• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • জালিয়ানওয়ালাবাগ- ক্রনোলজি

    Somnath Roy
    অন্যান্য | ১৪ এপ্রিল ২০২০ | ২৪৪ বার পঠিত

  • গতকাল ছিল জালিয়ানোয়ালাবাগবার্ষিকী। আধুনিক ভারতের নির্মাণে এই দিনটির গুরুত্ব অনস্বীকার্য। জালিয়ানওয়ালাবাগের গণহত্যার পিছনের ঘটনাগুলির সময়ক্রম বোঝা বারবারই তাই জরুরি। ১৯১৯-এর মার্চে রাওলাট আইন পাশের পর থেকে গান্ধিজি, দেশবন্দু, স্বামী শ্রদ্ধানন্দ প্রমুখের উদ্যোগে দেশব্যাপী অসন্তোষের বাতাবরণ তৈরি হয়। দিল্লিতে ৩০শে মার্চের সত্যাগ্রহে হিন্দু-মুসলিম অভূতপূর্ব সমন্বয় দেখা যায়। এর আগে ভারতে কোনও রাজনৈতিক আন্দোলনেই (বঙ্গভঙ্গ ধরে) এইরকম সাধারণ হিন্দু-মুস্লিম একতা দেখা যায় নি সম্ভবতঃ। একথাও অবশ্য মনে করে নেওয়ার যে রাজনীতি ব্যপারটা ভারতে নতুন, খানিকটা বিদেশ থেকে আমদানি হওয়া। ১৮৫৭ অবধি দেশের বিভিন্ন বিক্ষোভ-বিদ্রোহে হিন্দু-মুস্লিম যৌথ লড়াইয়ের ঘটনা ছিলই। কিন্তু সিভিল সোসাইটির আন্দোলনে একতা দেখা শুরু হয় রাওলাট আইনের বিরোধিতাতেই।
    ইন্দোশিখ যুদ্ধে জেতার পর থেকেই ব্রিটিশরা পাঞ্জাবে সাম্প্রদায়িক সঙ্ঘাত সৃষ্টিতে উদ্যমী হয়। কিন্তু, সমস্ত বিভেদ চুরমার হয়ে যেতে থাকে এই সময় থেকে। ৬-ই এপ্রিল লাহোর এবং ওমৃতসর সহ প্রায় সমস্ত পাঞ্জাবে এক অভূতপূর্ব হরতাল হয়। জেনারেল ও ডায়ারের নির্দেশ অমান্য করে শোভাযাত্রা হয়। ৯-ই এপ্রিল রামনবমী উৎসবে হিন্দু-মুস্লমান ঐক্যের সম্ভবতঃ শ্রেষ্ঠতম উদযাপন দেখা যায়। হিন্দু-মুসলমান একত্রে খান এবং বহু জায়গায় রামবমীর মিছিলে হিন্দুদের সরবৎ সরবরাহ করেন মুসলমানরা। (একথা দুঃখের যে ভারতের কোনও রাজনৈতিক দলই রামনবমীর এই ইতিহাসটিকে গ্রহণ করলেন না, আদতেই সম্প্রীতির শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হয়ে উঠতে পারত রামনবমীর এই উদযাপন).। আমরা ইতিহাসে গোদা শব্দে পড়েছি হিন্দু-মুস্লিম বিভাজনের উপর বৃটিশ শাসন টিকেছিল। কিন্তু, এই ঘটনায় সত্যিই দেখা যায় হিন্দু-মুসলিম ঐক্য ব্রিটিশ শাসক এবং তাদের দালালদের কতটা শিরঃপীড়ার জন্ম দিতে পারে!
    ১০-ই এপ্রিল পাঞ্জাবের জননেতা ড; সত্যপাল এবং ডঃ সইফুদ্দিন কিচলুকে ডেপুটি কমিশনার আলোচনার জন্য বাংলোতে ডেকে পাঠান এবং আলোচনার নামে গ্রেপ্তার করে অজানা স্থানে বন্দি করা হয়। এই দুই নেতাকে সরাসরি গ্রেপ্তার করার হিম্মত ব্রিটিশ পুলিশের ছিল না। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১০-ই এপ্রিলই উত্তেজত জনতা পঞ্জাবে ব্যাপক দাঙ্গা হাঙ্গামা করে, পাঁচজন ইংরেজ নিহত হয় এবং পুলিশের গুলিতে ৪০ জন পাঞ্জাবি মারা যান। এরপর থেকে গোটা পাঞ্জাবে সামরিক আইনের কড়াকড়ি হয়। সেসব উপেক্ষা করেও ১৩-ই এপ্রিল বৈশাখী উপলক্ষ্যে হাজার হাজার মানুষ অমৃতসরে আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে জমায়েত হন। সেইদিনই জালিয়ানওয়ালাবাগে অ্যাডভোকেট কানহাইয়ালালের সভাপতিত্বে জালিয়ানোয়ালাবাগে এক জনসভা আয়োজন করা হয় কিচলু-সত্যপালের মুক্তি চেয়ে। কথিত আছে ব্রিটিশ এজেন্টরা এই জনসভার প্রচার করেন যাতে জালিয়ানওয়ালাবাগের জনসভায় অতিরিক্ত জনসমাগম হয় এবং দমননীতির দৃষ্টান্ত তুলে ধরে ও ডায়ার গুলি চালাতে পারেন!
    ক্রনোলজি অনুসারে এইটাই মনে হয় দৃষ্টান্তমূলক হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির ব্রিটিশ প্রতিক্রিয়া দৃষ্টান্তমূলক গণহত্যা।
    ব্রিটিশের এজেন্ট আর অ্যাপোলজিস্টরা আজও এই সম্প্রীতির বিরুদ্ধে সমান খড়গহস্ত!
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1
  • হুম | 182.76.110.171 | ০৭ জুলাই ২০২০ ১৬:২৫732353
  • হুম

  • করোনা

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত