• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  বিবিধ

  • সক্রেটিস ও তাঁর শিক্ষা - ২

    সুকান্ত ঘোষ লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | বিবিধ | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ২১২ বার পঠিত
  • ২.৫/৫ ( ২ জন)
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • এক | দুই
    পটলওলা ফিলসফিক্যাল পটলতোলা বুঝতে পারে নি বলে সক্রেটিস ঈষৎ খাপ্পা হয়ে গেছেন – আশাপাশে তখন তাঁর প্রিয় ছাত্র – গোলগাপ্পাস, হোগাসপোগাস, ফাষ্টোকেলাস, হলুদঅমলতাস, গপগপখাস ও একদমঝাক্কাস।

    ফাষ্টোকেলাস এমনিতে খাই খাই করলেও সে বেশী খেতে পারত না, তার আহিঙ্কেটাই ছিল ষোলআনা। খেত বেশী গপগপখাস – নিঃশব্দে খেত, যা পেত খেত। উত্থাপম খেয়ে সক্রেটিসের মতই তারও ঠিক জমে নি। তাই পটলের পাশের ঝুড়িতে কচি শসা দেখতে পেয়েই তুলে নিয়ে দিয়েছে কামড়। সব্জীওলা কমপ্লেন করলে সাথে সাথে, “স্যার দেখুন, কেমন কামড় দিচ্ছে আমার শসায়!” সক্রেটিস বিরক্ত হলেন,

    “অ্যাই, তোদের এই যেখানে সেখানে মুখ দেবার অভ্যাসের জন্য আমাকে কোনদিন বিপদে পড়তে হবে”।

    হলুদঅমলতাস আগের দিন মাটির কাছাকাছি ভাষা ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে ফেঁসে আছে – নিজের অবস্থার রিকভারী করার চেষ্টায় সে পাশ থেকে শুদ্ধ ভাষা প্রয়োগের চেষ্টা করল,

    “স্যার, ও লেহন করে নাই কিন্তু -”

    সক্রেটিস আর কি লেহনের ভিতরে ঢুকলেন না, সব্জীওলাকে বললেন, “তুমি ওই শসার দামটা আমার খাতায় তুলে নিও”।

    হলুদঅমলতাসের থামার লক্ষণ নেই, সে বলেই চলল, “স্যার, কাল সন্ধের দিকে কিন্তু ম্যাডাম বাড়িতে বাজার নেই বলে ফোঁসফাঁস করছিল”।

    ফাষ্টোকেলাস সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ জানালো – “তুই জেনে বসে আছিস! ফালতু বেশী সব্জী কিনে নিয়ে গিয়ে শেষে বাড়তি হয়ে পচে গেলে আবার স্যারকে ধ্যাতানি খেতে হবে”।

    সক্রেটিস দেখলেন ছাত্ররা বাজারের মধ্যে সাংসারিক বেঁফাস কথা বলতে শুরু করেছে – এদিকে নিজেরও মনে পড়ছে না বউ কিছু আনতে বলেছে কিনা। ভয় ভয়ও করছে একটু – যদি কিছু নিয়ে যেতে বলে থাকে আর ভুলে যান – তাহলে ফিলসফি কোন দিকে দিয়ে বেরিয়ে পালাবার পথ পাবে বলা মুশকিল। কি করা যায়! একটু ভেবে বললেন গোলপাপ্পাস এবং হোগাসপোগাসের উদ্দেশ্যে,

    “তোরা দুজনে একটু চট করে কোটেশনের খাতা থেকে দেখত আমি কাল সব্জী বা বাজার করা নিয়ে কিছু ফিলসফি করেছি কিনা”।

    দুজনে খুব করে খাতা উল্টাতে লাগলো – চাপা কম্পিটিশন চলে এল, কে আগে খুঁজে পায় কিছু। গোলপাপ্পাস বলল,

    “পেয়েছি স্যার – কাল আপনি বলেছিলেন, “অপরের কাজকর্ম থেকে সর্বদা শেখার চেষ্টা করবে, তাহলে সে যে কষ্ট করে উপলব্ধিটা পাচ্ছে, সেই কষ্টটা তোমাকে আর করতে হবে না”।

    সক্রেটিস কিছু বলার আগেই হোগাসপোগাস চ্যালেঞ্জ করল, “এই কোটেশন কি করে সব্জীর সাথে সম্পর্ক যুক্ত হয়? গোলগাপ্পাসও ছাড়ার পাত্র নয়, সে ব্যাখ্যা দিল,

    “স্যার, আমার মনে হচ্ছে আপনি বাজার করতে গিয়ে অন্য লোকে কোন দোকান থেকে বেশী কিনছে সেটা লক্ষ্য রাখার কথা বলেছেন। ধরুন, কেউ পচা মাছ নিয়ে গিয়েছিল কিনে কালকে – সে নিশ্চয়ই একই দোকান থেকে আর মাছ কিনবে না – তাই আপনি যদি ওকে ফলো করেন, তাহলে আপনাকে কোনদিনই আর পচা মাছের পাল্লায় পড়তে হবে না। আপনারই শেখানো সেমি-ডিডাকশন মেথড কাজে লাগালাম আর কি”।

    এবার সক্রেটিস নিজে কনফিউজড – বলেলেন, “আচ্ছা কালকে আর কি বলেছি দেখ”।

    হোগাসপোগাস এবার খুঁজে পেয়েছে কিছু, “স্যার আপনি কাল বলেছিলেন, “এই বাজার-হাট করে বেঁচে থাকার মত লোক আমি নয়, কারণ এই কাজের জন্য আমি খুব বেশী সৎ”।

    আগের বারে গোলগাপ্পাস নিজের বেলায় বাধা পেয়েছে, এখন সে ছাড়ে, তাই বলে উঠল, “এ্যাই হোগাসগোগাস, তুই দেখা খাতাটা সবাইকে কি লেখা আছে? তুই বিকৃত করছিস শব্দ, স্যার বাজার-হাট করা লোকের কথা বলেন নি, বলেছিলেন ‘পলেটিশিয়ান’ হিসাবে জীবন না চালাতে পারার কথা কারণ তিনি খুব সৎ”।

    দোকানের সামনে জ্যাম করে এই তর্ক বিতর্কে অন্য খদ্দেররা ঢুকতে পারছে না, তাই দোকানী বিরক্ত হয়ে বলল, “স্যার, আপনি পটল, শসা – আর যা যা মনে হয় নিয়ে যান, বাড়িতে গিয়ে যদি বৌদি বলেন যে লাগবে না সব কিছু – তাহলে বাকিটা ছাত্রদের হাত দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেবেন”।

    সক্রেটিসের মনে ধরল যুক্তি, বললেন, “তোমার কথা যুক্তি আছে – পরের বার আমার তর্ক সভায় যাবার গেষ্ট কার্ড তোমাকে পাঠিয়ে দেব। তর্কের লড়াইয়ের হাফটাইমের সময় তোমার সাথে যুক্তি করা যাবে। ওহে গপগপখাস, শসা লেহন বন্ধ রেখে এবার কিছু শসা উত্তলন করো ঝুড়ি থেকে।

    বাজারে কি কি সব্জী কেনা উচিত হবে সেই নিয়ে সক্রেটিসের সাথে ছাত্রদের বিশাল বিতর্ক চলতেই থাকল দোকানের পাশে। বউ এতক্ষণে ঘুম থেকে উঠে পড়েছে বলে সক্রেটিসের হালকা টেনশনও হতে লাগলো। শসা আর পটল কেনা হয়ে গেছে – এই দুটোর কোনটাই কেনার কথা ছিল না। পটলের চক্করে পড়তে হয়েছে ফিলসফি মারাতে গিয়ে আর শসাতে মুখ দিয়ে ফেলেছিল গপগপখাস, তাই সিচ্যুয়েশন ডিফিউজ করার জন্য কচি শসাও কিছু কিনতে হয়েছে।

    গপগপখাস তখনও একমনে শসা চিবুচ্ছিল – পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হলুদঅমলতাসকে বলল, “আজকাল বয়স কম বয়েসে বীচি বড় হয়ে যাওয়াটা কেমন যেন কমন হয়ে গেছে!”। সেই শুনে হলুদঅমলতাসের ঈষৎ হাঁ হয়ে আসা মুখ দেখতে পেয়ে গপগপখাস ক্লারিফাই করল যে সে শসার ব্যাপারে কথা বলছে।

    ওদিকে ফাষ্টোকেলাস আর একদমঝাক্কাস স্যার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে কি সব আলোচনা করছিল। শোনা গেল ফাষ্টোকেলাস বলছে,

    - স্যার, আজকে অন্য একটু সব্জী নিয়ে গেলে ম্যাডাম কি খুর রাগ করবে?
    - কি সব্জী বল – তবে উত্থাপমের মতন কেস যেন না হয়, একদিনের জন্য সাউথের খাবারের কোটা খতম
    - না স্যার, আমি ইষ্টের সব্জী বলছিলাম – ‘কচুর লতি’ খাবেন?
    - কচুর লতি, সে কেমন জিনিস?
    - আগে স্যার সাধারণ লোকের অভাবের আঁদাড় পাঁদার থেকে কচুর লতি তুলে খেত। কিন্তু আজকাল এ জিনিসকে ডেলিকেসী বলে চালানো হয়। খুব জনপ্রিয় - অনেকেই খাচ্ছে

    এই কথোপকথন শুনে কচুর লতি যে বিক্রী করছিল সে দেখল এই সুযোগ এথেন্সের আদি বাসিন্দাদের মধ্যে কচুর লতি ঘুঁসিয়ে দেবার। সে কথার মাঝে ফোড়ন কাটল –

    - স্যার, আপনার ছাত্র ঠিক বলছে। এই তো আগের দিন প্লেটো-স্যার নিয়ে গেলেন দু-বান্ডিল। হেরোডেটাস স্যারের পুরো ফ্যামিলি তো কচুর লতি বলতে পাগল। ডেমোক্রেটাস স্যার খোঁজ নিচ্ছিলেন যে ফ্রেস মাল কবে আসবে।
    - ঠিক আছে, ঠিক আছে। কিন্তু খেতে কেমন, আমাদের দেশীয় কোন চেনা সব্জীর মত কি?
    - না স্যার – এর কোন কাছাকাছি সব্জী আমাদের নেই। অ্যারিষ্টটল স্যার একটা গাব্দা বই নিয়ে এসে অনেকক্ষণ দেখে কনফার্ম করে গেছেন।
    - তবুও, জানো তো তোমাদের বৌদিকে – পাঁড় এথেন্সীয় একেবারে। পূর্ব দিকের খাবার খাবার অভ্যাস নেই।

    তারপর ছাত্রদের দিকে ফিরে জিজ্ঞেস করলেন –

    - অ্যাই, তোরা কেউ জানিস কচুর লতি কেমন খেতে

    ফাষ্টোকেলাস উত্তর দিল

    - স্যার, একেবারে আউট অফ দ্যা বক্স খেতে। আপনি কি দিয়ে রাঁধবেন তার উপর ডিপেন্ড করবে।
    - তুই এত সব জানলি কি করে?
    - বাবা ট্যুরে যায় না! সেখানে শিখে এসেছে সব। আমি বলি কি স্যার, যাবার সময় কিছু চুনো মাছ কিনে নিয়ে যাওয়া হোক। চুনো মাছ দিয়ে কচুর লতি ভালো জমবে।

    হোগাসপোগাস এবার বেশ ধৈর্য্য হারালো, “স্যার শসা, কচুর লতি, চুনো মাছ এই তো চলছে! অনেকক্ষণ যাবৎ টোকার মত কিছু কোটেশন ছাড়েন নি – কলমের ডগার কালি শুকিয়ে গেল”।

    গোলগাপ্পাস ফুট কাটলো, “কত কি শুকোবে আস্তে আস্তে”

    সক্রেটিস শুনতে পেয়ে বললেন, “এটা কি তুই আমাকে বললি? আমি কি তোদের ম্যাডামকে ভয় খাই নাকি! যাই হোক কোটেশন শুনতে চাইছিস যখন লিখে নে,

    “কোন সব্জীওলা যদি কচুর লতি নিয়ে খুব গর্ব করে তবুও তার কচুর প্রশংসা করা উচিত হবে না যতক্ষণ না তুমি জানছ তার নিজের বাড়িতে নিয়মিত কচুর লতি রান্না হয়”

    গপগপখাস সক্রেটিসের সাথে বৃথা তর্কে না গিয়ে প্রায় নিজের মনেই বিড়বিড় করতে লাগলো,

    “যাই বলেন স্যার, ঝোলের কাছে কেউ নি – ঝোলের চেয়ে প্রিয় কিছু নেই – ঝোলের আশেপাশে কেউ জাষ্ট আসে না”

    বাকি ছাত্ররা খাবার এবং সব্জীর ব্যাপারে সক্রেটিসের সাথে অল্প বিস্তর এনগেজ হলেও, একদমঝাক্কাস-এর এই সব নিয়ে মাথাব্যাথা ছিল না একদমই। তার ইন্টারেষ্টের জিনিস ছিল পোষাকআষাক – স্যার যাকে আদর করে ফ্যাশান নাম দিয়েছেন। মাথায় তখন ঘুরছে সেদিনের বাজারে দেখা এক বিদেশীর পোষাক – সে বড় অদ্ভূত জিনিস। ফেত্তা মারা কাপড় নয়, দু-পায়ে আলাদা ঢাকা দেওয়া এবং তারা কোমরের কাছে গিয়ে মিশে গেছে। সেই জিনিস পড়ে দেখা গেল লোকটি ফ্রীলি মুভ করছে। কিন্তু একদমঝাক্কাসের মাথায় একটা প্রশ্ন খেলে গেল – লোকটা পেচ্ছাপ করে কি করে! সেটা বোঝার জন্য লোকটাকে প্রায় ঘন্টা তিনেক ফলো করল, কিন্তু সে মাল পেচ্ছাপ বসতে গেল না একবারও! একদমঝাক্কাসের নিজেরই পেচ্ছাপ পেয়ে গেল – ফিরে এসে দেখে হাওয়া সে বিদেশী।

    তবে আজকে ঠান্ডা মাথায় ভাবতে বসে একদমঝাক্কাস টের পেল সব জিনিসেরই প্রোস অ্যান্ড কনস্‌ আছে। পেচ্ছাপ যদিও ম্যানেজ হয়ে যায় – কিন্তু সেই দুপায়ে জামা লাগিয়ে চুলকানোর কি সুবিধা? গ্রীষ্ম প্রধান গ্রীসে ফেত্তা মারা পরনের কাপড়ের সেই দিক দিয়ে দেখতে গেলে জুড়ি নেই – চুলকানো সামাজিক ভাবেই স্বীকৃত। কয়েক বছর আগে আইন করে বিতর্ক সভায় এবং চু-কিতকিত খেলায় ‘চুলকানো’-র জন্য টাইম আউট চাওয়া ন্যায্য বলে দেগে দেওয়া হয়েছে। স্যারকে একদিন এই নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেছিলেন –

    “চুলকানি দেখে ব্যক্তির সঠিক মূল্যায়ন করা যায়”

    যাই হোক আজকাল অনেকে চকের গুঁড়ো লাগাতে শুরু করেছে কাপড়ের নীচে। একদমঝাক্কাস ভাবছিল সেও চকের গুঁড়ো লাগাতে শুরু করবে নাকি – এমন সময় ফাষ্টোকেলাস এসে ঠ্যালা দিল, “ওঠ, কাঁচা বাজার প্রায় শেষ – এখন চুনো মাছ কিনতে যেতে হবে।

    প্রবল অনিচ্ছা সত্ত্বেও উঠে বসল একদমঝাক্কাস।

    [ক্রমশঃ]
    এক | দুই
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ২১২ বার পঠিত
  • ২.৫/৫ ( ২ জন)
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • a | 194.193.160.235 | ১০ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১৬:০০97102
  • একদমঝক্কাস হচ্ছে, ফাস্টোকেলাস হচ্ছেও বলা যায়
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত