• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ক্যালাইডোস্কোপ- দুই

    Baby Shaw লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৩ আগস্ট ২০১৮ | ৭২১ বার পঠিত
  • যে অঞ্চলে অভুক্ত অবস্থায় মৃত্যু সহজ একটি ঘটনা, যেখানে ঘুমের মধ্যে চিৎকার করে ওঠে অভুক্ত শিশু, আবার যেখানে বৃদ্ধ মা বাবাকে পিটিয়ে মারে একমাত্র সন্তান -- সেখানে কবিতা কী! সেই দেশ কি এই একবিংশ শতকে দাবি করে এই পরিস্থিতিকে দূরে সরিয়ে শুধু ল্যাপটপ কিংবা স্মার্ট ফোনে লিখে ফেলতে কিছু ন্যাকান্যাকা পুচুপুচু প্রেমের কবিতা?"--- কথাটি ঝাড়গ্রাম শহরের একজন টোটো চালকের। যুবক। বয়েস তিরিশ থেকে পঁয়ত্রিশের মধ্যে। চোখে চশমা। ইংরেজি ভাষাতে তুখোড়। কথা বলে বুঝলাম, এমএসসি পাস। কিনা চাকরি নেই!  তাই টোটো চালানোটাকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন। বাবার রিটায়ারমেন্টের টাকা দিয়ে কেনা এই টোটো। স্তব্ধ হয়ে গেছিলাম। এই যদি একটা রাজ্যের পরিস্থিতি হয়... তবে আর আমরা কি শুধু গর্জে উঠতে পারি কবিতায়, লিটিল ম্যাগাজিনে! শব্দে? কিন্তু মানুষ কী কবিতা পড়ার মতো অবস্থায় আছে? এই পরিস্থিতিতে কি একজন তরতাজা বেকার যুবক কবিতার বই কেনার নুন্যতম টাকাটুকু সংগ্রহ করতে পারে? ভাবি! ভাবালেন এই যুবক টোটো চালক। দশ টাকার একটা নোট তাঁকে ধরিয়ে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনও উপায় থাকে না।  আরও নিস্তব্ধতা গ্রাস করে আমাদের! লজ্জায়  মিশে যেতে ইচ্ছে করে  তৈরি করা সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে। সত্যি নেকুনেকু পুচুপুচু কবিতা থেকে বেরিয়ে আমরা যাবোই বা কোথায়! কীভাবে খুঁজে নেবো আমাদের অধিকার। তখন চোখের সামনে খেলা করে এক গভীর শূন্যতা। অন্ধকারের বলয়।  শঙ্খ ঘোষে! চিৎকার করে বলতে পারি কিছু সাজানো শব্দকে ঘিরে! জানিনা। আবার হয়ত এটাই আমাদের নিজেকে ভুলানোর একটা নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর তাই হয়ত নিজের জ্বালা নেভাতে কিংবা নিজেকে নিজের কাছে লুকিয়ে রাখতে আমরা তোতাপাখির মতো আওড়ে যাই 

    "যা কিছু আমার চার পাশে ছিল
    ঘাসপাথর
    সরীসৃপ
    ভাঙা মন্দির
    যা কিছু আমার চার পাশে ছিল
    নির্বাসন
    কথামালা
    একলা সূর্যাস্ত
    যা কিছু আমার চার পাশে ছিল
    ধ্বংস
    তীরবল্লম
    ভিটেমাটি
    সমস্ত একসঙ্গে কেঁপে ওঠে পশ্চিম মুখে
    স্মৃতি যেন দীর্ঘযাত্রী দলদঙ্গল
    ভাঙা বাক্স প’ড়ে থাকে আমগাছের ছায়ায়
    এক পা ছেড়ে অন্য পায়ে হঠাত সব বাস্তুহীন |

    যা কিছু আমার চার পাশে আছে—
    শেয়ালদা
    ভরদুপুর
    উলকি-দেয়াল
    যা কিছু আমার চার পাশে আছে—
    কানাগলি
    স্লোগান
    মনুমেন্ট
    যা কিছু আমার চার পাশে আছে—
    শরশয্যা
    ল্যাম্প পোস্ট
    লাল গঙ্গা
    সমস্ত এক সঙ্গে ঘিরে ধরে মজ্জার অন্ধকার
    তার মধ্যে দাঁড়িয়ে বাজে জলতরঙ্গ
    চূড়োয় শূণ্য তুলে ধরে হাওড়া ব্রিজ
    পায়ের নিচে গড়িয়ে যায় আবহমান |

    যা কিছু আমার চার পাশে ঝর্না
    উড়ন্ত চুল
    উদোম পথ
    ঝোড়ো মশাল
    যা কিছু আমার চার পাশে স্বচ্ছ
    ভোরের শব্দ
    স্নাত শরীর
    শ্মশান শিব
    যা কিছু আমার চার পাশে মৃত্যু
    একেক দিন
    হাজার দিন
    জন্ম দিন
    সমস্ত একসঙ্গে ঘুরে আসে স্মৃতির হাতে
    অল্প আলোয় বসে থাকা পথ ভিখারি
    যা ছিল আর যা আছে দুই পাথর ঠুকে
    জ্বালিয়ে নেয় এতদিনের পুনর্বাসন |" (পুনর্বাসন – শঙ্খ ঘোষ)

    আমার ফেসবুক প্রোফাইলে স্টাডিজে বিশ্ববিদ্যালয়ে "তোতাপাখি" লেখা। সেদিন এক বাংলাদেশী বন্ধু আমাকে এই নিয়ে খুব ঠাট্টা করছিলেন। কিন্তু যদি ভাবা যায় আজ পর্যন্ত আমি কী শিখেছি?  --- কতটুকু বা নিজেকে, পারিপার্শ্বিকে, আত্মীয়দের, বন্ধুদের জেনেছি কী আদৌ! নিজের ইতিহাস, পূর্বপুরুষদের ইতিহাস জানি সঠিক ভাবে। শুধু পরীক্ষা পাসের জন্য কিছু বইতে লেখা বুলি শুধু মুখস্থ করে গেছি। ফলস্বরূপ, সিলেবাস থেকে বেরোনোর পরে সেই বুলিগুলো তথৈবচ। এইনযে এত ডিগ্রি, সার্টিফিকেট, পুরস্কার -- কতটুকু! জীবনকে কি দিতে পারছি একটা নির্ভরযোগ্য বাঁচার অনুভব? যদি হত, তবে ওই টোটো চালকের কাছে এখন শুধু কাগজ হয়ে দাঁড়ানো ডিগ্রি হয়ে উঠত না। শিক্ষাব্যবস্থা, বেকার সমস্যা ইত্যাদি ইত্যাদি কারণ যতটা না গুরুত্বপূর্ণ তারচেয়ে অধিক কি নয় নিজের প্রতি আমাদের অজ্ঞতা? আমরা জন্ম থেকে শুনে আসছি টাকা খারাপ... টাকা মাটি! টাকা থেকে লোভ আসে... টাকা আমাদের সঙ্কীর্ণ করে তোলে... টাকা আমাদের মোক্ষ দিতে পারে না... ইত্যাদি! কিন্তু আদৌ কি তাই? অথচ, অর্থসমস্যার জন্য দুর্ভিক্ষ, কষ্ট,  জ্বালা যন্ত্রণা, চুরি ডাকাতি... ন্যূনতম চিকিৎসার অভাব... বস্ত্রের অভাব... তখন জন্ম থেকে শুনে আসা দর্শন আমাদের কাছে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের জন্মগত ধারানাই হয়ে গেছে টাকা খুব খারাপ একটা কিছু। সর্বনাশের মূল। কিন্তু একজন মানুষের  উৎসাহ ফিরে আসে তখনই যখন ইনকামের একটা স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করে জীবনের সামনাসামনি হতে। সেদিক থেকে দেখা গেলে এই যুদ্ধে কিন্তু জয়ী হয়েছেন ওই যুবক টি। টোটোচালক। সে প্রথাগত শিক্ষার সার্টিফিকেটকে দূরে সরিয়ে বেছে নিয়েছেন জীবনের উদ্দেশ্যকে। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন সমাজের প্রতি। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি। দেখিয়েছেন,  জীবনের জন্য অর্থ যেখানে জরুরি সেখানে লক্ষ্যটাও অর্থ হওয়া উচিত। পথটা রাজপথ কিংবা গলিপথ হোক না কেন! শুধু অন্ধকার কালো রঙে ঢেকে না গেলে হল---

    "একলা হয়ে দাঁড়িয়ে আছি
    … তোমার জন্যে গলির কোণে
    ভাবি আমার মুখ দেখাব
    মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে।

    একটা দুটো সহজ কথা
    ….বলব ভাবি চোখের আড়ে
    জৌলুশে তা ঝলসে ওঠে
    বিজ্ঞাপনে,রংবাহারে।

    কে কাকে ঠিক কেমন দেখে
    …. বুঝতে পারা শক্ত খুবই
    হা রে আমার বাড়িয়ে বলা
    হা রে আমার জন্ম ভূমি।

    বিকিয়ে গেছে চোখের চাওয়া
    …. তোমার সাথে ওতপ্রত
    নিয়ন আলোয় পণ্য হলো
    যা কিছু আজ ব্যাক্তিগত।

    মুখের কথা একলা হয়ে
    …. রইলো পড়ে গলির কোণে
    ক্লান্ত আমার মুখোশ শুধু
    ঝুলতে থাকে বিজ্ঞাপনে।" (মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে – শঙ্খ ঘোষ)

    শুধু দরকার মুখোশটা সরিয়ে লক্ষ্যটাকে স্থির করে নেওয়া! যেদেশের মানুষ এখনও  ভাবে কোনও একজন তৃতীয় পুরুষ এসে, হিন্দি সিনেমার হিরোর মতো তাদের দুঃখ থেকে, দারিদ্র্য থেকে, মন্দলাগা, খারাপলাগা এমনকি স্কুলের-কলেজের পরীক্ষা পর্ব থেকে তাদের উদ্ধার করবে সেদেশে আর বেশি কিছু চাওয়াটা কী বাতুলতা নয়! আর সামান্য একটা নারিকেল কিংবা দুটাকার বাতাসা, আর দশটাকা প্রণামীর লোভ যার সেই নাকি এই অকর্মণ্য, পরনির্ভরশীল সমাজকে রক্ষা করার শক্তি রাখে! বলাবাহুল্য, এই তৃতীয় পুরুষ হচ্ছেন ভগবান! আল্লা! গড! যাকে কেউ কখনও দেখেনি, কথা বলেনি--- তিনি তাঁর বিশাল ডানা নিয়ে  নাকি আমাদের আশ্রয় দেবেন, খিদে থেকে মুক্তি দেবেন! একবিংশ শতকেও যদি একটা জাতির  এই ভাবনা হয় তবে তাদের জাগাবে কে! কবি,  সাহিত্য, বিজ্ঞান?  আর কেনই বা  ভেকধারীরা এই সুযোগটিকে কাজে লাগাবে না! যদি জলমগ্ন একটা রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করা হয় একটা জলমগ্ন মন্দিরে নারী প্রবেশ নিয়ে! এসব ভাবলে আরও অন্ধকার লাগে চারদিক... আরও অসহায় হয়ে ওঠে চারপাশ 

    "১.
    নষ্ট হয়ে যায় প্রভু, নষ্ট হয়ে যায়।
    ছিলো, নেই- মাত্র এই; ইটের পাঁজায়
    আগুন জ্বালায় রাত্রে দারুণ জ্বালায়
    আর সব ধ্যান ধান নষ্ট হয়ে যায়।

    ২.
    নষ্ট হয়ে যাবার পথে গিয়েছিলুম, প্রভু আমার!
    তুমি আমার
    নষ্ট হবার সমস্ত ঋণ
    কোটর ভরে রেখেছিলে।

    কিন্তু আমার অমোঘ মুঠি ধরে বুকের মোরগঝুঁটি
    সন্ধ্যাবেলা শুধু আমার
    মুখের রঙে
    ঝরে পড়ার ঝরে পড়ার
    ঝরে পড়ার শব্দ জানে তুমি আমার নষ্ট প্রভু!

    ৩.
    সকল প্রতাপ হলো প্রায় অবসিত
    জ্বালাহীন হৃদয়ের একান্ত নিভৃতে
    কিছু মায়া রয়ে গেলো দিনান্তের,
    শুধু এই-
    কোনোভাবে বেঁচে থেকে প্রণাম জানানো
    পৃথিবীকে।
    মূঢ়তার অপনোদনের শান্তি,
    শুধু এই-
    ঘৃণা নেই, নেই তঞ্চকতা,
    জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
    বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু।" ( ঝরে পড়ার শব্দ জানে তুমি আমার নষ্ট প্রভু – শঙ্খ ঘোষ) 

    যতদিন না আমাদের আত্মশক্তিকে সম্মান করতে পারব, যতদিন না বলতে পারব এই মূঢ়তার সামনে আমাদের তৈরি করতে হবে নীরব অবরোধ, ততদিন আমাদের কবিতায় না জ্বলে উঠবে আগুন, না জ্বলে উঠবে শাশ্বতকালীন বোধ। কেবল শব্দচর্চা, ইমেজ ও এক একেকটি উৎসবকেন্দ্রিক আলোড়নের ঘনঘটায় শেষ হয়ে আসবে আমাদের বরাদ্দ কিছু দিন। আমরা সারাজীবনেও হয়ত কবিতার নিরভিসন্ধির দিকে অভিযাত্রার রাস্তাটিকে খুঁজে পাব না। রবীন্দ্রনাথ তাঁর সারাজীবনের লেখালেখিতে বারবার এই আত্মশক্তির কথা বলেছেন। বুদ্ধ-ও বলেছেন – আত্মদীপ প্রজ্জ্বলিত করার কথা। এই আত্মদীপ-ই সেই ব্যক্তিত্ব, যা আমাদের কবিতাকে গড্ডলিকা প্রবাহের থেকে বের করে আবহমান কালের ভাঙাগড়ার খেলায় নিয়ে যেতে পারে। কিন্তু তার জন্য আগে দরকার নিভৃতি। আর, মুখ ফিরিয়ে না থেকে প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে আত্মশক্তিতে মোকাবিলা করা। কিন্তু তা উচ্চকিত নয়। কারণ উচ্চকিত চিৎকার আসলে ক্ষণস্থায়ী। ফাঁকা কলসী বা পাখিদের মাঝখানে ঢিল ছুঁড়ে চঞ্চলতা সৃষ্টির মতো। কাজের না একদম। আত্মপ্রসাদের জন্য হতে পারে।

     

  • বিভাগ : ব্লগ | ২৩ আগস্ট ২০১৮ | ৭২১ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কান্তি | 340112.102.232312.199 (*) | ২৪ আগস্ট ২০১৮ ০৩:১৫63681
  • আপনার লেখাটি পড়ে একজন দিকভ্রান্ত যেন এই কলুসিত সময়ে কিছুটা দিশা পেলো। ধন্যবাদ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন