• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • আমপানের ধ্বংসস্তূপ বাংলায় নিকষকালো রাতে লন্ঠনের আলোটুকুই এখন ভরসা

    সৈকত মিস্ত্রী লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৪ মে ২০২০ | ৮৯৩ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • আরক্ত চোখে থেকে জল ঝরছিল বছর পঞ্চাশের প্রৌঢ়ার। বিড়বিড় করছিলেন- "এখন কী হবে?" ভেঙে পড়া প্রকান্ড তুলোগাছের নীচে তার দুকামরার ঘরটা ধ্বংসস্তূপ হয়ে আছে।ঘটনাটা অশোকনগর কল্যানগড় পৌরসভার ১২ নং ওয়ার্ডের। যান্ত্রিক করাত দিয়ে গাছকাটা চলছিল। সাথে সাথে ছাতের টুকরো, রড, কার্নিস ঝুরঝুর করে খসে পড়ছিল। উত্তর ২৪ পরগণার অশোকনগর, দত্তপুকুর, বিড়া, গুমা, গাইঘাটা, মছলন্দপুর, গোবরডাঙা, বনগাঁয় এমনই ছবি চোখে পড়বে। হিঙলগঞ্জ, যোগেশগঞ্জ, সন্দেশখালির চিত্র আরও ভয়াবহ।বিদ্যুৎহীন, মেবাইলের নেটওয়ার্কহীন গ্রামগুলোর সাথে যোগাযোগ করা প্রায় অসম্ভব।



    মছলন্দপুরের চাতরায় পাঁচলক্ষ টাকা ব্যঙ্কলোন করে বয়লার মুরগীর পোলট্রি দিয়েছিলেন মাণিক দে। লকডাউনে ব্যবসায় মন্দা। আশা ছিল দুঃসময় কেটে যাবে। লোন শোধ করে আবারও ঘুরে দাঁড়াবেন। সংসারে দুপয়সা লাভ হবে। বুধবারের পর তার সব আশা এখন নিরাশার অন্ধকারে তলিয়ে গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের ঝটকায় পোলট্রি ভেঙে দুমড়ে গেছে। পাখিগুলিও অসাড়। তারপর কোন কথা বলেননি মাণিক। খাননি। একদৃষ্টিতে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া পোলট্রির দিকে তাকিয়ে বোবা হয়ে গেছেন। একটাই আর্তনাদ মাঝে মাঝে তাঁর বুক ভেঙে বেরিয়ে আসছে - "সব শেষ।"

    দক্ষিণ বনগাঁর অন্তর্গত গাইঘাটা ব্লকের কুলসার অঞ্চলের পাঁচপোতা ঢাকাপাড়া গ্রামের ছবিও একই। বুধবারের ঝড়ে লোন নেওয়া অশোক বিশ্বাসের পোল্ট্রি গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে গেছে।অনেক পাখি মারা পড়েছে। বাকিগুলো কম দামে বিক্রি করে দিয়েছেন। দুশ্চিন্তা আর আতঙ্কে অশোক বিশ্বাস নির্বাক। একই গ্রামের বাসিন্দা বিপ্লব বিশ্বাস। ওঁর দুকামরার ঘরে শিশু গাছ পড়ে ঘর মাটিতে মিশে গেছে। ওঁরা আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছেন।

    হাবড়ার কুমড়া অঞ্চলের কৈপুকরের ভেতরে মাঝের পাড়া। মালি,দুলেদের ঘর। সেখানেই পরিবেশ আন্দোলন কর্মী ও শারীরীকভাবে অসমর্থ বেহালাবাদক গোবিন্দদের বাড়ি। ঝড় শুরু হওয়ার পর ওঁরা পাশের পাকা বাড়িতে আশ্রয় নেন। ফিরে এসে দেখেন সব গাছ গোড়া উপড়ে পড়ে আছে। ওঁদের ঘরটা মাটিতে মিশে আছে। ওঁদের মা থেকে থেকে বলে চলেছেন - "আমার ঘরখান কই গেল।"

    অশোকনগর পৌরঅঞ্চলের প্রান্তিক ১৩ নং ওয়ার্ডে গোবিন্দ ঘোষের খাটাল। লকডাউনে দুধের রপ্তানি নেই। মন্দা চলছিল। বুধবার রাতে দমকা হাওয়ায় সেগুনগাছ উপড়ে খাটালের চালে। তারপর এখন সব হারিয়ে বাড়ি জুড়ে শোকের ছায়া।



    গুমা বদরহাটের কাছে জীবনের সমস্ত সঞ্চয় ও পেনশনের টাকায় বাড়ি বানিয়েছিলেন জীবন ধর। রাস্তার প্রকান্ড মেহেগনি উপড়ে বুধবার ওঁর ছাতে। অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন সবাই। একটা ঘর অক্ষত আছে। বৃহস্পতিবারও গাছটা কেটে সরানো যায়নি। সবটুকু সময় ধরগিন্নি ঘরটির গ্রিল ধরে হাপুস নয়নে কেঁদে চলছিলেন।



    অশোকনগর বাঁশপুল পঞ্চায়েতের ষাটোর্ধ বৃদ্ধা ননীবালার সংসার এখন খোলা আকাশ। জামগাছের গুড়ি ওঁর ছোট ঘরটা মিশিয়ে দিয়েছে মাটিতে। দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন অশতীপর বুদু দাস। কাঁপা কাঁপা গলায় বলছিলেন - "এত বয়স হল, এমন ঝড় দেখিনি।"

    বারাসতের কারশেডের সংলগ্ন নিবেদিতা পল্লি। ওপাশে রেল কলোনী। একদিকে কম সঙ্গতিপূর্ণ, অন্যদিকে প্রান্তিক মানুষদের বাস। ঝড়ে ওঁদের বেশিরভাগ বাড়ির টিন উড়ে গেছে, গাছ পড়ে টালি ভেঙে গেছে। ব্যারাকপুর রোডে গাছ পড়েছে সব থেকে বেশি। শুক্রবার পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ ছিল। বহু এলকায় শনিবারও বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। কাজীপাড়ার বেশিভাগ লাইট পোস্ট ভেঙে গেছে। বহু বাড়ি গাছের নীচে চাপা পড়েছে। বারাসত বরিশাল কলোনীর পঞ্চপল্লী প্রাইমারি স্কুলের পাশের বিশাল শিরিশ গাছে পড়ে রাস্তাঘাট অবরুদ্ধ ছিল দুদিন। দুটো বৈদ্যুতিক খুঁটিও ভেঙে গেছিল। শনিবার বিকেলের পর ওই এলাকায় বিদ্যুৎ আসে।



    উত্তর ২৪ পরগণার যোগেশগঞ্জ প্রাথমিক স্কুলের পার্শ্বশিক্ষক প্রশান্তবাবু। তিন দিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। প্রশান্তবাবুর সাথে যোগাযোগ হতে তিনি জানালেন যোগেশগঞ্জ আপাতত ঠিক আছে। কিছু লোকের ঘর ভেঙেছে, বৈদ্যুতিক খুঁটি পড়েছে। বাদাবনে তেমন ক্ষতি হয়নি। তবে মাধবকাঠি ও সর্দারপাড়ার বাঁধ ভেঙে হু হু করে মাতলার জল ঢুকে কিছু এলাকাকে প্লাবিত করেছে।

    চাঁপাপুকুর স্টেশনের শেড উড়ে পাশের খেতে পড়েছে। গোচরণ স্টেশন ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত। জয়নগর পৌরসভার পাশে মোবাইল টাওয়ার উল্টে যোগোযোগ বিচ্ছিন্ন।





    এমন অসংখ্য দৃশ্যের জন্মদিয়ে গেল সাইক্লোন। মত্ত বাতাস টিনের চাল উড়িয়ে ফেলেছে অন্যের বাড়ি। মুড়মুড় করে টালির গুঁড়ো হওয়ার শব্দ, কড়মড় শব্দে গাছ ভাঙার শব্দ আর একরাশ আতঙ্কে প্রহর গুণেছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। বৃহস্পতিবার, শুক্রবার বিধ্বস্ত এলাকায় গেলে গাছকাটার খটাখট, টিন পেটানোর দমাদম শব্দ আর হাউমাউ কান্নার শব্দ ভেসে আসছিল। বিদ্যুতের খুঁটিগুলো হেলে আছে, কোনটা টুকরো হয়ে ছড়িয়ে গেছে, চারদিকে ভগ্নস্তূপ আর গুটানো, ছেঁড়া তার। বিপর্যস্ত লোকজনের আশাহীন চোখে একটাই জিজ্ঞাসার ভাষা - "আমাদের কী হবে?"

    সন্দেশখালি, সাগরদ্বীপ, নামখানা, যোগেশগঞ্জ, হিলগলগঞ্জে বাঁধ ভেঙে গ্রামগুলোয় জল ঢোকার খবর কিছুটা আসছিল। আর যোগাযোগ করা যায়নি। মাঠে জল ঢুকেছে হুহু করে।ধান, পানের বরজ, সব্জি খেত জলের নীচে। পক্ষাঘাতগ্রস্থ সুশীল মাঠে যেতে পারেননা। ওঁর এক ছেলে চাষ করে। বুধবার সারারাত ঘুমতে পারেননি। পরদিন ভোর থেকে বলে চলেছেন - "সব জলের তলায়। আমি মাঠে যাব।" তাঁকে মাঠে নিতে পারেননি ওঁর ছেলে। বুকজলে দাঁড়িয়ে হাউমাউ করে কেঁদে কেঁদে ফিরে এসেছেন। এত জলে কিছু করা সম্ভব নয়।

    বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ, জল সরবরাহ বন্ধ। দুর্বিষহ জীবনে অসহায় মানুষের অন্তহীন প্রতীক্ষা - কবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে কেউ? একটু জল আর দুটো খাবার কেউ এগিয়ে দেবে? খোলা আকাশ ছেড়ে মাথায় একচিলতে আশ্রয় হবে - এর উত্তর এঁদের জানা নেই।

    আশাহীনতার মাঝে ছোটো ছোটো আশার ছবিও কম জন্ম হয়নি। রোজা ভেঙে কাঠুরে রাজা-বাদশা-রফিকের মতো সহনাগরিক করাত হাতে সারাদিন ছুটে বেড়িয়েছে। হাতের ব্যথাকে অক্লেশে হাসিমুখে সহ্য করে ভেঙে পড়া গাছের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে থেকে বের করে এনেছে জনপদ - বাড়ি আর বিপন্ন মানুষকে।

    এই সময় জেনারেটর ব্যবসায় জোয়ার এসেছে। উত্তর ২৪ পরগণার বহু এলাকায় লোকজন জেনারেটর ভাড়া করেছে। জল তুলে দেওয়া থেকে ইনভার্টার চার্জ ঘন্টায় তিনশো থেকে পাঁচশো টাকা। মোবাইল চার্জ ঘন্টায় পনের থেকে চল্লিশ টাকা পর্যন্ত দাম হাঁকছে কেউ কেউ। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় দামটা তুলনামূলক কম। ঘন্টায় একশ থেকে দুশো টাকা আর মোবাইল চার্জ ঘন্টায় দশ থেকে কুড়ি টাকা লাগছে। প্রধান সমস্যা বিদ্যুৎ আর পানীয় জল, খবার আর মাথার উপর আশ্রয়ের।

    বিপর্যয়ের দিন সবচেয়ে বড় বন্ধু ঠিকা বিদ্যুৎ কর্মীরা। বিদুৎ পর্ষদের কর্মী গোপাল, মান্তু, আশাবুল, গণেশরা ঝড় থামার পর যে বেরিয়েছে তারপর আর বিশ্রাম নেয়নি। কখন মানুষকে আলোকিত করবে সেটাই ওদের চ্যালেঞ্জ। ওদের অনেকেরই ঘর ভেঙেছে। অনেকের বাড়ি বিদ্যুৎ নেই। দশ দিনে বিদ্যুৎ আসবে কিনা তারা নিজেরাই জানে না। কিন্তু অপরের ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে রাত দিন এক করে ওরা ছুটছে।

    করোনা নামক মারী আমাদের সামাজিক যূথবদ্ধতা, মিথোষ্ক্রিয়ার নৃতত্ত্ব বদলে দিয়েছিল। বিপদের দিনে দূরত্ব কাটিয়ে সবাই সবার পাশে দাঁড়িয়ে যেন বলছে - "আমরা আছি।" আশাহীন মানুষ গুলোর জীবনে এরাই এখন সম্বল। এর ব্যতিক্রম হয়ত আছে। তা থাক। সাদায়-কালোয় মানুষ। বিপন্নতা, অসহয়াতার যে এপিটাফ প্রকৃতি রচনা করল, তা কাটিয়ে একটু একটু করে মানুষ আশ্রয়ের, ভরসার কোলে ফিরে যাবে। ক্ষত সারবে। হয়ত সেজন্য অনেক পথ হাঁটতে হবে। বাড়িয়ে দিতে হবে হাত। তবু থেকে যাবে ক্ষত চিহ্নগুলো।

    বাংলার বিস্তীর্ণ জনজীবন বিদ্যুৎবিহীন। সন্ধ্যা নামলে নিকষ কালো অন্ধকার ঘিরে ধরছে জনজীবনকে। যন্ত্র সভ্যতা দিয়েছে অনেক। ছিনিয়েও নিয়েছে। প্রকৃতির সাথে সখ্য, বিরূপ প্রকৃতির বিরুদ্ধে লড়ার আশা-ভরসা-সাহস। এই কদিনের অন্ধকার যাপনের সঙ্গী এখন লন্ঠন। ওটুকু আলোই মানুষগুলোকে সাহসী করে তুলেছে। জল-কাদা-সাপ-খোপ নিয়ে আশ্রয়হীন লোকগুলো টিকে আছে এখনও। খাদ্য-পানীয়জল আর মাথার উপর আশ্রয়হীন বিপন্ন মানুষের চোখের জল আর নিস্তেল আলোহীন জনজীবনে অন্ধকার নামলে ভরসা এখন হ্যারিকেন। অসহায় মানুষ গুলোর একটাই জিজ্ঞাসা - কবে আবার তারা ঘরে ফিরবে? কবে জীবন স্বাভাবিক হবে? এর উত্তর আমাদের অজানা।



    ছবিঃ লেখক
  • বিভাগ : আলোচনা | ২৪ মে ২০২০ | ৮৯৩ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
আঁধি - Jahar Kanungo
আরও পড়ুন
আলু - Samik Sanyal
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ঃ( | 2402:3a80:a03:6780:0:1e:b44a:7001 | ২৪ মে ২০২০ ০৯:১৪93585
  • সত্যিই, কোনদিকেই আর তাকানো যাচ্ছেনা।

    এরপর আন্ত্রিক, ডেংু, এসব মহামারী হয়তো।
    আর কত যে দুর্ভোগ মানুষের কপালে!
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন