Malay Roychoudhury
গ্রাহক হন
সঙ্ঘ পরিবার সবচেয়ে বেশি ভারত ও ভারতীয়ত্ব বিরোধী। ভারত মানে বহুত্ববাদ, ভারত মানে বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য, ভারত মানে মিলেমিশে থাকা। সঙ্ঘ পরিবার ভারত তো বটেই হিন্দু ধর্মেরও কলঙ্ক। এক সম্প্রদায় ( নাগপুরি ব্রাহ্মণ), এক ভাষা, এক খাদ্যাভ্যাস ভারতীয় ধারণার বিরোধী।ভারতের হিন্দুদের খাদ্যাভ্যাস বিচিত্র।এমনকী বেদ উপনিষদে বর্ণিত খাদ্যাভ্যাসের বিরোধী সঙ্ঘ পরিবার ও তার শাখা সংগঠন ভাজপা। রামায়ণ একটি সুলিখিত মহাকাব্য। তার বর্ণনা অনুযায়ী রামচন্দ্র এবং সীতা তো নিরামিষ খেতেন না। রীতিমতো বহু ধরনের মাংস খেতেন। এবং সঙ্ঘ পরিবারের বেছে বেছে আপত্তি করা একটি বিশেষ মাংসের রুচি ছিল বলেই তো রামায়ণ বলছে।মহাভারত। আরেকটি বহু পঠিত বহু শ্রুত মহাকাব্য।তাতে 'অনুশাসন' অংশ পড়লে কী পাবেন।পিতৃআত্মা তো ... ...
শ্রডিঙ্গারের বিড়ালের মতোশিরদাঁড়া শত শতধার্মিক বিষেবন্দী বাক্সেজীবন্ত নাকি মৃত!? ... ...
কুবের তো নই, তাই উবের চড়তে ভয়। ওলা? আছে টাকার ঝোলা? নেই। তাই রাপিড। সে তো খাপিড। টাকার অঙ্ক বাড়াইয়া দিলে তবে যাইব। বাড়াইয়া দিব! তো খাইব কি? বাজার আক্রা। কে কথা বলবে? তখনো কে কে পর্ব আসে নি। মৌন মুখর হয়ে উঠবে মুখবদন-- কে জানতো। ফেসবুকে সাড়া পাইনে, কে কে সাইনে বুঝিলাম -- উহারা সব লক্ষ্য করিয়া থাকেন, 'উপর্যুক্ত' নরম সরম লক্ষ্যবস্তু পাননি বলিয়া চরম অসন্তোষে ছিলেন। এইবার মিলিয়াছে। ইউরেকা ইউরেকা। সহি 'ভারতিয়' হইবার পেরমাণ দিবার নাগপুরিয়া বা এম্নিপুরিয়া অনুপ্রেরণা জুটিয়াছে-- খাপ আর খাপ খাইয়ে নিতে পারলেই লাইক লাইক লাইক।আমি তো চৈতন্য অনুপ্রেরণার মানুষ। মাথা ঝোঁকানো হাত তোলা লোক। উবেরে ... ...
তিমির যদি সর্বগ্রাসও করে-নয়নে রবে মূর্ত আলোর দিশা;শান্তি যখনই ধর্ষিতা সমরে -শতাব্দী প্রাণে শাশ্বত ভালোবাসা! ... ...
শুন শুন সুধীজন উলট্ পু্রাণকর্ণের অভিষেকে কুন্তী করেন দান! দূর্যোধন শিবিরে অর্জুন কুলাঙ্গারঅঙ্গরাজ্যে গদ্দারের নেই অধিকার। সোজারথে যায় সবে উল্টোরথে ফেরেকোন ফুলে মধু আর কোন ফুলে কীড়ে? কে যে শত্রু ঠিক নেই কুরুক্ষেত্র করিধৃতরাষ্ট্র জন্মান্ধ আমরা ঠুলি পড়ি!! ... ...
'অঞ্জলি লহ মোর...**************ঘুমাও 'কামাল পাশা'বাঁশি ধরবে তান -মুখর হবে জলসা'গাহি সাম্যের গান... ... ...
বাঙাল-ই ও কাঙাল-ই বদলে যাচ্ছে নাকি বদলে ফেলা হচ্ছে, কলকাতার রাস্তাঘাটের বাণিজ্যিক মানচিত্র। আশির দশকে নতুন দোকান বলতে মনোহারি নয় ভিডিও পার্লার, ক্যাসেট বা জুতোর দোকান। নয়ের দশকে বাড়ল কম্পিউটার দোকান। অল্প। আর চলল টেলিফোন বুথ। একুশের প্রথম দশকে সোনার দোকানের বিজ্ঞাপন বাড়ল। বাড়ল একটু একটু করে মোমো ও বিরিয়ানি দোকান। এখন পাড়ায় নতুন দোকান মানে বিরিয়ানি মোমো সোনা মিষ্টি বা কেকের দোকান।বাঙালি খাবারের দোকানও বেড়েছে। তবে পাড়ার মোড়ে নয় শহরের নানা জায়গায়।এছাড়া বাড়ছে চা ও সিগারেটের দোকান।বাঙালি তাতে নেই। সিকঞ্জি মেলে মেলে ঠান্ডা ও উষ্ণ পানীয়।নগরে উষ্ণতা বাড়ছে। বাড়ছে ম্যাসাজ পার্লার। বাঙালিনী ম্যাসেজকারিণী। খদ্দের বেশি ভিন্নভাষী।নগরে বাঙালি কমছে। সল্ট লেক ... ...
কংগ্রেস মানেই তখন নিন্দার বিষয়। সিপিএমের চোখে। আমাদের চোখেও। রাজীব তো আরো সর্বনাশা! মডেল স্কুল, কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি, গ্যাট চুক্তি, প্ল্যাস্টিক আমদানি, স্যাম পিত্রোদা-- রাতদিন মুন্ডপাত। এরপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো এল বোফর্স চুক্তি। চোর চোর ধ্বনিতে মেদিনী কম্পিত।১৯৯১ এর ৭ মে আসানসোল পোলো গ্রাউন্ডে প্রথম দেখলাম সাংবাদিক হিসেবে। বেশ কাছ থেকে। দেখে মনে হল, ইনি আর যাই হোন চোর নন। স্বপ্ন দেখা চোখ। জনতা উন্মাদ তাঁকে ছুঁতে চেয়ে। তিনি ছুঁতে দিচ্ছেন। জনতার সঙ্গে মিশে এগোচ্ছেন। মনে হল, এতো ভয়ঙ্কর ভয়ের বিষয়। যে কেউ মেরে দিতে পারে। এভাবে নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে জনতার মাঝে।ঠিক দু সপ্তাহ পর ২১মে কাগজের অফিসে বসে ... ...
রামের সাথে মোহন জুড়েরদ করলেন সহমরণ;সেই রামেরই মোহন সরে শুরু হলো সবার মরণ!! ... ...
নীল-দীঘিতে ঝপাং করে শব্দ সন্ধ্যাকালেসঙ্গে সঙ্গে কালবৈশাখী ঝড়;ভেসে উঠলো কবিতা'দির লাশটা সকালেদূরদর্শনে অকাদেমির খবর!! ... ...