এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • চাগ্রীর গপ্পো

    সে
    নাটক | ১৩ নভেম্বর ২০১৪ | ৩০৫৬২ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাঠক | ১৬ মার্চ ২০১৫ ১৩:৫২652807
  • কল্লোলবাবুকে ধন্যবাদ। ওঁর মন্তব্যের বিপরীতে আরো দু-চরটে কথা বলার সুযোগ পেলাম।

    ১। উনি 'এক ভক্ত' আর 'পাঠক' কে গুলিয়ে ফেলেছেন। এক ভক্ত অন্য টইতে কি লিখেছেন তা টেনে এই টইতে আলোচনা করার কিছু দরকার ছিল না।
    ২। লেখিকার লেখার স্টাইল ইত্যদির ভূয়সী প্রশংসা এই টই তে বার বার হয়েছে এমনকি পাঠকও তাঁর ভাষা ও সংলাপের প্রশংসা করেছেন। কিন্তু পাঠক হিসেবে কোথাও সংশয় থাকলেই বা সে কথা প্রকাশ করতে গেলে তাকে 'অনর্থক বাজে কথা' বা 'খোঁচাখুঁচি' ইত্যাদি বলা হবে কেন ?
    ৩। লেখিকা নিজে টই বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন, অন্য টই তে তিনি সরাসরি অলোচনায় অংশ নিচ্ছেন, সেটা কল্লোলবাবুরও অজানা নয়। তাই বার বার লেখিকার অসুস্থতার কথা উল্লেখ করার কি প্রয়োজন বোঝা গেল না। আর তার সঙ্গে লেখার মন্তব্যের কি সম্পর্ক ? লেখা বিষয়ে দু-চার কথা লিখতে গেলে লেখিকার জীবনপঞ্জী থেকে বর্তমান শরীরিক অবস্থার কথা এত কিছু ভাবতে হবে কেন ? কল্লোলবাবু তো সব ক্ষেত্রেই এমন আশা করেন না, 'সে' নিজে যখন কারুর লেখায় 'কষ্ট করে পড়তে হল' লেখেন, তখন তো কই বলেন নি 'ভালো না লগলে পড়বেন না'।
    ৪। এই সব কথাই আগে কেউ না কেউ বলেছেন। আমিও বল্লাম, কারন আলোচনাটা আমার মন্তব্য থেকেই শুরু হয়েছিল বলে। লেখার মাঝখানে 'সে'-র হুমকি আমার অত্যন্ত আপত্তিকর লেগেছিল। আমি মনে করি যা খুশি তাই লেখা যদি লেখকের অধিকার হয়ে থাকে তবে নিজের আপত্তির কথা স্পষ্ট ভাবে জানানোর অধিকারও পাঠকের আছে। 'ভালো না লাগলে পড়বেন না' একটা চূড়ান্ত অর্থহীন কথা কারণ না পড়লে কেউ ভালো-মন্দ কিছুই বুঝতে পারে না।

    ৫। 'সব চরিত্র কাল্পনিক' একটা কথার কথা নয়, সেটা একবার লিখে আবার 'আমার নিজের কথা' লিখে সাহসী, লড়াকু ইত্যাদি প্রসংশা চুপচাপ হজম করা যাই না। লেখিকা সেটাই করেছেন এবং কল্লোলবাবুও সেটাই করছেন।
    ৬। লেখিকার লেখার 'ফর্ম' দুর্দান্ত হলেও 'কন্টেন্ট' নিয়ে আমার খারাপ লাগা আছে। এই লেখায় লেখিকা নিজের জীবনের কিছু কিছু ঘটনার কথা লিখেছেন, সব কিছু নয়। যারা তাঁকে ব্যক্তিগত ভাবে চেনে না তাদের পক্ষে সব কিছু রিলেট করা মুস্কিল। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার যেমন কোনো প্রমাণ হয়না, তাকে জাস্ট মেনে নিতে হয়, তেমনি তাকে কখনই ডকুমেন্টেশন বলা যায় না। যেখানে প্রশ্ন করার সুযোগ নেই (হুমকি কাজ করে) সেখানে সবকিছু বিশ্বাস করে ফেলার দায় তো পাঠকের নেই।
    ৭। লেখিকা পরিস্থিতির শিকার হয়ে নানারকম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু উনি ওঁর প্রায় সমস্ত পুরুষ ও মহিলা সহকর্মীদের যেভাবে এঁকেছেন, (তার মধ্যে যাদবপুরের ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টও আছেন) একটা কোম্পানীর সবাই তেমন এই কথাটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সহকর্মীদের খুব স্বাভাবিক আচরণকে লেখিকা ব্যঙ্গ করেছেন, নিজেকে মহান দেখিয়েছেন। সে সব আর উল্লেখ করলাম না। আর সত্যি সত্যি এত অপ্রয়োজনীয় ডিটেইলস (খাবারের মেনু থেকে মাছের সাইজ), সংলাপ শুনে মনে হয়েছে এটা কি আদৌ সত্যি চাকরীর গল্প পড়ছি ! ভাষার গুণে অসম্ভব সুখপাঠ্য সন্দেহ নেই।
    ৮। ব্যক্তিগত জীবনের লড়াই সবাইকেই লড়তে হয়, না লড়ার কোনো অপশন নেই। সেই লড়াই লেখিকার ক্ষেত্রে খুব কঠিন ছিল। কিন্তু সেই বাধ্যতামূলক লড়াইয়ের বাইরে এই গল্পে আমি কোথাও লেখিকাকে খুব প্রতিবাদী বা নির্ভীক হিসেবে দেখতে পাইনি আর তার খুব দরকারই বা কিসের বুঝি না।
  • কল্লোল | ১৬ মার্চ ২০১৫ ১৫:৪৪652808
  • এ। এক ভক্ত লিখেছিলেন লেখাটা তার ভালোই লাগে কিন্তু খুব ঢপের। এতে নিশ্চই "শৈল্পিক দিক দিয়ে ব্যর্থ" এমন বোঝানো হয় নি। বিষয়বস্তু বা গল্প্গুলো "ঢপের" তাই বোঝানো হয়েছে।
    ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড - এই টইতে পেয়ে যাবেন।

    পাঠক। এগুলো আপনার মত। আপনার মত ব্যক্ত করার অধিকার আপনার আছে। এ নিয়ে আমার কিচ্ছু বলার নেই।
    শুধু ৩ নং পয়েন্টে যেখানে লেখকের অসুস্থতার কথা উঠেছে সেখানে একটা ছোট্ট কথা বলার আছে। লেখক বার বার ঐ টইতেই লিখেছেন যে তিনি অসুস্থ তাই পরে লিখবেন। ঠিক তখনই লেখাটাকে "ঢপের" বলে লিখলেন এক ভক্ত ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড - এই টইতে।
    আপনিও লিখেছেন - "কিন্তু উনি ওঁর প্রায় সমস্ত পুরুষ ও মহিলা সহকর্মীদের যেভাবে এঁকেছেন, (তার মধ্যে যাদবপুরের ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টও আছেন) একটা কোম্পানীর সবাই তেমন এই কথাটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছে।"
    কোই এ নিয়ে তো আমার আপত্তি করার কিছু নেই।
    ভাষাটা অনেক বড় ব্যাপার। আপনার ও এক ভক্তের ঘটনাগুলো বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে হয়নি। এবার প্রকাশের ধরনটা তুলনা করুন আপনার ও এক ভক্তের।
    না, আমি আপনাকে আর এক ভক্তকে গুলাই নি।
  • ranjan roy | ১৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৮652809
  • a,
    ভাষার ব্যাপারে আমার ভুল হতে পারে। কারণ প্রায় ৪০ বছর পরে আজকের কোলকাতার প্রজন্মের বাংলাভাষার সম্পর্কে এসেছি।
    আমাদের সময় "ঢপ", "ব্যাপক", "অসা", "কোন কথা হবে না", " যা তা" এই সব বিশেষণগুলো এমন অর্থে ব্যবহৃত হত না।
    কিন্তু এখনও মনে হচ্ছে "ঢপের লেখা" মানে শৈল্পিক ভাবে ব্যর্থ লেখা বলা হয় নি। ঢপ দিয়েছে (বানিয়ে বলছে) অর্থে বলা হয়েছে।

    তবু বলব যদি সবাই বা বেশিরভাগ গুরুভায়ের মনে হয় আমি "ঢপ" অর্থে এখানে ভুল বুঝেছি তাহলে অবশ্যই ক্ষমা চেয়ে নেব।
  • tania | ১৭ মার্চ ২০১৫ ০২:৩৪652810
  • ইদানিং অ্যাক্টিভ যে কটা টইয়ের জন্য গুরুতে ফিরে ফিরে আসি তার মধ্যে এটা অন্যতম। এই টইটির এই পরিনতি দেখে কষ্ট হচ্ছে। থেমে যাবার জন্য তো বটেই, আরও বেশী করে কষ্ট হচ্ছে একটা তিক্ততা জন্ম নিচ্ছে দেখে।

    সে ভাল থাকুন, সুস্থ হয়ে উঠুন। যদি এই লেখাটা কন্টিনিউ করেন খুব ভাল লাগবে।
  • omnath | ১৭ মার্চ ২০১৫ ০৮:০০652811
  • গত কয়েক পাতা জুড়ে যা হ্যাজ চললো, তাতে কোনোদিন সত্যিই ফিরে লেখা শুরু করলেও আর এই টইতে লিখতে পারবে না। এত গুলো কমেন্টের পর আগের লেখার কোনো কন্টিনিউয়েশন রাখা অসম্ভব, ভবিষ্যতের পাঠকের জন্য তা এমনকি অনভিপ্রেতও। সকলেই ম্যাচিওর মানুষ। লেখক যখন এই টইতে কমেন্ট করতে বারণ করে গেলেন তখন সেটা মেন্টেন করা উচিত ছিল মনে হয়। আবেদন নিবেদন অ্যাপ্রিশিয়েশনের জন্য আলাদা একটা টই খুললেই পারতেন। যাইহোক, রিকোয়েস্টের নামে, কমেন্ট করে করে এই টইটাকে আপনারাই খুন করলেন। মনে রাখবেন। আমি এখানে লিখতাম না, কিন্তু যা বুঝলাম, এই টইয়ের কবরায়ন সম্পুর্ণ হয়েছে, তাই লিখে গেলাম। অবশ্য নতুন কিছু নয়, আগে বহু ফালতু ইগনোরেবল টইতেও প্রতিবাদ, অপছন্দ জানানোর নামে দীর্ঘ কমেন্টের ইতিহাস আছে, এটা তো তবু জনপ্রিয় টই। লিখিত প্রতিবাদ জানানোর নামে, অপছন্দের মন্তব্যের সাথে এনগেজ করার নামে ট্রল করার কাজটা যারা অনবধানেই সম্পাদন করেন, তারা আরেকটু ম্যাচিওরিটি দেখাবেন ভবিষ্যতে, আশা রাখি। একটা বড় লেখা, যা ক্ষেপে ক্ষেপে লেখা হচ্ছে, তাতে কমেন্ট করার সময় একটু সংযম দেখাবেন।

    ভুল বোঝাবুঝি হওয়ার সময়কার ঘটনাটা খুব ক্লোজলি ফলো করেছিলাম, গোটা ব্যপারটা প্রায় চোখে সামনেই দেখা। ভুল বোঝাবুঝি কাটিয়ে সে আবার লিখবে ভবিষ্যতে সে আশা থাকল।
  • ranjan roy | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১১:৪০652812
  • সরি ওমনাথ! ঠিক বলেছ, আমিও একই দোষে দোষী।
  • lcm | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১১:৫১652813
  • যা তেরি! সে লেখা বন্ধ করে দিল ...

    কুছ তো লোগ কহেঙ্গে, লোগো কা কাম হ্যায় কহ্‌না
    ছোড়ো বেকার কে বাতো মে কহি লিখনা বন্ধ হো যায় না
  • কেডি | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১৩:০৭652814
  • "সে"র শরীর বেশ খারাপ, ওয়েটিং ফর সার্জারি। তাই লেখা শুরু করতে (যদি আদৌ করে) সময় লাগবে।

    আর একটা কথা। যদিও আমি কলকাতার ওয়ার্কপ্লেস কালচারে অনভিজ্ঞ, তবুও যতটুকু দেখেছি, "সে"র লেখা সিনারিও অবিশ্বাস্য একেবারেই মনে হয় নি।
  • Som | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১৮:৩১652815
  • 'লেখিকা পরিস্থিতির শিকার হয়ে নানারকম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু উনি ওঁর প্রায় সমস্ত পুরুষ ও মহিলা সহকর্মীদের যেভাবে এঁকেছেন, (তার মধ্যে যাদবপুরের ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্টও আছেন) একটা কোম্পানীর সবাই তেমন এই কথাটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সহকর্মীদের খুব স্বাভাবিক আচরণকে লেখিকা ব্যঙ্গ করেছেন, নিজেকে মহান দেখিয়েছেন। সে সব আর উল্লেখ করলাম না। আর সত্যি সত্যি এত অপ্রয়োজনীয় ডিটেইলস (খাবারের মেনু থেকে মাছের সাইজ), সংলাপ শুনে মনে হয়েছে এটা কি আদৌ সত্যি চাকরীর গল্প পড়ছি ! ভাষার গুণে অসম্ভব সুখপাঠ্য সন্দেহ নেই।'

    অত্যন্ত বাজে কথা। এই পাঠক এর ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে কোনো ধারণা ই নেই। কোনো কোম্পানি তে কোনো ম্যানেজার বা ক্ষমতাসীন লোক কাউকে রাগ্গিং করে তখন মেজরিটি সেই রাগ্গিং করতে সুরু করে। স্রোতের দিকে ই সবাই চলে। খুব কম লোক স্রোতের বিপরীত এ চলে। এ জিনিস এ আমি নিজে ভুক্তভুগী। একবার আমার অপ্প্রায়সল মেরে দিয়েছিল অন্য একজন কে নিয়মিত হারাস করার প্রতিবাদ করেছিলাম বলে। আমার পাশে কেউ দাড়ায়নি। একজন ও না। অনেক দিন পরে দু একজন দু:খ প্রকাশ করেছিল যদিও।

    বেড়াতে গিয়ে বা পিকনিক এ বস বা তার বউ কে বাচ্চা কে নিয়ে মাছের পিস থেকে বাস এ ভালো জায়গা তা দেওয়া নিয়ে যে আদিখ্খেতা দেখেছি। লজ্জায় পরে গেছি বার বার। কিছু দামড়া লোকের আদিখ্যেতা দেখে ঘেন্না ধরে গ্যাছে।

    আমার সে এর লেখা r কোনো অংশ ই অতিরঞ্জিত মনে হয় নি। বরং সমালোচক দেরকে দেখে বাল খিল্য মনে হয়েছে। কোনো আইডিয়া ছাড়া কিছু লোক হনুর মত কমেন্ট করে যায়। করেই যায়। লজ্জা ও পায় না।
  • Som | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১৮:৩৩652817
  • সে এর কন্টাক্ট ইনফরমেশন যদি কারো কাছে থাকে তো অনার অনুমতি নিয়ে আমাকে যদি কেউ সেন্ড করেন।

    karsomaditya @ gmail ডট কম। স্পেস গুলো সরিয়ে নেবেন প্লিজ।
  • a | ১৮ মার্চ ২০১৫ ১৭:৫৩652818
  • রন্জনদা, কল্লোলদাঃ আমি অন্য টইএর মন্তব্যটি দেখিনি। এখন দেখে বুঝলাম। আপনাদের মনে হওয়াটা সঠিক।
  • Kihim | ১৮ মার্চ ২০১৫ ২০:৩০652819
  • সে,

    ভালো হয়ে উঠুন তারাতারি। টই টা না লিখলে খুব খারাপ লাগবে - ভেবে দেখবেন একটু।

    র'ণজন দা,

    চলতি মানে তে ঢপের লেখা মানে ভুলভাল লেখা, অন্তঃসার শূন্য লেখা; বানিয়ে লেখা নয়।
  • ranjan roy | ১৯ মার্চ ২০১৫ ০১:৩৭652820
  • @Kihim,
    ও কে।ঃ))
    আসলে কয়েকবছর আগে এখানে আমাদের তীর্থং রাবন্দা ও মান্দুদিকে নিয়ে দারুণ সব মজার কবিতা নামিয়েছিলেন।
    তাতে একটা লাইন ছিল বিয়ের পর ফ্রাস্টেটেড মন্দোদরী বলছে " ঢপ দিয়েছে মিনসে ঘাটের মড়া!"
    তার থেকে আমি ভেবেছিলাম ঢপ বা ঢপের চপ মানে আমাদের সময়ে 'গুল" বলতে যা বোঝাত।ঃ))))

    @a,
    ও কে বস-; নো হার্ড ফিলিংঃ)))।
  • kihim | ১৯ মার্চ ২০১৫ ১০:১৪652821
  • রঞ্জন দা,

    ঢপ মানে এখনো মিথ্যে কথা, গুল; আবার বাজে কথা ও হয়। :) বাজে in the sense... baseless. তবে ঢপের লেখা মানে মিথ্যে লেখা নয়, বাজে লেখা, ন্হুলভাল লেখা। :)
  • Nina | ২০ মার্চ ২০১৫ ০৫:১২652822
  • সুস্থ হয়ে ওঠ চটপট
    লেখাটা বড্ড মিস করছিঃ-(
  • কল্লোল | ২০ মার্চ ২০১৫ ১১:২৫652824
  • ধর্ষণের শাস্তি কি মৃত্যুদন্ড? এই টইয়ের ৮৪ পাতায় লেখা হয়েছিলো -
    Name: Ek bhakto IP Address : 233.179.153.96 (*) Date:13 Mar 2015 -- 09:11 AM
    ওনার ঢপের কেত্তনগুলো সত্যিই সুখপাঠ্য।লেখার প্রসাদগুণে। কখনো জানানো হয়না। জানিয়ে গেলাম।
    আশা করি ব্রাজিলের "ঢপ"এর খেলা, পিয়ানিস্ট "ঢপ"এর সিনেমার ঢপ, আর "ওনার ঢপের কেত্তনগুলো সত্যিই সুখপাঠ্য" এই "ঢ্প"এর পার্থক্য বোঝা গেলো।
    অন্ততঃ একজন বুঝেছিলো - এই পাতাতেই উপরের দিকে দেখুন।
    Name: a IP Address : 213.219.201.58 (*) Date:18 Mar 2015 -- 05:53 PM
    রন্জনদা, কল্লোলদাঃ আমি অন্য টইএর মন্তব্যটি দেখিনি। এখন দেখে বুঝলাম। আপনাদের মনে হওয়াটা সঠিক।
  • . | ২১ মার্চ ২০১৫ ০৭:৩২652825
  • কল্লোলের সুখপাঠ্য হলে ঢ্পটা ঢপ নয় এটা তো সবাই জানে। তাই তো নন্দীগ্রামের মিথ্যাগুলি কে সত্য বলে চালিয়ে কল্লোলের মত রাজনীতিবিদরা প্রাসঙ্গিক হয়। আসলে এরা নিজেরাই জানে না কি নিয়ে কথা বলছে।
    ডিঃ - এর সঙ্গে সে-র লেখা নিয়ে কোন সম্পর্ক নেই।
  • sosen | ২১ মার্চ ২০১৫ ০৭:৩৪652826
  • আপনারা কি থামতে জানেন না? ব্রেক বলে জীবনে কোনো জিনিস নেই?
  • a x | ২১ মার্চ ২০১৫ ০৭:৫০652828
  • এর সঙ্গে কোনো কিছুরই কোনো সম্পর্ক নেই। আড়াল থেকে উগড়ে যাওয়া ছাড়া।
  • কল্লোল | ২১ মার্চ ২০১৫ ১০:০৬652829
  • আহা। তো কি আর করবে বলো এরা। আড়াল থেকে উগরানো ছাড়া। কেষ্টোর জীব। বড় হতাশায় আছে। কত্তে দাও। ভিতরের নোংরা উগরে ফেলে যদি এট্টু ভিতরটা পোষ্কার হয় তো হোক না।
  • LB | ২১ মার্চ ২০১৫ ১৬:৩৫652830
  • এই থ্রেডটাতে চোখ বোলাতে গিয়ে মনে হল কোন বাংলা ইন্টারনেট ফোরামে থাকলে ফেসলেস এনটিটি হয়ে থাকাই ভালো। তার বেশি মাখামাখি মানেই শেষে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি আর নোংরামো।
  • Ranjan Roy | ০৭ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৩১652831
  • বাসবদত্তা শুধোয়--
    কী ছিল কোশাম্বীর আগে?

    শোন বাসবদত্তা।
    কোশাম্বীর আগে ছিল কোশাম্বী;
    কোশাম্বীর পরেও কোশাম্বী,
    কোশাম্বীর বদলে শুধু কোশাম্বীই পাওয়া যায়।

    এইভাবে কোশাম্বীর ঠিকানা খুঁজতে খুঁজতে
    বাসবদত্তা একদিন পৌঁছে গেল
    কোশাম্বীতে।

    (৩)
    হস্তিনাপুর
    ========
    ওই লোকটার কথা একটু ভাব তো,
    যে হস্তিনাপুরে এসে বলতে থাকে
    -- না, না; এ হস্তিনাপুর নয়। এ হস্তিনাপুর হতেই পারে না।

    ভাব একটু সেই লোকটার কথা,
    যে আজ বড় একলা।
    কখনও হয়ত মহাভারতের যুদ্ধে লড়েছিল,
    আজ তাতে কার কি আসে যায়?

    যদি সম্ভব হয় তো একটু ভাব
    হস্তিনাপুরের কথা।
    যার জন্যে কিছু দিন পরে পরেই ভীষণ সব যুদ্ধ হয়ে গেছে।
    কিন্তু তা নিয়ে আজ কারও কোন মাথাব্যথা নেই,
    --শুধু সেই লোকটা;
    যে হস্তিনাপুরের এসেও বারবার বলতে থাকে
    -- না না; এ হস্তিনাপুর নয়।
    -----

    (৪)
    হস্তিনাপুরে কেউ কথা শোনে না
    -------------------------------------
    আমি আবার বলছি-
    ধর্ম না রইলে কিছুই থাকবে না!
    কে শোনে আমার কথা!
    হস্তিনাপুরে কথা শোনার অভ্যেস নেই যে!

    যে শুনছে
    সে হয় বদ্ধ কালা,
    নয় তাকে না শোনার জন্যেই চাকরি দেওয়া হয়েছে।

    আমি আবার বলছি-
    ধর্ম না রইলে কিছুই থাকবে না!
    কে শোনে আমার কথা!

    ওহে হসিনাপুরের বাসিন্দে!
    শোন বা না শোন, আমি বলছি সাবধান হও!
    তোমদের এক শত্রু এখানে গোকুলে বাড়ছে।
    তার নাম-- বিচার!
    আর মনে রেখ,
    আজকাল মহামারীর মত --ছড়াচ্ছে,ছড়িয়ে পড়ছে এই বিচার!
  • Ranjan Roy | ০৭ নভেম্বর ২০১৬ ১৩:৪৫652832
  • সরি! ভুল থ্রেডে পোস্ট!ঃ((
  • সে | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৬:২৬735710
  • এটাও তুলে দিলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন