এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সিকি | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৯:৩১190230
  • পুজোর মুখে নেমেছিলাম কলকাতা এয়ারপোর্টে, শঙ্কর নিতে এসেছিল, যাব কাবলিদার বাড়ি। হঠাৎ "কলকাতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট অথরিটি" বা ঐ টাইপের কিছু লেখা ঝাকাস টি শার্ট পরা একটা লোক দৌড়ে এসে "দাঁড়ান স্যার, আমি হেল্প করছি" বলে সুটকেশ ব্যাগ সমস্ত ট্রলি থেকে তুলে ডিকিতে ভরে দিল যত্ন করে। আমি ভাবলাম এয়ারপোর্টেরই সার্ভিস হবে হয় তো, তোলবার পরে ডিকি বন্ধ করে আমরা গাড়িতে বসেছি, সে লোক গলা বাড়িয়ে হেঁহেঁ করে হেসে বলল, স্যার, পুজোর সময়ে কিছু বকশিশ দেবেন না?

    কাজটা আমি নিজেই করছিলাম, সে যে কেন আগ বাড়িয়ে সুটকেস ধরতে গেল আমি বুঝি নি, মাথাও ঘামাই নি, বকশিশ চাইতে এইবার ব্যাপারটা পরিষ্কার হল। দশ টাকা দিলাম, অমনি আবার হেঁহেঁ করে, স্যার, দশ টাকায় কী হয়, অন্তত একশোটা টাকা তো দিন।

    মোজা জ্বলে ছারখার একেবারে। শেষে পঞ্চাশ টাকা দিয়ে ছাড়া পেয়েছিলাম। টিপিকাল কলকাতা।

    আরেকবার, অ্যারাইভালে কনভেয়ার বেল্টের কাছে এসে দেখি কোথাও একটাও ট্রলি নেই। একটা দুটো খালি ট্রলি নিয়ে দশজন লোক কাড়াকাড়ি করছে। একজন পোর্টার বসে ছিল, তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, ভাই, ট্রলি কোথায় গেল সব? সে প্রথম দুবার শুনতেই পেল না। তিনবারের বার একটু জোরে বলাতে খুব তাচ্ছিল্য করে বলল, ঐ যা আছে, আছে। ওখান থেকেই দেখে নিন।

    এত এয়ারপোর্ট দেখলাম দেশে, এমনটি কোত্থাও দেখি নি।

    সেই তুলনায় হাওড়া স্টেশন অনেক অনেক বেশি ওয়েলকামিং। স্টেশন চত্বরের মধ্যে ভিড়ের ধাক্ক ছাড়া ইনকনভেনিয়েন্স বলে কিছুটি নেই। তা, ভিড় আমার খুব ভালো লাগে। ভিড়ের মধ্যে দিয়ে লাগেজ নিয়ে এগনোতে আমি কেমন একটা ভালোলাগা পাই।

    কিন্তু স্টেশন থেকে বেরোও, থিকথিক করছে কাদা, তার মধ্যেই আখ মাড়াই কল, তার মধ্যে দিয়ে বাসের চ্যানেল। বাপ রে বাপ! কী নোংরা, কী নোংরা!
  • সিকি | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৯:২৩190229
  • দিল্লিতে যখন প্রথম পা রাখি, তখন আমার ছাব্বিশ বছর বয়েস। স্বপ্নেও ভাবি নি, এই শহরে এতদিন কাটিয়ে দেব। শিকড়, হ্যাঁ, গজিয়েছে বই কি। এই চত্বরে যতদিন থাকলাম, ছাব্বিশ বছর বয়েস পর্যন্ত আর কোনও জায়গায় একসাথে এতদিন থাকি নি, ম্যাক্সিমাম স্টে হুগলিতে, ছ বছর।

    গলিঘুঁজি হইহল্লা ভিড়ভাট্টা আমারও ব্যাপক লাগে, তেমন গলিঘুঁজি দিল্লিতেও আছে, কলকাতাতে বা চুঁচুড়াতে তো আছেই। কিন্তু কলকাতার সবচেয়ে বেশি যেটা চোখে লাগে, সেটা হচ্ছে নোংরা। গা ঘিনঘিনে টাইপের নোংরা গোটা শহরটা, আপাদমস্তক। ইনফ্রাস্ট্রাকচারের কমতি হতেই পারে, কিন্তু পরিচ্ছন্নতাবোধ জিনিসটা যেন কলকাতার মধ্যে নেই। এর তুলনীয় নোংরা জায়গা আর একটাই দেখেছি, চেন্নাই।

    ভাগীদার ইনফ্রা নিয়ে যা কইল, আমার মতে কার্যকারণ ব্যাপারটা ঠিক উল্টো। ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট বেশি আসে না বলে ইনফ্রা নেই, এভাবে না দেখে আমি মনে করি ইনফ্রা নেই তাই ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট বেশি আসে না। ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট কাউন্ট অবশ্যই কোনও শহরের লিভেবিলিটির মাপকাঠি নয়, ওটা জাস্ট উদাহরণ হিসেবে বলা, কিন্তু ইনফ্রাস্ট্রাকচার কম থাকা এক ব্যাপার, আর ভার্চুয়ালি না থাকা অন্য ব্যাপার। যত বৃষ্টি হোক, বন্যা হোক, এয়ারপোর্টের বাইরে গিয়ে ট্যাক্সি বা বাস পাওয়া যায় না, এটা বোধ হয় ভারতের আর কোনও মেট্রো শহরে হয় না, আর এমন উদাসীন পুলিশ! জাস্ট গা-ই করে না প্যাসেঞ্জারদের ইনকনভিনিয়েন্স নিয়ে। পুলিশ যতই খারাপ হোক, অন্তত এয়ারপোর্টের ট্র্যাফিক ম্যানেজমেন্ট তো ভালো করে করবে - এটা এক্সপেক্ট করা উচিত!

    কলকাতা এয়ারপোর্টে তিনবার নেমেছি। একবার শঙ্কর এসেছিল পিক আপ করতে, কাবলিদার বাড়ি গিয়ে ছিলাম, বাকি দু বারই এক এক্সপেরিয়েন্স। কলকাতা ভৌগোলিকভাবে য অঞ্চলে অবস্থিত, সেখানে বেশিমাত্রায় বৃষ্টি হবে, এটা যুগযুগান্তর ধরে নর্মাল ব্যাপার। কিন্তু প্রতিবারে বৃষ্টি হলেই প্রিপেড বুথ ঝাঁপ বন্ধ করে দেবে, পুলিশ বসে বসে খৈনি খাবে, এ কেমন মেট্রো শহরের নিদর্শন? দু-দুবার আমার একই এভিজ্ঞতা হল।

    চুঁচড়ো চন্দননগরও কলকাতার তুলনায় অনেক সাফসুতরো। গলিঘুঁজি এইসব এলাকাতেও কম নেই।
  • | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৯:০৩190228
  • গ্রেট ঃ)
  • hu | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৫৯190227
  • হ্যাঁ আসছি তো ঃ)
  • | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৫২190226
  • এই হুচি, শীতের ছুটি তে তোমরা কি ভারতবর্ষে আসবে?
  • hu | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৪৪190224
  • আমাকে এই বইটা কেউ ইকপি খুঁজে দিতে পারে?
    ছোটদের হিটলার টাইপের বই। এর ইকুইভ্যালেন্ট কিছু হলেও চলবে। তবে হাজার পাতার কঠিন বই পড়তে পারব না। সহজে হিটলার সম্পর্কে জানা যায় এমন বই চাই। একই নামের রবার্ট পাইনের একটা বই আছে। সেটা চাইছি না।

    The Life and Death of Adolf Hitler
    by James Cross Giblin
  • | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৪২190223
  • তবে কলকাতা আবার খুব প্রিয় শহর। এর হাজার সমস্যা, হাজার অভাব নিয়েও "কলকাতা আমার শহর"।
  • π | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৪০190222
  • সেই, যে শহরে যার শিকড়। আবার কোথাও না থেকেও হয়তো টান তৈরি হয়ে যায়। সেও হয়তো চেনা শহরের, প্রিয় শহরের লগে লগেই কোন অনুভূতি।
    নিউ ইয়র্ক নিয়ে আগে লিখেছিলাম মনে হয়, গেলেই চেনা গন্ধ ধক করে নাকে লাগে আর কোলকাতার লম্বু ডপলগ্যাঙ্গার কে খুঁজে পাই। আর,আর ভীষণ ভাল লেগে যায়।

    তবে ইন জেনেরাল আমার ভীড় ভাট্টা গলি ঘুঁজি ওয়ালা বাস অটো দোকান বাড়ি গিজ গিজ করা শহর মানেই ভাল লাগে হয়তো। নাঃ, তাও নয়। তাহলে কানপুর তো ভাল লাগতো। একেবারেই লাগেনি। অথচ হায়দরাবাদে চারমিনারের আশপাশ, দিল্লির চাঁদনি চক, মুম্বই এর ভিটি, কোলাবা চত্বর, এসবও কী ভালো লেগেছে। আর ভালো লেগেছিল, হাইডেলবার্গের ক্যাসেল চত্বর।
    হয়তো কোন না কোন ক্যারেকটার থাকে এইসব জায়গাগুলোর। সেটার গন্ধ থেকেই ভালো লাগা।
  • | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৩৭190221
  • আমি ও মফঃস্বলের। দু তিনটে জেলা পেরিয়ে কলকাতা যেতে হয়ঃ))
  • riddhi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৩৪190220
  • কল্কাতায় নামলেই কিছু অচেনা পাবলিক (ট্যাক্সিওয়ালা, মিষ্টিওয়ালা ) একটা অর্থপুর্ন হারামী হাসি দিয়ে বুঝিয়ে দেয়, ওরাই শহরের তরফ আমার "প্রথম সব কিছু" জেনে বসে আছে। ডেন্জারাস শহর, যখন তখন এক্সপোস্ড হয়ে যাবার ভয়।
  • cm | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:৩১190219
  • ভালো বলেছেনটা Atoz কে। আর পাকা শহর আমার মোটে পছন্দ নয়।
  • cm | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:২৯190218
  • ভালো বলেছেন। আমারো তাই, সে জন্য ঠিক এয়ারপোর্টে নয় নিজের সেই অঞ্চলে ঢুকলেই মনে হয়, আঃ।
  • jhiki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:২৮190217
  • এমনিতে আমি হিংসুটে নই, তবে বড় শহরে বেড়ে ওঠা লোকজনকে আমি পোচ্চুর হিংসা করি। আমাদের মত ছোট শহর, মফঃস্বলের লোকদের সেই আঠেরো বছর বয়স থেকে ছাড়তে শুরু করতে হয়..... তারপর আর কোনদিন কোন জায়গাই পুরোনো নরম গাউনের মত আপন হয় না।
    বড় শহরের লোকেরা চাইলে নিজের বেড়ে ওঠার শহরেই স্থিতু হতে পারে, আমাদের সে সুযোগ একেবারেই নেই ঃ(
  • Atoz | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:২৬190216
  • আমি ক্ষুদ্র মফস্বলের ক্ষুদ্র মানুষ। নিজেকে কেবল মেলাতে পারি সেই সবুজ জায়্গাটির সঙ্গেই, আদিগন্ত ধানক্ষেতের পাশে ছোট্টো খোলামেলা একটি পাড়া, খোলা মাঠের আর ঝোপেঝাড়ের মধ্যে মধ্যে বেড়ালতার বেড়ায় ঘেরা চোদ্দোটি বাড়ী। সবাইকে সবাই চেনে, উৎসব অনুষ্ঠানে সবাই একসাথে যোগ দেয়, বাড়ীর চৌহদ্দির মধ্যে সবার ফলফলারির বাগান, লাউ কুমড়ো বেগুন আম কাঁঠাল পেঁপে সব সবাই নিজেদের বাড়ীতে হলে অন্যদের বাড়ীতে বিলিয়ে টিলিয়ে খায়। সেই পাড়া এখন পুরো বদলে গেছে, কিন্তু আমার মনের যোগ সেই অতীতের সবুজ খোলামেলা পাড়াটির সঙ্গেই। তাই টাইম ট্রাভেল ছাড়া আমার ফেরার কোনো উপায় নেই।

    কলিকাতার সঙ্গে পরিচয় বড় হয়ে, কালেজ পাশ করার পরে। কলিকাতা আমার কাছে এক কূর্মপৃষ্ঠাকৃতি শক্তিভূমি, শক্তিসাধকের সাধনাস্থল। খুবই সেক্রেড আর ঘোর শক্তিময়। কাজ করতে যেতাম রোজ, নিত্যযাত্রী ছিলাম। বেশ কয়েক বছর। সাধনার জন্যে কলিকাতার তুলনা নেই। রাত কাটাই নি কখনো কলিকাতায় একবারের ব্যতিক্রম বাদ দিলে। ঃ-)
  • pipi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:২১190215
  • যারা কলকাতায় বড় হয়েছে, শহরটার আগাপাশতলার সাথে যাদের শৈশব/কৈশোর জড়িয়ে তাদের মনের শিকড় তো সেখানে গাঁথা থাকবেই।
    আর আমার, সিকির মত যারা পরিযায়ী পাখি তাদের যে কলকাতা বা ওমনি কোন পার্টিক্যুলার জায়গর প্রতি গাঁট থাকবে না সেও সত্যি।
    সিকি বহুবছর দিল্লীতে আছে, তাই দিল্লীতে ওর শিকড় চারিয়ে গেছে। এর বেসিসে কোন শহর, তার ভাল-মন্দ, ভাল-লাগা না লাগা - সে তক্ক বৃথাঃ-)
  • Sibu | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:১৭190214
  • শুধু একজন আছে যে কলকাতায় থাকে। কিন্তু বদলির চাকরি বলে সে মফস্বলে চাকরী করতে যায়। আর তার দেশের বাড়ি মেদিনীপুর। সে ওয়েন্ডি'সকে ভেন্ডি'স বলে। সে আমাকে দেশে গেলে মাল খাওয়ায়।
  • pipi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:১৫190212
  • অক্ষদার ঐ চিকনের সূতো ওঠা স্কার্ট ব্যাপারখানা আমার দেশের যে কোন এয়ারপোর্টে নামলেই হয়। ঘরে ফেরার অনুভূতি। মনে হয় জাস্ট কোথাও বেড়িয়ে ফিরছি। কিন্তু কলকাতা এয়ারপোর্টের বাইরে থেকে ট্যাক্সি নিয়ে যেই মাত্র জ্যাম ঠেলে ধোঁয়া গিলতে গিলতে চলতে শুরু করি তখন কলকাতার উপর বিরক্তি জমতে শুরু করে।
  • Bhagidaar | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:১৫190213
  • আমাদের বাড়িতে বাবা আপিস বেরিয়ে গেলে আমরা হিন্দি গান চালাতাম টেপে। সিকির কথা শুনে সেইসব দিন মনে পড়ে গেল---
  • Sibu | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:১২190211
  • আমি তো কলকাতার লোক না। আমি যেখানে থাকি সেখান থেকে লোকে কলকাতায় চাকরী করতে যায়। যখন প্রেসিডেন্সিতে পড়তে গেলাম আমার প্রথম ইমপ্রেসন ছিল কলকাতার লোকে কি চালবাজ! কলেজের বন্ধু যারা এখন অবধি টিকে গেছে তারা সবাই মফস্বলের ছেলে/মেয়ে। কলকাতায় তারা চাকরী করতে যায়। ভাগ্যে কলেজ ছাড়ার পর কলকাতায় বেশী যেতে হয় নি।
  • pipi | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:১১190210
  • আধা জার্মান! ফর্সা মেমসায়েব! খিকঃ-) খিকঃ-) অভ্যুরাম, জন্মের পর বহুদিন ঠাকুমা কোলে নিত না এ মেমসাহেবকে 'কালা পেতি' মেয়ে বলে সে তো জানো না। ইনফ্যাক্ট মনেও পড়ে না ঠাকুমা কখনো আদর করে কাছে টেনেছে কিনাঃ-) কিম্বা, রূপ আর রংএর পরীক্ষায় পরের দুই বোনের কাছে সে যে কিরকম ডাহা ফেল তা যে কতভাবে "মেমসাহেবকে" শুনতে হত সেই বা তুমি কি করে জানবে। নেহাত তৃতীয় বোনটি এসে সে দায় থেকে মুক্তি দিয়েছেঃ-)

    সিকি,
    কথা হল ফ্রেঞ্চ চীজ, ফ্রেঞ্চ খাবার দাবার, ভাষা কিসুই আমার পছন্দের নয়। আর যেদিন এক পার্টিতে এক ফ্রেঞ্চ ছোকরা আমাকেই জিজ্ঞাসা করে বসল জার্মান মেয়েরা বগলে চুল রাখে কি না তারপর থেকে ফ্রেঞ্চ ছেলেপুলেও আমার ঘোর নাপসন্দের তালিকায়। বন্দুকেরা মজা করে বলত আমার ফ্রেঞ্চ ইনটলারেন্স আছে। কাজেই ফ্রেঞ্চ কানেকশন দেখিয়ে তুমি আমায় মেমসাহেব বানাতে পারবে নাঃ-)

    আর ইয়ে হ্যাঁ, কলকেতার ব্যাপারে যা লিখলে তাতে গোটা বর্ণ পরিচয় দিয়ে গেলামঃ-)
  • a x | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:০৮190209
  • আত্মীয় বন্ধুর চেয়েও আমার কাছে কলকাতা হল কুমুর সুতো ওঠা চিকনের স্কার্ট। চেনা। চামড়ার সাথে মিশে যাওয়া। আর আমি ৬ বছর দেশে যাইনি, জানি বহু কিছুই পাল্টে গেছে, লোকে বলে এখন গেলে অচেনা লাগবে। কিন্তু তার আগে একবার আমি ৭ বছর বাদে দেশে গেছিলাম, সেবারেও অনেক কিছু বদলে গেছিল, কিন্তু নেমেই যেন মনে হল, এই তো দুদিনের জন্য কোথাও গেছিলাম বাড়ি ফিরেছি। আমার মনে হয় ২০ বছর বাদে ফিরলেও মনে হবে, এই তো কদিনের জন্য গেছিলাম।

    এনিওয়ে আর বলবনা এসব নিয়ে। সেক্রেড জিনিসপত্র নিয়ে বেশি কথা বলতে নেই।
  • Sibu | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:০৭190207
  • নিউ ইয়র্কে বেড়াতে যেতে ভালই লাগে। কিন্তু স্থায়ী ভাবে থাকতে হলে হয়তো পছন্দ হবে না। আর সবকিছু বাদ দিলেও সিটি একেবারেই অ্যাফর্ডেবল নয়। কিন্তু কলকাতায় বেড়াতে যেতেও তো ভাল লাগে। নিউ ইয়র্কের চেয়ে বেশীই ভাল লাগে।
  • siki | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:০৭190208
  • আহা, রাগটা মস্করা করে বলা :-) রাগ কইরো না।

    মোবাইল থেকে বেশি লেখা চাপ। বউ অফিস বেরিয়ে গেলে ল্যাপটপ খুলে কষে মিনিময় করব।
  • cm | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:০৬190206
  • আপনারা পারীতে থাকেননা কেনে?
  • aka | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:০১190204
  • দুর কলকাতা বেজায় বাজে জায়গা। বাড়িতে থাকলে মাঝে মাঝে যেতে হয় কিন্তু ইচ্ছে করে না।
  • a x | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৮:০১190205
  • সিকি আমি আবার রাগ করলাম কখন! আম্রিকার বেশিরভাগ লোকই নিউ ইয়র্ক পছন্দ করেনা, নোংরা ঘিঞ্জি, লোকে রুড, সাবওয়েতে হিসুর গন্ধ, গাড়ি চালানো দায়, পার্কিং নেই এইসবের জন্য। একেকজনের একেক কারণে একটা শহর ভালো লাগে। জড়িত স্মৃতি, চেনা গলি ঘুঁজি, পায়ে হাঁটা সেই সব সময়েরা, এসবের জন্যই মূলত।
  • Sibu | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৭:৫৬190203
  • কলকাতার ব্যাপারটা হল আত্মীয় বন্ধুদের সঙ্গ। দিল্লী/বাংলুর/আম্রিকা ইত্যাদির সুবিধা হল পয়সা, নাগরিক সুবিধা এইগুলো। কালচারের ব্যাপারটা এক একজন এক এক্ভাবে দেখে। কলকাতার কালচার মোটামুটি নেটে পাওয়া যায়। আর বাঙালীর কালচার নিয়ে (ভাষার আকর্ষণ বাদে) খুব একটা বিরাট কিছু ফিল করি না।

    যদি এক জায়গায় আত্মীয়-বন্ধু, রোজগার, নাগরিক সুবিধা সব পাওয়া যেত তো খুবই ভাল হত। তৃতীয় বিশ্বে জন্মানোর দুর্ভাগ্য এটা নয় ওটা চুজ করতে হয়।
  • Abhyu | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৭:৪৬190202
  • কেকে :)
  • Bhagidaar | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৩ ০৭:৪১190201
  • অক্ষদা রাগ করেছেন বলে তো মনে হলনা। আমি একটু করেছি, রাগ নয় ঠিক যদিও। কলকাতার সঙ্গে দিল্লির তুলনা হলে আমার একটু গা জ্বলে। সেটার একটা কারণ আমার কলকাতার প্রতি আত্মিক টান ঠিকই। কিন্তু তা ছাড়াও কারণ আছে। আমি এক্স্যাক্ট যে শব্দটা ব্যবহার করেছিলাম সেটা হলো এক্স্পেক্তেশান। দিল্লি রাজধানী, সেখানকার সুযোগ সুবিধে ইত্যাদি বেশি হবে তাতে অস্চর্জ্জের কি? কলকাতা এয়ারপোর্ট-এ কটা ইন্টারন্যাশানাল ফ্লাইট নামে আর দিল্লিতে কটা নামে? তাই দিল্লির সেটআপ বেটার হবে তাতে আর আশ্চর্যের কি? ঠিক যেমন সারা দেশের নিরিখে কলকাতা আর দিল্লি দুটো মহানগর, একটা রাজধানী, অন্যটা নয়,পশ্চিমবঙ্গের নিরিখে কলকাতা আর শিলিগুড়ি দুটো শহর। আয়তন, ইম্পর্ট্যানস সবকিছুতেই কলকাতা শিলিগুড়ির থেকে এগিয়ে, তাই হাওড়া স্টেশনে আমি যা সুযোগ সুবিধে আশা করব, তার থেকে কম শিলিগুড়ি-তে পেলে শিলিগুড়ি-কে গালাগাল করব কি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত