• খেরোর খাতা

  • এসব করে কী হবে?

    Tapas Das লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ২৭৯ বার পঠিত
  • ৪/৫ (১ জন)
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • বাংলা ভাষার কয়েকটা ওয়েবিনার দেখলাম। কোথাও কেউ পুরো বাংলা বলতে পারে না। পরিভাষা-টাষা নয়, এমনি একটা গোটা বাক্য বলতে গিয়ে অ্যান্ড, সো, এইসব ইংলিশ বলছে লোকজন। পণ্ডিত লোক সব। তাঁরা ইংলিশ শব্দ উচ্চারণের সময়ে এমন মাত্রাতিরিক্ত গুরুত্ব আরোপ করছেন যাতে পাক্কা ইঙ্গ-মার্কিন হয়। সব মিলিয়ে এক দিকে হাসি পাচ্ছে বটে, কিন্তু বিষণ্ণও লাগে। 

       এদিকে গর্গ তো খালি হিন্দির বিরুদ্ধে, ইংলিশ সাম্রাজ্যের সূর্য যে সর্বার্থে মধ্যগগনে, সে ব্যাপারে দৃষ্টিআকর্ষণ করলে,  নিদারুণ যুক্তি দিচ্ছে।  

    বাংলাটা কীরকম ক্রমশ আলংকারিক ব্যাপার হয়ে যাবে মনে হয়। লোকজন আর্টিকেল আর ফিচার বুঝবে, প্রবন্ধ আর নিবন্ধ  লিখবেই না মনে হয়। 

  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ২৭৯ বার পঠিত
  • ৪/৫ (১ জন)
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১১:০৮97688
  • যাঁরা বলচেন, মানে মিশ্র ভাষায়,  নতুন না পুরোন?  মানে, চলিত ভাষায় ইংরেজি মিশে থাকার একটা সমস্যা আছে অস্বীকার করার জায়গা নেই,  হঠাত ওয়েবিনার করতে গেলে, আমার ও তাই হবে, যতই সতর্ক থাকি।  যাঁরা অভিগ্য সেখানেও কি একই দোষ?         

  • একক | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১১:১৬97689
  • এই সময়ে, দু'জন মাত্র মানুষকে,শুনেচি আগাগোড়া বাংলায় বলতে। চন্দ্রিল ও চিন্ময় গুহ।  চিন্ময়বাবু তার মধ্যে এক্টু বেশি স্টাইলবদ্ধ,  চন্দ্রিল একদম স্বচ্ছন্দ বাংলা বলেন।  

  • dc | 122.164.74.78 | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১১:৫০97693
  • খেয়াল করে দেখলাম আমিও সবসময়েই বাংলা আর ইংরেজি মিশিয়ে বলি। মানে শুধু ওয়েবিনার না, এমনি কনভার্সেশানেও। আমার যেসব তামিল, তেলুগু, কন্নড়, হিন্দি ইত্যাদি বন্ধুরা আছে তারাও তাই করে।কিন্তু তাতে সমস্যা কিসের? একদম পিওর বাংলায় কথা বলতে হবে, এরকম দাবি করলে মুশকিল।  

  • Tapas Das | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১২:০৫97695
  • একদম খাঁটি বাংলায় কথা বলতেই হবে, এমন দাবিদাওয়া করে লাভ নেই। তবে সচেতন হব নাকি হব না, এইটে আমার জিজ্ঞাসা। যতটা ধ্যান সঠিক ইঙ্গ উচ্চারণের দিকে দেয়া হয়, তার কিছুটা ধ্যান দিলে অ্যান্ড, সো  ইত্যাদি শব্দ পরিহার করা সম্ভব। এই উত্তরটা লিখতে গিয়ে, আমি সচেতন হয়ে পিওর এর বদলে খাঁটি শব্দটা ব্যবহার করলাম। কিন্তু এটাও ঘটনা যে, একক যেমন বলেছে, আমাকে ওয়েবিনার করতে বললে আমিও ওর চেয়ে বেশি ইংরেজি শব্দই ব্যবহার করব। সম্ভবত। এবার আমি যাঁদের ওয়েবিনারের কথা বলছিলাম, তাঁরা মূলত অধ্যাপনা করে থাকেন। তাঁদের নিয়মিত ক্লাস-টাস করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁরাও যদি এইসব 'এক্সপ্রেশন' ব্যবহার করেন, তাহলে একটু শঙ্কার ব্যাপার হয়। 

     একক, সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ও খুব স্বচ্ছন্দ বাংলা বলেন।           

  • -- | 182.76.110.171 | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১২:২৯97698
  • তাড়াতাড়ি লিখতে হলে তুমিও মনোযোগ না লিখে ধ্যান লিখছ। আমরা ধর দিনে দশবারো চোদ্দ ঘন্টা কসমোপলিটন পরিমণ্ডলে অফিস কলিগদের সাথে বা বিদেশি ক্লায়েন্টদের সাথে ভাটাচ্ছি। প্রথম এক্সপ্রেশনটা ইংরিজিতে আসাটাই তো স্বাভাবিক। চন্দ্রিল সঞ্জয়দার ক্ষেত্রে এই কাজের ক্ষেত্রগুলো তো অ্যাডভান্টেজ। এবার লিখতে গেলে তাও একটু সময় নিয়ে ভেবে বাংলা শব্দটা খুঁজে নিয়ে লেখা যায়,কিন্তু বলার সময় ইম্মেডিয়েট একস্প্রেশনটাকেই লুফে নিয়ে এগোতে হবে সময় নেওয়া মানেই ব্যপারটা গেঁজে যাবে।

  • Tapas Das | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩:১৩97700
  • আমি কি মনোযোগই লিখতে চেয়েছিলাম! আমি নিশ্চিত নই। ধ্যান শব্দটা কিন্তু হিন্দি শব্দ নয়। হিন্দিতে কিছু তৎসম শব্দ অধিক ব্যবহৃত বলে সেগুলো পরিহার করার আমি মোটেও পক্ষপাতী নই। এমনকী বাংলায় প্রবেশ করে আসা হিন্দি শব্দ ব্যবহারেও আমার ছুঁৎমার্গ তত নেই। সেটা আমি ভাষার চলমানতার অঙ্গীভূতই মনে করি। 

    যেমন হিন্দি বলে অনেকেই লাগু শব্দের ব্যবহার নিয়ে খুব আপত্তি প্রকাশ করেন। আমি নিজে লাগু শব্দ ব্যবহার করি, করবও। আবার কেন কী টাইপের শব্দবন্ধ ব্যবহার করতে দেখলেই বোর্ডে নাম লিখে গর্গ ঠাকুরের কাছে বলব নিল ডাউন করিয়ে দিতে।

  • একক | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩:২৪97701
  • সোমনাথের লেখাটা ভালো লাগল।  অনেক গুলো আলচনার পরিসর আচে। যেমন 

    "    আজকের লেখকরা ট্রমা, চ্যাটরুম, রিসেশন, হায়ারিং এন্ড ফায়ারিং, অনসাইট, এলজিবিটি-কে বাংলা অক্ষরে লিখবার সময়ে দু’বার ভাবেন না, অভিধানে মাথা ঠোকেন না অধিবিদ্যা জাতীয় পরিভাষা খুঁজে পেতে।

    "
    এইখানে বলার যে,  শব্দ যখন বেছে নিচ্ছি, তখন শুধু এইকারনে ইংলিশ নিচ্ছি না, যে বাংলা পরিভাষা জানিনা।   আদতে অই পরিভাষা শব্দের অনুষণ্গ কে ধরতে অপারগ। ট্রমা লেখার সময় আমি চাই, পাঠক শব্দটি পড়েই,  মেট্রো স্টেশনের ট্রমা হেলপলাইন বিগ্যাপনের শীতল অথচ অস্বস্তিকর জগতের সংগে কানেক্ট করুক। এইজে কানেক্ট,  এটা ইলেকট্রনিক সভ্যতা আমাদের দিয়েচে,  এর মধ্যে এক্টা ঝটিতি প্লাগ এন্ড প্লে অনুভুতি আচে,  যেটা যোগাযোগ / যুক্ত হওয়া এই শব্দগুলোতে নেই। অনসাইট বল্লে যে ছবি ভেসে ওঠে, অন্য শব্দে তা আসবে না। 
     
    ছবি টা জরুরি।  অনুষঙ্গ টা জরুরি।  আমরা বাংলায় বলি লিখি বটে কিন্তু অনুষঙ্গ গুলো ইউরোপীয় সভ্যতার। 
     
    এমনকি বাংলা কবিতা নিয়ে দুই বন্ধুতে আলাপ করতে গেলে বারবার ইংরেজি শব্দ আসে। কারণ আমরা "মডার্নিস্ট " কোন ডিভাইস নিয়ে কথা বলচি। মডার্ন বল্লেই,  ইউরোপীয় শিল্প ইতিহাসের একটা সময় মাথার মধ্যে ভেসে ওঠে,  আধুনিক শব্দটা সেখানে কোনভাবেই যায় না। যদি সন্সকৃতে ফিরে যাই এবং সেই অলংকার গুলো নিয়ে কথা বলি তাহলে সেটা, একটু সাহায্য করে বটে,  কিন্তু তাতেও মায়ের ঠাকুমার গপ্প হয়, মায়ের গল্প কোনমতেই নয়। এর কারন সম্ভবত,  খাঁটি বাংলা ভাষায় নন্দনতত্ত্ব বা সেইরকম আলোচনার পরিমন্ডল কোনদিন গড়ে ওঠেনি।
     
    এবার, যে লিখবে, বা বলবে, তার মূল উদ্দেশ্য শ্রোতা বা পাঠকের মাথার ভেতর ছবি তইরির।  ভাষার মাধ্যমে অনুষঙ্গ কে চাড়িয়ে দেওয়ার।  সে করতে গিয়ে,  একই বাক্যে রাঢ়ের উচ্চারণ আর ইংলিশের ইডিওম মেলাতে হলেও মেলাতে হবে। কী করার আচে, যেখানে আমাদের ইতিহাসটাই সেরকম।                                    
  • একক | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩:২৮97702
  • তবে হ্যাঁ,  লেখার বা বলার সময় "সো ",  " হেন্স", 'লাইক" এসব পরিহারের চেষটা করি।  

  • dc | 122.164.74.78 | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩:৩৪97703
  • আমার মনে হয় এগুলো যার যার নিজের ওপরেই ছেড়ে দেওয়া ভালো। কেউ হয়তো এক্সট্রা পাকামো করে সো অ্যান্ড গুঁজে দেন, কেউ ওভাবেই কথা বলতে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন, কেউ আবার বিশুদ্ধ বাংলায় কথা বলে আরাম পান। পসন্দ আপনা আপনা আর কি। 

  • রৌহিন | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৪:১৫97704
  • তাপস যে মনোযোগ বাড়াবার কথা বলেছে সেটাকে আমি সমর্থন করি। সম্পূর্ণ ইংরিজি বা অন্যভাষার শব্দবর্জিত শব্দ / বাক্যই শুধু বলব এটা খুব চাপের - মস্নে অসম্ভব না হয়তো, কিন্তু সর্বক্ষণ খেয়াল রাখতে হলে কথার স্বতঃস্ফূর্ততা নষ্ট হবার সম্ভাবনা। আমার মতে যেসব শব্দ স্বাভাবিকভাবে আসছে (টেবিল চেয়ারের মত আত্তীকৃত শব্দের কথা বলছি না) সেগুলো আটকানোর চেষ্টা করে লাভ নেই। কিছু মিশ্রণ অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ এবং শ্রুতিকটূ। সমস্যা হল কটূত্ব ব্যক্তিনির্ভর - ফলে আমার কানে যেটা কটূ শোনায় সেটা আরেকজনের কানে স্বাভাবিক লাগতেই পারে। ফলে নিজের কাছে সৎ থাকা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু কেউ নিজের কাছে সৎ থাকছে কি না বা তার নিজস্ব সততার সংজ্ঞাটা কী সেও তো আমাদের বোঝার উপায় নেই। তবুও চাইলে ওই তাপস বর্ণিত "অ্যান্ড", " সো", "আই থিঙ্ক", " শীট", "ফাক" জাতীয় অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার এড়িয়ে চলা যায়। আর যেটা করা যায়, সেটা হচ্ছে আরেকজন এসব বলে গেলে তাকে নিয়ে খিল্লি। যদি বেশী লোক খিল্লি করেন তবে যারা বলেন তারা একটু বুঝে বলবেন। যদি বেশী লোক যারা খিল্লি করছে তাদের নিয়েই খিল্লি করেন তবে যারা বলেন তাদেরটাই আইনসিদ্ধ, মানে গোদা বাংলায় যাকে লেজিটিমেট বলে আর কি, তাই হয়ে যাবে।

    "খিল্লি" কি বাংলা শব্দ? 

  • একক | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৪:৪০97706
  • ওহ ফাক বলা ছেড়ে দিতে পারি।  বাপি ও মাম্মাম লালিতরা তখন " গাঁড় মেরেচে! " শুনে, বস্তির ছেলে ভেবে তেড়ে আসবেন না ত?  বস্তির ছেলে ভাবা নিয়েও ডন্ট গিভ আ ফাক থুড়ি বাল্টা ছেঁড়া যায় ; কিন্তু তেড়ে এলে অন্যরকম ভাবতেই হবে,  কারন যতই হোক, উই গট টু ফাক এরাউন্ড থুড়ি চুদিয়ে বেড়াতে হয়, থ্রু দিস ভদ্রলোক ক্লাস, আর বান্ধবীকে " ফাক অফ " বল্লে তবু মডিউলেটেড কন্ঠে " ওশোভ্য" শুনতে হয় বা তাও হয়না,  " তরে আমি সুদি নাহ " বলে, শুখা শুখা পারভার্ট শোনা এই প্রৌঢ় বয়েসে বেশ চাপের ঃঃ(((   

  • Tapas Das | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:২৩97716
  • একক, অনসাইট বলো বা অফসাইড এগুলো পরিভাষা। নিউজরুম বা ব্রেকিং নিউজ ধরনের। কিন্তু অধিবিদ্যাকে সেখানে ফেলা উচিত কিনা, সেটা নিয়ে আমার ধন্দ আছে। মেটাফিজিক্সের বাংলা অধিবিদ্যা, এমপিরিসিজমের বাংলা অভিজ্ঞতাবাদ, মায় পলিটিক্সের বাংলা রাজনীতি, এসব ব্যবহার করা হয় বটে, কিন্তু বড় বেশি অর্থসংকোচন বটেই, এমনকি, অর্থান্তরও ঘটে যায় বলে মনে হয়। 

    পশ্চিমা মডার্নিটি আর ভারতীয় আধুনিকতার ধারণাও এক নয়।  

    ডিসি, ছেড়ে তো দেয়াই আছে। তবে মনে হয়, পছন্দ তো ওরকম নিরালম্ব বায়ুভূত নয়, সে পছন্দের রাজনীতি/সমাজনীতি আছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা বা তার সূত্রপাত আর কী! 

     সোমনাথ, জনপ্রিয়তার নিরিখে নয়, তবে বাংলা ভাষায় সমকালীনতাকে ঢুকিয়ে দেয়ার জন্য, অজিত চৌধুরী ও দীপংকর দাস/ত্রিদিব সেনগুপ্তকে সেলাম করা উচিত। লেখাটা বেশ ভাল। 

    রৌহীন, খিল্লি করলে কিছু উপকার হয়? বা নেমিং শেমিং করলে?   

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন