• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • নাগরিকপঞ্জি -- আরও এক দফা

    Saikat Bandyopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০১ জুলাই ২০১৯ | ১১৯১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • পঞ্চাশবার লিখতে হলে পঞ্চাশবারই লিখব, কিন্তু মোদ্দা কথা হল এন-আর-সি একটি বর্বর জিনিস। কেন বর্বর? ওপার বাংলা থেকে এপারে কি লোক আসেনি? আসেনা? একশবার এসেছে। কেন এসেছে? কারণ আমাদের ধেড়ে খোকা জাতীয়-নেতারা তেলের শিশির বদলে একটা জাতির মাঝখান থেকে একটা লাইন টেনে দিয়েছিলেন। তার ফলে অন্তত কোটিখানেক মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে যখন পাড়ি জমাচ্ছিলেন সীমান্তের একদিক থেকে অন্য দিকে, তখন আমাদের নেতারা কী করছিলেন? নেহরু এই মানুষগুলিকে উদ্বাস্তুর স্বীকৃতি অবধি দেননি, ওপারে ফিরে যাবার উপদেশ দিয়েই কর্তব্য শেষ করেছেন। কানাকড়ি অবধি ঠেকাননি। শিয়ালদা স্টেশন যখন ভরে যাচ্ছে ছিন্নমূল মানুষে অন্য আরেকজন মহাপ্রভু শ্রী শ্যামাপ্রসাদ তো 'আমি পাকিস্তান ভেঙে দিয়েছি' বলে উদ্বাহু হয়ে কাশ্মীর দৌড়চ্ছেন।

    ৫১ থেকে ৬১ হয়ে ৭১। সেই স্রোত কমেনি। পূর্ব ভারতের, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে। দায় কার? তাঁদের, যাঁরা স্রেফ বাঙালি হবার কারণে লাথি-ঝাঁটা খেয়েছেন, হত্যালীলার শিকার হয়েছেন এপারে, ওপারে, আসামে, তাঁদের? না যাঁদের ফুর্তির প্রাণ গড়ের মাঠ হওয়ায় যাঁরা একটা লাইন টেনে দেশভাগের হুজুগ তুলেছিলেন, আর তারপর শখ মিটে যাওয়ায় হাত ধুয়ে পগার পার হয়েছিলেন, সেই নেতাদের? বছর তিরিশেক আগে পর্যন্ত এই দোষ-টোষ সরাসরি স্বীকার না করলেও উদ্বাস্তুদের কথা, তাঁদের স্বীকৃতি না দেবার কথা, দন্ডকারণ্যে ঠেলে পাঠানোর কথা, মরিচঝাঁপির কথা, এসব প্রসঙ্গ চুপচাপ এড়িয়ে যেতেন সরকারি কর্তাব্যক্তিরা। তখন অন্তত চক্ষুলজ্জাটুকু ছিল। এখন সে পাটও গেছে। এখন শোনা যাচ্ছে, উদ্বাস্তু হবার দায়ও নাকি বাঙালির। "আমরা তো একটা লাইন টেনেই দিয়েছিলাম, তোরা টপকে এলি কেন? যা শালারা বাংলাদেশ যা" টাইপের কথাবার্তা বুক বাজিয়ে বলার সাহস অর্জন করে ফেলেছেন জাতির নেতা নামক বিশুদ্ধ আপদরা।

    এন-আর-সি এই আপদদেরই নতুন মস্তিষ্কপ্রসূত খেলনা। এঁরাই ৪৭ এ তেলের শিশি ভাঙার মতো করে কোটিখানেক লোকের ভিটে-মাটি চৌপাট করে দিয়েছিলেন। আবার নতুন করে আরেকদফা সেই খেলায় নামছেন। আরও কত লোকের ভিটে-মাটি-জান-প্রাণ এতে উচ্ছন্নে যাবে জানা নেই। সেই জন্যই জোর গলায় কটি কথা বলা উচিত। যে, হ্যাঁ, সীমান্তের এপার থেকে ওপারে চলাচল হয়। হ্যাঁ, এদেশে উদ্বাস্তুরা এসেছেন, আসেন। হ্যাঁ, তাতে এদেশের অর্থনীতি, পরিকাঠামোতে চাপ পড়ে। কিন্তু এর দায় যাঁরা এসেছেন তাঁদের নয়। এর দায়, ভারত এবং পাকিস্তানের জাতির পিতাদের, যাঁরা অবস্থাটা তৈরি করেছেন। এর দায় হিন্দু মহাসভার, উদ্বাস্তু সমস্যা তৈরি হতে যাঁরা আনন্দে লাফিয়েছিলেন, এর দায় কমিউনিস্টদের, যাঁরা পাকিস্তান চেয়েছিলেন। এর দায় কংগ্রেসের, মুসলিম লিগের, যাঁরা ক্ষমতার লোভে আস্ত একটা ভূখন্ডে কোটি-কোটি মানুষকে বলি দিতে পিছপা হননি। এই দায় তাঁদের নিতে হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে কথা বলে যৌথ উদ্যোগে সমস্যা মেটান। বাংলাকে উদ্বাস্তু কল্যাণ খাতে তার প্রাপ্য টাকা সুদসমেত ফিরিয়ে দিন। তাতেও না মিটলে অপদার্থতার দায় ঘাড়ে নিয়ে নিজেরাই বাংলাদেশ, বার্মা যেখানে খুশি বিদেয় হোন। কিন্তু নিজেদের অপদার্থতার দায় বাঙালি জাতির ঘাড়ে আরও একবার চাপাবেন না।

    #pakistan #india #partition
  • বিভাগ : ব্লগ | ০১ জুলাই ২০১৯ | ১১৯১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
ভগীরথ - Vikram Pakrashi
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 236712.158.895612.80 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০১:৪৯50766
  • অমিত, আমি ঠিক অবৈধ অনুপ্রবেশের কথা বলিনি। বলেছি বর্ডার কন্ট্রোল কমাতে বা শুধু পাশপোর্টে আসা-যাওয়া করতে দিতে। যেমন ধরুন অনেক দেশেই ভিসালেস এন্ট্রির সিস্টেম আছে। পাকিস্তান, ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ, শ্রী লংকা, নেপাল ইত্যাদি দেশগুলো আলাদাই থাকবে, কিন্তু নাগরিকদের আসা যাওয়া আরও সহজে হবে। বা বাইরে থেকে কেউ এলে তার জন্য শেংগেন ভিসা টাইপের কিছু একটা ইস্যু করা হলে সে পুরো রিজিয়নটাই ঘুরতে পারবে। ইন ফ্যাক্ট এটা করলে টেরোরিজম বাড়ার বদলে কমবে, আর ইউনিফায়েড মার্কেট হতেও সুবিধে হবে। তাছাড়া পুরোটা একটা ট্রেড ব্লক হলে বার্গেনিং পাওয়ারও বাড়বে।
  • Du | 237812.69.0178.232 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:০৪50768
  • অসমের নাগরিকপঞ্জী সঠিক আর বিনা জুলুমে করার দাবীটাই এই অবস্থায় জরুরি । ব্ল্যাংকেটে বরং আরো লোককে আসতে দিতে হবে এইরকম দাবির বাস্তবিকতা কি? যে লোকগুলো এসেছে, চিরকালই ছিল অথবা আছে বহুদিন থেকে তাদেরকে যেন ঐ লিস্ট এ ঢোকানো যায় নির্বিশেষে সেটাই কি কাম্য নয়। খামোখা সকলকে আসতে দিতে হবে বললে মানবে তো না ই উল্টে তুমুল জাতিদাঙ্গার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। বরং পব যারা অসম চুক্তির বাইরে তাদের নিয়ে নিতে পারে এবং উদ্বাস্তু বাবদ কেন্দ্রের টাকা দেওয়া উচিত পবকে যেমন লেখাতে বলা হয়েছে।
  • Amit | 237812.68.6789.99 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:০৪50767
  • ডিসি, আমিও তো একই কথা বলছি । ভিসালেস এন্ট্রি চালু হোক ১০০-বার, ,আসিয়ান ব্লকের মতো একটা ব্লক যদি উপ মহাদেশ এর সবকটা দেশ কে নিয়ে তৈরী হয় তাহলে তো খুব ভালো কথা। এতো বড়ো পপুলেশন, এতগুলো দেশ, একটা মেজর বের্গেইনিং পাওয়ার।

    কিন্তু মূল লেখাটা আর পরের কিছু কমেন্ট কি সেটা বলছে ? কেমন তো মনে হচ্ছে ভিসালেস এন্ট্রি, ওপেন বর্ডার আর তার সাথে অনুপ্রবেশ, নরক, বাঙালি আবেগ সব কিছু এক সাথে মিলিয়ে একটা অদ্ভূত ঘেটে ঘ করা হচ্ছে।

    আর দেশভাগ এর কবর খুঁড়ে এখন যে কি লাভ হবে সেটা খোদাই জানেন , যে বা যারা দায়ী, তারা তো বহুকাল আগেই স্বর্গে বা নরকে গেছে। অনেক অভযোগ আছে , থাকবে, কিন্তু সামনের দিকে তাকানোটা কি ভাবে হবে ? সেটাই জানতে চাইছি।
  • Amit | 237812.68.6789.99 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:০৫50769
  • ওটা NRC হবে।
  • Ishan | 237812.68.4534.93 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:১৪50770
  • আমরা চক্রাকারে ঘুরছি। তবু আরেকবার বলি।

    "যদি কোথাও এমন অবাধ প্রবেশ থেকে থাকে, উদা দেখান , তাহলে মেনে নেবো।"
    -- নেপাল ও ভারত। পাসপোর্ট ভিসাহীন যাতায়াত ১০০% বৈধ। সম্ভবত কাজ করাও। এই টইয়েই লেখা হয়েছে। এবার প্লিজ মেনে নিন, এমন হয়।
    আমেরিকায় লাতিন আমেরিকান অভিবাসন নিয়েও আগেই লিখেছি। এই নিয়ে দুটি মত আছে। একটি হচ্ছে "ধরে ওপারে পাঠাও"। অন্যটি হল "এদের নাগরিকত্ব দাও"। আপাতত ট্রাম্প সায়েবের "ওপারে পাঠাও" নীতি চলছে। কিন্তু অন্যটিও যথেষ্ট স্ট্রং। পরের নির্বাচনেই উল্টে যেতে পারে।

    আসলে সমস্যাটা তো এখানে নয়। শরনার্থী একটি রাজনৈতিক সমস্যা, তার রাজনৈত্ক সমাধান চাই, এতে সবাইই একমত হবেন। অন্তত এখানে। সমস্যাটা অন্যত্র। দেশভাগের একটা সাম্প্রদায়িক ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়েছে, সেটার গ্রহিতা বা প্রচারক হয়ে গেলেই সমস্যা। অমিত বা পিএম ধরেই নিয়েছেন, যে, অবিভক্ত ভারতের অবস্থা এমন ছিল, যে, দেশভাগ না করে উপায় ছিলনা। এর জন্য শুরুর দিকে "ওই তো লোকে ভোট দিয়েছিল" জাতীয় কথাবার্তার উপস্থাপনা। উল্টোদিকের পয়েন্টটা হল, এটা সম্পূর্ণ একটি সাম্প্রদায়িক প্রচার। ব্রিটিশ এবং ভারতীয়/পাক শাসকদের তৈরি করা মিথ। ১৯০৫ সালের আগে যে বাংলায় দাঙ্গা বলে কিছু ছিলনা, সে আগেই লিখেছি। বঙ্গ্ভঙ্গ, সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা, ভারত সরকার আইন, এইসব দিয়ে ক্রমান্বয়ে বিষবাষ্প ঢালা হয়েছে। তার ফলে কিছু দাঙ্গা, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ নিশ্চয়ই তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও কি ৪৬ সালে এমন অবস্থা তৈরি হয়েছিল, যাতে দেশ ভাগ না করলে পরিস্থিতি খুব খারাপ হত? তথ্য বলে, একেবারেই তা নয়। দাঙ্গা বা খুনজখম এগুলো দেশভাগের ফল, কারণ নয়। দেশভাগ ঘোষণার আগে খুব সামান্যই দাঙ্গা হয়েছে। বাংলায় দুটো, পাঞ্জাবেও খুব সামান্য। কিন্তু ঘোষণার পরই পাঞ্জাবে রক্তগঙ্গা বয়। সীমান্তের দুই দিকেই। বাংলায় দাঙ্গা শুরু হয় ভাগের অব্যবহিত পর থেকে। এগুলো সবই হঠকারিতার ফল। কারণ নয়। এই পাপ ঢাকার জন্য দেশনেতারা এই ন্যারেটিভটি চালু করেন, "দেকেচো ভাগ করেই এই অবস্থা, না করলে কী হত"? এই আতঙ্কের সাম্প্রদায়িক ন্যারেটিভটি অনেকদিন ধরেই ছড়ানো হয়েছে। এবং এর ফলশ্রুতিতেই তিনটি দেশ একে অপরের শত্রু হয়ে উঠেছে।

    এবার কথা হল, সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি এমন খারাপ হয়ে গিয়েছিল, যে দেশের লোকই ভাগ চাইছিল, একথা যে ঠিক নয়, তা জানার উপায় কী। জানার কোনো উপায় নেই। দেশনেতারা সে ব্যবস্থা রাখেননি। শুধু এইটুকু নিশ্চিত করে জানা যায়, যে, যেকোনো রকম গণভোটের প্রস্তাবকে তাঁরা এড়িয়ে গেছেন। আইনসভাকেও প্রায় পুরোটাই এড়িয়ে গেছেন। এই ভাগ অল্প কয়েকটি মানুষের সিদ্ধান্ত। দেশের অধিকাংশ মানুষ, এমনকি প্রতিনিধিদেরও বিশেষ সে ছিলনা। তাহলে প্রশ্ন হল, যে, দেশনেতারা জানলেন কীকরে, যে ভাগ করাটাই একমাত্র উপায়? এর উত্তর হল, তাঁরা জানতেননা, জানার চেষ্টাও করেননি। কাজেই দায়িত্বটা ২০০% তাঁদের। গণভোট করে ভাগ করলে এই দায়িত্ব তাঁদের ঘাড়ে চাপতনা। করেননি যখন, এই দাঙ্গা, খুন, শরনার্থীর স্রোত, এর দায়িত্ব তাঁদের নিতে হবে।

    কথা হল, তাঁরা তো আর বেঁচে নেই। দায়িত্ব নেবে কে? অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী কয়েকশো বছর পরে ক্ষমা চেয়েছেন, এখানে সত্তর বছর এমন কিছু বেশি ব্যাপার নয়। ক্ষমার চেয়েও বড় হল, সেই দলগুলি এখনও টিকে আছে। কংগ্রেস, কমিউনিস্ট পার্টি, হিন্দু মহাসভার উত্তরপুরুষ বিজেপি। এর দায় তাঁদের নেওয়া দরকার। নিতে বাধ্য করানো দরকার। নইলে একই ন্যারেটিভ তাঁরা বছরের পর বছর দিয়ে যাবেন, এবং লোককে টুপি দিয়েই চলবেন, যে, ভাগটা অনিবার্য ছিল, এখনও এই শত্রুতা ইত্যাদি রক্ষা করেই চলতে হবে। এই আপদমস্তক সাম্প্রদায়িক ন্যারেটিভটি মেনে নেবার কোনো কারণ নেই।
  • Ishan | 237812.68.4534.141 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:২৪50771
  • "ডিসি, আমিও তো একই কথা বলছি । ভিসালেস এন্ট্রি চালু হোক ১০০-বার, ,আসিয়ান ব্লকের মতো একটা ব্লক যদি উপ মহাদেশ এর সবকটা দেশ কে নিয়ে তৈরী হয় তাহলে তো খুব ভালো কথা। এতো বড়ো পপুলেশন, এতগুলো দেশ, একটা মেজর বের্গেইনিং পাওয়ার।"

    এ তো খুবই আনন্দের কথা। এ ব্যাপারে আমরা সবাই একমত।

    যদি লেখা, আর তার কমেন্টের কথা বলেন, তো তক্কো-বিতক্কো শুরু হয়েছে, একটাই পয়েন্টে। সেটা হল দেশভাগ হল আমজনতার দায়িত্ব। এমনকি গণভোট হয়েছে টয়েছে জাতীয় হাস্যকর কথাও শুনলাম। এই অদ্ভুত কথাগুলি বলে ঘেঁটে ঘ করে না দিলেই বাকিগুলি নিয়ে এগিয়ে যাওয়া যায়। তবে এগোতে গেলেই, আসাম হোক বা বাংলা, দেখবেন, দেশভাগ অ্যাড্রেস না করে কোনো উপায় নেই।

    খুব সহজ উদাহরণ। এন-আর-সির একটা বড় কারণ কী? উগ্র অসমীয়া জাতিয়তাবাদ। তাদের এইরূপ মারমুখী হবার কারণ কী? সংখ্যালঘু হয়ে যাবার ভয়। তাই তারা যত পারে বাঙালিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে চায়। এ হল একদম সিধে হিসেব। দেশভাগ, বাংলাদেশ যুদ্ধ, অনুপ্রবেশ-শরণার্থী এসবকে অ্যাড্রেস না করে এগোবেন কীকরে? আমি সিরিয়াসলি জানতে চাই।
  • dc | 236712.158.895612.210 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:৩৫50772
  • ইন ফ্যাক্ট এনারসির কি দরকার তাও তো বুঝিনা। এই প্রসঙ্গে বোধায় প্রোহিবিশানের উদাহরন দেওয়া যায়। যখন সরকার বললো মদ হাওয়া উচিত না আর তার জন্য আইন করলো তখন একগাদা স্পিকইজি তৈরি হলো, বুটলেগিং হলো, মাফিয়াদের রমরমা বাড়লো। আর যখন প্রোহিবিশান তুলে নেওয়া হলো তখন সেসব সমস্যাও চলে গেল। আমার মনে হয় বর্ডার কন্ট্রোল কমানো হলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ইত্যাদি ব্যপারগুলোও আর সেভাবে থাকবে না, মানুষের যাতায়াত আরও বাড়লে ইকোনমিক অ্যাটিভিটিও বাড়বে। এনআরসি করার দরকারই আর থাকবে না।
  • pi | 236712.158.676712.108 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:৪৬50773
  • প্রশ্নটা কার ছিল পড়িনি, মামুর শেষ পোস্ট পড়ে লিখছি।

    ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নানা দেশের মধ্যেও ঘোরা যায়না?

    ইন্দোনেশিয়া যেতেও ভিসা লাগেনি।
    লিস্টে তখন অনেক দেশের নাম দেখেছিলাম।

    এই লিস্টে সাধারণ মানুষের জন্য ইন্দোনেশিয়ার নাম কেন নেই জানিনা, আমি কাজে গেছিলাম বলে লাগেনি কিনা তাও, কিন্তু এম্নকি এই লিস্টের এত দেশের মধ্যে বাংাদেশ ভারতের সাধারণ মানুষ নেই, ৯০ দিনের স্টের জন্য!

    https://mea.gov.in/bvwa.html

    এছাড়াও
    Citizens of countries allowed visa-free entry to India
    Bhutan
    Maldives (Up to 90 days stay)
    Nepal

    এই লিস্টটা দেখেও চমকে উঠলাম। মানে provided they are not Bangladeshi, Pakistani দেখে।

    India has plans to grant visa on arrival to 180 countries. As of now, India grants visa on arrival to the citizens of the following nations, provided they are not of Bangladeshi or Pakistani origin:

    Cambodia
    Finland
    Indonesia
    Japan
    Laos
    Luxembourg
    Myanmar
    New Zealand
    Philippines
    Singapore
    South Korea
    Vietnam
  • pi | 236712.158.676712.108 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:৫২50774
  • ওহহ, শেষ পোস্ট না, মাঝে আরো পোস্ট পড়ে গেছে দেখছি।
  • PM | 124512.101.89900.159 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০২:৫৯50775
  • এই গুলোতে কি সমস্যা ? ঘুরে বেড়ানো , ভিসা ফ্রি / অন অরইভাল মানে আন্ডকুমেন্টেড এনট্রি নয় তো , নাগরিকত্ব ও নয় । ভোট দেবার অধিকারো নয়। জমি বাড়ি কিনে সরকারী চাকরী নিয়ে বসে যাবার অধিকার ও নয়। গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে কেনো ?
  • Ishan | 237812.68.4534.141 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৩:১৯50776
  • সমস্যার কিছু নেই। গুলিয়ে ফেলাও হচ্ছেনা। এগুলো ঠিক বেড়াতে যাবার ব্যাপারও নয়। জমি বাড়ি কিনে বসে যাবারই ব্যাপার।

    ভারত আর নেপালের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ীঃ The Governments of India and Nepal agree to grant, on reciprocal basis, to the nationals of one country in the territories o the other the same privileges in the matter of residence, ownership of property, participation in trade and commerce, movement and other privileges of a similar nature.

    এটা ১৯৫০ সালের চুক্তি। ভারত আর পাকিস্তান/বাংলাদেশের মধ্যেও এরকম একটা হবার কথা ছিল। ১৯৫০ পর্যন্ত সীমান্ত খোলা ছিল। দুঃখিত আবার দেশভাগ খুঁড়ে তুললাম, কিন্তু ৫০ সালে নেপালের সঙ্গে চুক্তি হয়, আর ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে অবাধ যাতায়াত বন্ধ।

    আপাতত এইটুকু হলেই চলে। তাতে অনুপ্রবেশ নামক ন্যারেটিভটি উবে যায়। নাগরিকত্ব, বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো ইত্যাদি দাবীদাওয়াও। আপাতত এইটুকুই চাওয়া। এন-আর-সি তে অবশ্য একটা অন্য প্রসঙ্গও আছে। সে পরে লিখছি।

    পুরো চুক্তিটা এখানে পাবেনঃ https://mea.gov.in/bilateral-documents.htm?dtl/6295/Treaty+of+Peace+and+Friendship
  • pi | 237812.69.453412.8 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৩:২৮50777
  • এই একবারে তিন মাস করে করে বিনা ভিসায় ঘুরে বেড়ানোটুকুর অধিকার ও দুইপাড়ের বাংালিদের মধ্যে নেই কেন?
  • Ishan | 237812.68.4534.117 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৩:২৮50778
  • ভারত-নেপাল চুক্তিতে বস্তুত নেপালী নাগরিকরা, এমনিই, ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হবার অধিকারি। বাংলাদেশের সংগে এটা চালু হলে অনুপ্রবেশ, হাবিজাবি জিনিস মেটে। কিন্তু তাতো আসামের সমস্যা মিটবেনা। ওটা অসমীয়া জাতিসত্ত্বার সমস্যা।

    ঐতিহাসিকভাবে দেশভাগের আগে আসামে অসমীয়াভাষীরা সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন না। ১৯৩১ সালের জনগণনায় তাঁদের সংখ্যা ছিল ৩১.৪%। এর ঠিক কুড়ি বছর পর ১৯৫১ সালের জনগণনায় নাটকীয়ভাবে সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়ায় ৫৬.৭% এ। এর মধ্যে দেশভাগ হয়েছে ও উদ্বাস্তুর স্রোত বয়ে গেছে গোটা উপমহাদেশে। হয়েছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, উল্টে গেছে অনেক কিছুই। অনেকেই এই আকস্মিক সংখ্যাবৃদ্ধির অন্যতম বা প্রধান কারণ হিসেবে বলেন, ১৯৫১ সালের পর আসামের বহু বাঙালি, বিশেষ করে মুসলমানরা আত্মপরিচয় পাল্টে নিজেদের অসমীয়া হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। এটি নিঃসন্দেহে বাস্তব ঘটনা, কিন্তু অসমীয়া সংখ্যাবৃদ্ধির প্রধানতম কারণ কিনা, তা একেবারে নিশ্চিত করে বলা না গেলেও, এ ধরণের একটি ভাষ্য চালু। একদম সমসময়ের একটি সংবাদপত্রে লেখা হয়েছেঃ "১৯৫১ সালের পর চরুয়া খেদা ডাঙায় একটি মুসলমান গ্রামে প্রায় আটশো মানুষকে কুপিয়ে হত্যা করে উগ্র অসমীয়া জাতীয়তাবাদী শক্তিগুলো। তারপর বহু বাঙালি মুসলমান অসম ছেড়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে যান। পরে অবশ্য নেহেরু–লিয়াকত চুক্তি অনুযায়ী তাঁদের ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয় ঠিকই কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর সময় সঠিক নথিপত্র তাঁদের দেওয়া হয়নি।"

    তো, এইটার জন্য, শোনা যাচ্ছে, আসামে বহু বাঙালি, মূলত ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায়, নিজেদের অসমীয়া হিসেবে পরিচয় দেন। সেন্সায় ইত্যাদিতে। বাঙালির সঙ্খ্যা বেড়ে গেলে অসমীয়ারা এমনিই তাঁদের কেটে ফেলবে। তা, আসামে এন-আর-সি চালু করার একটা বড়ো কারণ এই অসমীয়া আত্মপরিচয়ের সংকট। এইটা পশ্চিমবঙ্গের কোনো লেখায় দেখবেন না। ভারত-বাংলাদেশ চুক্তি করে এই ঝামেলা মিটবেনা। অসমীয় আত্মপরিচয় আবার একটি বঙ্গাল খেদা করবে। বাংলাদেশে না পাঠাতে পারলে পশ্চিমবঙ্গে পাঠাবে। বিজেপিও এই কারণেই বাংলাদেশী জুজুটা টিকিয়ে রাখবে। ফলে চুক্তি টুক্তি কিসুই হবেনা। তৃণমূল, সিপিএম এদের কী মোহ অবশ্য আমি জানিনা। এরা এমনিতেই অসমীয়া ভোটও পায়না। ওই লেজুড়বৃত্তি আর কি।
  • pi | 237812.69.453412.8 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৩:২৯50779
  • ঘোষিত বামপন্থীদের ও কী অসীম সীমাপ্রীতি!! বিজেপির স্ট্যান্ডের থেকে আর আলাদা কী?
  • sm | 124512.101.89900.159 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৩:৩০50780
  • যদ্দুর জানি,ব্রিটেন এর নিয়ম অনুযায়ী দশ বছর বৈধ ভাবে ও চোদ্দ বছর অবৈধ ভাবে থাকলেই,সে দেশের নাগরিকত্ব মেলে।
    আর এদেশে ,চল্লিশ পঞ্চাশ বছর থাকার পর ও অবৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে!
    এই নিয়ম এর পুনর্বিবেচনার আশু প্রয়োজন।
  • pi | 237812.68.454512.186 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৩:৩৯50781
  • এখনো আসামে মাতৃভাষা অসমিয়া করতে বলা হচ্ছে।
  • সৈকত | 236712.158.782323.63 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৪:১২50782
  • মুক্ত বর্ডার, কাজের সুবিধে, জবকার্ড আর কী কী সব, এইসব হবে বলে মনে করেন ? সে হওয়ার হলে তো সার্ক দিয়েই তো হতে পারত। অবৈধ অনুপ্রবেশের "সমস্যা' তো আর নতুন নয়, অন্তত নব্বইয়ের দশক থেকে শোনা যায়, পোরাস বর্ডার, পস্চিমবঙ্গের অর্থনীতিতে চাপ ইত্যাদি। কিন্তু কী হল, পাকিস্তান বদমাইশ অতএব সার্ক মোটামুটি উঠে গেছে , ভোটের আগে পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্যও মনে হয় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন সার্কের বদলে নতুন কুমীরছনা তৈরী করা হয়েছে, বিমস্টেক, সেখানে পাকিস্তান বাদ, আরও কিছু দেশ যোগ হয়েছে। তাহলে সমস্যার সমাধান, এইটা দিয়েই হোক, কিন্তু ধরে নেওয়া যায় সেসব হবে না। 'সমস্যা'টি বাঁচিয়ে না রাখলে, পলিটিক্যাল ক্লাসের কোন লাভ নেই। ফলে সমস্যা সমাধানের বদলে, আরও 'সমস্যা' তৈরী করা হবে, সেটা করতে পারলে লাভ আরও বাড়তে থাকবে, এনারসি সেরকমই একটি উপায়, সমাধানের নয়, সমস্যা জিইয়ে রাখার যাতে সময়ে সময়ে 'সাম্প্রদায়িক' সমস্যার ন্যারেটিভটি তুলে দেখানো যায়।
  • dc | 236712.158.565612.163 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৪:২৭50783
  • একদম, এগুলো সব বানানো সমস্যা যাতে এগুলো দেখিয়ে ইলেকশামে জেতা যায়।

    পিএমদা, জমি বাড়ি কিনে বসে গেলে কি খুব প্রব্লেম হবে? এইচ ওয়ান ভিসায় যারা আমেরিকায় যায় তারা তো দেখি পটাপট বাড়ি গাড়ি কিনে বসে পড়ে। বাংলাদেশি বা পাকিস্তানি নাগরিকরা এদেশে এসে জমিবাড়ি কিনলে বা ভারতীয়রা ঢাকা বা লাহোরে গিয়ে জমিবাড়ি কিনলে ক্ষতিই বা কি? আমি নিজেও চান্স পেলেই নিউ জিল্যান্ডে গিয়ে বাড়ি কিনে সেটল করতে চাই, নেহাত ট্যাঁকের জোর নেই বলে পারছি না।
  • Amit | 237812.68.6789.111 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৫:১৫50784
  • ঈশেন কে<

    "এটা ১৯৫০ সালের চুক্তি। ভারত আর পাকিস্তান/বাংলাদেশের মধ্যেও এরকম একটা হবার কথা ছিল। ১৯৫০ পর্যন্ত সীমান্ত খোলা ছিল। দুঃখিত আবার দেশভাগ খুঁড়ে তুললাম, কিন্তু ৫০ সালে নেপালের সঙ্গে চুক্তি হয়, আর ভারত-পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে অবাধ যাতায়াত বন্ধ।"

    ১৯৪৮ যুদ্ধ বা ৬৫/ ৭১ এর পরে ওরকম চুক্তি করার বাস্তব রাজনৈতিক অবস্থা কোথায় ছিল ? নেপাল এর সাথে ভারতের কখনো মিলিটারি কনফ্লিক্ট হয়েছে ? ওটাকেই ইডিএল মানতে গেলে তো তাহলে সব প্রতিবেশী দেশ - শ্রীলংকা, মায়ানমার , চীন , ভুটান , মালদিভস, ইত্যাদি সকলের সাথে এক চুক্তি থাকার দরকার । আলাদা করে বাংলাদেশ কেন ?

    ডিসি, h1b ভিসায় যারা USA গিয়ে বাড়ি / গাড়ি কিনছে, তারা কি ট্রাভেল ডকুমেন্টস/ ভিসা ছাড়া যাচ্ছে ?
  • সৈকত | 236712.158.782323.31 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৫:৩৪50785
  • আর এই গণভোট হয়েছে বা সেটি হওয়া উচিত, এই বক্তব্যটাও হাস্যকর লাগে, রাজনৈতিক নেতাদের কাজকর্ম দেখে। পার্টিশন হবে কিনা সেই নিয়ে যেমন যথার্থ গণভোট হয়নি, আবার অন্যদিকে কাশ্মীরও ভারতের সাথে থাকবে কিনা, সে নিয়েও হয়নি। সেরকম একটা কথা হয়েছিল মনে হয় কিন্তু শেষ পর্যন্ত তো রাজার ইচ্ছেতেই ভারতভুক্তি ঘটে। তো এসবই মনে হয়, পলিটিক্যাল ক্লাসের ভাগ-বাঁটোয়ারা, কাশ্মীরের সাথে জুনাগড় বা হায়দরাবাদ, এই দুটি বড় দেশীয় রাজার রাজ্যের অন্তর্ভুক্তিও হয়েছিল আন্ডারস্ট্যান্ডিং বা ভয় দেখিয়ে (বল্লভভাই প্যাটেলের নাম সেই জন্যই)। তো বক্তব্য এটাই যে, জনগণ কোথাওই তাদের মত জানানোর মত অবস্থায় ছিল না, চাওয়াই হয়নি তাদের মত। এখন হঠাৎ করে বললে চলবে কেন যে তারা সবাই জেনেবুঝেই সবকিছু মেনে নিয়েছিল ? এ তো চিরকালের বক্তব্য যে বৃটিশরা ভারত ছাড়ার আগে কোনভাবে ম্যাপটা টেনে দিয়ে গেছিল। দেশভাগের পরে, ওপার থেকে আসা মানুষের একটা বড় অংশ পশ্চিমবঙ্গে এসে যে বামপন্থীদের প্রধান সমর্থক হয়ে উঠল তার একটা কারণ তো এটাই যে তারা মনে করত কংগ্রেসই দেশভাগের জন্য দায়ী, অতএব কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। অন্য কারণ অতি অবশ্যই কমিউনিস্ট পার্টির উদ্বাস্তু অধিকারের সাথে জড়িয়ে পড়া।
  • dc | 236712.158.565612.163 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৫:৩৪50786
  • না ট্রাভেল ডকুমেন্ট তুলে দিতে বলিনি। তবে মাইগ্রেশান সংক্রান্ত আইনকানুন কমালে খুশীই হবো। মিনিমাম যেটুকু কাগজ লাগে সেটুকু থাক, তার বেশী না।
  • Amit | 237812.68.6789.99 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৫:৪৭50787
  • একটা বিশাল সংখ্যায় মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছেন এবং তাদের প্রতি সরকার চরম উদাসীনতা দেখিয়েছে, এই পয়েন্ট এ ১০০ % একমত। নিজের সরকারের কাছে তার জবাবদিহি চাওয়া হোক। পশ্চিম এবং পুব দিক থেকে যারা উদ্বাস্তু হয়ে এসেছেন , তাদের মধ্যে সাংঘাতিক রকমের ডিস্ক্রিমিনাসন করা হয়েছে। সেই দায় পুরোপুরি ভারত সরকারের।

    কিন্তু সময় তো আর এক জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই। দেশভাগ হয়েছে, দোষ যাদের ই থাক। তার পরে ইন্ডিয়া পাকিস্তানের তিন তিনটে যুদ্ধ হয়েছে। ৭১ অব্দি বাংলাদেশ পাকিস্তানের ই অংশ ছিল, সুতরাং কোনো রাজনৈতিক চুক্তির করার অবস্থায় দুটো দেশ ছিল কি না সেটা ও একোয়াশন এ থাকা দরকার। সেখানে নেপাল এর সাথে চুক্তি কে সব দেশের সাথে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে কিভাবে সেট করা যায় ? এখনো অবস্থা কতটা পাল্টেছে ?

    USA র সাথে নিশ্চয় কানাডা আর মক্সিকো র সেম বর্ডার চুক্তি নেই ? বা EU -র সাথে টার্কি র ? বা আসিয়ান এর সাথে চীন বা জাপানের র ? বা অস্ট্রেলিয়া র সাথে নিউ জিলান্ড আর ইন্দোনেশিয়া র ?
  • sm | 124512.101.89900.159 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৬:০৮50788
  • ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের শর্ত আরো নমনীয় হওয়া উচিত।ভারত বরঞ্চ বাংলাদেশ স্বাধীন হবার জন্য সাহায্য করেছিল।
    মমতার আমলে রেল চালু হবার পর ও ভিসা নিয়ন্ত্রণ এর কড়া কড়ি কমিয়ে দেবার পর,অফিসিয়ালি প্রচুর মানুষ এখন যাতায়াত করতে পারেন।বাংলাদেশ থেকে যেমন প্রচুর লোক চিকিৎসা,ভ্রমণ ও ব্যবসার কাজে এদেশে আসে,এদেশ থেকেও অতোটা না হলেও,ভালো সংখ্যক লোক যাতায়াত করেন।ভিসা গুলো ছ মাস থেকে দু বছরের হয়,এবং মাল্টিপল এন্ট্রি।
    এতে বেআইনী অনুপ্রবেশ ও পুলিশ এবং বর্ডার এ হেনস্থা করার ঘটনা কমেছে।বিশেষ ক্ষতি হয়নি।বরঞ্চ লাভ ই হয়েছে দু দেশের ই।
  • এলেবেলে | 236712.158.782323.23 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৮:৫৬50789
  • ঈশান আজ 07:44:41 যা লিখেছেন তা আমারও কথা। কাজেই অমিতকে আর আলাদা করে উত্তর দিচ্ছি না। আরও কতগুলো প্রশ্ন করেছিলাম যদিও যথারীতি সেগুলোর উত্তর দিতে গেলে দেশভাগের মূল ন্যারেটিভটি ঘেঁটে যেতে পারে বলে সে পথে প্রত্যাশিতভাবেই তাঁরা পা বাড়াননি।

    আজকের দিনে ভারতে পা রেখেছিলেন র‍্যাডক্লিফ সাহেব। ৭২ বছর আগে। তার উনিশ বছর পর ব্রিটিশ কবি অডেন লিখেছিলেন 'Partition' শীর্ষক কবিতাটি। তিনি ৬৬ সালে যা লিখেছিলেন, গুরুর তার্কিকরা কিছুতেই তা মানবেন না বলে পণ করেছেন!

    Unbiased at least he was when he arrived on his mission,
    Having never set eyes on this land he was called to partition
    Between two peoples fanatically at odds,
    With their different diets and incompatible gods.
    'Time', they had briefed him in London, 'is short. It's too late
    For mutual reconciliation or rational debate:
    The only solution now lies in separation.
    The Viceroy thinks, as you will see from his letter,
    That the less you are seen in his company the better,
    So we've arranged to provide you with other accommodation.
    We can give you four judges, two Moslem and two Hindu,
    To consult with, but the final decision must rest with you'.

    Shut up in a lonely mansion, with police night and day
    Patrolling the gardens to keep assassins away,
    He got down to work, to the task of settling the fate
    Of millions. The maps at his disposal were out of date
    And the Census Returns almost certainly incorrect,
    But there was no time to check them, no time to inspect
    Contested areas. The weather was frightfully hot,
    And a bout of dysentery kept him constantly on the trot,
    But in seven weeks it was done, the frontiers decided,
    A continent for better or worse divided.

    The next day he sailed for England, where he quickly forgot
    The case, as a good lawyer must. Return he would not,
    Afraid, as he told his Club, that he might get shot.

    ঈশান এন আর সি যা বলছেন সে ব্যাপারে আমি কোনও মন্তব্য করিনি। করবও না। কিন্তু দেশভাগের ক্ষেত্রে যে সাধারণ মানুষ কোল্যাটার‍্যাল ড্যামেজের শিকার হয়েছিলেন তা জোর গলায় বলব।
  • dc | 236712.158.565612.19 (*) | ০৮ জুলাই ২০১৯ ০৯:১৭50790
  • ও হরি, সাহেবের পেট খারাপ অবস্থায় বাংলা ভাগ হয়েছিল! সাধে সবাই গাল দিচ্ছে?
  • pi | 236712.158.891212.189 (*) | ০৯ জুলাই ২০১৯ ০৮:৩২50791
  • এটা পড়লাম, 'শিলচরের বিজেপি নেতা তথা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী পবনকুমার রাঠি এবার হলেন ঘোষিত বিদেশী ।বোঝ ঠেলা!'
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন