• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • বুরহান ওয়ানির 'বিচার-বহির্ভূত হত্যা' সম্পর্কে কিছু কথা -প্রথম পর্ব

    কবিতা কৃষ্ণন- অনুবাদ স্বাতী মৈত্র লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৪ জুলাই ২০১৬ | ১০৭৫ বার পঠিত
  • বুরহান ওয়ানির হত্যা 'বিচার-বহির্ভূত' ও তার তদন্তের প্রয়োজন - এই আপাতদৃষ্টিতে 'বিতর্কিত' আর 'শকিং' মন্তব্যের প্রেক্ষিতে মিডিয়ার অনেকেই আমাকে এই বিষয়ে বিশদে বক্তব্য রাখতে অনুরোধ করেছেন, অতএব এই প্রসঙ্গে কিছু বলা যাক।

    বুরহান ওয়ানির হত্যা 'আসল' কি 'সাজানো' এনকাউন্টারে হয়েছে তাতে হয়তো বেশিরভাগ কাশ্মীরি মানুষেরই কিছু এসে যায় না। তাঁদের কাছে বিষয়ের মূল এই, যে বুরহান ওয়ানির হত্যার জন্য দায়ী ভারতীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা - ঠিক যেরকম ভাবে আরও অনেক কাশ্মীরি তরুণ-তরুণীর হত্যা হয়েছে, এবং হয়েই চলেছে। তাঁদের ক্ষোভ, তাঁদের শোক, এগুলোর সাথে এই এনকাউন্টারের সত্যমিথ্যা জড়িত নয়। তাঁরা ভারতীয় রাষ্ট্রব্যবস্থার কাছে যথাযথ প্রক্রিয়া বা ন্যায়বিচার আশা করেন না। সাধারণত আমাদের মতন সামাজিক অধিকারের লড়াইয়ে সক্রিয় কর্মীরাই এই দাবি তুলে থাকেন - যথাযথ প্রক্রিয়ার দাবি, ভারতীয় সংবিধান-ব্যবস্থার সম্মানরক্ষার দাবি, সংঘর্ষপ্রবণ এলাকাগুলিতে সেনাবাহিনিকে দায়িত্ব এড়াতে না দেওয়ার দাবি। (অনেক সময় আমার মনে হয় এই পুরোটাই একটা ক্লান্তিকর, অনর্থক প্রচেষ্টা।) 

    মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট বহুবার আদেশ দিয়েছেন যে প্রতিটি এনকাউন্টারের ক্ষেত্রে এফআইআর করতে হবে, ম্যাজিস্টেরিয়াল এনকোয়ারি করতে হবে, ক্রিমিনাল তদন্ত এবং মামলা করতে হবে। এফআইআর ও মামলার অর্থ কি? অর্থ এই, যে যে কোন এনকাউন্টারের ক্ষেত্রে প্রথমে এটাই ধরতে হবে যে সেই এনকাউন্টার আইনসংগত নয়, এবং তারপর প্রমাণ করতে হবে যে পুলিশ বা সেনাবাহিনীর কাছে আত্মরক্ষার কারণে সরাসরি হত্যা ছাড়া কোন উপায় ছিলনা। সুপ্রিম কোর্টের ২০১৪ সালের রায়ে এই বিষয়ে খুব পরিষ্কার কিছু নির্দেশ আছে। ৮ জুলাই ২০১৬-এ মণিপুর থেকে আফস্পা সরানোর বিষয়ে এক শুনানিতে (যেখানে ১৫২৮টা 'সাজানো' বা 'ফেক' এনকাউন্টার-এর কথা উঠে আসে) সুপ্রিম কোর্ট আবার এই অনস্বীকার্য সত্যের পুনরাবৃত্তি করেন -  'বিচার-বহির্ভূত' হত্যাকাণ্ড ন্যায়সংগত নয়, তা সে যতই কিছু রাজনীতিবিদ ও টেলিভিশন অ্যাংকর দাবি করুন না কেন, তা সে মৃত ব্যক্তি নিশ্চিন্তভাবে 'আতঙ্কবাদী', 'ক্রিমিনাল' বা জঙ্গি হোক না কেন। এক বার থেমে একটু ভাবুন - ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে ১৫২৮টি হত্যা, শুধু মণিপুর রাজ্যে! এমন একটা সংখ্যা যা মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের কোনভাবে রং চড়ানো বা অভাবনীয় মনে হয়নি! এই সংখ্যা থেকে আমরা একটা জিনিস পরিষ্কার দেখতে পাইঃ এ দেশে 'সাজানো' এনকাউন্টার - 'বিচার-বহির্ভূত' হত্যাকাণ্ড - মোটেই কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এতে রাজনীতিবিদ ও সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রকদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। এই প্রকারের হত্যাকাণ্ড পলিসির অঙ্গ। এই পরিস্থিতিতে আমরা যদি জানতে চাই বুরহান ওয়ানির হত্যা 'সাজানো' ছিল কি না,  শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষজন কি সত্যি খুব আশ্চর্য হবেন? তাঁরা কি ভাবে নিশ্চিন্ত হতে পারছেন যে এই বিশেষ এনকাউন্টারটি কোনভাবেই আইনবহির্ভূত নয়?

    এরপর একটু বুরহান ওয়ানির হত্যা-পরবর্তী ঘটনাবলি দেখা যাক, বুরহান ও তারপরে কাশ্মীরের কিছু সাধারণ মানুষের হত্যার রাজনৈতিক ফলাফলের একটু বিশ্লেষণ করা যাক। এই নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে হাজারে হাজারে কাশ্মীরি মানুষ বুরহানের মৃত্যুর শোকে রাস্তায় নেমেছিলেন, এবং হয়তো আরও সহস্র মানুষ নীরবে নিজের বাড়ির ভিতরে তার জন্য শোকপালন করেছেন। তাঁদের উপর গুলি চালানো হচ্ছে, তাঁদের হত্যা করা হচ্ছে - মৃতের সংখ্যা এই লেখার সময় ২১, এবং তা বেড়েই চলেছে। এই ঘটনাবলি সম্পর্কে আমরা ভাবতেই পারি যে বুরহান ওয়ানির হত্যায় শোকাক্রান্ত এবং 'আজাদির' দাবী রাখা যে কোন কাশ্মীরি 'সন্ত্রাসবাদী', এবং তাঁদের রাস্তায় 'কুকুরের মতন' মৃত্যুর বেশি কিছু প্রাপ্য নয়। @ggiittiikkaa নামে একটি টুইটার হ্যান্ডেল লিখেছেন, 

    "জঙ্গি বুরহানের শেষকৃত্যে ২০ হাজার লোক গেছে। এই ২০ হাজার শুয়োরের উপর বোমা মেরে এদের আজাদি দেওয়া উচিত ছিল।" (20k attended the funeral of terrorist Burhan. Should have dropped a bomb and given Azadi to these 20k pigs.) 

    ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রীও এই টুইটার হ্যান্ডেলটি ফলো করেন। এখন আপনিও যদি এই মনে করেন যে গোটা একটা জাতির মানুষকে আতঙ্কবাদী শুয়োর বলে দেগে দেওয়া যায় ও তাঁদের গণহত্যা হওয়া উচিত বলে দেওয়া যায়, তাহলে আপনাকে আমার কিছু বলার নেই। শুধু এটুকুই বলতে পারি যে আপনার কথাগুলো হয়তো আপনার পরিচিত মহলে কিছু শ্রোতার খুব ভালো লাগতে পারে, কিন্তু বাকি পৃথিবীর চোখে এটা ভারতীয় রাষ্ট্রব্যবস্থার হাতে কাশ্মীরিদের অত্যাচারের আরেকটা নমুনা হয়ে থাকবে, ব্যস। যদি ভারতবাসীর চোখে কাশ্মীরিরা মানুষ না হন, যদি ভারতবাসীর চোখে তাঁরা নেহাত শুয়োরের ন্যায় কিছু প্রাণী যাঁদের কোন ন্যায্য রাজনৈতিক বিচার ও দাবীদাওয়া থাকতে পারে না, যদি তাঁদের শোক-হতাশা কিছুই ধর্তব্যের মধ্যে আসে না, তাহলে তাঁরা ভারতবর্ষের অঙ্গ হয়ে কেন থাকতে চাইবেন? 

    তবে আমি তাও আশা করবো যে এখানে কিছু পাঠক রয়েছেন যারা প্রথমেই কাশ্মীরিদের 'আতঙ্কবাদী' ধরে না নিয়ে একটু জানতে চান কেন কাশ্মীরের মানুষ আজ শোকগ্রস্থ, কেন তাঁরা রাস্তায় নেমেছেন আজ প্রতিবাদ-মুখর হয়ে।  

  • আপনিও যদি সেই পাঠক হন, তাহলে আসুন প্রথমে জিজ্ঞেস করি বুরহান ওয়ানি তার বেছে নেওয়া এই ভয়ংকর পথে কেন হেঁটেছিল। 

    কাফিলাতে শুদ্ধব্রত সেনগুপ্ত 'Kashmir Burns, Again’ নামক একটি লেখায় লিখেছেন,  

    ২০১০ সালের অক্টোবর মাস। বুরহান ওয়ানি - তখন ১৬ বছরের - তার বড় ভাই খালিদ ওয়ানি ও আরেক বন্ধুর সাথে বাইকে চেপে ঘুরতে বেরিয়েছিল তাদের ট্রাল এলাকায়, যেমন এই বয়সী ছেলেরা করেই থাকে যে কোন জায়গায়। জম্মু আর কাশ্মীর পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের একটা পিকেটে তাদের আটকানো হয়, এবং বলা হয় সিগারেট নিয়ে আসতে। খালিদ যায় সিগারেট আনতে, বুরহান ও তাদের অপর সাথী অপেক্ষা করে থাকে। সিগারেট দেওয়ার পর কোন কারণ ছাড়াই ট্রুপের লোকজন ছেলে তিনজনের উপর চড়াও হয়। তাদের মারধোর করা হয়, খালিদের প্রিয়তম বাইকটা ভেঙ্গে দেওয়া হয়। খালিদ এরপর অজ্ঞান হয়ে যায়। সেদিন হয়তো সবথেকে বেশি আহত হয়েছিল ১৬ বছরের বুরহান, তবে সেই আঘাত অদৃশ্য - এমন এক আঘাত যেটা হয়তো যে কোন সেলফ-রেসপেক্টিং তরুণই বোধ করবে যদি তাকে অকারণে মার খেতে হয়।

     পাঠক মনে রাখবেন যে ২০১০ সালে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে কাশ্মীরে অন্তত ১১২ জন সাধারণ মানুষের হত্যা হয় একের পর এক অবান্তর কারণে। ১৬ বছরের বুরহান ওয়ানির মনে এই সমস্ত হত্যাকাণ্ডগুলি গভীর ছাপ ফেলে গেছিল নিঃসন্দেহে, ঠিক যেমন তার বাইকসফরের শেষের দুঃস্বপ্ন, হেনস্থা ও অত্যাচার তার মনে দাগ কেটে বসে। শুদ্ধব্রত লিখেছেন, "হয়তো কিশোর বুরহানের সেইদিনই মৃত্যু হয় যেদিন তার দাদার বাইকটা খুব সহজে, খুব অবহেলার সাথে মাঝরাস্তায় থামানো হয়। হয়তো 'জঙ্গি' বুরহান, যে কিনা বড় হয়ে 'জঙ্গি কমান্ডার' বুরহান হয়ে ওঠে, সেইদিনই জন্মগ্রহণ করে। ... কমান্ডার বুরহান ওয়ানির জন্ম ও মৃত্যু ভারতীয় রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যে, সেই ভারতীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা যা বুরহানের মতন বুদ্ধিমান, তরতাজা এক তরুণের সামনে অস্ত্র তুলে নিয়ে তার হৃত আত্মসম্মান ফিরিয়ে নেওয়া ছাড়া কোনো রাস্তা রাখেনি।" 

    এই মুহূর্তে কাশ্মীরে আরও মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে। তাঁদের হেনস্থা করা হচ্ছে, অন্ধ বা বিকলাঙ্গ করে দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালের মধ্যে কাঁদুনে গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। আহতদের ফেরি করা অ্যাম্বুলেন্সকে আক্রমণ করা হচ্ছে। এক মিনিট একটু সময় নিয়ে ভাবুন। একবার মনে করুন শেষ কবে আপনি নিজে - আপনি, সাধারণ দেশপ্রেমী ভারতীয় নাগরিক - এমন কোনো আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন যাকে সরকার বা পুলিশ অন্যায্য বলে মনে করেছে। যেমন ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসের আন্দোলন, যেখানে হাজার হাজার মানুষ ইন্ডিয়া গেটে উপস্থিত হন ধর্ষণের প্রতিবাদ করতে। যদি আপনি তাঁদের সাথে পথে নেমে থাকেন, বা যদি আপনার তাঁদের প্রতি সামান্য সহানুভূতিও থেকে থাকে, তাহলে একবার মনে করুন - সরকার যখন তাঁদের উপর লাঠি চার্জ করে, কাঁদুনে গ্যাস ব্যবহার করে, তখন আপনার কতটা রাগ হয়েছিল? একবার কল্পনা করুন যদি সেখানে লাঠির বদলে বুলেট চলত, যদি আন্দোলনকারীরা আহত বা নিহত হতেন - আপনার কেমন লাগতো? ভাবুন কেমন লাগতো যদি মিডিয়া তাঁদের সেই আন্দোলনকে ন্যায্য মনে না করতো, যদি পুলিশের হিংস্র ব্যবহারের নিন্দা না করে তাঁদের মৃত্যুকে 'দেশের' বিজয় হিসাবে দেখত। ভাবুন যদি এটা নেহাত একবারের বিচ্ছিন ঘটনা না হয়ে দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ঘটতে থাকা এক হিংস্র হত্যালীলা হত, যাতে বারবার সাধারণ মানুষের রক্তপাত ঘটে। কল্পনা করুন যদি এমন হত যে এই বিষয়ে আপনি কোন সেমিনার করার অধিকার রাখেন না, কোন স্লোগান তোলার অধিকার রাখেন না। আপনি মুখ খুললেই আপনার হেনস্থা হবে, আপনি অ্যারেস্ট হবেন, আপনার উপর অত্যাচার করা হবে। আপনার ওপর এরকম একটা ঘটনার প্রভাব কি হত? আজকের তরুণ কাশ্মীরিরা কি করবেন? আর কত বুরহান জন্মাবে, আর কজন বুরহানের হত্যা হবে?

     

    (চলবে)

     

    মূল লেখাটি কাফিলায় প্রকাশিত ও লেখিকার অনুমতিক্রমে অনূদিত।

  • বিভাগ : আলোচনা | ২৪ জুলাই ২০১৬ | ১০৭৫ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | 132.162.125.198 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৬ ০৩:১৯81598
  • আমার মনে হচ্ছে দিল্লির একটি ঘটনার কথা।
    নির্ভয়ার জঘন্য হত্যার প্রতিবাদে দিল্লির ছাত্র যুবকেরা সম্ভবতঃ দিল্লির কোন মন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে; কয়েক হাজার।
    তখন তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছাড়াও জলকামান ব্যবহার করা হয়। বেশ কিছু আহত হয়। পুলিশ অনেকের বিরুদ্ধে পুলিশকে আক্রমণের মিথ্যে কেস দেয়।
    একজন পুলিশ কনস্টেবল দুপুরের রোদে ডিউটি করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছু ছেলেমেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়। উনি হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। পুলিশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে (যারা নিয়ে এসেছিল সমেত) হত্যার মামলা রুজু করে। বিভিন্ন চ্যানেলে এক মহিলা ও পুরুষ উচ্চাধিকারী সমানে বলে যান যে অভিযোগের পাকা প্রমাণ আছে। পরে দেখা যায় যে সব মিথ্যে; কয়েকজন শপিং মলে ছিল--সিসিটিভির এভিডেন্স।
    কোর্ট পুলিশকে তিরস্কার করে ওদের মুক্তি দেয়। কিন্তু মিথ্যে মামলা করা অধিকারীদের বিরুদ্ধে কিছুই হয় না।
  • ranjan roy | 132.162.125.198 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৬ ০৩:১৯81597
  • আমার মনে হচ্ছে দিল্লির একটি ঘটনার কথা।
    নির্ভয়ার জঘন্য হত্যার প্রতিবাদে দিল্লির ছাত্র যুবকেরা সম্ভবতঃ দিল্লির কোন মন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে; কয়েক হাজার।
    তখন তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছাড়াও জলকামান ব্যবহার করা হয়। বেশ কিছু আহত হয়। পুলিশ অনেকের বিরুদ্ধে পুলিশকে আক্রমণের মিথ্যে কেস দেয়।
    একজন পুলিশ কনস্টেবল দুপুরের রোদে ডিউটি করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ে। কিছু ছেলেমেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়। উনি হার্ট অ্যাটাকে মারা যান। পুলিশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে (যারা নিয়ে এসেছিল সমেত) হত্যার মামলা রুজু করে। বিভিন্ন চ্যানেলে এক মহিলা ও পুরুষ উচ্চাধিকারী সমানে বলে যান যে অভিযোগের পাকা প্রমাণ আছে। পরে দেখা যায় যে সব মিথ্যে; কয়েকজন শপিং মলে ছিল--সিসিটিভির এভিডেন্স।
    কোর্ট পুলিশকে তিরস্কার করে ওদের মুক্তি দেয়। কিন্তু মিথ্যে মামলা করা অধিকারীদের বিরুদ্ধে কিছুই হয় না।
  • dc | 132.174.105.120 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৬ ০৪:৫১81599
  • এই লেখাটা কিছুদিন আগে কাফিলাতে পড়েছিলাম। সেই সময়ে কিন্তু এখানেও টইতে খুব ইন্টারেস্টিং আলোচনা চলছিল।
  • অতীন্দ্রিয় | 71.14.229.154 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৬ ০৭:১৯81600
  • অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং সময়োপযোগী লেখা এবং অনুবাদ
  • Boka | 127.213.186.209 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৬ ০২:৩০81602
  • মেডিক্যাল মিশন বলে যা আসছে বা আসতে চাইছে সেটি 26/11 খ্যাত হাফিজ সাঈদের জামাত উদ দাওয়া। ওষুধের কার্টন পিছু গুটি 2-3 ak47 আসবে আশা করা যেতে পারে। খুশি হব কিনা এই খবরে, বোধ হয় ভাবা দরকার।
  • ... | 59.245.102.17 (*) | ২৬ জুলাই ২০১৬ ০৫:৩৬81603
  • Ahare burhan o martyr hoye gelo... Opekha korchi... Aar borojor 3-4 bochor... Kasav ke niye eirakom lekha berobe... Ekhon baar korle kyal khaoyar chance ache... Loker smriti ekhono sotej ei ghotona te...

    Aar conspiracy theory lekha aar golper goru gache tola ek byapar... Asha kori kasav er belateo goru aar gacher obav hobe na.
  • প্রতিভা সরকার | 37.63.148.36 (*) | ২৯ জুলাই ২০১৬ ০৯:৩২81605
  • কাশ্মীরে বেপরোয়া তাণ্ডবলীলা চলছে এই কথাটাই যেন অনেকে বিশ্বাস করে না মনে হচ্ছে। আরে আলোচনার একান্ত দরকার যেখানে সেখানে আলোচনার বদলে পেলেট গানের ব্যবহার কার্যকর হয় কখনো !
    আর একটা কথা। পাকিস্তানি মেডিকেল মিশন আসতে চাইছে, আর দেশের ভেতরের এইধরণের কোন প্রতিষ্ঠানের সাড়া নেই কেন।? আমরা কি তাহলে সত্যিই বিশ্বাস করিনা যে....।এই মন্তব্যের প্রথম লাইন থেকে আবার পড়ুন প্লিজ।
  • প্রতিভা সরকার | 37.63.148.36 (*) | ২৯ জুলাই ২০১৬ ০৯:৩২81604
  • কাশ্মীরে বেপরোয়া তাণ্ডবলীলা চলছে এই কথাটাই যেন অনেকে বিশ্বাস করে না মনে হচ্ছে। আরে আলোচনার একান্ত দরকার যেখানে সেখানে আলোচনার বদলে পেলেট গানের ব্যবহার কার্যকর হয় কখনো !
    আর একটা কথা। পাকিস্তানি মেডিকেল মিশন আসতে চাইছে, আর দেশের ভেতরের এইধরণের কোন প্রতিষ্ঠানের সাড়া নেই কেন।? আমরা কি তাহলে সত্যিই বিশ্বাস করিনা যে....।এই মন্তব্যের প্রথম লাইন থেকে আবার পড়ুন প্লিজ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন