• করোনার খোঁজে RT LAMP:Chitra GENELAMP-N

    ডঃ নবনীতা নাগ লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা : বিবিধ | ১৯ এপ্রিল ২০২০ | ১৪৪৮ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকাল রিসার্চ (ICMR) এর স্বীকৃতি পেলে বাজারে আসতে চলেছে COVID 19 সনাক্তকরণ আর এক সহজ ও দ্রুত উপায়, Chitra GENELAMP-N. তিরুবনন্তপুরমের শ্রী চিত্রা ইনস্টিটিউট ফর মেডিকেল সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজির একটি দল ডঃ অনুপ ঠেক্কুভীত্তিল এর নেতৃত্বে RT-LAMP (Reverse Transcription Loop Mediated Isothermal Amplification) রাসায়নিক বিক্রিয়া কে কাজে লাগিয়ে এই দ্রুত সনাক্তিকরণ কিট টি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে, যা সর্বাধিক ২ ঘণ্টা র মধ্যে এর মধ্যে SARS Cov2 ভাইরাস এর N-জিন টির উপস্থিতি রোগী র অনুনাসিক বা লালারস থেকে সনাক্ত করতে সক্ষম হবে। এই সনাক্তিকরণ প্রক্রিয়া র জন্যে যে যন্ত্রাদি দরকার তার মুল্য হবে আয়াত্বের মধ্যে, সাথে সাথে এই পরীক্ষার উপাদান গুলি ও খুব খরচ সাপেক্ষ নয়। ডিপার্টমেন্ট অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি র অধীনের এই প্রতিষ্ঠানের গবেষক ডঃ অনুপ  আশাবাদী যে রোগী পিছু মাত্র ১০০০ টাকায় এই পরীক্ষা করা সম্ভব হবে। যা এখন বাজার চলতি পরীক্ষার তুলনায় বেশ সস্তা এবং দ্রুত।


    শ্রী চিত্রা ইনস্টিটিউট ফর মেডিকেল সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজির মলিকুলার বাওলজি ডিপারট্মেন্ট এ গত কয়েক বছর ধরে যক্ষা রোগ এর অনুজীবি নিরধারনের জন্যে RT-LAMP বিক্রিয়া কে কাজে লাগিয়ে সনাক্তকরণ পদ্ধতি তৈরি র গবেষণা চলছে। তাই যখন COVID 19 বিশ্ব জুড়ে মহামারী আকার ধারন করল তখন ইতিমধ্যে গড়ে তোলা যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে ডঃ অনুপ  এর নেতৃত্বে গবেষকরা অত্যন্ত তৎপরতার র সাথে COVID 19 সনাক্তকরণ কিট টি প্রস্তুত করেন। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (ICMR) সম্মতি তে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি , আলাপুঝায় (NVI) পরীক্ষাগুলির বৈধতা বিচার করেছে।

    এখনও পর্যন্ত COVID19 অসুখ এর অনুজীবি SARS-CoV-2  ভাইরাস এর সক্রিয় উপস্থিতি নির্ধারণ এর সব চেয়ে ভরসা জনক উপায় হল রিয়াল টাইম আর টি -পি সি আর ( real time RT PCR), যা সময় এবং ব্যয় সাপেক্ষ। শ্রী চিত্রা ইনস্টিটিউট এর তৈরি ডায়াগনস্টিক কিট টি ভাইরাল জিন এর উপস্থিতি আক্রান্ত রোগী র পরিশোধিত RNA থেকে মাত্র ১০ মিনিট এর মধ্যে  নির্ধারণ পারবে, বাকী সময় লাগবে RNA পরিশোধন ও বিক্রিয়া র প্রস্তুতিতে।  আশা করা যায় এই কিটের লাইসেন্স কেন্দ্রীয় ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (CDSCO) দ্বারা অনুমোদিত হতে চলেছে.

    Loop-mediated isothermal AMPlification বা LAMP কি? কেনই বা পিসিআর এর থেকে আলাদা।

    Loop-mediated isothermal AMPlification বা LAMP হল একটি একক পাত্র, সমতাপীক বিক্রিয়া যার বিক্রিয়া প্রণালিটি কিন্তু বেশ জটিল।  এখানে চার প্রকার প্রাইমার এর ব্যবহার করা হয়, যা সমতাপীয় বা আইসোথারমাল অবস্থায়  (৬০ -৬৫ সে) নির্বাচিত  জিন বা টারগেট ডিএনএ  এর  ছয়টি স্বতন্ত্র অঞ্চল চিহ্নিত করার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা হয়, সাথে থাকে  এক বিশেষ বৈশিষ্ঠ্য এর ডিএনএ পলিমারেস ( Bst DNA polymerase) যা সমতাপীয় অবস্থায় প্রাইমার যুক্ত বা প্রতিস্থাপিত হয়ে বিযুক্ত হওয়া দুটি কাজ এ অত্যন্ত তৎপরতা র সাথে করে থাকে, সাথে সাথে ডিএনএ সংশ্লেষণ কাজ টি তো আছেই। মনে রাখতে হবে প্রচলিত পিসিআর (PCR) বিক্রিয়া তে এই ধাপ গুলি বিভিন্ন তাপমাত্রায় নির্বাহ করা হয়। LAMP এর জটিল বিক্রিয়া টি চলা কালীন লক্ষ্য বা টার্গেট  ডিএনএ কে মাঝ খানে রেখে প্রচুর স্টেম-লুপ ( মাঝে ডাঁটা ও দুধারের স্ট্রান্ড টি ভাঁজ খেয়ে অন্তরমুখী হয় যা পরবর্তী ধাপে প্রাইমার এর মতন কাজ করে) - ধরনের ডিএনএ তৈরি হয় যা ক্রম বিক্রিয়া টি যখন চলতে থাকে তখন পরস্পর এর সাথে জুড়ে লম্বা ডিএনএ সুত্র সংশ্লেষ করে। LAMP এর উৎপাদিত  চূড়ান্ত ধাপে পাওয়া যায়  ডাবল স্ট্র্যান্ডড স্টেম-লুপ ডিএনএ যার মধ্যে থাকে  বেশ কয়েকটি লক্ষ্য ডিএনএ এর পুনরাবৃত্তি এবং একাধিক লুপের সাথে ফুলকপির মতো গোল গোল কাঠামো। এই ডিএনএ জেল-ইলেক্ট্রফোরেসিস বা SYBR গ্রীন ডিএনএ রঞ্জক এর মাধ্যমে ও নির্ধারণ করা যায়। LAMP বিক্রিয়া তে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন দৈর্ঘ্য এর স্টেম-লুপ ওলা ডিএনএ উৎপন্ন (>১০ µg) হয় আর সাথে তৈরি হয় প্রচুর পরিমাণে উপজাত ম্যাগ্নেসিয়ম পাইরোফসফেট যা সাদা অধক্ষেপ হিসেবে বিক্রিয়া মাধ্যম এর অসচ্ছতা বৃদ্ধি করে। ৪০০ nm এ আলকবিচ্ছুরণ এর মাত্রা থেকেও বিক্রিয়া চলাকালীন  অসচ্ছতা বৃদ্ধি থেকে বিক্রিয়া-র আগ্রগতি ও সমাপ্তি পরিমাপ করা যায়। যখন এই বিক্রিয়া টি আরএনএ (RNA) এর জন্যে করা হয় তাকে বলা হয় RT-LAMP, যেখানে LAMP এর আগে একটি রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্সন বিক্রিয়া ধাপ জুড়ে দেওয়া হয় যেখানে সমতাপীক (৬০ -৬৫ সে) অবস্থায় ভাইরাস আরএনএ (RNA) এর কমপ্লিমেন্টারি ডিএনএ বা cDNA সংশ্লেষিত হয়।

    RT-LAMP এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল প্রাইমার নকশা বা (primer design) যা ৬০ -৬৫   সে   তাপমানে সঠিক ভাবে লক্ষ্য ডিএনএ তে জুড়তে পারে। লক্ষ্য ডিএনএ এর স্ট্রান্ড টির দৈর্ঘ্য যেন ১২০-১৬০ বেস  হয় এবং সেখানে কোন গঠনগত ভাঁজ না থাকা ই বাঞ্ছনীয়। মনে রাখতে হবে এই বিক্রিয়া তে দুই থেকে তিন জোড়া প্রাইমার দরকার হয় সব কটি র নকশা খুব গুরুত্ব পূর্ণ।

    প্রচলিত পিসিআর এ এক জোড়া প্রাইমার ব্যবহৃত হয় এবং বিক্রিয়া র বিভিন্ন্ ধাপ এ তাপচক্রে (৯৫ সে, ৫৫ সে, ৭২ সে)-র বিভিন্ন তাপমাত্রায় হয়। উৎপাদিত ডিএনএ এর দৈর্ঘ্য নির্দিষ্ট এবং অভিন্ন হয়। প্রচলিত পিসিআর এর সাহায্যে অনেক বেশী লম্বা ডিএনএ স্ট্রান্ড (১০০০ বেস +) নির্বাচন করতে পারা যায়।

    এবার দেখা যাক কেন এই পদ্ধতিতে চটজলদি ফলাফল জানতে পারা যায়।

    শুধু মাত্র প্রাইমার নকশা ছাড়া বাকী সব ধাপ ই সহজে একটি রিয়াকসন টিউব এর মধ্যে ই একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রা য় নির্বাহ করা যায়। যেহেতু তাপচক্রে র দরকার হয়না তাই যন্ত্রাদি তৈরি করা ও খুব জটিল নয়। প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা এত কম (৬৫ সে)  যে একটি সাধারণ গরম জলের বাথ ব্যবহার করে প্রতিক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যায়। ফ্লুরেসেন্ট রঞ্জক এর সাহায্যে খুব সহজেই উৎপাদিত ডিএনএ সনাক্ত করা সম্ভব। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে খুব সহজে ই নমুনা অনুযায়ী সনাক্তিকরণ সম্ভব। তাছাড়া RT LAMP খরচ অ সময় সাপেক্ষ্য না হবার আর একটি কারণ হল একেকবারে কম সংখ্যক নমুনা নিয়েও বিশ্লেষণ করতে অতিরিক্ত খরচ হয়না বা সময় অপব্যয় হয়না।


    কেন Chitra GENELAMP-N অভিনব?

    ১ , এটি বিশ্বের প্রথম কয়েকটি নিশ্চিতকরণমূলক ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা যা SARS-CoV-2 এর N- জিন কে সনাক্ত করে। (N জিন  ভাইরাস এর নিউক্লিওপ্রোটিন কোড করে)।
    ২, কিটটি  N জিনের দুটি অঞ্চল সনাক্ত করতে পারে ,তাই  ভাইরাল জিনের একটি অঞ্চল যদি বর্তমান প্রসারণের সময় পরিবর্তন বা mutation এর মধ্য দিয়ে যায় তবুও  নির্ভুল ফলাফলের পাওয়া সম্ভব।
    ৩, ত্রিশটি নমুনা একটি একক ব্যাচে একটি মেশিনে পরীক্ষা করা যেতে পারে এবং অপেক্ষাকৃত কম সময় সনাক্তকরণ সম্ভব তাই অপেক্ষার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে। একটি মেশিনে একাধিক শিফটে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে নমুনা পরীক্ষা করার  অবকাশ থাকবে।
    ৪, Chitra GENELAMP-N  কিট এর থেকে পাওয়া ফলাফল প্রচলিত পিসিআর  এর ফলের সাথে ১০০%  সদৃশ এবং এই বৈধতা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি (NIV), আলাপুঝা নিশ্চিত করেছে।
    ৫, RT-LAMP এর জন্যে RT PCR এর মতন কোন পরিশীলিত ব্যয়বহুল সরঞ্জামের প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র একটি ওয়াটার বাথ বা একটি এয়ার সারকুলেসন যন্ত্র যা সহজেই ৬০ ০ – ৬৫ সে  তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারবে। বাকী সব যন্ত্রাংশ মিলে ৫ লক্ষ টাকা র বেশী খরচ হবেনা।

    নির্মাণকারী গবেষক ডঃ অনুপের মতে সরকার এর অনুমতি আর আর্থিক অনুদানে জেলা হাসপাতাল এও এই যন্ত্র বসানো সম্ভব। যা শুধু COVID১৯ কেন আরও অনেক ভাইরাল ঘটিত রোগ নির্ণয় করতে ব্যবহার করা যাবে,সাথে  লাগবে রোগ অনুযায়ী প্রাইমার কিট।

    আশা করা যায় যদি আইসিএমআর (ICMR) এর নির্দেশিকা মেনে  Chitra GENELAMP-স্বীকৃতি লাভ করে তাহলে COVID 19  ভাইরাসের বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।


    তথ্য সংগ্রহঃ
    ১। Viroids and Satellites 2017, Pages 381-391
    ২। Economic Times, 16th Apr 2020
  • বিভাগ : আলোচনা | ১৯ এপ্রিল ২০২০ | ১৪৪৮ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Dr. Rammohan Roy | 172.69.134.170 | ২০ এপ্রিল ২০২০ ১১:৪৭92554
  • This article on RT LAMP is a top quality informative article 

  • স্বাতী রায় | 172.68.146.127 | ২০ এপ্রিল ২০২০ ১৪:৪৯92556
  • বা: বেশ বোঝা যাওয়ার মত লেখা। ধন্যবাদ। 

  • সুমনা | 108.162.215.63 | ২০ এপ্রিল ২০২০ ১৬:১৭92560
  • আবার অসংখ্য ধন্যবাদ ।

  • রেজ্জাক মোল্লা | 172.69.54.62 | ২০ এপ্রিল ২০২০ ১৬:৩০92561
  •  আফনে কিসু করেন আপা 
    বাঁচান আমাদিরকে 

  • pragati | 172.69.33.68 | ২০ এপ্রিল ২০২০ ২১:৫২92569
  • ভালো লেখা।
    ড্ক্টর অনুপ বলেছেন।
    আমি তাকে পড়ে শুনিয়েছি।

    প্রগতি
  • Nabanita Nag | 162.158.14.39 | ২০ এপ্রিল ২০২০ ২৩:৪০92574
  • Pragati,

    dhonyobad. Tumi Ei kaj e jukto seta bhalo laglo jene. Tumi Dr. Anoop ke shubhechha diyo. 
    Tobe Ei durdin taratari kata Khub joruri.

    lekhika

  • বছিরুদ্দি | 141.101.105.113 | ২১ এপ্রিল ২০২০ ০১:০০92576
  • সব না করে সবাইকে আল্লাহর পথে টানেন। নামাজ, দোয়া, ক্ষমা, তওবা পড়ার প্রতি উদ্ভুত করেন। আল্লার কারো না কারো উছিলায় ইনশাআল্লাহ সাহায্য করবেন। ইসলাম যদি সত্যি বিসশাস করেন তাহলে এটাও বিসশাস করবেন যে এটা গজব। তাই পরিত্রানের জন্ন্যে তার দিকেই তাকাতে হবে। গজবে এটা দেখবে না কে কি ধরমের। কে যাবে কে থাকবে এটা আল্লাহই জানেন। তাই আমাদের সবার উচিত এই উছিলায় যেন আমরা আল্লাহকে আরো বেশি ডাকতে পারি। তিনি সরবশক্তিমান, সব্জান্তা,পরম দয়ালু এবং সকল ভাল গুনে গুনান্নিত এবং সর্বশ্রেষ্ঠ। তাই যারা এটা পড়বেন দয়া করে যতটুকু কেয়ারফুল থাকা যায় এই রোগে এবং আল্লাহকে কিভাবে খুশি করা যায় সেটা চেষ্টা করি। আল্লাহ আমাদের সবাই সেই তৌফিক এবং সেই রহমত দান করুন। আমিন
  • ফাস্ট টেস্ট পদ্ধতি | 172.68.146.103 | ২২ এপ্রিল ২০২০ ০৭:৩৬92600
  • Abbott এই ফাস্ট টেস্টের পদ্ধতি কী বুঝিয়ে দেবেন, এই লেখাটার মত করে? এটাও কি RT-PCR? তবে এত দ্রুত কিভাবে সম্ভব?

    The fastest test being used to diagnose people infected with the coronavirus appears to be the least accurate test now in common use, according to new research obtained by NPR.

    Researchers at the Cleveland Clinic tested 239 specimens known to contain the coronavirus using five of the most commonly used coronavirus tests, including the Abbott ID NOW. The ID NOW has generated widespread excitement because it can produce results in less than 15 minutes.

    But the ID NOW only detected the virus in 85.2% of the samples, meaning it had a false-negative rate of 14.8 percent, according to Dr. Gary Procop, who heads COVID-19 testing at the Cleveland Clinic and led the study.

    "So that means if you had 100 patients that were positive, 15% of those patients would be falsely called negative. They'd be told that they're negative for COVID when they're really positive," Procop told NPR in an interview. "That's not too good."
    ----
    https://www.npr.org/sections/health-shots/2020/04/21/838794281/study-raises-questions-about-false-negatives-from-quick-covid-19-test
  • সত্য সেলুকাস | 162.158.198.157 | ২৫ এপ্রিল ২০২০ ১২:১২92666
  • In fact, there are two successful initiatives from reputable institutions in my own constituency, Thiruvananthapuram, with which I am closely associated as the local MP and also as a member of their governing bodies – the prestigious Sree Chitra Tirunal Institute for Medical Sciences and Technology (SCTIMST) and the Rajiv Gandhi Centre for Biotechnology (RGCB), both ‘centres of excellence’ recognised as such by the government.

    SCTIMST’s RT-LAMP test, a conclusive, yet faster and cheaper, test that can replace the expensive and time-consuming RT-PCR test, and RGCB’s antibody rapid test kits (the kind we have now imported from China and found faulty) are still awaiting ICMR approval, weeks after completing all the necessary validations.

    At this time of national emergency, when ICMR should be taking decisions in matter of hours and days, rather than weeks and months, there is a baffling dragging of feet in New Delhi.

    I had given Rs 1 crore in funding to SCTIMST from my MPLADS account on 30 March, shortly before Prime Minister Modi announced he was sequestering all the MPLADS funds (ironically, in order to fight Covid-19!). Since then, SCTMIST has moved rapidly, completed R&D, tested their product – and achieved a 100 per cent accuracy rate in trials – but the long-awaited certification from ICMR has still not come, without which the kits cannot be mass-manufactured. This is also the case with RGCB. Meanwhile, SD Biosensor, a South Korean company, has started production of rapid testing kits in India, with a capacity to produce 5,00,000 per week.

    With SCTIMST’s new gold-standard product, RGCB’s and now SD Biosensor’s, the government of India will have no dearth of locally-available options. And this at a time when the world is turning away from China as a result of both mistrust in the government and fear of the reliability of their products, as well as out of a widespread desire to reduce dependence on Beijing. Why, then, did the Modi government procure faulty kits from China? In the famously discredited words of a television showman, the nation wants to know.

    https://theprint.in/opinion/tharoor-modi-govt-wasted-money-faulty-chinese-covid-tests/408713/
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত