albert banerjee কে?
albert banerjee কী? আজ রাতে তৃতীয় ছায়া আমার সামনে দাঁড়িয়ে, তার মুখ অর্ধেক মোমবাতির আলোয়, অর্ধেক অন্ধকারে, তার হাতের আঙুলে একটি ছুরি ঘুরছে, সেই ছুরির ফলা থেকে বিন্দু বিন্দু রক্ত পড়ছে – কার রক্ত? জানি না, হয়তো তার নিজের, কারণ সে এতটাই হিসাবি যে নিজের মাংসও কেটে পরীক্ষা করে দেখে কতটা সহ্য করতে পারে। তৃতীয় ছায়া বলে, আমার দিকে না, শূন্যে, যেন কেউ তাকে প্রশ্ন করছে, আর সে উত্তর দিচ্ছে – “হয়তো বনে যাবার আগে রাজপুত্র তার পুত্রকে হত্যা করবে। হয়তো সে তার পুত্রকে বন্দী করবে, অপমান করবে, ব্যবহার করবে অস্ত্র হিসেবে, সেই অস্ত্র দিয়ে আঘাত করবে আমাদের, তার শত্রুদের, তার প্রাসাদ দখলকারীদের। যদি ... ...
এই সিংহাসনের একটার যার ওপর বসে আছে সে – যে রাজা নয়, রাজপুত্র হওয়ার ভান করে, যে পুরুষ নয়, পুরুষের ছদ্মবেশ ধারণ করে, যে একটি ফাঁকা খোলস, যার ভিতর দিয়ে হাওয়া বয়ে যায়, শীতল হাওয়া, যা বহন করে আনে তার রানির আর্তনাদ, সেই আর্তনাদ যা তার জন্য নয়, অন্য পুরুষদের জন্য, যারা তার সামনেই তৃপ্ত করে তার রানিকে, প্রতিদিন, প্রতিরাতে, প্রতিপ্রভাতে, যখন সূর্য ওঠে আর সে দেখে তার শয্যা খালি, তার শয্যার ওপর অন্য পুরুষের ঘাম, অন্য পুরুষের লোম, অন্য পুরুষের বীর্যপাতের দাগ, যা সে চাটতে চায় না, কিন্তু চোখ বন্ধ করলেও তার নাকে লাগে সেই গন্ধ – নোনতা, মিষ্টি, ... ...
আমি সেই যে দেয়ালের ফাটল দিয়ে দেখে, কান পেতে শোনে, নাক দিয়ে টের পায় মিথ্যার গন্ধ, যা শ্বাসের সাথে মিশে যায়, রক্তে দ্রবীভূত হয়, আমাকে আরও ক্ষুধার্ত করে তোলে। আজ রাতে প্রাসাদের অন্তঃপুরে জমা হয়েছে ছায়ারা, তারা ফিসফিস করে, তাদের ঠোঁট নড়ে, কিন্তু শব্দ বেরোয় না, শুধু বাতাসের কম্পন, যা আমার কানে পৌঁছায়, আমার মস্তিষ্কে অনুবাদ হয়, একটি পরিকল্পনার আকারে – সেই পরিকল্পনা যার কেন্দ্রে সে, যাকে বনে যেতে হবে, নইলে কয়েকজন মানুষ তাকে হত্যা করবে, গোপনে, নিঃশব্দে, ছুরির আঘাতে, বিষের ফোঁটায়, শ্বাসরোধের দড়িতে। আমি তাদের দেখি। তারা মোমবাতির আলোয় দাঁড়িয়ে, তাদের মুখ অর্ধেক আলোকিত, অর্ধেক অন্ধকারে ঢাকা, যেন তারা নিজেরাও ... ...
আমি খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত। ক্লান্তি আমার বোন, ক্লান্তি আমার মা, ক্লান্তি আমার একমাত্র সন্তান, যাকে আমি প্রতিদিন জন্ম দিই, প্রতিরাতে হত্যা করি, প্রতিভোরে আবার গর্ভে ধারণ করি। সোনাগাছির পর গিয়েছিলাম ঢাকার নিমতলি, সেখানকার অন্ধকার গলিতে, যেখানে ভ্যানগাড়ির চাপায় পিষ্ট শিশুদের রক্তের দাগ মিটমিট করে রোদের আলোয়। সেখানে কাজ করেছিলাম তিন রাত, পতিতার বেশে, তালুতে মেহেদি, চোখে কাজল, গলায় ফুলের মালা, পায়ে রূপোর বালা। এসেছিল অনেক পুরুষ, কিছু বাঙালি, কিছু বিহারি, কিছু পরবাসী, তাদের শরীরে আছে ব্যথা, তাদের চোখে আছে জল, তাদের হাতে আছে টাকা, টাকার বিনিময়ে তারা কিনে নেয় আমার শরীরের কিছু অংশ, কিছু সময়, কিছু মিথ্যে আদর। আমি তাদের ... ...
মাননীয় আপনি শুধু B.J.P নয় ট্রটস্কিবাদী হিসাবেও নাকি পরিচিত।[প্রাথমিকভাবে ট্রটস্কিবাদে আকৃষ্ট পরে ইংল্যান্ডে থাকাকালীন থ্যাচারপন্থী হয়ে ওঠেন।*]আমি নিজে ট্রটস্কিবাদী এবং ভারতে যে মূল সমস্যা গুলো দেখা যায় এর সাথে আপনি ও আশা করছি একমত হবেন ১. ব্যাংক, বীমা, এবং বৃহৎ শিল্পের জাতীয়করণ।২. ভূমি সংস্কার ও কৃষি সমবায় গঠন।৩. নারী শ্রমিকদের সমান মজুরি ও কাজের সমান সুযোগ।৪. বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মের গ্যারান্টি।৫. বিনামূল্যে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ও নূন্যতম খাবারে যোগান। এই সমস্যা সমাধানের জন্য আপনিকি চেষ্টা করবেন? যদি করেন তাহলে SOP টা কি হবে তা কি পাবলিকলি প্রকাশ করবেন? যদি না করেন তাহলে বলবেন কি কারণে এই মৌলিক সমস্যা গুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন ?না কি সাবাল্টার্ন স্টাডিজ এর ... ...