• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • অনুকূল ঠাকুর উবাচ- এক হিন্দু শরিয়তবাদির উপাখ্যান

    bip
    বিভাগ : অন্যান্য | ২২ নভেম্বর ২০১৪ | ২০৭ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2 | 3 | 4
  • pi | 167.40.240.255 | ১৯ মে ২০১৮ ১৮:৪৭651947
  • ফেবুর অনুকূল ঠাকুর গ্রুপগুলোয় গত ক'দিনে যাতা চলছে!

    এটস তুললাম ঃ)

    রানারা র লিন্ক কেউ দেবেন বা তুলে দেবেন?
  • pi | 167.40.129.9 | ২২ মে ২০১৮ ০৬:৪০651948
  • 'সত্যি বলতে কি এই ছবির মাহাত্ম্য এককথায় প্রকাশ করা এক প্রকার অসম্ভব কাজ। পুরাকালের দোর্দণ্ডপ্রতাপ অত্যাচারী,ব্যভিচারী সম্রাটের মরণপণ নিপীড়নের মুখে চীনের প্রাচীরের মতো খাড়া হয়ে প্রজাদের মানসিক সান্ত্বনা যেমন এই ছবি দিয়েছে, ঠিক তেমনই যুগ যুগ ধরে মধ্যপ্রাচ্যের শিল্পীজগতে এনেছে রেনেসাঁ। শুধু শিল্প বা সাহিত্যই নয়, বিজ্ঞান ও ইতিহাস চর্চায় আমূল পরিবর্তন আনে এই ছবি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে এই ছবিতে যে বৈজ্ঞানিক রূপরেখা আছে, তা শুধু বর্তমান নয়, সুদূর ভবিষ্যতেও মানবসমাজকে চিন্তিত করে ফেলবে। ছবিটির কিছু কিছু দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি আগে উল্লিখিত হলেও, তার প্রকৃত ব্যাখ্যা অসীম। শুধু ক্ষুধার্ত ব্যক্তির ক্ষুধার জ্বালা দূর করা বা পরিজন-বিয়োগ যন্ত্রণার উপশমই নয়, মৃতের মধ্যে জীবনসঞ্চারের ক্ষমতাও রাখে এই ছবি। এই ছবি যেমন দুর্মূল্য ঠিক তেমনিই বহুলচর্চিত। এমন একটি ছবির মালিকানা আমাদের দেশে থাকায় সমগ্র বিশ্ব ঈর্ষান্বিত এবং সমগ্র দেশ সমানভাবে গর্বিত।।কবে শেষ কেঁদেছি মনে পড়েনা। কিন্তু আজ এই ছবিটা দেখে সত্যিই কান্না আটকে রাখতে পারলাম না। মনকাড়া ডিজাইন আর চমৎকার ফিনিশিং-এর মাধুর্যের সাথে নিখুঁত পিক্সেলের দারুণ সাম্য এই ছবিকে প্রাণ দিয়েছে। আবার মায়াভরা চাহনি দিয়েছে এক আবেগঘন সৌন্দর্যের ইঙ্গিত। অসম্ভব ভালো,এক কথায় অনবদ্য একটি ছবি। বহুদিন পরে এমন একটা ভালো ছবি আমরা দেখলাম। একবিংশ শতাব্দীতে এইধরনের ছবি এর আগে কখনও আসেনি। এককথায় অসামান্য এবং অসাধারণ। আধুনিক অস্থির সমাজের বিচারে ছবিটি শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী তাই নয়, এটি বর্তমান সমাজের আলগা ও ঠুনকো সৌন্দর্যের মূলে তীব্র কুঠারাঘাত করেছে।।।।

    তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে আমরা যখন প্রতিমূহুর্তে সাম্রাজ্যবাদীদের চোখরাঙ্গানি আর আমলাতান্ত্রিক জটিলতার শিকার হয়ে ক্রমশ অনিশ্চিত এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছি।।।ঠিক তখনই,ঠিক সেই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আপনার এই ছবির মধ্যে আমি খুঁজে পেলাম গহন-অন্ধকার ঠেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি আলোকোজ্জ্বল পথের সম্ভাবনা। বিদেশী বুনিয়াদের কাছে বুদ্ধিবৃত্তিক দাসত্ব গ্রহন করার বিপক্ষে এই ছবি একটি সূক্ষ বার্তা দিয়েছে।।।।

    এই ছবি যদি না থাকত তবে রবীন্দ্রনাথ খুঁজে পেতেন না তাঁর 'কৃষ্ণকলি'কে। মাইকেল মধুসূদন বুঝতে পারতেন না তার ভুল। আপনার এই ছবিই ব্যোমকেশ বক্সী ও সত্যবতীর মিলনের কারণ।
  • pi | 167.40.129.9 | ২২ মে ২০১৮ ০৬:৪১651949
  • ব্রতজিত বসু

    '
    দ্য জয়গুরু সিগন্যাল

    এক গ্রীষ্মের রাতে ১৯৭৭ সালে জেরি এহম্যান প্রতিদিনে মতই বসে ছিলেন ওহাইয়ো ইউনিভার্সিটির একটি মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষনাগারে। তাঁর কাজ ছিল বেতার তরঙ্গ গ্রাহক যন্ত্রের সামনে বসে ‘ডীপ পে’ বা অতি দূরবর্তী মহাকাশ থেকে আসা কোনো অজানা প্রান্ত থেকে রেডিও সিগন্যাল বা বেতার তরঙ্গ বিন্যাস করা। অবশ্য এ পর্যন্ত কোন সংকেত তার মনিটর এ প্রদর্শিত হয়নি, কোন সংকেত আসোনি । তিনি এ টী প্রজেক্টের একজন স্বেচ্ছাসেবক। ওহাইয়ো ইউনিভার্সিটির এই টী (এঅর্চ ফোর ক্ষ্ত্রতের্রেস্ত্রিঅল ঈন্তেল্লিগেে) প্রজেক্টের কাজ হচ্ছে এক্সট্রা টেরেসট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা মহাজাগতিক বুদ্ধিমান প্রানীর অস্তিত্ব অনুসন্ধান করা। এজন্য টী অতি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে বহুদূরে মহাকাশে বেতার সংকেত পাঠানো হয় এই আশায় যে মহাজাগতিক কোন বুদ্ধিমান প্রানী এই সংকেত ধরতে পারলে তারাও পালটা সংকেত পাঠাবে। জেরির দায়িত্ব ছিল প্রতিরাতে এই সংকেতের জন্য অপেক্ষা করা। দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রজেক্ট কাজ চললেও রিসিভারে টু শব্দটিও করতে শোনা যায়নি। সেরাতেও স্বাভাবিক ভাবেই চলছিল সবকিছু। কিন্তু আকস্মিকভাবে বেতার যন্ত্রটি রাতের নীরবতাকে ভেঙে দিল উচ্চ এবং তীক্ষ্ণ শব্দে। জেরি অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে রেডিও রিসিভারের দিকে তাকাল। খরখর করে কেঁপে উঠলো জেরি।নীরবতা ভঙ্গ করে বেতার যন্ত্রটি তরঙ্গ রিসিভ করা শুরু করেছে। অত্যন্ত তীক্ষ্ণ সংকেত আসছে একটানা! হতভম্ব হয়ে রিসিভারের দিকে তাকিয়ে রইল জেরি।
    যদিও সে অজানা কোন সংকেতের জন্যই প্রহর গুনতো রাতের পর রাত, তারপরও জেরি বিশ্বাস হচ্ছিল না যে সত্যিই কি সংকেত আসছে নাকি জেরি মতিভ্রম হয়েছে, এরপর জেরি নিজেকে ঠিক করে নিলো এবং নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করলো সত্যিই কি এ সংকেত দূর মহাকাশ থেকে আসছে? পরবর্তী ৭২ সেকেন্ড ধরে একটানা সংকেত আসল। তারপর হঠাৎ করে থেমেগেল রিসিভার। যেভাবে হঠাৎ করে আসা শুরু হয়েছিল সিগন্যালটি সেভাবেই বন্ধ হয়ে গেল। জেরির হতভম্ব ভাব তখনও কাটেনি। রিসিভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটার প্রিন্টারের প্রিন্ট হওয়ার শব্দে তার জ্ঞান ফিরল। কাঁপাকাঁপা হাতে তিনি প্রিন্টআউটটি হাতে নিলেন। সিগন্যাল গ্রাফটির প্রিন্ট আউট হাতে নেওয়ার পরও তার বিশ্বাস হচ্ছিলনা, তিনিই প্রথম ব্যাক্তি যিনি সম্ভবত অন্য কোন নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে আসা কোন সংকেত রিসিভ করেছেন। সিগন্যাল গ্রাফটএ চোখ বুলিয়ে আরেক বার কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলেন। এলোমেলো, দূর্বোধ্য মোর্স কোড গুলোর কিছুই বুঝতে পারছেন না তিনি! অভিভূত অবস্থায়ই প্রিন্ট আউটের এক কোনায় একটা মাত্র শব্দ লিখলেন, ‘জয় গুরু’। এরপর থেকেই এই সিগন্যালটি সবার কাছে পরিচিত হলো ‘দ্যা জয় গুরু সিগন্যাল’ নামে।

    এই সংবাদ প্রচার হওয়ার সাথে সাথে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মাঝে শুরু হয় গেল আলোচনার ঝড়। শুরুহল ‘জয় গুরু’ সংকেত নিয়ে গবেষনা। বেতার তরঙ্গটি ৭২ সেকেন্ড ধরে স্থায়ী ছিল যার অর্থ দাঁড়ায় ওই বেতার তরঙ্গ (সংকেতটি)টি যন্ত্রের ক্ষমতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ দূরবর্তী সীমানা থেকে এসেছে! সংকেতটি ছিল অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং এটি প্রেরন করা হয়েছিল ‘ন্যাবা নক্ষত্র পুঞ্জ’ থেকে।ন্যাবা নক্ষত্র পুঞ্জ হচ্ছে পৃথিবী থেকে ১২০ আলোক বর্ষ দূরবর্তী একটি নক্ষত্র। বলাই বাহুল্য যে সেখানে কোন মানুষ বা কোনো নোভো যান ইতিপূর্বে কখনোই যায়নি।

    যোয় উরু সিগ্নল ডিকোড করেও সেই সংকেতের অর্থ কি বা তাৎপর্য কি সেটা বের করা যায়নি। ব্যার্থ হয়েছে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের দ্বিতীয় বারএর সংকেতকে গ্রহণের প্রচেষ্টাও। যদিও তারা তাদের রিসিভার একেই লোকেশন সেট করেছিল। ওই সংকেত এর পর আর কখনোই এই সংকেত শোনা যায়নি। যার কারণে ‘ঠে যোয় উরু ইগ্নল’ আজও একটি অমীমাংসিত রহস্য হিসেবেই রয়ে গেছে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে ।'
  • pi | 167.40.129.9 | ২২ মে ২০১৮ ০৬:৪৩651950
  • '১৯৮৬ সালে একদল ডাইভার বিচিত্র ধরণের স্থাপত্য দেখে রিউকো দ্বীপে, তাও আবার পানির নিচে। স্থাপত্য গুলো ইয়োনাগুনি দ্বীপের কাছে। পাথরের সেই স্থাপত্যে হাতে আঁকা অনুকূল ঠাকুরের ছবি। কোথা থেকে এই স্থাপত্য আসলো, কারা এটা বানিয়েছে, কত আগে নির্মিত, এর কোনো কিছুরই হদিস মেলেনি।
    ১৮৭২ সালে মেরিডিথ শহরের উইনিপেসুকি লেকে (নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র) এই পাথরটি পাওয়া পাওয়া যায়। এখানে একটা কোয়ার্টজ শিলায় জয় গুরু খোদাই করা। যদিও, নিউ হ্যাম্পশায়ারে কখনোই কোয়ার্টজ শিলার অস্তিত্ব মেলেনি। আর এই শিলা খন্ড কবেকার, এর কাজই বা কি – সবই অজানা।
    #জয়গুরু'

    রোদ্দুর।
  • pi | 167.40.129.9 | ২২ মে ২০১৮ ০৬:৪৬651951
  • 'দ্য জয়গুরু সিগন্যাল

    এক গ্রীষ্মের রাতে ১৯৭৭ সালে জেরি এহম্যান প্রতিদিনে মতই বসে ছিলেন ওহাইয়ো ইউনিভার্সিটির একটি মহাকাশ বিজ্ঞান গবেষনাগারে। তাঁর কাজ ছিল বেতার তরঙ্গ গ্রাহক যন্ত্রের সামনে বসে ‘Deep Space’ বা অতি দূরবর্তী মহাকাশ থেকে আসা কোনো অজানা প্রান্ত থেকে রেডিও সিগন্যাল বা বেতার তরঙ্গ বিন্যাস করা। অবশ্য এ পর্যন্ত কোন সংকেত তার মনিটর এ প্রদর্শিত হয়নি, কোন সংকেত আসোনি । তিনি এ SETI প্রজেক্টের একজন স্বেচ্ছাসেবক। ওহাইয়ো ইউনিভার্সিটির এই SETI (Search for Extraterrestrial Intelligence) প্রজেক্টের কাজ হচ্ছে এক্সট্রা টেরেসট্রিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা মহাজাগতিক বুদ্ধিমান প্রানীর অস্তিত্ব অনুসন্ধান করা। এজন্য SETI অতি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে বহুদূরে মহাকাশে বেতার সংকেত পাঠানো হয় এই আশায় যে মহাজাগতিক কোন বুদ্ধিমান প্রানী এই সংকেত ধরতে পারলে তারাও পালটা সংকেত পাঠাবে। জেরির দায়িত্ব ছিল প্রতিরাতে এই সংকেতের জন্য অপেক্ষা করা। দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রজেক্ট কাজ চললেও রিসিভারে টু শব্দটিও করতে শোনা যায়নি। সেরাতেও স্বাভাবিক ভাবেই চলছিল সবকিছু। কিন্তু আকস্মিকভাবে বেতার যন্ত্রটি রাতের নীরবতাকে ভেঙে দিল উচ্চ এবং তীক্ষ্ণ শব্দে। জেরি অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে রেডিও রিসিভারের দিকে তাকাল। খরখর করে কেঁপে উঠলো জেরি।নীরবতা ভঙ্গ করে বেতার যন্ত্রটি তরঙ্গ রিসিভ করা শুরু করেছে। অত্যন্ত তীক্ষ্ণ সংকেত আসছে একটানা! হতভম্ব হয়ে রিসিভারের দিকে তাকিয়ে রইল জেরি।
    যদিও সে অজানা কোন সংকেতের জন্যই প্রহর গুনতো রাতের পর রাত, তারপরও জেরি বিশ্বাস হচ্ছিল না যে সত্যিই কি সংকেত আসছে নাকি জেরি মতিভ্রম হয়েছে, এরপর জেরি নিজেকে ঠিক করে নিলো এবং নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করলো সত্যিই কি এ সংকেত দূর মহাকাশ থেকে আসছে? পরবর্তী ৭২ সেকেন্ড ধরে একটানা সংকেত আসল। তারপর হঠাৎ করে থেমেগেল রিসিভার। যেভাবে হঠাৎ করে আসা শুরু হয়েছিল সিগন্যালটি সেভাবেই বন্ধ হয়ে গেল। জেরির হতভম্ব ভাব তখনও কাটেনি। রিসিভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটার প্রিন্টারের প্রিন্ট হওয়ার শব্দে তার জ্ঞান ফিরল। কাঁপাকাঁপা হাতে তিনি প্রিন্টআউটটি হাতে নিলেন। সিগন্যাল গ্রাফটির প্রিন্ট আউট হাতে নেওয়ার পরও তার বিশ্বাস হচ্ছিলনা, তিনিই প্রথম ব্যাক্তি যিনি সম্ভবত অন্য কোন নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে আসা কোন সংকেত রিসিভ করেছেন। সিগন্যাল গ্রাফটএ চোখ বুলিয়ে আরেক বার কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলেন। এলোমেলো, দূর্বোধ্য মোর্স কোড গুলোর কিছুই বুঝতে পারছেন না তিনি! অভিভূত অবস্থায়ই প্রিন্ট আউটের এক কোনায় একটা মাত্র শব্দ লিখলেন, ‘জয় গুরু’। এরপর থেকেই এই সিগন্যালটি সবার কাছে পরিচিত হলো ‘দ্যা জয় গুরু সিগন্যাল’ নামে।

    এই সংবাদ প্রচার হওয়ার সাথে সাথে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মাঝে শুরু হয় গেল আলোচনার ঝড়। শুরুহল ‘জয় গুরু’ সংকেত নিয়ে গবেষনা। বেতার তরঙ্গটি ৭২ সেকেন্ড ধরে স্থায়ী ছিল যার অর্থ দাঁড়ায় ওই বেতার তরঙ্গ (সংকেতটি)টি যন্ত্রের ক্ষমতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ দূরবর্তী সীমানা থেকে এসেছে! সংকেতটি ছিল অত্যন্ত তীক্ষ্ণ এবং এটি প্রেরন করা হয়েছিল ‘ন্যাবা নক্ষত্র পুঞ্জ’ থেকে।ন্যাবা নক্ষত্র পুঞ্জ হচ্ছে পৃথিবী থেকে ১২০ আলোক বর্ষ দূরবর্তী একটি নক্ষত্র। বলাই বাহুল্য যে সেখানে কোন মানুষ বা কোনো নোভো যান ইতিপূর্বে কখনোই যায়নি।

    Joy Guru signal ডিকোড করেও সেই সংকেতের অর্থ কি বা তাৎপর্য কি সেটা বের করা যায়নি। ব্যার্থ হয়েছে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের দ্বিতীয় বারএর সংকেতকে গ্রহণের প্রচেষ্টাও। যদিও তারা তাদের রিসিভার একেই লোকেশন সেট করেছিল। ওই সংকেত এর পর আর কখনোই এই সংকেত শোনা যায়নি। যার কারণে ‘The Joy Guru Signal’ আজও একটি অমীমাংসিত রহস্য হিসেবেই রয়ে গেছে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে ।'

    রোদ্দুর
  • pi | 167.40.129.9 | ২২ মে ২০১৮ ০৬:৪৮651952
  • আজি এ পুণ্যি প্রাতে আমাদের মহান গুরুর একটি অমূল্য বাণী তথা তার বৈজ্ঞানিক মননের নিদর্শন তুলে ধরব। শ্রী শ্রী ঠাকুর কি সুন্দর ব্যাখ্যা করেছেন পুনর্জন্ম তত্ত্ব। আধুনিক বিজ্ঞানের চটকদার থিওরি ও মিথ্যা প্রচারের মুখে ছাই দিয়ে এগিয়ে চলেছে আমাদের সৎসঙ্গ এর চিন্তা। জ্যয় গুরু
    বন্দে পুরুষোত্তম।
    গুরুভ্রাতা ও গুরুভগ্নীগণ। পড়ুন। আমি সবটা বুঝিনি। আমাকেও সাহায্য করুন।

    পুণর্জন্ম কিভাবে হয়।।
    আঃ প্রঃ ২১।১০৭ থেকে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের বাণী।

    “সম্বেগ জীবের বা মানুষের মধ্যে gene-এর (জনির) ভিতর-দিয়ে যে pitch-এ
    (স্তরে) ওঠে, মরে যাওয়ার সময় psycho-plasm-এ (মানস দেহে) engraved (মুদ্রিত)
    হ’য়ে থাকে সেই pitch-এ wave-এর (তরঙ্গের) আকারে । মিলনেচ্ছু sperm-এর
    (শুক্রকীটের) ভিতর সেই জাতীয় সম্বেগ সৃষ্টি হ’লে tunining (সঙ্গতি) হয় এবং মৃত
    ব্যক্তি পুনরায় শরীর গ্রহণ করার সুযোগ পায় । জন্ম ও মৃত্যুর এটাই revolving process
    (ঘূর্ণায়মান পদ্ধতি) ।”

    -পিনাক বিশ্বাস
  • pi | 167.40.129.9 | ২২ মে ২০১৮ ০৬:৫৩651953
  • "বড়ই কঠিন সময়। কাল পর্যন্ত ছিলুম নিষিদ্ধ মাংসভক্ষনকারিনী, বিজাতীয় মোটরবাইক বাহিনী, ম্লেচ্ছ পোষাক পরিহিতা, কর্মরতা দিশাহীন নারী (অনেক কটা ই ঈ আছে, spelling mistake মার্জনা করিবেন)। আজ সকাল থেকে গুরুর স্মরণে এসে যেন সঠিক দিশা খুঁজে পাচ্ছি। জয় গুরু। আমি অবোধ ও স্বল্পশিক্ষিতা (ম্লেচ্ছ english mediumএর দোষ)। আমায় যদি কোন ভ্রাতা বা ভগিনী নিম্নোক্ত উক্তির অর্থের প্রাঞ্জল ব্যখ্যা করেন তবে বাধিত হই। জয় গুরু। জয় গুরু। জয় গুরু।'

    উক্তি এখানে

    https://m.facebook.com/groups/2052069528402518?view=permalink&id=2060864120856392
  • pi | 167.40.129.9 | ২২ মে ২০১৮ ০৬:৫৭651954
  • শিষ্যা : মেয়ে মানুষ 'বোকা জাত', তাদেরই কি যত দোষ?

    ঠাকুর : তোর যদি কখনও মনেও হয় যে, স্বামী তোর সঙ্গে অকারণ দূর্ব্যবহার করছে, তাও বলবি, আমি যে কথাটা বলতে চেয়েছিলাম,সেটি ভাল করে বুঝিয়ে বলতে না পারায় তোমার অশান্তির কারণ হয়েছি । ত্রুটি আমারই । এইরকম যদি করতে পারিস তাহলে দেখবি, স্বামীর সব রাগ গলে জল হয়ে যাবে। একটা জায়গায় কেবল স্বামীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারিস, অর্থাৎ যদি দেখিস, স্বামী তাঁর মা-বাবা বা গুরুজনের সঙ্গে অসমীচিন ব্যবহার করছে, সেখানে কখনও কিন্তু স্বামীর পক্ষ সমর্থন করতে যাবি না, শ্বশুর-শাশুড়ীর পক্ষ হয়ে সেখানে ন্যায্য প্রতিবাদ করবি। স্বামীর মঙ্গলের জন্যই এটা করা দরকার।

    [তথ্যসূত্র: আলোচনা প্রসঙ্গে, ৬ই কার্তিক, শুক্রবার, ১৩৪৯ (ইং ২৩/১০/১৯৪২)]
    *** এরকম নারী আজ কোথায়? জয়গুরু।
  • amit | 213.0.3.2 | ২২ মে ২০১৮ ০৯:১৫651955
  • ওফফ, জাস্ট অসাধারণ। জয় গুরু। এরকম সাইন্স ফিক্শন আগাছা গুরুর কৃপা ছাড়া কোনোমতে সম্ভব নয়।

    ( এর পরে একটা নাকি সুরে "সকলি তোমার ইচ্ছা" কীর্তন আসবে )
  • T | 121.65.63.42 | ২২ মে ২০১৮ ০৯:৩০651957
  • হে হে, নারীর কর্ত্তব্য বলে একটা খনি বই আচে। তাতে আরো মণিমুক্তো আচে।
  • avi | 57.11.214.242 | ২২ মে ২০১৮ ১৯:২৭651958
  • সব মিলিয়ে চরম ডিপ্রেসিং সময়ে এই গুরুদের টইগুলোই কিন্তু মনের আনন্দ, প্রাণের আরাম এবং আত্মার শান্তি জোগায়। জয়গুরু।
  • অভি | 7845.11.56.70 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৮:৪৬651959
  • ★ লালবাহাদুর শাস্ত্রীজির মহাপ্রয়ান ও
    শ্রীশ্রীঠাকুরেরর শোক ★

    ১১ই জানুয়ারী, ১৯৬৬ । সকালবেলা শ্রীশ্রীঠাকুর
    পার্লারে উপবিষ্ট। গতকাল রাতে ১ টা ২৫মিনিটে
    ভারতের প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রীজি রাশিয়ার তাসখণ্ডে পরলোকগমন করেন।

    ঠাকুর শাস্ত্রীজির মৃত্যুসংবাদ শুনেই কাতর হয়ে পড়লেন। অদ্ভুত বিষণ্ণতা পার্লারকে গ্রাস করে বসল। বিশেষ করে রেডিওতে যখন তাঁর মৃত্যুর কথা বলা হচ্ছিল এবং পৃথিবীর নেতৃবৃন্দ যখন তাঁর অমর জীবনের প্রশংসা করে শোকবিহ্বল অন্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করছিলেন তা শুনে শ্রীশ্রীঠাকুর নীরব হয়ে থাকলেন। খানিকবাদে তিনি শিশুর মত কাঁদতে লাগলেন। সারাদিনই ঠাকুরের এভাবে কেটেছিল। ঠাকুরের এই অবস্থা দেখে আমরা রেডিওটা মাঝে - মধ্য ইচ্ছে করেই বন্ধ করে দিচ্ছিলাম।

    (পরের দিন সন্ধ্যাবেলায় সৎসঙ্গ গেষ্টহাউস মন্দিরে [মনোমোহিনীধাম] শাস্ত্রীজির অমর আত্মার সদ্ গতি কামনায় একটি শোকসভাও হয়)।

    ঠাকুর ১৩/১/৬৬ তাং সকালবেলা পার্লারে অনেকক্ষণ নীরবে বসে থাকেন। খানিকবাদে একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে বললেন- শাস্ত্রীজি
    ছিলেন family (পরিবার) -এর লোক।

    পরবর্তী সময়ে শ্রীশ্রীঠাকুর শাস্ত্রীজির কথা বলতে গিয়ে বলেছেন- শাস্ত্রীজির কথা আমার বারবার মনে পড়ে। তিনি ক্ষত্রিয়, আদর্শপ্রাণ । Strong but sweet( কড়া অথচ মিঠা) nature - এর মানুষ ছিলেন। নিরামিষ খেতেন। ভারতীয় কৃষ্টির প্রতি তাঁর অগাধ অনুরাগ। ভারতীয় পোশাকই সবসময় পরতেন। তিনি সাহসী। মাথাও ঠান্ডা ছিল। ...... শাস্ত্রীজির কথা কইতে গেলে অলংকার দিয়ে কইলেও তা ফুরায় না। দেশ অতখানি শাস্ত্রীজির কাছে আশা করেনি যতখানি তিনি দেশের জন্য করে গেছেন। ..... শাস্ত্রীজি ইজরাইলে নাসেরের ওখানে গেলেন। তাঁর জাতিধর্মবোধ এমন ছিল যে ওখানে গিয়ে তিনি নিজে রেঁধে খেতেন। তুলনা নাই। আমি কই লালবাহাদুরের পন্থী হই। তাই ভাল। শাস্ত্রীজি তো ভারতের হর্তাকর্তা। তাঁরও নাকি দেনা আছে শুনি। এটা ভাবতেও ভাল লাগে। কত বড় সৎ মানুষ!

    লালবাহাদুর শাস্ত্রী যখন (১৯৫৭) দেওঘর সৎসঙ্গ আশ্রমে ঠাকুরের সাথে দেখা করতে এসেছিলেন তখন ঠাকুর তাঁকে পার্লারে পবিত্র দন্ড প্রদান করেন। সেই লাঠিতে সোনা - বাঁধানো একটা ব্যান্ডও ছিল, মনে পড়ে।

    শাস্ত্রীজিকে ঠাকুর তখন বলেছিলেন - এটা কাউকে দেবেন না, হারাবেন না, সদ্ ব্যবহার করবেন। শাস্ত্রীজি সেই দন্ড (লাঠি) মাথায় ছুঁইয়ে
    ঠাকুরকে প্রণাম করেছিলেন। শাস্ত্রীজি যখন ১৯৬৬ সালে রাশিয়ার তাসখণ্ডে, তখন ঠাকুর বারবার খোঁজ করছিলেন যে সেই লাঠিটা শাস্ত্রীজি নিয়েছেন কিনা ? এও জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তাঁর স্ত্রী ললিতাদেবী শাস্ত্রীজির সাথে গেছেন কিনা ? বলা বাহুল্য যে শাস্ত্রীজি সে যাত্রায় ঠাকুরের প্রদত্ত দন্ডকে সঙ্গে নেন নি এবং লতিতাদেবীও তাঁর সঙ্গী ছিলেন না।

    (উল্লেখ্যঃ ঠাকুরের একান্ত অনুরোধে লালবাহাদুর শাস্ত্রী স্থানীয় 'জশিডি' স্টেশনের প্ল্যাফর্মটিকে দৈর্ঘে অনেকখানি বাড়ানোর
    ব্যবস্থাকরেছিলেন। তখন লালবাহাদুর শাস্ত্রী
    ছিলেন ভারতের রেলমন্ত্রী।)
  • অভি | 7845.11.56.70 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:০৮651960
  • সকলের সঙ্গে এক হয়ে গিয়েছে মিশে। সকলের জীবসত্তা নিয়েই যেন নিজের সত্তা। চোখের সামনে সপাং করে চাবুক মেরেছে সহিস তার গাড়ির ঘোড়ার পিঠে। যন্ত্রণায় আঁতকে উঠেছে অনুকূলচন্দ্র। উঃ! চাবুকটা যেন পড়েছে নিজের পিঠেই। কি হল? কি হল? সবাই ব্যস্ত হয়ে ছুটে এসেছে কাছে। হাত বেঁকিয়ে দিয়ে পিঠের উপর তখন হাত বুলোচ্ছে অনুকূলচন্দ্র। দেখি কি হল? গায়ের জামাটা খুলে ফেললে তারা টেনে। দেখলে, দড়ির মতো একটা লম্বা মোটা কালশিরে। মাঝে মাঝে কেটে গিয়ে রক্ত পড়ছে। সবাই অবাক।

    গরুর গলায় দড়ির ফাঁস লেগেছে। দড়িটা কেটে দিতে গেল একজন। তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছে অনুকূলচন্দ্র। উঃ একটু কেটে গেল বুঝি রে! সঙ্গে সঙ্গে রক্ত বেরিয়ে পড়ল নিজের ঘাড়ের চামড়া থেকে।
    লোকটা দেখল, দড়ি কাটতে গিয়ে গরুর চামড়া একটু কেটে ফেলেছে।
    বিশ্বব্রহ্মান্ড আর কিছুই নয়, নিজের স্নায়ুতন্ত্রের একটা অংশ।

    দাঁতনের জন্য ডাল ভাংগতে পারে না অনুকূলচন্দ্র। গাছের পাতা ছিঁড়তে পারে না। ফুল তুলতে পারে না, কাছে গিয়ে গন্ধ শুঁকে আসে। কাউকে একটা ডাল ভাংগতে দেখলে মনে হয়, একটা হাড় ভেঙে গেল নিজের দেহের।

    বাড়ির কাছে বিলে খেপলা জালে মাছ মারছে জেলেরা। দৌড় দিয়ে ছুটে গেল অনুকূলচন্দ্র। জেলেদের কাছে গিয়ে বললে, দাদারা, কি করছ?
    জেলেরা বললে, মাছ মারছি জাল দিয়ে।
    কি করবে মাছ মেরে?
    মাছ মেরে আবার কি করব? লোকের কাছে বিক্রি করে সেই পয়সা দিয়ে চাল ডাল কিনব। ওই তো আমাদের ব্যবসা।
    স্তম্ভিত হল বালক। প্রাণটা শিউরে উঠল। যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল প্রাণটা। এই নিত্য হত্যা তোমাদের ব্যবসা!
    জিজ্ঞেস করলে, কত পয়সা পাবে এই মাছ বেচে?
    কত আর হবে, বললে জেলেরা, গোটা দুই টাকা হতে পারে।
    দৌড়ে চলে গেল মার কাছে। মা, দুটো টাকা দে তো মা! নইলে এখনই মরে যাব।
    মা চেনেন ছেলেকে। কিছু একটা হয়েছে নিশ্চয়। দুটো টাকা বের করে দিলেন মা।
    টাকা দুটো পেয়েই দে ছুট। জেলেদের কাছে গিয়ে বললে, এই নাও দুটো টাকা। মাছগুলো ছেড়ে দাও, দাদারা, লক্ষ্মীরা আমার!
    অবাক হয়ে মাছগুলো ছেড়ে দিল জেলেরা।
    কিন্তু কদিন ঠেকাবে এমন করে জেলেদের? ঝিলের ধারে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে অনুকূলচন্দ্র। পরমপিতা, ঝিলটা যদি একেবারে শুকিয়ে যেত!
    খরানির দিন এল। ঝিলের জল শুকোতে লাগল। শুকোতে শুকোতে সব গেল। তলার মাটি পর্যন্ত ফাটল। সে শুকনো ঝিলে আর জল দেখল না কেউ কোনদিন।

    (যেমন তাঁকে দেখি)
  • অভি | 7845.11.891212.30 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:১৩651961
  • ©শত শত লাইকের প্রয়োজন নেই, আপনাদের সবার নিকট অনুরোধ কৃপা করে পুরোটা পোষ্ট পড়বেন এবং ভাল লাগলে শেয়ার করবেন।

    " বন্ধু, কাল তো ক্যাম্পাস বন্ধ! চল মন্দিরে যাই? নারে, বন্ধু কালকে আমার বিশেষ কাজ আছে। পরেরদিন বন্ধুর ফেইসবুক টাইমলানে সেলফি পোষ্ট দেখে বুঝতে পারলাম বন্ধুটি কি কাজে কোথায় (ধানমন্ডি লেক) গিয়েছিল? "
    .
    আজকের পোষ্টটি শুধুমাত্র স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া সনাতনী ছেলে-মেয়েদের জন্য। কেনো তারা ধর্মান্তরিত হচ্ছে ?
    .
    প্রথমত, বলবো যে ধর্মান্তর নামক এই বিষ ছড়ানোর জন্য একমাত্র দায়ী সেইসব বাবা মা যারা সন্তানদের উচ্চশিক্ষার নামে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেয়। খবর রাখেন ছেলে/মেয়েটি কি কি করছে?
    কোথায় কোথায় যাচ্ছে?
    কার কার সাথে মিশতেছে?
    কোন কিছুর খবরই রাখেন না ।
    .
    - বিশ্ব্যবিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর একজন সনাতনী মেয়ে সম্পূর্ণ নতুন পরিবেশের সাথে পরিচিত হয়। চারপাশে সব নতুন নতুন মুখ। ক্লাস শুরু হওয়ার কয়েকদিন পরই কয়েকজন বন্ধু পেয়ে যায়। তারপর সেই বন্ধুর কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা যেমন: এটেনডেন্স প্রক্সি দিয়ে দেওয়া, লেকচার কালেক্ট করে দেয়া, এসাইনমেন্ট করে দেয়া আর কত কি? তারপর আস্তে আস্তে আরো গভীর হওয়া, ফেইসবুকে চ্যাটিং দিয়ে শুরু তারপর কন্টাক্ট নাম্বার → তারপর ক্লাস শেষে টঙ চায়ের দোকানে চা খাওয়া → তারপর ভার্সিটির বিভিন্ন ফেস্টিভালে একসাথে পার্টিসিপেট করা → পার্কে ঘুরতে যাওয়া → হঠাৎ করেই একদিন অন্য ধর্মের ছেলে বন্ধুটির কাছ থেকে প্রপোস - ইশিতা (ছদ্মনাম) আমি তোমাকে খুব ভালবাসি। তোমাকে না পেলে বাঁচবো না। মেয়েটি ও সব ভুলে গিয়ে একসেপ্ট করে ফেলে। কিছু দিন পর শারীরিক সম্পর্ক তারপর লাত্থি মেরে দূরে ফেলে রাখে ।
    .
    - আমি আবারো বলবো সনাতন ধর্ম ধ্বংস হওয়ার পথে একমাত্র সেইসব বাবা-মা দ্বায়ী, যারা সন্তানকে সামান্য ধর্মীয় শিক্ষা টুকু দিতে পারে নি। স্কুল, কলেজ থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বেশিরভাগ সনাতনী ছাত্রকে যদি জিঙ্গেস করা হয় ভগবান কে? এর প্রতিউত্তর দিতে গিয়ে দাঁত খিটমিট শুরু করে দেয়।
    কিভাবে দিবে সে উত্তর?
    কারন তার বাবা, মা তাকে এই শিক্ষা দান করেনি। সবাই সবার সন্তানকে শিল্পী বানাতে চায়, নৃত্যকলা শিখাতে চায়। সন্তান বড় হয়ে গায়ক হবে, নৃত্যশিল্পী হবে আর কত কি?
    .
    - যদি শুনে যে ছেলেটি মন্দিরে যাচ্ছে মাঝে মাঝে , তখন সেই পিতামাতা গুলোর কমেন্ট এইরকম " বাবা এতো তাড়াতাড়ি সাধু হওয়ার দরকার নেই, অনেক সময় পড়ে আছে সামনে, এইগুলো করার সময় অনেক পাবি।
    এর জন্য ও অনেক ছেলেমেয়ে মন্দিরে যায় না বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান এ তেমন যায় না। ফলে এদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    যুগ-পুরুষোত্তম পরমপ্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ১২বছর বয়স হলেই সৎদীক্ষা নেয়ার কথা বলেছেন।
    এ বিষয়ে তাঁর মহামূল্যবান বাণীতে বললেনঃ
    সৎদীক্ষা তুই এক্ষুণি নে
    ইষ্টতে রাখ সম্প্রীতি,
    মরণ-তাড়ন এ নাম জ্বপে
    কাটেই অকাল যমভীতি।।
    ~ শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।।
    তাই, আসুন আমরা সবাই যে যার সন্তানদের যথাসময়ে সৎদীক্ষা প্রদান করে ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলি।
  • T | 561212.112.4578.134 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:২৭651962
  • উফ্ফ্ফ, সলিড গুরু সলিড।
  • b | 4512.139.6790012.8 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১০:৫২651963
  • জল ক্রমে শুকাইয়া গেলে মাছগুলি যখন খাবি খাইতেছিলো তখন ঠাকুর কি করিতেছিলেন?
  • amit | 340123.0.34.2 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:০০651964
  • আর সেই লালবাহাদুর শাস্ত্রীর সোনায় বাঁধানো বংশ দণ্ড টার ভবিষ্যৎ কি হলো ? ওটা কি ঠাকুর নিজের পশ্চাতে আবার গুঁজে দিলেন ?
  • sei | 456712.100.235612.63 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:১২651965
  • অনাদি অনন্ত কাল ধরে সেই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে উত্তরের আশায় : এদের দেয় কে? কে?? কে???
  • শিবাংশু | 5645.249.2378.60 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১৪:৪৫651966
  • অভি এই টইটা তুলতেই পেট্রোলের দাম আড়াই টাকা কমে গেল। জ্জয় গুরু...
  • সিকি | 894512.168.0145.123 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১৫:১৪651968
  • জ্যায় গুড়ুডেভ ... কোতায় ছিলে গুরু, কোতায় ছিলে?
  • অভি | 7845.11.6756.8 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:২৩651969
  • প্রশ্ন-- ঠাকুর! মনটা বড় অস্থির, কিছুই ভাল লাগে না, কিছুতেই শান্তি পাই না, কোন কাজকর্ম্ম ভালভাবে করতে পারি না। কত ওষুধপত্র খেলাম, কিছুতেই কিছু হয় না। অকারণ মন খারাপ হ'য়ে থাকে ও দারুণ কষ্ট পাই।

    শ্রীশ্রীঠাকুর হেসে উড়িয়ে দিয়ে বললেন-- ও কিছু না। তোমার কোন অসুখই নেই, তুমি তো ভালো মানুষ। রোখ ক'রে হাসবে, খেলবে, বেড়াবে, গল্প করবে, স্ফূর্তি করবে, অপরকে আনন্দ দিতে চেষ্টা করবে। নাম-টাম করলেই মন চাঙ্গা হ'য়ে উঠবে। অমন ওষুধ আর হয় না। অসুখের চিন্তা করলে হবে না, অস্থিরতার কথা চিন্তা করলে হবে না, যা' থাকে থাক। তোমার ওদিকে মন দেবার অবসর কোথায়? তুমি তো তোমার ইষ্টের। সব সত্ত্বেও তোমার বিশ্বে তাঁকে প্রতিষ্ঠা করার ধান্ধা নিয়ে ছুটতে হবে তোমাকে। তাই-ই তোমার মুখ‍্য করণীয়। সবকিছু উপেক্ষা ক'রে, যেন-তেন-প্রকারেণ সেই কাজে ব‍্যাপৃত থাকতে হবে তোমাকে। কোন অজুহাতে তা' থেকে বিরত থাকার অধিকার তোমার নেই। মন তো অস্থির হয়ই, ওকে যতই স্বীকার করব, প্রশ্রয় দেব, ওতে যতই গা ঢেলে দেব, ততই ঐ ভাব আমাকে পেয়ে বসে রুগ্ন ক'রে তুলবে। রোগকে তো আমরা ভালবাসি না, আমরা ভালোবাসি রোগীকে অর্থাৎ সত্তাকে। রোগীকে শান্তি দিতে গেলেই রোগের কাছে আত্মসমর্পণ করবার বদভ্যাসটা ছাড়তে হবে। তার সোজা পথ হ'লো সুখ, শান্তি, আনন্দ, স্বস্তি ও সুস্থির নিত‍্য উৎস যিনি সেই পরমপিতার স্মরণ, মনন, সেবায় অবিচ্ছিন্নভাবে আবেগোদ্দীপনা নিয়ে লেগে থাকা- তা' যখন যে-কায়দায় যতখানি পারা যায়। এইতো মুখে তোমার হাসি ফুটে উঠেছে, আর তোমাকে পায় কে? এই হাসি এখন ছড়িয়ে দিতে থাক সর্ব্বত্র। আনন্দের দূত তোমরা, দেদার আনন্দ বিতরণ কর। তাতেই পরমপিতা পরিতৃপ্ত হবেন, সপরিবেশ আরো-আরো সুখী হবে তোমরা। শরণাগত হ'য়ে তাঁকে ডাক ও করণীয় ক'রে যাও, কোন ভাবনা নেই।

    আঃ প্রঃ, ১৪ খণ্ড।
  • অভি | 7845.11.891212.30 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:২৭651970
  • অভয় বাণী
    ~
    একদিন কাতরভাবে শ্রীশ্রীঠাকুরকে বললাম -- চেষ্টা সত্ত্বেও কতকগুলি দোষত্রুটি এড়াতে পারছি না । এমন অবস্থায় তাহ’লে কি পরজীবনে আপনার সান্নিধ্য থেকে বিচ্যুত হ’য়ে পড়ব ? আজ এক অহেতুক করুণা উপভোগ করছি, পরজীবনে কি শ্রীচরণতলে ঠাঁই পাব না ??

    শ্রীশ্রীঠাকুর জিজ্ঞাসা করলেন -- কলকাতার গঙ্গা দেখেছিস ?
    আমি -- আজ্ঞে হ্যাঁ ;

    শ্রীশ্রীঠাকুর -- তার উপর কি থাকে ?

    আমি -- অনেক ময়লামাটি, আবর্জনা, মড়া, ফুল, বেলপাতা ভালমন্দ কত কী ;
    শ্রীশ্রীঠাকুর -- কিন্তু সাগরমুখী স্রোতটা গঙ্গার যদি ঠিক থাকে, তবে সব কিছু নিয়েই ঐ গঙ্গা সাগরে পৌঁছে যায় । তোমার যদি ইষ্টমুখী গতিটা ঠিক থাকে, তবে সব কিছু নিয়েই ইষ্টের কাছে পৌঁছে যাবে । ভাবনার কিছু নেই । ভালমন্দ নিয়েই তাঁর দিকে এগিয়ে চল । অবশ্য মন্দকে প্রশ্রয় দিও না । ইষ্টে টান বাড়াও । তাঁকে নিয়ে মেতে থাক।

    বই -- স্মৃতি-তীর্থে।
  • | 453412.159.896712.72 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১৬:৩৪651971
  • উফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ্ফ
    (অভিকে ঠ্যাঙাব)
  • অভি | 7845.11.6756.8 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ১৭:২৬651972
  • মানসিকভাবে বিক্ষিপ্ত আছেন বোঝাই যাচ্ছে, গুরুর বাণীই পারে তরিয়ে দিতে এই ক্রান্তিকালে। বন্দে পুরুষোত্তমম। জয় গুরু।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ২০:৪৭651973
  • কী ভয়ানক!!!! ঝিল শুকিয়ে গেল? ঝিলের মাছগুলো???? ব্যাঙেরা? তারা কি সব সেই সহস্রবুদ্ধি গল্পের মতন হাঁসের সাহায্যে অন্য ঝিলে চলে গেল?
  • dc | 232312.174.893423.104 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ২০:৫৬651974
  • যাক বাবা, আমার চরিত্রের দোষত্রুটির কথা বলে তো শেষ করা যাবে না, তাহলে সাগরমুখী থাকলেই হলো। কাল থেকে রোজ একবার মেরিনা বিচের বাইরেটা ঘুরে আসবো।
  • Atoz | 125612.141.5689.8 | ০৫ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০১651975
  • খুব ভোরে যাবেন, সূর্যোদয়ের কিঞ্চিৎ আগে। হাওয়ায় ওজোন পাবেন। ঃ-)
  • অভি | 7845.11.784523.79 | ১৩ অক্টোবর ২০১৮ ১৯:৪১651976
  • প্রশ্ন-- জীবনীশক্তি ও আয়ুবৃদ্ধি করতে হলে আমাদের জাতির কি-কি সহজ করণীয়?

    শ্রীশ্রীঠাকুর-- (১) ইষ্টে সহজ আপ্রাণতা, তঁচ্চিত্তপরায়ণতা ও তৎপ্রতিষ্ঠা হয়ে তৎস্বার্থপরায়ণতা।

    (২) পারিপার্শ্বিকের প্রতি সেবা, সম্বর্দ্ধনা, সাহায‍্যে ও সাহচর্য্যপরায়ণ হয়ে তাদের ইষ্টস্বার্থ ও ইষ্টপ্রতিষ্ঠায় প্রবুদ্ধ করে তোলা।

    (৩) নিয়মিত সন্ধ্যা, প্রার্থনা, ব্রহ্মমূহূর্ত্তে শয‍্যাত‍্যাগ, এবং প্রথমে একক ভ্রমণ ও তৎপর অর্দ্ধ হইতে এক ড্রাম থানকুনি পাতার রস একটু দুধ ও ইক্ষুগুড় দিয়ে বা শুধু ইক্ষুগুড় দিয়ে খেয়ে, বেশি পরিমাণে জল খাওয়ার পর সঙ্গিগণসহ ভ্রমণে আরো সুবিধা হতে পারে। এতে একটু বেশী পরিমাণে প্রস্রাব হয়ে শরীরের toxin গুলি প্রায়ই বেরিয়ে গিয়ে থাকে।

    (৪) বেশ সাদাসিদে সহজ-পুষ্টিকর সুপাচ‍্য আহার সাধারণতঃ দিনে রাত্রে দুইবার‌।

    (৫) ক্ষুধাকে কখনও জব্দ না করা regulated uncivilized রকমে সম্ভবমত কম প্রয়োজনের ভিতর-দিয়ে জীবন চালান।

    (৬) বিরুদ্ধভাব সংঘাতে temper lose না করা অন্ততঃ unprofitably temper lose না করা।

    (৭) unregulated ভাবে-যাতে নাকি শরীর ও মনের অবসাদ আসে এমনতর ভাবে -স্ত্রী সহবাস না করা-অন্ততঃ স্ত্রী-কর্ত্তৃক solicited হয়ে sexually engaged না হওয়া।

    (৮) Life with Superior Beloved , life in seclusion, life with immediate environment , with family , and life for and with the public -এই ক'টি factor সম্ভবমত বেশ করে observe করা।

    (৯) কুব‍্যাধি-সংক্রমণের বিস্তার-প্রতারোধী আচার-নিয়মকে প্রতিপালন করে শুদ্ধ ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার অভ‍্যাসকে জীবনে সহজ করে তোলা।

    (১০) শুধু ভাবপ্রবণ না হয়ে ভাব ও বোধগুলিকে করা-বলার ভিতর দিয়ে জীবনবৃদ্ধির অনুগ করে বাস্তবে পরিণত করা।

    (১১) শরীর ও সময়ের উপযুক্ততা হিসাবে মাঝে-মাঝে নামমাত্র আহার বা বিধিপূর্ব্বক উপবাস করা।

    (নানা প্রঃ-২)
  • dc | 232312.164.340123.189 | ১৩ অক্টোবর ২০১৮ ২০:২৬651977
  • গুরু, তাই বলে এক ড্রাম থানকুনির রস গেলাবে গুরু?
  • | 2345.107.1289.252 | ১৩ অক্টোবর ২০১৮ ২১:০৭651979
  • অ্যাঅ্যাঅ্যাক্কক্ক ড্রাম্মম্ম! :-O
    আর ইউ শ্যুওর ওটা ড্রামই, বদনা নয় তো??
  • 2 | 785612.119.560112.72 | ১৩ অক্টোবর ২০১৮ ২১:১৩651980
  • হোমিওপ্যাথির একটা কি ড্রাম মাপ আছে, ছোট কৌটো মত।
  • T | 340112.211.0123.201 | ১৩ অক্টোবর ২০১৮ ২১:২০651981
  • ওবেলিক্সের মতন কেস মনে হয়। ছোটোবেলায় একড্রাম থানকুনির রসে পড়ে গেসল, সেই থেকেই অমন।
  • b | 4512.139.6790012.6 | ১৩ অক্টোবর ২০১৮ ২১:৩২651982
  • রেগুলটেড আনসিভিলাইজড মানে কি? কোয়ার্টার সাইজের গামছা পরে ঘুরে বেড়ানো?
  • অভি | 7845.11.784523.79 | ১৪ অক্টোবর ২০১৮ ০৯:৩২651983
  • ★বিনা পুঁজিতে ব্যবসা করে প্রতিষ্ঠা★

    ১৯৪০সাল হবে। গিরেনদা নামের এক বেকার যুবক কাজের জন্য প্রার্থনা জানালে ঠাকুর বলেন, মানুষের সেবা কর, তা'তে পুঁজি লাগে না।
    গিরেনদা ঠিক বুঝতে না পেরে জিজ্ঞেস করেন, সেটা কি রকম?
    ঠাকুর বলেন, তুমি মাঠ থেকে,পুকুর থেকে কচুর শাক, হিঞ্চে শাক, কলমী শাক তুলে নিয়ে আশ্রমের বাড়িতে পয়সা না নিয়ে দিতে থাক, তারাই তোমাকে পথ দেখাবে।ঐ ভাবে চল।
    ঠাকুরের আদেশ মত গিরেনদা প্রকৃতির অকৃপণ দানের শাক,পাতা- লতা আশ্রমের বাড়ীতে বাড়ীতে সরবরাহ করতে থাকেন।
    ক্রমশঃ আশ্রমিকদের অনুরোধে আড়ৎদারদের সাথে যোগাযোগ করে কৃষিজাত সব্জী,আলু, পটল,বেগুন,মুলো,কুমড়ো,প্রভৃতি ন্যায্য মূল্যে সরবরাহ করে আশ্রমিকদের দৈনন্দিন সব্জীর চাহিদা মেটাতে শুরু করেন।
    আড়ত থেকে সকালে সব্জী নিয়ে বাড়ি বাড়ি বিক্রি করে সন্ধ্যায় গিয়ে আড়ৎদারদের পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে নিজের প্রাপ্য লাভটুকু নিয়ে ঠাকুরের চরণ নিবেদন করতেন।
    ঠাকুরের নির্দেশ মেনে লাভের এক পঞ্চমাংশ জমিয়ে জমিয়ে মূলধন করেন। ক্রমে গিরেনদা নানাবিধ ব্যবসা শুরু করেন।
    ঠাকুরের আদেশ মেনে শূন্য হাতে গিরেনদা একজন নামী সৎ ব্যবসায়ী রুপে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
    শ্রীশ্রীঠাকুর বলেন, ব্যবসায় উন্নতি করতে গেলে প্রধান জিনিস হ'ল সেবাবুদ্ধি। তুমি যদি নিজের লাভের দিকে লক্ষ রেখে চল, তা,তে কিন্তু কৃতকার্য হতে পারবে না।
    তোমার সবসময় লক্ষ রাখতে হবে, যাতে মানুষের প্রয়োজন পরিপূরন করে তার ভিতর দিয়ে তুমি লাভবান হতে পার।
    আমি যে বলেছি, "মানুষ আপন টাকা পর/ যত পারিস মানুষ ধর।"
    ব্যবসায়ীদের এই জিনিসটা খুব রপ্তত করা দরকার। তোমার কাছে এসে মানুষ যদি আপনজনের মত ব্যবহার পায়,তাহলে খরিদ্দাররা আপনা থেকে তোমার দোকানে ছুটে আসবে।
    খুলনার বিনোদ সাধুখাঁ ছিল, সে শুনেছি নাকি কেরোসিন তেল বিক্রি করতো। তার দোকানে সবাই বোতল ও লন্ঠন রেখে যেত।সে তার ছেলেকে দিয়ে যে সব বোতলের দড়ি পঁচে গেছে, সেগুলিতে ভাল পাটের দড়ি লাগিয়ে দিত, আর লন্ঠনের চিমনী পরিস্কার করে পলতে ইত্যাদি ঠিক করে রাখতো।
    তাতে দিনের পর দিন খরিদ্দার রেড়ে যেত।সেবাবুদ্ধি যাদের থাকে,তারা বড় হয়ই। বিনোদ সাধুখাঁ পরে খুব নাম করা লোক হয়ে গেল।

    আঃপ্রঃ ১৯খন্ড
  • লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী | 3445.231.8956.3 | ১৯ মার্চ ২০১৯ ১৮:১৮651984
  • বিশ্ব ইতিহাসে ধর্ম স্থাপনে বহু অবতার, নবী, মহাপুরুষ ধরাধামে অবতীর্ণ হয়েছেন। কিন্তু ঊনবিংশ শতাব্দির শেষ দিকে অবিভক্ত ভারতের উত্তরবঙ্গে পাবনা জেলার পদ্মাবিধৌত অখ্যাত হিমাইতপুর গ্রামে সম্ভ্রান্ত নিষ্ঠাবান ব্রাহ্মণ পরিবারে যে শিশুটি জন্মেছিলেন, তিনি এক কথায় অনবদ্য। যিনি পরবর্তীকালে আপন প্রজ্ঞায় বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের গুরুরূপে পূজিত হয়েছিলেন, তিনি বিংশ শতাব্দীর জাতি বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রাণের দেবতা-বিজ্ঞানী শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকুল চন্দ্র।

    পিতা শিবচন্দ্র চক্রবর্ত্তী, মাতা মনমোহিনী দেবীর ঘর আলো করে ১২৯৫ সালের ৩০ ভাদ্র শুভ শুক্লা তাল নবমী তিথিতে শুক্রবার সকাল ৭:০৫ মি: তাঁর আর্বিভাব। বিশ্বের প্রতিটি জীবের দুঃখ-কষ্ট, আর্ত-পীড়িত ও সর্বহারা মানুষের পরম আশা ভরসার স্থল এই কুলমালিক। পিতা-মাতার প্রতি ছিল তাঁর অপূর্ব ভক্তি ও শ্রদ্ধা। তাঁর অজস্র বাণী, ছড়া ও গদ্য সাহিত্যের মাধ্যমে, সুদীর্ঘ ঘটনা বহুল জীবনে মানুষের সার্বিক কল্যাণ নিহিত ছিল।
    “আপনি আচরি প্রভু জীবেরে শিখান” তিনি নিজে সব আচরণ কওে, তা সবাইকে অনুসরণ করতে বলেছেন। তাঁর মানব কল্যাণমূখী সাহিত্য সত্যানুসরণ, আলোচনা প্রসঙ্গে, ইসলাম প্রসঙ্গে, নানাপ্রসঙ্গে, চলার সাথী, অনুশ্রুতি, পথের কড়ি, নারীর নীতি, স্বাস্থ্য ও সদাচার সূত্র, সম্বিতি, বিধিবিন্যাস, বিজ্ঞান বিভূতি, যতি অভিধর্ম, ইত্যাদি মহা গ্রন্থগুলি কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, বিচারক, মনস্তত্ত্ববিদ, সমাজ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ, দার্শনিক, প্রযুক্তিবিদ তথা হিন্দু, মুসলমান, শিখ, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ প্রভৃতি সম্প্রদায়ের সকল জনসাধারণকে ঐশী প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। এই সব অমূল্য সম্পদ বাণীগুলো তিনি অজস্র কর্মব্যস্ততার মধ্যে শুধু মুখে মুখে বলেছেন, এ কথা ভাবতে অবাক লাগে। যিনি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী একমাত্র তাঁর পক্ষেই সম্ভব।

    তিনি তাঁর অজস্র বাণীর মধ্যে মানুষকে বুঝিয়ে দিয়েছেন জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইষ্ট আধিপত্য বজায় রাখা। ইষ্ট স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করা সর্ব সমস্যা সমাধানে এ এক অনন্য বিধান। জাতি-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকল মানুষকে স্বার্থকতার পরমতীর্থে পৌঁছে দিতে শত বাধা বিপত্তি সত্ত্বেও হিমালয়সদৃশ সৎসঙ্গ আশ্রম সৃষ্টি করেছিলেন হিমাইতপুর গ্রামে। তাঁর সৎসঙ্গ ছিল Man Making Institution (মানুষ তৈরীর কারখানা)।

    মৃত মানুষের গায়ে হাত দিলে রোগী বেঁচে উঠেছে, তাঁর সাময়িক ডাক্তারী পেশা জীবনে এমনতর বহু ঘটনায় পাবনা জেলার অনেক মানুষ ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রকে আধ্যাত্মিক মহাপুরুষ হিসাবে জানতেন। ডাক্তারী পেশায় প্রাপ্ত অর্থ তিনি দুঃস্থ, আর্ত, পীড়িত, দরিদ্র, অসহায় মানুষকে আহার, পথ্য, অন্ন-বস্ত্র ও গৃহ নির্মাণাদির ব্যবস্থা করে দিতেন অথচ মায়ের সংসার চালানোর জন্য অনেক সময় মাকে সাহায্য করতে না পেরে অনুতপ্ত হতেন।
    উপবাস ছিল তাঁর নিত্য সহচর। জীবনে বহুদিন নিজে উপবাস থেকে ক্ষুধার্তের মুখে নিজের খাবার তুলে দিয়েছেন। এর জন্য তিনি কখনও দুঃখ পাননি বরং সবার মঙ্গলের জন্য পরম পিতার কাছে তিনি শান্তি ও স্বস্তি প্রার্থনা করতেন।

    তিনি নিজে কখনও কারোর সেবা নিতে চাইতেন না। তবে তার লোকতৃষ্ণা প্রবল ছিল। লোক ছাড়া তিনি থাকতে পারতেন না। কত চোর, গুন্ডা, বদমায়েশ তাঁর দিব্য সান্নিধ্যের সংস্পর্শে দেবত্বে রূপান্তরিত হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। আগ্রার চতুর্থ সন্তুগুরু সরকার সাহেবের নির্দেশে মাতা মনমোহিনী দেবী শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্রকে দীক্ষা দেন।

    বিশ্বের আধ্যাত্মিক ইতিহাসে এ এক বিষ্ময়কর অবস্থা তাঁর মহাভাব সমাধি। আমরা পূর্ববর্তী সকল মহামতি অবতারগণকে দেখেছি তাঁরা খুব সাধন ভজন ও তপস্যা করে- বাহ্যদশা, অর্দ্ধ বাহ্যদশা ও অন্তর্দশার মাধ্যমে লোকচক্ষে অবতারের পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু ভাবাবস্থায় তাঁদের শ্রীমুখ থেকে কোন বাণী নির্গত হয় নাই। পরম দয়াল শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূল চন্দ্র যেন এঁদের থেকে ভিন্ন। ভাবসমাধি অবস্থায় তাঁর শ্রীমুখ দিয়ে অনর্গলভাবে বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন বিষয়ে অসংখ্য বাণী তড়িৎ গতিতে নির্গত হত। তার মধ্যে শুধুমাত্র ৭১ দিনের বাংলা ও কিছু ইরেজীবাণীগুলো দিয়ে “পূণ্য পুঁথি” নামে একটি মহাগ্রন্থ তৈরী হয়েছে।

    পরাধীন ভারতবর্ষে শ্রীশ্রীঠাকুরের আবির্ভাব হওয়ায় পরাধীনতার মর্ম অনুভব করে, স্বাধীন ও আত্মনির্ভর হওয়ার পথ বাতলিয়ে কৃষ্টি, ঐতিহ্য এবং জাগরণের মাধ্যমে পুরয়মান আদর্শে দীক্ষার গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন “আদেশ ছেড়ে খুঁজলে দেশ, হবি নাকাল, পাবি ক্লেশ” তিনি আরও বলেছিলেন “ইষ্ট নাই নেতা যেই, যমের দালাল কিন্তু সেই”। পরম দয়ালের ঐশী বাণী যে কত সুদূর প্রসারী আমরা আজ তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি।

    পাগল বেকুব ছাড়া দুনিয়ার কেউ মরতে চায় না। মানুষ চায় বাঁচতে ও বাড়তে। শ্রীশ্রীঠাকুরের ভাবাদর্শের মূলকথা হল অস্তিত্ববাদ। সব বাদের সেরা বাদ ও পরিপূরক। সত্তার আদিমতম আকুতি বেঁচে থাকা ও বেড়ে ওঠা। স্বপারিপার্শ্বিক বাঁচা বাড়ার নামই হল ধর্ম। “অন্যে বাঁচায় নিজে থাকে, ধর্ম বলে জানিস তাকে”। ধর্মের সাথে সাম্প্রদায়িকতার কোন সম্পর্ক নেই। আর এই ধর্ম মূর্ত্ত হয় আদর্শে অর্থাৎ –রক্ত মাংস সঙ্কুল ইষ্টে, বাঞ্চিতে ও প্রিয় পরমে। আর তাঁর প্রতি অকাট্য টানে হয় আত্ম নিয়ন্ত্রণ। সত্তাবাদের মূল সুর হল-“মরো না, মেরো না, পারতো মৃত্যুকে অবলুপ্ত কর”।

    বর্তমানে বিশ্বের বিজ্ঞানীরা জীব বৈচিত্রের রক্ষণ ও জীব হননের বিরোধিতা করছেন। পরম দয়ালের কথা আজ হোক আর কাল, তা সবাইকে মানতে হবে, যদি আমরা বাঁচতে চাই। এমন ভাগবত দলিল অমান্য করে কার সাধ্য। ঈশ্বর এক, ধর্ম এক, প্রেরিতগণ একেরই বার্ত্তাবাহী। অবতারে অবতারে কোন বিভেদ নেই। ধর্মান্তরিতকরণ ধর্মের কোন ভাষ্য নয়। খাঁটি হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, এর মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। বর্তমানে প্রেরিতকে ধরে চললেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।
    ভারত বিভাজনের বিরোধিতা করে শ্রীশ্রীঠাকুর তদানীন্তন কালের ভারতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দকে বহু পন্থা বাতলিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর কথা মেনে নিলেও বাস্তবায়নে কেউ এগিয়ে এলেন না। ফলে যা হবার তাই হল। এর ফল স্বরূপ ভারতবর্ষ দ্বিখন্ডিত হল। এতে করে হিন্দু মুসলমানের কারো ভাল হল না। অর্থাৎ-শ্রীশ্রী ঠাকুর অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তাই তিনি যুগপুরুষোত্তম-যুগাবতার সাথে তিনি একজন শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী।

    লেখক: -ডিপ্লোমা কৃষিবিদ
    সভাপতি, শ্রীশ্রীঠাকুরের ১২৫তম জন্মোৎসব উদ্যাপন কমিটি, হবিগঞ্জ।

    মানব প্রেমিক তুমি যে দেবতা
    লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী

    মানব প্রেমিক তুমি যে দেবতা
    তুমি সর্বশক্তিমান।
    জাগ্রত ভগবান সদা জাগ্রত ভগবান।

    আপনি আচরি শিখাইলে ধর্ম
    নাম তব দেশে দেশে,
    সত্দীক্ষা দিয়ে জাগালে চেতনা
    মানুষেরে ভালবেসে।

    সত্যে শ্রীহরি ত্রেতায় রাম
    যুগে যুগে অধিষ্ঠান।
    মানব প্রেমিক তুমি যে দেবতা
    তুমি সর্বশক্তিমান।
    জাগ্রত ভগবান সদা জাগ্রত ভগবান।

    যুগে যুগে তুমি এসেছো ধরায়
    মানবে করিতে ত্রাণ,
    তব নাম লয়ে সুখী হয় জীবন
    পাপী পায় পরিত্রাণ।

    মানব প্রেমিক তুমি যে দেবতা
    তুমি সর্বশক্তিমান।
    জাগ্রত ভগবান সদা জাগ্রত ভগবান।

    সত্দীক্ষা দিয়ে সবাকারে তুমি
    দেখাইলে নতুন পথ,
    অজ্ঞান নাশি জ্ঞানের আলোকে
    চলে অগ্রগতির রথ।

    বিশ্বপ্রেমিক তুমি যে ঠাকুর
    তুমি যে আমার প্রাণ,
    অজ্ঞান অন্ধকার ঘুচায়ে প্রভু
    জ্ঞান অঞ্জন কর দান।

    মানব প্রেমিক তুমি যে দেবতা
    তুমি সর্বশক্তিমান।
    জাগ্রত ভগবান সদা জাগ্রত ভগবান।
  • জয় গুরু | 7834.165.674512.179 | ১৯ মার্চ ২০১৯ ১৮:৪৯651985
  • ইয়ে, প্রভুকে অনুসরণ করতে চাই। ওনার কটি স্ত্রী ছিলেন যেন ?
    বিবাহ দিয়েই শুরু করা যাক।
  • গুরুগুরু | 9000123.95.1256.11 | ২১ মার্চ ২০১৯ ২৩:৪০651986
  • আমিও বিদ্যাসাগরবাবুকে অনুসরণ করতে চেয়েছিলাম। বিবাহ দিয়েই শুরু করব ভাবলাম ।
    কিন্তু চোদ্দ বছরে বিয়ে না হওয়ায় ক্ষান্ত দিতে হল।
    ভেউ।
  • avi | 237812.68.674512.211 | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ২০:১৯651987
  • প্রফুল্ল--ভগবান গোড়ায় তো একায় ছিলেন,সৃষ্টি করলেন কেমন করে?

    শ্রীশ্রীঠাকুর-- তাঁর মধ্যে বৃত্তি ছিল। তিনি এবং তাঁর বৃত্তি যেন positive (ঋজী সম্বেগ) ও negative (রিচী সম্বেগ),পুরুষ ও নারী। এই দুইয়ের আকর্ষণ-বিকর্ষণ ও আবেগদীপ্ত সহযোগ ও সম্মেলনের ভিতর- দিয়ে সৃষ্টি গুণিত হ'য়ে চলল তাঁর বুকে। আকর্ষণ, বিকর্ষণ দুই আছে বলেই positive (ঋজী সম্বেগ) ও negative (রিচী সম্বেগ) দুই-ই র'য়ে যাচ্ছে,একটা আর একটাকে রাখলে আকৃষ্ট করলেও তার সত্তা ও স্বাতন্ত্র‍্যকে বিলুপ্ত ক'রে দিতে পারছে না। তাই সৃষ্টির সম্ভাব‍্যতা চিরস্রোতা হ'য়েই ব'য়ে চলেছে। positive (ঋজী সম্বেগ) যেখানে যেমনতরভাবে বিদ‍্যমান তার counter part (বিপরীত অংশ) হিসাবে র'য়ে গেছে তদনুপাতিক negative (রিচী সম্বেগ)। এই দুইয়ের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ভিতর-দিয়ে সুষ্ঠু সৃষ্টি লীলায়িত হ'য়ে ওঠে। আমাদের শাস্ত্রেও তাই মনোবৃত্তানুসারিণী স্ত্রীর কথা বলেছে,স্ত্রী যেন স্বামীর বৃত্তি অর্থাৎ ঐ পুরুষের প্রকৃত-অংশ এবং স্বামী যেন স্ত্রীর স্ব অর্থাৎ অস্তিত্ব। এমনতর সাত্ত্বিক মিলন যেখানে,সেখানেই উদ্বর্দ্ধন ও সুপ্রজনন দুই-ই সার্থক হ'য়ে ওঠে।

    আলোচনা প্রসঙ্গে-১ম খণ্ড। (৩/১২/১৯৪১)।
  • uttom | 236712.158.3467.179 | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ২১:২৪651988
  • এ সব ই উত্তম কথা। কেবোল একজায়গায় ছোট প্রশ্ন রয়ে গ্যালো। কারেই বা বলি?
    স্ত্রী-কর্ত্তৃক solicited হয়ে sexually engaged না হওয়া - তার মানে সলিসিট এর অধিকার বা দায় কেবল স্বামীর?
  • রঞ্জন | 236712.158.895612.224 | ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৩৩651990
  • আমার দুটি আন্তরিক প্রশ্নঃ
    ১ ঠাকুর সমকাম এবং আত্মরতি থেকে উদ্ধার পাওয়ার কোন উপায় বলে গেছেন কিনা?
    ২ আমার মত পাপী ও নরাধমের উদ্ধারের কোন আশা আছে কিনা?
  • :-D | 237812.68.233412.208 | ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ০০:৫৬651991
  • ১। যে-কোনও কাম থেকেই উদ্ধারের যা উত্তর, সেটিই এক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
    ২। আশা নাই।
  • avi | 162.158.166.56 | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ২৩:৩৪729699
  • মন উচাটন হলেই এই টইখানা উল্টেপাল্টে দেখি। আর গলা ছেড়ে বলে উঠি, এ কি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ, প্রাণেশ হে। জয় গুরু।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2 | 3 | 4
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত