• বুলবুলভাজা  খবর  টুকরো খবর

  • টক-মিষ্টি-ঝাল ভোজ

    নিয়ামৎ খান লেখকের গ্রাহক হোন
    খবর | টুকরো খবর | ১২ এপ্রিল ২০১১ | ১১৩ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ফিরুজে দুমা*

    ঝাল মানে বেশ দুরন্ত ঝাল। লঙ্কায় মোটেই অমনটি হয় না। আহা কিসে হয় সেই তো বলছি। আপনি কখনো বিরক্তিবাটা আর বেশ টুকটুকে রাগের কুচি দিয়ে রান্না খাবার খেয়েছেন? ইয়ার্কি না! আমার মা করতো। সত্যি সত্যি। এসব রান্না আজকাল আর কেউ করেনা মনে হয়। সে ধরুন সে-ই ঊনাশি সালে। সেইই উনিশশো ঊনাশি। সালটা ভুলে যাবার কোন অজুহাত নেই । ইরানী ইস্‌লামী বিপ্লব। আরে শিবের গীত না রে ভাই। একটু ব্যাকগ্রাউন্ড না দিলে গল্পটা বলবো কি করে?

    তো ঊনাশিরও বেশ ক'বছর আগে থেকে আমরা পাকাপাকি ভাবে দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ায় এসে জুটেছি। বাবা আগে কাজ করতো ইরানের নামী তেল কোম্পানীতে। আমার তো জানা ছিলো যে সব বাবারাই তাই করে। আর মা'রা থাকে বাড়িতে। তবে এদেশে এসে পর বুঝলাম যে আসলে জানার কোন শেষ নাই, ইত্যাদি। যে সময়ের কথা বলছি ততদিনে আমরা বেশ এদেশকে 'বাড়ি' বলে মনে করতে শুরু করেছি। আমরাও রাস্তাঘাটে লোক দেখলে 'হাই' বলি, পায়ে দিব্যি ফ্লিপ-ফ্লপ পরে বেড়াই, গ্রীষ্মকালে কাবাবের সঙ্গে হ্যামবার্গার প্যাটিও গ্রীল হয়। অবশ্য মাঝে মধ্যে এই চায়ের মধ্যে বরফ , কিম্বা চান করার সাবানে স্ট্রবেরীর মত গন্ধ এসব দেখে ..... যাক গে, এখানকার হাল-হকিকৎ আমাদের বেশ রপ্ত হয়ে গেছে। ততদিনে ।

    ইস্‌লামি বিপ্লব শুরু হলে পরে যখন প্রচুর দিশি লোকে মাল-জান বাঁচাবার জন্যে এখানে এসে উঠতে লাগলো তাদের মধ্যে অনেকেই বাবার বন্ধু, কিম্বা বন্ধুর বন্ধু, কিম্বা বন্ধুর বন্ধুর বন্ধু। তা তাদের বাড়িতে ডেকে না খাওয়ালে চলে কখনো? আমাদের সাহেব পড়শীরা অবাক হতো, জিজ্ঞেস করতো "প্রত্যেকটা রবিবারেই এত লোক আসে তোমাদের বাড়ি?' তা আসে আসে। তদ্দিনে আমি শিখে গেছি যে এসব প্রশ্নের উত্তরে শুধু মুচকি হাসতে হয়। কিম্বা বলতে হয় "হ্যাঁ, ওদের জন্যে ফেসেন্‌জান রান্না হয়েছে, একটু চেখে দেখবে নাকি? আরে কাদার মত দেখতে তো কি হয়েছে? খেতে খুব ভালো, দেখোই না একটু।' বলা বাহুল্য এই অব্দি শুনেই ওরা কেটে পড়তো। ফেসেন্‌জান আসলে ডালিম আর আখরোট গুঁড়ো দিয়ে একটা স্ট্যুয়ের মত, খেতে খুব ভালো হবারই কথা। তা কে আর সে কথা বিশ্বাস করে?

    লোকজন খেতে আসতো তো শনি-রোববারে, তার প্রস্তুতি পর্ব কিন্তু সোমবারেই শুরু করতে হত। শুরুতেই তো মেনুটা বানাতে হবে। তা "এই নয়, ঐ', "তার সাথে আরে: ওটা যাবেনা, বরং সেই', এই করতে করতে শেষমেষ যতক্ষণে মেনু একটা দাঁড়াতো ততক্ষণে মা'র অন্তত দশবার বলা হয়ে গেছে "তোমাদের এইসব নিয়ে আমি হয়রান হয়ে গেছি। আমার দ্বারা আর এই ভুতের বেগার হবে না'। তবে তারই মধ্যে বাসনপত্র ধুয়ে ঠিক করে রাখা,খাবার সাজানোর জন্যে মূলোর ফুল কেটে ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা,কোথায় সবাই বসবে সে সব জায়গায় ঝেড়ে মুছে, কুশন পেতে, বালিশ দিয়ে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখাও হয়ে গেছে।

    মা গাড়ি চালাতে জানেনা, কাজেই বাবাকেই বাজার যেতে হবে। মঙ্গলবারে আপিস থেকে ফিরে। অবশ্য মাকে সঙ্গে না নিয়ে গেলে হবে কি করে? কি কি লাগবে তা নিজে দেখে বেছে না কিনলে তার আবার চলেনা। দেশে থাকতে তো আমি আর মা রোজ বাজার যেতাম। ঘুরে ঘুরে ফল, সব্জি কেনা হতো, তাজা শাক,হার্বস কেনা হতো। কারুন আর আরভান্দ নদী থেকে ধরা টাটকা মাছ, চাষীকাকুদের খামার থেকে জ্যান্ত মুরগী। সবে তন্দুর থেকে বেরিয়েছে সেই হাতে গরম লাভাশ আর সাংগাক রুটি কিনতাম আমরা। সত্যি বলতে কি এখন বুঝতে পারি যে সেই ছোটবেলাতেই এই বাজারে ঘুরে ঘুরে আমি দিব্যি একজন খাবারদাবারের সমঝদার হয়ে উঠেছিলাম, এদেশে যাকে বলে "ফুডি'। এখানের বাজারে আর আমার যাওয়া হতোনা। বাবারা কতক্ষণ ধরে বাজার করবে তার ঠিক নেই! মানে, ঠিক আছে আর কি, মায়ের মেজাজের সাথে পাল্লা দিয়ে ঠিক হবে কতক্ষণ ধরে ঘোরাঘুরি হবে। দেরি হলেই বুঝবেন যা যা খুঁজছিলো তা পাচ্ছেনা, তাই বাজার একেবারে চিরুনী দিয়ে আঁচড়ানো হচ্ছে। আর এসে পরে যা চমৎকার তার 'মুড'! তখন তার সামনে যায় সাধ্যি কার! "এই পোড়া দেশে কি ভদ্রস্থ শাকসব্জিও পাওয়া যায় না?', "হতভাগারা ফলগুলো পাকা অব্দি গাছে রাখাতে পারেনা?',"কি সব মুরগী! ধাড়ি ধাড়ি, স্বাদের "স' নেই!',"কিছুই পাওয়া যায়না তা রান্নাটা হবে কি তোদের মুন্ডু দিয়ে?', "তার ওপরে এই ছাতার মাথা হাঁটু ব্যথা নিয়ে আমি কি করে এতসব উদ্ধার করবোটা কি করে শুনি?' ইত্যাদি মধুর ভাষন আর কি।

    এরপরে কাটাকুটির পালা আসতো। মা বলে দিয়েছে যে কোর্মে সব্জি আর হার্ব স্ট্যুয়ের জন্য ধনেপাতা, পার্সলী,পেয়াঁজশাক সব মিহি করে কুচিয়ে রাখতে হবে। ওরা দুজন ইয়া বড় দুই ছুরি নিয়ে বসে পড়তো। আর আমরা দেখতাম টেবিলে হার্বসের কুচির পাহাড় জমছে, আর সেই সঙ্গে সমানে তর্কাতর্কি চলছে কোন পাতা কতটা বড় বা ছোট করে কাটা উচিৎ। সব রান্নাতেই অনেক পেয়াঁজভাজাও লাগতো। আমি তো দেখতাম বেশির ভাগ দিনই বাবা আপিস থেকে ফিরে টিভিতে ছ'টার নিউজ দেখতে বসলেই মা এত্তগুলো পেয়াঁজ, মস্ত ছুরি আর কাটিং বোর্ড ওর সামনে নামিয়ে দিয়ে চলে যেতো। আমি অবশ্য অনেকবার সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু মায়ের তো আমার কাটা পেয়াঁজ পছন্দ হতোনা। নাকি যথেষ্ট মিহি হয়নি,বা একেকটা টুকরো হয়েছে একেক মাপের। পেয়াঁজ কাটার জন্য বাবার মতো ইঞ্জিনিয়ারের হাতের প্রেসিশন না হলে চলতো না।

    এরপরের ক'দিন ধরে উনুনের চারটে বার্ণারই সমানে জ্বলতো। কোনটায় কিমা আর চাল সেদ্ধ হচ্ছে,কোনটায় মটর আর পেয়াঁজকলি রান্না হচ্ছে। সব মিলিয়ে যে পুর তৈরী হল তা আঙুরপাতায় মোড়া হবে। আমার কাজ ছিলো পাতাগুলোর ডাঁটি কেটে ছোট করা। দু'একবার পাতা মুড়ে রোল গুলো বানাবার চেষ্টা যে করিনি তা নয়। তবে "ঠিক মতো টাইট করে মোড়া হয়নি' ব'লে তৎক্ষনাৎ তা নাকচ হয়ে গেছিলো। রান্নার ফাঁকে ফাঁকে মা আখরোট আর কাগজিবাদাম জলে ভিজিয়ে রাখতো, দই বানিয়ে রাখতো। ঘন টক দই, দোকানে তেমনটি কিনতে পাওয়া যায়না। আর ভাজতো বেগুন। তাই দিয়ে হলুদ,রসুন, পুদিনা আর এটা সেটা মিশিয়ে তৈরী হবে "কাশ্‌ক-এ-বাদেমজান'। এটা এক রকম অ্যাপেটাইজার, খুব ভালোবাসে আমাদের দেশের লোকে। "তোরশি- এ-লিমো' ও বানাতো মা । টক লেবুর আচারের মত একটা জিনিষ। আর কমলালেবুর খোসা খুব ঝিরিঝিরি করে কেটে রাখতে হতো। বলাই বাহুল্য সে কাজটা থেকেও আমি বরখাস্ত হয়েছিলাম, কেননা আমার কাটা খোসায় সাদা তেতো অংশটা থেকে যেতো।

    লোকজন যখন নেমন্তন্ন খেতে এসে গিয়েছে তখনও আমার হা-ক্লান্ত মায়ের রান্না শেষ হয়ে উঠতো না। হবেই বা কি করে? আমাদের খানার সবচেয়ে বড় পদ হলো ভাত,সেটা আগের থেকে রান্না করে রাখলে তো চলেনা। বিশেষ করে যখন কেমন ভাত রান্না হয়েছে সেই দিয়েই বোঝা যায় এ রাঁধুনীর হাত কেমন। আমার মনে আছে, দেশে থাকতে একদিন মা ভাত নামিয়ে সবে ফ্যান গালতে যাবে, এমন সময় মাসি ফোন করলো। "ভাতটা করে নিয়েই তোকে আমি ফোন করছি' এইটুকুনি মাসিকে বলে আসতে না আসতেই সে ভাত বেশি সেদ্ধ হয়ে গেলো। এই নিয়ে আক্ষেপ মায়ের কোনদিনও যায়নি। এমনকি এই ঘটনার চল্লিশ বছর পরেও আমি ওকে বলতে শুনেছি "দিদির আর কি? ওর তো কাজের মেয়ে সব রান্না করে। বকবক করার সময় ওর হবে না তো কার হবে? ভাতটুকুও নিজে রাঁধতে আর শিখলো না!'

    অত লোকের বসে খাবার মত বড় টেবিল আমরা কোথায় পাবো? খাবার টেবিলেই তাই বড় বাসনে সব খাবার সাজানো হতো, আর সবাই ছোট প্লেটে তুলে নিয়ে খেতো। অনেক লোকজন হয়ে গেলে পর কাগজের প্লেট আর প্লাস্টিকের চামচের ব্যবস্থা করতে হতো। আমি বেশ দায়িত্ব নিয়ে ঘোষনা করতাম যে 'এসো সবাই, খাবার তৈরী'। ঘরে ঢুকে টেবিলের দিকে তাকিয়ে অবাক হতোনা এমন লোক কমই ছিলো। মায়ের হাতের "জেরেশক্‌ পোলাও' দেখে অনেকেই অভিভূত হয়ে পড়তো। এই রান্নাটার জন্য বারবেরী লাগে। অ্যামেরিকায় তা পাওয়া যেতোনা। মা স্যুটকেসে ক'রে ইরান থেকে শুকনো বারবেরী নিয়ে এসেছিলো। সেই দিয়ে রান্না পোলাওএর লালচে রং দেখে অনেকেরই ফেলে আসা দেশের কথা মনে পড়তো। এই সব সময়ে চোখের পাতাগুলো আবার শুধুশুধু বড্ড ভিজে যায়।

    সারা সপ্তাহ ধরে যে রান্না হয়েছে তা খেয়ে শেষ করে ফেলতে মনে হয় কুড়ি মিনিটের বেশি লাগতোনা। সব্বাই বারে বারে নিয়ে খেতো, আর বারবার বলতো 'উ: কতকিছু করেছেন।' কথাগুলোর মধ্যে কতখানি তৃপ্তি, আর কতখানি মনকেমন মিশে থাকতো তা অত খাবারের স্বাদগন্ধের মধ্যেও কিন্তু ঢাকা পড়তে দেখিনি কোনদিন। মা অবশ্য বলতো 'কি আর এমন করেছি বলুন তো? আর ক'টা পদ করতে পারলে বরং তাও হতো'। সবাই অবশ্য এও বলতো যে "মেয়ে নিশ্চয়ই অনেক সাহায্য করেছে?' মা কেবল মাথা নাড়তো। আর আমি কোনদিক দিয়ে পালাই তাই ভেবে পেতামনা। বাবা বলে উঠতো "ফিরুজে মা অংকেও খুব ভালো'। কথা ঘোরাবার জন্যে নাকি? জানিনা।

    রবিবার দিন মা ফুলে ওঠা ব্যথা পা গুলো সোফায় তুলে বসে একের পর এক ফোন ধরে যেতো। বেশির ভাগ ফোনে এই কথা গুলোই হতো

    -- 'না না,এ আর কি বলুন, আপনাকে খাইয়ে তো আমাদেরই বেশি আনন্দ।'

    -- ......

    -- "হ্যাঁ নিশ্চয়ই। আপনার বন্ধুকে নিয়ে আসুননা পরের শনিবার।'

    -- ......

    -- "আরে এ একটা কথা হলো দাদা? অবশ্যই ওঁকে বলবেন ওঁর বন্ধুকে আমাদের ঠিকানা দিতে'।

    আমি মায়ের লাল ফোলা পা, ব্যথায় ঝুঁকে যাওয়া কোমর আর ছ্যাঁকা লাগা কাটাকুটি হাত দুটো দেখতে দেখতে নিজের মনের মধ্যে বুঝতে পেরে গিয়েছিলাম যে 'ট্র্যাডিশন' জিনিষটা খুব ভালো, কিন্তু যদি তাতে সবাই আনন্দ পায় তবেই। খুব ভারী কথা ভাবার মত তখনও বয়স হয়নি, তবু আমি বুঝতে পেরে গিয়েছিলাম যে আর সব কিছুর মত, আমাদের জীবনযাত্রা,সভ্যতা, আমাদের বিশ্বাস, পরিবেশের মত ট্র্যাডিশনেরও ইভোল্যুশন হওয়া উচিৎ। ইভোল্যুশন, দাই নেম ইজ পটলাক।

    * "গুর্মে' ম্যাগাজিনে ফিরুজে দুমা'র লেখা "জংননঢ়-ড়ষয়ক্ষ তশধ ক্ষনড়নশঢ়পয়র' প্রবন্ধ থেকে অনুবাদ -- নিয়ামৎ খান।
  • বিভাগ : খবর | ১২ এপ্রিল ২০১১ | ১১৩ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন