী বন্ধুরা ভালোবাসা মানে অনেকটা বেশি বোঝে রুকু তখন হয়তো সেই ভাবে অপত্য, স্নেহ, বন্ধুত্ব, প্রেম, কিছু বুঝতো না ---- অনেকটা পিছিয়ে পড়ার শুরু হয়তো সেখান থেকেই। আসলে স্কুলে পড়া মানে শুধুমাত্র পাঠ্যপুস্তক আর শিক্ষক নয়, তার বাইরেও অনেকটা জগৎ। আর রুকুর চ্যালেঞ্জ ছিলো মানিয়ে চলা।

    তার বন্ধুদের বাড়িতে ডাকতাম তারা আসতো, কিন্তু রুকু কিছুক্ষন পর নিজের ঘরে পালিয়ে চলে যেত। এখনও তাই করে। ফোনে কথা বললেও তাই, ফোন করতে বা ধরতে উৎসাহ বেশি।কথা টানা ১০ মিনিটের পর "প্রাণ আই ঢাই"।

    বয়ঃসন্ধিতে আমার ছেলের ক্ষেত্রে দেখছি প্রশংসা করলেও রেগে যাচ্ছে। রুকু কোন একটা কাজ যদি ঠিকঠাক করে রাখে কিছুদিন আগে অবধি হাত তালি দিয়েপ্রশংসা করলে বা "খুব ভালো হয়েছে" জাতীয় কথা বললে মজা পেতো এখন ওর কোন কাজ ভালো বললে হয় কাজটি বিগড়ে দেবে অথবা আর পরদিন করবে না। তাই খুব প্রশংসা করি না এমন একটা ভাব দেখাই যে এই কাজটা করেছো বেশ করেছো, এটা জরুরি কাজ ।

    রুকু তার পাপার সাথে অনেক কিছু share করে, আমার সাথে করে না। কারণ ঠিক বুঝি নি এখনো, অথচ দিনের বেশির ভাগ সময় আমার সাথেই কাটায়। আগে খুব ভাবতাম এই বিষয়ে কিন্তু এখন আমি জোর করি না, ওকে স্বাধীনতা দিয়ে থাকি। আবার আমার বাপির সাথেও তার ভাব বেশি তুলনামূলক ভাবে আমার মায়ের সাথে কম।

    আসলে ছেলে যত বড় হচ্ছে তত একটা থেকে আরেক দিকে সমস্যা গুলো আসা যাওয়া করছে। একটা কথা খুব পরিষ্কার এই স্পেকট্রামে যখন রুকু আছে সমস্যা থাকবে চিরকাল, ফর্ম চেঞ্জ হবে। প্রকৃতি, পরিবেশ যেমন বদলাবে ওর নিজের মধ্যেও পরিবর্তন হবে তেমনই সমস্যা আসবে বিভিন্নভাবে।

    আমাদের বাচ্চাদের ক্ষেত্রে পড়াশোনার থেকেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বোধকরি নিজের কাজটা করা, সেটার দিকেই নজর দিয়ে থাকি। আমার ছেলে মাঝে মাঝেই উত্তেজনাতে ভোগে। শুধুমাত্র আবহাওয়া পরিবর্তন, শরীর খারাপ, প্রিয়জনের বিচ্ছেদ ইত্যাদি বড় কারণ ছাড়াও কোন কিছুর উত্তর না পেয়েও উত্তেজিত হতে দেখি তাকে অথবা তার প্রশ্নের উত্তর মনের মত না হলেও। সে ক্ষেত্রে ঠিক কি করা উচিৎ বুঝতে পারি না। কারণ এখন বোধ একটু হলেও বেড়েছে খুব একটা অযৌক্তিক উত্তর নিতে পারে না। কিন্তু সব প্রশ্নের উত্তর দিতেও পারি না। শুধু পাশে থাকি সর্বদা। জীবন সব সময় সরল রেখাতে চলে না। তবে হ্যাঁ আমি কষ্টে থাকলে বা বিষণ্ন থাকলে রুকু কষ্ট পায়। খুব উত্তেজিত হলেও রুকু লিখতে বা আঁকতে বসে তার নিজের ঘরে দরজা বন্ধ করে। বা, মামার বাড়ি চলে যায়। কিছুটা ছেড়ে দিয়ে দেখি নিজে নিজেই সামলে নিতে পারে কিনা।

    অটিজম মানে শুধু মাত্র যে ব্যবহারে, মিশতে অসুবিধে হয় তা নয়। এটি এমন একটি অবস্থা কোন একজনের সাথে অন্য জনের তুলনা চলে না, কিছু লক্ষণ লুকিয়ে থাকে যেমন বেশি আলো সহ্য করতে না পারা, লোকজনের তীব্র হুল্লোড়, কোন জিনিস নিচু থেকে তোলা, মুখের পেশীর উপর নিয়ন্ত্রণ, মুখ ভঙ্গিমা নিয়ন্ত্রণ, কোন কিছু খুব নিখুঁত করে বোঝানো বা বলা প্রভৃতি ক্ষেত্রে মানিয়ে নেওয়া এবং সঠিক মত চালনা করা।

    অটিজম বোঝা সম্ভব নয় কিন্তু নিজের বাচ্চাকে চিনতে চেষ্টা করা যায়।

    আমরা যৌথ ভাবে চেষ্টা করছি আমাদের সন্তান নিয়ে এগিয়ে চলছি শুধু এই টুকু মাথায় রাখি।

    এরা কে ভালোবাসে কে অবজ্ঞা করে, পছন্দ করেনা এইটি খুব ভালো বোঝে। এবং সব সময় প্রকাশ করে ফেলে। তাই যদি কারোর সাহচর্য পছন্দ না করে বা কোথাও যেতে না চায় আমরা খুব জোর করি না।

    এদের কোন কিছু খুব নিয়ম মেনে হয় না। একটাই আশার যে অভ্যেস করলে হয় তো অনেক কিছু পারে এরা। চমকে দেওয়ার মত পারে। একটাই কাজ তাই করি একটা রুটিন জীবনে অভ্যেস করিয়ে রাখি নিজের কাজ করার ক্ষেত্রে।যেমন দাঁত মাজা, জামাকাপড় পরা, পড়তে বসা, খেতে দেওয়া খেতে বসা, জল ভরা, ছোট খাটো দোকান বাজার করা, শিক্ষক মশাই এলে চা নিয়ে যাওয়া, স্যারের চা খাওয়া হলে কাপ নামিয়ে আনা, বই গোছানো, বিছানা করা, অল্প কিছু রান্না করা (মুড়ি মাখা, চা করা, জল গরম, পাউরুটি সেঁকা) ইত্যাদি।

    অভ্যেস এবং পরিকল্পনা, আমাদের ক্ষেত্রে অনেকটা কাজ দিয়েছে।

    এক নীল সমুদ্র ভালোবাসা।

    #সুমন।

     

  • আরও পড়ুন
    বার্ড - Sambaran Sarkar
  • বিভাগ : অন্যান্য | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ৩৬৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 162.115.44.103 | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০১:১৩102538
  • রুকু-র জন্য অনেক ভালবাসা। রুকু-র মা-কে কুর্ণিশ 

  • Sobuj Chatterjee | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০৯:৪৭102568
  • আপনি মা। যে ভাবে (বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষনে) ব্যক্ত করেছেন তাতে ঋদ্ধ হলাম। রুকুর প্রতি শুভেচ্ছা।আর আপনার লড়াইকে কুর্নিশ! 

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন