• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

    Share
  • করোনা-নীতি বিষয়ে একটি প্রশ্নোত্তর

    বিষাণ বসু লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১৭ এপ্রিল ২০২০ | ২৭৯০ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • লকডাউন না হলে কী হত?

    লকডাউন না হলে? কী আবার!! অ্যাদ্দিনে দেশের সব্বার করোনা হয়ে যেত।

    তাই নাকি?

    অবশ্যই। এক্সপোনেনশিয়াল স্প্রেড অফ ডিজিজ জানেন না? কেমন করে একজন থেকে দু-তিনজন, সেই দু-তিনজনের প্রতি একেকজন থেকে আরো দু-তিনজন… আরো আরও… দেশের সব্বার হতে ওই কয়েক সপ্তাহ…

    হুমমমমম… আসলে এর আগে যখন নতুন ছোঁয়াচে অসুখ সমাজে এসেছে, ভাইরাসগুলো এই এক্সপোনেনশিয়াল গ্রোথের নিয়ম জানত না বোধহয় - কোনো দেশেই ১০০% মানুষের অসুখ হয়ে গ্যাছে, এমন হয়নি - তাই ভাবছিলাম…. কিন্তু, সে কথা থাক - আপাতত আপনার কথা মেনে নিলাম। অনেক অনেক লোকের করোনা হলে কী হত?

    এ আবার জিজ্ঞেস করার কী আছে!! লাখ লাখ কোটি কোটি মানুষ মারা যেতেন।

    কে বলেছে?

    সবাই।

    সবাই মানে কারা? তাঁরা কীসের উপর ভিত্তি করে বলেছেন? কোথা থেকে এই হিসেব পাওয়া গেল?

    কেন? টিভি দ্যাখেন না? গ্রাফ দেখেননি? ওঠা-নামা ফার্স্ট পিক, সেকেন্ড পিক, থার্ড পিক - কার্ভ ফ্ল্যাট করা…

    হ্যাঁ, সে তো দেখেছি। কিন্তু, এই কার্ভগুলো কোথা থেকে এলো? মানে, এগুলো তো স্ট্যাটিস্টিকাল মডেল - তার পিছনে তথ্য বা ডেটা কোথা থেকে এলো?

    হুমমমমম….

    না, আমি কিন্তু বলতে চাইছি না, যে, বিশেষজ্ঞরা একেকজন বুরবক - ফালতু বকছেন - এসব কার্ভ একেবারে মনগড়া।

    তাহলে কী বলতে চাইছেন?

    বলতে চাইছি, এই কার্ভ এবং তার থেকে পাওয়া মৃত্যুর প্রোজেকশন এবং সেই প্রোজেকশন থেকে লকডাউনের উপকারিতা বিষয়ে উপনীত হওয়া সিদ্ধান্ত - এর গোড়ায় একটা বড়সড় গলদ আছে। এসব তথ্য প্রথম বিশ্ব থেকে আহৃত - গ্রাফও অতএব প্রথম বিশ্বের দেশের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য - আমাদের দেশের ক্ষেত্রে এই গ্রাফ এবং সে থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত ভুল হওয়ার সম্ভাবনা। এপিডেমিওলজির খবর যদি রাখেন, তাহলে জানবেন, সেখানে এপিডেমিওলজিকাল ট্রায়াড বলে একটা ব্যাপার আছে - ত্রিভুজের তিনটি বাহু - অসুখের জীবাণু (এজেন্ট), সংক্রমণ যাঁর হচ্ছে তিনি বা তাঁরা (হোস্ট) এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশ (ইনভায়রনমেন্ট) - সব কথা শুধু করোনাভাইরাস অর্থাৎ এজেন্ট নিয়েই হচ্ছে - বাকিদুটো ভুলে গেলে চলবে!!!!

    হুমমমমমম….

    লকডাউন এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় না রাখলে প্রথম বিশ্বের দেশগুলোতে কয়েক মিলিয়ন মানুষ মারা যাওয়ার সম্ভাবনা। সেদেশে লকডাউনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সংশয় নেই। কিন্তু, সবদিক বিচার করে লকডাউন কার্যকরী করার পর কত প্রাণ বাঁচল - সে হিসেবও এক দেশ থেকে আরেক দেশে আলাদা। যেমন ধরুন, হিসেব কষে দেখা গেছে, একইরকম কার্যকরী লকডাউন হলে, কোভিডে মৃত্যুর হাত থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাঁচানো যাবে তের লক্ষ মানুষের প্রাণ, জার্মানিতে সোয়া চার লাখ - কিন্তু, নাইজেরিয়াতে এক লাখ। আরেকদিকে, লকডাউনের কড়াকড়িতে কাজ হারিয়ে, না খেতে পেয়ে নাইজেরিয়াতে ঢের বেশী সংখ্যক লোক মারা যেতে পারে আমেরিকা বা জার্মানির তুলনায়। এই ভারসাম্যের হিসেবটা জরুরী - লকডাউন করে কতজনকে বাঁচাচ্ছি বনাম লকডাউনের চোটে কজন মারা যেতে পারেন (স্বল্পমেয়াদে এবং দীর্ঘমেয়াদে)। গরীব দেশে লকডাউন না করে বাঁচানো যাবে না, এমন মানুষের সংখ্যা কম - কিন্তু লকডাউন হলে অন্য কারণে (মূলত আর্থিক) মারা যাবেন এমন মানুষের সংখ্যা বেশী - এরকম হলে কিন্তু মুশকিল - তাই না??

    ওরকম ভুলভাল হিসেবের মানেই হয় না - এগুলো স্রেফ কিছু তথ্য থেকে প্রোজেকশন - পুরোটাই অনুমান।

    ঠিকই। কিন্তু, লকডাউনের পেছনেও তো রয়েছে সেই তথ্যভিত্তিক অনুমানই - তাই না। স্ট্যাটিস্টিকাল মডেলের হাজারো গলতি থাকে - টিভিতে যাঁরা দোকান খুলে লকডাউন বিক্রি করছেন, তাঁদের মডেলে আস্থা রাখলে এই হিসেবটাও উড়িয়ে দেবেন না, প্লীজ।

    বেশ। শুনছি। তা এই হিসেবপত্রের পিছনে যুক্তি কী? লকডাউন করলে প্রাণে বেঁচে যাবেন, এমন মানুষের সংখ্যা গরীব দেশে কম!!!! এদেশে অসুখ হলেও লোক মরবে না? গরীব দেশে লোকের কইমাছের জান - এই বলবেন তো??

    না না, আরেকটু শুনুনই না। বিলেতের ইম্পিরিয়াল কলেজের রিপোর্ট বলছে - না, ওঁরা ঠিক পাড়ার চায়ের দোকানের বিশুদা নন, এধরণের কাজে ওনাদের নামডাক আছে - তাঁদের রিপোর্ট বলছে, করোনা অবাধে ছড়িয়ে পড়তে দিলে মারা যেতে পারেন বাংলাদেশের জনসংখ্যার শূন্য দশমিক চার শতাংশ মানুষ, কিন্তু আফ্রিকার গরীব দেশে সেই সংখ্যাটা শূন্য দশমিক দুই শতাংশ - আর মার্কিন দেশে মারা যেতে পারেন জনসংখ্যার শূন্য দশমিক আট শতাংশ। হ্যাঁ, এই হিসেব গরীব দেশের বেহাল স্বাস্থ্যব্যবস্থার কথা মাথায় রেখেই কষা হয়েছে - হেলথ ফেসিলিটি সমান হলে গরীব দেশে মৃত্যুর সংখ্যাটা দাঁড়াত আরো অনেক অনেএএক কম।

    কিন্তু, কেন?

    আপনি নিশ্চয়ই জানেন, করোনায় মারা যাচ্ছেন মূলত বয়স্ক মানুষেরা - যে যে জায়গায় মৃত্যুহার সর্বাধিক, সেখানেও অল্পবয়সীদের মধ্যে মৃত্যু বেশ কম - কিন্তু, ষাটোর্ধ্বদের মধ্যে মৃত্যুহার সাড়ে ছয় শতাংশ, আশীর উপরে প্রায় সাড়ে তেরো শতাংশ। আবার বিশ্বব্যাংকের তথ্য বলছে, যেসব দেশের মাথাপিছু গড় বার্ষিক আয় হাজার ডলারের নীচে, তাদের জনসংখ্যায় সিনিয়র সিটিজেনের (পঁয়ষট্টি বা তদুর্ধ্ব) অনুপাত গড়ে তিন শতাংশ - প্রথম বিশ্বের দেশগুলিতে গড়ে সাড়ে সতেরো শতাংশ। (আমাদের দেশে মোটামুটি ছয় শতাংশের আশেপাশে)। কাজেই, অসুখ লাগামহীন ছড়াতে থাকলেও, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে মৃত্যুহার প্রথম বিশ্বের দেশের মাপে পৌঁছাবে না - এমনকি, বেহাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা সত্ত্বেও। সুতরাং, প্রথম বিশ্বের দেশের গ্রাফ আর কার্ভ নিয়ে লাফালাফি করে প্যানিক ছড়ানোটা খুব একটা কাজের কথা নয়। না, করোনার বিপদকে লঘু করে দেখানোর প্রশ্নই ওঠে না, কিন্তু প্যানিক বা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরী করাটাও ভুল - তাই না?

    তাহলে বলছেন, লকডাউন ব্যাপারটাই ভুল?

    না না, এখুনি অতো ব্যস্ত হবেন না। আরেকটু শুনুন। যেকোনো ওষুধের সাইড-এফেক্ট থাকে - অসুখের ভয়াবহতা, ওষুধের কার্যকারিতা, আর সাইড-এফেক্টের সম্ভাবনা এবং তজ্জনিত ঝুঁকি - সবদিক বিচার করে ঠিক করা হয়, ওষুধটা দেওয়া হবে কি হবে না। লকডাউনকে যদি ওষুধ ভাবি, তাহলে আমরা দেখলাম -

    ১.অসুখটি প্রথম বিশ্বে যতখানি বিপজ্জনক, এদেশে সে তুলনায় কম। কিন্তু, এও মাথাহ রাখা যাক, জনসংখ্যা হিসেব করলে, ইম্পিরিয়াল কলেজের অনুমান ধরে এগোলে, অসুখ অবাধে ছড়ালে, আমাদের দেশে শূন্য দশমিক চার শতাংশ মানুষ মারা যাওয়ার অর্থ - পঞ্চাশ লক্ষ মানুষের মৃত্যু। আমেরিকার জনসংখ্যার শূন্য দশমিক আট শতাংশ মারা গেলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াবে পঁচিশ লক্ষ - আমাদের অর্ধেক।

    ২. প্রথম বিশ্বের দেশের তুলনায়, এদেশে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা মানুষের সংখ্যা বেশী - লকডাউনে রুটিরুজি হারিয়ে এঁদের পথে বসার সম্ভাবনা বেশী - দেশের জনসংখ্যার এক বিপুল অংশ অনাহারের মুখে পড়ার সম্ভাবনা বেশী। দ্বিতীয়ত, প্রথম বিশ্বের তুলনায় আমাদের দেশে, জনসংখ্যার এক বিপুল অংশ সরকারি খাতার বাইরে রয়ে যান - যাঁরা ফুটপাথে রাত্তির কাটান, এদিক-ওদিক খাবারের সন্ধানে থাকেন - অতএব, ঠিক কত কোটি মানুষ বিপদে পড়বেন, তার আন্দাজও সরকারের হাতে পুরোপুরি নেই - এঁদের কাছে সংগঠিতভাবে ত্রাণ পৌঁছানোর সম্ভাবনাও কম। তৃতীয়ত, লকডাউনের কড়াকড়ির উল্টোপিঠে আমাদের সরকারবাহাদুর অর্থবরাদ্দের ব্যাপারে ভয়ানক কৃপণ - লকডাউনের পাশাপাশি আর্থিক সহায়তায় জার্মানির বরাদ্দ জিডিপির তিরিশ শতাংশ, আমাদের সেটা জিডিপির শূন্য দশমিক আট শতাংশ। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমীক্ষা জানাচ্ছে - লকডাউনের কড়াকড়ির ব্যাপারে আমাদের দেশ বিশ্বের প্রথম কয়েকটি দেশের মধ্যে থাকলেও, লকডাউন মোকাবিলায় আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমরা সবচেয়ে নীচের কয়েকটি দেশের মধ্যে। এই দুই এক্সট্রিমের মিলন যাকে বলে ডেডলি কম্বো - অন্তত, গরীব মানুষের পক্ষে। অর্থাৎ, লকডাউনকে যদি ওষুধ মনে করেন - সে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনিবার্যভাবেই আমাদের দেশে প্রচুর বেশী।

    ৩. অসংগঠিত ক্ষেত্রে যাঁরা কাজ করেন, লকডাউনের অর্থ একেবারে সরাসরিই তাঁদের উপার্জনের পথ বন্ধ করে দেওয়া। এবং যেহেতু এঁরা প্রায়শই দিন-আনি-দিন-খাই শ্রেণীভুক্ত, ছয় সপ্তাহের লকডাউনের অর্থ নিশ্চিত অনাহার। আর যেকোনো মানুষ, স্বাভাবিকভাবেই, দূরের অনিশ্চিত অসুখের সম্ভাবনার চাইতে সেই মুহূর্তের খিদেটাকে বেশী গুরুত্ব দেন - লকডাউনের নিয়ম মেনে চলাটা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয় না - রাষ্ট্র হাজার নজরদারি করতে চাইলেও না। বাংলায় কথা আছে না - ভাত দেওয়ার মুরোদ নেই, কিল মারার গোঁসাই!! অতএব, লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর করার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা অনিবার্য - এবং, লকডাউনের কার্যকারিতা যেটুকুনি হতে পারত, আমাদের মতো দেশে, বাস্তবে, সেটুকুও হয় না।

    অতএব, দেখা গেল - প্রথম বিশ্বের তুলনায় অসুখটার বিপদ বা ভয়াবহতা এদেশে কম (তর্কযোগ্য অবশ্যই) - লকডাউনকে ওষুধ ভাবলে এ অসুখে এই ওষুধ আমাদের দেশের আন্দাজে তেমন কার্যকরী না হওয়ার সম্ভাবনা - এবং ওষুধের সাইড-এফেক্ট অত্যন্ত বেশী।

    আরে, বলতে চাইছেন কী এক্স্যাক্টলি? লকডাউনটা ভুল - এই তো??

    এককথায় ঠিক নাকি ভুল - বলা মুশকিল। কিন্তু, তার চেয়েও বড় কথা - বলে আর লাভ নেই। আমরা তো লকডাউনের চতুর্থ সপ্তাহে আছি। লকডাউনই বলুন বা সোশ্যাল ডিস্টান্সিং - তার আর্থিক প্রভাব গভীর। শুধু গরীব লোকই না - আঁচ পড়বে আমার বা আপনার উপরেও - কিন্তু, অসংগঠিত ক্ষেত্রের মানুষেরা যেমন ঘোর বিপদে, নিশ্চিহ্ন হওয়ার মুখে, আপনি বা আমি ততোখানি নই। লকডাউন ঠিক হয়েছিল, নাকি ভুল - এ নিয়ে আলোচনা করার সময় অনেক পাওয়া যাবে - স্রেফ লকডাউন করে করোনার থাবা থেকে কত লক্ষ বা কত কোটি মানুষকে বাঁচিয়ে দেওয়া গেল, সে নিয়েও হাওয়া গরম করার সময় পরে মিলবে - আপাতত এটুকু নিশ্চিত করা যাক, যাতে লকডাউনের কারণে অনাহারে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘায়িত না হতে পারে।

    হুমমমমমমম…

    দ্বিতীয়ত, কড়া দাওয়াই প্রয়োগ করা হল - বেশ কথা। এদেশ যদি করোনার প্রকোপ থেকে বেঁচে যায় - যাবে, সম্ভবত - তার পেছনে বাকি সব ছেড়ে লকডাউনের কৃতিত্বের ভাগ নেওয়ার জন্যে লাইন পড়ে যাবে, সেটুকু নিশ্চিত। কিন্তু, লকডাউন যাবতীয় প্রচারের আলো টেনে নিচ্ছে এখনই - আপনি অলরেডি ভুলেই গিয়েছেন লকডাউন আদতে একটা বড় প্যাকেজের অংশ মাত্র - লকডাউন আর টেস্ট আর আইসোলেশন - থ্রী মাস্কেটিয়ার্সের একজনকে নিয়ে এত হইচইয়ের কারণ, ওই একটিই উপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া সম্ভব - বাকি দুটোর জন্যে সাংগঠনিক দক্ষতা ও পরিকাঠামো জরুরী। অথচ, তিনটে না হলে কোনো কাজই হবে না।

    অর্থাৎ, আমরা এমন একটা অসুখের জন্যে কড়া দাওয়াইয়ের কথা ভাবলাম, যে অসুখটার বিপদ এদেশে কতোখানি, আমরা ঠিক জানি না - জাস্ট বিলেতের টুকলি বাদ দিয়ে আন্দাজ পাওয়ার চেষ্টাও করিনি।

    সে অসুখের জন্যে এমন ওষুধ ভাবলাম, যে ওষুধের কার্যকারিতা আমাদের দেশে কতখানি, সে নিয়েও তলিয়ে ভাবিনি - ওই ফোরেন মাল টুকলি বাদ দিয়ে।

    ওষুধের সাইড-এফেক্ট বিদেশের তুলনায় এখানে বেশী, সে নিয়েও ভাবিনি - পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রশমনের জন্যে চেষ্টাও করিনি সেভাবে।

    আর সবশেষে, এত কিছুর পরেও, ওষুধটায় যেটুকু কাজ হতে পারত, সে ব্যাপারেও মনোযোগী হই নি - এমনভাবে ওষুধ প্রয়োগ করলাম, কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহের হাজারগণ্ডা সুযোগ থাকলেও - পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে সন্দেহের অবকাশই নেই।

    আশ্চর্য!!! তাই না??

    তাহলে??

    হুমমমমমমম….

    ঋণস্বীকার -

    ১.https://foreignpolicy.com/2020/04/10/poor-countries-social-distancing-coronavirus/

    ২.https://www.economist.com/finance-and-economics/2020/04/03/emerging-market-lockdowns-match-rich-world-ones-the-handouts-do-not
  • বিভাগ : আলোচনা | ১৭ এপ্রিল ২০২০ | ২৭৯০ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
    Share
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • dc | 108.162.215.123 | ১৯ এপ্রিল ২০২০ ২১:৩৭92541
  • এটা মাইরি আমারও প্রশ্ন। এদিকে ডাক্তাররা বলেই চলেছ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে কিছু হয়না, ওদিকে প্রতিটা দেশ ওষুধটা চাইছে। ব্যপারটা কি?
  • হু | 172.69.135.233 | ২০ এপ্রিল ২০২০ ০৮:২৭92550
  • ১৪ এপ্রিলের খবর। এখন অনেক সংখ্যাই এই ৫ দিনে দেড় থেকে দ্বিগুণ, যেমন আমেরিকায় মৃত ২২০০০ থেকে ৪০০০০, ইন্ডিয়ায় আক্রান্ত ১০০০০ থেকে ১৭০০০।

    New York: In first such bold admission, the World Health Organization (WHO) on Monday said that the SARS-CoV2 -- the new corovavirus that has infected over 18 lakh people and killed over 1.17 lakh globally -- is at least 10 times deadlier than the Swine Flu virus.

    In a virtual media briefing from Geneva, WHO chief Tedros Adhanom Ghebreyesus warned the governments not to lose control over lockdowns and take strict measures to flatten the Covid-19 curve.

    "We know that Covid-19 spreads fast, and we know that it is deadly, 10 times more deadly than the 2009 flu pandemic," the WHO chief stressed.

    The 2009 Swine Flu pandemic was an influenza pandemic that lasted from January 2009 to August 2010, and the second of the two pandemics involving the H1N1 influenza virus, albeit a new strain. It killed 18,036 people besides infecting 6,04,446 others globally.

    "This pandemic is much more than a health crisis," said the WHO chief.

    As some of the European countries hardest hit by the Covid-19 pandemic are starting to see signs of slowing in infections, the WHO sounded a stern warning against lifting restrictions too soon, saying it could lead to a deadly resurgence of Covid-19.

    "In the past week, we've seen a welcome slowing in some of the hardest-hit countries in Europe like Spain, Italy, Germany and France," said the WHO Director-General.

    As "some countries are already planning the transition out of stay-at-home restrictions," the WHO chief warned that "lifting restrictions too quickly could lead to a deadly resurgence."

    "The way down can be as dangerous as the way up if not managed properly," he said, underlining that the WHO is working with the affected countries on strategies for gradually and safely easing the restrictions.

    The US has become the epicentre of the disease that originated in China late last year. The virus has so far infected over 557,000 people in the US, while more than 22,000 have died.
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত