• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • ইন্তিজার হুসেনের লেখাকে ঘিরে

    সিএস
    বিভাগ : বইপত্তর | ০৪ মে ২০২০ | ৩৩৭ বার পঠিত
  • ইন্তিজার হুসেনের এই গল্প সংকলনটির - দ্য ডেথ অফ শেহেরজাদে - প্রথম গল্পটি, বৃত্ত বা চক্রাকার যার নাম হতে পারে (উর্দুতে দায়রা, ইংরেজী অনুবাদে সার্কেল), সেটির কথক চরিত্রটি হয়ত ইন্তিজার হুসেনই বা তাঁর মত একজন লেখক। গল্পের শুরুতে কেউ যেন তাকে বাধ্য করছে কেউ অতীতের ছাই সরিয়ে দেখার জন্য। আর কী দেখার আছে ভেবেও সেই অতীতকে দেখতে গিয়ে কথক চরিত্রটি দেখতে পায় কিছু ধূলো পড়া রাস্তা, কোন দোকানের সামনেটা, কিছু ভেঙে পড়া মিনার, গাছ, পাখি, ছাদের কার্নিশ, কিছু কন্ঠস্বর। বুঝতে পারে যে এই সব দৃশ্য উঠে আসছে প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে তারই প্রথম লেখা গল্পটি থেকেই। কিন্তু সন্দেহ হয় যে সেই গল্পটি তার ঠিকভাবে লেখা হয়ে ওঠেনি, বোঝে যে গল্পটিতে যেন প্রধাণ চরিত্রটিই অনুপস্থিত ছিল। সেই যে মানুষটি যে একটি দোকানের সামনে বসে ছিল আর কখন যেন উঠে গেছে সেখান থেকে, সেই মানুষটিকে গল্পে ধরা হয়নি।। তাকে কী গল্পটিকে আবার নতুন করে লিখতে হবে, সেই কাজে কি তার স্মৃতি আর স্ব্প্ন তাকে সাহায্য করবে ? স্বপ্নে বার বার আসতে থাকে রূপনগর নামে সেই জায়্গাটির ছবি যে জায়্গা থেকে সে চলে এসেছিল এক সময়ে। হিন্দুদের মিষ্টির দোকান, মুসলমানদের ধর্মীয় শোভাযাত্রা, হিন্দুদের দোল খেলা বা রামচন্দ্রজীকে নিয়ে শোভাযাত্রা , মুসলমানদের মজলিস, ফেলে আসা একটি মেয়ের ছবি যে যেন তাকে 'মুসল্লা' বলে পাত্তাই দিত না, আরো অনেক কিছু। আর ছিল কারবালার প্রান্তর, রূপনগরের মধ্যেই। কিন্তু স্বপ্নে যতবারই ঐ কারবালার কাছে পৌছতে যায়, ততবারই তার স্বপ্ন ছিঁড়ে যায়। ঠিকঠাক ঐ জায়গাটিকে তার স্বপ্নেও আর দেখা হয়ে ওঠেনা। ঐ মানুষটি আর ঐ কারবালা, এই গল্পটির শেষেও ইন্তিজার বা কথক-লেখকের অধরাই থেকে যায়। স্বপ্নেও সে পায় না পুরোপুরি আর সেই প্রথম গল্প লেখার সময়ে তো পায়েইনি। তাহলে এই কী তার ভবিতব্য যে চক্রাকারে সে ঘুরে যাবে, ঐ দুটি দৃশ্যকে খুঁজে পাওয়ার জন্য আজীবন - কারবালা আর ঐ মানুষটির মুখ ?

    বোধ করি, ইন্তিজার হুসেনের সারা জীবনের লেখালেখির চুম্বক এই গল্পটি, যেটা লেখা হচ্ছে তাঁর লেখক জীবনের পঞ্চাশ বছর কেটে যাওয়ার পরে। ছাই-কারবালা- ব্যক্তিটি।। অতীত যা মিলিয়ে গেছে , ছাই হয়ে গেছে, ইন্তিজার হুসেন বারবার সেই ছাইয়ের কাছে ফিরে গেছেন। ১৯২৩এ জন্ম হয়ে, '৪৭ -এ পার্টিশনের পরে পাকিস্তানে চলে গেছেন কিন্তু নিয়ে গেছেন ঐ রূপনগরের মত অবিভক্ত ভারতের সেন্ট্রাল প্রভিন্সের একটি স্থান যেখানে তাঁর বড় হয়ে ওঠা, তাঁর স্মৃতি। গল্পে-উপন্যাসে ফিরে ফিরে এসেছে সেসব, তারই সাথে আরো পিছিয়ে গিয়ে হিন্দু পুরাণ, মহাভারতের গল্প, সুফী গল্প-কবিতা, জাতকের গল্প এসব। আর থাকছে কারবালা। কারবালা তো শোকের ঘটনা আর স্বপ্নেও সেই কারবালা না পৌছতে পারা মানে তো সেই শোক কোনভাবেই ছুঁতে না পারা; অতীত থেকে উৎখাত হয়ে, পরিচিত জায়গা থেকে চলে যাওয়া জনিত যে শোক, সেই শোকের কাছে সারা জীবনেও পৌছতে না পারা। কিন্তু এ কার শোক, শুধু কী ইন্তিজার হুসেনেরই, নাকি তাঁরই মত আরো অনেকের ? ঐ যে লোকটি উঠে চলে গেল দোকানের সামনে থেকে, সে তো সেরকমই এক্জন ব্যক্তি, যে ঐ শোক বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে।

    কিন্তু এসব কিছু হারিয়ে ফেলা মানে তো আসলে নিজেকেই, নিজের সেল্ফকেই হারিয়ে ফেলা। আর একটি গল্প আছে বইটিতে - 'যারা হারিয়ে গেছিল'. প্রায় বেকেটীয় গল্প যেটি , যেখানে চারজন লোক কোন এক বিপজ্জনক পরিস্থিতি থেকে কোনক্রমে বেরিয়ে এসেছে, অতীত থেকেই, ছেড়ে চলে এসেছে তাদের চেনা জায়গা আর পরিচিতদের, একজন তার মধ্যে মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত, তারা যেন দূর থেকে ভেসে আসা কোন আর এক ব্যক্তির কন্ঠস্বর শুনতে পায়। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও লোকটিকে খুঁজে পায় না। প্রথমে মনে করেছিল যে তাদের সাথে আরও একজন ছিল, সেই হয়ত দূর থেকে তাদের ডাকছে, তারপর সন্দেহ হয় সত্যি কি অন্য আর কেউ তাদের সাথে ছিল ? নিজেদের যখন তারা প্রথম গুনেছিলা তখন কি তারা নিজেকে গুনেছিল ? নাকি প্রতি জনই নিজেকেই ভুলে যাচ্ছে গোনার সময়ে ? যে লোকটি হারিয়ে গেছে বলে তারা মনে করছে, সত্যি সে কি অন্য কেউ নাকি নিজেকেই তারা হারিয়েছে ? ফলে প্রত্যেকে যখন নিজেকে হারায়, তখন তো একটি গোষ্ঠীই নিজেকে হারায়। ফলে যা ব্যক্তির দুঃখ, সে তো গোষ্ঠীরই শোক হয়ে দাঁড়াবে, ঐ যারা পার্টিশনের পর করাচিতে স্থিতু হল, মোহাজির বলা হল যাদের, নয়া পাকিস্তানেও যারা নিজেদের পথ খুঁজে বেড়ালো আর মনে পড়তে থাকল অতীতের কথা।

    অতীত আর শোক আর যাত্রা আর ব্যক্তি আর পাকিস্তানের বর্তমানের সাথে যূক্ত হয়ে কিছু মানুষের ঘোরাফেরা, পথ হারানো, পথ খোঁজা, পাকিস্তান রাষ্ট্রটিকেও প্রশ্ন করা, পঞ্চাশ বছর ধরে ইন্তিজার হুসেনের লেখার বিষয় হয়ে ছিল।

    * দ্য ডেথ অফ শেহেরজাদে, প্রকাশক হার্পার পেরেনিয়াল, ২০১৪।

    * পরের পর্ব : https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=17522

  • বিভাগ : বইপত্তর | ০৪ মে ২০২০ | ৩৩৭ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • o | 162.158.62.238 | ০৪ মে ২০২০ ২১:১৫93025
  • বাঃ, বেশ ইন্টারেস্টিং লাগল। এঁর লেখা পড়ব দেখি। আমার দুটো জিনিস জানতে ইচ্ছে করছেঃ

    (১) যেহেতু সময়ের দূরত্বে দাঁড়িয়ে ইনি অতীতকে দেখছেন এবং অতীত অর্থে পার্টিশনের অতীত, ধরেই নিচ্ছি মান্টোর আখ্যানগুলিতে কন্টেম্পোরারিকে অ্যাড্রেস করতে গিয়ে যে লিমিটেশনগুলো আমরা দেখতে পাই, সেগুলো থেকে ইনি মুক্ত। সেক্ষেত্রে একটা বড় দায় থেকে যায় স্মৃতিকে তুখোড়ভাবে ব্যবহার করার, যেমন ধরা যাক পেদ্রো পারামো। সেটা ইনি কতটা করেছেন? একটা পয়েন্ট শুধু খেয়াল রাখতে বলব যে হারানো দেশকাল সম্পর্কে বেদনা ঠিক আছে, সেটাকে অস্ত্র বানিয়ে কন্টেম্পোরারিকে কিভাবে অ্যাড্রেস করছেন?

    (২) পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ রাজনীতি সম্পর্কে ভাবলেই মনে হয় আমাদের দেশটা তো একরকম খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে গণতন্ত্র নিয়ে চলছে, ওদিকে কিন্তু গণতান্ত্রিক স্টেবিলিটি এল না। ভারতের সঙ্গে একের পর এক যুদ্ধ, সামরিক শাসন ইত্যাদি সব মিলিয়ে পাকিস্তানের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। অর্থহীন যুদ্ধগুলোর ফলে ভারতের থেকে বেশিই হয়েছে, কারণ ভারত তবু বড় দেশ, বড় ইকোনমি। তো এর অসম্ভব চাপ পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে। এটা লেখকের পর্যবেক্ষণে কীভাবে ধরা পড়েছে? প্লাস ধরুন ৭১য় বাংলাদেশ ইত্যাদি নিয়ে বক্তব্য।

  • সিএস | 162.158.165.5 | ০৪ মে ২০২০ ২১:৫০93026
  • o ঠিক দুটো জায়গা ধরেছেন। এবং এই দুটো জিনিসের জন্যই, একজন ঔপন্যাসিকের যা হওয়া উচিত অর্থাৎ পাঠকের কাছে প্রবলেম্যাটিক হয়ে ওঠা, ইন্তিজার হুসেনও সেরকমই। মাথায় আছে লেখা প্রসঙ্গে এই দুটি বিষয় আনার।
  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 162.158.50.219 | ০৪ মে ২০২০ ২৩:৪৩93032
  • থ্যাংক ইউ। ভালো লাগছে।
  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 162.158.50.241 | ০৫ মে ২০২০ ০০:০১93033
  • খুব ভালো লাগছে।

    লাল খান , পাকিস্তান-্স আদার স্টোরি, ১৯৬৮-৬৯ রিভোলিউশন এই বইটা দেখেছো?

    আমি ভেবেছিলাম, এই এইখানেই একটা রিভিউ লিখবো কিন্তু লেখা হয় নি। এই বইটার কথা বলার কারণ দুটো, পাকিস্তানের লিবেরাল দের বামপন্থী অংশটা, মনে করে, ১৯৬৮ তে যে সারা দেশ (দু পারেই) এ যে ডিসকন্টেন্ট হয়েছিল, বাংলাদেশ লিবারেশনের সেটার একটা ফল। তো আমার অনুরোধ, আমি দিয়ে আসবো তোমারে বৈ-টা, আর তাহির কামরান দের গ্রুপটার যোগেন মন্ডল ইত্যাদি নিয়ে লেখাগুলো, ওটা একবার উল্টে পাল্টে দেখে নিয়ে, এই প্রবন্ধটা যদি বাড়াতে ইচ্ছে করে দেখো। লক ডাউন উঠলে দিয়ে আসবো। এতে আরো কিছু রেফারেন্স পাবে।

    বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত
  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 162.158.50.219 | ০৫ মে ২০২০ ০০:০৮93034
  • এই রে দ্বিতীয় পয়েন্ট টা বলিনি, এই বইটার বিশাল একটা অভিমান হল, দেশ ভাগ অনুযায়ী কমিউনিস্ট পার্টির ভাগ, যেটা তাঁদের একাংশের মতে অপ্রয়োজনীয়।
    তো পার্টিশনের ট্রমা আর একাত্তরের পরের গ্লানি, ১৯৪৭ এর পরের একটা জেনারেশন আর ১৯৭১ এর পরের আরেকটা জেনারেশন কে নানা রকম সীমাবদ্ধতা দিয়েছে। তো তোমার রিভিউটা পড়ে মনে হচ্ছে সেগুলোকে অ্যাড্রেস করার একটা চেষ্টা হয়েছে, এবং সাফল্যের সংগে হয়েছে। পড়ে দেখবো।
  • o | 162.158.63.11 | ০৫ মে ২০২০ ০০:১৫93035
  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 162.158.50.219 | ০৫ মে ২০২০ ০০:০৮

    অধিকারীর থিসিস নিয়ে এঁদের মতামত জানা যায়?

  • ;-) | 162.158.50.241 | ০৫ মে ২০২০ ০৩:১১93039
  • বোধিদা গল্পসরণী স্টলে দাঁড়িয়ে পুষ্পিত মুখোপাধ্যায়ের সাথে গল্প করে ইন্তিজার হুসেন এর বইটা হাতে নিয়ে নেড়েচেড়ে দেখেও স্রেফ সৈকত মুখো তখনও ইন্তিজার হুসেন বিষয়ে টই খোলেনি বলে কেনেনি, এটা আমার নোট করা আছে।

  • // | 162.158.50.241 | ০৫ মে ২০২০ ০৩:১৩93040
  • দায়রা বা সার্কল এর বাংলা করলে গণ্ডী বলব না?

  • সিএস | 162.158.158.220 | ০৬ মে ২০২০ ১০:৩৭93054
  • আমার ধারণা গন্ডী শব্দটির মধ্যে একরকমের স্থানু হয়ে যাওয়ার ব্যাপার আছে, মানুষটিকে আঁটকে রাখা হয় তার মধ্যে। যেমন কিনা এখন করোনাসময়ে দোকানের সামনে সাদা গোল গন্ডী ! কিন্তু এই গল্পটিতে লেখক চরিত্রটি থেমে থাকবে না, স্মৃতি আর স্বপ্ন তাঁকে ক্রমাগত নাড়িয়ে দিচ্ছে এবং সেও তার ফলে ঘুরে যাবে।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত