• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • অ-সংরক্ষণ

    Jhuma Samadder লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৫১৯ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ১.
    "হাঁ রে সহদেব ...তুদের কী হইল বল দেখি? আইজকাইল খুব বুকের পাটা হইঞঁছে দেখছি তুদিগের! তুরা কি বামুন হঞেঁ গেলি, 'ন কি?"

    "কেন্যে ঠাকুর, কী হইল?"

    "তুর বিটার তো আজকাল খুব তেল হইঞঁছে দেখছি। দমে চিল্লায়েঁ সমোসকিতো পইড়তে শুইনলম। পূজার মন্ত্র। তুরা 'মাহাতো', সি কথা কি বিলকুল ভুইল্যে মাইরে দিলি, ন' কি? জানিস নাই বটে, পূজার মন্ত্র পইড়লে তুদিগের পাপ হয়? তুর বিটার লাইগ্যে কি সমাজ সংসার সব রসাতলে যাবে, ন'কি?"

    "পূজার মন্ত্র বইলছ্যে?"

    "তো আমি কি মিছা কথা বইলছ্যি, ন'কি? ডাক, ডাইক্যে জিগা উয়াকে। আমি নিজের কানে শুইনে ছুইট্যে আইসেছি। ছি! ছি! ছি! কি অনাচার!
    আইজকাইলকার সব বাবুদের শওরের ফ্যাসোন হইঞ্ছে। বিট্যাবিট্যি সব ইস্কুলে যাইচ্ছেঁ। লিখ্যাপড়া শিখ্যে সব বাবু হবেন!
    সেই ছিরি রামচন্দ্রের কাল থেইক্যে লিয়ম, নীচু জাত পূজাপাঠ কইরলে, সমোসকিতো মন্ত্র বইললে, পাপ হয়। সেই পাপে বাহ্মোণ সন্তানের মিত্যু হয়। রামচন্দ্রো 'শম্বুক' নামের এক শূদ্রকে কাঁড়বাঁশ ছুঁইড়ে মাইরে ধরণী'কে পাপের হাত থিক্যে বাচাইঞ্ছিল। উ 'শম্বুক' ধ্যান কইরে পাপ কইরেছিল পর্বতে যাঁয়ে। কিছুই তো জানিস নাই। তুদিগের পাপে আমরাও কি মইরব, ন'কি? "

    "কি বইলছেন, কত্তা? হাঁই হপনা... "

    "হঁ বাবা। হাঁইকছ কেনে?"

    "তুই ন'কি পূজার মন্ত্র বইলছিলি?"

    "হঁ। তো ইস্কুলে পড়া দিইচ্ছেঁ...'সরস্বতী স্তোত্র'। কাইল পড়া ধইরবে। পইড়ব নাই, তো কী কইরব? মাইস্টার বাবু বেতের বারি দিব্যে তো, পড়া বইলতে লাইড়লে..."

    "বেতের বারি দিব্যে, বেতের বারি খাবি। তো কী হইঞছেঁ? তাই বইল্যে সমোসকিতো মন্ত্র বইলব্যি? কই, বই কুথায়? টুকুন লিয়ে আয়। আমি দেইখছ্যি তারপর। মাচিস'টো কুথায়?"

    "শুন সহদেব, আমার ঘরে দুটা গরু আছে। কাল থিক্যে ওদুটা বাগালি কইরব্যে ও। ইস্কুলে পাঠাবি নাই, খবরদার!"

    "হঁ ঠাকুর। ও আমার ঘরের গরুদুটাও বাগালি কইরব্যে কাইল থাইক্যে। ইস্কুল যাইতে হব্যেক নাই আর।"

    "আমি আর মন্ত্র পইড়ব নাই, বাবা। বই জ্বালাইয়ো না বাবা। ইস্কুল যাব, বাবা। ঠাকুর, আর সমোসকিতো মন্ত্র আর পইড়ব নাই। বাবাকে বলো...বই জ্বালাই দিছে..."

    সকাল সকাল গরুবাগালি করতে করতে মনে মনে ফুঁসতে ফুঁসতে থাকে হপনা , "দেইখ্যে লুব একদিন শালা। মোড়ল'টকে একা পাই..."
    সত্যিই একদিন টালি ছুঁড়ে মোড়লের মাথা ফাটিয়ে দেয় সে।

    তাকে আর রোহিত ভেমূলা হতে হয় না।

    ২.
    আরতি মুণ্ডা। গাঁয়ে ঢোকার আগে যে বাঁধটা, সেখান থেকে স্নান সেরে বাসনের পাঁজা নিয়ে আমার পেছনে পেছনে ঘরে ঢুকে ঝকঝকে মাজা ঘটিতে 'টিউকল' থেকে ঠান্ডা জল এনে হাতে দিত। ছাগল ছানা কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকত গা ঘেঁষে। ঘরের ভেতরে নিয়ে গিয়ে বই খাতা বের করে দেখাত সে আমায়।
    "কোন ক্লাসে পড়িস?"
    "নাইন।"
    "কোথায় পড়িস?"
    "বেগুনকোদর।"
    "ও বাবা! সে তো অনেক দূর। কিসে যাস?"
    "সাইকেলে।"
    "শুধু স্কুলে পড়িস? না টিউশনও যাস?"
    "টিউশনও পড়ি।"
    "কোথায়?"
    "বেগুনকোদরেই। ইস্কুলের পরে যাই।"
    "তাহলে রাত হয় তো ফিরতে?"
    "হঁ। ইখানে কুনো ভয় নাই।"
    খাতা খুলে দেখি, ঝকঝকে হাতের লেখায়, 'Fulmani's dream', 'জাতীয়তাবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের পার্থক্য' লেখা।
    "কি হবি বড় হয়ে?"
    লজ্জা লজ্জা করে বলে, "দেখি। কিছু ঠিক করি নাই। পইড়ব। দাদু'কে বইলব্যে? আমাক্যে কলেজে ভইরতি কইরে দিতে?"

    দু'বছর পরে বিয়ে হয়ে গেল আরতির।
    "নাতনির বিয়ে দিয়ে দিলে কেন, জলধর'দা? পড়ছিল...মাধ্যমিক পাশ করল। আরও পড়ালে না কেন?"

    "নাঃ। কি হব্যেক? শহরে পইড়বার বহুত হ্যাপা। আদিবাসী মেইয়ে, যা পইড়েছে, অনেক। ইয়ার চাইত্যে বেশী পইড়লে বিয়া দিয়া যাইত্য না।"

    সে আর চুনী কোটাল হয় না।

    ৩.
    যুদ্ধ করে সমাজের মাথাদের ডিঙিয়ে চুনী কোটাল, মেরুনা মূর্মূরা যখন কলেজে পড়াতে যান, আপনাদের ধারণা আছে, কতটা পাহাড় ডিঙোতে হয় তাঁদের?

    'সংরক্ষণ' এঁদের এই পাহাড় ডিঙোতে একচুলও সাহায্য করে না। অথচ, শহরের প্রিভিলেজড্ ক্লাসের ধারণা, এঁরা 'সংরক্ষণে'র সাহায্যেই এতদূর উঠে আসতে পেরেছেন। না স্যার/ম্যাডাম, ওঁরা নিজেদের ক্ষমতায়ই উঠে এসেছেন।

    তবুও, আপনাদের ট্রোলের সামনে দাঁড়িয়ে লড়তে পারেন না তাঁরা। আত্মহত্যা করতে হয় 'চুনী কোটাল'দের। 'সংরক্ষণ' তাঁদের এগিয়ে যাওয়ার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়।

    'সংরক্ষণ' বন্ধ হোক। সমস্ত রকমের 'সংরক্ষণ'। 'ব্রাহ্মণের ছেলের পুজো করার অধিকার' সংরক্ষণ থেকে 'কোটার জোরে চান্স পেয়েছে' পর্যন্ত 'সংরক্ষণ'। আম্বানির ছেলের কুটো না নেড়ে বিলিওনেয়ার হওয়ার 'সংরক্ষণ'। ব্রাহ্মণের যে কোনো পেশায় যাওয়ার অধিকার 'সংরক্ষণ'। তাঁরা হোটেলে রাঁধলে বামুনের হাতে খাওয়ার আভিজাত্যের 'সংরক্ষণ'। নীচু জাতের ছেলের ম্যানহোল পরিস্কারের 'সংরক্ষণ'।

    আর কোনো চুনী কোটাল, রোহিত ভেমূলা, মেরুনা মূর্মূ চাই না। নিজের হিসেব নিজেই বুঝে নিন ওঁরা।

    আজ স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর হতে চলা দেশেও যখন আশি শতাংশ আদিবাসী প্রান্তিক মানুষকে 'উচ্চবর্ণে'র সঙ্গে একাসনে বসানো সম্ভব হয় নি যখন, তখন আর বুঝতে বাকী থাকে না, এই সংরক্ষণ কেবল 'ডিভাইড এ্যান্ড রুল'-এর হাতিয়ার ছাড়া আর কিচ্ছু নয়। আপনাদের ট্রোল করবার সুযোগ দেওয়া ছাড়া এর আর কোনো সাফল্য নেই।

    ঝাড়খণ্ডের এক 'নীচু জাতের লোক' একবার বলেছিলেন, "হামলোগোঁকে লিয়ে পানি কা গিলাস, খানে কা বর্তন আলগ হোতা হ্যায়। দেখনে সে মালুম হো যাতা হ্যায় হামকো।"
    সেই কথা প্রসঙ্গে একজন নীচুতলার পুলিশ বলেছিলেন,
    " বতাইয়ে, টু প্লাস টু, ডিভাইডেড বাই টু, কিতনা হোতা হ্যায়?"
    " টু..."
    " উঁহু। থ্রি। বন গ্যয়ে না বেওকুফ? এ্যাডিশন কে পইলে, ডিভাইড করনা হোতা হ্যায়।
    গরমিন্ট কা কাম ভি ওইসা হী হোতা হ্যায়, মেমসাব। পাঈলা ডিভাইড। উসকে বাদ আম আদমি'কো দেশ সে জোড়নে কা নাটক করকে বেওকুফ বানানা পড়তা হ্যায়।"
  • বিভাগ : ব্লগ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৫১৯ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আরও পড়ুন
'The market...' - Jhuma Samadder
আরও পড়ুন
কাঠাম - Rumela Saha
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রঞ্জন | 182.69.64.235 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৭:১৫97217
  • স্যালুট ঝুমা আপনাকে!

    ছত্তিসগড়ের আদিবাসী অঞ্চলে তিরিশ বছরের অভিজ্ঞতায় জানি আপনার লেখার ছবিগুলো.১০০ নয়, ১১০% সত্যি। ওরা পা বাড়ায় নিজের গুণে, নিজের জোরে। 

  • Jhuma Samadder | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:৫৫97221
  • ধন্যবাদ রঞ্জন। এগুলো যে প্রত্যেকটাই সত্যি ঘটনা। আমার নিজের চোখে দেখা।

  • এলেবেলে | 202.142.96.200 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:৫২97222
  • খুব ভালো লাগল। শুধু একটু কনফার্ম করবেন পুরুলিয়াতে 'মাহাতো' পদবিটা উচ্চবর্ণের কি না? কেমন যেন একটা খটকা লাগছে। তাই জিজ্ঞাসা করলাম।

    তবে এটা শুধু তো আর পুরুলিয়ার সমস্যা নয়, গোটা বাংলারই সমস্যা। প্রান্তিক করে দেওয়া ব্রাত্য করে দেওয়া অপাঙ্‌ক্তেয় করে দেওয়ার ঐতিহ্য যে অনেক দিনের।

  • Jhuma Samadder | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৬:১৯97227
  • এলেবেলে, 'মাহাতো'দের মধ্যে অনেক ভাগ আছে। তবে, পুরুলিয়ার 'মাহাতো'রা বেশীরভাগই 'কুর্মি' সম্প্রদায়ের মানুষ।       

  • | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৭:৩৯97236
  • খুব ভাল লেখা।
  • অনিন্দিতা | 103.87.56.95 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৯:১২97237
  • লেখাটি অামাদের নিজেদের সামনেই নিজেদের  দাঁড় করিয়ে দেয়। 

    প্রণব বর্ধনের ‘স্মৃতিকন্ডুয়ন’ হয়তো অনেকেরই মনে আছে। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে দিনের শেষে অধ্যাপকেদের আড্ডায় চেয়ার টেনে নিয়ে বসে পড়ে সাফাই কর্মচারীটি, আলোচ্য বিষয় বেসবল ম্যাচ। ওঁর নিজের ভাষায়, এটি ক্লাসলেস সোসাইটি নয় তো কি! আমরা কি আজও ভাবতে পারি আমার বাড়ির কাজের মেয়েটি আমার সাথে টেবিলে বসে ভাত খাচ্ছে! 

  • Jhuma Samadder | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২২:১০97239
  • ধন্যবাদ দ। ধন্যবাদ অনিন্দিতা। 

  • মৃণাল শতপথী | 115.187.49.129 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২২:৫০97240
  • ২০১৯ সালে জেনারেল ক্যাটেগরিতে ১০% সংরক্ষণ চালু হয়েছে এবং তাতে কোনো মেধাজনিত প্রশ্ন দেখা দেয়নি।ক্যাপিটেশন ফি দিয়ে পাস করা ডাক্তার, ফাঁকা পড়ে থাকা ইঞ্জিনিয়ারিং আসন ভরাতে টাকার বিনিময়ে যে কেউ ভর্তি,না মেধার প্রশ্ন ওঠে না।এখানেই বৈষম্যের ছবিটা অতি স্পষ্ট,তার ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয় না বিশে।       

  • Jhuma Samadder | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৩:০৮97245
  • মৃণাল শতপথি,  একেবারে ঠিক কথা। অন্য কোনো রিজার্ভেশন নিয়েই মেধার কোনো কথা ওঠে না।  কেবল 'নীচু জাত' দেখলেই, "টাইটেল দেখে ডাক্তার দেখাই", " মেয়ের মাস্টার রাখি  পদবী দেখে" - ধরনের কথা শোনা যা।  

  • Sasadhar Mahata | 2409:4061:517:38de:995d:7cca:8f81:98c1 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ০৯:৪২97249
  •  ছোটোনাগ পুর  অঞ্চলের মাহাত রা   কুর্মি  নয়  কুড়মী | দুটো  আলাদা |এরা  আগে  এস  টি  ছিলো | কোনো  অজানা কারনে  তারা  এস টি  তালিকা  থেকে বাদ পরে | তারা আন্দোলন  করছে  এস টি  তালিকা  তে  আসার  জন্য |  বিহারের  মাহাতরা  কুর্মি | যায়হোক  লেখার  মূল সুরের  সঙ্গে  একমত |

  • Jhuma Samadder | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৫:৪৩97255
  • Sasadhar Mahata হ্যাঁ। ঠিক বলেছেন। এঁরা 'কুড়মি'। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত