ভাঙা দিনের ঢেলা- ৬ : বিমোচন ভট্টাচার্য
বুলবুলভাজা | ধারাবাহিক : স্মৃতিকথা | ০৭ নভেম্বর ২০২০ | ৩৩৬৪ বার পঠিত | মন্তব্য : ৩
বিশ্বরূপা থিয়েটারের সেই বাড়ি জুড়ে ছিল শিশিরকুমারের স্মৃতি। আমি দেখেছি কী অসম্ভব শ্রদ্ধা করতেন অভিনেতারা, কলাকুশলীরা শিশিরকুমারকে। শিশিরকুমারের দুই খাস অনুচরকে আমি দেখেছি। একজন তাঁর খাস চাকর রামচরণ। আমরা বলতাম রামচরণদা আর একজন তাঁর খাস ড্রেসার গোবিন্দ অধিকারী। আমাদের গোবিন্দ কাকা। এমনই প্রভাব ছিল শিশিরকুমারের যে বিশ্বরূপার তদানীন্তন মালিকদের দুজন, দক্ষিণেশ্বর সরকার এবং রাসবিহারী সরকারকে সকলে বলতেন মেজবাবু আর ছোটবাবু। বড়বাবু? নৈব নৈব চ। সেটা একমাত্র শিশিরকুমারের প্রাপ্য। প্রত্যেকদিন, কেউ না কেউ একবার শিশিরকুমাররের নাম নিতেনই। একটা শ্রদ্ধার জায়গা, সেই সময়েই আমার মনে ঢুকে গেছিল সে সব শুনে।
ভাঙা দিনের ঢেলা- ৮ : বিমোচন ভট্টাচার্য
বুলবুলভাজা | ধারাবাহিক : স্মৃতিকথা | ২৮ আগস্ট ২০২১ | ১৪৮৮ বার পঠিত
যৌথ পরিবারের একটা আলাদা বাঁধন ছিল। ঝগড়া, মনোমালিন্য – এসব ছিল, কিন্তু সেসব পেরিয়েও ছিল এক অদ্ভুত বন্ধন। আমার সেই ন’কাকিমা। সাড়ে চার ফুটের মানুষ ছিলেন৷ যশোরের মেয়ে৷ আমার ন’কাকার সাথে যখন বিয়ে হয়, তখন ষোল-সতেরো বছর বয়েস। আমার বড়দা, বড়দির চেয়ে বয়েসে ছোট ছিলেন৷ আমি সারাজীবন তাঁর সঙ্গে সরাসরি কথা বলিনি৷ তবু আমার মা চলে যাবার পর প্রতি জামাই-ষষ্ঠীতে তিনি আসতেন আমাদের বাড়ি৷ তখন তাঁরা আলাদা থাকেন। পাখার হাওয়া দিতেন। হাতে দিতেন একটা আম বা কলা। টিভি দেখে বাড়ি যেতেন৷