এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩৫৫৯৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rajdeep | ২৪ মে ২০১২ ১২:২৪525706
  • এই নিশ্চিংহো পোসাদ লেখেন তো একটাই সাবজেক্ট নিয়েই

    শারদীয়া দেশে মহাভারতের বিভিন্ন পর্বের যৌনক্রিয়ার বিবরণ ...

    কোথাকার কে
    দুটো আমড়াভাতে দে !
  • সিদ্ধার্থ | ২৪ মে ২০১২ ১২:২৬525728
  • কোয়ার্ক | ২৪ মে ২০১২ ১২:২৮525739
  • ওদিকে রাণীমা ফের ক্ষুব্ধ! শরিকেরা নাকি এবারও অন্ধকারে ছিল। শুধু তাই নয়, ইউপিএ নাকি ইকোনমি নিয়ে ছেলেখেলা কচ্ছে। শুধু মানুষের অসুবিধে হবে (কোন্‌টায় বেশি অসুবিধে ভগা জানে) ব'লে সমর্থন ক'রে যাচ্ছেন।
  • গান্ধী | ২৪ মে ২০১২ ১২:৩৪525750
  • আচ্ছা, এইসব নিয়ে কেস করতে পারেনা সিপিয়েম?? মানে করা যায় কি ???
  • শ্রী সদা | ২৪ মে ২০১২ ১২:৪০525761
  • না না কেস কেন, এই খোরাকগুলো না থাকলে অফিস আওয়ার বড্ড বোরিং লাগে !
  • ডিডি | ২৪ মে ২০১২ ১২:৪৭525772
  • নৃসিংহপ্রসাদ মহাভারত ও অন্যান্য পুরাণ নিয়ে বাংলা ভাষায় প্রচুর বই লিখেছেন। শুধু সেক্ষ নিয়েই লিখেছেন এটা বাতুলতা।আর লিখছেনও পঁচিশ ত্রিশ বছর ধরে। তাঁর পান্ডিত্য ও রসবোধ দুটোই অসাধারন।
    তেমতি শুভাপ্রসন্নের কাগ সিরীজ চিরকালই সমাদৃত
    হয়েছে রসিক মহলে। শাঁওলির নাট্যপ্রতিভাও।

    রাজনীতির সাথে মেলে না বলে এঁদের প্রতিভাকেও তাচ্ছিল্য করাটা একটা অসুখ মাত্র।
  • ঝিকি | ২৪ মে ২০১২ ১২:৫১525783
  • ডিডি দা কে সুপার 'ক'
  • অপু | ২৪ মে ২০১২ ১২:৫৮525795
  • আমার ও দেবার ইচ্ছে ছিল খুব। কিন্তু রাজনৈতিক টই.......
  • কোয়ার্ক | ২৪ মে ২০১২ ১৩:০২525806
  • রাজদীপের পোস্টের প্রতিবাদ ক'রে গেলাম, আগে চোখে পড়ে নি। ভদ্রলোকের বেশ কিছু লেখা আগ্রহসহকারে পড়েছি।
  • Blank | ২৪ মে ২০১২ ১৩:১৩525828
  • নৃসিংহ বাবুর এই লেখাটা বালের হতে পারে কিন্তু ওনার মহাভারত বা অন্য পুরান নিয়ে লেখা খুবই সুখ পাঠ্য আর অনেক ভাবনার জায়গা দেয়।
  • কল্লোল | ২৪ মে ২০১২ ১৩:১৩525817
  • রাজদীপের নিসিঙ্গিবাবু নিয়া মন্তব্য মমতা টাইপের হয়ে গেলো। মতে না মিলিলেই মাও।
  • প্পন | ২৪ মে ২০১২ ১৩:১৪525839
  • ডিডিদাকে ক্ক। আরেকটা জিনিস খুব শুনি শখের পরিবেশবিদ, স্বঘোষিত মানবাধিকার কর্মী ইত্যাদি। যেন ব্যক্তি আক্রমণ করলেই ইস্যুটা আর জেনুইন থাকে না।
  • rajdeep | ২৪ মে ২০১২ ১৩:১৯525850
  • মতে না মিল্লে কে কি বলে তো কত তো দেখলাম !

    আমিও বলে ফেলেছি ... ভুল করেছি

    সফল গ্রামীণ সমবায়কেও কিসুই হয় নি বলে উড়িয়ে দেওয়া মন্তব্য বোধহয় ভুলি নি
  • rajdeep | ২৪ মে ২০১২ ১৩:২৫525861
  • আর হ্যাঁ কথায় কথায় আবাপই একমাত্র নিরপেক্ষ বলে আকুলি বিকুলি মাকালী প্রমাণ করার দায় যাদের আছে তাদের অসুখ টা ঠিক কি জানতে খুব একটা ইন্টারেষ্ট নেই ! একদমই নেই ......
  • | ২৪ মে ২০১২ ১৩:৩০525872
  • ডিডিদাকে একটা দোতলা ক্ক দিলাম।
  • ডিডি | ২৪ মে ২০১২ ১৩:৩৩525883
  • রাজদীপকে ঃ আবাপ, তৃণমুল, সিপিএম, সমবায় ব্যাংকিং ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান নিয়ে মতামত আর শুভাপ্রসন্ন/ সুমনকে গালি দিতে হলে তাদের আঁকা আর গান গাওয়াটাকে মাটীতে নামানোর মধ্যে যে বিস্তর পার্থক্য আছে, সেটা এখানে যারা লেখে, দলমত নির্বিশেষে সেটা সবাই বোঝে।

    এটুকু পরিণতমনষ্কতা নিশ্চয়ই দাবী করা যায়
  • rajdeep | ২৪ মে ২০১২ ১৩:৩৭525894
  • ডিডি দা

    আমিতো বললাম আমার ঐ কমেন্ট টা ভুল

    এটুকু আশা করতে পারি ভবিষ্যতে ভুল খোঁজার ব্যাপারে আমরা সিলেক্টিভ হব না
  • Blank | ২৪ মে ২০১২ ১৩:৪১525906
  • তবে ঐ শখের পরিবেশবিদ ব্যপারটি ঢপের ব্যপারই বটে। শখের ডাক্তারি বা শখের পদার্থবিদ কি হয় !!! কে জানে।
  • কল্লোল | ২৪ মে ২০১২ ১৩:৫২525917
  • রাজদীপ।
    সমবায় মানে, চাট্টি সমবায় ব্যাঙ্ক, বস্ত্রবয়নের সমবায় আর কোঅপারেটিভ স্টোর শুধু নয়। আমি আমার পোস্টে স্পষ্ট করে লিখেছিলাম কৃষিতে সমবায়। অপারেশন বর্গার পর যখন জোত ছোট থেকে আরও ছোট হয়ে গেলো, তখন পঞ্চায়েৎকে সামনে রেখে কৃষিতে সমবায়, উন্নয়নের বিকল্প রাস্তা দেখাতো। সে ব্যাপারে কিস্যু হয় নি। সিপিএম সমবায়কে গুরুত্বই দেয় নি। দিলে নিজেদের হাতে দপ্তর রাখতো।
    আশা করি বোঝাতে পারলাম।
  • বুড়ো | ২৪ মে ২০১২ ১৩:৫৬525939
  • নৃসিংহবাবুকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। ইন্টেলেক্চুয়াল, বিদ্বজ্জন ইত্যাদি শুনলে চোমস্কির কয়েকটা কথা মনে পড়েঃ "Ii is the responsibility of intellectuals to speak the truth and to expose lies. This, at least, may seem enough of a truism to pass over without comment. Not so, however. For the modern intellectual, it is not at all obvious. Thus we have Martin Heidegger writing, in a pro-Hitler declaration of 1933, that “truth is the revelation of that which makes a people certain, clear, and strong in its action and knowledge”; it is only this kind of “truth” that one has a responsibility to speak. Americans tend to be more forthright. When Arthur Schlesinger was asked by The New York Times in November, 1965, to explain the contradiction between his published account of the Bay of Pigs incident and the story he had given the press at the time of the attack, he simply remarked that he had lied; and a few days later, he went on to compliment the Times for also having suppressed information on the planned invasion, in “the national interest,” as this term was defined by the group of arrogant and deluded men of whom Schlesinger gives such a flattering portrait in his recent account of the Kennedy Administration. It is of no particular interest that one man is quite happy to lie in behalf of a cause which he knows to be unjust; but it is significant that such events provoke so little response in the intellectual community—for example, no one has said that there is something strange in the offer of a major chair in the humanities to a historian who feels it to be his duty to persuade the world that an American-sponsored invasion of a nearby country is nothing of the sort. "

    বাঙালী পাবলিক ইন্টেলেক্চুয়ালদের ধারণা তৈরি হয়েছিল উনিশ শতকে। তখন অনেকগুলো দায় ছিল- আইডেন্টিটি খোঁজার দায়, এনলাইটেনমেন্ট-প্রসূত যুক্তিবাদের দায়, এবং এই মৌলিক প্রশ্নগুলো থেকে জাত সমাজ ও রাজনৈতিক সংস্কারের দায়। প্রশ্নগুলো বড়ো ছিল, কাজেই উত্তর খোঁজার গণ্ডিটাও বড়ো ছিল। শিক্ষিতরা তখনও স্পেশালাইজেশনের চক্করে পড়ে নি। স্বাধীনতার এক দুই দশক পরেও অবস্থাটা এ রকমই ছিল। বিজন ভট্টাচার্য-জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র-ঋত্বিক ঘটক-বিভূতিভূষণ-তারাশঙ্করদের জীবনচর্যা সকাল থেকে রাত অবধি মোবাইলে নেটওয়ার্কিংএর যুগে স্বপ্নপ্রতিম মনে হয়। এখন "বিদ্বজ্জন" বলতে দুইরকম মানুষ বোঝায়- এক, যাঁরা মূলতঃ শিল্পী- নিজেদের ক্ষেত্রে দড় ও সফল। এঁরা পেশাদার- অর্থাৎ এনলাইটেনমেন্টের ব্যাপ্তির বদলে নিজস্ব শিল্পের উৎকর্ষকেই প্রাধান্য দেন। খেতে তো হবে রে বাবা! দুই নম্বর দলে আছেন অ্যাকাডেমিকরা। এদের মধ্যে যাঁরা সত্যিই আন্তর্জাতিক স্তরে বিদ্যাচর্চায় ব্যস্ত, তাঁরাও পেশাদার। পেপার ও টেনিয়োর নিয়ে ব্যস্ত। আর একদল আছেন ক্ষুদ্র পুষ্করিণীর বৃহৎ বোয়াল। নিজেদের ডানা ছেঁটে শিকড়বাকড় গেড়ে ভালো আছেন। পৃথিবীতে কোথায় কি চর্চা হচ্ছে তা নিয়ে খুব একটা হেলদোল নেই, কারণ এত কিছু না জেনেও ভালই তো আছেন। তো বিদ্বজ্জনরা সবাই ভালই আছেন। এবং ভালো থাকবেন। এবং সেটা খুব একটা দোষণীয় নয়। কেউ সফ্ট্‌ওয়ার বানাতে কৃতী, কেউ হিসেব লেখায়, কেউ নাটক লেখায়, কেউ ছবি আঁকায়। সবাই পেশাদার, সবাই তো সুখী হতে চায়। কিন্তু সত্যিকারের পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল হতে গেলে সুখের লক্ষ্মণরেখা থেকে বেরোতে হয়। আর পেরোতে হয় না-জানা না-পড়ার গন্ডি। আপাততঃ ইন্টেলেকচুয়ালদের সামাজিক বিন্যাসে এর কোনোটারই সম্ভাবনা নেই। কোনো ব্যক্তির দোষ নয়, সময়টাই এইরকম। যাঁরা জানেন ও পড়েন, তাঁদের বেশির ভাগ বেশি কিছু বলেন না; যে কজন বলেন তাঁদের সময় বেছে নেওয়াটা সন্দেহজনক, আর বেশি কথা যাঁরা বলেন তাঁরা না বললেই ভালো করতেন।
  • কল্লোল | ২৪ মে ২০১২ ১৩:৫৬525928
  • নৃসিংহবাবুর লেখাটা মমতার খামখেয়ালী ব্যাবহারের সাফাই, সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু তাতে, সিপিএমএর কার্যপদ্ধতি নিয়ে কথাগুলো মিথ্যে হয়ে যায় না।
  • ডিডি | ২৪ মে ২০১২ ১৪:১৪525950
  • তাই?
    বুড়োবাবু ঐ "পাব্লিক ইন্টেলেকচুয়াল" নামে যে নতুন টার্মটি আমদানী করলেন সেটি কে? আগে তো দেখি নি।

    ইনি ই কি সমাজ সংস্কারকের নব্য ভার্শন ?
    তো সেটি তাহলে সমবেত বিদ্বজনের একটি সাবসেট মাত্র। নট এক্জাক্টলি ইকুয়াল টু বিদ্বজন।

    হঠাৎ করে বিদ্বজন পার্টী পলিটিক্সের একেবারে দোরগোড়ায় এসে গেছে। এটি রিসেন্ট। আগে তো এতো রমরমা ছিলো না। তাই এইসব খাটাখাটনির কথা উঠছে। নইলে জয় গোঁসাই পদ্য লিখছেন,শুভা আঁকছেন, দ্বিজেন গাইছেন - কার কি মাথা ব্যাথা ছিলো।

    আপনি কি বলো ?
  • বুড়ো | ২৪ মে ২০১২ ১৪:৩২525961
  • ইদানীং "বিদ্বজ্জন" বলতে যা বলতে চাওয়া হয় তার ইংরিজি সংস্করণ হল পাবলিক ইন্টেলেক্চুয়াল। বিশেষতঃ ফরাসী সমাজে এই প্রজাতির প্রকট প্রাদুর্ভাব আছে। তো বিদেশে সার্ত্র, চোমস্কি, ইগলটন, হিচেন্স, হাভেলরা এই মর্যাদা পেয়ে থাকেন। আর বঙ্গসমাজে আদতে "বিদ্বজ্জন" কথাটার অর্থ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেলিব্রিটি। ধরুন জুন মালিয়া, বা হরনাথ চক্রবর্তী, বা হৈমন্তী শুক্লা। এটাই প্রার্থিত ও প্রাপ্তির অমিল।

    চল্লিশ পঞ্চাশের দশকেও "বিদ্বজ্জনরা" পার্টি পোলিটিক্স করতেন। কিন্তু কয়েকটা ব্যাপার ছিল না। অবিরাম পাল্টি খাবার অভ্যেসতা ছিল না। বেনিফিট ম্যাক্সিমাইজেশনের তুখোড় আঁকগুলো বা কত ধানে কত চাল অত স্পষ্ট করে জানা ছিল না। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী মানে ব্যক্তিগত শত্রু- এই ধারণাতাও ছিল না। আবার কতগুলো ব্যাপার ছিল। একটা মোটামুটি আদর্শগত দায়বদ্ধতা ছিল- বামপন্থীই হোন বা গান্ধীবাদী। মতে না মিললে অন্য আশ্রয়ে না ভিড়ে আশ্রয় ছেড়ে আসার সৎ সাহস ছিল। জমিবাড়িগাড়ি না জুটিয়েও যে নিজের শিল্পের ক্ষেত্রে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে অগ্রগণ্য হওয়া যায় এই বোধ ও আত্মবিশ্বাসটা ছিল।
  • ডিডি | ২৪ মে ২০১২ ১৪:৪৩525972
  • এই যে প্রায় নন্দীগ্রাম থেকেই শুরু। রাস্তায় নামলেন বিদ্বজনেরা। গাইয়ে নাচিয়ে আঁকিয়ে - সবাই। আগে এমনটি ছিলো না। মৃনাল বাবু একটি দুটি পিটিশনে স্বাক্ষর করতেন। জয় একটা কবিতা লিখলো। সুনীল একবার পথে হাঁটলেন। ব্যাস।

    একটা সন্মিলিত ভাবে প্রায় ঝাঁকের মতন অ্যাকটিভ ইন্টেলেকচুয়ালিজম এটি নেহাৎই পোস্ট নন্দীগ্রাম ফেনোমেনন। তারপরে কেউ কেউ পুরষ্কৃত হয়েছেন, মনসবদারী মিলেছে। কেউ আনুগত্য প্রত্যাহার করেছেন। সে সব পরের ব্যাপার।

    কিন্তু রাজনীতিতে এম্নি ভাবে বুদ্ধিবাবুরা ঝাঁপিয়ে পরেছেন এটা কি শুধুই ঐ "প্রতিবাদের ক্ষুধা"? একটি মোমবাতির তৃষ্ণা? আমার তো তাই মনে হয়। একটি দ্রোহসা। বহুদিন বাঙালী মানসে এটা অ্যাবসেন্ট ছিলো। আজ চান্স পেতেই রে রে করে ধেয়ে গেছে।

    তাই না?
  • কল্লোল | ২৪ মে ২০১২ ১৪:৫৭525983
  • সে আমলেও পাল্টি খাওয়া ছেলো। দুটি বিখ্যাত পাল্টি - সমরেশ বসুর আবাপ জয়েন ও উৎপল দত্তের গুরু মুচলেকা। তা নিয়ে ঋত্বিকের সেই যুক্তি তক্কো আর গপ্পোতে সে কি গালের বহর।
    এর মধ্যে মানিকের কালী ভক্ত হয়ে যাওয়া পড়বে কি না, তা নিয়ে অবশ্য তক্কো আছে।
  • ডিডি | ২৪ মে ২০১২ ১৫:০৯525994
  • সম্রেশ পাল্টি খায় নি। স্রেফ বদলে গেলো। শেষে একটা জুয়েলার্সের গ্রহরত্নের বিজ্ঞাপনেও মডেলও হলেন। মাণিক বাবু, ইফ আই মেমরী সার্ভস রাইট, লেখা পত্তরে কালী ভক্ত কখনো হন নি। তাঁর ডায়ারীতে মা কালীর কথা লেখা ছিলো। মানিকদা বড়োজোর ক্লোসেট ভক্ত ছিলেন যেটি তার বামপন্থী ইমেজের সাথে মিলতো না। সেই সময়ে।
    এখন নয়। এখন একই সাথে লেফটিস্ট ও কালীভক্ত হওয়া যায়, কোনো বিরোধ নেই।
  • বুড়ো | ২৪ মে ২০১২ ১৫:২১526005
  • পাল্টি খাওয়া আর বদলে যাওয়া এক নয়।

    সমরেশ বসু যতদূর জানি আনন্দবাজারের ঘনিষ্ঠ হলেও কখনও আনন্দবাজারের চাকরি নেন নি। ভারত-চীন যুদ্ধের সময়ে যখন কমিউনিস্ট-সংহারের আবেদনপত্রে সব শিল্পী-সাহিত্যিক সই করছেন তখন সমরেশ সই দিতে অস্বীকার করেন। উৎপল দত্তের মুচলেকার কাহিনীও কিছুটা ধোঁয়াশা। বরং উৎপল দত্ত অনেক বড়ো পাল্টি খেয়েছিলেন হোপ এইট্টি সিক্সকে সমর্থন করতে গিয়ে। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীপূজা আদৌ পাল্টি হিসেবে ধর্তব্য নয়। সেইভাবে দেখলে বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দ, সুভাষচন্দ্র ইত্যাদি তাবড় তাবড় লোকদের পরিবর্তনকে পাল্টি বলে দেওয় যায়।
  • ডিডি | ২৪ মে ২০১২ ১৫:৩৫526017
  • নাহে বুড়ো। তুমি বেশী আগের কথা কইছো। বয়স হলে যা হয়।
    সমরেশ এম্পি জুয়েলার্সের গ্রহরত্নের মডেল হলেন, টেস্টিমনিয়াল দিলেন, গোটা পাঁচেক গাব্দা আংটি পরে। ভাবা যায় না। সেটা বোধয় লেট সেভেন্ট/আর্লি এইট্টি। চীন ভারত যুদ্ধের অনেক পরে।শীর্ষেন্দু বা সঞ্জীব- এমন ধারার বামবিরোধী রাজনীতির লোকেও তা করবে না।

    ঊৎপল দত্তের "মুচলেকা" নিয়েও আমি কল্লোলের "পাল্টি খাওয়া" মানছি না। তবে লিখে বোঝাতে পারবো না। সাম্নাসাম্নি হলে কয়ে দেবো।
  • harmad | ২৪ মে ২০১২ ১৭:০২526028
  • ডিডি দা,
    বুদ্ধিবাবুরা মোমবাতির ক্ষুধা না - রেল কমিটির চেয়ারম্যান ইত্যাদি হবার ক্ষুধায় রাস্তায় নেমেছিলেন।ক'জন কে দেখাতে পারবেন যারা 'বিনি পাওনায়' সমর্থন দিয়েছেন ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন