এই ২০২২ সালেই ‘নানুক অফ দ্য নর্থ‘-এর একশ‘ বছর পূর্তি হলো। শুরুতে তথ্যচিত্র হিসেবে স্বীকৃত হলেও পরবর্তী সময়ে এই সিনেমাটি কতটুকু ‘প্রকৃত তথ্যচিত্র‘ আর কতটা এর কিছু দৃশ্য ‘অভিনীত‘ হয়েছে, তেমন তর্ক বোদ্ধা মহলে উঠেছে। তবু, আধুনিক সিনেমার ইতিহাসে সাদা-কালো এই ছবিটির গভীরতার ব্যঞ্জনা অপরিসীম। ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন রবার্ট ফ্ল্যাহার্টি। সিনেমার ইতিহাসে এই ছবিটিকেই ‘প্রথম তথ্যচিত্র‘ হিসেবে স্বীকার করা হলেও বাস্তবে ‘নানুক অফ দ্য নর্থ‘-এর আগেই থমাস এডিসন কয়েকটি বাস্তব জীবনের ঘটনা বড় স্ক্রিনে বা পর্দায় প্রথম দেখান। সেই ‘বাস্তব চিত্র‘গুলো আয়তনে সংক্ষিপ্তইছিল। তবে সাধারণ মানুষের জীবনের সত্য গল্পগুলো বর্ণনাধর্মী আঙ্গিকে প্রদর্শনের কাজে ফ্ল্যাহার্টি ছিলেন বলতে গেলে এক বড় মাপের উদ্ভাবক। ... ...
দুই কিশোর-কিশোরীর পিতা হিসেবে যে লেখাটির প্রতিবাদ করতে এই অন্তর্জাল পত্রিকায় আমার লিখতে শুরু করা, এখন মনে পড়ছে মূল রাগটি অনুবাদিকা প্রত্যয় ভুক্তের উপর সেসময় নিক্ষিপ্ত হলেও প্রত্যয় ভুক্ত আসলে নামী হাংরি কবি ও লেখক মলয় রায় চৌধুরী ‘লেখাটি কেউ অনুবাদ করলে ভাল হয়‘ শিরোনামে নোরা বার্ণাকলকে লেখা জেমস জয়েসের চিঠিই অনুবাদ করেছেন। মানে ঘটনার মূল হোতা তিনি ছিলেন না। সেই ধাক্কা সামলাতে না সামলাতে গতকাল মলয় রায় চৌধুরী নারী দেহের কোন বিশেষ দিক নিয়ে লিখেছেন দেখলাম। সেটাও মুখ বুঁজে পড়েছি। ভেবেছিলাম আর মুখ খুলব না এবং একটি শব্দও লিখব না। লিখলে ভাল কিছুই লিখব। এখন দেখি মলয় রায় চৌধুরী ... ...
জিনিয়া,অফিস ডেস্কে বসে একদম সকালবেলাতেই রাজ্যের কাজের বদলে কিছু লিখতে বসার কোন মানেই হয় না। তোর ভাই জেরেমির (তোদের দু‘জনেরই বিশেষত: তোর ভাইয়ের এমন বিদেশী বা ক্রিশ্চিয়ান টাইপের নাম রাখায় একটা সময় অনেক কথা শুনতে হয়েছে) রাগ হতেই পারে যে ওর বদলে তোকেই কেন এসব চিঠি লেখা হয়। বারবারই সেই একই উত্তর দিতে হবে। তোর জন্য পৃথিবীটা প্রতিটি পদে পদে যত বিড়ম্বনা ও অপমান, আঘাতের হবে এবং এমনকি একদম বিনা দোষেও - সেটা জেরেমির জন্য কখনো হবে না।লেখার ছিল অনেক কিছু। জমে থাকে অনেক কাজ, অনেক লেখা- যার প্রায় কিছুই করা হয় না। উইলিয়াম ব্লেকের (নাকি ব্লেইক উচ্চারণ হবে? তুই ... ...
না- সেই নাটকটি মূলে বা অন্য ভাষার অনুবাদে পড়া হয়নি। বহু আগে কোন লিটল ম্যাগাজিনে সার্ত্রের নাটকের এক নায়িকার একটি সংলাপের বঙ্গানুবাদ পড়া হয়েছিল: ‘আমি এখন পূর্ণ তবে আর শুদ্ধ নই।‘ এমন একটি পংক্তি ভয় পাইয়ে দেয়- অবশ্যই সব নারীকে নয়, তবে কোন কোন বিদঘুটে মেয়েকে বটেই। সারাজীবন এক জড় ভয়ে আচ্ছন্ন থাকে সে। ফলে কারোরই নিকটবর্তী হতে পারে না। আবার হয়তো সে সমকামীও নয়। প্রাচ্যের সমাজ আর তার চাপিয়ে দেওয়া পরত পরত পর্দা মস্তিষ্কে চেপেই থাকে। আবার কোন কোন মেয়ে ষোলতেই সাহসী। দেখতে দেখতে পরের প্রজন্মের কন্যা শিশুরাও বড় হয়ে উঠছে। তারাও বধূ হচ্ছে- পুরুষকে ভয় পাচ্ছে না। আবার ... ...
'In Nekhludoff, as in every man, there were two beings: one the spiritual, seeking only that kind of happiness for him self which should tend towards the happiness of all; the other, the animal man, seeking only his own happiness, and ready to sacrifice to it the happiness of the rest of the world. At this period of his mania of self-love brought on by life in Petersburg and in the army, this animal man ruled supreme and completely crushed the spiritual man in him. But when he saw Katusha and experienced the same feelings as he had had three years ... ...
'আমাদের আজ বলা হলোযে তুমি সত্যিই মারা গেছো, শেষ পর্যন্ততারা তোমাকে সেখানে নিয়ে যেতে চেয়েছেযেখানে তোমাকে তারা নিয়ে যেতে চেয়েছিল।ওরা ভুল করেছেআমাদের চেয়েও বেশি ভুল করেছেযদি নিখাদ মর্মর মূর্তি হিসেবেইতোমাকে ওরা ভেবে থাকেইতিহাসে তুমি অক্ষয়গতি প্রাপ্ত, যেখানেপ্রত্যেকেই তোমাকে আবিষ্কার করতে পারেযেখানে তুমিকোনদিনই পাবক অগ্নি ব্যতীত কিছু ছিলে না,আলো, বাতাস,আমেরিকার স্বাধীণতা সহযেখানেই যা কিছু প্রেরণা সঞ্চারী, সর্বত্র ছিলে তুমিযা ওরা কখনো কল্পনাও করতে পারে না-চে গুয়েভারা!'এলিসিও দিয়েগো (১৯২০-১৯৯৪), ‘হুয়ান রুলফো ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ ফর ল্যাটিন আমেরিকান এ্যান্ড ক্যারিবীয়ান লিটারেচার‘ পুরষ্কার বিজয়ী কবি,চে গুয়েভারার মৃত্যুর পর যে কবিতা লিখেছিলেন তার শুরুর কয়েকটি পংক্তি। স্প্যানীশে মূল কবিতাটি বেশ দীর্ঘ। ‘চে গুয়েভারা‘র নাম বলতে একটু ... ...
একটি মোমে আলো ধরানো/ ইওসা বুসোনএকটি মোমের আলোআর একটি মোমে ধরানো-বাসন্তী সন্ধ্যা।এক শিশিরের ভুবন/কোবাইশি ইসসাএক শিশিরের ভুবন,এবং শিশিরের প্রতিটি বিন্দুতেএক সংগ্রামের পৃথিবী। কুন্তলরাজি/মাতসুয়ো বাশো পাতায় চালের পিঠেএক হাতে মুড়োতে মুড়োতেমেয়েটি তার কুন্তলরাজি বাঁধলো পিছনে...পুষ্পিত চেরী তরুতলে/কোবাইশি ইসসা পুষ্পিত চেরী তরুতলেআগন্তকেরা আসলেকেউই নয় আগন্তক! পপি ফুল ফোটে/কাতসুশিকা হোকুসাইআমি লিখি, মুছি, পুনরায় লিখিআবার মুছি এবং আবারও...একটি পপি ফুল ফোটে। (অনুবাদিকা প্রত্যয়ভুক্ত দেখি বেশ রাগ করেই আমাকে বলেছেন যে তিনি আমার ‘মতামত‘ চান না- ‘হ্যাজ‘ নামানো বলতে ঠিক কি যে বুঝিয়েছেন তা‘ আপনিই ভাল জানেন। যাক...ভেবে দেখলাম প্রিয় বোণ...জীবনের অনেকটা সময় বৃথা তর্কে-ঝগড়ায় অপচয় করেছি। সেসময়টা কত ইতিবাচক, গঠনমূলক কাজই না করা যেত! কাজেই কাণ ধরছি যে ... ...
পাতায় চালের পিঠেএক হাতে মুড়োতে মুড়োতেমেয়েটি তার কুন্তলরাজি বাঁধলো পিছনে...(মাতসুয়ো বাশো)।আগন্তকেরা আসলেকেউই নয় আগন্তক!(কোবাইশি ইসসা)আমি লিখি, মুছি, পুনরায় লিখিআবার মুছি এবং আবারও...একটি পপি ফুল ফোটে।(কাতসুশিকা হোকুসাই)...কোন মন্তব্য করার বা একটিও পোস্ট করার ইচ্ছা ছিল না। তবে ‘অনুবাদিকা‘ প্রত্যয়ভুক্ত মতামত চাইলেন। কি আর বলি? ষাট বছর বয়স হতে চললো। দেরিতে বিয়ে বলে দুই কিশোর-কিশোরীর পিতা। জীবনে একবার তলস্তয়ের লেখায় এক নারীর প্রসব বেদনার বিবরণ পড়ে মনে হয়েছিল এটা মা হয়েছে এমন নারীও লিখতে পারবেন না আর ‘অনুবাদিকা‘ প্রত্যয়ভুক্তর অনুবাদ পড়ে মানতে হলো যে এমন অনুবাদ কোন ‘পুুরুষ‘ও করতে পারবেন না। প্রেম আমিও করেছি। আমার প্রেমিকা কাম বউকে যৌবনে একটি/দু‘টি জাপানী হাইকু ... ...
‘পুরাতত্ত্ববিদেরা শুরুতে এমন কথায় কিছুতেই আস্থা রাখতে পারেননি যে প্রাণীর এমন সজীব ও জীবন্ত প্রতিফলন সেই তুষার যুগের মানুষের পক্ষে করা সম্ভব ছিল।‘: আর্ণস্ত গমব্রিশ, ‘দ্য স্টোরি অফ পেইন্টিং, ১৯৫০।‘বৃষ কক্ষ (হল অফ ব্যুলস) ল্যাসকো গুহাচিত্র, ফ্রান্স : পুরাতণ প্রস্তরযুগের এই গুহাচিত্রটি (এখানে ছবিতে মূল গুহাচিত্রের অনুকৃতি বা রেপ্লিকা দেখা যাচ্ছে) খ্রিষ্ট পূর্ব ১৬,০০০-১৪,০০০ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে আঁকা হয়েছিল বলে অনুমান করা হয়। চিত্রটির দৈর্ঘ্য ৪৪.২৫ ফুট। ১৯৪০ সালে চারটি বালক বনে খেলার সময় নিতান্ত আকষ্মিকভাবে দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের ল্যাসকোর এই গুহা আবাসন আবিষ্কার করেছিল বা খুঁজে পেয়েছিল বলাই ভাল। প্রায় ১৭,০০০ বছর আগের ৬০০ ছবিতে ভরা এই গুহার দেয়ালগুলো নানা জাতের ... ...
যে কোন লেখ্য বস্ত বা কনটেন্টের ‘বক্তব্য‘ নিয়ে পাঠকভেদে মতামতের ভিন্নতা থাকে বা থাকতেই পারে। কিন্ত লেখার মান ভাল হলে (মৌলিক বা অনূদিত যাই হোক না কেন) ঘোরতর বৈরীও সেটা প্রশংসা করবেন। যেমন, এই অন্তর্জাল পত্রিকাতেই ‘কালী স্তব‘-এর ইংরেজি অনুবাদ আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে অসাধারণ মনে হয়েছে। একই অনুবাদক জেমজ জয়েসের রচনায় একাধিক প্রেমপত্র অনুবাদ করেছেন। সেই ‘প্রেমপত্রে‘র কনটেন্ট নিয়ে দুই কিশোর-কিশোরী সন্তানের অভিভাবক হিসেবে যতই মনে দ্বিধা থাক, অনুবাদকের ভাষা জ্ঞান খুবই ভাল। ভয়ানক অশালীন ও ভয়ানক রগরগে চিঠিও বাংলা ভাষার খুব কান্ডজ্ঞানসম্পন্ন ব্যবহারের কারণে তবু একবার চোখে বুলানো যায়। তবে, আজ জেমস জয়েসের দ্বিতীয় যে প্রেমপত্র অনুবাদক অনুবাদ করেছেন- ... ...