শ্রীমল্লার বলছি কে?
শ্রীমল্লার বলছি কী? জল থইথইঝুপ্পুস ঘুমডাক শুনবই‘aaj indoor’থাক বিন্দাসআন নিন্দেসব ঠিকঠাকতোর মন নেই‘ধুস্ সর তো!’প্রেমনিশ্বাস...‘ডাক শুনবই, এই বিশ্বাস...’ ... ...
দেখা করব ব’লেআমি যাচ্ছি চ’লেহেরে হাঁটছি একাজিতে যাচ্ছি একামেঘ হাসছে দূরেছায়া চাইলে ওড়েরেখে যাচ্ছি লেখাহেরে হাঁটছি একাচ’লে যাচ্ছি দূরেদেখা করব ব’লেত্যাগে চলছে জীবন,ত্যাগে চলতে পারে...চ’লে যাচ্ছি দূরেআমি যাচ্ছি উড়ে...জিতে যাচ্ছি পুড়ে ... ...
আমি ছিলেম তোমার খেলার সাথীতুমি ছিলে দহন অনুভাবকঘুড়ির মতোই এখন আকাশ কাটিসবাই বলে এসব আমার নাটকআমি ছিলেম তোমার খেলার সাথীতুমি ছিলে অন্ধ অনুভাবকআমায় তুমি করতে পারো বাতিলআমরা তবু এই সময়ের চাকর ... ...
ছোটবেলার কথা মনে পড়ে। যখন খুব দুষ্টুমি করতাম, ঠাম্মি তখন গুড়ের নাড়ু বের ক’রে আনতো প্রাচীনবয়স্ক সে কোন এক কৌটো থেকে।মা থাকতো দূরে। দূরে মানে কলেজে৷ মা’কে সেভাবে কাছে পাইনি। বাবা তখন আরও ভাল চাকরির নেশায়,আরও ভাল প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই বাবাকেও পাইনি, কাছে। মা কলেজ ছাড়াও নিজের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সে কী এক ভীষণ ব্যস্ততায় রাখত নিজেকে...! যেমন রাখে, আজও। মায়ের যে নিজের একটা ছেলে আছে, সে কথামা ভুলেই যেত...! হয়তো, হয়তো কেন? আজও ভুলেই থাকে।এতসবের পরে, মা’বাবা যখন ঠোঁটে ঠোঁট রেখেচুমু খায়—আমি তখন আমার রাতের খাবার ফেলে রেখে,চোখ নামিয়ে নিজের ঘরে এসে দরজা বন্ধ ক’রে, আলো নিভিয়ে দিই। আমার ঘরের। মা’বাবা সেদিকে তাকিয়েও দ্যাখে না। ... ...
উড়িছাদএরই মধ্যে ঢুকে গ্যাছে,গোপনগন্ধকিছু।গোপনই আমার ভাল। গোপনেই, উড়িছাদ।ঘনিষ্ঠজড়াবসেকথা আমি ভুলতে পারব না।ভুলতে চাইও না।যখন পড়বে মনে–তখন একটিবার, ঘনিষ্ঠজড়াব!এখন বড় হ’য়ে গেছিবাজারমুদিখানাসাইকেল—যেতে আসতে হাসিবিনিময়।এখন বড় হ’য়ে গেছি, পারব না ছোট হতে তাই।ধ্বংস, ধ্বংসইজলের ছাপ। কালরাতে ধ্বংস এসেছিল।ধ্বংস যখনই আসে,আমরাও ভাবি লড়ে জিতব।ধ্বংস একাই পারে–ক’রে দিতে আমাদের ধ্বংস!বিপদপ্রস্তুতিআকাশছাদ, আকাশলোক।বারান্দা, পুজোর ঘর।মাথায় ছাদ,আচমকা আচমকা আচমকা! ~ গুরুচণ্ডা৯ তে ১৭ জুন ২০২৫ তারিখে প্রকাশ করা আমার প্রথম কবিতাগুলো! কবিতাগুলো একসময়ে আমারই লেখা। অথচ কবিতাগুলোকে আজকে দেখলে, কত যে বেশি একাবোকা দেখায়! ... ...
আমাকে আমার মতো ভাবতে ব'লে তুমি- গিয়েছ ঝড়ের মতো। আসবে না তুমি। এখন পাখিরা শুধু ফুল নিয়ে ভাবে-আয়ু তো আহাম্মক। বলাকা ভাবাবে। জীবন অচেনা। দেখি সমারোহ পাতার, বৃষ্টি আসে ক্ষত নিয়ে। অনন্যবারতার। গিয়েছ ঝড়ের মতো। মাধুর্যে থাকি।বিকেল সবুজে নীল। ব্যথাও একাকী। ... ...
তোমাকে ভালবেসে,সহসা কাছে এসে–বিপদে জ্ব’লে আছে, তেপান্তর...আমারই ভুল ছিল,হেরেছে কাক চিলও–এখন মন মানে, সততাজ্বর। কেটেছে সুখবায়ু,নিজের মুছে আয়ু–না জানি দিন কেন, মিলনছেদ...তোমাকে ভালবেসে,সহসা কাছে এসে–যাব না দূরে আর। এটাই জেদ... ... ...
বাহু তুলে উন্মনে একা। বিরহে জটিল নবাগত... আজকে যে ভুলে গেছে তোমায়, চাইলে কিসে তোমার হ’তো?বাহু তুলে মৃত্যুআহত। পরিচিতি বাড়ানোই কাজ।আজকে যাকে ভাল লাগে, কালকে তাকেভুলে যাওয়া কাজ।অনর্থক এই বহির্সাজ। খাবারের খোঁজে এসে পিঁপড়ে জানে না, ফের ফিরবে কিনা ঘরে সে আজ। ভাতে নেই মাগন্ধ। সময় এক অপূর্ব জাহাজ। ... ...
বৃষ্টি থেমে যেতে যেতে রোজ---দেখেছি জলের কাছে এতবড় বাড়িও সহজ।বাবা মা’র মাঝখানে আমি একা পার্থিবশোক।তবু আমি মা-বাবার রোজ। এতবড় বাড়িটারও, জলে মন নেই---তবু জল তার নিয়ে যায় খোঁজ।মা জানে আমার প্রেম, হেরে গিয়ে উঠে আসে রোজ।বুকের মধ্যে ভয়। আর আমি যতই হই---বাবার প্রেমের কাছে মেনে নিই পরাজয় রোজ।আমি আর কোথায় সহজ? ... ...
তাকে তুমি আটকে রাখো ঘরে। ম’রে যাক অন্ধঅনাহারে...সবটুকু নিয়েই তো জীবন। ভালবাসা কিনতে এসে জানি, মৃতপ্রায় গোধূলিরমণী। বয়স্ক, আদিম এই শ্রাবণ... তারকা মহাত্মা। তবু সফল। তৈরি হ’য়ে ওঠে মৃতআদল। বিপরীতে স্নিগ্ধ নম্রযোনি। এ সময় তুলতে এসে হাতে, কবিরা ম’রেছে অপঘাতে। বিজ্ঞাপনের দিকে উড্ডীন, ভ্রাম্যমাণ জয়–মায়ের ঠোঁটের দিকে তাকাই না। অজানা এক ভয়... ... ...