এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৬:৫৮71758
  • অনেকেরই মনে হয়েছে, এভাবে ন্যাপকিন ঝুলিয়ে এটা প্রাইভেট জিনিসকে বাইরে আনা হচ্ছে, ট্যাবু ভাঙা নয়, কারণ এই নিয়ে তাঁদের ট্যাবু নেই, কিন্তু প্রাইভেসি আছে ঃ)। কালো প্যাকেটে মুড়িয়ে নিয়ে যাবার সময়েও কেউ সেরকমই ভাবতে পারেন। তাঁরা অবশ্য ভারি রক্ষণশীলতার দোষে ও পিতৃতন্ত্রের কাছে নতজানু হওয়ার দোষে অভিযুক্ত ঃ)
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৬:৫৯71759
  • বা আরেকটু স্পষ্ট করে দি, যাকে ট্যাবু বলা হচ্ছে তা আসলে প্রাইভেসি বা প্রাইভেসি জাত।
  • san | 113.245.14.169 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:১৪71760
  • কি আজব। চুমুকেও তো লোকে চুমুই বলে থাকে , এবং বলবে বলেই এক্সপেক্ট ও করা হয় । আমি নিশ্চয় আশা করবনা আমার কোনো সহকর্মী চুমুকে চুমু না বলে এক্সেলশিট বলে রেফার করবেন। তা বলে কি তাঁর এই অধিকার আছে নাকি যে তিনি আমায় ( আমার বন্ধু না হলে ) দিনে কটা চুমু খাই বা খেলাম জিগ্যেস করবার অধিকার রাখেন !
  • Atoz | 161.141.84.175 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:২০71761
  • দম্পতিরা পথেঘাটে সঙ্গম করেন না, সেটা তো ট্যাবুর জন্য না। প্রাইভেসির জন্যই তো!
  • Ishan | 202.43.65.245 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪১71762
  • জবার দেবার আগে সিরিয়াসলিই জানতে চাই।

    ১। দীপিকার ব্রা এর বদলে সলমন খানের চাপা গোলাপি প্যান্ট নিয়ে কমেন্ট করলেও কি প্রাইভেসিতে হস্তক্ষেপ বলে প্রতিবাদ করা হত?

    ২। এক ভদ্রলোক টিভি চ্যানেলে একটা শব্দ বলবেন না। সেটা জোর করে বলানো কি প্রাইভেসিতে হস্তক্ষেপ নয়? নাকি বলতেই হবে, নইলে ট্যাবু?

    সিরিয়াস উত্তর চাইছি। উত্তপ্ত বাক্যমিনিময় করার ইচ্ছা নাই।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪৪71763
  • 00:44:38 IST পোস্টটার মানে সেভাবে কিছুই বুঝলাম না। তবে আজবও বলছিনা ঃ)

    আর একটু অন্য প্রসঙ্গে ( সেভাবে দেখতে গেলে অন্য প্রসঙ্গ নয়ও), সিনেমার নায়ক নায়িকাদের চুলের ছাঁট এমন না হয়ে অমন হলে ভাল হত কি অমুক শাড়ি কি তমুক জ্যাকেটে খুব বদখত দেখাচ্ছে বা ব্যাপক লাগছে কি এটা না পরে অমুক পরলে ভালো লাগতো , এধরণের আলোচনাকে কখনো কোথাও অশোভন বলতে দেখিনি। ব্রা নিয়ে আলোচনা হলে অনেকেই বলবেন। তাই প্রাইভেসির লাইনটা কোথাও তো একটা টানা হয়ই। চুল নিয়ে বললে অশোভন না ( ইন ফ্যাক্ট দীপিকার চুল কেমন করা উচিত ছিল , সেই নিয়েও ঐ টইতে মন্তব্য ছিল , সেটা কেউ অশোভন বলেনি কিন্তুঃ)), ব্রা নিয়ে বললে অশোভন , তার মানে শব্দ কোথাও ম্যাটার করেই। আর সেটা প্রাইভেসির সাথে যোগাযোগ সূত্রেই।
    ব্রা যে কারণে প্রাইভেট, পিরিয়ডও কেউ সে কারণেই প্রাইভেট মনে করতে পারেন। ব্রা নিয়ে আলোচনা না করা ট্যাবু নয়, প্রাইভেসি হলে পিরিয়ড নিয়ে কেন কেউ খোলাখুলি আলোচনা করবে না, এটাও ট্যাবু না বলে প্রাইভেসি বলা যেতে পারে।
    ও , আরো মনে পড়লো। আরো ন্যাপকিন প্যাকেটে মুড়িয়ে নিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে। লোকজন তো অন্তর্বাসও ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে নিয়ে যায়না। সেটাকে ট্যাবু বলবো না প্রাইভেসি ?
  • স্যানিটারি ন্যাপকিন | 188.83.87.102 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪৫71764
  • সাবান, টয়লেট পেপার, শ্যাম্পু, হাগিস, ইত্যাদির মতোই স্যানিটারি ন্যাপকিন বা ট্যাম্পোন। রেখেঢেকে আরো বিক্রি হয়/হতো হেয়ার রিমুভার (অ্যানি ফ্রেঞ্চ), কিন্তু ছেলেদের শেভিং ব্লেড খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে আড়াল করে বিক্রি হতে দেখিনি।
    ট্যাবু না প্রিভেসি, জানিনা।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪৭71765
  • *স্যানিটারি ন্যাপকিন
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪৮71766
  • মেয়েদের শেভিং ব্লেড বা হেয়ার রিমুভাল ক্রিমও খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে আড়াল করে বিক্রি হতে দেখিনি। বিশ্বাস করুন ঃ)
  • ট্যাম্পোন | 188.83.87.102 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৫৪71767
  • আমি দেখেছি। বিশ্বাস করা না করা নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই। ঐভাবেই কিনেছি দেশে। কোলকাতায়। ব্রেসিয়ার কিনতে গেলে দোকানীর সামনে বেচে বুছে দাম সাইজ ডিজাইন রং সব বুঝে দেখে কিনেছি। কেয়ার্ফ্রী কি হুইস্‌পার কিনতে গেলে অত বাছাবাছি খোলাখুলি নয়, তিরিশের প্যাকেট কি কুড়ির বলে দিলাম, খবরের কাগজে মোড়া জিনিস চলে এলো কালো পলিথিনে। ;-)))
    স্যানিটারি ন্যাপকিনেই এই? ট্যাম্পোন সম্ভবতঃ পাওয়া যায় না। গেলেও জানিনা।
  • হুইস্‌পার | 188.83.87.102 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৫৬71768
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৫৮71769
  • সে... আর কী করা যাবে ..:)
  • san | 113.245.14.169 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:০১71770
  • ১। হ্যাঁ। প্রতিবাদযোগ্য হত এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নাই। প্রতিবাদ করা হত কিনা সেটা চোখে পড়া ও সময় থাকার উপর নির্ভর করে। ধরে নিচ্ছি ইকুইভ্যালেন্ট মন্তব্যের কথা হচ্ছে।

    ২। জোর করে বলানো অবশ্যই হস্তক্ষেপ। সেই নিয়ে র‌্যাগ করা আর কি। সোজা কথা সোজাভাবে না বলা নানাকারণেই হতে পারে , কারণগুলো আমার মনঃপূত ও না হতে পারে , কারণগুলো পাল্টানোর চেষ্টায় আমার সমর্থন ও থাকতে পারে , তা বলে র‌্যাগ করায় থাকবে না।

    বাকি পরে। উত্তপ্ত বাক্যমিনিময় কখন করলাম অবশ্য জানা নাই।
  • IVVI | 127.194.199.77 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:১৮71771
  • এক লাইনে, সকল ট্যাবুই প্রাইভেসিজাত।

    ট্যাবু ভাঙা মানে বিষয়টি বস্তুত ততখানি প্রাইভেট নয়, এই দর্শনের আমদানী।

    ট্যাবু ভাঙা মানে শুধু উচ্চারণের জড়তা কাটান মনে হলে সেটা ট্যাবু ভাঙার ব্যপ্তির পক্ষে খানিক চ্যালেঞ্জিং।

    এবার প্রায় সর্বদাই ট্যাবু ভাঙার আহ্বান আহ্বানকারীর ""মুক্তচিন্তা"" বনাম ট্যাবুশীলের ""বদ্ধচিন্তার"" দ্বন্দ্ব । যেকোনো কালচারাল পরিবর্তনের মতোই এর গ্রহণযোগ্যতা প্রগ্রেসিভ বা রিগ্রেসিভ দৃষ্টিভঙ্গির আপেক্ষিক অবস্থানের সীমারেখার দ্বন্দ্বসাপেক্ষ।

    সকল ট্যাবু কাটিয়ে ওঠাই চুড়ান্ত প্রগতিশীলতা - এটাও এক ধরণের বায়াস বলেই মনে হয়। দেশ কাল নির্বিশেষে সবচ বড় ট্যাবু এখনো ইনসেস্ট।

    উইকি;
    A taboo is a vehement prohibition of an action based on the belief that such behavior is either too sacred or too accursed for ordinary individuals to undertake, under threat of supernatural punishment.[1][2] Such prohibitions are present in virtually all societies.[1] The word has been somewhat expanded in the social sciences to strong prohibitions relating to any area of human activity or custom that is sacred or forbidden based on moral judgment and religious beliefs.[citation needed] "Breaking a taboo" is usually considered objectionable by society in general, not merely a subset of a culture.

    The term "taboo" comes from the Tongan tapu or Fijian tabu ("prohibited", "disallowed", "forbidden"),[3] related among others to the Maori tapu, Hawaiian kapu, Malagasy fady. Its English use dates to 1777 when the British explorer James Cook visited Tonga. Describing the cultural practices of the Tongans, he wrote:

    Not one of them would sit down, or eat a bit of any thing.... On expressing my surprise at this, they were all taboo, as they said; which word has a very comprehensive meaning; but, in general, signifies that a thing is forbidden.[4]
    When any thing is forbidden to be eaten, or made use of, they say, that it is taboo.[5]
    The term was translated to him as "consecrated, inviolable, forbidden, unclean or cursed".[6] Tabu itself has been derived from alleged Tongan morphemes ta ("mark") and bu ("especially"), but this may be a folk etymology (note that Tongan does not actually have a phoneme /b/), and tapu is usually treated as a unitary, non-compound word inherited from Proto-Polynesian *tapu, in turn inherited from Proto-Oceanic *tabu, with the reconstructed meaning "sacred, forbidden".[7][8][9] In its current use on Tonga, the word tapu means "sacred" or "holy", often in the sense of being restricted or protected by custom or law. On the main island, the word is often appended to the end of "Tonga" as Tongatapu, here meaning "Sacred South" rather than "Forbidden South".

    Examples[edit]
    Sigmund Freud posited that incest and patricide were the only two universal taboos and formed the basis of civilization.[10] However, although cannibalism, in-group murder, and incest are taboo in the majority of societies, modern research has found exceptions for each and no taboo is known to be universal.[11][12][13][14][15][16][17][18]

    Common taboos involve restrictions or ritual regulation of killing and hunting; sex and sexual relationships (primarily incest, necrophilia, miscegenation, adultery, fornication, pedophilia, homosexuality, intermarriage, bestiality, and masturbation); reproduction (abortion, infanticide); the deceased and their graves; as well as food and dining (primarily cannibalism and dietary laws such as vegetarianism, kashrut, and halal). In Madagascar, a strong code of taboos, known as fady, constantly change and are formed from new experiences. Each region, village or tribe may have its own fady.

    Taboos often extend to cover discussion of taboo topics, resulting in euphemisms and replacement of taboo words.[citation needed]

    The word "taboo" gained popularity at times, with some scholars looking for ways to apply it where other English words had previously been applied. For example, J. M. Powis Smith, in his "The American Bible" (editor's preface 1927), used "taboo" occasionally in relation to Israel's Tabernacle and ceremonial laws, including Exodus 30:36, 29:37; Numbers 16:37,38; Deuteronomy 22:9, Isaiah 65:5, Ezekiel 44:19 and 46:20.

    Function[edit]
    Communist and materialist theorists have argued that taboos can be used to reveal the histories of societies when other records are lacking.[19] Marvin Harris particularly endeavored to explain taboos as a consequence of ecologic and economic conditions.[specify][citation needed]

    Modernity[edit]
    Contemporary multicultural societies have established a number of taboos rooted in the perceived injustice and deleterious effects of modern history, particularly neocolonialism. Tribalisms (for example, ethnocentrism and nationalism) and prejudices (racism, sexism, religious extremism) are opposed at times reflexively despite the potentially high cost of diverse societies in terms of trust and solidarity.[20]

    Changing social customs and standards also create new taboos, such as bans on slavery; extension of the pedophilia taboo to ephebophilia;[21] prohibitions on alcohol, tobacco, or psychopharmaceutical consumption (particularly among pregnant women); and the employment of politically correct euphemisms – at times quite unsuccessfully – to mitigate various alleged forms of discrimination.

    Incest itself has been pulled both ways, with some seeking to normalize consensual adult relationships regardless of the degree of kinship[22] (notably in Europe[23][24]) and others expanding the degrees of prohibited contact (notably in the United States[25]).
  • d | 24.97.46.119 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০১71690
  • এটাও থাক এখানে

  • | 183.17.193.253 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৪71773
  • এখনো পর্যন্ত কোলকাতা এবং শহরতলির যাবতীয় ব্লাউজ সেন্টার ইত্যাদির বিক্রেতা ৯৯ শতাংশ পুরুষ- তাদের কাছে গিয়েই চিরটাকাল যাবতীয় অন্তর্বাস কিনতে হয়েছে,এখনো হয়। সবার মলে যাবার সময়, সামর্থ্য,সুযোগ নাও থাকতে পারে।আমার টিনেজার কালে তো কোলকাতার সেরা বাজারের নাম ছিলো নিউমার্কেট। সেখানেও পুরুষ দোকানী। মাপ,সাইজ রং,ডিজাইন নিয়ে তারাও মতামত দেন,আর পাঁচটা জিনিসের মতই দেখেশুনে বেছে মহিলারা সেইসব কেনেন। কেউ লজ্জায় কুঁকড়ে থাকেন দেখিনি,(অবশ্য সেমিজ পড়া বৃদ্ধারা কি করতেন জানিনা)- মা কাকিমাদের দেখেছি, দিদিদের,নিজেরাও কিনেছি।
    আজকাল মল ইত্যাদিতে মহিলারা সাহায্য করার জন্যে থাকেন, খুবই ভালো বিষয়- কিন্তু যারা সেখানকার ক্রেতা নন,তারা সাধারণ দোকানেই যান। ব্রা-প্যান্টি এমন কি জিনিস যে তা প্রয়োজনীয়তা র বাইরে বেরিয়ে শোভন-অশোভন,ট্যাবু ইত্যাদির তাঁবুতে ঢুকে গেল?
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৪71772
  • মেয়েছেলে শব্দটা নিয়ে আপত্তি থাকলে তাকে মেয়ে, মহিলা অনেক কিছু বলা যায়, এখানে কারো পিরিয়ড শব্দ নিয়ে আপত্তি থাকলে মাসিক, মেনস্ট্রুয়েশন, রজঃস্রাব ইত্যাদি যা খুশি বলুক, ঘটনাতো ভাষা নিয়ে না, ঘটনা, ঐ পুরো ব্যাপারটা নিয়ে ভেতরে যে অস্বস্তি সেটা নিয়ে। খুব ভালো হচ্ছে এগুলো এইভাবে বেরিয়ে আসছে।
  • | 183.17.193.253 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪১71774
  • আর কামাখ্যায় নারীত্বের উৎসব নিয়ে খুব আনন্দিত হবার কি কারণ বুঝতে পারলে ভালো হত। অম্বুবাচী নামক একটি অসম্ভব নিষ্ঠুর প্রথা বিধবা মহিলারা পালন করতেন দেখেছি। ধরিত্রী রজঃস্বলা-তাই আহার বন্ধ।আগুন জ্বালানো যাবে না। সাবু-দুধ,ফলমূল খেয়ে প্রাণ ধারণ,আরো কিছু অখাদ্য নিয়ম ছিলো-এখন মনে পড়ছে না। খুবই সম্মানের উৎসব মানতেই হবেঃ)
    ঐসময় কেউ আসামের দিকে গেলে একটুকরো লাল কাপড় এনে দেওয়ার জন্যে বলা হতো। দেবীর রক্তমাখা ন্যাকড়া প্রসাদী হিসেবে খুবই লোভনীয় সন্দেহ নাই। আনন্দের,স্বাধীনতার এই উদযাপন আরো বহুযুগ ধরে চলুক।
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪২71775
  • একক কী বললেন? ঐ ঘরের কোনায় বসে থাকতে তো দেখেছি আমি পড়াতে যেতাম দক্ষিণ কলকাতার একটি মেয়ে, বেশ বড়লোক, বড় বড় পাশ টাশ দেওয়া বাড়ির মেয়ে! গ্রাম কোত্থেকে এল?
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪৩71776
  • দমু, ওদের একটা দাবীর মধ্যে আছে, ইউনিভার্সিটির বাথরুমে স্যানিটারি ন্যাপকিন পাওয়া যায় এমন ব্যবস্থার মানে ডিস্পেন্সের। আর ফার্মেসি রাখার।
  • কল্লোল | 111.63.221.70 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১০:৫৮71691
  • উপরের লেখাটা নিয়ে একেবারে একমত।
    এবং হোককলরব এদের পাশে নেই। শুনলাম এস এফ আই ছত্রদের উপর পুলিশী লাঠি চলনোর নিন্দায় কুন্ঠিত হোককলরব।
    কিভাবে পাল্টে যায় সব -

    বাসের হাতল কেউ দ্রুত পায়ে ছুঁতে এলে আগে তাকে প্রশ্ন করো তুমি কোন দলে
    ভুখা মুখ ভরা গ্রাস তুলে ধরবার আগে প্রশ্ন করো তুমি কোন দলে
    পুলিশের গুলিতে যে পাথরে লুটোয় তাকে টেনে তুলবার আগে জেনে না্ও কোন দল
    তোমার দুহাতে মাখা রক্ত কিন্তু বলো এর কোন হাতে রঙ আছে কোন হাতে নেই
    টানেলে মশাল হাতে একে ওকে তাকে দেখো কার মুখে উলকি আছে কার মুখে নেই
    কী কাজ কী কথা সেটা তত বড়ো কথা নয় আগে বলো তুমি কোন দল
    কে মরেছে ভিলাইতে ছত্তিশগড়ের গাঁয়ে কে ছুটেছে কার মাথা নয় তত দামি
    ঝনঝন ঝনঝন নাচ হবে কোন পথে কোন পথ হতে পারে আরো লঘুগামী
    বিচার দেবার আগে জেনে নাও দেগে দাও প্রশ্ন করো তুমি কোন দল
    আত্মঘাতী ফাঁস থেকে বাসি শব খুলে এনে কানে কানে প্রশ্ন করো তুমি কোন দল
    রাতে ঘুমোবার আগে ভালোবাসবার আগে প্রশ্ন করো কোন দল তুমি কোন দল
  • a x | 60.171.26.111 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৩৮71692
  • আপনারা নৃসিংহ বাবুর লেখাটা পড়েছেন? রজঃস্রাবের সময় যে মেয়েরা ধর্ষণযোগ্য থাকেনা, এসব পড়েছেন?
  • Ekak | 24.99.139.50 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৪৯71693
  • নৃসিংহবাবুর এগেইনস্টএ একটা পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন ফাইল করার দরকার হয়েছে এইবার ।যুক্তিতর্ক এক জিনিস আর মিডিয়া তে দেশের আইন বিরোধী কথা বলা /অপব্যাখ্যা আরেক । ইমপ্রেগনেষণ এর সঙ্গে রেপ রিলেটেড নয় সেটা আইন খুব স্পষ্ট করে বলে । উনি এইসব প্রাচীন আবর্জনা ঘাঁটার সঙ্গে সঙ্গে একটু দেশের আইনটা পড়ে দেখলে পারেন তো । রজঃস্বলা নারী নিয়ে মহাভারতের উকুন বেছে বের করার চে সেটা কাজের কাজ হবে ।
  • একক | 24.99.139.50 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৫২71694
  • এনিওয়ে ,যদ্দুর মনে পরছে এটা নিয়ে আগেও কথা হয়েছে । যত্ত আলবাল ।
  • একক | 24.99.139.50 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৫৭71695
  • তবে এটা হওয়ার ছিলো ..........এপাং ওপাং সবাই সেই রিপ্রডাকটিভ ফিটনেস এই ঘুরেফিরে ঝপাং হয়েছে যখন :|
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১২:০৮71696
  • এস এফ অই এর মার খাওয়া নিয়ে পাশে দাঁড়াচ্ছে বা দাঁড়াবে বলছে তো , কল্লোলদা।
    যাইহোক, আগেও লিখেছিলাম, এই পিরিয়ডের ইস্যুর সাথে মোলেস্টেশন, রেপ, বিশেষ করে ইউনির এই ইস্যুকে জোড়া খুব ঘাঁটা লেগেছে, এই লেখাটা পড়ে আরোই বেশি লেগেছে। তবে সময় নেই, এনিয়ে এখানে এখন তর্কে ঢুকবোনা।
  • d | 24.97.46.119 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১২:২২71697
  • নিসিংগ'র হেদিং দেখেই আর পড়ি নি ;-) পড়তে হবে বলছ?
  • AP | 24.139.222.45 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১২:২৯71698
  • অত্যন্ত বিরক্তিকর লাগছে। রেপ বা মলেস্টেশন এমন একটা বিষয় যা আর কিছুর সঙ্গে মিলিয়ে দিলে আসলে তার গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়া হয়। পিরিয়ড নিয়ে ট্যাবু কাটাবার জন্য তাকে কেন এই ইস্যুর সঙ্গে ঘেঁটে দেওয়া হল, যেখানে আসল ঘটনাটার বিষয়েই সবকিছু এখনো পরিস্কার নয়, বোঝা গেল না। আর এটাও বুঝতে পারছি না যে পিরিয়ড নিয়ে ট্যাবু কাটানো মানে কি সেটাকে অপ্রয়োজনীয়্ভাবে একটা আলোচনার বিষয় করে তোলা ? মানে পিরিয়ড কি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় ! মেয়েদের কি সমস্যা কম পড়িয়াছে !
    আমার তো মনে হয়, এই প্রচার দরকার গ্রামের দিকে, যেখানে এই ট্যাবুর জন্য মেয়েরা নানারকম সংক্রমনের শিকার হয়। সেটা স্বাস্থ্যবিধির বিষয়, আর এই ক্ষেত্রে সেটাই দরকার। লিঙ্গবৈষম্যের প্রতিবাদ করতে গেলে সেটা পিরিয়ড থেকে শুরু করতে হবে কেন ? তাহলে তো আগে মেয়েদের শাঁখা-পলা-সিঁদুরের বিরুদ্ধে বলতে হয়। কই তেমন তো কিছু দেখিনি কোনোদিন !
    কেরালার যে মেয়েরা ন্যাপকিনের ওপর প্রতিবাদ্পত্র লিখেছিলেন, সেটা একটা বিশেষ ঘটনা ছিল। তেমন কিছু না হলে শুধু ট্যাবু কটানোর জন্য প্রতিবাদকে ন্যাপকিনমুখী করে তোলার কিছু যুক্তি পেলাম না।
    তাহলে কি মলেস্টেশনের ঘটনাটা হালে পানি পাচ্ছে না বলে তাকে ন্যাপকিনের সঙ্গে জুড়ে দিতে হচ্ছে ? আশা করি তেমন নয়।
  • pi | 24.139.221.129 (*) | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৩১71699
  • AP র সাথে পুরোই একমত।
  • সিকি | 166.107.33.122 (*) | ০৭ এপ্রিল ২০১৫ ০১:২৯71811
  • আমি হারাই নি। বাড়ি ফিরে এসেছি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন