• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • প্রবাসীর ডায়েরি - ২

    Anjan Banerjee
    বিভাগ : আলোচনা | ১২ জুন ২০২০ | ৪২৯ বার পঠিত
  • ২৫শে মে-র আগের মিনিয়াপোলিস আর ২৫শে মে-র পরের মিনিয়াপোলিসে অনেক ফারাক। পিটারের পরিবার আগে মিনিয়াপোলিসে থাকত। চুপচাপ সাতে পাঁচে না থাকা একটা জায়গা। এখন সেখান থেকে প্রতিবাদের গর্জন উঠে আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে গোটা আমেরিকায়।
    নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিন ব্রিজ নাকি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।পিটারের এক প্রতিবেশী স্যামি বুচার বলল সান ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন গেট ব্রিজও ক্লোজ করে দেওয়া হয়েছে , অ্যাজিটেটররা যাতে ঢোকবার রাস্তা না পায়। কিন্তু এভাবে এ দুর্দম প্লাবন রোখা যাচ্ছে না একেবারেই। শিকাগোর ইউনিয়ন পার্কে প্রতিদিন হাজারো মানুষের জমায়েত হচ্ছে। রোখা যাচ্ছে না। স্যামি প্রতি ঘন্টার আপডেট জানাতে থাকে। বলল যে পোর্টল্যান্ড এবং সিয়াটেল-এ প্রচুর লোক গ্রেফতার হয়েছে। সিয়াটেল এখান থেকে অনেক দূর।শ্বেতাঙ্গের সংখ্যাই বেশি। লস এঞ্জেলেস-এ হলিউডের দিকে যাবার রাস্তা আটকে দিয়েছে প্রতিবাদীরা। হোয়াটস অ্যাপে ভি ডি ও শেয়ার হতে থাকে । স্যামি ওই ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে লাগাতার গলার শিরা ফুলিয়ে উচ্চৈস্বরে উত্তেজনা প্রকাশ করছে আর মোবাইলে আটলান্টা, ফিলাডেলফিয়া আর ওয়াশিংটন ডিসি-র টাটকা ছবি দেখাচ্ছে। আকাশ বাতাস কাঁপানো শ্লোগান উঠছে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ ! হোয়াইট হাউসের আশপাশে লোক থিকথিক করছে। সামনের রাস্তায়, স্যামির মোবাইলে দেখছি, বিরাট করে লেখা হয়েছে ‘ ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’। দেখতে দেখতে আমি কেমন আনমনা হয়ে গেলাম। আমার সামনে পেছনে অগনন মানুষের ঢেউয়ে ভাসতে ভাসতে আমার মতো ভীতুর ডিমের মনে হল আহা আমাদের দেশেও যদি এমন জিগির তুলত কেউ -‘ পুওরস লাইভস ম্যাটার ‘ !

    ব্যারাক ওবামা বৈষম্যমূলক আইনকানুন সংষ্কারের কিছুটা চেষ্টা করেছিলেন বলে শুনেছি।কিন্তু সেনেটে রিপাবলিকানদের প্রবল বাধায় তা ভেস্তে যায়। পিটাররা রিপাবলিকানদের ওপর হাড়ে চটা ।

    আমি আমার অ্যাপার্টমেন্ট লক করে বেরিয়ে এসেছি। জানিনা কখন কোথায় থাকতে হবে। পিটারের খুব ইচ্ছে ওয়াশিংটনে গিয়ে হোয়াইট হাউসের সামনে আন্দোলনে যোগ দেয়। কিন্তু প্যানডেমিকের জন্য ফ্লাইট প্রায় বন্ধই বলা যায়। আমি ঝোঁকের মাথায় বেরিয়ে এলেও দুদিনের বেশি ডিউটি বাঙ্ক করা যাবে না। চিন্তা করছি কি করা যায়। পিটাররা গেলেও আমার বোধহয় ওয়াশিংটনে যাওয়া হবে না। হোয়াইট হাউসের সামনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য মন ছটফট করছে। বাড়ি থেকে ভিডিও কল এসেছিল কাল রাত্রে। মা বাবা এখানকার সিচুয়েশান জানতে চাইছিল। সংক্ষেপে বললাম মোটামুটি। আসলে আমি নিরাপদে আছি কিনা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেটাই জিজ্ঞাসা করছিল ওরা। অামি ঘুনাক্ষরেও প্রকাশ করিনি আমার কুকীর্তি( ! ) । তাহলে সে খবর বিভিন্ন আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও পরিচিতকূলে পল্লবিত হয়ে এক হৃদয়বিদারক ট্র্যাজেডির রূপ ধারণ করবে। তারপর খুব শীঘ্র মহাসিন্ধুর ওপার থেকে রাশি রাশি উপদেশের অঝোর শিলাবৃষ্টি নেমে অাসতে থাকবে যাতে আমি আমার এই দুর্বুদ্ধি ঝেড়ে ফেলে দিই। সুতরাং বাস্তববুদ্ধিসম্পন্নের মতো আমি সবকিছু চেপে গেলাম। আমার এখনও গ্রীন কার্ড হয়নি। এখানকার মাইক্রোবায়োলজি ইনস্টিটিউট স্টেট ফেলোশিপের মেয়াদ আর ছমাস পরে শেষ হয়ে যাবে। করোনা ভাইরাসের কারণে সেটাও এখন অনিশ্চিত হয়ে আছে। এখন এই মুভমেন্টে পার্টিসিপেট করে স্কলারশিপটা মার খেলে খুবই মুশ্কিলে পড়ে যাব সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই। কারণ, লোন করে তার চাপ নেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই।
    হসপিটালে বেড নেই। ন্যান্সি হোম আইসোলেশনে আছে। সাত আটদিন হয়ে গেল। এখন অনেকটা সুস্থ।তাই পিটারকে বেশ চনমনে দেখাচ্ছে।
    এটা ক্যাপিটালিস্ট দেশ ঠিকই। কিন্তু সবাই বড়লোক নয়। বৈষম্য আছে প্রচুর। তা এই পিটারদের দেখলেই বোঝা যায়। ব্রঙ্কস আর কুইন্সকে নিউ ইয়র্কের বাকী অংশের সঙ্গে মেলালেই ছবিটা পরিষ্কার হবে। প্রদীপের নীচে অন্ধকার না কি যেন একটা কথা আছে না !
    এখানে বা কানাডায় অসুখ বিসুখ করলে খুব মুশ্কিল। হেলথ ইনশিওরেন্স ছাড়া এখানে চিকিৎসার খরচ চালানো মুশ্কিল। এমনকি ডক্টর ভিজিট করাও মুশ্কিল। সেই কারণেই করোনা আক্রমণে পিটারদের মহল্লায় পটাপট লোক মরেছে।
    প্রেসিডেন্টের জন্য সরকারের মোট খরচের বহর শুনলে চোখ কপালে উঠবে। আমার বদস্বভাব হল, একটা না একটা কথা ঠি ক ভেসে ওঠে মনে ...... ইন্ডিয়ায় গত বাজেটে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল কেবল একজনের জন্য এক জোড়া বোয়িং বিমান কেনার খাতে ।অন্যান্য মোট খরচের পরিমাণ হিসেব করতে গেলে সব তালগোল পাকিয়ে যাবে।
    স্যামি খুব ভাল বাস্কেটবল প্লেয়ার। এখন লকডাউনের জন্য কোর্টে যাওয়া বন্ধ। ওখানেও জমায়েত হচ্ছে কদিন ধরে । সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং শিকেয় উঠেছে। বাস্কেটবল কোর্ট আমার আস্তানা থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে।আমরা হাঁটতে হাঁটতে গেলাম। তিনশোর মতো মানুষ জড়ো হয়েছে সাদা কালো মিলে। একটা মেপল গাছ রয়েছে টেন্টের পাশে। শীত আসতে এখনও পাঁচ মাস দেরি। জানুয়ারী মাসে মেপলের সবুজ পাতা ঢাকা পড়ে যাবে সাদা বরফে। ওই সময়ে নিউ ইয়র্কের সবকিছু ঢাকা পড়ে যায় শুভ্র তুষারে। বড্ড শীত এখানে। কানাডায় আরও বেশি। গতবছর শীতকালে একবার গিয়েছিলাম টরেন্টোয়। ও : , সে কি ঠান্ডা !
    পিটার, স্যামি আর আমি মেপল গাছটার নীচে দাঁড়িয়েছিলাম। আমাদের তিনজনেরই ওয়াশিংটন যাওয়ার খুব ইচ্ছে। সুস্থ হয়ে গেলে ন্যান্সিও যাবে। শোনা গেল দিনে একটা করে ফ্লাইট চালু করেছে একটা কোম্পানি। কিন্তু তিনজনেরই টাকাপয়সার সমস্যা। শুধু ফ্লাইটের আপ ডাউন খরচটা ম্যানেজ করতে পারলেই হবে। ওয়াশিংটনে দুদিনের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ওখানকার সংগঠন করবে বলে জানিয়েছে।মাথা গোঁজার জায়গা না হলে কোন পার্কে কাটাব সবাই মিলে।ঠান্ডা তো পড়েনি এখনও।
    ঠিক করলাম যেতে আমাদের হবেই।স্যামি তার অভ্যেসমতো বারবার বলতে লাগল ‘ খাম অঁ গায় .... খাম অঁ ... উই ওন্ট সিট ব্যাক... গট টু বি দেয়ার এনিওয়ে... ‘ ।
    আমার কিন্তু একটা ছুটি স্যাংশান করাতে হবে। অন্তত দুদিনের জন্য। বেশি রেকলেস হওয়া ঠিক হবে না। না বলে কয়ে গেলে খাঁড়া নেমে আসতে কতক্ষণ । গোটা আমেরিকাতেই চাকরির বাজার খুব খারাপ। শুধু রিসার্চ ওরিয়েন্টেড জব বলেই টিকে আছে এখনও।কিন্তু পারমিশান নিতেই হবে। বস একজন ফ্রেঞ্চ আমেরিকান।মি. ফার্দিনান্দ দুঁফো অত্যন্ত গুণী মানুষ।কিন্তু নিজের সাবজেক্টটা ছাড়া আর কোন কিছু নিয়ে মাথা ঘামান না। ধ্যানগম্ভীর আপনভোলা লোক। ছুটি মঞ্জুর করাতে গেলাম বুকের ভেতরে গুচ্চের টেনশান নিয়ে। যাতে পে কাট না হয় আর কি ....।ওটা হলে সমস্যায় পড়ে যাব।
    সব শুনে চুপ করে রইলেন। আমি দুরুদুরু বুকে মনে একরাশ উদ্বেগ নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম।
    মিনিট খানেক পর হঠাৎ মুখ খুললেন, ‘ হোয়াট অ্যাবাউট দ্য ফ্লাইট স্টেটাস ?’
    আমি একটু থতমত খেয়ে গেলাম এই অপ্রত্যাশিত প্রশ্নে। সামলে নিয়ে বললাম, ‘ অ্যালফাইনস হ্যাস গট ইট ওপেন লাস্ট মানডে .... ‘। অ্যালফাইনস হল এখানকার লোকাল এয়ারওয়েজ।কাজপাগল মি. দুঁফো মাথা নীচু করে টেবিলের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘ পুট মি অলসো ইন ইয়োর লিস্ট ডাউন টু ওয়াশিংটন । পুট দি হোল ট্রাভেলিং বিল অন মি অ্যাজ ওয়েল ।’
    আরো বললেন, ‘ ওয়েল অ্যাডিউ.... গেট ইন টাচ উইথ মি টুমরো মর্নিং .... ওক্কে ।’
    আমি বিহ্বল হয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম।থ্যাঙ্ক য়ু বলতে ভুলে গেলাম।
    এর চেয়ে দামী উপহার আমি কোনদিন কারো কাছ থেকে পাইনি।
    ইন্টারনেটে দেখা ইন্ডিয়ার মজফ্ফরনগর রেল স্টেশনের একটা ছবি আচমকা মনে পড়ে গিয়ে আমি বেদনায় অবশ হয়ে গেলাম। ক্ষুধা, দৈহিক ধকল এবং চিকিৎসাহীন অসুস্থতার কারনে মৃত মায়ের নিদ্রাভঙ্গের চেষ্টা করছে একরত্তি এক অবোধ শিশু।
    আমি স্যারের উল্টোদিকের চেয়ারে ধপ করে বসে পড়লাম।
    স্যার ফার্দিনান্দ দুঁফো অস্থির হয়ে বললেন, ‘ হোয়াট হ্যাপেনড চ্যাটার্জি ..... আর ইউ অল রাইট ? ‘
    আমি আবার উঠে দাঁড়ালাম । স্যারের দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘ সরি স্যার.... আ’য়্যাম কোয়াইট অল রাইট।’ অস্ফুটে বললাম, ‘ উই হ্যাভ টু বি স্যার.... উই হ্যাভ টু বি..... ‘কজ পুয়োরস লাইভস অলসো ম্যাটার.....’
  • বিভাগ : আলোচনা | ১২ জুন ২০২০ | ৪২৯ বার পঠিত
আরও পড়ুন
'The market...' - Jhuma Samadder
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • জয় | 82.132.212.211 | ১২ জুন ২০২০ ২৩:১৫94249
  • দারুন হচ্ছে

  • ] | 2405:201:c802:ff9d:1950:86a4:cfce:1d0c | ১৩ জুন ২০২০ ১০:২৫94255
  • আপনি ব্যা না চ্যা?
  • r2h | 2405:201:8805:37c0:f44c:6d6:c007:940d | ১৩ জুন ২০২০ ১০:৩৮94256
  • @] ১০:২৫ - এটা তো ফিকশন।

    (তাই তো?)
  • Anjan Banerjee | 150.129.64.55 | ১৩ জুন ২০২০ ১১:৫০94258
  • হ্যাঁ ফিকশান

  • r2h | 2405:201:8805:37c0:f44c:6d6:c007:940d | ১৩ জুন ২০২০ ১২:০৮94259
  • ভালো লাগছে, চলুক।

    ভিয়েতনাম যুদ্ধ বিরোধী অন্দোলনের সময় আন্তর্জাতিক ছাত্রদের পুলিশের হাতে না পড়া এই নিয়ে নবনীতা দেবসেনের লেখা মনে পড়লো।

    কদিন আগে সিএএ বিরোধী আন্দোলনে কোন দেশের ছাত্র যেন একজনকে দেশ ছাড়তে বলা হলো।
  • Anjan Banerjee | 150.129.64.55 | ১৩ জুন ২০২০ ১৩:২০94261
  • শুভেচ্ছা নেবেন। কথাগুলো ঠিকই।

  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত