এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:৪৬436051
  • প্লেগের জর্নাল টা ইন্টরেস্টিঙ্গ লাগ্লো। পড়বো, থ্যান্কু ঃ)
  • S | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:৪৫436050
  • "ক্লিন্টন ওবামার সময় থেকে দুই পার্টির তফাৎ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু সেটা ডেমরা বাঁয়ে সরার জন্য নয়। দুই পার্টিই ডানে সরেছে। তবে রিপাবলিকানরা দ্রুততর বেগে সরেছে।"

    এইটা আমি কিছুতেই মানতে রাজী নই। বার্ণীর মতন ক্যান্ডিডেট দুদশক আগে ভাবাও যেতনা। এওসি এত পাওয়ারফুল হতনা। ডেম একটা আদ্যপান্ত সেন্ট্রিস্ট নিও লিবারল পার্টি ছিল। সেটা পাল্টেছে। প্রোগ্রেসিভদের জায়্গা বেড়েছে। ডানে সড়েছে মানে যদি হয় যে রুরাল হোয়াইট আন্ডারএডুকেটেডদের থেকে সড়ে গেছে, তার অন্য কারণ আছে। এই নিয়ে নিক্সন না জনসনের কার যেন একটা বিখ্যাত উক্তি আছে। সেটা আর নাহয় লিখলাম না।
  • সিএস | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:৪৫436049
  • @দ, ১২ঃ১০। না পড়িনি। বইটা দেখার ইচ্ছে হয়েছিল যদিও। তবে আমার তো আবার ঐতিহাসিক উপন্যাসের প্রতি একটি ইয়ে আছে। ঃ-)
  • সিএস | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:৪৩436048
  • কিন্তু এর সাথে সারামাগোর 'ব্লাইণ্ডনেস" ই বা পড়বেন না কেন ? সমাজ-্সভ্যতা-মানুষের ওপর, তাদের আচরণের ওপর যদি খুব একটা বিশ্বাস না থাকে, সাধারণ সময়ে না হোক, বিশেষ পরিস্থিতিতে। যেমন বইটিতেও তো নামহীন শহরটিতে হঠাৎ করেই অন্ধ্ত্বর আক্রমণ শুরু হয়, ট্রাফিক লাইটে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে লোকে অন্ধ হয়ে যেতে থাকে, তারপর তো কষ্টকর কোয়ারান্টাইন, ব্যবহার্য বস্তুর অপ্রতুলতা, প্যানিক, অতি অল্প সময়ের মধ্যে সলিডারিটির ভেঙে পড়া, অস্ত্র হাতে লোকজনের রাস্তায় নেমে পড়া, মার ও মৃত্যু আর হতাশা। তারপর হঠাৎ করেই অন্ধ্ত্ব রোগটির মিলিয়ে যাওয়া, যেমন করে এসেছিল তেমন করেই, কোন আগাম কারণ বা আভাষ না দিয়েই।
  • dipanjan | 172.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:৩৭436047
  • ৩৫ম০০স
  • S | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:৩৬436046
  • বিল ক্লিন্টন প্রেসিডেন্ট হন ১৯৯২ সালে। তখন অর্থনৈতীক ভাবে সোশালিস্ট পলিসি গ্রহণ করার কথা ভাবাও যায় না। ক্লিন্টন মিলিটারিতে ডোন্ট আস্ক, ডোন্ট টেল পলিসি নিয়েছিলেন। ব্রেয়ের আর গিন্সবার্গকে সুপ্রীম কোর্টে নিয়ে আসেন। ফ্যামিলি লীভ অ্যাক্ট পাশ করান। গান ল এর উপরেও কাজ করেছিলেন। এনভায়রণমেন্ট নিয়ে কাজকম্মও কিছু ছিল। মনে আছে ইন্ডিয়া ঘুরতে এসে তাজমহলের সামনে তার অসাধারণ বক্তৃতা। অবশ্যই ইকনমিক পলিসি নিও লিবারল ছিল। কিন্তু তখন অন্যকিছু ভাবাও যাচ্ছে না। সারাদুনিয়ায় ক্যাপিটালিজমের জয়জয়কার।
  • দীপাঞ্জন | 172.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:৩৬436045
  • "এর থেকে লাভবান হচ্ছে কোন কোন দেশ?" কেউ না - গ্লোবাল ডিপ্রেশন।

    "ইরাক ওয়ার থামাতেও পারেন নি, বারো আন্দোলন করেও, পেসিফিস্ট রা বড় অর্গানাইজ করেছিল"

    সেই প্রথম করবিন দেখা, ২০০৩, সান ফ্রান্সিস্কোতে, বেশ ইম্প্রেসেড হয়েছিলাম। দু বছরের মেয়েকে কাঁধে নিয়ে দু মাইল হেঁটে মিছিল করে। তখনও আশা ছিল, WMD এর ঢপ শেষ পর্যন্ত টিকবে না।

    Corbyn 2003

  • | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:৩৪436044
  • থ্যাঙ্কিউ অরিন।
  • সিএস | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:২৮436043
  • যখন এই সময়েও চারপাশ দেখে অ্যাংজাইটি আর প্যানিক কিছু মাত্রায় হলেও থাকছে, যদি বাড়িতে বন্দী হয়ে থাকতে হয় বা সেরকম না হলেও, পড়ে ফেলুন ড্যানিয়েল ডিফোর 'আ জার্নাল ওফ প্লেগ ইয়ার্স'। ১৭২২ এ প্রকাশিত, ডিফো তখন একটা ফর্ম পেয়ে গেছেন - যেখানে তথ্য আর ফিকশনের মিশ্রণ ঘটাতে পারছেন, বই বিক্রী হচ্ছে ভালই, উপরন্তু লোকেদের মধ্যেও ছাপা বইয়ের প্রতি আগ্রহ বেশী পরিমাণে - তো সেই ফর্মটা ব্যবহার করেই এই বইখানি। পড়ে মনে হবে, রিয়েল মেমোয়ার এমন এক ব্যক্তির যে ১৬৬৫-র লণ্ডন শহরের প্লেগের সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছে যাতে ঐ শহরের প্রায় এক-্চতুর্থাংশ মানুষ মারা যায়, কিন্তু না ডিফোর তো তখন পাঁচ বছর বয়স ফলে এই প্লেগ তিনি দেখেননি। ব্যবহার করেছিলেন ওনার এক কাকার লেখা ডায়েরী আর সরকারি তথ্য। কিন্তু verisimilitude এমনই, যেন মনে হবে আঁখো দেখা হাল, লন্ডন শহরের বিভিন্ন অঞ্চল যেখানে প্লেগের প্রকোপ বেশী বা কম হয়েছিল তার অনুপুঙ্খ বর্ণনা, সপ্তাহ অনুযায়ী মৃত্যুর হার, মানুষের রিয়াকশান, ঘরবন্দী করার সরকারি প্রয়াস কিন্তু ভয় পেয়ে অনেকেরই শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে পালিয়ে যাওয়া, দরজা-জানলা ভেঙেও কারণ রোগ ছড়ানোটি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাড়ির দরজা বাইরে থেকে আঁটকে দেওয়া হয় কিন্তু ভেতরে পরিবারের লোকজনের বন্দী হয়ে পড়ার ভয়। সিম্পটম দেখা দেওয়া আর মৃত্যুর মধ্যে খুবই অল্প সময় অনেক ক্ষেত্রেই, প্রথম দিকে এতই মৃত্যু যে ঠিক্ঠাক কবরও না দিতে পারা, গর্ত খুঁড়ে শবদেহগুলো পুঁতে দেওয়া, গুজব, মানুষের হাল ছেড়ে দেওয়া, মানে একস্ট্রীম পরিস্থিতিতে একটা জায়গার মানুষের কী হতে পারে, তার সবেরই বিবরণ রয়ে গেছে এই বইটাতে।
  • hokhogo | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:২৭436042
  • হ্যা, সৈকত(২্য), জেনুইনলি সরি, খুব অসোয়াস্তিকর। চারটে শখের পড়াশুনোর গল্প কে ন্যাড়া বরাবরি, রাগবি টিমের ড্রেসিঙ্গ রুমের মতো তার বুলিঙ্গ এর অভ্যাসের চ্যালেণ্জ হিসেবে নিয়েছে। একেবারেই ছীলেমানুষী হাস্যকর, কিন্তু মানুষ্টা তো খারাপ না, কিন্তু পড়াশুনোর গপ্পো কে কেনো জানি স ই তে পারে না ঃ-))))) গত পোনেরো বছরে আমি কোন দিন এই দাবী কোন দিন করি নি, আমি কারো র থেকে কোন বিষয়ে বেশি কিসু জানি, কারন বিষয়ের পেশাদার দের সামনে আমরা অনেকেই শিশু। আমার লঙ্গ টার্মে বক্তব্য তু তিনটে ছিলঃ
    -- আকাদেমিয়া তে আবদ্ধ সাবজেক্ট এর উইসডম কে চ্যালেণ্জ করা উচিত। কিন্তু আউটসাইডার এর ব্যুতপত্তি টা যেন সেই বিষয়ের লেটেস্ট রিসার্চের খবর রেখে হয়। ১৯২০ তে লেখা ইতিহাস নিয়ে যদি নতুন গবেষনা ১৯৯০ তে যোদি কাজ হোয়ে থাকে সেটা খবর রাখা।
    তো এটা বলা কি এমন অপরাধ হয়েছে যে দিনের পর দিন এই আক্রমন সৈ তে হোবে জানি না। ন্যাড়ার এই বিষয়ের ক্রোধ ও অসভ্যতামো সত্যি ই সীমাহীন, কিন্তু তোবু মানুষ্টা খুব ই ভালো, ভালো শুধু না, খুব ই গুনী। পারোনাল যোগ্যোতায় সমস্ত দিক থেকেই আমার থেকে অন্তত ঠিক অন্য সোকোলের মোতো ই আমার থেকে অনেক অনেক এগিয়ে। হোয়্তো কোন কারণে আমাকেই অপছন্দ করে। তো সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা একটু কষ্টকর ঃ-))))))) এই ফোরামের বন্ধুত্তঅ পরিচিতি না থাকলে একটু ঘন ঘন ভোকাবুলারি এক্সচেন্জ হোতো আর কি।
    আমি বোহু লোকের সঙ্গে তীব্র মত বিরোধ পোষন করেছি সারা জীবনে, কিন্তু এই সাসটেন্ড অসভ্যতামি অন্যত্র হয় নি।
  • শালিখ | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:২৬436041
  • মিট রমনি তো ম্যাসাচুসেটসে ওবামাকেয়ারের মতই একটা সিস্টেম করেছিলেন। যতদূর মনে পড়ছে, সেটার পেছনে কনজারভেটিভ থিংক ট্যাঙ্কগুলোর আশীর্বাদ ছিল। এটা যদি সোশ্যালিস্ট পলিসি হয়ে থাকে তো তার দায় রমনির ওপরে বেশী চাপে।

    বিল ক্লিনটন ওয়েলফেয়ার পলিসি ডিসম্যান্টল করতে একটা রোল প্লে করেছিলেন। থ্রি স্ট্রাইকস ল ক্লিনটন জমানার। উনি নাফটা সই করেছিলেন। নিওলিবারেল ল্যারি সামার্স ওনার ইকোনোমিক অ্যাডভাইসর। রবার্ট রাইখের একটা বক্তৃতায় ক্লিনটনের ক্যাবিনেটে ওনার কিরকম মোহভঙ্গ হয়েছিল সেটা নিয়ে কিছু কথা ছিল, কিছুটা তুনে কেয়া সমঝা ঔর তু কেয়া নিকলি টোনে।

    ক্লিন্টন ওবামার সময় থেকে দুই পার্টির তফাৎ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু সেটা ডেমরা বাঁয়ে সরার জন্য নয়। দুই পার্টিই ডানে সরেছে। তবে রিপাবলিকানরা দ্রুততর বেগে সরেছে।
  • দীপাঞ্জন | 172.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:২৪436040
  • জিরো করতেই হবে, সেটা ঠিক। কিন্তু এখনো তো রিসেশন শুরুই হলো না, এরপর কি করবে? নেগেটিভ করতে কংগ্রেসের লেজিস্লেশন লাগবে, ফেড-এর বর্তমান আওতার বাইরে। সরাসরি স্টক বা তেল কিনতে গেলেও ল চেঞ্জ করতে হবে, সো বেসিকালি ফেড ইস ডান, ১২-১৮ মাসের বিয়ার মার্কেট আর রিসেশন-এর শুরুতেই। আর তা করেও স্টক মার্কেট লিমিট ডাউন - মানে মার্কেট ভাবছে যে ক্রাইসিস আসছে তার কোনো সমাধান নেই, যা হয়তো সত্যি। ম্যাসিভ লে-অফ আসছে, স্টক মার্কেট হয়তো এখন থেকেও অর্ধেক হবে।
  • অরিন | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:২২436039
  • "এই যে ক্যুরিয়ারে প্যাকেট আসছে আমাজন ইত্যাদি। সেগুলোকে কি স্যানিটাইজার জাতীয় কিছু দিয়ে মুছে নেবার দরকার আছ?
    অফিসের জন্য জানতে চাইছি। প্রচুর লোক অফিসে রিসিভ করে।"

    না, তার মনে হয় দরকার নেই, তবে মোটামুটি চেয়ার টেবিল পরিষ্কার করে মুছে রাখলেই হবে, আর সাবান দিয়ে হাত ধুলে বা sanitizer ব্যবহার করলে তো প্রটেকশান রইলো। জলের ড্রপলেট বা ফোমাইট দিয়ে ট্রান্সমিশন হলে টেবিল এর সারফেসে ভাইরাস ৯ ঘন্টা মতন থাকবে, তার মানে অফিসের প্রায় গোটা দিন, সেই জন্য টেবিল পরিষ্কার করে রাখা, আর হাত ধুয়ে মুছে কিবোর্ডে কাজ করলে মনে হয় ট্রান্সমিশন এর রিস্ক অনেকটা কমে যাবে। যতটা সতর্ক থাকা যায় আর কি।
  • S | 108.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:২০436038
  • একগাদা মেজার্স একসঙ্গে নিয়ে নিয়েছে ফেড।

    সব একসাথে করে স্টক মার্কেটকে বুস্ট করার চেস্টা করছে। কারণ ঐটাই ট্রাম্পের একমাত্র ট্রাম্পকার্ড ছিল। মনে করে দেখুন কয়েকদিন আগেও ইন্ডিয়ায় এই স্টক মার্কেট নিয়েই বক্তব্য রেখে এসেছে ট্রাম্প। সেই স্টক মার্কেট ট্রাম্প এরার গেইনের প্রায় পুরোটাই মুছে ফেলতে চলেছে।

    স্টক প্রাইস পড়লে বহু কোম্পানি ফাইনান্সিয়াল স্ট্রেইনের মধ্যে ঢুকবে। তখন আনএম্প্লয়মেন্ট বাড়বে। রিসেশান আসবে। সে বোধয় এমনিতেও আসত। তাই একটা শেষ চেস্টা করে দেখা।

    আর এইটা মার্কেট খুবেকটা ভালো চোখে দেখছে না। এতগুলো ড্রাস্টিক মেজার একসঙ্গে নেওয়া মানে সরকার হ্যাজ নো ক্লু। আর কিছু করার বাকী থাকলো না। এরপর আর কোনো নতুন শক এলে, সেটা মার্কেটকে নিতে হবে উইদাউট এনি হোপ।
  • sm | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:১৬436037
  • দীপাঞ্জন, ইন্টারেস্ট রেট জিরো হলে কি অসুবিধে?ডলার এর দাম ও চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী।এইসময় ইন্টারেস্ট রেট কম করা,বেশি ডলার ছাপানো তো যুক্তিযুক্ত কাজ।
    আমাদের দেশে ব্যাপার টা উল্টো।এখানে বিশ্ব বাজারে তেল এর দাম অর্ধেক হওয়া সত্বেও সরকার সেস এর ওপর সেস চালিয়ে চলেছে।
    কথা হলো করোনা র ইওরোপ, আমেরিকায় এত অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে,এর থেকে লাভবান হচ্ছে কোন কোন দেশ?
    ভারত কি ভাবে লাভবান হতে পারে?
    তবে একটা কথা ঠিক,এই করোনা এপিসোড কাটিয়ে উঠলে,কর্পোরেট গুলো ব্যাপক লস হয়েছে বলে প্রচার চালাবে।প্রচুর জব ছাঁটাই হবে। আই টি জব সবচে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।তাপ্পর ব্যাঙ্কিং ও ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টরে।
    লাভবান হবে ফার্মা ও হেলথ সেক্টর।
  • | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:১৫436036
  • *পাইয়া ফিরিঙ্গি ডর
  • | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:১০436035
  • সিএস,
    গতবার শৌভ বুবুভায় লিখেছিল 'আইয়া ফিরিঙ্গি ডর' উপন্যাসের কথা। পড়েছ? কোন মন্তব্য?
  • S | 108.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১২:০৯436034
  • দুটো কথা বলি।

    ১) পশ্চিম ইয়োরোপের দেশগুলোতে এত সোশালিস্ট পলিসির মুলত দুটো কারণ - ক) পাশেই সোভিয়েত ইউনিয়ান এবং বাকী দেশগুলো ছিল, ফলে ফ্রী ইস্কুল-কলেজ, ফ্রী হেলথ না দিলে কবে কি হয়ে যায় সেই জন্য। খ) সেকেন্ড ওয়ার্ল্ড ওয়ারের পর সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভবও ছিলনা এগুলো নিজেদের ক্ষমতায় জোগাড় করা। অতেব সরকারকে দায়িত্ব নিতেই হত।

    ২) আমেরিকাতে বিল ক্লিন্টনের সময় থেকেই দুই দলের মধ্যে পার্থক্য ক্রমশ বাড়তে থাকে - বিশেষ করে সোশাল পলিসিতে। সেটা খুব স্পষ্ট হয় এবং অর্থনীতি জুড়ে যায় ফাইনান্সিয়াল ক্রাইসিসের পর। মনে করে দেখুন একদিকে অকুপাই ওয়ালস্ট্রীট চলছে, অন্যদিকে টী পার্টির উত্থান। এরপর ওবামার প্রেসিডেন্সি বহুভাবে ভয় জাগায় কনজারভেটিভদের মধ্যে। এক, ওবামাকেয়ার পাশ হয়ে যায় - বহুদিন পর একটা নতুন সোশালিস্ট পলিসি দেখলো আমেরিকা। দুই, ক্যাপিটালিজম নিয়ে লোকেদের মধ্যে যেসব স্বপ্ন ছিল সেগুলো সব ভেঙে যায়। ফলে বিভাজন আরো বাড়ে, কারণ রিপাব্লিকানদের আর কিছু দেওয়ার নেই আমেরিকাকে।
  • সিএস | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:৫৮436033
  • কি মুশকিল !!
  • দীপাঞ্জন | 172.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:৫৬436032
  • মার্কেটে এক ঐতিহাসিক রাত। বুধবারের নির্ধারিত মিটিং রবিবার বিকেলে এগিয়ে এনে অভূতপূর্ব সব ঘোষণা - ব্যাংকের রিসার্ভ রেশিও শূন্য, ইন্টারেস্ট রেট শূন্য, অন্তত ৭০০ বিলিয়ন কোয়ান্ট ইজিং, পৃথিবীর আর যত সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক আছে, সবার সাথে অসীম সোয়াপ লাইন খোলা - মানে টোটাল প্যানিক। হাত থেকে সব অস্ত্র একসাথে ছেড়ে দিয়েছে। শর্ট-টার্ম ট্রেজারি নেগেটিভ ইন্টারেস্ট রেটে ট্রেড হচ্ছে। কিন্তু তার পরেও ফিউচারস স্টক মার্কেটে লিমিট লক (৫% ডাউন) ফেড কোনো কনফিডেন্স তৈরী করতে পারছে না। খুব খারাপ অবস্থা।
  • হখগ | 172.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:৫৩436031
  • :-)))))) সংগীত সম্পর্কে না থাকে, শান্তিনিকেতন সাসম্কৃতিক প্রস্তিষষ্ঠান সম্পর্কে অল্প খবর না রাখাই, আমার পক্সে ইন্সিডেন্টালি কঠিন। নেড়ু খোকনের আবার আলফা মেল্ হবার খুব শখ। তবে পদ্ধতি টা অতি- প্রাচীন বাংলা লাইভ গুরুচন্ডালি তে বরাবর ই ছিল। এর বদলে ও। এর বদলে ও ফেবারিট ইত্যাদি। তাও ভালো সত্যি কারের স্কলার বলে সৈকত দ্বিতীয় র নাম বলেছে, সেটা মেনে নিতে দীর্ঘদিনের বুলিং প্রচেষ্টা র পরেও অসুবিধে একেবারেই নেই। অনেক বিষহয়ে অনেকের সঙ্গে, (যথা সংগীতালোচনায় খোকন সহ :-)))), সাহিত্য, বিশেষহত: দেশী bideshee স্বল্প পঠিত সাহিত্যে, সৈকত দ্বিতীয় সত্যিকারের পন্ডিত এবং অসম্ভব প্রিয় একজন মানুষঃ। খোকনের চিতকারে সে খুব ই এম্ব্যারাস্ড হবে। আই আমি টেরি ব লি সরি সৈকত, আমাকে ক্লিয়ার করতেই হতো, আমার তোমার সম্পর্কে শ্রদ্ধার অসম্ভব বেশি। দ চাইল্ড ইন ন্যাড়া ডাজ নট ওয়ান্ট টু গ্রো আপ। দীর্ঘদিনের ক্লাসে ফার্স্ট আর পেশাদারি সাফল্য মাথায় ঢুকে গেছে।

    যাই হোক ডেলিনকুয়েন্ট খোকন দের সম্পর্কে যা ট্রিটমেন্ট বাস্তব তাই করা হবে, মূলত: আমিউজমেন্ট আর মুডে থাকযে কানমলা।

    :-))))))))))))))))))))))))))

    -------------------

    ও,----- আমি ইউরোপের ওয়েলফেয়ার স্টেট, লিবেরালিজম, ইমিগ্রেশন, এবং দ্য পোস্ট কলোনিয়াল, তাকে মোটামুটি এই টাইমলাইনে দেখি। ইবেরিয়ান পেনিনসুয়েলা র ইতিহাস, আলাদা, তার ফ্যাসিজম ১৯৪৫ এ শেষঃ হয় নি। সালাজার কে ধরলে ১৯৭৪ অব্দি টেনেছে। এবং কলোনিয়াল লিংকেজ এর কারণে, স্প্যানিশ, পপর্তুগীজ লিটারেচার এ রাইট উইঙ্গার দের ইবেরিয়া - লাতিন আমেরিকা যাতায়াত খুব কামান থিম, ১৯৩৬ থেকে ১৯৭৪ অব্দি। সারামাগো বোলানো ক্যান বি ইয়োর এভিডেন্স।

    -- ১৮৯০স বিসমার্ক এর সময়ে কিছু ওয়েলফেয়ার
    --১৯০০-১৯১০ এর মধ্যে জাৰ্মানীতেই পেনসন
    -- গ্রেট ওয়ারের পরে ওয়াইমার রিপাব্লিলকেই তার কিছু কন্টিনিউয়েশন, মূল সমস্যা সর্বত্র ই, এক। যুদ্ধ ক্সেত্রে থেকে ফেরা সোলজার দের অয়ালিয়েনেশন আর দারিদ্র কি করে ম্যানেজ করা যায়।
    (-- তার পরে তো ১৯২৯ ক্র্যাশ, আমেরিকার নিউ ফ্র্যাঙ্ক dod রুল আর নিউ ডিল। সোভিয়েত স্টাইলের পাবলিক ফাইন্যান্সিং)
    -- ১৯৪৫ এ যেন এইচ এস এবং এন্টায়ারলি ইউরোপে এটাই কমন মডেল।
    -- ১৯৫০স ভালো বুম গোটা দশক জুড়ে।
    -- ১৯৫০-১৯৬০ এর মাঝামাঝি -- পথের কাঁটা আলজিয়ার্স এর স্বাধীনতা যুদ্ধ। ফ্ৰান্স এ ei প্রসঙ্গে, লিবারেলিজম এর মুখোশ ভেঙে পড়ছে। আইভরি কোস্ট, ইজিপ্ট, সেনেগাল এর স্বাধীনতা যুদ্ধের লোকেরা এবং ফ্ৰান্স ফ্যানন ফরাসী কলোনীর ফর্দাফাই করে দিচ্ছেন।
    -- jodio মানতেই হবে পরমাণু যুদ্ধ এর ভীতি, পেসিফিজিম এর ছাতায় সোভিয়েত অথোরেটারিয়ানিজম এর খবর (১৯৫৬ বুদাপেস্টে, ১৯৬৮ র পরাগ এর rebeliyan kraashDa hochchhe) আসার পর aajaker অর্থে লিবারাল বাম রা এক জায়গায় আসছে। যদিও ব্যাডেন মেইনহোফ গ্যাং এর মতো, বা ১৯৬৮ এর ছাত্র রিভলটা এর পরবর্তী সময়ে, বা ভিয়েতনাম এনগেজমেন্ট এর প্রতিবাদ ইত্যাদি তে, মাও পন্থী লেফট একটা আসছে। এগুলো বলছি এ কারণে, কারণ সব কটাই ওয়েলফেয়ার স্টেট্ এর ক্রিটিক।
    -- এর পরে ১৯৭৪ এ ব্লাডি সানডে এবং আইরিশ ট্রাবলস এইটিজ জুড়ে, এর ই মাঝে ওয়াশিংটন কনসেশনাস ১৯৮০ র দশকে থ্যাচার / রিগান মিলন। , ,
    -- ব্রিটিশ স্টেট এবং পুরোনো কলোনিয়াল প্রভু রা ওয়েলফেয়ার স্টেট্ এর জন্য যেমন বামপন্থী দের শুধু না, ওয়ার্কার দের আশ্রয় হয়ে উঠছে, তেমন ই এটা ক্লিয়ার জলের মতো, যে ওয়েলফেয়ার স্টেট, কলোনি র ইতিহাস কে ম্যানেজ করতে পারছে না।
    -- এর পরে জার্মান রিউনিফিকেশান, ফ্যাসিস্ত পাস্ট ওয়ালা ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাট রা আর বার্লিন কেন্দ্রিক অথোরেটারিয়ান কমিউনিস্ট রা, যারা আবার আন্তর্জাতিক ভাবে বিভিন্ন গেরিলা আর বাম মুভমেন্টে ইনভেস্ট করেছে, সাউথ আফ্ৰিকান এ এন সি ( অলিভার টাম্বো রা বার্লিন থেকে কাগজ আর রেডিও চালাতেন), লেবানিজ মার্কসিস্ট পার্টি সহ অনেকের সহায় হয়ে দাড়াচ্ছিলো, সেটা ভেঙে যাচ্ছে, জার্মান পরিবার এক জায়গায় আসায়, আন্তর্জাতিক ইনভেস্ট মনটা কমে যাচ্ছে। এ নেগোশিয়েশনে, লেফট লিবারেল দের হাতে ম্যান্ডেলার মুক্কতি ছাড়ায়া কিছু থাকছে না।
    -- জাম্প দুই হাজার ০৮ পরবর্তী পৃথিবী। করবিন এর হারা সম্পর্কে বলা যায়, এ প্রথম একজন লেবার লিডার আসছেন, যিনি নর্থ এর লেবার লিডার নন, কিন্তু ব্লেয়ার বিরোধী ট্রেড ইউনিয়নিস্ট এবং লেফট লেবারের নেতা। এটা হতো ই কারণ ম্যানুফাকচারিং শেষ হয়ে গেছিলো, আর ইনারা সিটি সোশাল সার্ভিস এর মধ্যেই ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃত্ত্ব উঠে আসছিলো। ফায়ার সার্ভিস, ট্রান্সপোর্টে, এন এইচ এস ইত্যাদি থেকে। এ সময়ে করবিন পপুলার হলেন ই ইউ এর অস্টারিটি র ক্রিটিক করতে গিয়ে। ৬৭% ভোট পেয়ে ইনাতার নাল লিডারশিপ চ্যালেঞ্জ জিতলেন।
    --কিন্তু ওই আর কি, পুরোনো সোশালিস্ট তো, ওয়েলফেয়ার স্টেট্ এর পুরোনো গলদ টি ভোলেন নি, ইরাক ওয়ার থামাতেও পারেন নি, বারো আন্দোলন করেও, পেসিফিস্ট রা বড় অর্গানাইজ করেছিল, তাই soraasori ব্রিটেনের কলোনিয়াল পাস্ট কে প্রশ্ন করতে শুরু করেন, ব্রেক্সিট পন্থী ব্রিটিশ রা এটা হজম করতে পারে নি। এবং এটা গোটা ইউরোপ পারবে না।
    -- এবং বার্নি ইলেকটোরাল না পারলেও, রেটোরিক এ আমেরিকান নিও ইম্পেরিয়াল ওয়ার মেশিন কে ক্রিটিক করে টিকে যেতে পারেন, বা তার রেটোরিক টিকে যেতে পারে, কারণ আর কিছুই না, সিভিল রাইটস মুভমেন্ট এর ইতিহাস।
    --ফাইনালি এটা জিজেক রা বোঝেন বলে মনে হয় নি, অন্য এভিডেন্স কিচ্ছু থাকলে দিয়ো।

    হখগ
  • | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:৪৭436030
  • অরিনকে জিজ্ঞাসা,
    এই যে ক্যুরিয়ারে প্যাকেট আসছে আমাজন ইত্যাদি। সেগুলোকে কি স্যানিটাইজার জাতীয় কিছু দিয়ে মুছে নেবার দরকার আছ?
    অফিসের জন্য জানতে চাইছি। প্রচুর লোক অফিসে রিসিভ করে।
  • b | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:৩২436029
  • জনস্বার্থে প্রচারিতঃ
    আমার এক পরিচিতার স্কুলে একজন ডাক্তার এসে কোভিড নিয়ে কিছু কথা বলেছিলেন

    ১) বেশিরভাগ মাস্কে ভাইরাস অটকাবে না। আর আটকালেও, মাস্ক রোজ চেঞ্জ করতে হবে। বেশি ভালো মাস্কে সেটা হওয়া অসম্ভব, যদি না লটারি পেয়ে থাকেন। তার চেয়ে রোজ রুমাল ব্যবহার করুন, কেচে দিন, আবার ব্যবহার করুন।

    ২) প্রতি দু তিন ঘন্টা অন্তর ভালো করে হাত ধুন। ডিজইনফেকট্যান্ট ইত্যাদি লাগবে না, পাতি সাবান জল।

    ৩) খাবার থেকে (নন ভেজ ইঃ) কোভিড ছড়ায় না।
  • অপু | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:২৯436028
  • না :((
  • S | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:২৬436027
  • হিটলারকে আর্জেন্তিনায় দেখা গেছিল সে গল্প আমিও শুনেছি।
  • dc | 172.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:২০436026
  • সবচেয়ে উদ্ভট হলো, লোকজন প্যানিক বাইং করে সার্জিকাল মাস্ক আর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ফাঁকা করে দিয়েছে, যেগুলো কোন কাজে দেয় না।
  • :-? | 108.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:১৪436025
  • অপুবাবু, আমনার যন্ত্র থেকে চন্নবিন্দু দেওয়া যায় না?
  • অপু | 162.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:০৫436024
  • আজকে রাস্তা ঘাট অস্বাভাবিক রকম ফাকা। স্কুল কলেজ বন্ধ। তার এফেক্ট।
  • একক | ১৬ মার্চ ২০২০ ১১:০২436023
  • একেবারেই তাই। অধিকাঙ্গশ লোক হোর্ডিঙ্গ কোল্লে বাকি অনিচছুক রাও বাধ্য হোয়ে কর্বে।

    এখন স্পেশাল কন্ডিশনে সর্কার রেশনিঙ্গ চালু কর্তে পারে। চাল গমের ওপোর বিধিনিশেধ আন্তে পারে। যদিও তাতে কালোবাজারি বাড়ার সম্ভাবনা বেশি বই কম নয়।
  • b | 172.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০২০ ১০:৪০436022
  • আমি প্যানিক বাইং করি না। কিন্তু অন্য সব লোক করলে তাই কত্তে হবে। যাকে বলে ন্যাশ ইকুইলিব্রি-আম। অস্যার্থ, মানুষ চরম বুদ্ধিমান, তাই এ এল পি ডি করেই চলেছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত