ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • 'করোনা যোদ্ধা'র বাড়ি সরকারি বাঁশ (করোনা থেকে সেরে ওঠা এক আতঙ্কহীন যাপন।)

    সৈকত মিস্ত্রী
    আলোচনা | রাজনীতি | ১৮ আগস্ট ২০২০ | ১৪৪৩ বার পঠিত
  • আমার বন্ধু প্রদ্যুৎকান্তিদার সাথে করোনা পর্বের শুরু থেকে কথা হচ্ছিল। বাজারি মিডিয়া আর একশ্রেণির কর্পোরেট চিকিৎসকদের লাগামহীন ভয়ের প্রতিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা মনে ' উৎক্রোশ ' এর জন্ম দিচ্ছিল। জনস্বাস্থ্যের সাথে যুক্ত অর্থনীতি, পুষ্টি, খাদ্য সহ নানাবিধ বিষয়। অথচ এই সব বিষয়গুলো বার বার বিচ্ছিন্ন করে একটি নির্দিষ্ট রোগকে এক ও একমাত্র ব্যাধি হিসেবে স্থাপন করার চেষ্টা যে চলেছে তা এক কথায় ভয়াবহ। ভাবটা যেন বাকি সব রোগ বালাই পৃথিবী থেকে লুপ্ত হয়ে গেছে। দেশ বিদেশের নানা প্রান্তে এই বাজার অর্থনীতির চেনা স্বরের বিপরীতে সুচেনতা মূলক নানা স্বর ক্ষীণ হলেও শোনা যাচ্ছিল।বিপরীত বনায় বলছিলেন অনেকে। সেসব নিয়ে প্রদ্যুৎদার সাথে পারষ্পরিক মত বিনিময় চলছিল। নানা লেখাপত্র বিনিময় করেছিলাম। এই পর্বেই ঘটনাটা ঘটল।

    প্রদ্যুৎদা, উত্তর ২৪ পরগণা জেলার হাবড়া পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত বাণীপুর ২১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার স্ত্রী শচীদেবী ' টউউটর নার্স' বসিরহাট হিসেবে কর্মরত এবং এম. এস. সি নার্সিং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পাঠরত। জুলাই মাসের শেষে মেডিক্যাল কলেজের কোভিড হাসপাতালে তার ডিউটি পড়ে। জুলাইয়ের ৩০ তারিখ নাগাদ তার মধ্যে কিছু উপসর্গ দেখা যায়। হালকা গলাব্যাথা, হালকা জ্বর। ৩১ জুলাই উপসর্গ বাড়তে থাকে।গা- হাত-পা ব্যাথা, জ্বর ও মাথাযন্ত্রণা শুরু হয়। ১ লা আগষ্ট স্বাদ ও গন্ধ কমে আসে। এই উপসর্গকালীন অবস্থায় শচীদেবী ডিউটি করেন নি। অন্যত্র নিভৃতাবাসে ছিলেন। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয় তার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।



    ২রা আগষ্ট, পূর্ববর্তী উপসর্গের সাথে চোখ বন্ধ ও খোলার সময় হালকা ব্যাথার অনুভূতি হতে থাকে।শ্বাস নোওয়ার সময় নাসারন্ধ্রে অদ্ভূত অনুভূতি হতে থাকে। বুকে দমবন্ধ ভাব, হাঁচি-কাশি ছিল না। কিন্তু কিছু ভাবার, বলার সময় মনঃসংযোগে সমস্যা হচ্ছিল। ২ রা আগষ্ট রাতে খুব জ্বর আসে, মাথাযন্ত্রণা বাড়ে।রাতে ঘুমের সমস্যা হয়। ইটিএ প্রিন্সিপালকে জানানো হলে, তিনি স্বাস্থ্যভবন ও সেন্ট্রাল হেল্পলাইনে ফোন করতে বলেন। দরকারে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে বলেন।

    এই সময় পর্বে শচীদেবী কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ও প্যারাসিটামল ওষুধ খেতে থাকেন।
    ৩ রা আগষ্ট জ্বর কমে আসে। তবে মুখে শুষ্ক ভাব ও মাথা ব্যাথার অনুভূতি থেকে যায়। ৩ রা আগষ্ট মেডিক্যালের ওপিডি ফিভার ক্লিনিকে দেখান। ওপিডির চিকিৎসক অ্যান্টিবায়োটিক, ভিটামিন - বি/ সি সহ কয়েকটি ওষুধ লিখে দেন এবং টেস্ট করাতে বলেন।টেস্ট করাতে যাওয়ার সময় শচীদেবীর মাথা ঘুরে যায়। কিছুটা সময় সে ব্ল্যাকআউট হয়ে যায়। তখন বেশ দুর্বলতা কাজ করছিল। সেই সাথে ছিল উৎকন্ঠা। ব্লাক আউট হলে অন্যরা তাকে সাহায্য করে। কিছুটা সুস্থির হয়ে সোয়াব টেস্ট করিয়ে তিনি ফিরে আসেন।


    রিপোর্ট আসার পর পজেটিভ এলে হাসপাতাল থেকে হোম-কোয়ারিন্টাইনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়। ৪ তারিখ ২ টো নাগাদ স্বাস্থ্যভবন থেকে ফোন করে জানানো হয় রিপোর্ট পজেটিভ। রিপোর্ট আসতে একদিন লাগবে।
    ওইদিন বিকেলে প্রদ্যুৎদার সাথে কথা হয়, কিভাবে শচীকে বাড়ি আনা হবে? কোভিড হাসপাতালের নাম শুনে কোন ড্রাইভার যেতে চাইছিল না। আবার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে বাড়ি আনলে এলাকাবাসী অকারণ আতঙ্কিত হবে।
    ৫ তারিখ ১০ টার পর ফোন করে জানতে পারি বেপরোয়া প্রদ্যুৎদা বাইক নিয়েই মেডিক্যাল কলেজে পোঁছে গেছে। আমি চমকে উঠি। বলি -" করোছো কি?" প্রদ্যুৎদা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলে -" ছাড়ো তো। কাকে তেলাবো। রিপোর্ট পেয়ে গেছে। ডাক্তারকে দিয়ে ১৪ দিনের হোম- কোয়ারান্টাইন লিখিয়ে নিয়ে আসছি।" ৫ ই আগষ্ট ইতিমধ্যে শচীর নাকে গন্ধ ফিরে আসে, খাবার খেতে যে সমস্যা হচ্ছিল তাও কমে যায়। তখনও হালকা মাথাব্যাথা ও দুর্বলতা ছিল। সব অফিসিয়াল ফর্মালিটি করে ওরা বাইকে চেপে ১ টার মধ্যে বাড়ি ফিরে আসে।


    ওদের দুটো সন্তান। প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা। ওদের ফেরার আগেই প্রাপ্তি ও প্রত্যাশাকে মামা বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ওদের মামাবাড়ি পরের পাড়াতে। বাড়ি ফিরে স্থানীয় পৌরপ্রশাসন ও আশ- পাশের বাড়ির প্রতিবেশীদের ফোন করে প্রদ্যুৎদা বিষয়টি জানিয়ে দেয়। তারপর শুরু হয় আশ- পাশের লোকেদের আতঙ্ক ও হাস্যকর কাজকর্মের প্রদর্শনী। প্রদ্যুৎদাদের পাশে একজন পৌঢ় ভদ্রলোক ও তার স্ত্রী থাকেন। তার মেয়েদের বিয়ে হয়ে গেছে। তিনি করোনা তাড়াতে থালা বাজান, অন্ধকার করে বাতি জ্বালান, রাম মন্দিরের ভিটপূজার খবর জোরে টিভি চালিয়ে শোনেন এবং লোককে শোনান। খবরটা শোনার পরই তিনি সেই যে দরজা- জানালা বন্ধ করে খিল দিয়েছেন, আজও সেসব খোলেনি।বাইরের কোন লোককেও তার বাড়ির চৌহদ্দিতে আসতে দেননি। দমবন্ধ ঘরে এমন ভাবে চলাতে থাকলে করোনা না হোক, অন্তত শ্বাসকষ্টে তাদের গঙ্গাপ্রাপ্তি নিশ্চিত।

    ৬ আগষ্ট থেকে শচীদেবীর মাথাযন্ত্রণা সহ সব উপসর্গ চলে যায়। ইতিমধ্যে খবর আসে প্রাপ্তি - প্রত্যাশার মা করোনা আক্রান্ত, তাই তারা কেন মামাবাড়ির পাড়ায় থাকবে? ওদের মামাবাড়ির পাড়ার কয়েকজন হৈচৈ শুরু করে। ওরা কেন রাস্তা দিয়ে হাঁটবে। তাদের বার বার বোঝানোর টেষ্টা হয়, ওর মা বাবা বাড়ি আসার আগেই ওদের মামা বাড়িতে আনা হয়েছে। তারপরও এই অত্যুৎসাহী কয়েকজন হৈচৈ করতে থাকলে তাদের ধমক দেওয়া হয়। প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললে, হৈচৈ ফিসফিসানিতে পরিনত হয়।
    করোনা সংক্রমণের নানা কথা, গল্প শুনছি।সামাজিক দূরব, রোগীর থেকে দূরত্ব তৈরির আখ্যান শুনেছি। সেসব কোন আখ্যান প্রদ্যুৎদা কানে তোলেনি। অসুস্থ মানুষটার পাশে মানুষের মতো পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রথম দিন থেকে সচেতন ভাবেই প্রদ্যুৎ কোন রকম সাবধানতা, দূরত্ব মানেনি। ঘরের এক বাথরুমও ব্যবহার করেছে, সকাল সন্ধ্যায় চা-পানও একসাথে চলেছে । অন্তত দিন ১২ দিন হয়ে গেল, শচীদেবী এখন সুস্থ, প্রদ্যুৎদার মধ্যে বিন্দু মাত্র উপসর্গ বা অসুস্থতার লক্ষ্মণ দেখা যায় নি। হয়ত সে সংক্রমিত হয়েছে, হয়ত হয়নি।অতিসংক্রমণ ফ্লুর গাণিতিক সংক্রমণ গণিত অন্তত ওদের ক্ষেত্রে মুখ থুবরে পড়ল।এর জবাবে হয়ত কেউ সিম্পটম, আসিমপটমের গল্প বলবেন। বলতেই পারেন।গল্প শুনতে ভালো লাগে। পরিণত মানুষ মজা পায়, আর শিশুরা করোনা বর্গীর ভয়ে সেঁধিয়ে মরে!
    গত ৯ আগষ্ট শুনলাম পৌরসভা থেকে স্যানিটাইজ করতে এসেছে। জল ছড়িয়ে কর্মীরা স্যানিটাইজ করেছেন। গোলা জলে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড কতটা আছে তা জানা যাবে না। ব্লিচিং যে ভালো মতো তাতে গোলা আছে তা যে কেউ বুঝতে পারবে। বাড়ি, দেওয়াল, কলতলার করোনার মহা জীবানু মারার সাথে ছোট লঙ্কা চারা, ফলন্ত লঙ্কার গাছ, অ্যলোভেরা পাতা, ফুল গাছে পর্যাপ্ত ব্লিচিং জল ছড়িয়ে তারা স্যানিটাইজ করে টেস মেরে দিয়ে গেছে। বলা তো যায় না, সব করোনা হয়ত নরম ফুলের পাপড়ি আর কচি কচি লঙ্কা চারায় আটকে থাকবে!! ফলও ফলল হাতে নাতে। পাতাগুলো পুড়িয়ে মহাভাইরাস ভাইরাস মেরে গাছগুলো শহীদ হল! এমন বীরত্ব ভাবা যায়!
    ১০ তারিখ আগষ্ট বিকেলে ঘটল আরও বড় কান্ড। পোরসভা থেকে লোকজন দলবেঁধে এসে সটান প্রদ্যুৎদের বাড়ির গেটে ' বাঁশ দিতে শুরু করল।' এতবড় ভাইরাস! পাছে ঘর থেকে বেড়িয়ে গেটখুলে রাস্তায় চলে আসে!! দিন পাঁচেক বাদে " করোনা যোদ্ধার " বাড়ি পৌরসভা " বাঁশ দিল"। এখনও সে বাঁশ ঝুলছে। একটিও প্রকান্ড ভাইরাস বেরতে পারেনি হয়ত!!
    গতকাল কয়েকদিন আগে জনৈক সরকারি চিকিৎসক ফোন করেছিলেন। জানতে চাইলেন - শচী কেমন আছে? শচীর উত্তর সে ভালো আছে।কোন সমস্যা নেই।চিকিৎসক বললেন - রোজ ফোন করবেন তিনি। সরকারি নির্দেশ। ভালোমন্দের খবর নিতে হবে তো! মনে মনে নির্ঘাত ওরা ভেবেছে -" আপনারা যত কম খবর নেন, আমরা তত ভালো থাকি।" না হলে এরপর আবার কোন বাঁশ এসে পড়বে!!!
    শচীদেবী ভালো আছে, প্রদ্যুৎদা শুচিবায়ুগ্রস্থতা না করেও দিব্য আছে। দিব্য থাকবে। আগামী দিন করোনা অনেকের সাথে দেখা করতে আসবে। তবে যে পৌঢ় দরজা- জানলায় খিল তুলে করোনা আটকাতে চাইছেন - তাদের বলব, মনের আগল, যুক্তির ও ভয়ের আগল খুলে ফেলুন।হিন্দিতে বলে -" যো ডর গয়া, ও মর গয়া"। ভয়পেয়ে অস্থির হওয়ার কিছু নেই। ভয় পাব না। রোগ এলে মোকাবিলা করব। এটুকুই! তাহলে অবলীলায়, ঘরের আপন করোনা আক্রান্ত মানুষটির সাথেও হাসতে হাসতে চা খেতে খেতে বলতে পারব- " ধূস! ফু ফু!"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | 14.139.196.11 | ১৮ আগস্ট ২০২০ ১০:২০732523
  • অ্যানেকডোট দিয়ে থিওরী হয় না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন