• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • ভারত বানাম ইন্ডিয়ার ফারাকের সব আব্রু আজ খসে গেছে

    সৈকত মিস্ত্রী
    অন্যান্য | ০১ এপ্রিল ২০২০ | ২৩৭ বার পঠিত

  • একুশ শতকের কুড়ি কোটির সাইনিং,ডিজিটাল ইন্ডিয়া আর তার পেছনে পিলসুজের অন্ধকার জমা শতকোটির ভারত।প্রতিদিনই এই দ্বন্দ্ব প্রকট হচ্ছিল।তবু দুএকটা আব্রুতে কোন মতে ঢেকে ঢুকে চলছিল এতদিন।বিশ্বব্যাপি মারীর দাপটে আজ এনামেল করা, পমেটম ঘষা ইন্ডিয়ার সব সাজ খসে গেছে।তার আড়াল থেকে বের হয়ে এসেছে আসল ভারত।শুধু এদেশ নয়, ধনতন্ত্রের উৎকট বিস্তারে সারা বিশ্বের বর্ধমান শ্রেণিবৈষম্যের চিত্রটা আরও স্পষ্ট করে দিল মারীর তান্ডব। ভাইরাসের কাছে শ্রেণিবিভাজন নেই।পৃথিবী জোড়া সাম্যবাদ ঘোষণা করে তার এগিয়ে চলা। তার অমোঘ মারণের হাত থেকে নিস্তার নেই কারো।প্রকৃতির দুর্নিবার প্রতিশোধের মতো।
    কিন্তু মানুষের জগত বৈষম্যের জগৎ।মারীর প্রকোপ বাঁচিয়ে টিকে থাকা দুটি পৃথিবী ।এক সমৃদ্ধির চূড়ায় থাকা জগৎ, অন্যটি ক্ষুধা, কর্মহীনতার আশঙ্কায় কাঁপতে থাকা পৃথিবী। আড়াআড়ি বিভাজন প্রকট হয়ে গেছে আজ। বঙ্কিমচন্দ্র বলেছিলেন - অসাম্য জগতের মূল... ধনতান্ত্রিক অর্থনীতিবিদের কোন স্তোক বাক্য তিনি শোনান নি।এর বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদ ছিল। নির্মম বেষম্য ভরা যে বাস্তবতা যা আমরা লক্ষ্য করি,তা আসলে মানুষের সৃষ্টি। বলাভালো শ্রেণিবিভক্ত মানুষের সৃষ্টি। তাই এর প্রকারণেও ক্ষমতাসীন শ্রেণির দিকে টাল খেয়ে থাকে সর্বদা।যতক্ষণ না কোন দারুণ অভিঘাতে সেটা খসে যায়।অসাম্য ভরা সমাজের দিকে তাকিয়ে বঙ্কিমের মোক্ষম প্রশ্ন -" চোর দোষী বটে, কৃপণ ধনী তদপেক্ষা দোষী।"
    মারীর প্রকোপে সারাবিশ্ব বন্দীত্ব বরণ করেছে।সারি সারি মানুষের ছড়ানো মৃতদেহ আর একরাশ অসহায়তা।এই আবহে কেউ বলতে পারে এসব থাকনা।পরে হবে ক্ষণ।
    এখন কেন দোষ- গুণের বিচার করতে বসা? কারণ অন্ধ হলে প্রলয় বন্ধ হয়না।সাইনিং ইন্ডিয়ার বিদেশ- বিভুঁই নাগরিক আজ দলে দলে ভারতমুখী। প্রবাসের সবপেয়েছির দেশ যখন আক্রান্ত, তখন তাদের শেষ আশ্রয় স্বদেশ। এরা ইন্ডিয়ার নাগরিক।তাই আপনার আমার ভারতকে নিয়ে ওদের যায় আসে না কিছু্।মারীর বিজানু বহন করে ওরা অক্লেশে ছড়িয়ে পরতে পারে লোকালয়ে, জনবহুল আড্ডায়, মর্ডান ইন্ডিয়ার স্মারক শপিংমলে।নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে কেউ জলসায় মেতে ওঠেন।মন্ত্রী আমলা পরিবেষ্টিত পটিয়সীরা রঙ্গে মেতে মারী আর মৃত্যুর বিনিময় করে চলে।তা চলুক।আমার আপত্তি নেই।মহামহিম ইন্ডিয়া রাষ্ট্র বরাবর একচক্ষু হরিণের মতো।এদিকটা সে আবার দেখতে পায় না।এরা সেটা জানে।তাই নিষেধের,নির্দেশের পাতাগুলো দেদার মারিয়ে সাইনিং ইন্ডিয়া মারীর আর মৃত্যুর বীজ চালান দেয় আপনার আমার একশো কোটির ভারতে।আমার আপত্তি সেখানে।মাইলের পর মাইল ক্ষুদার্ত শ্রমিক,নিরন্ন শিশুর সাথে পথ ধরে হেঁটে চলে আমার ভারত জননী।পশুর মতো কিলবিল করে এই ভারতের শ্রমিক- মজদুর ভাইয়েরা চালান হয়।কেউবা মরে পরে থাকে পথে।ইন্ডিয়া রাষ্ট্র এদিকটা ঠিক দেখেনা।এসব দেখলে কি তার চলে!তাই প্রকাশ্য পথে হোসপাইপ টেনে, এই শতকোটীর ভারত জননীর সন্তান,আমার সহনাগরিককে রাসায়নিকে চুবিয়ে তোলা হয়।মারীর স্পর্শ থেকে বহুযোজন দূরে থাকা আমাদের ভারতের নিরন্ন মানুষ ভুগে ভুগে জীবনের পথ চলে।চলতে থাকে।তারা হয়ত এই মারীর আঁচও পেতনা কখনও।যদিনা সাইনিং ইন্ডিয়া এসে তাকে জানান দিত।
    দৃশ্যের জন্ম হয়।মারীর বীজানু বয়ে সাইনিং ইন্ডিয়া চালান করে এই পোড়া দেশে।না কোন রাসয়নিকের চোবানো হয়না তাদের।তাই হয় নাকি!
    বিশ্বে মারীর প্রকোপ বাড়ে। ভারতজননী বিচলিত হন।কাতর স্বরে মিনতি করে মহামহিম রাষ্ট্রকে।না ভারতের জন্য ব্যবস্থা!বিমান নামে, ওঠে। দুমাস ধরে মারী বয়ে পনের লক্ষের সাইনিং ইন্ডিয়া শতকোটির ভারতে মিশে যায়।না তাদের সব তথ্য মহামহিম রাষ্ট্রনেতাদের কাছে থাকেনা।থাকতে নেই।তাদের রাসয়নিকে চোবানোর কথা ভাবা পাপ!
    চারঘন্টার বিজ্ঞপ্তিতে স্তব্ধ হয় ভারত।অনহার,দারিদ্র নিয়ে মাইলের পর মাইল তাকে হেঁটে চলতে হয়।চলে মরে পরে থাকতে হয় পথে।জমানো রসদ আর বৈভবে মারীকে ছড়িয়ে দিয়ে,চারদেওয়ালের নিরাপদ বেষ্টনীতে বীভৎস মজায় মেতে ওঠে সাইনিং ইন্ডিয়া।
    আমার দরিদ্র ভারত।আজও তার গ্রামে গঞ্জে মানুষ আধপেটা খেয়ে বাঁচে।ওদের সাথে আমার প্রায়ই দেখা হয়।নগরের বাইরে ওদের আটপৌরে জীবন।অবরুদ্ধ সময়েও ওরা কাঠ কাটে।পথে নামে।না নামলে ওদের চলে না।না ওরা বনকেটে সাফ করে না,চোরাচালান করেনা আমার ভারত জননীর অরণ্য সম্পদ।যতটা দরকার,ততটাই ওরা নেয়।ওরা কাজ করে।দল বেঁধে ঘরে ফেরে।অনাহার, অর্ধাহার ওদের নিত্য সঙ্গী।এরা আছে বলে, ওদের পাঁজরের হাড়ে ভর করে টিকে থাকে সাইনিং ইন্ডিয়া। এক মজার জগত।ভোগ,উপচে পরা সমৃদ্ধি।তারা আছে বলে আমার ভারত আজ অন্ধকারে ডুবে নিস্তেল।
    কয়েকদিন ধরে সারাভারতে যে ছবি দেখেছি, লক্ষ লক্ষ অসহায় পরিযায়ী শ্রমিকের অসহায়তা দেখেছি- ভেতরে ভতরে কিছু করতে না পারার অসহায়তায় ছটফট করেছি।একটুও স্বস্তি পাইনি।আজও পাচ্ছিনা।বৈষম্যের উৎকট দাঁত বার করা রাষ্ট্রের ভারত আর ইন্ডিয়ার মাঝে যেটুকু ফাঁক ছিল,তা পূরণ হয়ে গেছে।মাইলের পর মাইল ওরা হেঁটে গেছে ঘরের দিকে।কারো কাজ গেছে, কেউবা ঘর হারিয়েছে ফিরে যাচ্ছে গ্রামের দিকে।
    পরিসংখ্যান অতি ভয়াবহ।৯৪% অসংগতি শ্রমিক আমার ভারতবাসী। তার বিপরীত ৬% সাইনিং ইন্ডিয়ার সিটিজেন।এই অংশ থেকে বার বার ধেয়ে এসেছে একটা প্রশ্ন-" এগুলি রাস্তায় কি করছে? কোথায় পুলিশ? এগুলি এখনও হাঁটছে, মেরে পা ভেঙে দিক।" সাইনিং ইন্ডিয়ার শাসকরা তার সিটিজেনের মনের কথা জানে।তাই প্রস্তুতি ছাড়াই সব বন্ধ করে দিতে পারেন।খাদ্য- নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করলেও, এই ভারতকে হাঁটিয়ে নিয়ে গেলেও এরা জেনে গেছে- ইন্ডিয়ার কিছু আসবে যাবে না।বরং প্রশ্ন ধেয়ে আসবে- " কেন এগুলি হাঁটছে। বসে থাকুক।এদের এত খাওয়ার কি হল!"
    যারা ভারতের নাগরিক হয়ে টিকে থাকতে চাই,তাদের প্রতিপ্রশ্ন - নিষেধ সত্বেও এই সাইনিং ইন্ডিয়া কেন মারী বয়ে মিশে গেল জনসমুদ্রর আনাচে কানাচে? কেন মারীর বাহক জেনেও সংক্রমণকে ত্বরান্বিত করল? এর জবাব এরা দেবেনা।
    কয়েকদিন ধরে নিরন্তর প্রশ্ন তুলেছি।তর্ক করেছি।সচেতন সতর্ক নাগরিকের প্রথম দায়িত্ব প্রশ্ন তোলা।
    সামাজিক পরিসরে কয়েকটি গ্রুপে ছুঁরে দেওয়ার প্রশ্নের অসহিষ্ণু উত্তর এসেছে ডিজিটাল ইন্ডিয়ার সিটিজেনদের থেকে।ধরুন কারো নাম অঞ্জন,তাপস, দীপ বা আরও কতকি। কেউ বহজাতিক রিয়েএস্টেটের দালাল, কেউবা কর্পোরেট চাকুরে,কেউবা অন্যকিছু।এই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার একস্বর - "দরকারে আজও বিমান নামবে।কিন্তু কেন শ্রমিকরা পথে? খাবে না তো কি হবে? "
    ভারতের সাথে তাদের কোন যোগ নেই।মুনাফাখোর বহুজাতিকদের দালাল শ্রেণির এক নতুন ইন্ডিয়ার অংশ এরা।এই রাজ্যেও তাদের আসার সময় বড় একটা হয়না।তাদের নির্লজ্জ সাফাই ফ্ল্যাট ছেড়ে আসা যায়? মা- বাবা-পরিজন আজ একাকী মহানগরের পথে অসহায় দিন যাপন করে চলেছেন। এমন একজনের নির্লজ্জ উচ্চারণে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম -" শালা গুলো মরবে তো কিএমন হবে।এরা কতটা রিভিনিউ দেয়? এগুলোর এখানে বাসস্ট্যান্ডে ভিড় করেছে।ব্রিজের নীচে থাকে।এদের জন্য পুলিশ ঘোরা ফেরা করছে।আগে মাল আনতে যেতাম,এখন... জোর কেলাচ্ছে। " আরও নানা ছবির কোলাচ এদের ভাষায় জন্ম নিতে দেখেছি - " এরা মরবে না তো কারা মরবে? এরকম কিছু কমলে ভালো।"
    এই হল সাইনিং ইন্ডিয়ার মনের কথা।অবশ্যই তার ব্যতিক্রম আছে।আছে বলে আজও ইন্ডিয়া আর ভারত হাতে হাত রেখে,কাঁধে কাঁধ রেখে এগিয়ে চলে মারীর বিরুদ্ধে মহাযুদ্ধে।রাষ্ট্র শাসকদের এটাই ভয়।আর আমাদের ভারত জননীর এটাই শক্তি।
    দালাল, ফড়ে,লুঠেরা থাকবে।ছিল।দায়িত্ব হীন সাইনিং ইন্ডিয়া মারী বয়ে দয়াহীন ভাবে ছড়িয়ে দিতে চাইবে দীনহীন ভারতজননীর বুকে।তাকে রুখে দিতে হাতে হাত রেখে এগিয়ে চলবে শুভবোধ আর সুচেতনার সহনাগরিককেরা।এটাই ভরসার কথা।
    দুর্যোগ কেটে যাবে একদিন।কিন্তু আড়াআড়ি ভাগ হওয়া ভারত বনাম ইন্ডিয়ার ক্ষতগুলো থেকে যাবে।শ্রেণিবিভক্ত সমাজে থেকে যাওয়াটাই স্বাভাবিক।
    আলোঝলমলে সাইনিং ইন্ডিয়ার পেছনে হেঁটে চলবে দীন-হীন ভারতজননী।আর তার শ্রমিক- মজদুর - কৃষক - চালচুলোহীন সন্তানেরা।ওরা কূর্ম অবতারের মতো সেদিনও অ্যাটলাসের মতো বয়ে নিয়ে চলবে সাইনিং ইন্ডিয়াকে।যতদিন না কোন দারুণ অভিঘাতে সব ধ্বসে যায়।এই ভারতের ওরা আসলে-
    "ওরা চিরকাল টানে দাঁড়,
    ধরে থাকে হাল,
    ওরা বীজ বোনে
    পাকা ধান কাটে...
    ওরা কাজ করে নগরে প্রান্তরে।"
আরও পড়ুন
ভয় - Jeet Bhattachariya
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • করোনা

  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত